Author: desk

  • নিখোঁজের দুইদিন পরে সাইফুলের মরদেহ উদ্ধার

    নিখোঁজের দুইদিন পরে সাইফুলের মরদেহ উদ্ধার

    রফিকুল ইসলাম,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)
    ঢাকা-রাঙ্গাবালী নৌরুটের লঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়ার দুইদিন পর নদীতে ভাসমান অবস্থায় যাত্রী সাইফুল বিশ্বাসের (২৬) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। রোববার বেলা ১১ টায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আউলিয়াপুর সংলগ্ন তেতুলিয়া নদী থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।
    দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান ও নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মো. সুরুজ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তারা বলেন, রোববার সকালে তেতুলিয়া নদীর চঙ্গারচর নামক এলাকায় মাছ শিকারী জেলেরা একটি মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের একটি দল মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
    জানা যায়, উদ্ধার হওয়া মৃতদেহটি নিখোঁজ সাইফুলের পরিবারের শনাক্ত করেছেন। পুলিশ জানায়, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
    নিখোঁজ সাইফুলের বাড়ি রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের উত্তর চরমোন্তাজ গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের হানিফ বিশ্বাসের ছেলে এবং পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।
    উল্লেখ্য, ঢাকায় তরমুজ বিক্রি করে বৃহস্পতিবার রাতে সাইফুল তার বাবা ও ভাইর সঙ্গে ঢাকা-রাঙ্গাবালী নৌরুটের পূবালী-৫ নামের লঞ্চযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে শুক্রবার ভোর ৫ টার দিকে দশমিনা উপজেলার বাশবাড়িয়া ইউনিয়নে বীজ ভান্ডার সংলগ্ন তেতুলিয়া নদী অতিক্রমকালে ফজরের নামাজের জন্য লঞ্চের পেছনের দিকে ওজু করতে গিয়ে নদীতে পড়ে যায় সাইফুল।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)

  • গোপালগঞ্জে মোটর সাইকেলে এসে ভ্যান চুরি, অত:পর গণধোলাই দিয়ে পুলিশে

    গোপালগঞ্জে মোটর সাইকেলে এসে ভ্যান চুরি, অত:পর গণধোলাই দিয়ে পুলিশে

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে দুই লাখ বিশ হাজার টাকার মোটর সাইকেল চড়ে এসে কাঁচামাল ব্যবসায়ীর ভ্যান চুরি করেছে এক যুবক। পরে আবার এসে মোটর সাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সেই যুবককে আটক করে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয়রা।

    শনিবার (১১ মার্চ) রাতে এমন ঘটনা ঘটেছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী বাজারে। পরে সেই যুবককে গনধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

    টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল মুনসুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    আটককৃত যুবক রাজু হাওলাদার (১৯) বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর গ্রামের ইসমাইল হাওলাদারের ছেলে। তাকে আজ রোববার (১২ মার্চ) সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    পাটগাতী বাজার বনিক সমিতি সুত্রে জানা যায়, চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া গ্রামের কৃষ্ণপদ মন্ডল ব্যাটারিচালিত ভ্যানে কাঁচামাল নিয়ে এসে পাটগাতী বাজারে ব্যবসা করেন। শনিবার দুপুরে রাস্তার পাশে ভ্যানটি রেখে বেচাকেনা শুরু করেন। বেচাকেনা শেষ করে রাত ৮ টার দিকে সেখানে গিয়ে দেখেন তার ভ্যানটি নেই। পরে পাটগাতী বাজার বনিক সমিতিকে বিষয়টি জানালে তারা সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে দেখেন ভ্যানটি এক যুবক চুরি করেছে।

    সিসিটিভিতে দেখা যায়, শনিবার সন্ধ্যার আগে রাজু নামের ঐ যুবক এপাচি আরটিআর ১৬০-4V মডেলের একটি মোটর সাইকেলে চড়ে বাজারে আসেন। মোটর সাইকেলটি রাস্তার পাশে থামিয়ে এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি করতে থাকে। একসময় সেই ভ্যানে উপর বসে মোবাইলে কথা বলতে থাকেন ও ভ্যানটি চালিয়ে বাজার থেকে চলে যায়। পরে সিসিটিভি দেখে চোর সনাক্ত করা হয়। অনেকক্ষণ পর সেই যুবক তার মোটর সাইকেল নিতে আসলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

