মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নে হযরত শাহ্ ছিকন খলিফা (রহ:) এর বার্ষিক ওরশ শরীফ ও মাদ্রাসার সভা গত ৪ মার্চ (শনিবার) সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় হযরত চিকন খলিফা ছিদ্দিক আহমদ আলিম মাদ্রাসা, ছায়রা ছিদ্দিক এতিমখানা ও হেফজখানার ৩৩ তম বার্ষিক সভা, মিলাদ মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম অধিবেশনে সভাপত্বি করেন এসএস গ্রুপের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ¦ নুর মোহাম্মদ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন- চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর আবু জাফর চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন- ছনহরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
আলহাজ্ব আবদুর রশিদ চৌধুরী দৌলতী।
দ্বিতীয় অধিবেশন ওরশ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের এ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আমির হোসেন, এসএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরুণ শিল্পপতি সাইফুল ইসলাম সুমন, চিকন খলিফা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কাজী হাফেজ আহমদ আল কাদেরী, ছনহরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক মোহাম্মদ ইউনুচ, যুগ্ম আহবায়ক ওসমান আলমদার। আলোচনা সভার আগে সকাল ৭টায় মাজার শরীফ গোসল, সকাল সাড়ে ৭টায় খতমে কোরআন ও খতমে গাউছিয়া, রাত সাড়ে ৯টায় এশার নামাজ ও মুনাজাত, রাত ১০টায় মেহমানদের আপ্যায়ন, ভোর ৫টায় জিকির মাহফিল, আখেরী মুনাজাত ও সকাল ৭টায় তবরুক বিতরণ করা হয়।
Author: desk
-

ছনহরা চিকন খলিফা মাদ্রাসার বার্ষিক সভা ও ওরশ সম্পন্ন
-

রাণীশংকৈলে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌরশহরের মুক্তা মার্কেট ব্যাডমিন্টন কমিটি কর্তৃক আয়োজিত ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা শনিবার ৪ মার্চ রাত ৯ টায় অনুষ্ঠিত হয়।
মুক্তা সিনেমা হল চত্বরে আয়োজিত এ খেলায় রাণীশংকৈলের মুসকান স্পোর্টিং ক্লাবের জুটি তারেক ও প্রান্ত পীরগঞ্জ-১এর জুটি দোলন ও রেজুকে ২-০ সেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সাংসদ ও জেলা আ’লীগ সহ – সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, রানীশংকৈল আ’লীগ সহ সভাপতি মুক্তার আলম মুক্তা, সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহম্মেদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার বিপ্লব, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি সোহেল রানা, ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবু তাহের ,সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহাফুজা বেগম, আ’লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম, এ্যাডভোকেট শেখ ফরিদ, সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এম এ জাহিদ ইবনে সুলতান ও ফজলুল করিম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক আরথান আলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাকারিয়া হাবিব ডন, প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, সহ- সভাপতি হুমায়ুন কবির, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুজন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন রবিন ও সাদিদ আল সাইন,সাংবাদিক আবু জাফর প্রমুখ। খেলা পরিচালনা করেন সানি ইসলাম। পরে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ খেলোয়াড়দেরকে ট্রফি প্রদান করা হয়।গৌতম চন্দ্র বর্মন
ঠাকুরগাঁও -

ধামইরহাটে কথিত সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম প্রতারণার মামলায় কারাগারে
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি-
