Author: desk

  • ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালন উপলক্ষে আলোচনা

    ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালন উপলক্ষে আলোচনা

    গীতি গমন চন্দ্র রায়।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে সোমবার (১৩ই মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সভাপতিত্বে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৩ইং উপজেলা পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসন এবং বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।”মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার দীক্ষা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন রানীশংকৈল উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম,আ’লীগ সভাপতি সইদুল হক,নন্দুয়ার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল বারি,মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান,উপজেলা শিক্ষা অফিসার রাহিম উদ্দিন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তৈয়ব আলী,রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর আবিদুল হাসান,সহকারি অধ্যাপক প্রশান্ত বসাক, সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনজুরুল আলম,জাহিদ হোসেন,সীমান্ত বসাক,প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক ইয়াকুব আলী,প্রধান শিক্ষক জানে আলম, ফারজানা আক্তারি,রুহুল আমিন, খগেশচন্দ্র,প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি প্রধান শিক্ষক কুশমত আলী,প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম,মুনসুরা বেগম,মানিক,জানে আলম,হিরু,ফজলে আলম,সেলিমা বেগম ও খালেদা বেগম, মোমেনা খাতুন, কামরুজ্জামান,শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক সহকারি শিক্ষক মোকবুল হোসেন প্রমুখ।এছাড়া ও অন্যান্য অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠান সভায় উপস্থিত ছিলেন।এ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রানীশংকৈল সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ঘনশ্যাম।

  • ধর্মপাশায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামাল আটক 

    ধর্মপাশায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামাল আটক 

    সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় জনতার হাতে আটক হয়েছে দুটি পিকআপ ভ্যান ভর্তি   বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামাল। পরে সংবাদ পেয়ে মালামাল ভর্তি পিকআপ দুটি  থানায় নিয়ে আসে ধর্মপাশা থানার পুলিশ। এসময় দুই চালক ও দুই হেল্পার সহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। 

    রবিবার দিবাগত ভোর রাতে ধর্মপাশা থানার অদূরে ধর্মপাশা গ্রামের পশ্চিম পাড়ার কুতুবউদ্দিনের বাড়ির সামনে থেকে ভারতীয় মালামাল ভর্তি পিকআপ দুটির গতিরোধ করে গ্রামের সাধারণ মানুষ। 

    জানা যায়, নেত্রকোনা জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি ও ধর্মপাশা পশ্চিম বাজারের সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ধর্মপাশা শাখার এজেন্ট আরিফুর রহমান মুরাদ চৌধুরী সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের অন্তরালে  শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে  ভারতীয় মালামাল দেশের   রাজধানী শহরসহ বিভিন্ন শহরে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের পার্সেল বহনকারী  গাড়ী পরিচয় দিয়ে পিকআপ ভ্যান ও ট্রাক বুঝাই করে পাচার করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে । প্রায়শই গভীর রাতে  ধর্মপাশা গ্রামের মুরাদের শ্বশুড় বাড়ি কুতুবউদ্দিনের বাড়ি থেকে  গাড়ী বুঝাই করে মালামাল পাঠানো হয়। গাড়ী ছেড়ে যাওয়ার সময়   হেডলাইট বন্ধ করে দেয়। এতে আশপাশের মানুষের সন্দেহ হয়। প্রতিবারের মতো রবিবার ভোররাতে ত্রিপাল দিয়ে ঢেকে মাল ভর্তি দুটি পিকআপ ভ্যান মুরাদের শশুড় বাড়ি থেকে বের হয়ে মেইন রাস্তায় আসা মাত্রই  উপজেলা আওয়ামীগের সাধারণ সম্পাদকের সহায়তায় গাড়ী দুটির গতিরোধ করে থামিয়ে  থানায় খবর দেয়া হলে সংবাদ পেয়ে  মালভর্তি গাড়ী দুটি থানায় নিয়ে আসে ধর্মপাশা থানা পুলিশ ।এ সময় দুই ড্রাইভার ও দুই হেল্পারসহ চারজনকে আটক করা হয়।
    পরে সোমবার সকালে গাড়ি দুটি থেকে নামিয়ে  ৮২  পেকেট ভারতীয় শাড়ী ও ত্রীপিস পাওয়া যায়।
    এ ব্যাপারে আরিফুর রহমান মুরাদ চৌধুরী সহ মোট ৬ জনকে আসামি করে ধর্মপাশা থানায় মামল হয়েছে।

