Author: desk

  • দেশকে সম্মান ও মর্যাদায় পৃথিবীতে অনন্য উচ্চতায় তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী-কৃষিমন্ত্রী

    দেশকে সম্মান ও মর্যাদায় পৃথিবীতে অনন্য উচ্চতায় তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী-কৃষিমন্ত্রী

    হাফিজুর রহমান.টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:
    কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, চোখ খুললেই দেশের সর্বত্র উন্নয়ন চোখে পড়ে। প্রত্যন্ত অ লের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে, গ্রামের দুর্গম রাস্তাও সব পাকা হয়ে গেছে। সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে সম্মান ও মর্যাদায় পৃথিবীতে অনন্য উচ্চতায় তুলেছেন। এই উন্নয়নের বাংলাদেশকে আজ সারা পৃথিবী অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখে।

    তাই, আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়ে এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।

    শনিবার(১৮মার্চ২৩)ইং বিকালে টাঙ্গাইলের মধুপুরে মহিষমারা ইউনিয়ন ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, যুবসমাজকে অবক্ষয় থেকে রক্ষা করে দক্ষ মানবসম্পদ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তরুণদেরকে খেলাধুলায় আরো উৎসাহিত করতে হবে ও সুস্থ বিনোদন তাদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।

    এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী,সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান, মধুপুর পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, গোপালপুর পৌরসভার মেয়র রকিবুল হক ছানা, সাবেক মধুপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ডা: মীর ফরহাদুল আলম মনি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক, মহিষমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহি উদ্দিন মহির, আলোকদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান সিদ্দিক, মির্জাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সাদিকুল ইসলাম ও সাংবাদিক হাফিজুর রহমান সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন ।

    খেলায় মধুপুর-ধনবাড়ী সহ ময়মনসিংহ সহ আশ পাশ জেলার হাজার হাজার দর্শক উপভোগ করেন।

  • লেখাপড়ার পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলায় মনযোগী হতে হবে- অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু

    লেখাপড়ার পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলায় মনযোগী হতে হবে- অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা)ঃ বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-অ্যাটকোর সভাপতি ও স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু বলেছেন, লেখাড়পড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও তরুণদের মনযোগী হতে হবে। যারা নিজেদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় সমৃক্ত করেছে,তারা দুই ক্ষেত্রেই ভালো করেছে। খেলাধুলা করলে মনমানসিকতা বড় হয় ও তারা কখনো ভুল পথে পা বাড়ায় না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘের আয়োজনে শনিবার(১৮ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ চত্বরে শেখ রাসেল স্মৃতি ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, সমাজ থেকে অপরাধমূলক কর্মকান্ড দূর করতে ভূমিকা রাখে খেলাধুলা। এ্ সময় তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু জন্ম নিয়েছিলেন বলেই আজ আমরা একটি স্বাধীন দেশের অধিবাসী এবং জাতি হিসেবে মেধা ও মননে পরিপূর্ণরুপে বিকশিত হতে পারছি। বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এর আগে এদিন ফাইনাল খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা আওয়ামীলীলীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল ওহাবের সভাপতিত্বে ও পৌর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মিলনের স ালনায় খেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম. আব্দুর রহিম পাকন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার হাবিবুর রহমান হাবিব,সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন,বেড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবু, আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তানভীর ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মনির উদ্দিন আহমেদ মান্না, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক কামরুল হাসান মিন্টু, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক কামরুজ্জামান উজ্জল। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, জেলা আ.লীগের সদস্য আনিসুজ্জামান দোলন, মোস্তাক আহমেদ আজাদ, জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক আলী মূর্তজা বিশ্বাস সনি, যুগ্ন আহ্বায়ক শিবলী সাদিক, জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি.রুহুল আমিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহাদত হোসেন, সুজানগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন। অনুষ্ঠানে দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান, তাঁতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, ভাঁয়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ, আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, সাতবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, জাতসাখিনী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ,মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান,স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক ফজলুল হক চাঁদু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তুষার সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন আ.লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকমী উপস্থিত ছিলেন। শেষে বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • শিক্ষিত জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভুমিকা রাখতে হবে,ফারুক চৌধুরী

    শিক্ষিত জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভুমিকা রাখতে হবে,ফারুক চৌধুরী