নওগাঁর ধামইরহাটে স্বাক্ষর জালিয়াতি ও প্রতারনার মামলায় ধামইরহাটের কথিত সাংবাদিক শহিদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। অন্যের স্বাক্ষর জাল করে পত্রিকার কার্ড ইস্যুর মাধ্যমে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়ার অপরাধে মামলা করে বিডিসি ক্রাইম নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আনিছুর রহমান। সেই মামলায় জামিন নিতে গেলে বিজ্ঞ আদালত কথিত সাংবাদিক নওগাঁর সদর উপজেলার বাচ্চু মন্ডলের ছেলে শহিদুল ইসলামকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা নং- সি আর ২৪৪/২২।
মামলার বাদী উপজেলার রইচ উদ্দিনের ছেলে মো. আনিছুর রহমান এর কৌশুলী এ্যাড. আশরাফুদ্দৌলা নয়ন জানান, আসামী মো. শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বাদী আনিছুর রহমান কর্তৃক আদালতে মামলা পরবর্তী ধামইরহাট থানা পুলিশের তদন্ত ও প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত আসামীর বিরুদ্ধে সমন ইস্যুর আদেশ দেন। আসামী শহিদুল ইসলাম নির্ধারিত ধার্য্য তারিখে আদালতে হাজির না হওয়ায় পরবর্তীতে আদালত আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ প্রদান করেন।
৫ মার্চ ২০২৩ (রবিবার) নওগাঁ আমলী আদালত-৯ এ স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে ন্যায় বিচারের স্বার্থে দন্ডবিধি ৪৬৫/৪৬৮/৪৭১ ধারায় শহিদুল ইসলামকে সি-ডাব্লিউ মূলে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ প্রদান করেন।
মামলার বাদী মো. আনিছুর রহমান রহমান জানান, বিডিসি ক্রাইম নিউজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান দাবী করে আমাকে শর্ত সাপেক্ষে নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়ে আমার অগোচরে আমার স্বাক্ষর জাল করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিডিসি ক্রাইম নিউজের পরিচয়পত্র দিয়ে সাংবাদিক নিয়োগ দিয়ে বিভিন্ন মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসছিলেন। আমি তাকে একাধিকবার সতর্ক করা সত্বেও সে আমার কথা কর্ণপাত করেননি। বিধায় আমি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি এবং পরিসমাপ্তিতে ন্যায় বিচার পাবো বলে আমি আশাবাদি।
বাদী আনিছুর রহমান আরও জানান, কথিত সাংবাদিক শহিদুল ইসলামের কোন একাডেমিক সনদপত্র নেই এবং সে বিভিন্ন সময় সম্পাদক, কখনো প্রকাশক, কখনো প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে থাকেন এবং সাধারণ সহজ-সরলদের ধোকা দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই তার মুল পেশা। বর্তমানে ধামইরহাটে আমাইতাড়া এলাকায় অস্থায়ীভাবে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। নিজের তথ্য গোপন রেখে বর্তমানে মাতৃজগত পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ম্যানেজারের দায়িত্ব পালনও করছেন কথিত সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম। তাকে কারাগারে প্রেরণ করায় স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।আবুল বয়ান
ধামইরহাট নওগাঁ। -

জহুরা খাতুন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান
রবিউল আলম।
পূবাইল (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল মাজুখানে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী জহুরা খাতুন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার ৪ মার্চ দিনব্যাপী জহুরা খাতুন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন ঐ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক আকরাম হোসেন মাস্টার। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ এম জাহিদ আল মামুন সাধারণ সম্পাদক পূবাইল থানা আওয়ামীলীগ। বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব খোরশেদ আলম।আব্দুর রশিদ অধ্যাপক পুবাইল আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। মারফত আলী দেওয়ান সাবেক অধ্যক্ষ হারবাইদ স্কুল এন্ড কলেজ। হাসানুল বান্না (মজু) আহ্বায়ক ৪০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।মোঃ মোস্তফা কামাল সাবেক পূবাইল ইউনিয়ন সদস্য সচিব স্বেচ্ছাসেবক লীগ। শেখ আব্দুল হালিম সভাপতি পদপ্রার্থী পুবাইল থানা যুবলীগ।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন,পূবাইল থানা কেজি স্কুল এসোসিয়েশন এর সম্মানিত সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন।এ এছাড়াও কেজি স্কুল এসোসিয়েশনের ৪০ নং ওয়ার্ড সভাপতি ও মেঘডুবী আদর্শ বিদ্যানিকেতনের পরিচালক মোঃ মকবুল হোসেন,অভিভাবক সদস্য মোঃ আজাহার হোসেন,মোঃআরিফ হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