    শান্ত তালুকদার
    ধর্মপাশা(মধ্যনগর) সুনামগঞ্জ

  • তানোরে আশ্রায়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে প্রকল্প পরিচালক

    তানোরে আশ্রায়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে প্রকল্প পরিচালক

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে আশ্রায়ণ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন প্রকল্প পরিচালক। জানা গেছে, গত ১১ মার্চ শনিবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক-৬ একেএম ফজলুর রহমান দিনব্যাপী উপজেলার সরনজাই ইউপির সরনজাই মন্ডলপাড়া এবং সিধাইড় আশ্রায়ণ প্রকল্পসহ বিভিন্ন এলাকার আশ্রায়ণ প্রকল্প পরিদর্শন ও উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজের প্রশংসা করেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট (এলএলও) জহুরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম ও সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খাঁন প্রমুখ।
    জানা গেছে, বাঙালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন-পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান করা হয়। আশ্রায়ণ প্রকল্পের এসব ঘর গৃহহীনের আশার বাতিঘর। উপজেলায় আশ্রায়ণ প্রকল্পে ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ধাপে মোট ৬৪২টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এসব ঘর এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬৪২টি ঘরের জন্য প্রায় ৪০ বিঘা সরকারি খাস জমি ব্যবহার করা হয়েছে, টাকার অংকে এসব জমির মুল্য প্রায় চার কোটি টাকা। এছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রায় ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬টি বীর নিবাস নির্মাণ করা হচ্ছে।
    সরেজমিন উপজেলার বাধাঁইড় ইউপির জুমারপাড়া, সরনজাই ইউপির তাঁতাহাটি ও জামিন সিধাইড় আশ্রয়ণ প্রকল্পে দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে ছিন্নমূল মানুষের জীবনমান। তারা এখন বসবাস করছেন রঙিন ঢেউটিন আর পাঁকা দেয়ালের আধা পাঁকা বাড়িতে।
    এসব বাড়ির আশেপাশে করা হয়েছে শাকসবজির চাষাবাদ। কেউ পালন করছেন হাঁস, মুরগি ও ছাগল। কেউ সেলাই মেশিনের কাজ করছেন।
    সন্তানদের পাঠাচ্ছেন স্কুলে। বসতির দুশ্চিন্তা ছেড়ে নিশ্চিন্ত মনে কাজ করে এগিয়ে নিচ্ছেন সংসার। সংসারে এসেছে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রকল্পের বাসিন্দারা গঠন করছেন সমবায় সমিতি। নিয়মিতভাবে দিচ্ছেন প্রশিক্ষণ। অনেকের একাডেমিক শিক্ষা না থাকলেও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা হয়ে উঠছেন স্বশিক্ষিত। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ নিয়মিত তদারকি করে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের।
    জানা গেছে, বিগত ২০২১ সালের ২০ জুন রোববার উপজেলা অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে ২য় পর্যায়ে আশ্রায়ণ প্রকল্পের একযোগে ১০৫টি ভুমিহীন পরিবারের মাঝে বিনামুল্যে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়। এই সরকারের সময়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে উপজেলায় মোট ৬৪২টি গৃহহীন পরিবার তাদের ছেলে-মেয়ে ও পরিবার নিয়ে এসব দুর্যোগ সহনীয় সেমি পাকা ঘরে সুন্দর ভাবে জীবন যানপন শুরু করেছেন। এদিকে এসব ঘরের পাশে বিশুদ্ধ খাবার পানি নিশ্চিত ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশলী অধিদপ্তরের মাধ্যমে হাতের কাছে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা পেয়ে বেশ খুশি উপকারভোগীরা। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এসব ঘরের পাশে সৌচাগার রাখা হলেও ছিলনা পানির ব্যবস্থা।এতে বিশুদ্ধ পানির অভাবে অনেক উপকারভোগী বিপাকে পড়ে। এদিকে দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের আওতায় তানোরে আশ্রায়ণ প্রকল্প-১ এর আওতায় ৫৭টি পরিবারের জন্য ১২টি সাবমার্সিবল পাম্পের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বাঁকি বাড়িগুলোতেও সাবমার্শিবল পাম্প স্থাপন প্রক্রয়াধীন রয়েছে। অন্যদিকে প্রতিটি পাম্পের গোড়া পাকা এবং পানির ট্র্যাঙ্কি স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর নির্দেশনা ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার সার্বিক সহযোগীতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে পৃথক পৃথক স্থানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম ইতমধ্য আশ্রায়ণ প্রকল্পে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।