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের( ইউপি) নাইস গার্ডেনে উপজেলা কলেজ ও প্রাইমারী স্কুলের
    শিক্ষক কর্মচারীদের মিলন মেলা উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ১৮ মার্চ শনিবার উপজেলা কলেজ এবং প্রাইমারী স্কুল শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে, কলেজ সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদিনের সভাপতিত্বে ও প্রাইমারী স্কুল সমিতির সভাপতি পৃযুষ কান্তির সঞ্চালনায় নাইস গার্ডেনে আয়োজিত শিক্ষক-কর্মচারী মিলন মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও সোনীয়া সরদার,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন ও সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কামরুজ্জামান মিয়া, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও তরুণ শিল্পপতি আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজন, উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, চাঁন্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান,কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি ফরহাদ মিঞা, বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও আব্দুল আওয়াল রাজুপ্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, যে জাতি উপকারীর উপকার স্বীকার করে না সে জাতি উন্নতি করে না। বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাংলাদেশ গর্বিত ইতিহাস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানাতে হবে। শিক্ষকদের বলবো দেশকে ভাল বাসতে হবে, ভালভাবে লেখাপড়া করাতে হবে, নিজেকে ভাল শিক্ষক হতে হবে, শ্রেষ্ট শিক্ষক হিসেবে গড়ে তুলতে । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সময়ের বাইরেও শিক্ষার্থীদের জন্য সময় দিতে হবে শিক্ষিত জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভুমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, আগামি নির্বাচন হবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির এই নির্বাচন আমাদের নির্বাচন, নৌকা যার আমরা তার, নৌকা যার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার।
    তিনি বলেন, বিএনপি বার বার মিথ্যা, অপপ্রচার করে বিদেশে জনমত সৃষ্টি করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছেন।
    তারা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি ও ৬৪ জেলায় বোমা ফাটিয়েছিল। অথচ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মডেল
    মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি বলেন,
    বিএনপি জামায়াত দেশে ইসলাম পক্ষে কোন কাজ করতে পারে নি। বঙ্গবন্ধু শেখ হসিনা প্রতি উপজেলায় দুটি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকািরকরণ করে দিয়েছেন। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের চেয়ে বেশী চিনে, যেমন শেখ মুজিবুর রহমানকে যেমন চিনতেন। বিএনপির মুখে গণতন্ত্র মানায় না। তারাতো একটি সেনানিবাসের দল, একটি খোচ্চর দল। প্রধান অতিথি ওমর ফারুক চৌধুরী আরও বলেছেন, গোদাগাড়ী তানোরের মাটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি, নৌকার ঘাঁটি। এখন এমন একটি সময় এসেছে অতীতে যারা দলের বিবোধীতা করেছেন, নৌকার বিরোধীতা করেছেন এখন সংশোধন হয়ে দলে ভাল কাজ করার সুযোগ পাবেন আর যদি না করেন তাহলে তাদের ক্ষতি অপেক্ষা করছে।তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে খুব শক্ত নির্বাচন, নিজেদের মাঝে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি নির্বাচনের সময় কিছু সুসময়ের পাখির আগমন হয়, তাদের সঙ্গে কিছু নেতা কর্মী ঘোরাফেরা করে। কিন্তু অতীতে কোন লাভ হয় নি। এবারো কোন লাভ হবে না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা মানে দেশের উন্নয়ন হওয়া, দেশ এগিয়ে যাওয়া আর বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় থাকা মানে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হওয়া। দেশের সম্পদ লুটপাট করা, মানুষ হত্যা করা। তিনি বলেন, সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির পক্ষে থাকতে হবে। তাহলে কোনো অপশক্তি মাথাচাঁড়া দিয়ে পারবে না।#