-

ক্ষেতলালে দীর্ঘদিন ধরে এস এ কলেজের সামনে চা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছে ধলু
এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ প্রায় ত্রিশ বছর পূর্বে ১৯৯২ সালে ক্ষেতলাল সরকারি ছাঈদ আলতাফুন্নেছা কলেজের প্রধান ফটকের সামনে ছোট্টো একটি ক্যান্টিন গড়ে তোলেন বিভাষ চন্দ্র দেবনাথ (ধলু)। সেই থেকে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সততার সহিত ক্যান্টিনটি ধরে রেখেছেন তিনি। শত অভাব অনটনের মাঝেই সংসার চলে চা বিক্রি করে।
ধলু জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল পৌর এলাকার ফকিরপাড়া মহল্লার মৃত সুধির চন্দ্র দেবনাথ এর ছেলে। জীবিকার তাগিদে কলেজ গেইট এর সামনে ছোট্ট পরিসরে গড়ে তোলেন ক্যান্টিনটি। কলেজটি সরকারিকরণের পূর্বে এস.এ.কলেজ নামে পরিচিত ছিলো। সেই থেকেই ত্রিশ বছরের পুরনো এ ক্যান্টিনে পর্যায়ক্রমে বছর-বছর যেসকল শিক্ষার্থী বসে চা, নাস্তা করেছিল। তাদের মধ্যে অনেকেই আজ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে করেন চাকুরী। সকলের ভাগ্য পরিবর্তন হলেও পরিবর্তন ঘটেনি ধলুর ক্যান্টিনটির।
কলেজের পাশেই কয়েক বছর পূর্বে অস্থায়ীভাবে গড়ে উঠেছে ক্ষেতলাল পৌরসভা কার্যালয় এবং রয়েছে জীর্ণশীর্ণ ডাকবাংলো। ডাকবাংলোই নতুন আগন্তুক, কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী এবং পৌসভার স্টাফদের বরাবর চলাচল ঐতিহ্যবাহী এই ধলুর ক্যান্টিনে।
কলেজ-পৌরসভা সন্নিকটে রাস্তার পাশে মাটির তৈরি দেওয়াল, তার উপরে টিনের চালা দেওয়া ছোট্ট এ ক্যান্টিনে রয়েছে রকমারি সব খাবার দাবার। চা-বিস্কুট, পান-সিগারেট, মুড়ি, বুট, কলা ইত্যাদি। এছাড়াও ধলুর ক্যান্টিনের ঐতিহ্যবাহী দুটি খাবার রয়েছে একটি সন্দেশ; আরেকটি পেঁয়াজু। এই দুটি অবশ্য তিনি নিজের হাতেই তৈরি করেন। আরো রয়েছে মাটির কলসের ঠান্ডা সুমিষ্ট পানি।
ছোট্ট এই ক্যান্টিন থেকে যে আয় আসে তা দিয়েই চলে ধলুর অভাবের সংসার। একজনের উপার্জিত অর্থেই চলে সেই সংসার। পরিবারে রয়েছেন স্ত্রীসহ দুই সন্তান।
ক্যান্টিন মালিক ধলু জানান, আজ থেকে প্রায় ত্রিশ বছর পূর্বে এই ক্যান্টিন গড়ে তুলেছি। তখন আমি বিয়ে করিনি। এমনও দিন গেছে সারাদিনে মাত্র এক’শো টাকা বিক্রি করেছি। তারপরেও আমি এখন পর্যন্ত ক্যান্টিনটি ধরে রেখেছি। আগে লাল চা ছিলো দুই টাকা, কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের কাছথেকে নিতাম এক টাকা। এভাবেই চালিয়ে গেছি শখের এ ক্যান্টিন। এখন সময়ের বিবর্তনে চা পাঁচ টাকা দামে বিক্রি হয়। আমার ক্যান্টিনে বসে সময় কাটানো, চা-নাস্তা করা অনেক ছাত্র-ছাত্রী এখন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ে চাকুরী করছে। ধাপে ধাপে যত শিক্ষার্থী কলেজে পড়েছে, তারা এখনও এক নামে আমার এ ক্যান্টিনকে চিনে। সংসারের অভাব-অনটনের কারণে উন্নতভাবে গড়ে তুলতে পারিনি আমার এ ক্যান্টিন। যে আয় হয় তা দিয়েই কোনোমতে সংসার চলে।
তিনি আরো বলেন, জাতীয় সংসদের হুইপ ও জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি’র প্রচেষ্টায় কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকদের নিয়ে কলেজ মাঠে গত ৩-৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক ক্যাম্প-২০২৩। ওই ক্যাম্পে আসা অনেক শিক্ষক ছাত্রজীবনে তার ক্যান্টিনে সময় কাটিয়েছে। পোগ্রামের কারণে অনেক পুরাতন ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে তার দেখা ও কুশল বিনিময়ের সুযোগ হয়েছে।