    জানা গেছে, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় পাওয়া ঘরে এসব গৃহহীন পরিবারগুলো সুন্দর জীবন যাপন করছেন। প্রতিটি ঘরে দুইটি কক্ষ, একটি টয়লেট, রান্নাঘর, কমনস্পেস, একটি বারান্দা এবং বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির সুব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব গৃহ প্রত্যেক পরিবারের জন্য আলাদা করে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে নিচু জমি ভরাট করে নতুন মাটিতে ঘর নির্মাণ ও বর্ষার কারনে দুই একটি ঘরে সামান্য সমস্যা দেখা দিয়েছিল সেগুলোও মেরামত করা হয়েছে।
    উপজেলার বাঁধাইড় ইউপির জুমারপাড়া ও পাঁচন্দর ইউপির তাতিহাটি নবনবী গ্রামের উপকারভোগীরা জানান, তারা প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরে উঠে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করছেন। এসব ঘর নির্মাণ নিয়ে তাদের কোনো অভিযোগ নাই, এসব উপকারভোগীরা বলেন, এক সময় তাদের কোন মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না, অন্যর জমিতে কুড়ে ঘর করে কোন রকম দিন যাপন করতেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তাদের এসব ঘর করে দেওযায় পর থেকে তাদের থাকার আর কোন অসুবিধা হয় না। তারা আরো বলেন, এসব ঘরে টয়লেট, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানি সুব্যবস্থা থাকায় তাদের কোন রকম ভোগান্তিতে পড়তে হয় না। বিদ্যুৎতের আলোয় ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনাও করাতে পারেন। তাই তারা আমরা খুশি। তারা বলেন, আমরা দোয়া করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে আমাদের মত অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করেছেন আল্লাহ যেন এভাবেই তার উপকার করেন।
    সংশ্লিস্ট সুত্র জানায়,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় চার ধাপে মোট ৬৪২টি পরিবারকে ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত পৃর্বক, কবুলিয়ত ও নামজারিসহ এসব ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব ঘর নির্মানে প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শে মাঠ পর্যায়ে সরকারের কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। বিশেষ করে ইউএনও পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ পিআইও প্রকৌশলী তারিকুুুল ইসলামের ভুমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রধানমন্ত্রী যে লক্ষ নিয়ে এসব গৃহহীন ও ভুমিহীনদের ঘর হস্তান্তর করছেন সেই লক্ষ পূরনে সংশ্লিস্ট কর্মকর্তাগণ এখানো নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এবিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, এমপি মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন যৌথভাবে আশ্রায়ণ প্রকল্পের কাজ দেখভাল করছেন। তিনি বলেন, কাজের মাণ খুবভাল হয়েছে, এনিয়ে কারো কোনো অভিযোগ নাই। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ জানান, ইতমধ্যে ১২টি সাবমারসিবল পাম্প স্থাপনে আশ্রায়ণ প্রকল্পের কমপক্ষে ৫৭টি পরিবারে সুপেয় পানির ব্যবস্থা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে বাকিগুলোতেও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, পানির ব্যবস্থা হওয়ায় পরিবারগুলো সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এবিষয়ে বাঁধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণে তানোর মডেল, এখানকার একটি ঘর নিয়েও কারো কোনো অভিযোগ নাই।#

