Author: desk

  • সিরাজদিখানে হাউজিং ব্যবসা নিয়ে ফের দুগ্রুপের সংঘর্ষ,বাড়ীঘর ভাঙচুর আহত ৮

    সিরাজদিখানে হাউজিং ব্যবসা নিয়ে ফের দুগ্রুপের সংঘর্ষ,বাড়ীঘর ভাঙচুর আহত ৮

    মোঃ‌লিটন মাহমুদ (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:

    মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বালুরচর ইউনিয়নে হাউজিং ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুইগ্রুপের সংঘর্ষে এলাকায় ফের রণক্ষেত্র পরিণিত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ভোর সাড়ে ৬ টায় উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের খাসকান্দি বেগম বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কামিজুদ্দিন কামুর নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের প্রায় ১০ টি বাড়ী ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ৮ জন । পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে । বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে ।
    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায় ,পুর্ব শত্রুতার জেরে ও হাউজিং ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এশিয়ান নিরাপদ সিটির বাতেন হাজী ও আল ইসলাম এর সাথে দক্ষিনা গ্রীস সিটির সুমন মিয়া ও কামিজুদ্দিন কামু গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধে চলে আসছে । এ নিয়ে গত এক মাসে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে । মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬ টায় দক্ষিনা গ্রীন সিটির সুমন মিয়া ও কামিজুদ্দিন কামু গ্রুপের লোকজন প্রতিপক্ষ আল ইসলাম,খালেক মিয়া,জব্বার মিয়া .মো.শাহ আলী ,দ্বীন ইসলামসহ প্রায় ১০ জনের ১৫ টি বাড়ীঘর ভাংচুর করে এতে খালেক,আহসান,রাজ্জাক নামে ৩ জন টেটাবিদ্ধসহ আহত হয়েছে ৮ জন । টেটাবিদ্ধ আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বাকীরা বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েছেন ।

    সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ একে এম মিজানুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন ,ভোর সাড়ে ৬টায় কামিজুদ্দিন গ্রুপের লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়ী ঘরে হামলা চালায় । এতে বেশ কয়েকটি বাড়ী ভাঙচুর করেছে । বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে । পুলিশ মোতায়েন আছে । আহতদের ঘটনা এখনো সঠিক বলতে পারছিনা । হাউজিং ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মূলত কয়েকদিন পর পর এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ।

  • কনস্টেবল পদে শুধুমাত্র যোগ্য ও মেধাবীদেরই চাকরি দেয়া হবে-পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম

    কনস্টেবল পদে শুধুমাত্র যোগ্য ও মেধাবীদেরই চাকরি দেয়া হবে-পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    “চাকরি নয়, সেবা”এই স্লোগানকে সামনে রেখে জয়পুরহাট জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগের দ্বিতীয় দিনের শারীরিক সক্ষমতা যাচাই (Physical Endurance Test) কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    সোমবার (২৭ শে ফেব্রুয়ারি) সকাল জয়পুরহাট পুলিশ লাইন্স মাঠে প্রথম দিনের উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু করা হয়।

    বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ-২০২৩ এর দ্বিতীয় দিনে শারীরিক সক্ষমতা যাচাই-(Physical Endurance Test (PET) এর ১ম ইভেন্ট (২০০ মিটার দৌঁড়),দ্বিতীয় ইভেন্ট (পুশ আপ), তৃতীয় ইভেন্ট (লং জাম্প), চতুর্থ ইভেন্ট (হাই-জাম্প)-এ বিভিন্ন কোটা ভিত্তিতে পুরুষ এবং নারী যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হয়।

    জয়পুরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে চাকরি প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্যে বলেন,বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল(টিআরসি) পদে নিয়োগ-২০২৩-এ শুধুমাত্র যোগ্য ও মেধাবীদেরই চাকরি দেয়া হবে। কনস্টেবল পদে নিয়োগ হবে অত্যন্ত স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত। যোগ্যতার পরীক্ষার্থীদেরই ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেয়া হবে।

    পুলিশ সুপার আরো বলেন,কেউ যেন কোন প্রকার প্রতারক বা দালাল চক্রের খপ্পরে না পড়ে এ বিষয়ে সকলকে সর্তক থাকার আহ্বানও জানান তিনি। এসময় জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

    নিরেন দাস,জয়পুুরহাট।

  • পুলিশের সহায়তায়  পাহারা বসানোর দাবী জেলাব্যাপী চোরের উপদ্রবে মানুষ অতিষ্ঠ প্রতিকার নেই

    পুলিশের সহায়তায় পাহারা বসানোর দাবী জেলাব্যাপী চোরের উপদ্রবে মানুষ অতিষ্ঠ প্রতিকার নেই