কলেজে পড়া ১৯৯৮ ব্যাচ এর ছাত্র ও বর্তমান পৌর স্টাফ শামীম বলেন, আমাদের সময়ে আমরা ধলুর ক্যান্টিনে বসে অনেক সময় কাটিয়েছি। অবশ্যই আমাদের ব্যাচের পূর্বেও অসংখ্য ব্যাচ পার হয়ে গেছে যারা ধলুর ক্যান্টিনে বরারবের মত সময় কাটিয়ে গেছেন। -

বরগুনার তালতলীতে লাউপাড়া বৌদ্ধ বিহারে শ্রমন অভিষেক অনুষ্ঠিত
মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
বরগুনার তালতলীতে লাউপাড়া বৌদ্ধ বিহারে ৫ ই মার্চ রোজ রবিবার G.O.C কোম্পানি অর্থায়নে দায়ক মি:তেমেন ও দায়িকা মাসুইচিং এর আয়োজনে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় বৌদ্ধদের উপসম্পাদন প্রবজ্জা,শ্রমন অভিষেক ও বিহার দানোৎসব ২ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে ত্রিশরনসহ পঞ্চমশীল ও অষ্টম শীল গ্রহন,বৌদ্ধ পূজা, করা হয়।আগাঠাকুর পাড়া বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত উ ওয়ারাচামী মহাথের এর সভাপতিত্বে ধর্মদেশনা দান করেন টেকনাফ চৌধুরীপাড়া বৌদ্ধ বিহারের ভদন্ত
উ সানওয়ারা মহাথের, অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন বড়বালিয়াতলী বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ উপান্ডি মহাথের,কুয়াকাটা কলাচান পাড়া বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত উচোমানান্দা মহাথের ও উনান্দা ভিক্ষু,তালতলীপাড়া বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ উচান্দোভাচা,উধর্ম্ম বংশ ও উ ওরা ভিক্ষু প্রমূখ।উক্ত সভা পরিচালনা করেন মি:মংথিনজো উক্ত,ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তিন শতাধিক নারী -পুরুষ,দায়ক-দায়িকা উপস্থিতির মাধ্যমে সফল ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়।মংচিন থান
বরগুনা প্রতিনিধি -

বিকাশের আত্মসাৎ হওয়া ৭ লাখ টাকা পেয়ে খুশি ভুক্তভোগী কৃতজ্ঞতা জানান লক্ষ্মীপুর পুলিশকে
নাজিম উদ্দিন রানা ঃগত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার সময় নোয়াখালী জেলাধীন সুধারাম থানার ধন্যপুর সাকিনের জনৈক ফিরোজ আলম (৩৩) পিতা-নাদেরুজ্জামান, মাতা-নাজমা আক্তার তার কাসেম বাজার অবস্থিত অন্তরা টেলিকম বিকাশ দোকান হইতে ০৭ (সাত) লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন ১৮নং কুশাখালী ইউপি ছিলাদী সাকিনের তিনজন লোক ব্যাগসহ চুরি করে নিয়ে যাই।
পরবর্তীতে গত ০২ মার্চে ফিরোজ আলম বাদী হইয়ে পুলিশ সুপার লক্ষ্মীপুর বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে লক্ষ্মীপুর জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাহফুজ্জামান আশরাফ এর নিকট, পুলিশ সুপারের দিক-নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ সোহেল রানা ও অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ সাহাদাত হোসেন টিটো এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই/ জনাব মোঃ দুলাল মিয়া, এএসআই/ মোঃ নাজির হোসেন ও সঙ্গীয় ফোর্সদের ৯৬ ঘন্টার অভিযানের প্রচেষ্টায় ছিলাদী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আত্মসাৎ হওয়া নগদ ৭,০০,০০০/-টাকা উদ্ধার করে।
৫ মার্চ তারিখে উদ্ধারকৃত ৭,০০,০০০/- (সাত) লক্ষ টাকা প্রকৃত মালিক মোঃ ফিরোজ আলম কে তার টাকা গুলো বুঝিয়ে দেন মোঃ মাহফুজ্জামান আশরাফ, পুলিশ সুপার।
বাদী মোঃ ফিরোজ আলম তার বিকাশের আত্মসাৎ হওয়া টাকা ফিরে পেয়ে তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
-

গোবিন্দগঞ্জে ফেসবুকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারনার অভিযোগে নারীসহ গ্রেফতার ৫