    কাঁচামাল ব্যবসায়ী কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, প্রতি শনি ও মঙ্গলবার টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতী বাজারে বসা হাঁটে ভ্যানে করে কাঁচামাল নিয়ে এসে বেচাকেনা করি। বেচাকেনা শেষে গিয়ে দেখি আমার ভ্যানটি নেই। পরে সিসিটিভি দেখে চোরকে শনাক্ত করা হয়। ঘন্টাখানেক পরে চোর তার মোটরসাইকেল নিতে আসলে তাকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়া হয়। তবে এখনো ভ্যানটি ফেরত পাইনি।

    টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল মুনসুর বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষ্ণ মন্ডল থানায় কোন অভিযোগ দেয়নি। তবে চোরকে রাতে থানায় নিয়ে আসার পর আজ রোববার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। #

  • বাগেরহাটে  বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তী ইউএনবি বেস্ট জার্নালিস্ট অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন

    বাগেরহাটে বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তী ইউএনবি বেস্ট জার্নালিস্ট অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন

    এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির:ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি) এর বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তী অসাধারণ কর্মদক্ষতার জন্য এবারো ‘বেস্ট জার্নালিস্ট অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন। বিষ্ণুপ্রসাদ চক্রবর্তী এ নিয়ে ৫ম বারের মতো ইউএনবি প্রতিনিধিদের মধ্যে সেরাদের সেরা হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেলেন।
    শনিবার ঢাকায় কসমস সেন্টারে পদ্মা কনফারেন্স কক্ষে ২০১৯ সালের প্রতিনিধি সম্মেলনে ইউএনবি এডিটর ইন চিফ এনায়েতউল্লাহ খান আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে ওই অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন। প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ। সম্মেলনে স্বনামধন্য শিক্ষকগণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ধারণা দিয়েছেন প্রতিনিধিদের। ঢাকাসহ সারা দেশে কর্মরত ইউএনবির শতাধিক সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন।
    বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তী ১১৯২ সাল থেকে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত। বর্তমানে তিনি ইউএনবি, একাত্তর টিভি এবং দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকায় সাংবাদিকতা করছেন। এর আগে একুশে টিভি, আরটিভি, ডেইলি সান এবং দৈনিক যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১২ সালে তিনি বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন।

    বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তী জানান, ‘পুরস্কারের মধ্যে দিয়ে কাজের মূল্যায়ন করা হয়। আর সাংবাদিকাতায় পুরস্কার সে তো পেশার প্রতি দায়বদ্ধতা আরো বাড়িয়ে দেয়। ইউএনবির এই অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তিতে পেশাগত দ্বায়িত্ব পালনে আমাকে আরো বেশি উৎসাহিত করেছে। যার ফলশ্রুতি এই পুরস্কার।’ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তিতে ইউএনবি কর্তৃপক্ষ এবং সকল সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।তিনি আরো বলেন, ‘দেশ এবং মানুষের জন্যই আমার সাংবাদিকতা। বিভিন্ন সময়ে নানা প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে দিয়ে সৎ এবং বস্তুনিষ্ট সাংবাদিকতা করছি। অপসাংবাদিকতার ক্ষেত্রে নিজেকে সোচ্চার রেখেছি। দুই যুগের বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশায় জড়িয়ে থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমৃত্যু সাংবাদিকতা করে যেতে চাই। #

  • আগৈলঝাড়ায় মাদক ব্যবসায়ীকে গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার

    আগৈলঝাড়ায় মাদক ব্যবসায়ীকে গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এক মাদক ব্যবসায়ীকে গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার করেছে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ। এঘটনায় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগৈলঝাড়া থানার এস আই মোঃ তারিকুল ইসলাম সাংবাদিক বি এম মনির হোসেনকে জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত.ইউসুফ আলী মৃধার ছেলে মাদক ব্যবসায়ী ছোবাহান মৃধাকে নিজের লাগানো গাঁজার গাছসহ শনিবার রাতে এস আই মোঃ তারিকুল ইসলাম গ্রেফতার করেন গ্রেফতারের সমায় সঙ্গে ছিলেন এস আই মিল্টল মন্ডল, এ এস আই মোঃ আল-মামুন।
    সে(ছোবাহান মৃধা)দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা গাছ লাগিয়ে গাঁজার ব্যবসা করে আসছিল। এঘটনায় এস আই মোঃ তারিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় শনিবার রাতেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করেন, যার নং-৪। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে ১২ মার্চ রোববার বরিশাল আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • গোপালগঞ্জে যুবলীগের শান্তি সমাবেশ ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জে যুবলীগের শান্তি সমাবেশ ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : দেশব্যাপী বিএনপি জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মুকসুদপুর উপজেলা যুবলীগ এ কর্মসূচীর আয়োজ করে।

    আজ রোবববার (১২ মার্চ) সকালে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

    পরে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শিান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রবিউল আলম শিকদার। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জহির হাসান টিটোর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হায়দার হোসেন, যুবলীগ নেতা শাহারিয়ার বিপ্লব, মহিউদ্দিন মাতুব্বর, কামাল হোসেন, যুবলীগ নেতা রিফাতুল আলম মুছা বক্তব্য রাখেন। #

  • সততা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চুড়ান্ত নিয়োগ সম্পন্ন

    সততা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চুড়ান্ত নিয়োগ সম্পন্ন

    কেএম সোহেব জুয়েল :-গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সাকোকাঠী সততা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দীর্ঘ একমাস প্রশিক্ষন শেষে রবিবার(১২ মার্চ) সকাল ১০ টায় সততা হাসপাতালের অভ্যর্থনা কেন্দ্রে যাচাই- বাচাই অনুষ্ঠানে সহকারী নার্চ ও আয়াদের চুড়ান্ত নিয়োগের ফলাফলের কার্যক্রম শেষ করা হয়েছে।

    নিয়োগের ফলাফলে উৎফুল্ল এ সকল কর্মচারি বৃন্দ। নিয়োগকারিরা সততা ও নিষ্ঠার সাথে হাসপাতালের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে সততার সাথে একযোগে সেবা দান করবেন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এমন অঙ্গিকার ও অভিমত ব্যাক্ত করেন।

    এ সময় অনুষ্ঠান মালায় উপস্থিত থেকে হাসপাতালের নবনিয়োজিত কর্মচারিদের মাঝে প্রতিষ্টানটি সমুন্নত রাখতে দিক নির্দেশনা মুলক মুল্যবান বক্তব্য দেন হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদের প্রধান উপদেষ্টা মো: হেদায়েত উল্লাহ, পরিচালক প্রশাসন আলহাজ্ব মো: সাজ্জাদ হোসেন বাবুল, উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মিসেস মিনা আফরোজ,আবদুল হালিম তাল্লুকদার সাংবাদিক কেএম সোহেব জুয়েল প্রমুখ।দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ করা হয়েছে।।

  • ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীর আগমনে জেলা পরিষদ সদস্য আরজুনা কবির এর বিশাল মিছিল

    ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীর আগমনে জেলা পরিষদ সদস্য আরজুনা কবির এর বিশাল মিছিল

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ময়মনসিংহে আগমন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল করেছে জেলা পরিষদ সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেত্রী আরজুনা কবির।

    শনিবার বিকালে তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্বাগত মিছিলটি ময়মনসিংহ নগরী দিঘারকান্দা এলাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রায় দেড় হাজার নেতাকর্মী আরজুনা কবির এর নেতৃত্বে ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস ময়দানে ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজি সমাবেশে মিলিত হয়।