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ শহরের উপ-শহরপাড়ার কলেজ ছাত্র হারুন অর রশিদ পড়ার টিবিলের উপর মোবাইল ও মানিব্যাগ রেখে কিছু সময়ের জন্য পাশের রুমে যান। মুহুর্তের মধ্যে তার মোবাইল ও মানিব্যাগ উধাও হয়ে যায়। ছাত্রাবাসের বাইরে বেরিয়ে তিনি জানতে পারেন মহল্লার একাধিক বাড়িতে চোরে হানা দিয়েছে। একই পাড়ার সুমন ব্যানার স্ত্রী হেনা বেগম জানান, তিনি বাড়িতে ঢুকে দেখেন এক অপরিচিত মহিলা তার ঘরে ঢুকে আলমিরা ও ড্রয়ার তছনছ করছে। গৃহবধু মিনারা আসিফ জানান, তার ঘরের জানালা দিয়ে ড্রেসিং টেবিলের পেছন ভেঙ্গে চোরেরা জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা গ্রামের নাইমুল হকের মেয়ে সুমাইয়া চোরকোল গ্রামে মায়ের সঙ্গে ধর্মসভা শুনে এসে রাত ১২টার দিকে ঘরে শুয়ে পড়েন। রাত ৩টার দিকে তার গলায় থাকা সোনার চেইনটি চোরে ছিড়ে নিয়ে চম্পট দেয়। দরিদ্র ঘরের মেয়ে সুমাইয়াকে তার পিতা খুব কষ্ট করে আটআনা ওজনের সোনার চেইনটি বানিয়ে দিয়েছিলেন। একই গ্রামের নাজমুস সাকিব জানান, তিনি ঘরে শুয়ে ছিলেন। মধ্যরাতে একটি অপচিতি হাত জানালা দিয়ে তার মোবাইল নিতে উদ্যোত হলে তিনি চিৎকার করে উঠেন। এ ভাবে সারা জেলায় চোরের উপদ্রবে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। ঘরে চুরি হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকানে চুরি হচ্ছে। ঝিনাইদহের বিভিন্ন শহর থেকে মটরসাইকেল চুরি হচ্ছে। সংসারে অভাব অনটন ও ব্যবসায়ীক আর্থিক মন্দার মধ্যে জেলাব্যাপী এই চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে মানুষ। পুলিশ চোর ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করলেও পরিস্থিতি স্বভাবিক হওয়া লক্ষন নেই। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি ঝিনাইদহ শহরের পবহাটী গ্রামে দুধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সদর উপজেলার ঘোড়ামাারা গ্রামে একই চক্র ডাকাতি সংঘটিত করে। ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশের সাইবারক্রাইম বিভাগ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ১৯ ফেব্রয়ারি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ধুলোজোড়া গ্রামের রঙ্গু শেখের ছেলে শফিকুল ইসলাম, কান্দাকুল গ্রামের রমজান শেখের ছেল সুমন শেখ, মালিখালী গ্রামের রঙ্গু মোল্লার ছেলে মতজেল মোল্লা, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার রায়গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে আব্দুল জলিল, সদর উপজেলার বিজয়পুর গ্রামের আব্দুর রহিমের স্ত্রী আখিরন নেছা শিউলী ও মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা গ্রামের আলমগীর হোসেনের মেয়ে মেরিনা খাতুন বৃষ্টিকে গ্রেফতার করে। ডিবি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শফিকুল নামে এক ডাকাত সদস্য স্বীকার করে যে, তারা ডাকাতি মামলার হাজিরা দিতে ঝিনাইদহে এসে পবহাটী ও ঘোড়ামারা গ্রামে ডাকাতির কাজে অংশ নেয়। এদিকে গত ২১ ফ্রেব্রয়ারি মহেশপুর উপজেলার বোয়ালিয়া নামক স্থানে দিনদুপুরে রাস্তায় দড়ি বেধে ছিনতাই করা হয়। ঘটনার দিন ভারতগামী বাংলাদেশী যুবক রাসেল আহম্মেদ শাওনের প্রাইভেট কারটি থামিয়ে নগদ ৩০ হাজার টাকা, ৪টি মোবাইল, হাতঘড়ি ও স্ত্রীর সোনার চুড়ি এবং কানের দুল নিয়ে যায়। সাধুহাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী নাজির উদ্দীন এলাকাবাসির উদ্বৃতি দিয়ে গনমাধ্যমকর্মীদের জানান, সাধুহাটি গ্রামের ধর্মতলা পাড়ার খুশিদের একটি গরু চুরি হয়েছে। এছাড়া উত্তরনারায়নপুর স্কুল পাড়ার বাসিন্দা ব্যবসায়ী আজিজুলের নামাজে জানাাজা চলা মুহুর্তে তার প্রতিষ্ঠান থেকে ১২০ বস্তা চাল চুরি হয়েছে। এ ভাবে প্রায় জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছোটখাট চুরির ঘটনায় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, আর্থিক মন্দা ও দ্রব্যমুল্যের উর্ধ্বগতির কারণে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন গ্রামে ও পাড়া মহল্লায় পালাক্রমে পাহারা বসিয়ে প্রতিকার পাওয়া যেতে পারে বলে অনেকে মনে করছেণ। তবে এ ক্ষেত্রে পুলিশের পক্ষ থেকে ওয়ার্ড মেম্বর ও ইউপি চেয়ারম্যানদের নিদেৃশনা দিলে চুরির ঘটনা কমে আসতে পারে বলেও অনেকে মনে করছেন। এ বিষয়ে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশিকুুর রহমান বলেন, চোরের উপদ্রব রুখতে অভিযান জোরদার করা হযেছে। এছাড়া বিশাল জেলায় চুরি ঠেকাতে শুধু পুলিশের অভিযান বা টহল কার্যকর ভুমিকা রাখা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় এলাকাবাসী ও কমিউনিটি পুলিশের সম্পৃক্ততা দরকার। যে কারনে পুলিশের পাশাপাশি এলাকাবাসীদের জোটবদ্ধ হয়ে পাহারা দেয়ার ব্যাপারে পুলিশের পক্ষ থেকে পাড়া মহল্লায় সভা-সমাবেশ করার ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

