Author: desk

  • মহেশপুরে পুত্রের লাঠির আঘাতে পিতার মৃত্যু

    মহেশপুরে পুত্রের লাঠির আঘাতে পিতার মৃত্যু

    মহশেপুর(ঝিনাইদহ)সংবাদদাতাঃ-
    ঝিনাইদহের মহেশপুরে ঋণের টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। পরে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে পুত্রের লাঠির আঘাতে হান্নান মন্ডল (৪৮) নামে এক পিতার করুন মৃত্যু হয়েছে।
    থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে নিহত হান্নান মন্ডলের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসেন।
    প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার সকালে মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউনিয়নের সেজিয়া গ্রামে ঋণের কিস্তির টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় ছেলেরা জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ছেলে মনিরুল ইসলাম মায়ের পক্ষ নিয়ে বাবা হান্নান মন্ডলকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলে হান্নান মন্ডলের মৃত্যু হয়।
    ইউপি সদস্য (মেম্বার) আলিম গাজী জানান, পারিবারিক কলহে হান্নান মন্ডল মারা গেছে বলে শুনেছি। সাবেক মহিলা মেম্বার মাজেদা খাতুন জানান, ঋণের কিস্তির টাকা নিয়ে পরিবারের মধ্যে গোলযোগ হলে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
    নেপা ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম মৃধা জানান,স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঋণের টাকা নিয়ে গোলযোগের এক পর্যায়ে সে মারা যায়। এদিকে নিহতের প্রতিবেশীরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, ঋণের টাকা নিয়ে ঝগড়া হলে হান্নান মন্ডল তার স্ত্রীকে চড়, থাপ্পড় মারে। এই ঘটনায় ছেলে মনিরুল মায়ের পক্ষ নিয়ে বাবাকে লাঠির দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলে বাবার মৃত্যু হয়। বিষয়টি ধামা চাঁপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রভাবশালী মহল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
    মহেশপুর থানার এসআই আসাদুজ্জামান আসাদ জানান,আমরা বিষয়টি খোজ-খবর নিচ্ছি এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

  • নীলফামারীর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

    নীলফামারীর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ ৬ মার্চ ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় নীলফামারী পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে নীলফামারী জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম, পুলিশ সুপার, নীলফামারী মহোদয়। পুলিশ সুপার পর্যায়ক্রমে কল্যাণ সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সের সুবিধা অসুবিধার কথা শোনেন এবং কিছু সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান দেন।আর কিছু সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। সেই সাথে পুলিশ সুপার মহোদয় সকল ভালো কাজের প্রশংসা করেন এবং অফিসার জেলা পুলিশ, নীলফামারীর মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতঃ

    POLICE MEDIA CELL NILPHAMARI
    [‌6 MARCH 2023]

    অদ্য (০৬ মার্চ ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ) সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় নীলফামারী পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে নীলফামারী জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম, পুলিশ সুপার, নীলফামারী মহোদয়। পুলিশ সুপার মহোদয় পর্যায়ক্রমে কল্যাণ সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সের সুবিধা অসুবিধার কথা শোনেন এবং কিছু সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান দেন।আর কিছু সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। সেই সাথে পুলিশ সুপার মহোদয় সকল ভালো কাজের প্রশংসা করেন এবং অফিসার ও ফোর্স এর উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

    কল্যাণ সভা সঞ্চালনা করেন জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) নীলফামারী।

    মাসিক কল্যাণ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ সারোআর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল), নীলফামারী; জনাব ডাঃ মোঃ আতিউর রহমান, মেডিকেল অফিসার, পুলিশ হাসপাতাল, নীলফামারী; সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ জেলা পুলিশ, নীলফামারীর বিভিন্ন ইউনিট থেকে আগত পুলিশ সদস্য ও সিভিল স্টাফ।