রেজুয়ান খান রিকন, গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জ ভিকটিম মোঃ আপেল মাহমুদ(৩০), পিতা-মোঃ আজিজার রহমান, মাতা-মৃত রুনা বেগম, সাং-কচুয়া, থানা-সাঘাটা, জেলা- গাইবান্ধা এর সাথে আসামী ১। মোঃ রুবেল শেখ ২। মোঃ জুয়েল আকন্দ(২০) এর সহিত আসামীদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ১৫ দিন আগে পরিচয় হয়। তারপর পরস্পরের মাঝে সু-সম্পর্ক তৈরি হয়। সেই সুবাদে আসামীদ্বয় ভিকটিমকে ইং ০৩/০৩/২০ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ ঘটিকার সময় গোবিন্দগঞ্জ থানা এলাকায় মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে ডেকে নিয়ে আসে। তারপর ভিকটিমকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরির পর একপর্যায়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার চারমাথা মোড়ের নূর জাহান আবাসিক হোটেলে ২০৯ নং রুমে আটক করে রাখে। সেখানে আসামীকে প্রতারনা মূলকভাবে তার নগ্ন ছবি ও অশ্লীল ভিডিও তৈরি করার হুমকি প্রদর্শন করে এবং নগদ ১,০০,০০০/- টাকা চাঁদা দাবী করে। উক্ত টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠানোর জন্য ভিকটিমকে দিয়ে তার পরিবারের লোকজনদের উপর চাপ প্রয়োগ করে। তারপর টাকা নিতে দেরি হওয়ায় আসামীদ্বয় ভিকটিম আপেলকে মারপিট করে এবং নগদ ১৮,০০০/- টাকা ও একটি Realme c25 মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। ভিকটিমের পরিবারের লোকজন গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের শরনাপন্ন হইলে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মোঃ কামাল হোসেন পুলিশ সুপার সার্বিক দিক নির্দেশনায় উদয় কুমার সাহা,সহকারি পুলিশ সুপার, সি-সার্কেল গাইবান্ধার নেতৃত্বে মোঃ ইজার উদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ, গোবিন্দগঞ্জ থানা, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাৰ মোঃ বুলবুল ইসলাম, এসআই/ প্রলয় কুমার বর্মা, এসআই/মোঃ রাশেদুল ইসলাম, এএসআই/মোঃ রেজাউল করিম ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম মোঃ আপেল মাহমুদকে নূরজাহান আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার করে এবং আসামীদেরকে গ্রেফতার করেন।২য় ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
ভিকটিম মোঃ নুরুল ইসলাম(৩১), পিতা-মোঃ এনছার আলী, মাতা-মোছাঃ কুলেজা বেগম, সাং-দক্ষিণ কুঠির, ভাকঘর-উদাখালী, থানা-ফুলছড়ি, জেলা-গাইবান্ধা এর সাথে প্রায় ১০ দিন পূর্বে আসামী মোছাঃ মেহনাজ আক্তার সাথী এর সাথে “ইম্যু” এর মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে ভিকটিমের সাথে আসামী মোছাঃ মেহনাজ আক্তার সাথীর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। সেই সুবাদে আসামী মেহনাজ আক্তার সাথী ভিকটিমকে মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে প্রতারনামুলকভাবে গোবিন্দগঞ্জ থানা এলাকার ডেকে নিয়ে কৌশলে বিভিন্ন জায়গায় ঘোড়া করে তার ভাড়া বাসার নিকট নিয়ে আসে এবং সেখানে আসামী মোছাঃ মেহনাজ আক্তার সাথীর স্বামী মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ এবং তার সহযোগী আসামী মোঃ ফাহিম ভিকটিমকে জিম্মি করে ভিকটিমের নিকটে থাকা ১,৫০০/-টাকা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে এলোপাথারী মারপিট করে এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিবারের লোকজনদের কাছে ২,০০,০০০/- টাকা দাবি করে। অতঃপর ভিকটিমের পরিবারের লোকজন গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের শরনাপন্ন হলে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে জনাব মোঃ কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার, গাইবান্ধা মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় ও উদয় কুমার সাহা, সহকারি পুলিশ সুপার, গাইবান্ধার নেতৃত্বে জনাব মোঃ ইজার উদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ, গোবিন্দগঞ্জ থানা, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মোঃ বুলবুল ইসলাম, এসআই/ প্রলয় কুমার বর্মা, এসআই/ মোঃ জসীম উদ্দিন, এএসআই/ মোঃ রেজাউল করিম ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জঙ্গলমারা মৌজাস্থ ডায়াবেটিস হাসপাতালের পিছনে আসামীর ভাড়া বাসা থেকে ভিকটিম মোঃ জহুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে এবং আসামীদের গ্রেফতার করেন।
উপরোক্ত বিষয়ে গাইবান্ধা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ কামাল হোসেন গাইবান্ধাবাসী এবং দেশের সকল নাগরিকদের এ সকল প্রতারকদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সর্বদা সতর্ক থাকার আহবান জানান। -