  • খাদ্য গুদামের ৮৯ লাখ টাকার চাল আত্মসাৎ ঝিনাইদহ দুদকে এক খাদ্য পরিদর্শকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

    খাদ্য গুদামের ৮৯ লাখ টাকার চাল আত্মসাৎ ঝিনাইদহ দুদকে এক খাদ্য পরিদর্শকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ক্ষমতার অপব্যাহার ও দুর্ণীতির মাধ্যমে খাদ্যগুদামের ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুল্যের সরকারী চাল আত্মসাতের দায়ে শফিকুল ইসলাম নামে এক খাদ্য পরিদর্শকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিমনের ঝিনাইদহ সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বজলুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। শফিকুল ইসলাম ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর জামতলা পড়ার মঞ্জুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া খাদ্যগুদামে কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৮৯.৯৮ মেট্রিক টন চাল আত্মসাত করেন বলে অভিযোগ প্রমানিত হয়। দুর্নীতি দমন কমিমনের ঝিনাইদহ সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জাহিদ কালাম খবর নিশ্চিত করে মঙ্গলবার বিকালে জানান, ২০২১ সালের পহেলা এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাময়িক বরখাস্তকৃত খাদ্য পরিদর্শক ও ওসিএলএসডি শফিকুল ইসলাম বিশ^াস ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এই অপরাধ সংঘটিত করেন। এ বিষয়ে খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক চাল আত্মসাতের বিষয়ে চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। কমিটির সদস্য কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী, খাদ্য বিভাগের সহকারী রাসায়নবিদ ইকরামুল কবীর, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খোন্দকার তাজ উদ্দীন আহম্মেদ ও মাগুরা জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট যৌথ তদন্ত করে ২০২৩ সালের ৬ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে আড়পাড়া খাদ্যগুদামের ১২টি খামাল থেকে ৮৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৪৮ টাকা মুল্যের ১৮৯.৯৮ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের ঘটনা প্রমানিত হয়। তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সাময়িক বরখাস্তকৃত খাদ্য পরিদর্শক ও ওসিএলএসডি শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন ১৯৪৭ সালের ৪০৯ ধারা মোতাবেক এই মামলা দায়ের করে, যার মামলা নং ০১/২০২৩।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • গর্ভবতী স্ত্রীকে হত্যার দায়ে পাষণ্ড স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

    গর্ভবতী স্ত্রীকে হত্যার দায়ে পাষণ্ড স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার রসুলপুর গ্রামের যৌতুকের দাবিতে ৭ মাসের গর্ভবতী স্ত্রী লাইলী বেগমকে হত্যা দায়ে পাষণ্ড স্বামী জুয়েল কে মৃত্যদন্ডাদেশসহ (৫০) পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বিজ্ঞ আদালত।

    মঙ্গলবার (২৮ শে ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২ টায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২য় আদালতের বিচারক মো. আব্বাস উদ্দীন এ রায় প্রদান করেন।