    মাসিক কল্যান সভা শেষে ফেব্রুয়ারি মাসে কর্ম মূল্যায়নে বিভিন্ন বিষয়ে পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে পুলিশ সুপার মহোদয় পুরস্কার তুলে দেন।

    পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেনঃ

    শ্রেষ্ঠ থানাঃ জনাব মাহমুদ উন নবী, অফিসার ইনচার্জ, ডোমার থানা, নীলফামারী।

    শ্রেষ্ঠ এসআইঃ জনাব মোঃ মমিনুল আজম, এসআই (নিরস্ত্র) ডোমার থানা, নীলফামারী।

    শ্রেষ্ঠ ট্রাফিকঃ জনাব মোঃ সাদ্দাম হোসেন, সার্জেন্ট, সদর ট্রাফিক, নীলফামারী।

    শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসারঃ এএসআই (নিরস্ত্র) জনাব তপন কুমার রায়, নীলফামারী থানা নীলফামারী

    শ্রেষ্ঠ এএসআইঃ এ এস আই (নিরস্ত্র) জনাব মোঃ আখতারুজ্জামান মন্ডল পলাশ, ডোমার থানা, নীলফামারী। ফোর্স এর উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

    কল্যাণ সভা সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) নীলফামারী।

    মাসিক কল্যাণ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সারোআর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল), নীলফামারী; ডাঃ আতিউর রহমান, মেডিকেল অফিসার, পুলিশ হাসপাতাল, নীলফামারী; সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ জেলা পুলিশ, নীলফামারীর বিভিন্ন ইউনিট থেকে আগত পুলিশ সদস্য ও সিভিল স্টাফ।

    মাসিক কল্যান সভা শেষে ফেব্রুয়ারি মাসে কর্ম মূল্যায়নে বিভিন্ন বিষয়ে পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে পুলিশ সুপার পুরস্কার তুলে দেন।

    পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেনঃ

    শ্রেষ্ঠ থানাঃ জনাব মাহমুদ উন নবী, অফিসার ইনচার্জ, ডোমার থানা, নীলফামারী।

    শ্রেষ্ঠ এসআইঃ মমিনুল আজম, এসআই (নিরস্ত্র) ডোমার থানা, নীলফামারী।

    শ্রেষ্ঠ ট্রাফিকঃ সাদ্দাম হোসেন, সার্জেন্ট, সদর ট্রাফিক, নীলফামারী।

    শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসারঃ এএসআই (নিরস্ত্র) জনাব তপন কুমার রায়, নীলফামারী থানা নীলফামারী

    শ্রেষ্ঠ এএসআইঃ এ এস আই (নিরস্ত্র) আখতারুজ্জামান মন্ডল পলাশ, ডোমার থানা, নীলফামারী।

  • জীবননগর পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের মহানগর উত্তর পাড়ার দুই বছরের এক শিশু পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ

    জীবননগর পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের মহানগর উত্তর পাড়ার দুই বছরের এক শিশু পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ

    জীবননগর পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের মহানগর উত্তর পাড়ায় আনাস নামের দুই বছরের এক শিশু পুত্র তার বাড়ির পার্শ্ববর্তী খোদা বক্স মিয়ার পুকুরে ডুবে মৃত্যুবরণ করেছে।
    জানা যায়, মহানগর উত্তর পাড়ার মোঃ শিপন (২৪) এর দুই পুত্রের মধ্যে আনাস ছোট পুত্র । পরবর্তীতে, ৬ মার্চ সোমবার দুপুর ২ ঘটিকায় তার মা তানিয়া খাতুন (২১) আনাস কে খাবার খাওয়ানোর পর তাকে বাড়িতে রেখে পার্শ্ববর্তী এক বাসায় যায়।

