হেলাল শেখ,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন শিমুলতলা মীরবাড়ী স্টরী গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীর শ্রমিক গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ার আমতলী এলাকার মোঃ শহিদুল হাওলাদারের ছেলে মোঃ সুমন মিয়া (২৪) কর্তৃক আশুলিয়ায় শ্রমিক নেতা সারোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগ দায়ের করেছেন আশুলিয়া থানায়। সেই সাথে ভুক্তভোগীগণ এ ব্যাপারে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। এই শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একাধিক অভিযোগ হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
বুধবার (১৫ মার্চ ২০২৩ইং) রাত ১০টায় পোশাক শ্রমিক মোঃ সুমন মিয়া (২৪), আশুলিয়া থানায় অভিযোগ ও সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আমার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ার কদমতলী এলাকায়, বর্তমানে সাং-মধ্য গাজীরচট মাটির মসজিদ লিটন এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা আশুলিয়া, জেলা ঢাকা। আশুলিয়া থানায় হাজির হইয়া বিবাদী ১। মোঃ সারোয়ার হোসেন (৪৫), বর্তমান সাং-পরিচালক, আশুলিয়া গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, আশুলিয়া, ঢাকা। ২। মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৫), ৩। ইমন (৩৫) সহ বর্তমান সর্ব সাং-সদস্য গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, থানা আশুলিয়া জেলা ঢাকা গনের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, আমি বর্তমান ঠিকানার বাসায় ভাড়া থাকিয়া আশুলিয়া থানাধীন শিমুলতলা মীরবাড়ী সাকিনস্থ স্টেরী গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে চাকুরী করিতাম। ইতিমধ্যে উক্ত প্রতিষ্ঠান অন্যত্র স্থানন্তর হওয়ায় ফ্যাক্টরী কর্তৃপক্ষ আমাদের পাওনাধী বুঝাইয়া দিতে দেরী করে। বিবাদীগন আমার সহিত যোগাযোগ করে যে, তাহারা উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিকট আমার পাওনা টাকা পয়সা উঠাইয়া দিবে। আমি বিবাদীদের সহায়তা নেয় নাই এবং কোনো প্রকার যোগাযোগও করি নাই। গত ১১/০৩/২০২৩ইং তারিখ বিকেল ৪টার দিকে উক্ত প্রতিষ্ঠান আমার পাওনা ২১,৭০০/টাকা বুঝাইয়া দেয়। একই তারিখ বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে আমি টাকা নিয়া উক্ত প্রতিষ্ঠান হইতে বাহির হইয়া মীরবাড়ী তিন রাস্তার মোড়ে পৌঁছাইলে বিবাদীগন আমাকে রাস্তার মধ্যে দাঁড় করিয়া ১নং বিবাদী আমার দেহ তল্লাশী করিয়া আমার পরিহিত জিন্স প্যান্টের ডান পকেটে বেতনের উল্লেখিত টাকাসহ সর্বমোট ২৪,৯০০/টাকা নিয়া যায়। এ সময় বিবাদীগনকে টাকা দিতে অস্বীকার করিলে বিবাদীগন আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদর্শন করে। বিবাদীগন খুব খারাপ প্রকৃতির লোক, তাহারা পরস্পর যোগ-সাজশে বর্ণিত ঘটনা ঘটাইয়াছে, আমি সঠিক বিচার চাই।
অন্যদিকে আরো এক ভুক্তভোগী মোঃ শেখ স্বপন বলেন, আমি বর্তমান আশুলিয়ার জামগড়া মীরবাড়ী আমিন মীরের বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা আশুলিয়া, জেলা ঢাকা। আমি আশুলিয়া থানায় হাজির হইয়া বিবাদী ১। মোঃ ছারোয়ার (৫৫), ২। জাহাঙ্গীর (২৮), বিবাদীগণ শ্রমিক ফেডারেশনের লোক। আমাদের ফ্যাক্টরী স্থানন্তর ও শ্রমিক ছাটাই নিয়া সামান্য সমস্যা হয়, যাহা আমরা নিজেরা মিট করিয়া নিই কিন্তু উক্ত বিবাদীগন গত ১১/০৩/২০২৩ইং তারিখ বেলা ৩টার দিকে আমাদের ফ্যাক্টরীতে যাইয়া আমাদের সাথে কথা বলে, আমি তাদেরকে জানাই কোনো সমস্যা নাই। তাহার পরও তাহারা সমস্যা মিট করার কথা বলে প্রতিটি শ্রমিকের নিকট হইতে ১০০০/ টাকা করিয়ে তুলতে বলেন, আমি রাজি না হওয়ায় তখন আমার সাথে তারা খারাপ আচরণসহ আমাকে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে। আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে। বিবাদীগন আমাদের বড় ধরণের ক্ষতি করিতে পারে বলে এই অসহায় শ্রমিক বিচার চেয়ে উক্ত বিষয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