    মামলার বিবরনে জানা যায়,দাম্পত্য কলহের জেরে ২০০৭ সালের ২৩ শে জুলাই রাতে জুয়েল তার ৭ মাসের গর্ভবতী স্ত্রী লাইলী বেগম কে যৌতুকের দাবিতে এলোপাতাড়ি মারপিট করলে ঘটনাস্থলেই লাইলী বেগম নিহত হন।

    ঘটনাটি ধামাচাঁপা দিতে তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে জুয়েল প্রচার করতে থাকে। এতে সন্দেহ হলে এলাকা বাসী পুলিশকে খবর দেয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে জুয়েল কৌশলে পালিয়ে যায়। পরের দিন নিহতের বড় বোন রাবেয়া খাতুন ২০০৭ সালে ২৪ শে জুলাই ক্ষেতলাল থানায় উপস্থিত হয়ে এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ক্ষেতলাল থানার তৎকালীন এসআই আতিয়ার রহমান তদন্ত শেষে তিন জনের নাম উল্লেখ করে ২০০৭ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।বিজ্ঞ আদালতে দীর্ঘ শুনানি শেষে মঙ্গলবার জুয়েলকে মৃত্যুদণ্ডসহ পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা ও মামলার আরো দুইজন আসামী নিহত লাইলী বেগমের শ্বশুর-শাশুড়িকে খালাস এর আদেশ দেন বিজ্ঞ আদালতের বিচারক।

    মামলার রাষ্ট্র পক্ষের অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল-(পিপি) এ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামী পক্ষের আইনজীবী উজ্জ্বল হোসেন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন,আমরা এ রায়ের বিশেষে সন্তুষ্ট নয় তাই আমার এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।