    এরপর আনাস বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে খেলতে খেলতে পার্শ্ববর্তী খোদাবক্স মিয়ার পুকুরে পড়ে যায়। পরবর্তীতে তার মা তানিয়া খাতুন বাড়িতে আসলে আনাস কে না পেয়ে চারিদিকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। এরপর বিকাল ৪ ঘটিকার দিকে আনাসের মৃতদেহ পুকুরে ভেসে ওঠে।
    এদিকে আনাসের মৃত্যুতে মহানগর উত্তরপাড়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • ডাসার উপজেলায় ২০ দিন ব্যাপি কুটির শিল্প মেলা ও দি লক্ষন দাস সার্কাস এর উদ্বোধন

    ডাসার উপজেলায় ২০ দিন ব্যাপি কুটির শিল্প মেলা ও দি লক্ষন দাস সার্কাস এর উদ্বোধন

    রতন দে,ডাসার প্রতিনিধিঃ মাদারীপুরের নবগঠিত ডাসার উপজেলায় ২০দিন ব্যাপি কুটির শিল্প মেলা ও দি লক্ষন দাসের সার্কাস এর শুভ উদ্ভোধন করা হযেছে।
    আজ বিকেলে ডাসার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর সার্বিক পরিচালনায় দিয়াকান্দি নবগ্রাম বালুর মাঠে এ মেলা ও সার্কাস উদ্ভোধন করেন ডাসার উপজেলা আ.লীগের আহবায়ক সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন।
    জানা যায়, উক্ত কুটির শিল্প মেলায় থাকছে হরেক রকমের দোকান পাট ও নাগরদোলা। ২০দিন ব্যাপি এ মেলা ও সার্কাস চলবে।
    ১৯৪৯ সালে পাকিস্তান আমলে দি রয়েল পাকিস্তান নামে এ সার্কাস শুরু করেন মৃত লক্ষন দাস। ১৯৭১ সালে আগৈলঝারা কোদাল ধোয়া গ্রামে সার্কাসের মালিক মৃত লক্ষন দাস ও তার সার্কাসের হাতিটিকেও পাকবাহিনী হত্যা করেন। পরে তার বড় ছেলে অরুন দাস ও মেজ ছেলে বিরেন দাস দি রয়েল বেঙ্গল লক্ষন দাস সার্কাস নামে শুনামের সহিত পরিচালনা করে আসছেন।
    মেলা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম,সাধারন সম্পাদক মিজা প্যাদা বলেন, আমরা মানুষের মাঝে আনন্দও বিনোদন দেয়ার জন্য ২০দিন ব্যাপি এ কুটির শিল্প মেলা ও সার্কাসের আয়োজন করেছি। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেদিয়ে আমরা এ মেলা পরিচালনা করব।

  • ফুলবাড়িয়ায় স্কুলছাত্রী ফাহিমা’র ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও শোক র‌্যালি

    ফুলবাড়িয়ায় স্কুলছাত্রী ফাহিমা’র ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও শোক র‌্যালি

    মো. সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি : গতকাল (৬ মার্চ) সোমবার বিকাল ৫ টার দিকে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রঘুনাথুপর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রী ফাহিমা’র ধর্ষণ ও হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে রঘুনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মানববন্ধন ও শোক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    এ সময় বক্তব্য রাখেন, রঘুনাথপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাজ্জাক ,রাধাকানাই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী মাস্টার, আওয়ামীলীগের নেতা ও সমাজ সেবক সারোয়ার আলম রোকন তরফদার, রঘুনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ আলী মাস্টার, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু তাহের মেম্বার, স্পার সভাপতি গোলাম মোর্তুজা কাজল, স্পার সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম প্রমূখ। ভোক্তা পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন ।
    নিহত ফাহিমা’র মা হাসিনা খাতুন বলেনঃ আমি দ্রুত মেয়ে হত্যার বিচার চাই। আমার মেয়েরে যারা ধ্বংস করছে তাদের ফাঁসি চাই ! ফাঁসি চাই ! ধর্ষনকারী ও হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শান্তি চাই।
    উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় ফাহিমা আক্তার (১৪)। খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান মেলেনি ফাহিমার । পরদিন ২৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে ৭টায় বাড়ি দক্ষিণ পাশে ২০০ গজ দূরে আমগাছে ফাহিমার(১৪) ঝুলন্ত মরদেহ দেখেন স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