উক্ত ঘটনায় স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ দেলোয়ার মীরের ছেলে সাহেদ মীর বলেন, আমার বাবা দেলোয়ার মীর একজন ভালো মানুষ, তাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি মহল অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে আমি তাদেরকে সাবধান করছি, কোনো সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা থেকে বিরত থাকবেন। সাহেদ মীর আরো বলেন, আমাদের এলাকায় সারোয়ার হোসেন নামের এক শ্রমিক নেতা প্রকাশ্যে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করছে এমন অভিযোগ পেয়ে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, তার হাতে অনেকগুলো টাকা, এর চিত্র সংরক্ষণ আছে। সেখানে পুলিশ, সাংবাদিক ও শত শত শ্রমিক হড্ডগোল করেছে, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে সারোয়ারের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সে বলে কোনো সমস্যা নাই, বিষয়টি আমি দেখবো। এরপর আমি সেখান থেকে বাসায় চলে আসি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের মীরবাড়ীর সম্মানহানী করে আমার বাবার বিরুদ্ধে সারোয়ার ও তার লোকজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন ভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সাংবাদিক সম্মেলন করার মাধ্যমে জানাতে চাই যে, আমরা স্থানীয় মীরবাড়ীর কেউ ছিনতাইকারী বা চাঁদাবাজ না, আমি বা আমরা আপনাদেরকে সাবধান করছি, প্রমান ছাড়া কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ বা অপপ্রচার করবেন না, তা নাহলে এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো, প্রয়োজনে কঠোরহস্তে কঠিনভাবে বিষয়টি দেখা হবে।
এ ব্যাপারে বিবাদী-শ্রমিক নেতা সারোয়ার হোসেন তার ফেসবুক আইডি থেকে একটি ঘোষণা দিয়েছেন যে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় প্রতিবাদী ঝাড়– মিছিলের সিদ্ধন্ত: শ্রমিক শ্রেণীর প্রতিনিধিদের কটাক্ষ, মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে সোসাল মিডিয়ায় বক্তব্য দিয়ে আশুলিয়া শিল্পা লে শ্রমিক অসন্তোষের পায়তারার মূল হোতা দেলোয়ার মীরের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
আশুলিয়ার জামগড়ার মীরবাড়ী এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ দেলোয়ার হোসেন মীর সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, শ্রমিক নেতা সারোয়ার হোসেনের সাথে আমার কোনো শক্রতা নাই, তিনি কেন আমার বিরুদ্ধে অসম্মানজনক ভাবে খারাপ ভাষা ব্যবহার করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন, তা আমি জানিনা, তবে তিনি যে, আমার বিরুদ্ধে শাস্তি দাবী জানিয়েছেন আমার অপরাধটা কি তা প্রমান করতে ব্যর্থ হলে আমি এর জবাব দিবো এবং আইনগত ব্যবস্থা নিবো। আমরা স্থানীয় মীরবাড়ীর সন্তান, আমাদের বাবা, দাদার অনেক অর্থ সম্পদ আছে, আমরা ছিনতাইকারী বা চাঁদাবাজ না, আপনি সারোয়ার যে, বড় চাঁদাবাজ তার প্রমান রয়েছে অনেকের কাছে, আমি বলছি, আপনি সাবধান হোন, তা নাহলে কার শাস্তি কে ভোগ করে দেখবেন। তিনি আরও বলেন, পুলিশ, র্যাব ও সাংবাদিকগণ আপনারা তদন্ত করে দেখেন আসল চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী কারা?। আমি উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, সেই সাথে আরও বলছি, কেউ যেন কারো বিরুদ্ধে অপপ্রচার না করি।
উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানার (এসআই) সুব্রত রায় বলেন, আশুলিয়া থানায় শ্রমিক নেতা সারোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ও জিডি দায়ের করেছেন পোশাক শ্রমিক ভুক্তভোগীগণ, উক্ত বিবাদী সারোয়ার হোসেনসহ একাধিক ব্যক্তি বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান। এ ব্যাপারে পুলিশ ও র্যাব জানান, অপরাধী সে যেই হোক না কেন তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।
Author: desk
-

আশুলিয়ায় শ্রমিক নেতা সারোয়ারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ একাধিক অভিযোগ
-

আশুলিয়ায় আল রহমান নিটিং ফ্যাশন বিডি লিঃ কারখানার সেপটিক ট্যাংকে পড়ে ৩জন নিহত
হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার শিমুলতলা একটি পোশাক কারখানার সেপটিক ট্যাংক পরিস্কার করতে নেমে পড়ে গিয়ে শ্রমিকসহ ৩জন যুবক নিহত হয়েছেন। জানা গেছে, ওই সেপটিক ট্যাংকে তারা পরিস্কার করতে নামার প্রায় ৭ ঘন্টা পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
বুধবার (১৫ মার্চ ২০২৩ইং) রাত ১০টার দিকে ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের শিমুলতলার দরগারপাড় এলাকায় “আল রহমান নিটিং ফ্যাশন বিডি লিমিটেডের” সেপটিক ট্যাংক থেকে পোশাক শ্রমিকসহ ৩জন যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বিকেল ৩ টার দিকে উক্ত কারখানার সেপটিক ট্যাংকে নেমে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। নিহতরা হলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মী মোঃ মিঠু (১৬) পোশাক শ্রমিক রাকিব (২২) ও মোহাম্মদ আলী (২৬)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।
উক্ত পোশাক কারখানার শ্রমিকরা জানান, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে ওই কারখানার সেপটিক ট্যাংক পরিস্কারের জন্য পরিচ্ছন্নতা কর্মী মিঠুকে নামিয়ে দেওয়া হয় ওই ট্যাংকীতে, প্রায় দেড় থেকে ২ ঘন্টা পরও তার সাড়াশব্ধ না পেয়ে কর্তৃপক্ষ একে একে আরও দুই পোশাক শ্রমিককে নামিয়ে দেন, এরপর তারাও আর ফিরে আসেননি। রাত ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
এ ঘটনার পর উক্ত পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। তাদের কারখানার কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে বলেই তারা গা ঢাকা দিয়েছেন, এমনটি জানান ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। এ বিষয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোঃ জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সেপটিক ট্যাংক থেকে ৩জনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা’র কর্মকর্তাগণ বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। -

বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে সুজানগরে র্যালি ও আলোচনা সভা
এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার সকালে বের হওয়া র্যালিটি স্থানীয় বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা। সভায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা.মর্জিনা খাতুন,সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাননান, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান,তাঁতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন,মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, হাটখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ, ভাঁয়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন,রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ, আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া, নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান, সাগারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুস সাত্তার,উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো,সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, এন এ কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন,নাজিরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাদের হোসেন, শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদেরসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এম এ আলিমরিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি। -

সুুজানগরে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা
এম এ আলিম রিপনঃ সুজানগরে ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস,২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস পালন উপলক্ষ্যে এক প্রস্ততিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বুধবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত ওই প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। সভায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা। সভায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা.মর্জিনা খাতুন, সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাননান, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলামসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান,তাঁতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন,মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, হাটখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ, ভাঁয়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন,রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ, আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া, নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান, সাগারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুস সাত্তার,উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো,সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, এন এ কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন,নাজিরগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাদের হোসেন, শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদেরসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া একই দিনে উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এম এ আলিমরিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি। -

পাইকগাছায় আর আর এফ এর ফ্রী স্বাস্থ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।
খুলনার পাইকগাছায় আর আর এফ’র সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় মা ও শিশু বিষয়ক ফ্রী স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলার গদাইপুর সংস্থার কার্যালয়ে বুধবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন আরআরএফ এর খুলনা জোনের সহকারি পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম। বিশেষজ্ঞ ডাঃ তাহেরা ইয়াসমিন পিংকি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাইকগাছা, খুলনা ও ,ডাঃ মাসুদ আল ইমরান, ইবনে সিনা মেডিকেল হসপিটাল ,খুলনা ১৫৬ জনকে চিকিৎসা সেবা দেন।
সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় ছিলেন , আরআরএফ এর আ লিক ব্যবস্থাপক মোঃ মাহফুজুর রহমান।ব্রা ম্যানেজার পূরব কান্তি সানা, প্রকল্প সমন্বয়ক তাপস সাধু,স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নাজরিন নাহার, নাজিরুন আক্তার, শেখ আরিফুর রহমান,তারক মজুমদার ও প্রিতম সাহা।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা। -

পাইকগাছায় মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ করে পূর্বাস্হায় ফিরিয়ে দিতে নির্দেশনা দিয়েছে মহামান্য হাইকোর্ট
পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।
মামলার ঘটনায় প্রকাশ, খুলনার পাইকগাছা পৌরসভার প্রানকেন্দ্রে অবস্হিত মধুমিতা পার্ক। যা জনৈক মাদার মন্ডল তার স্বত্ব দখলীয় বাতিখালি মৌজার সাবেক ৯১খতিয়ানের ১৭১,১৭২ খতিয়ানের ১.০৭ একর জমি ভারত সরকারের নামে দান করেন। দানীয় জমিতে পুকুর খননের মাধ্যমে এলাকার মানুষের মিষ্টি পানির অভাব দূর হতে থাকে।ঐ পুকুরের পানি মিষ্টি হওয়ায়
এলাকার লোকজন পুকুরটির নাম দেন মিষ্টি পুকুর। এরপর ১৯৮০ সালে তৎকালিন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মিষ্টি পুকুরটির সংরক্ষনের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মান করেন। পরবর্তীতে খুলনার জেলা প্রশাসক নূরুল ইসলাম পুকুরটির প্রাচীরের মধ্যে চলাচলের জন্য চারিপাশে রাস্তা নির্মান, লোকজনের বসার জন্য পাকা বে , পাকা ঘাট সহ চারিপাশে বিভিন্ন ফল ও ফুলের গাছ রোপনের মাধ্যমে মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করেন। এরপর স্হানটির নাম হয় মধুমিতা পার্ক। যা উদ্বোধন করেন তৎকালিন খুলনার জেলা প্রশাসক নূরুল ইসলাম। ঐ সময় থেকে পৌরবাসির একমাত্র চিত্তবিনোদন কেন্দ্র হয় মধুমিতা পার্ক এবং পার্কের অভ্যান্তরে থাকা মিষ্টি পানির পুকুরটি পৌরবাসির মিষ্টি পানির অভাব দূরীকরনের একমাত্র আধার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।