    নিরেন দাস,জয়পুুরহাট

  • অবৈধভাবে সই নিয়ে মাদ্রাসা  কমিটি করার পাঁয়তারা করছেন অধ্যক্ষ মোজাম্মেল

    অবৈধভাবে সই নিয়ে মাদ্রাসা কমিটি করার পাঁয়তারা করছেন অধ্যক্ষ মোজাম্মেল

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়
    ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময়ের পর পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিলুপ্ত গাড়াতি ছিটমহলের প্রবেশ মুখেই গড়ে তোলা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আলীম মাদ্রাসা মাদ্রাসাটির নামকরণ করেন মফিজার রহমান নিজেই বড় আশা করি প্রতিষ্ঠালগ্ন দা দায়িত্বে রয়েছেন এর মধ্যে ঐশ্বরিক ক্ষমতার বলে অধ্যক্ষ মোজাম্মেল কমিটি নিয়ে তেলেসমাতি কারবার শুরু হয়
    শিক্ষক কর্মচারীদের পরিশ্রমে সাফল্যে দেখা মাদ্রাসাটিতে অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক শিক্ষক ও কর্মচারির হাজিরা খাতা গায়েব করার অভিযোগসহ মাদ্রাসা পরিচালনাতেও রয়েছে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।
    সম্প্রতি গত ২২ শে ফেব্রুয়ারি অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে পঞ্চগড় সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সাবেক সভাপতি মফিজার রহমান।
    অভিযোগে তিনি জানান, অধ্যক্ষ পূর্ণাঙ্গ ম্যানেজিং কমিটি নেই এডহক কমিটি মাদ্রাসা পরিচালনা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে । মফিজার রহমান বলেন আমি বাংলাদেশ ভারতের সমন্বয় কমিটির সভাপতি ছিলাম তৎকালীন সময়ে আন্দোলনে সমাবেশ মিটিংয়ে বক্তব্য দিয়েছিলাম কোন একদিন সিট মহল স্বাধীন হলে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ধরে রাখার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে নামকরন করব পরবর্তীতে দিন হওয়ার পরে এলাকাবাসী সহ ও সকলকে আলোচনা কালে উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে আমাকে দায়িত্ব নেওয়ার দাবি ও আপত্তি জানায় তথাপিও অধ্যক্ষ মোজাম্মেল মাদ্রাসা পরিচালনায় বিভিন্ন অনিয়ম ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় এন কারণে মাদ্রাসাটি অচল অবস্থা কর্মাগত এগিয়ে চলছে এন অবস্থা থেকে উত্তোলনের একমাত্র মাদ্রাসাটির শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারী ও এই মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকগণ সহ সকলের মনোনীত প্রার্থীগণকে নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ম্যানেজিং কমিটি গঠনের জন্য একটি অভিযোগ করেন।বিষয়টি আপনার জন্য পঞ্চগড় সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম প্রামাণিক সাথে একাধিক বার অফিসে গেলে খুঁজে পাওয়া যায়নি মোবাইলে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি ।
    মফিজার রহমান অভিযোগে উল্লেখ করেন, অসত্য তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন করা ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮’ এর অনুচ্ছেদ ১৭.৩ এর পরিপন্থি। ১৭.৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্নাঙ্গ ম্যানেজিং কমিটি গঠণ না হওয়া পর্যন্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার সভাপতির স্থলে স্বাক্ষর করবেন। কিন্তু এসব নীতিমালা তোয়াক্কা না করে অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক কোন ক্ষমতাবলে গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের চেষ্টা করছে তা বোধগম্য না। ইতিপূর্বেও এই অধ্যক্ষের বিভিন্ন দুর্নীতি ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন সংশ্লিষ্ট সকলে ।
    মফিজার রহমান বলেন, আমি ছিটমহল স্বাধীন করে পরবর্তীতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করি। অথচ আমার অগোচরে অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক ধারাবাহিক ভাবে বিভিন্ন অনিয়ম ও ষড়যন্ত্র করেই চলছেন। এখনি তার ষড়যন্ত্রের লাগাম টেনে ধরতে না পারলে ভবিষ্যতে এই মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়বে বলে মনে করি।
    জানা গেছে, ছিটমহল বিনিময়ের পর পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের বিলুপ্ত গাড়াতি ছিটমহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আলিম মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন ছিটমহল আন্দোলনের নেতা মফিজার রহমান। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে মাদ্রাসাটিতে তার অবদান অসামান্য। এবতেদায়ী, দাখিল ও আলীম স্তরে মোট ৫৪ জন শিক্ষক-কর্মচারি নিয়ে পথচলা শুরু করে মাদ্রাসাটি। সকলের আন্তরিকতায় মাদ্রাসাটি সাফল্য পেতে শুরু করে। প্রতি বছর দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ফলাফল। সম্প্রতি মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত হয়েছে।
    মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানান, মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকেই অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক নানান ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। পুরনোদের বাদ দিয়ে নতুন করে নিয়োগ বাণিজ্য করতে চাচ্ছেন তিনি। তারা অভিযোগ বলেন, আমরা প্রতিষ্ঠানটিকে শুরু থেকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছি। অথচ অধ্যক্ষ মহোদয় আমাদের সঙ্গে কোন পরামর্শ না করেই একক সিদ্ধান্তে চলেন। আমাদেরকে চাকুরিচ্যুত করার নীল নকশা আটছেন তিনি। আমরা ২০১৫ সাল থেকে কর্মস্থলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে আসছি। অথচ গত ১৬ ফেব্রুয়ারী মাদ্রাসায় হাজিরা খাতা না পেয়ে উপস্থিতির স্বাক্ষর করতে পারিনি। শুধু তাই নয় অধ্যক্ষ নিয়মিত প্রতিষ্ঠানেই আসেননা, শুধু বাইরে থেকে মাদ্রাসাটি ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছেন।
    মাদ্রাসার সহকারি মৌলবী শিক্ষক নুর নবী বলেন, পড়ালেখা শেষ করে বড় আশা নিয়ে এখানে যোগদান করেছি। অন্য কোথাও চাকরির চেষ্টা করিনি। শুরু থেকেই সময়, শ্রম এবং অর্থ দিয়ে এখানে লেগে আছি। এখন যদি আমার জায়গায় অন্য কাউকে চাকরি দেয়া হয়, তাহলে বেঁচে থাকাই কঠিন হবে।
    তিনি বলেন, মারাত্মকভাবে হতাশায় ভুগছি। এরমধ্যেও নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে আসতেছি। চাকরিরও বয়স শেষ যে অন্য কোথাও চেষ্টা করবো। গত একবছর ধরে এসব চিন্তা করতে গিয়ে ঘুমাতেও পারছিনা।
    কমিটির নীল নকশা তৈরি করার জন্য উপাধ্যক্ষ এরশাদ আলী কাছ ,চাকরির বিলের বিষয়ে পিছনের দেওয়া তারিখ দিয়ে স্বাক্ষর করে নেন অধ্যক্ষ মোজাম্মেল একই ঘটনা রব্বানীর সাথে ও ঘটায় অধ্যক্ষ মোজাম্মেল।
    এবিষয়ে মোজাম্মেলের মুঠো ফোনে কথা হলে বলেন কে কি বলে বলুক এগুলো তাদের ব্যাপার।
    এদিকে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার
    বরাবরে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর পিতা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম পিতা মৃত আফাজ উদ্দিন ইয়ার পাড়া অধ্যক্ষ মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আলিম মাদ্রাসার গোপন কমিটি এবং পছন্দমত প্রার্থী নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার যে পায়তারা চালাচ্ছে তা বন্ধ করে স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটির গঠনের অনুরোধ/ অভিযোগ করেন।
    এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদুল হক এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তদন্ত চলছে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের কর্মচারী সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু ছাত্রছাত্রীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের কর্মচারী সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু ছাত্রছাত্রীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।