  • ধামইরহাটে দুই দিন ব্যাপী মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে দুই দিন ব্যাপী মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি-

    নওগাঁর ধামইরহাটে দুই দিন ব্যাপী মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ও হেকস/ইপার এর সহযোগিতায় ৫ ও ৬ মার্চ দুই দিন ব্যাপী মানবাধিকার কর্মী ও যুবাদের সমন্বয়ে মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। ডাসকো’ ফাউন্ডেশনের রিভাইভ প্রকল্পের আওতাধীন এই প্রোগ্রামে ডাসকো’র প্রকল্প সমন্বয়কারী তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম। প্রশিক্ষণে অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের সহকারী প্রোগ্রামার মহিউদ্দীন ভুইয়া, ডাসকো’র এডমিন এন্ড ফিন্যান্স মো. ফজলুর রহমান, উপজেলা অফিসার মোছা. রওনক লায়লা, সাংবাদিক আমজাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু প্রমুখ।
    ২দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে অধিকার, মানবাধিকার, ও মানবাধিকার লঙ্ঘনে করীয়, জেন্ডার বৈষম্য, যৌতুক ও বাল্য বিবাহ এবং মাদকের কুফল সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • তারাকান্দায় মুজিব বর্ষের ঘর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-পরিচালক

    তারাকান্দায় মুজিব বর্ষের ঘর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-পরিচালক

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    তারাকান্দায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বিশেষ উপহারের পাকা ঘরের আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেছেন
    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেল ও পিইপিজেড মহাপরিচালক শাহিদা সুলতানা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেল ও পিইপিজেড এর পরিচালক মোঃ এহেতেশাম রেজা ও তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।

    মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বিশেষ উপহারের পাকা বাড়ি পেয়ে বদলে গেছে তারাকান্দার উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোর জীবনমান। ১৫১টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে ভূমি ও গৃহ দেওয়া হয়েছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে পাকা বাড়ির সঙ্গে বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানি পাওয়ায় এবং ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখা করাতে পারায় অনেক খুশি এসব অসহায় মানুষ। শুধু পাকা বাড়ি নয়, উপকারভোগীদের জন্য কাজের ব্যবস্থা করাসহ সব ধরনের সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

    আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীন যার জমি নাই, ঘর নাই ভূমিহীন ও গৃহহীন অসহায়-দরিদ্র পরিবার, স্বামী পরিত্যাক্তা, বিধবা নারীদের আশ্রয়ণ নিশ্চিত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসাবে তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের বানিহালা গ্রামে আরো ১৮ টি নতুন গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে। সেই লক্ষে নির্মিত এসব গৃহের নির্মাণ কাজের স্বচ্ছতা ও তারাকান্দাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণার প্রস্তুতি যাচাই বাছাই এর জন্য ৬ই মার্চ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেল ও পিইপিজেড মহাপরিচালক
    শাহিদা সুলতানা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেল ও পিইপিজেড এর পরিচালক মোঃ এহেতেশাম রেজা ও তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।এসময় উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, উপকারভোগীগণ উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেল ও পিইপিজেড মহাপরিচালক
    শাহিদা সুলতানা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেল ও পিইপিজেড এর পরিচালক মোঃ এহেতেশাম রেজা ও তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত ঘর পাওয়া গরীব অসহায়দের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা জানেন এবং সমাধানের লক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন।

    ভূক্তভোগী জানান, আমরা বস্তিতে থাকতাম। ওটা ছিল অন্যের জায়গা। উপজেলা অফিস থেকে আমাদের গুচ্ছগ্রামে সরকারি ঘর দেওয়া হবে বলে কাগজপত্র চায়। সে অনুযায়ী ভোটার আইডি কার্ড জমা দেই। এখানে ঘর পাওয়ায় আমাদের মাথা গোঁজার ব্যবস্থা হয়েছে।