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলার অন্যতম আসামী গ্রেপ্তার
স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার চাঞ্চল্যকর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল শেখ হত্যা মামলার অন্যতম আসামী ইউনুচ শেখকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬।
শনিবার (০৫ মার্চ) রাতে ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ রবিবার (০৫ মার্চ) সকালে গ্রেপ্তারকৃত আসামী ইউনুচ শেখকে কাশিয়ানী থানায় হস্তান্তর করে র্যাব।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৬ জানিয়েছে, জমি জমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত বছরের ২৬ নভেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল শেখকে কুপিয়ে আহত করে আসামীরা। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে ২৭ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো: আলিয়ার রহমান বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে গত ১ ফেব্রুয়ারি হত্যা মামলার প্রধান আসামী একরাম শেখকে গ্রেফতার করে র্যাব-৬।
পরে তার দেয়া তথ্যমতে শনিবার রাতে (০৪ মার্চ) ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব-৬ ও র্যাব-১০ এর একটি যৌথ দল হত্যা মামলার অন্যতম আসামী ইউনুচ শেখকে গ্রেপ্তার করে। পরে আজ রবিবার (০৫ মার্চ) সকালে গ্রেপ্তারকৃত আসামী ইউনুচ শেখকে কাশিয়ানী থানায় হস্তান্তর করে র্যাব।
-

নীলফামারী জেলায় বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ পদে কার্যক্রম সম্পন্ন
নীলফামারী জেলায় বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল
(টিআরসি) পদে নিয়োগ পদে তৃতীয় দিনের নিয়োগ সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন। মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
শনিবার (০৪ মার্চ ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ) নীলফামারী জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স মাঠে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ সংক্রান্ত দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে তৃতীয় দিনের Physical Endurance Test (PET)- ইভেন্টে পুরুষ ১৬০০ মিটার ও নারী ১০০০ মিটার দৌড়, ড্র্যাগিং এবং রোপ ক্লাইম্বিইং অনুষ্ঠিত হয়।তৃতীয় দিনে Physical Endurance Test (PET) পরীক্ষায় নীলফামারী জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ও নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম, সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) রংপুর ও সদস্য, টিআরসি নিয়োগ বোর্ড; কনক কুমার দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) পঞ্চগড় ও সদস্য, টিআরসি নিয়োগ বোর্ড; আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নীলফামারী; ডাক্তার আতিউর রহমান, মেডিকেল অফিসার, পুলিশ হাসপাতাল নীলফামারীসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন ও অধস্তন কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।
নিয়োগ বোর্ডের সম্মানিত সভাপতি পুলিশ সুপার নীলফামারী তৃতীয় দিন Physical Endurance Test পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান এবং আগামী ০৯ মার্চ লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। যে সকল প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে পরবর্তীতে তাদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে চূড়ান্ত ভাবে নির্বাচিত হবে।
এ ছাড়াও নিয়োগ বোর্ডের সম্মানিত সভাপতি প্রথম থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নিয়োগ সংক্রান্ত কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ায় নিয়োগ বোর্ডের সদস্যসহ নিয়োগ ডিউটিতে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।