    পীরগঞ্জ সরকারী কলেজের কর্মচারী কলেজ গেটের সামনে ট্রাক্টর ট্রলির ধাক্কায় সুজন আহমেদ (২৬) নামে সরকারি কলেজের এক কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

    জানাযায়,তারই এক প্রতিবাদে ও কলেজ রোডে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন করেছে পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্রছাত্রী শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। সোমবার
    সকালে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    গত রবিবার সন্ধ্যায় পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে একটি দ্রæতগামী ট্রাক্টরের ধাক্কায় সরকারি কলেজে কম্পিউটার অপারেটর সুজন আহমেদের মৃত্যু হয়। এর প্রতিবাদে এবং সেই সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন করা হয়।

    এ মানব বন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন,সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃআব্দুল মতিন,কলেজ শাখা ছাত্রীলীগ সভাপতি রাজিউর রহমান রাজু,সাধারণ সম্পাদক হাসিনুর রহমান প্রমূখ।

    সে সময়,উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার নজির ও পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনর্চাজ জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে এসে দাবী বাস্তবায়নের আশস দেন।

    উল্লেখ,পীরগঞ্জ সরকারি কলেজ গেটের সামনে যানবাহন আটক করে টোল আদায় করা হয় এবং কলেজ রোড দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করে। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।তই দূর্ঘনা এড়াতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