  • নালিশী জমি দখলচেষ্টা, বাধা দেয়ায় হুমকি

    নালিশী জমি দখলচেষ্টা, বাধা দেয়ায় হুমকি

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালতে মামলা চলমান থাকার পরও একই জমি অবৈধভাবে দখলচেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে। দখলে বাধা দেয়ায় প্রাণনাশের হুমকির শিকার হয়েছেন বলে দাবি অভিযোগকারীর।
    অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার তোড়িয়া ইউনিয়নের ছেপড়াঝার এলাকার আছির উদ্দীনের ছেলে সফিকুল ইসলাম এবং একই এলাকার মৃত তৌয়ব আলীর ছেলে গোলাম আজম ও আবু তাহের।
    গত ২৫ ফেব্রুয়ারী আটোয়ারী থানায় অভিযোগটি দাখিল করেন কায়সার আলম নামের এক ব্যক্তি। ইতোমধ্যে অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্পত্তি নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে বিরোধ হলে আদালতে বাটোয়ারা মামলা করেন আটোয়ারী এলাকার মাহাতাফ ছেলে লন্ডন প্রবাসী মিজানুর রহমানের আপন সহোদর মামুন একের পর এক মিথ্যা তথ্য সংবলিত মামলায় কালক্ষেপন করেন।
    এতে মৃত ইসুফ আলীর ছেলে খাইরুল ইসলাম তপন কায়সার আলম বিবাদী দীর্ঘদিন যাবৎ হয়রানির শিকার হয়ে আসছেন । এদিকে, মামলা চলাকালীন অবস্থায় অভিযুক্তরা নালিশী জমি জোরপূর্বক দখল করতে পাকা ঘর তৈরির কাজ শুরু করে। কায়সার ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়।
    কায়সার আলম বলেন, জমি সংক্রান্ত জেড়ে এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই আমাকে হয়রানি করে আসছে। আদালতে দীর্ঘদিন যাবত বাটোয়ারা মামলা আমাদেরকে ঝুলাচ্ছেন বাদী মিজান তার আপন সহদর মামুন গং কিন্তু আদালতের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে বলে জানান কায়সার আলম আদালতের সিদ্ধান্ত আসার আগেই তারা বিশৃংখলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং বিভিন্নভাবে আমাকে হুমকিধামকি দিচ্ছে।
    এ বিষয়ে অভিযুক্ত সফিকুল ইসলিম বলেন, এটা আমার কেনা জমি। ২০০৮ সাল থেকে আমার ।
    অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা আটোয়ারী থানার এএসআই সিরাজুল ইসলাম বলেন, তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের সদাচেণের মুচলেকা গ্রহণের নিমিত্তে বিজ্ঞ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করেছি।

  • নেছারাবাদে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ি গ্রেফতার

    নেছারাবাদে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ি গ্রেফতার

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)সংবাদদাতা:

    নেছারাবাদে আঠার পিস ইয়াবাসহ মো. মিঠু(২৫) এবং কাইফা আনান রিয়ান(২৩) নামে দুই মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কামারকাঠি বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। নেছারাবাদ থানার উপ-পরিদর্শক এনায়েত হোসেন এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ইয়াবাসহ তাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করে।

    গ্রেফতারকৃত মিঠু মিয়া উপজেলার সারেংকাঠি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দুলাল মিয়ার ছেলে। অপরজন কাইফা আনান রিয়ান সোহাগদল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মাসুম বিল্লার ছেলে।

    নেছারাবাদ থানার উপ-পরিদর্শক এনায়েত হোসেন বলেন,” রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কামারকাঠি এলাকা থেকে এক প্যাকেট ইয়াবাসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। প্যাকেট ভেঙ্গে তাতে আঠার পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে শনিবার সকালে পিরোজপুর কোর্টে প্রেরন করা হয়েছে।

  • শিক্ষার্থীদেরকে স্বপ্ন নিয়ে জাতি গঠনে এগিয়ে যেতে হবে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

    শিক্ষার্থীদেরকে স্বপ্ন নিয়ে জাতি গঠনে এগিয়ে যেতে হবে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

    আনোয়ার হোসেন।
    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন স্বপ্ন নিয়ে শিক্ষার্থীদের
    জাতি গঠনে এগিয়ে যেতে হবে। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে তোমাদের স্বপ্ন
    থাকতে হবে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে দৃঢ থেকে সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে হবে। এ
    কোমলমতি মেয়েরা আগামি দিনে জাতির নেতৃত্ব দিবে। তাদেরকে সততা ও
    নৈতিকতার শিক্ষায় সু শিক্ষিত করে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তারা
    যেন মাদকাসক্ত ও বিপথে যেতে না পারে সে দিকে শিক্ষক ও অভিভাবকদের লক্ষ্য রাখার আহবান জানান তিনি।