এ অবস্হায় মধুমিতা পার্ক ও মিষ্টি পুকুরের উপর কু-নজর পড়ে একশ্রেনির প্রভাবশালী, ভূমিখেকো,রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও ব্যবসায়ীদের।তারা খুলনা জেলা পরিষদের অসৎ কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগে করে পার্কের প্রাচীর ও রাস্তা ভেঙ্গে পাকা দোকানঘর নির্মান করে। তখন পৌরসভায় সচেতন মহল মধুমিতা পার্ক সংরক্ষন কমিটি গঠন করে প্রতিবাদ সভা,মানববন্ধন সহ কর্তৃপক্ষের কাছে পার্কটি সংরক্ষনের জন্য আবেদন-নিবেদন করতে থাকেন। ব্যর্থ হয়ে সহাকারি জর্জ আদালত পাইকগাছায় অবৈধ বন্দোবস্ত ও দখলকারিদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে একটি মামলা করেন ও নিষেধাজ্ঞা পান।
পাইকগাছায় অবৈধ দখলকাররা তা অমান্য করে দোকানঘর নির্মান করে ব্যবসা করতে থাকেন। পরবর্তীতে পার্ক সংরক্ষন কমিটি তৎকালিন জাতীয় সংসদের স্পীকারের সরানাপন্ন হন এবং তার পরামর্শে বিগত ২০০৫ সালে মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। যার নং- ৩৫৯০/০৫।মহামান্য হাইকোর্ট মামলাটির শুনানি অন্তে বিগত ২০০৫সালের ২৪মে মধুমিতা পার্কের অভ্যন্তরে অবৈধ নির্মান কাজ বন্ধ করার আদেশ দেন। দীর্ঘদিনেও সরকারি কর্মকর্তা এবং অবৈধ দখলদাররা মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে অবৈধ স্হাপনা রেখে কেউ কেউ নিজে দোকান দিয়ে ব্যবসা করেছেন আবার কেউ কেউ অগ্রিম মোটা টাকা ভাড়া নিয়ে ভাড়া দিয়ে তাদের অবৈধ স্হাপনা সহ দখল বজায় রেখেছেন। যা মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের অবমাননা ও গুরুতর অপরাধ। উক্ত বিষয় উল্লেখ করে মধুমিতা পার্ক সংরক্ষন কমিটি মহামান্য হাইকোর্ট কোর্ট অব কন্টেম পিটিশন দাখিল করেন। যার নং ১০২/২২। উক্ত পিটিশন কয়েক দফায় শুনানি অন্তে সর্বশেষ গত ১৩ মার্চ’২৩ মহামান্য হাইকোর্ট মামলার বিবাদিদের কে আগামী ২০দিনের মধ্যে মধুমিতা পার্কের সকল অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ করে মধুমিতা পার্কটিকে পূর্বের অবস্হায় ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পৌরবাসির মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
ঘটনার বিষয়ে মধুমিতা পার্ক সংরক্ষন কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জ্যৈষ্ঠ আইনজীবি অ্যাডভোকেট জি,এ সবুর ও পার্ক সংরক্ষন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট এফ,এম,এ রাজ্জাক আলাপকালে তারা জানান,উল্লেখিত ঘটনাটি সত্য এবং অতি দ্রুত মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম জানান, মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ পাওয়া মাত্রই কার্যকরি ব্যবস্হা নেয়া হবে। -

নড়াইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি ঃ
নড়াইলে নড়াগাতী থানায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় ১জন, মাদক, যৌতুক ও মারামারিসহ বিভিন্ন মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা ৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে নড়াগাতী থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার রাতে নড়াগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত সাহা নির্দেশনায় এএসআই জাহাঙ্গীর হুসাইন সঙ্গীয় ফোর্সসহ নড়াগাতী থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান তাদের গ্রেফতার করা হয়।
কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার দক্ষিণ যোগানিয়া মোঃ ফরিদ খাঁনের ছেলে মোঃ আলগীর (১৯), দেবদুন গ্রামের রাসেল বিশ্বাসের স্ত্রী নাজমা বেগম (২২), পারবাঐসোনা গ্রামের মোঃ তোকন জুমাদ্দারের ছেলে মোঃ ইমদাদুল জুমাদ্দার (৪০), চাপাইল গ্রামের মৃত মোঃ নুরু ভূঁইয়ার ছেলে সজীব ভূঁইয়া (৩৮), চুরি হওয়া মাল উদ্ধার করা হয়।
নড়াগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত গ্রেফতারের বিষয়টা নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। -

তানোরে ফসলী হ্রাস খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোর উপজেলার অর্থনীতি প্রায় সম্পুর্ণ কৃষি নির্ভর। তবে নির্বিচারে ফসলি জমি নষ্টের কারণে খাদ্য উদ্বৃত্ত উপজেলায় খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের হোমরাচোমরা
