Author: desk

  • কুমিল্লার ট্রমা সেন্টারে ঠোঁট কাটা,তালু কাটা রোগীদের ফ্রি অপারেশনের ১৩ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লার ট্রমা সেন্টারে ঠোঁট কাটা,তালু কাটা রোগীদের ফ্রি অপারেশনের ১৩ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
    স্মাইল ট্রেন ও ট্রমা সেন্টারের যৌথ উদ্দ্যেগে ঠোঁট কাটা ও তালু কাটা রোগীদের ১৩ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১১ মার্চ(শনিবার) কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারের কনফারেন্স হলে সকাল ১০ টায় এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

    অনুষ্ঠানে মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ সফিউল্লার পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ আব্দুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরফানুল হক রিফাত(মেয়র,কুমিল্লা সিটি কোর্পোরেশন),
    বিশেষ অতিথি ড.মুজিবুর রহমান(সাবেক পরিচালক, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)

    ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এ বি এম মোবাশ্বের হোসেন(প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, বাংলাদেশ,স্মাইল ট্রেন ইউএসএ),অধ্যাপক ড.শরীফ হাছান(চিফ সার্জন ও প্রোজেক্ট ডিরেক্টর স্মাইল ট্রেন ক্লেফট প্রোজেক্ট), ড. মোহাম্মদ আজাদ (বার্ণ,প্লাস্টিক,
    রিকনস্ট্রাকটিভ ও কসমেটিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ),
    আরো উপস্থিত ছিলেন ড.ওয়াকেলী মন্ডল(সাবেক সহকারী অধ্যাপক, এনেস্থেশিয়া),ড.আফজালুর রহমান(সহকারী অধ্যাপক, এনেস্থেশিয়া)

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সম্মানিত সকল ডক্টরদের সহযোগিতায় এই শিশুগুলো এ সমস্যা থেকে মুক্ত হতে পারছে ও মিষ্টি করে হাসতে পারছে।তাই তিনি সকল সার্জন ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ।তিনি এ যাত্রা অব্যাহত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    পাশাপাশি অনুষ্ঠানের সভাপতি ড.আবদুল হক তার বক্তব্যে জানান ১৩ বছরে প্রায় ৮ হাজার শিশুকে বিনামূল্যে অপারেশন করিয়েছেন যা তাদের সুস্থ ও সুন্দর জীবন গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। এসময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ অধ্যাপক ড.শরীফ হাসানের প্রশংসা করে বলেন এরকম মানের চিকিৎসক বিরল,আমরা তাহার সুস্থতা ও দির্ঘায়ু কামনা করি। দেশের সর্বচ্চ মহলে তিনি প্রশংসনীয় হয়ে আছেন।

  • গোপালগঞ্জে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পূণ: প্রতিষ্ঠার দাবীতে মানববন্ধন

    গোপালগঞ্জে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পূণ: প্রতিষ্ঠার দাবীতে মানববন্ধন

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পূণ: প্রতিষ্ঠার দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

    বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, গোপালগঞ্জ শাখা এ কর্মসূচী পালন করে।

    আজ শনিবার (১১ মার্চ) দুপুরে স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সড়কের উপর দাঁড়িয়ে হাতে হাত ধরে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে নেতৃবৃন্দ। এসময় জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পূণ: প্রতিষ্ঠার দাবীতে বিভিন্ন ধরনের লেখা প্লাকার্ড প্রদর্শন করে মানববন্ধনকারীরা। এ মানববন্ধনে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাসংঘ জেলা শাখা ও বাংলাদেশ খ্রীস্টান লীগ একাত্মতা ঘোষনা করে মানববন্ধনে অংশ নেয়।

    মানববন্ধন চলাকালে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, জেলা শাখার সভাপতি বিল্লমঙ্গল মজুমদার, সাধারন সম্পাদক লিটন মজুমদার, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাসংঘ জেলা শাখার সভাপতি চন্দন মন্ডল, প্রচার সম্পাদক রাজীব হালদার, বাংলাদেশ খ্রীস্টান লীগের উপদেষ্ঠা ডেভিড বৈদ্য বক্তব্য রাখেন।