  • তেঁতুলিয়ায় গমের নতুন জাত প্রদর্শনী শীর্ষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

    তেঁতুলিয়ায় গমের নতুন জাত প্রদর্শনী শীর্ষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ তেঁতুলিয়ায় গমের নতুন জাত প্রদর্শনী শীর্ষক মাঠ দিবস-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ মার্চ) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট, নশিপুর, দিনাজপুর এর আয়োজনে এবং প গড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের বুড়াবুড়ি ঈদগাহ্ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় দুপুরে এই মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুর এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- প গড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক(পিপি) শাহ মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুর এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য শামীম হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ যুগ্ম আহবায়ক ইউসুফ আলী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ যুগ্ম আহবায়ক তহিদুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য ইয়াছিন আলী, সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মকছেদ আলী, আব্দুর রহিম প্রমূখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- ইউনিয়নের কৃষক-কৃষাণী, বিভিন্ন পেশা শ্রেণির মানুষ এবং সাংবাদিকবৃন্দ।

    উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হকের স ালনায় মাঠ দিবসে বক্তব্য রাখেন, প্রধান অতিথি ড. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিশেষ অতিথি মোঃ শাহ মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, বিশেষ অতিথি মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, কৃষক আব্দুর রহিম সহ অনেকেই।

    প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরকার কৃষির উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কৃষির ফসল প্রদর্শনী একটি মডেল। আধুনিক চাষাবাদে কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে। এছাড়াও তিনি কৃষক-কৃষাণীদের উদ্দেশ্যে গমের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক আলোচনা করেন।
    মাঠ দিবস সভার আগে অতিথিবৃন্দ গমের নতুন জাত প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • পুরুষশূণ্য বাড়ি: দিশেহারা নারীদের আহাজারি