ও প্রভাবশালী ভুমিগ্রাসী চক্রের কৌশলের কাছে পরাস্থ হয়ে কৃষি জমির মালিকেরা অনেকটা বাধ্য হয়ে তাদের আবাদি জমিতে পুকুর খনন করতে দিচ্ছে। প্রভাবশালীরা প্রথমে বিস্তীর্ণ ফসলি জমির মধ্যে যে জমিতে ফসল উৎপাদন তুলনামূলক কম হয় ওই জমি বাছাই করে সেখানে কৌশলে পুকুর করা শুরু করে। এর পর ওই পুকুরের কারণে আশপাশের জমিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তখন ওই সব জরিম মালিকেরা ফসল উৎপাদনে লোকশানে পড়ে।এতে তারা তাদের আবাদি জমি প্রভাবশালী ওই পুকুর খননকারীকে লীজ দিয়ে দিতে বাধ্য হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুকুর খননকারী বলেন, উপজেলা এবং পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা ও সাংবাদিকসহ সকলকে ম্যানেজ করতে বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ করলেই অনায়াসে ফসলি জমিতে পুকুর খনন করা যায়।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য মতে, রাজশাহী জেলায় গড়ে প্রতি বছর প্রায় ৮০০ হেক্টর (প্রায় ২ হাজার ৪০০ বিঘা) পরিমাণে কৃষি জমি কমে আসছে। যার মধ্যে শুধুমাত্র ২০১৯-২০ অর্থ বছরেই কমেছে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর কৃষি জমি।
তানোরে বিগত ১০ বছরে কমেছে প্রায় ৬ হাজার বিঘা কৃষি জমিতে পুকুর খনন হয়েছে এবং কলকারখানা, হিমাগার ও আবাসিক ভবনের কারণে আরো বিপুল পরিমাণ কৃষি জমি নষ্ট হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, শিল্পায়ন হোক সেটা তারা চাই, তবে ভাতের থালায় লাথি দিয়ে নয়। অর্থাৎ ফসলি জমি নস্ট করে নয়, পতিত বা এক ফসলি জমিতে করা হোক।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ফসলী জমি নষ্ট করে কোনো কিছুই করা যাবে না। কিন্ত্ত তানোরে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের রহস্যজনক ভুমিকায় ফসলি জমি নষ্টের হিড়িক পড়েছে।
স্থানীয় ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, উপজেলায় বিগত ১০-১৫ বছরে কমপক্ষে এক হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে পুকুর খনন করা হয়েছে এবং হচ্ছে। কিন্তু জমির শ্রেণী পরিবর্তন না হওয়ায় কৃষি জমির খাজনা নিতে হচ্ছে। এতে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কারণ কৃষি জমি প্রতি শতকে খাজনা মাত্র ২ টাকা এবং পুকুরের প্রতি শতকে খাজনা ৬০ টাকা। তিনি বলেন, প্রশাসন ও মিডিয়া ম্যানেজ করেই কৃষি জমিতে এসব অবৈধ পুকুর খনন করা হচ্ছে। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, কৃষি জমিতে পুকুর প্রতিরোধ করা উপজেলা প্রশাসনের কাজ। এবিষয়ে তানোর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা (তহসিলদার) লুৎফর রহমান জানান, জমির শ্রেণী পরিবর্তন না হলে কিছুই করনীয় নাই। কৃষি জমিতে পুকুর হলেও শ্রেণী পরিবর্তন না হওয়ায় ২ টাকা শতক হিসেবে খাজনা নিতে হয়। এক শতকে ৫৮ টাকা গচ্ছা। তবে কর্তৃপক্ষ কে এসব বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে, নতুন ভাবে রেকর্ড না হওয়া পর্যন্ত এনিয়মেই খাজনা আদায় হবে বলে মনে হচ্ছে। # -

ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিলে অভিভাবকদের উদ্বেগ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে আগ্রহ হারাচ্ছেন
মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকে।। নতুন শিক্ষাক্রম না মেনে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে মডেল টেস্ট বা পরীক্ষা নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর।
গত সোমবার মাউশি থেকে দেওয়া এক আদেশে এ কথা বলা হয়। কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মডেল টেস্ট বা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়ায় মাঠ পর্যায়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কঠোর বার্তা দিতে এ আদেশ জারি করে মাউশি।