    জেলা পরিষদ সদস্য ও সৃবেচ্ছাসেবক লীগ নেত্রী আরজুনা কবির বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহবাসীকে ১০৩ টি উন্নয়ন প্রকল্প উপহার দিয়েছেন। জেলাকে উন্নত শহরে পরিণত করেছেন। শুধু ময়মনসিংহ নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুরো বাংলাদেশে সরকার অভূতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছেন। বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। অসহায়-দরিদ্র মানুষের কল্যাণে সরকার বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা সহ বিভিন্ন প্রকার ভাতা দিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছেন। যার ফলে উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে। শনিবার (১১মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহবাসীকে ও উন্নয়নে বদলে যাওয়া ময়মনসিংহ কে দেখার জন্য এসেছেন এবং সার্কিট হাউস ময়দানে স্মরণকালের বিশাল জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন। জননেত্রীর এ জনসভাকে সফল করতে আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের প্রতিটি নেতাকর্মী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন,তাই নেত্রীর একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসাবে আমিও সেই ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করেছি।

  • গোপালগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় স্কুল শিক্ষক নিহত

    গোপালগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় স্কুল শিক্ষক নিহত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে রাজশাহীগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় বাদল বিশ্বাস (৩৬) নামে এক স্কুল শিক্ষক নিহত হয়েছেন।

    আজ রোববার (১২ মর্চ) সকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।

    রাজবাড়ী রেলওয়ে থানার পরিদর্শক সোমনাথ বসু ট্রেন দূর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত ওই স্কুল শিক্ষক বাদল বিশ্বাস গোপালগহ্জ সদর উপজেলার মাঝিগাতী ইউনিয়নের ডালনিয়া গ্রামের নীলরতন বিশ্বাসের ছেলে ও সিলনা-গুয়াধানা বিন্দুবাসিনী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক।

    পরিদর্শক সোমনাথ বসু জানিয়েছেন, সদর উপজেলা মাঝিগাতী ইউনিয়নের ডালনিয়া থেকে মোটর সাইকেলে করে স্কুলের দিকে যাচ্ছিলেন শিক্ষক বাদল বিশ্বাস। এসময় গোপালগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া রাজশাহীগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের সাথে মোটর সাইকেলটির ধাক্কা লাগে। এতে মোটর সাইকেলসহ ওই শিক্ষক ৩০ থেকে ৪০ ফুট দুরে রাস্তার খাদে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

    এ খবর পরিবারের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো পরিবারে। স্বজনদের কান্নায় কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে আকাশ বাতাস। #

  • প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ময়মনসিংহে ডাঃ আজিজ এর পক্ষে আনন্দ মিছিল

    প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ময়মনসিংহে ডাঃ আজিজ এর পক্ষে আনন্দ মিছিল

    ময়মনসিংহে প্রধানন্ত্রী দেশরত শেখ হাসিনার আগমনে প্রিয়নেত্রীকে অভিনন্দন ও স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও শোভাযাত্রা করেছে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ(স্বাচিপ) এর সাবেক মহাসচিব, চিকিৎসক নেতা অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ সমর্থক নেতাকর্মীরা।

    শনিবার (১১ই মার্চ) বিকালে ময়মনসিংহে ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস ময়দানে ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজিত জনসভায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে আগমন করলে নেত্রী কে স্বাগত জানাতে জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক এর নেতৃত্ব উক্ত আনন্দ মিছিল করেন চিকিৎসক নেতা অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ এর অনুসারীরা। মিছিলটি ময়মনসিংহ ব্রীজ এলাকা থেকে শুরু হয়ে নগরীর কালিবাড়ী হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রায় দুই হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ নিয়ে মুল জনসভায় অংশ নেন যুবলীগ নেতা এইচ এম ফারুক।

    প্রধানমন্ত্রী ছবি সম্বলিত গেঞ্জি পরোহিত, নানা ঢংয়ে, নানা রংয়ে ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড নিয়ে নেচে গেয়ে আনন্দ মিছিলের মাধ্যমে জনসভায় তারা অংশ নেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