    ঘর পাওয়া আরেকজন জানান, আগে আমরা খুব খারাপ অবস্থায় ছিলাম। মানুষের জায়গায় বেড়া দিয়ে মাটির ঘরে ছিলাম। এখন আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া পাকা বাড়ি পেয়েছি। আমরা অনেক শান্তিতে আছি। গরু-ছাগল লালন-পালন করছি, বাবা-মায়ের দেখাশোনা করতে পারছি, অনেক সুখেই আছি। আমরা জীবনে কল্পনাও করিনি যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদেরকে ইটের পাকা বাড়ি করে দেবেন, আর আমরা সেখানে থাকব। কিন্তু এখন বাস্তবতা, তার দেওয়া ইটের পাকা বাড়িতে আমরা বসবাস করছি। কিন্তু তিনি যদি আমাদের কর্মসংস্থানের একটা ব্যবস্থা করে দিতেন, তাহলে সুখে-শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারতাম।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত জানান, যেসব পরিবার ইতোমধ্যে পুনর্বাসিত হয়েছে তাদের জীবনমান উন্নয়ন ও আত্মপ্রত্যয়ী করে তুলতে আত্মকর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টির জন্য চেষ্টা করছি। উপকার ভোগীদের মাঝে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগী বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া কৃষি দপ্তরের মাধ্যমে বেশ কিছু জায়গায় প্রদর্শনী খামার বা সবজির বাগান করা হয়েছে। যেখানে বেশ কয়েকটি পরিবার এ কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। আরও যেসব পরিবার রয়েছে তারা যে ধরনের কাজ করতে ইচ্ছুক তাদের সেই কাজের মাধ্যমে আয়ের ব্যবস্থা করে দিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে।

    এসময় উপকার ভোগীদের মাঝে ফলের গাছ ও ৪ জাতের সবজির বীজ বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেল ও পিইপিজেড মহাপরিচালক শাহিদা সুলতানা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের নির্বাহী সেল ও পিইপিজেড এর পরিচালক মোঃ এহেতেশাম রেজা ও তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রহমত। পরিদর্শন শেষে অতিথিবৃন্দ গৃহ নির্মাণসহ সকল প্রস্তুতি সম্বন্ধে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

  • ক্ষেতলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৫০বছর সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন

    ক্ষেতলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৫০বছর সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
    জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করা হয়ছে। সোমবার (০৬ মার্চ) দিনব্যাপী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করা হয়।
    উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি উপজেলার বিভিন্নস্থান প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। র‌্যালিটি শেষে শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণ করেন।
    পরে দুপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, সভায় সুবর্ণ জয়ন্তী ও পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে ক্ষেতলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল মজিদ মোল্লার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মহান জাতীয় সংসদের হুইপ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়পুরহাট দুই আসেনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাকিম মন্ডল, ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুজ্জামান তালুকদার নাদিম, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র সিরাজুল ইসলাম সরদার, ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বণ্যা, ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি রাজিবুল ইসলাম, ক্ষেতলাল উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বুলু, অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সায়ফুল ইসলাম, শিক্ষার্থীসহ আমন্ত্রণ অতিথি বৃন্দ। অনুষ্ঠানের শেষে পুরস্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

  • আটোয়ারীতে আগুনে ভস্মীভূত ১২ পরিবার

    আটোয়ারীতে আগুনে ভস্মীভূত ১২ পরিবার

    নিতিশ চন্দ্র বর্মন, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে আগুনের লেলিহান শিখায় ভস্মীভূত হয়েছে ১২ টি পরিবারের প্রায় ১৫ টি ঘর। ওই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তোড়িয়া ইউনিয়নের দাড়খোর মধ্যপাড়া গ্রামে।