আদেশে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের শিখন-শেখানো ও মূল্যায়ন কার্যক্রম জাতীয় শিক্ষাক্রম এবং পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত শিক্ষক সহায়িকা ও শিক্ষাক্রমের নির্দেশনা অনুসারে করতে হবে। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন বিষয়ে এনসিটিবি থেকে যে গাইডলাইন পাওয়া যাবে, তা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে শিক্ষক, প্রতিষ্ঠান প্রধান, উপজেলা বা থানা একাডেমিক সুপারভাইজার, উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, আঞ্চলিক উপপরিচালক এবং আঞ্চলিক পরিচালকদের নিয়মিত পরিবীক্ষণ জোরদার করতে বলা হয়েছে ওই আদেশে।
এ বছর ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পাঠদান চলছে নতুন প্রণীত শিক্ষাক্রম অনুযায়ী পরীক্ষানির্ভরতা কমিয়ে শ্রেণিভিত্তিক মূল্যায়নের ওপর জোর দিতে এটি চালু করা হয়েছে।
পরীক্ষা বাতিলের এমন নির্দেশনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীরা এমনিতেই পড়ার টেবিলে বসে না। এখন যদি পরীক্ষাও বাতিল করা হয় তা হলে তো আমাদের সন্তানদের পড়ালেখাতেই আর ফেরানো যাবে না।
অন্য দিকে শিক্ষাবিদরা বলছেন, পরীক্ষা অবশ্যই থাকবে বা রাখতে হবে। তবে এই পরীক্ষা পদ্ধতির হয়তো পরিবর্তন আনতে হবে। আর পরীক্ষা নামের ভীতি দূর করতেই মূলত নতুন কারিকুলামে পরীক্ষা শব্দটি বাদ দিয়ে বরং সামষ্টিক মূল্যায়নের কথা বলা হয়েছে।
আর অভিভাবকদের উদ্বেগের বিষয়টিও একেবারে অমূলক নয়। শিক্ষকরা যদি অভিভাবকদের সাথে রেখে মূল্যায়ন পদ্ধতিতেও তাদের মতামত নিতে পারেন তাহলেই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা ভীতি কাটিয়ে উঠে আনন্দের সাথে শিক্ষালাভ করতে পারবে।
সূত্র মতে, ২০২৩ সালের শুরু থেকে নতুন কারিকুলামে পাঠদান চলছে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীতে। এ দুই শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে কোনো প্রচলিত পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট নেয়া যাবে না বলে ইতোমধ্যে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। এ দুই শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন হবে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের গাইডলাইন অনুযায়ী। এ গাইডলাইনের বিষয়ে পরে স্কুলগুলোকে জানিয়ে দেয়া হবে বলেও জানিয়েছে মাউশি। এর আগে গত সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর থেকে এক আদেশে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক পর্যায়ের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী শিখন-শেখানো ও মূল্যায়ন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এনসিটিবি প্রণীত শিক্ষক সহায়িকা এবং শিক্ষাক্রমের নির্দেশনা অনুসারে করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট নেয়া যাবে না। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের বিষয়ে এনসিটিবি থেকে যে গাইডলাইন পাওয়া যাবে, তা পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে।
অপর দিকে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এই দু’টি শ্রেণীতে পাঠদান করাতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আসছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্যান্য শ্রেণীর মতো এখানেও মডেল টেস্ট বা পরীক্ষা নেয়া প্রস্তুতি চলছে।
এসব অভিযোগ সামনে আসার পর সারা দেশে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কঠোর বার্তা দিয়েছে মাউশি। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীতে পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণা আসার পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্কুলের অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা গেছে।
অনেকেই জানতে চাইছেন পরীক্ষাই যদি না থাকে তাহলে আমার সন্তান কি শিখছে বা কি জানতে পারছে তার প্রতিফলন আমরা কিভাবে বুঝতে পারব? অনেক অভিভাবক জানতে চাইছেন বিকল্প উপায়ে মূল্যায়নের কথা বলা হলেও আমরা তো এ বিষয়ে একেবারেই জানিনা । তাই সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে তারাও এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন।
যদিও মাউশি থেকে জারি করা পাঁচ দফা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই দুই শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী শিখন-শেখানো ও মূল্যায়ন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এনসিটিবি প্রণীত শিক্ষক সহায়িকা এবং শিক্ষাক্রমের নির্দেশনা অনুসারে পড়াতে হবে।