    পুরুষশূণ্য বাড়ি: দিশেহারা নারীদের আহাজারি

    পঞ্চগড় হতে মোহাম্মদ বাবুল হোসেন :
    পঞ্চগড়ে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের সালানা জলসাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনায় গণগ্রেপ্তার আর গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূণ্য হয়ে পড়া বাড়ির নারী সদস্যরা যেন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তাদের আহাজারি শোনারও কেউ নেই।
    কয়েক গ্রামের কয়েকশ নারী তাদের আহাজারি শোনাতে চেয়েছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাসান মাহমুদকে। কিন্তু প্রশাসনের কড়াকড়িতে সে সুযোগও হয়নি। পরে ক্ষুব্ধ হয়ে গণমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ ঝাড়েন।
    রোববার দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার শালশিরি গ্রামে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ি-ঘর পরিদর্শনে গেলে সড়কের পাশে অবস্থান নেন এই নারীরা।
    তাদের অভিযোগ, আহমদিয়া সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাটে জড়িত না হয়েও আসামী হয়েছেন তাদের স্বামী-সন্তানরা। অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছেন, বাকীসব গ্রেপ্তার আতঙ্কে বাড়ি ছাড়া। ফলে বাড়িতে উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় অনাহারে, অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছেন বলে জানান তারা।
    ফুলতলা এলাকার ফিরোজা বেগম বলেন, আমার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে গ্রেপ্তার হয়েছে। আরেক ছেলে এবং স্বামী পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। বাড়িতে কেউ নেই, খুব কষ্টে চলতে হচ্ছে। এভাবে কতদিন চলা যায়। সংঘর্ষের আশেপাশেও তার স্বামী সন্তানরা ছিলেননা দাবি তার।
    শিরিন আক্তার নামের এক তরুনী বলেন, তার এক চাচার গ্রেপ্তারের খবর জানতে গিয়ে আরেক চাচাও গ্রেপ্তার হয়। এখন বাড়ির দুইজন জেলে, অন্য পুরুষেরা ঘর ছাড়া। আমিও চাই আসল অপরাধীরা আইনের আওতায় আসুক, কিন্তু নিরীহ মানুষদের কেন হয়রানি করা হচ্ছে। এতে তো আসল অপরাধীরা পার পেয়ে যাবে।
    সোনিয়া বেগম নামের একজন জানান, তার স্বামী কয়েকদিন ধরেই নিখোঁজ। ধারণা করছেন গ্রেপ্তার হয়েছেন। গ্রেপ্তারের ভয়ে থানায় খোঁজ নিতে যাননি জানান।
    উল্লেখ্য, গত ৩ মার্চ আহমদিয়া সম্প্রদায়ের (কাদিয়ানি) বার্ষিক সালানা জলসাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয় পঞ্চগড়। জুমআর নামাজের পর আহমদিয়াদের তিন দিনব্যাপী জলসা বন্ধসহ তাদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ পরিষদ। বিক্ষোভ মিছিলটি কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বড় পরিসরে চৌড়ঙ্গী মোড়ের দিকে আসতে থাকে। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দিলে তাদের সাথে শুরু হয় সংঘর্ষ। পুলিশের উপর হামলা করে ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশও অসংখ্য টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এর মধ্যেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, পুলিশ ও বিজিবির গাড়ি ভাঙচুর, ট্রাফিক পুলিশের অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এছাড়া আহমদিয়াদের বেশকিছু বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এঘটনায় কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের একজন এবং মুসল্লীদের মধ্যে একজন নিহতও হন। পরে রাত ৯টার দিকে জলসা স্থগিত ঘোষণা করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
    এদিকে, পরদিন শনিবার সন্ধার পর ‘আহমদিয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা দুজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে’- এমন গুজবকে কেন্দ্র করে আবারও হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
    এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০টি মামলা নিয়েছে পুলিশ। পঞ্চগড়ের বোদা ও সদর থানায় করা এসব মামলায় নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে ১০ হাজারেরও অধিক। এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৮৭ জনকে।
    পুলিশ সুপার এস. এম সিরাজুল হুদা বলেন, আসামি গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। ভিডিও ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য, বিভিন্ন স্টিল ছবি যাচাই-বাছাই করেই দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