    এসময় বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক লিটন মজুমদার বলেন, দেশ স্বাধীনের পর হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর ব্যাপকভাবে নিয্যাতন চলছে। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হয়ে দেশ স্বাধীনের পর দেশে মোট জনসংখ্যার ৭.৯৫ ভাগ হিন্দু সম্প্রদায়। ২০১৫ সালের পর মাত্র ছয় বছরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সংখ্যা কমেছে ২.৮ ভাগ। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে অচিরেই হিন্দু সম্প্রদায় শুন্য হবে দেশ।

    তিনি আরো বলেন, জাতীয় সংসদ সর্বদা নীরব ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ১৬ জন্য হিন্দু এমপি থাকলেও সমস্যা নিরসরে কোন ভূমিকা নেই। ২০০১ সালে বিএনপি জামাত নির্বাচনী হয়ে হবার পর সারাদেশে বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে হিন্দুদের উপর ব্যপকভাবে হামলা ও নির্যাতন করে। বিএনপি জামাত সেই সময় কোন বিচার না করায় ২০০৯ সালে একটি কমিশন গঠন হয়। কমিশন একটি রিপোর্ট পেশ করলেও কোন বিচার হয়নি। দ্রæত জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পূণ: প্রতিষ্ঠার দাবী জানান তিনি। #

  • ময়মনসিংহে মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    ময়মনসিংহে মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    স্টাফ রিপোর্টার ময়মনসিংহ
    বাংলার উন্নয়নের কারিগর সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বলেছেন-আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। বাবা-মা-ভাই সব হারিয়েছেন, ১৯৮১ সালে যেদিন বাংলাদেশে ফিরেছিলেন সেদিনও তিনি জানতেন না কোথায় থাকবেন, কিভাবে চলবেন তা চিন্তা করেন নি। তিনি বলেন, শুধু একটা জিনিষ চিন্তা করেছি এই দেশ আমার বাবা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। কাজেই এদেশের মানুষের ভাগ্য গড়ে তাদের দারিদ্রের হাত থেকে মুক্তি দিতে হবে। গৃহহীণ মানুষকে ঘর দিতে হবে, তাদের শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষকে উন্নত জীবন দেয়ার মাধ্যমে স্বাধীনতার সুফল প্রত্যেক ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।

    আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংস করেছে বলে মিথ্যাচার ছড়ানোর জন্য বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মিথ্যা বলা, দুর্নীতি ও লুটপাট করা তাদের অভ্যাস।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত মহাসমাবেশে দেয়া ভাষণে এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি শুনি, বিএনপির কোন এক নেতা আছে সারাদিন মাইক লাগিয়ে বসে থাকেন। বাংলাদেশটাকে নাকি আমরা ধ্বংস করে দিয়েছি।”
    তিনি ময়মনসিংহবাসীর উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক যোগে ১০৩টি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন কি বাংলাদেশ ধ্বংসের নমূনা?

    এরআগে সার্কিট হাউজ মাঠ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক যোগে ১০৩টি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। এরমধ্যে প্রায় ৫৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ সমাপ্ত ৭৩টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন এবং প্রায় ২ হাজার ৭৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি উন্নয়ন প্রকল্পের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী এসব উন্নয়ন প্রকল্পকে স্বাধীনতার মাসে ময়মনসিংহবাসীর জন্য উপহার হিসেবে উল্লেখ করে বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহে একটি মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় এবং একটি প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয় করা হবে বলেও জানান।