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো পরীক্ষা/মডেল টেস্ট নেয়া যাবে না। এর কোনো রকমের ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা কমিশনের সাবেক সদস্য কাজী ফারুক আহমেদ গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জানান, সারা পৃথিবীতেই এখন পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন হয়েছে। তবে সেখানে যেভাবে বা যে প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়ে অভিভাবকরা সেই মূল্যায়ন কাজে সম্পৃক্ত থাকেন।
কাজেই অভিভাবক অবহিত থাকেন তার সন্তান কিভাবে বা কতটুকু শিক্ষা অর্জন করতে পারছে। আমাদের দেশে যেহেতু আগের কোনো অভিজ্ঞতা নেই তাই অভিভাবকদের এই উদ্বেগ রয়েছে।
এই শিক্ষাবিদ আরো বলেন, পরীক্ষার ভীতি দূর করতে এবং শিক্ষার সাথে আনন্দ দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ধরে রাখতেই বিকল্প উপায়ে এখন নতুন কারিকুলামে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
গতানুগতিক পাঠ পরিবর্তন আনতেই সরকার এই প্রক্রিয়া চালু করছে। নতুন এই মূল্যায়ন পদ্ধতির সাথে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবক সবাই যখন পরিচিত হয়ে যাবে এবং।। ্ অভ্যস্ত হয়ে যাবে তখন আরন কোনো সমালোচনাও থাকবে না আমি মনে করি।
গোগ্রাম আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহিদুল ইসলাম বলেন, ৬ ষ্ঠ ৭ ম, শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বাতিল হওয়ার কারণে প্রতিযোগিতা কমেছে, ছাত্র ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে আসার ব্যপারে আগ্রহ হারাচ্ছে, নেতা, পাতিনেতা, মেম্বার, চেয়ারম্যান, জনপ্রতি, প্রভাবশালীর ছেলে মেয়েরা নাম্বার নেয়ার জন্য এখন থেকে চাপ প্রয়েগ করছেন। এঅবস্থায় শিক্ষার গুনগত মা -

স্বরূপকাঠিতে আম্বিয়া বারেক মানব কল্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রিক বিতরণ
স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি //
স্বরূপকাঠিতে “আম্বিয়া বারেক মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন” এর উদ্যোগে ইফতারী সামগ্রী বিতরণ ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ১৫ মার্চ বুধবার বেলা ১১টার সময় পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি গুয়ারেখা ইউনিয়নে শিকদার বাড়ীতে ইফতার সামগ্রী বিতরণের আয়োজন করে।
এ সময় তৌফিক সিকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব আবুল কাসেম খান সাবেক প্রভাষক নাজিরপুর ডিগ্রী কলেজ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল রব শিকদার চেয়ারম্যান গুয়ারেখা ইউনিয়ন পরিষদ, হাজী আব্দুল লতিফ শেখ সভাপতি গুয়ারেখা রহমানিয়া দাখিল মাস, এস.এম হারুন অর রশিদ বিশিষ্ট সমাজ সেবক, জনাব আক্তারুজ্জামান বিশিষ্ট সমাজ সেবক, জনাব কামরুল খান কোষাধ্যক্ষ, জনাব মোঃ রিয়াদ হাওলাদার, সহ কোষাধ্যক্ষ, জনাব মিজান শেখ প্রচার সম্পাদক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ সময় আম্বিয়া বারেক মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাওলানা জালিস সিকদার বলেন, মানুষ মারা গেলে তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়,তার নেক সন্তান যদি কোন ভালো কাজ করে তার সওয়াব তার কাছে পৌঁছে যায়। সে দিক চিন্তা করে আমার আব্বা দাদা দাদির কল্যানের কথা ভেবে মানব কল্যান ফাউন্ডেশন গঠনের চিন্তা করেছিলেন।গত দু’মাস পূর্বে আমরা একটা অনুষ্ঠানে শীত বস্র বিতরণ করি এবং আজ ইফতার সামগ্রিক বিতরণ করছি এটা ফাউন্ডেশনের দ্বীতিয় অনুষ্ঠান।
উল্লেখ্য আজ ইফতার সামগ্রির মধ্যে বিতরণের মধ্যে রয়েছে, খেজুর,সোলা,চিরা, মুড়ি, ট্যাং,চিনি। আম্বিয়া বারেক মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর পরিচালনা পরিষদে যারা রয়েছেন তারা হলেন। প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আউয়াল সিকদার, সভাপতি মাওলানা জালিস সিকদার, সহ-সভাপতি আকিজ মাহমুদ সিকদার, সাধারণ সম্পাদক আনিস মাহমুদ সিকদার।