    সোমবার (৬ মার্চ) দুপুর পনে তিনটার দিকে মোশাররফ হোসেনের রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানা যায়। রান্না ঘর থেকে সৃষ্ট আগুনের লেলিহান শিখায় আশেপাশের মকলেছুর, মকবুল, আব্দুল মান্নান, সাইফুল, রমিনা বেগম, সালেহা, সাদেকুল, মাজেদুল, রেজাকুল, জলেখা এবং মহসিনার রান্না ঘর, সোয়ার ঘর ও গোয়াল ঘরসহ প্রায় ১৫ টি ঘর পুরে ছাই হয়ে গেছে।

    এসময় মকলেছুরের নগদ প্রায় ৪০ হাজার টাকা ও মোশাররফের গরু আর স্বর্ণসহ সবার ধান, চাল, আলু, কাপড়সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পুরে ছাই হয়ে গেছে।

    আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুসফিকুল আলম হালিম আগুনে পরে যাওয়া পরিবারদের দেখতে যান। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের মাঝে নগদ চাল, ডাল, তেল ও কম্বল বিতরণ করেন। তিনি জানান, আগুন ভস্মীভূত পরিবারের পাশে দ্বারানোর ক্ষেত্রে অতি শিগগিরই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন ঘর তৈরি করার জন্য টিন প্রদান করা হবে।

    আটোয়ারী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ তরিকুল ইসলাম জানান, রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে তারা প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছে। এতে ১২ টি পরিবারের ঘর ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

  • কেন্দুয়া উপজেলা ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণার অপেক্ষায়

    কেন্দুয়া উপজেলা ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণার অপেক্ষায়

    হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ
    অচিরেই ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা হতে যাচ্ছে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা। এরইমধ্যে ৪টি ধাপে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় খাস জমিতে ৩২৩টি ঘর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন প্রায়।

    এরমধ্যে প্রথম ধাপে ৫৬টি, দ্বিতীয় ধাপে ৫০টি, তৃতীয় ধাপে ২০টি ঘর ও দুই শতাংশ করে ভূমিসহ সুবিধাভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এছাড়া চতুর্থ ধাপে ১৯৭টি ঘরের নির্মাণ কাজও প্রায় শেষের পথে রয়েছে। আগামী ২১ মার্চ এসব ঘর সুবিধাভোগীদের মধ্যে বুঝিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে কেন্দুয়া উপজেলাকে ‘ক’ শ্রেণির ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    চতুর্থ ধাপের গৃহ নির্মাণ কাজের সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাবেরী জালাল।

    এরই লক্ষে সম্প্রতি তিনি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনকে নিয়ে এক যৌথসভাও করেছেন।

    চতুর্থ ধাপে উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের পাইকুড়া গ্রামে একই স্থানে নির্মিত হচ্ছে ৪৮টি ঘর। এসব ঘরের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করতে গত রবিবার (৫ মার্চ) বিকালে ইউএনও কাবেরী জালাল সেখানে ছুটে যান। তখন তিনি ঘর নির্মাণ কাজের মান ও কাজের সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজিব হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান ও পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইসলাম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

    এ বিষয়ে ইউএনও কাবেরী জালাল বলেন, ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত উপজেলা হিসেবে অচিরেই আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে কেন্দুয়া উপজেলা। আমরা আনন্দিত ও গর্বিত এমন একটি মহৎ কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হতে পেরে। কৃতজ্ঞতা জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি যার মমতার ছায়া থেকে বাদ পরেনি সূদুর নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলাও। সেই সাথে ধন্যবাদ জানাতে চাই প্রকল্প বাস্তবায়নকারী দপ্তরসমূহ সহ জনপ্রতিনিধগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজসহ কেন্দুয়ার আপামর জনগণকে যারা তাদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে এ প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের পথে পাশে ছিলেন।

    মো: হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া নেত্রকোনা থেকে।।