    আজকের উদ্বোধন হওয়া ৭৩টি প্রকল্প এবং ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করা ১০৩টি প্রকল্প কি ধ্বংসের নমুনা না তাদের কাজের ময়মনসিংহবাসীর কাছে সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। মিথ্যা বলাটাই তাদের পেশা’ এমন অভিমত ব্যক্ত করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া এতিমের অর্থ আত্মসাত এবং দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামী। আর তার ছেলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা এবং দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত। যেখানে তারেক ও এবং কোকোর দুর্নীতি আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে বেরিয়েছে। এখন দেশ থেকে ভেগে (পলাতক) আছে আর তাঁর সরকারের করে দেয়া ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে দূরে বসে রাজনীতিও করে। তাঁর সরকারের দেওয়া বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ‘তাঁরা কিছুই করেন নাই’ বলে অপবাদ দিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, আসলে লুটপাট, চুরি, দুর্নীতি এটাই তাদের স্বভাব। লুটপাট, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, বাংলা ভাই এবং বাংলাদেশকে পাঁচ পাঁচ বার দুর্নীতি চ্যাম্পিয়ন করা এবং আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে দেয় তারা। প্রধানমন্ত্রী বলেন তাঁর সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ায় আর বিএনপি ক্ষমতায় এসে তা কমিয়ে ফেলে, স্বাক্ষরতার হার কমিয়ে ফেলে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ’৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে তাঁর সরকার ১৬শ’ মেগাওয়াট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে ৪ হাজার ৩শ’ মেগাওয়াট করেছিল। স্বাক্ষরতার হারকে ৬৫ ভাগে উন্নীত করেছিল যা পরবর্তী বিএনপি জামাত সরকার না বােিড়েয় উল্টো কমিয়ে ফেলে। আজকে সেখান থেকে তাঁর সরকার দেশকে টেনে তুলে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়ে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে এবং স্বাক্ষরতার হারও ৭৫ দশমিক ২ ভাগে উন্নীত করেছে।

    বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাসে চুরি ও দুর্নীতি এবং স্বাক্ষরতার হার কমানোর পেছনে বিএনপি নেতৃত্বের শিক্ষাগত যোগ্যতাকে দায়ী করেন প্রধানমন্ত্রী।
    তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ছিল ম্যাট্রিক পাশ, খালেদা জিয়া ম্যাট্রিক ফেল, আর তাদের ছেলে কয়েক স্কুল থেকে বহিস্কৃত হয়ে কোন এক অখ্যাত জায়গা থেকে একটি সার্টিফিকেট জোগাড় করেছে বলে শোনা যায়। কিন্তু কি পাশ করেছে তা কেউ বলতে পাওে না। তবে, বোমা মারা, গ্রেনেড হামলা, লুটপাট, মানি লন্ডারিং, টাকা চুরি, দুর্নীতি, এতিমের অর্থ আত্মসাতে তারা সিদ্ধহস্ত। সেজন্য বাংলাদেশের মানুষ লেখাপড়া শিখে উন্নত হবে এটা তারা চায় না।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক ও আবদুর রহমান এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল- আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও মির্জা আজম, আহমদ হোসেন, অসিম কুমার উকিল, বিপ্লব বড়ুয়া, মারফা আক্তার পপি, উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং প্রমুখ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

    এছাড়া অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন-ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মফিদুল হক খান দুলাল, সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু।সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এহতেশামুল আলম। যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী, ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য শরীফ আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিতউর রহমান শান্ত।

    সর্বশেষ ২০১৮ সালের ২ নভেম্বরের পর এদিন আবারো ময়মনসিংহ আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর আগমন উপলক্ষে গোটা ময়মনসিংহ বিভাগে যেন সাজ সাজ রব পড়ে যায়। উৎসবের নগরীতে রূপ নেয় নতুন বিভাগীয় এ শহরটি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান, মোড়গুলোকে সাজানো হয় নানা রঙের সাজে। তোরণ নির্মাণের পাশাপাশি ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে গোটা শহর। সকাল থেকে জনসভা স্থল সার্কিট হাউজ মাঠ অভিমুখে জনতার ঢল নামে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনসভা স্থলটি জনসমুদ্রে রূপ নেয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই স্বাধীনতা লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি। এই স্বাধীনতাকে কোনমতে ব্যর্থ হতে দেয়া যায়না। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যের বিষয় আমাদের যারা তথাকথিত বিরোধী দল আছে, তারা মিথ্যা বলে এই স্বাধীনতার সুফল ব্যর্থ করতে চায়। তারা তা পারবে না ইনশাল্লাহ। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। ডেল্টা প্লান বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২১০০ সাল নাগাদ এই ভুখন্ডকে আরো উন্নত করবো। সেই ওয়াদা দিয়ে গেলাম। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের জন্য আমাদের জনগোষ্ঠী স্মার্ট জনগোষ্ঠী হিসেবে গড়ে ওঠবে। আমাদের অর্থনীতি হবে স্মার্ট, আমাদের কৃষি হবে স্মার্ট, আমাদের স্বাস্থ্য হবে স্মার্ট, তৃণমূল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের উন্নত জীবন হবে। প্রত্যেকটা গ্রামের মানুষ শহরের নাগরিক সুবিধা পাবে।