    আনন্দ শোভাযাত্রার শুরুর পুর্বে যুবলীগ নেতা এইচ এম ফারুক বলেন, ময়মনসিংহের মানুষের কাছে আজ প্রাপ্তির আনন্দ, আমরাও পারি সেটা মাথা উঁচু করে প্রমাণ করার আনন্দ, ময়মনসিংহ জেলা শেখ হাসিনার ঘাটি সেটাই আরেকবার জানানোর আনন্দ। আর এই আনন্দ, উৎসবের যিনি কারিগর এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি না থাকলে ময়মনসিংহ বিভাগ হতো না। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন হতো না,নগরীর রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হতোনা।উন্নয়নের কারিগর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে ঘিরে মিছিলে আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে ময়মনসিংহ নগরী। আশেপাশের এলাকা থেকে জনসভায় যোগ দিচ্ছেন মিছিল করেই।

    এইচ এম ফারুক বলেন, “আমাদের আগে থেকেই টার্গেট ছিল নগরীতে মিছিল করে সকাল ১০টার মধ্যে মাঠে প্রবেশ করার। সেই লক্ষ্যে আমরা পাটগুদাম ব্রিজমোড় থেকে মিছিল করে সার্কিট হাউজ মাঠে গিয়েছি।

    এদিকে অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ এর পক্ষে সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়ন থেকে সাবেক ছাত্রনেতা ও সাংবাদিক আরিফ রববানীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিশাল শোডাউন নিয়ে ব্রীজমোড় এলাকায় জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক এর নেতৃত্বাধীন মিছিলে যোগ দিয়ে মুল জনসভায় অংশগ্রহণ করেন জাতীয় শ্রমিক লীগ কোতোয়ালী শাখার সদস্য আল আমিন, ভাবখালী ইউনিয়নের জাতীয় শ্রমিকলীগের আহবায়ক জয়েল রানা,সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম, ইঞ্জিঃ আকাশ,জুয়েল রানা আকাশসহ নেতাকর্মীরা।

  • মাদারীপুরে  মামলা থেকে রেহাই পেতে  সংবাদ সম্মেলন

    মাদারীপুরে মামলা থেকে রেহাই পেতে সংবাদ সম্মেলন

    আরিফুর রহমান।
    মাদারীপুর প্রতিনিধি :
    মাদারীপুরে হত্যা মামলাকে অন্যদিকে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে রেহাই পেতে ও সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এলাকাবাসী।

    আজ শনিবার (১১ মার্চ) সকালে মাদারীপুর সাংবাদিক কল্যান সমিতি অফিসে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার আসামিরা এবং এলাকাবাসী মিলে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

    এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ৪৪নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবদুল সালাম বেপারী। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালের মে মাসে দিকে কালিকাপুর ইউনিয়নের হোসেনাবাদ গ্রামের আবদুল রাজ্জাক বেপারীকে প্রকল্পিতভাবে খুন করেন মোঃ এজাজ আকন ও লোকজনেরা। এর কয়েকদিন পরে কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন।এর পর থেকেই সে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।চেয়ারম্যান হওয়ার পরে তার লোকজনেরা লুটপাট, চাঁদাবাজি এবং মানুষের ভাতের পাতিলে প্রসাব করার মত জঘন্য কাজগুলো করে চলতো। এ নিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন আওয়ামী লীগ নেতা সাহেব আলী মাতুব্বর। কিন্তু কোনমতেই তার সাথে আতাত করতে না পেরে হিংস হয়ে ওঠেন চেয়ারম্যান ও লোকজনেরা।পরে পাঁচখোলা এলাকার মাসুদ মোল্লার লোকজনের সাথে সম্পর্ক তৈরি করেন সাহেব আলীকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে। পরে ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল নয়টার দিকে আনন্দ বাজারের পাশে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেন।পরবর্তীতে ১ মার্চ সাহেব আলী মাতুব্বরকে হত্যায় পরিবারের লোকজন হত্যা মামলা দায়ের করেন।বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে পরবর্তীতে সাহেব আলীর হত্যা মামলার বাদির পরিবারকে মামলা তোলার জন্য চাপ প্রয়োগ করে ব্যর্থ হন। সাহেব আলী খুনের ৬নং আসামী ছিলেন আউয়াল মাতুব্বর।পরে আউয়াল মাতুব্বর ১৬৪ ধারা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট তারা জবববন্দি প্রধান করেন তারা এজাজ আকনের হুকুমে সাহেব আলী মাতুব্বরকে খুন করেছে। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এই জবানবন্দী দেওয়ায় কারনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয় এজাজ আকন ও তার লোকজনের মাঝে।তারপরে গত ২ ফেব্রুয়ারির দিকে আউয়াল মাতুব্বরকে চায়ের দোকান থেকে ফোনে ডেকে নিয়ে আনন্দ বাজারের রাস্তার পাশে কুপিয়ে রেখে চলে যায়। স্হানীয় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করলে সেখানে আউয়াল মাতুব্বরের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    তিনি আরও বলেন,আওয়াল মাতুব্বরকে রাজ্জাক ঘরামীর মাধ্যমে ফোন করে ডেকে নিয়ে এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।তারা এখন নিহতের স্ত্রী, মেয়ে ও ভাই, ভাতিজাগনকে আউয়াল মাতুব্বরকে কে বা কারা ফোন করে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে সেই মোবাইল ফোন কললিস্ট যাচাই ও জিজ্ঞাসাবাদ না করে।তারা মামলা করেছে ২০১৯ সালে আলোচিত সাহেব আলী মাতুব্বর হত্যা মামলার বাদির ছেলে মেয়ে ভাই,ভাতিজা,স্বাক্ষীগন, আত্মীয়-স্বজন ও তাদের দলবলের নামসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করে তাদের নিজেদের দোষ অন্যদিকে প্রবাহিত করার জন্য একাজ করছে।তারা মূলত সাহেব আলী হত্যা মামলার বিচারকে বাধাগ্রস্ত করতে আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। আমরা আউয়াল মাতুব্বরের হত্যা মামলার আসামী ৫১ একেবারে নিদোর্ষ।এই মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে রেহাই পেতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে এ ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি।

    নিহত আউয়াল মাতুব্বরের স্ত্রী ফিরোজা বেগমম বলেন, রাজ্জাক ঘরামীর মাধ্যমে ফোন করে ডেকে নিয়ে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।সরকার ও প্রশাসনের কাছে আমার একটা দাবি মোবাইল ফোনের কল লিস্ট দেখলে পাওয়া যেতে পারে।

    নিহত সাহেব আলী মাতুব্বরের মেয়ে আসিয়া বেগম বলেন,আউয়াল মাতুব্বর আমার বাাব হত্যার ৬নং আসামী ছিলো সে পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে জবানবন্দি দিয়েছে এজাজ আকনের হুকুমে তাকে হত্যা করেছে সে কারনে এজাজ আকন ও তার লোকজনেরা মিলে আউয়াল মাতুব্বরকে হত্যা করছে। তারা নিজেরা হত্যা করে এখন আমাদেরকে আসামী করছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই। আর সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত আসামীদের আইনের আওতায় আনা জোর দাবি।

    সংবাদ সম্মেলনে সাবেক চেয়ারম্যান আহসান মাতুব্বর বলেন, তারা বিগত একটি হত্যা করেছি সেই হত্যাকে চাপিয়ে রাখার জন্য এই হত্যা করেছে।এখন তারা আগের হত্যার বাদির পরিবার পরিজন আত্মীয়-স্বজন ও দলবললের লোকজনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতেছে।সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে।

    সংবাদ সম্মেলনে আবদুস সালাম বেপারী,সাবেক চেয়ারম্যান আহসান মাতুব্বর, মামুন মাতুব্বর, আসিয়া,গোলাম আজম,আলেয়া বেগম ময়ূরী বেগমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।