  • নীলফামারীতে স্বর্ণের চালান এখন গলার কাঁটা

    নীলফামারীতে স্বর্ণের চালান এখন গলার কাঁটা

    মোঃ হামিদার রহমান ,নীলফামারীঃ
    নীলফামারীতে স্বর্ণের চালান আটক করে গলারকাঁটা হয়ে দাড়িয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আধিদপ্তরের।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের স্বর্ণ চালান আটককারী অভিযানিক দলের একজন সদস্য সিপাই মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করেছে সৈয়দপুর থানা পুলিশ।এরপর থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আধিদপ্তরে গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছে মাদক বিরোধী অভিযানিক দলটি।এর-ফলে ঘটনাটি ধ্রমজালের সৃষ্টি হয়েছে।
    মামলার এজাহার থেকে জানা যায় নীফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোপন সংবাদ পেয়ে অভিযানিক দলটি রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের সৈয়দপুর উপজেলার কামার পুকুর নামক স্থানে ইনতেফা বালাইনাশক প্রতিষ্ঠানটির সামনে ১১ ফেব্রয়ারী সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী (ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-৪১৯১) নাবিল পরিবহনে অভিযানিক দলটি তল্লাশী চালিয়ে ২০টি স্বণের বারসহ দু’জনকে আটক করে।২৩ দশমিক ৯৬ ক্যারেটের স্বর্ণের বারের প্রতিটির ওজন ১১৬ দশমিক ৬৬ গ্রাম।এই ২০টি স্বার্ণের ওজন ২হাজার ৩ শত ৩৩ দশমিক ২০ গ্রাম। যার বাজার মুল্য ২ কোটি টাকা।আটককৃত স্বর্ণ চোরাচালানের সদস্য ঢাকা মানিকগঞ্জ জেলার সিঈাইর উপজেলার গোবিন্দল ইউনিয়নের মোঃ সমন আলীর ছেলে আব্দুর রহিম (২৫) ও নুরু উল্লাহ’র ছেলে মোহাম্মদ উর্লাহ (২৬)।নীলফামারী মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক বিরোধী অভিযানে পরিদর্শক শফিকুল ইসলামের নের্তত্বে:সৈয়দপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার ভুমি মোঃ আমিনুল ইসলাম, নীফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিন, উপ-পরিদর্শক মোঃ এনামুল হক ,সহকারী উপ-পরিদর্শক আব্দুল মোতালেব মৃধা ,সিপাই মেহিদী হাসান ,শামিম, শাওন,নুর ইয়াছিন মুজাহিদ,জিয়াউর রহমান ,রবিন্দ্র নাগ, গাড়ী চালক আবুল কালাম আজাদ অংশ নেয়। অভিযান শেষে নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানিক দলের পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনেএকটি মামলা দায়ের করেন।এ ঘটনার মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম সৈয়দপুর থানায় দায়ের কৃত মামলার এজাহারে উল্ল্খে করেছেন:এ অভিযান পরিচালনাকালে সৈয়দপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার ভুমি মোঃ আমিনুল ইসলাম,নীফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।এই দুই কর্মকতার্’র ঘটনাস্থলের উপস্থিতি এজাহার নজরে পড়লে: ভুল সংশোধনে মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম ৯ দিনের মাথায় সৈয়দপুর থানায় এজাহার ভুল বর্ণনা শুদ্ধকরনে সাধারণ ডায়েরী করেন।ডায়রীর জিডি ট্রাকিং নং ৪২১১ এফ ইউ,জিডি নং ১২৩৬,তারিখ-১৯-০২-২০২৩। এ ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে ধুম্রজালে সৃষ্টি হয়।এ ঘটনায় নীলফামারী মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাই মেহেদী হাসানকে সৈয়দপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করলে। অভিযানিক দলের সদস্যদের মাঝে গ্রেফতার আতঙ্কে দিনাতি পাত করছেন বলে জানা গেছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে নীলফামারী মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিনের বলেন,ঘটনাটি ঘটে সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে আমি খবর পাই সকাল ১০টায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে। এরপর ১২ টা ৪০মিনিটে সৈয়দপুর থানায় আমি ও সৈয়দপুর উপজেলা কমিশনার ভুমি মোঃ আমিনুল ইসলাম উপস্থিত হয়ে । মামলা সংক্রান্ত কার্য্য সম্পাদন করে উদ্ধারকৃত ২০টি স্বর্ণের বার সহ আসামীদ্বয়কে সৈয়দপুর থানায় সোপর্দ্দ করা হয়।মামলার তদন্ত কর্মকতা সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম,:এ প্রতিবেদককে বলেন,আটক স্বর্ণের চোরাচালন সদস্য আব্দুর রহিম,মোহাম্মদ উর্লাহ ও রেয়াজুল ইসলাম আদালতে জবানবন্দি কালে তারা স্বীকার করেন: ঢাকা থেকে ৩০টি স্বর্ণের বার নিয়ে নাবিল পরিবহনে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। সৈয়দপুর কামার পুকুরে নীলফামারী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক বিরোধী অভিযানে স্বর্ণের চালনসহ দু’জনকে আটক করে। তাদের কাছে তল্লাশী চালিয়ে ২০ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে।এসময় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাই মেহেদী হাসান তাদের কাছে থাকা ১০ স্বর্ণের বার কেড়ে নিয়ে আত্বসাৎ করেন।এ তথ্যের ভিত্তিতে সিপাই মেহেদী হাসানকে সৈয়দপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।মামলার গতি’র প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারী কর্মকতার্ বলেন, তদন্তে র স্বর্থে আরো কেউ জড়িত হবে কি-না তা এই মহুর্তে বলা যাচ্ছে না।
    জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম বলেন,স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে জড়িতদের খুঁaজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • মধ্যনগরে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা  সভা অনুষ্ঠিত

    মধ্যনগরে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    শান্ত তালুকদার প্রতিনিধি:

    সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ২৮ ফেব্রুয়ারি রোজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টার সময় উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর ইসলাম ,ওসি জাহিদুর হক নাজমুল, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমান হোসেন বিপ্লব, মধ্যনগর বি. পি.স্কুল এন্ড কলেজে এর অধ্যক্ষ বিজন কুমার তালুকদার, মধ্যনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি কুতুবউদ্দিন তালুকদার, যুবলীগের সভাপতি মোস্তাক আহামেদ, উত্তর বংশীকুন্ডা ইউ.পি চেয়ারম্যান নূর নবী তালুকদার,পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি দেবল কিরন তালুকদার, মহেষখলা, মোহনপুর, ক্যাম্পের বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার , উপজেলার দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ ও মধ্যনগর প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক অনুপ তালুকদার প্রমুখ।

    বক্তারা নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলায় আইন শৃঙ্খলা উন্নতি ও অবনতির বিষয় গুলো তুলে ধরেন। মধ্যনগর উপজেলার বিভিন্ন বিলে অবৈধ ভাবে শুকিয়ে মাছ ধরে আগামী দিনের মাছের প্রজনন এ বিপুল সংখ্যক হুমকির মুখে দাঁড়াতে পারে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এই বিষয় নিয়ে ওসি জাহিদ হক নাজমুল বলেন আইনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে । এবং পরিশেষে বক্তারা এলাকার যাতায়াতের ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাগুলো মেরামত করার জন্য সরকারের কতৃপক্ষের কাছে দাবী করেন , এলাকার সীমান্তে নজর দাড়ি বাড়ানো ও ইভটিজিং সহ অপরাধ অরাজকতার বিরুদ্ধে ব্যবস্হা গ্রহন করে এলাকার পরিস্থিতি শীতল রাখতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপর থাকবে বলে প্রশাসন আশ্বাস দেন।।