    ময়মনসিংহ অঞ্চলে বিএনপি-জামাত সরকারের সময়কার সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদি তৎপরতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামাত সরকারের থাকার সময় তাদের অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। ময়মনসিংহে চারটি সিনেমা হলে বোমা হামলা হলো এবং অনেক মানুষ তাতে মৃত্যুবরণ করে। প্রতিনিয়ত সারাদেশে বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি, লুটপাট-এটাই ছিল ঐ বিএনপি-জামাত জোটের কাজ। সে সময় গফরগাঁওয়ে একজন আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি দখল করে রাতারাতি পুকুর কেটে চারদিকে কলাগাছের চারাও পুঁতে দেয়। তিনি সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে একটি চুলা ও পাকের ঘর থাকার চিহ্ন দেখতে পান। ঐটা না থাকলে সেটা যে বসত বাড়ি ছিল, তা বোঝার কোন উপায় ছিল না। তিনি বলেন, ওরা মানুষের সম্পত্তি দখল করে আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে যাদের ঘর নাই, বাড়ি নাই মাথা গোঁজার ঠাঁই নাই, রাস্তার পাশে পড়ে থাকে তাদেরকে ঘর-বাড়ি বানিয়ে জীবন-জীবকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। ইনশাল্লাহ, শেখ মুজিবের বাংলায় আর একটি মানুষও আর ভূমিহীন বা গৃহহীন থাকবে না। তাঁর সরকার ৩৫ লাখ মানুষকে ঘর করে দিয়েছে, আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে আরো ৪০ লাখ মানুষকে ঘর করে দেবে। ইতোমধ্যে বিএনপি সরকারের রেখে যাওয়া ৪১ শতাংশ দারিদ্রের হারকে তাঁর সরকার ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছে।

    জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতা দখল করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ক্ষমতায় বসে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল (বিএনপি) গঠন করে। সেই দলতো কেবল সন্ত্রাস, লুটপাট, মানুষ হত্যা আর অত্যাচার-নির্যাতন করতে পারে। ওদের ক্ষমতায় থাকার মানেই হচ্ছে মানুষের ওপর নির্যাতন করা, শোষণ ও বঞ্চনা করা। আর আওয়ামী লীগ মানুষকে উপহার দেয় উন্নয়ন।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে মানুষকে আমরা বিনে পয়সায় করোনার টিকা দিয়েছি। তা এখনও দিয়ে যাচ্ছি। ময়মনসিংহ চমৎকার একটি বিভাগ, যেখানে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষি-খাদ্য উৎপাদন সবকিছুতেই এগিয়ে যাবে। আমরা ময়মনসিংহ বিভাগ করেছি। যদি করোনা না হত, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ না থাকত তাহলে হলে এই বিভাগের কার্যক্রম আরও উন্নত হত। প্রধানমন্ত্রী এ সময় তাঁর নিজের সব অনাবাদি জমিকে চাষের আওতায় এনেছেন উল্লেখ করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে চলমান বিশ্বমন্দার প্রেক্ষাপটে দেশের প্রতি ইঞ্চি জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনার মাধ্যমে সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোর জন্য তাঁর আহবান পুণর্ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, আমরা বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করেছি। মানুষ এখন দেশে শান্তিতে বসবাস করছে। এখন আমাদের ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুত আছে এবং বর্তমানে দেশে কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই। এক কোটি মানুষকে আমরা মাত্র ৩০ টাকা কেজিতে চাল কিনতে পারার সুযোগ করে দিয়েছি। প্রায় ৫০ লাখ মানুষকে ১৫ টাকা কেজিতে চাল দিচ্ছি। আবার যাদের একেবারে সামর্থ্য নেই তাদের বিনামূল্যে চাল দেওয়া হচ্ছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, ১শ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি। সেখানে যুব সমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। বিনা জামানতে যুব সমাজকে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। যাতে করে তারা অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে নিতে পারে। নিজেরা উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে।

  • মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই’ – নজরুল ইসলাম

    মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই’ – নজরুল ইসলাম

    নজীর আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের অর্থ সচিব নজরুল ইসলাম বলেছেন -মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একযোগে কাজ করতে হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে গণসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে মাদকাসক্ত নিরাময় করতে হবে। সমাজ থেকে কুসংস্কার, অন্যায়-অত্যাচার দূরীকরণে যেমন শিক্ষার বিকল্প নেই, তেমনি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ও খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা করার সুযোগ করে দিতে হবে। তিনি গতকাল পটিয়া উপজেলায় নজীর আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরী জীবনের পৃষ্ঠপোষকতায় সাইদাইর নবীন তরুণ একতা সংঘ কতৃক আয়োজিত ১ম বারের মত অল নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল ম্যাচ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে একথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক তাজবীদ তাহমিল হিমেল,মোহাম্মদ টিপু, ছাএনেতা
    নাফিস ইকবাল,আরিফুল ইসলাম, আবির হোসেন আজগর,ইওেহাদ চৌধুরী মারুফ,মনজুর আলন মন্জু,মোহাম্মদ কাশেম,মোহাম্মদ আমজাদ, আরিফুল ইসলাম
    টিপু সুলতান সহ আরো অনেকেই।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।

    ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল ১০ই মার্চ শুক্রবার ২০২৩ কেন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি সভা উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ অনুষ্ঠানে‘স্মার্ট বাংলাদেশের প্রত্যয়,দুর্যোগ প্রস্তুতি সবসময়’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আয়োজনে ভূমিকম্প এবং অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মোহরা অনুষ্ঠিত হয়।

    সে সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিবের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সামিয়েল মার্ডি,দুর্যোগ বিষয়ে আলোচনা করেন,ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা নাসিম ইকবাল,পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অগ্নি সংযোগ হলে করনীয় সম্পর্কে বিভিন্ন মহরা প্রদর্শন করেন এবং দুযোগ ব্যাবস্থাপনা অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী সহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং স্থানীয় প্রায় ২শত মহিলা ও পুরুষের সামনে দূর্যোগ মোকাবিলা মহরা প্রদর্শন করেন।

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি
    স্টাফ রিপোর্টার।

  • মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ঢাকা কলেজের সাধারণ সম্পাদক  বেতাগীর আল-ইমাম

    মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ঢাকা কলেজের সাধারণ সম্পাদক বেতাগীর আল-ইমাম

    মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী বরগুনা

    গতকাল সন্ধ্যায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মাহবুবুর ইসলাম প্রন্সি ও সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা কলেজ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর কমিটি প্রকাশ হয়েছে। এতে বেতাগী উপজেলার কৃতি সন্তান মোঃ আল-ইমাম কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

    আল-ইমাম বেতাগী উপজেলার ১নং বিবিচিনি ইউনিয়ন এর ২নং ওয়ার্ড এর বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিরাজুল ইসলাম এর সন্তান।

    তিনি স্কুল জীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন, তিনি বিবিচিনি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক এবং বেতাগী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে এখন ঢাকা কলেজ এ ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে অধ্যায়নরত আছে।

    নবনির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ঢাকা কলেজের সাধারণ সম্পাদক আল-ইমাম বলেন, আমার বাবা ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছে, আমি তারই সন্তান ছোটবেলা থেকেই আওয়ামী রাজনীতি করে এসেছি। আমি আমার আদর্শ সততা নিষ্ঠার সাথে ঢাকা কলেজ কে এগিয়ে নিয়ে যাব। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ঢাকা কলেজে সুগঠিত করব।

  • ধর্মপাশায়  হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব  দেলোয়ার হোসেন

    ধর্মপাশায় হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব দেলোয়ার হোসেন

    মধ্যনগর(ধর্মপাশা) প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিভিন্ন হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রানলয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