  • পঞ্চগড়ে সংঘর্ষ: মামলা বেড়ে ২৩, মোট গ্রেপ্তার ১৯০

    পঞ্চগড়ে সংঘর্ষ: মামলা বেড়ে ২৩, মোট গ্রেপ্তার ১৯০

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের (কাদিয়ানী) বার্ষিক সালানা জলসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও ৩টি মামলা নিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে মামলার সংখ্যা দাঁড়ালো ২৩টি। এসব মামলায় গত ২৪ ঘন্টায় আরও তিন জনসহ মোট ১৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
    পঞ্চগড়ের বোদা ও সদর থানায় করা এসব মামলায় নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে ১০ হাজারেরও অধিক।
    সোমবার সকালে পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার এস. এম সিরাজুল হুদা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
    এদিকে, উত্তপ্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এখন জেলা জুড়ে বিরাজ করছে গ্রেপ্তার আতঙ্ক। গ্রেপ্তার আতঙ্কে জেলা সদরের আহমদ নগরের আশপাশের কয়েকটি গ্রাম ও বোদা উপজেলার বেশকিছু গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। পুলিশের পাশাপাশি গ্রেপ্তার অভিযান চালাচ্ছে র‍্যাব ও বিজিবি।
    তবে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হচ্ছে প্রকৃত জড়িত ব্যক্তি ছাড়া কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।
    অন্যদিকে, আহমদ নগর এলাকায় পুড়ে যাওয়া বাড়িগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। ঘটনার আটদিন পরেও ফিরেনি আহমদিয়া সম্প্রদায়ের অনুসারীরা। এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে আহমদ নগরসহ আশপাশের এলাকায়। খোলা আকাশের নিচে সেখানে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন তারা। অনেকে জলসা মাঠে তাঁবু টানিয়ে রাত কাটাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার মাঠের পাশে জামেয়া আহমদিয়া বাংলাদেশ অফিসে আশ্রয় নিয়েছেন।
    এর আগে, গত ৩ মার্চ আহমদিয়া সম্প্রদায়ের (কাদিয়ানি) বার্ষিক সালানা জলসাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয় পঞ্চগড়। জুমআর নামাজের পর আহমদিয়াদের তিন দিনব্যাপী জলসা বন্ধসহ তাদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ পরিষদ। বিক্ষোভ মিছিলটি কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বড় পরিসরে চৌড়ঙ্গী মোড়ের দিকে আসতে থাকে। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দিলে তাদের সাথে শুরু হয় সংঘর্ষ। পুলিশের উপর হামলা করে ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশও অসংখ্য টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এর মধ্যেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, পুলিশ ও বিজিবির গাড়ি ভাঙচুর, ট্রাফিক পুলিশের অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এছাড়া আহমদিয়াদের বেশকিছু বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এঘটনায় কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের একজন এবং মুসল্লীদের মধ্যে একজন নিহতও হন। পরে রাত ৯টার দিকে জলসা স্থগিত ঘোষণা করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
    এদিকে, পরদিন শনিবার সন্ধার পর ‘আহমদিয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা দুজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে’- এমন গুজবকে কেন্দ্র করে আবারও হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
    পুলিশ সুপার এস. এম সিরাজুল হুদা বলেন, আহমদিয়া সম্প্রদায়ের জলসাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনায় মোট ২৩টি মামলা রুজু হয়েছে। রোববার সকাল পর্যন্ত মোট ১৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ও স্বাভাবিক রয়েছে। আসামি গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। ভিডিও ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য, বিভিন্ন স্টিল ছবি যাচাই-বাছাই করে দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

  • মেয়েকে হত্যার দায়ে বাবার মৃত্যুদন্ড

    মেয়েকে হত্যার দায়ে বাবার মৃত্যুদন্ড

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ। ছয় মাস বয়সী মেয়েকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত বাবা নাজিমুল হক ওরফে নাজমুল (৩৪) কে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ-ের আদেশ দিয়ে রায় প্রকাশ করেছেন আদালত। সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুরে প গড় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এ আদেশ দেন।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও প গড় জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নাজিমুল হক একজন পাথরশ্রমিক এবং প গড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের শিংরোড-জয়ধরভাঙ্গা এলাকার জয়নুল হকের ছেলে।

    আসামি পক্ষের আইনজীবী আহসান হাবীব বলেন, ‘এই রায়ে আমরা সংক্ষুব্ধ। রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।’

    আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে নাজিমুল হকের সঙ্গে একই এলাকার রশিদুল ইসলামের মেয়ে রশিদা আক্তারের বিয়ে হয়। এই দম্পতির পরপর তিনটি মেয়েসন্তানের জন্ম হওয়ায় তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগে থাকত। ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ গভীর রাতে ঝগড়া শুরু হলে নাজিমুল হক তাঁর স্ত্রীকে একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।

    চিৎকার শুনে তাঁদের মেয়ে নাজিরা (৮) ও রিয়ামনি (৫) ঘুম থেকে উঠে মাকে জড়িয়ে ধরে। এ সময় নাজিমুল হক ওই অস্ত্র দিয়ে মেয়ে দুটিকেও কুপিয়ে জখম করেন। একপর্যায়ে তাঁদের ছয় মাস বয়সী মেয়ে রতœা কান্নাকাটি শুরু করলে নাজিমুল হক তাকে হত্যার পর পালিয়ে যান।

    পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় রশিদা আক্তারের বাবার বাড়ির লোকজন তাঁকে ও গুরুতর আহত দুই মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পরদিন ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল নাজিমুল হক, তাঁর বাবা জয়নুল হক ও মা নাসিমা খাতুনের বিরুদ্ধে প গড় সদর থানায় মামলা করেন নাজিমুলের শ্বশুর রশিদুল ইসলাম।

    মামলায় নাজিমুল হকের বিরুদ্ধে ছয় মাস বয়সী মেয়ে রতœাকে আঘাত করে হত্যা এবং স্ত্রীসহ অপর দুই মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ আনা হয়।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও প গড় সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ভবেশ চন্দ্র পাল ২০২০ সালের ৩১ অক্টোবর নাজিমুল হকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় ১৯ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।

  • ঝিনাইদহে এজেন্টসহ ৭ অনলাইন জুয়াড়ি আটক

    ঝিনাইদহে এজেন্টসহ ৭ অনলাইন জুয়াড়ি আটক

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে এজেন্টসহ ৭ অনলাইন জুয়াড়িকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। রবিবার (১২ মার্চ) রাতে সদর উপজেলার বামনাইল বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, বামলাইন এলাকায় একটি চক্র ‘ওয়ানএক্স বেট’ নামের একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জুয়া খেলে আসছিলো। এমন খবরের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তদন্ত শুরু করে। তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় রাতে বামনাইল এলাকায় অভিযান চালানো হয়।এসময় লিটু, অশোক কুমার, রতন বিশ্বাস, বিধান বিশ্বাস, নয়ন হোসেন, এস এম শফিউল্লাহ ও সমীরন রায় নামের ৭ জনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ও জুূয়ার নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • ঝিনাইদহে ব্যবসায়ীকে হত্যা মামলা রায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন

    ঝিনাইদহে ব্যবসায়ীকে হত্যা মামলা রায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে ব্যবসায়ী নবী হোসেনকে হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। একই মামলায় সাতজনকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. বাহাউদ্দিন আহমেদ এ আদেশ দেন।যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: আনিছুর রহমান, রেন্টু হোসেন, চান্দু, আতিয়ার রহমান ও মানিক হোসেন। এদের মধ্যে আনিছুর রহমান, চান্দু ও আতিয়ার রহমান পলাতক রয়েছেন।মামলার বিবরণে জানা গেছে, হরিণাকুণ্ডু উপজেলার সাতব্রিজ বাজারের ব্যবসায়ী নবী হোসেন ২০১০ সালের ৭ অক্টোবর দোকানের মালামাল কেনার জন্য ঝিনাইদহ শহরে যান। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে মোবাইলে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।এ ঘটনায় ওই বছরের ৯ অক্টোবর নবী হোসেনের ভাই দাউদ আলী বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় অপহরণ মামলা করেন। ওই মামলায় সন্দেহভাজন আসামি নাসরিন ও আনিছুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর যশোরের সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের জামির আলীর বাড়ি থেকে নবী হোসেনের মাটিচাপা দেয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়।তদন্ত শেষে ২০১১ সালে ২৪ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে সোমবার আদালত এ রায় দেন।

  • নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মহিলা গ্রেপ্তার

    নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মহিলা গ্রেপ্তার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি ঃ
    নড়াইলে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আবেদা খাতুন (৩৫) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তার কাছে থাকা (২২পিস) ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার আবেদা খাতুন কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের জিয়াউর রহমানের স্ত্রী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা ওসি ডিবি’র দিকনির্দেশনায় রবিবার রাতে নড়াইল পৌরসভার দুর্গাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সরকারি মহিলা কলেজের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
    নড়াইল জেলা গোয়েন্দা ডিবি ওসি ডিবি মোঃ সাজেদুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে সুযোগ্য পুলিশ সুপার এর নির্দেশনায় জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।