    শান্ত তালুকদার
    মধ্যনগর, সুনামগঞ্জ

  • নড়াইলে ৪৪০ বস্তা টিএসপি সারসহ ট্রাক আটক করেছে থানা পুলিশ

    নড়াইলে ৪৪০ বস্তা টিএসপি সারসহ ট্রাক আটক করেছে থানা পুলিশ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে ৪৪০ বস্তা টিএসপি সারসহ ট্রাক আটক করেছে পুলিশ। নড়াইলে অলোক কুন্ডুর ট্রাক ভর্তি ৪৪০ বস্তা টিএসপি সারসহ আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে শহরের মুচিপোল এলাকা থেকে ট্রাকটি আটক করা হয়। অলোক কুন্ডু ওই সার নিজের দাবি করলেও তাৎক্ষনিকভাবে তার পক্ষে কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সারসহ ট্রাকটি আটক করা হয়। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ জানায়, ট্রাকে সার রাতের আধারে পাচার করা হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যার পর যশোর-ট- ১১-৪১৫৮ ট্রাকটি মুচিপোলে পৌঁছালে ট্রাকটি থামালে চালক মিজানুর রহমান জানান অলোক কুন্ডু সার বোঝাই ট্রাকটি তার অফিসের সামনে রাখতে বলেছে। পরক্ষনে বলেন, একটি তেলের পাম্পে নিয়ে যেতে বলেছে। বিষয়টি সন্দেহ হলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মাহমুদুর রহমানকে জানালে পুলিশ পাঠান।
    এসময় সারের মালিক দাবি করা সার সিন্ডিকেট হোতা অলোক কুন্ডু এসে নিজের সার দাবি করে বলেন, সার মাইজপাজা ও কালিয়া যাবে। মাইজপাড়া এক সড়ক আর অন্য সড়কে কালিয়া কিভাবে যাচ্ছে। প্রায় একঘন্টাপর কিছু মেম নিয়ে আসেন তাতে অলোক কুন্ডুর কোন সার নেই। সার লোহাগড়ার ডিলার মিলন সাহার ৭৫ বস্তা এবং কালিয়ার সার ডিলার তপন দত্তর ৩৬৫ বস্তা সার।
    তাহলে অলোক কুন্ডুর কাছে সার, মেমো বা গেট পাস কেন এ নিয়ে ধ্রুমজালের সৃষ্টি হয়। আবার সরকারি সার গোডাউন থেকে রাতের আধারে ট্রাকে করে কোথায় যাচ্ছিলো ? ডিলারের কোন লোক নেই কেন ? ডিলারের প্রতিনিধি ছাড়া সার কাকে দেয়া হলো ?
    এদিকে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, সার সিন্ডিকেটের প্রধান অলোক কুন্ডুর নামে বে নামে সার ডিলার নিয়োগ দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে সার তুলে অন্য জেলায় কালো বাজারে বিক্রী করে থাকেন।
    নিয়ম রয়েছে এক জনের নামে একটি ইউনিয়নের ডিলার দেয়া যাবে। এ নিয়মের তোয়াক্কা না করে অলোক কুন্ডুর নামে মাইজপাড়া ও মুলিয়া ইউনিয়নের ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
    দুজন ডিলারের মধ্যে লোহাগড়ার উপজেলা কৃষি অফিসার জানান এই নামে কোন ডিলার নেই।
    এমন শত প্রশ্নের উত্তর খুজতে রাত ১০টার দিকে পুলিশ সুপার মোছাঃ সাদিরা খাতুনের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম কামরুজ্জামান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মাহমুদুর রহমান ঘটনাস্থলে আসেন।
    রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নির্দেশে ঘটনাস্থলে আসেন সহকারী কমিশনার(ভূমি) সদর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম আহম্মেদ। রাতে সারসহ ট্রাকটি আটক করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়। আজ মঙ্গলবার যাদের নামে সারের মেমো তাদের হাজির হতে বলা হয়েছে।
    ঘটনাস্থলে উপস্থিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান, সহকারী কমিশনার(ভূমি) সদর সেলিম আহম্মেদ, কৃষি অফিসার রোকোনুজ্জামান, ওসি মাহামুদুর রহমান।
    সহকারী কমিশনার(ভূমি) সদর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম আহম্মেদ নড়াইল বলেন, সারসহ ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার যাচাই বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম কামরুজ্জামাননড়াইল বলেন, সারসহ ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার যাচাই বাছাই করে পরবর্তি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।