    শুক্রবার দিনব্যাপি উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়ন ও সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ, সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের চন্দ্র সোনার থাল,সোনামড়ল, ধানকুনিয়া, রুইবিল হাওরের বিভিন্ন ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, সুখাইর রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন ,ধর্মপাশা উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী (এসও) জাহাঙ্গীর আলম,সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ও প্রতিষ্টতা চেয়ারম্যান চেতনার মশাল ফোরাম মোঃ নাদিম কবির, পিআইসির সভাপতি ও সদস্য সচিব বৃন্দ।

    এসময় পানি সম্পদ মন্ত্রানলয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, ধর্মপাশায় বাঁধের কাজ সুন্দর হয়েছে,তবে সোনালী ফসল ঘরে উঠা না পর্যন্ত পিআইসিদের বাঁধের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। এবং পোরু কাজ পিআইসিদের নীতিমালা মোতাবেক সমাপ্ত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন, পানি উন্নয়ন বোডের সকল কর্মকর্তা, প্রশাসনের লোকজন, জনপ্রতিনিধি গন, সাংবাদিক বৃন্দ, পিআইসির লোকজন অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে বাঁধের কাজ প্রায় শেষ পরজায়ে।

    শান্ত তালুকদার
    মধ্যনগর,সুনামগঞ্জ

  • বেতাগীতে বিলুপ্তির ছয় মাসেও হয়নি কমিটি, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে পুড়ছে ছাত্রলীগ

    বেতাগীতে বিলুপ্তির ছয় মাসেও হয়নি কমিটি, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে পুড়ছে ছাত্রলীগ

    মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না (বেতাগী বরগুনা)

    বরগুনার বেতাগীতে প্রায় ছয় মাস ধরে নেই ছাত্রলীগের কমিটি। এ কারণে ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে পড়ছে দেশের ঐতিহ্যের পতাকাবাহী এ ছাত্র সংগঠনটির কার্যক্রম। আর এ সুযোগে অন্য ছাত্র সংগঠন তাদের সাংগঠনিক তৎপরতায় এগিয়ে যাচ্ছে।

    দীর্ঘ ছয় মাস উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটিবিহীন চলায় স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ভেতর পদ নিয়ে চলছে উত্তেজনা-সংঘাত। কে কার লোক এমনই গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে পুড়ছে নেতারা। এতে আহতও হয়েছেন অনেকে। শুধূ ছাত্রলীগই নয়, এর প্রভাব পড়ছে দলের সর্বত্র। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা এ নিয়ে মুখ না খুললেও সব নেতারাই এখন ভ’গছে এই সমস্যায়।

    বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। এখানকার দলীয় একাধিক নেতাকর্মিদের কাছে ছাত্রলীগের কী অবস্থা জানতে চাইলে তাদের চোখেমুখে বিরক্তিরভাব ফুটে ওঠে। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠন সমূহের নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক একাধিক নেতা বলেন,‘এখানে তো কর্মির চেয়ে নেতা বেশি। ভালোমন্দ ও যোগ্য-অযোগ্য সবাইতো পদ চায়।’

    জানা গেছে, বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সবশেষ কমিটি গঠন করা হয় ২০১৭ সালে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সেই কমিটির সভাপতি বিএম আদনান খালিদ মিথুনের ইয়াবা সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে এর দুই দিন পর ২১ সেপ্টেম্বর মেয়াদোত্তীর্ণ হবার কারণ দেখিয়ে বেতাগী উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগ।

    এর একমাস অতিবাহিত হওয়ার পর সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে ২৭ অক্টোবর বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে কর্মী সভা করে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগ। কর্মী সভায় নতুন কমিটিতে পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত ৭ কার্য দিবসের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। উপজেলা ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী নেতারা জেলা ছাত্রলীগের নেতাদের কাছে জীবনবৃত্তান্ত সে সময় জমা দিলেও দীর্ঘ ছয় মাসেও হয়নি কমিটি। ফলে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপজেলা আওয়ামী লীগসহ তাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে আগের পরিচয়ে অংশগ্রহণ করে থাকেন। কমিটি না থাকায় হতাশায় ভুগছেন নেতা-কর্মীরা।

    বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সিফাত শিকদার বলেন, ‘পদপ্রত্যাশী হিসেবে আমিসহ অনেকে জেলা ছাত্রলীগের কাছে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছি। জেলা ছাত্রলীগের নেতারা এখানে ছাত্রলীগের কমিটি দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নতুন কমিটি হবার কারণসহ বেশকিছু কারণে এখনও নতুন কমিটি দেওয়া হয়নি। আমার প্রত্যাশা অভিলম্বে এখানে একটি বিতর্কমুক্ত কমিটি উপহার দেওয়া হোক’

    উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান বলেন,এখানে ছাত্রলীগের কমিটি না থাকায় পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। ছাত্রলীগের কর্মী সভার পরে পদপ্রত্যাশীদের জীবন বৃত্তাš Íনেওয়ার পরও দীর্ঘ দিনেও কি কারণে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি দেয়া হচ্ছেনা তা বুঝতে পারছি না। জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের কাছে আমার দাবি তারা যেন বিবাহিত, অছাত্র,মাদকাসক্ত, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংয়ের সাথে জড়িত এমন লোকজন ব্যতিরেকে এখানে একটা দ্রুত পরিচ্ছন্ন কমিটি গঠন করেন।

    উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আমিন হাওলাদার বলেন, দীর্ঘদিন কমিটি না থাকার কারণে আমরা নেতৃত্বহীন অবস্থায় আছি। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাই দ্রুত কমিটি না দেওয়া হলে অন্য ছাত্র সংগঠন সুযোগে নেবে। আমরা চাই পদপ্রত্যাশীদের জীবন বৃত্তান্ত যাচাই বাছাই করে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করে শীঘ্র ছাত্রলীগের একটি নতুন কমিটি ঘোষনা করা হোক।

    এ বিষয়ে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌশিকুর রহমান ইমরান বলেন, বেতাগী উপজেলায় কর্মী সভা করে পদ প্রত্যাশীদের জীবন বৃত্তান্ত জমা নিয়েছি। কিছু ক্রুটি বিচ্যুতির কারণে নতুন কমিটি দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। নতুন নেতৃত্বের বিষয়ে আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করেছি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনা নিয়ে আমরা খুব শীঘ্রই এখানে একটি নতুন কমিটি ঘোষণা দিব।

    উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় অজয়। তিনি বর্তমানে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়েছেন। ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা বলেন, কমিটি না থাকায় কার্যক্রম থমকে গেছে এমনটা নয়। ঝিমিয়ে পড়া ও সংকট তৈরি হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে জেলা ছাত্রলীগ সহযোগিতা চাইলে সাবেক নেতা হিসাবে সব সময় প্রিয় সংগঠনের পাশে রয়েছি। আগামীতেও থাকবো।

  • আগৈলঝাড়া বিএইচপি একাডেমীর ১০৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

    আগৈলঝাড়া বিএইচপি একাডেমীর ১০৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমীর (বিএইচপি একাডেমী) ১০৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে। ১১মার্চ শনিবার সকালে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মহাত্মা ভেগাই হালদারের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত ক্রিড়া প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ। প্রতিযোগিতায় ৫০টি ইভেন্টে ৪৫০জন ছাত্র-ছাত্রীর অংশ গ্রহনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আগৈলঝাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা ফজলুল হক, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি, বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস, বিদ্যালয়ের সদস্য ও বাকাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদুল ইসলাম পাইক, সদস্য অনিল হালদার, আনোয়ার পাইক, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। ১২মার্চ রবিবার বিকেলে প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে দুই দিন ব্যাপি ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সমাপ্ত হবে।

  • সময়ের আলো’র ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক মো. মিঠু মিয়া

    সময়ের আলো’র ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক মো. মিঠু মিয়া

    ধর্মপাশা ও মধ্যনগর প্রতিনিধি:

    দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক মো. মিঠু মিয়া।

    গত ৯ মার্চ দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হারুন উর রশিদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাঁকে এ নিয়োগ দেয়া হয়।

    মো.মিঠু মিয়া দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকায় তিনি ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবেও কাজ করছেন।

    সংবাদ সক্রান্ত যেকোন প্রয়োজনে ০১৭১৭-৪৪০৩০০ এই নাম্বারে তাঁর যোগাযোগ করা যাবে।

    শান্ত তালুকদার,মধ্যনগর,সুনামগঞ্জ।