    শনিবার দুপুরে পিরোজপুরের নেছারাবাদে (স্বরূপকাঠি) ফজিলা রহমান মহিলা কলেজে
    নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    মন্ত্রী আরও বলেন , প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শিক্ষাখাতকে অধিকতর গুরুত্ব
    দিয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের
    সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে পাঠদানে একাডেমিক ভবন নির্মান দিচ্ছেন।
    কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এ জেড এম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হক,উপজেলা আওয়ামীলীগ
    সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম মুইদুল ইসলাম। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউএনও মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার,পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অ্যাাডভোকেট রুহুল আমিন, প্রভাষক একেএম আমিনুল হক,শিক্ষার্থী নাফিজা নুর ও
    মৌনতা প্রমুখ। দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছাত্রীরা অংশ নেন।

  • নড়াইলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে গৌড়ীয় মঠ বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি

    নড়াইলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে গৌড়ীয় মঠ বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের গৌড়ীয় মঠ বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে নড়াইলের কালিয়ায় গৌড়ীয় মঠ বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় মঠের রক্ষক সার মহারাজ বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার নড়াগাতি থানায় একটি জিডি করেছেন।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, জিডির বিবরণে জানা গেছে, গত ১৪ মার্চ বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মঠের রক্ষক সার মহারাজের ব্যাক্তিগত মোবাইল ফোনে আজ্ঞাত পরিচয় ব্যাক্তি ০১৯৪৫৫৬৩১৬৭ নম্বর থেকে কল করে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। ৭২ ঘন্টার মধ্যে এ টাকা না দিলে গৌড়ীয় মঠ বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
    সার মহারাজ বলেছেন, গত ৩০ বছর যাবত তিনি এই মঠের রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে এখানে ২০ জন সেবক রয়েছেন। প্রতিদিন সন্ধ্যায় সেখানে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নিয়মিত আরাধনা করে থাকেন।
    বিকাশের মাধ্যমে দাবিকৃত টাকা না দিলে মঠে বোমা মারার হুমকি দেয়ার কারণে তিনি এখন সেবক ও ভক্তদের নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
    মঠের সাধারণ সম্পাদক নন্দ দুলাল পাল বলেছেন, বাংলাদেশের মধ্যে উপজেলার বড়দিয়া গৌড়ীয় মঠটি যেমন প্রাচীন তেমনই বৃহৎ। এখানকার সেবক বৃন্দসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তরা এখানে এসে থাকেন।
    উপজেলার নড়াগাতি থানার ওসি সুকান্ত সাহা বলেছেন, মঠ রক্ষককে হুমকির বিষয়ে জিডি করা হয়েছে। হুমকিদাতাকে শনাক্তের কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুতই তাকে শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
    কালিয়ার ইউএনও রুনু সাহা বলেছেন, এ বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। পুলিশকে দ্রুত অপরাধী শনাক্তের নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে।

  • শিক্ষকদে জাতীয়করণ কাজটি করতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রীর  নিকট শিক্ষক সমাজের অনুরোধ

    শিক্ষকদে জাতীয়করণ কাজটি করতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রীর নিকট শিক্ষক সমাজের অনুরোধ

    মো: হায়দার আলী।। মাদক ও যুবসমাজ নিয়ে লিখার জন্য খাতা কলম তথ্য, কম্পিউটার নিয়ে বসলাম এমন সময় আমার এক শিক্ষক বন্ধুসহ কয়েক জন শিক্ষক ফোন করে বললেন স্যার জাতীয় প্রেসক্লাবে এমপিও ভুক্ত শিক্ষকগণ জাতীয়করণের জন্য আন্দোলন করছেন, ক্লাস বন্ধ করে কর্মবিরোতি পালন করছেন। এসব নিয়ে কিছু লিখুন। তাই শিক্ষক বন্ধুদের কথায় লিখার থিম পরিবর্তন করে এবিষয়ে লিখা শুরু করলাম।

    শিক্ষা কি এ বিষয়ে আগে জানা দরকার। সক্রেটিসের ভাষায়, ‘শিক্ষা হল মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের বিকাশ। এরিস্টটলের মতে ”সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হল শিক্ষা’’। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় ‘শিক্ষা হল তাই যা আমাদের কেবল তথ্য পরিবেশনই করে না বিশ্বসত্তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের জীবনকে গড়ে তোলে’।

    এ থেকে স্পষ্ট শিক্ষা কোন সাধারন বিষয় নয়। আর একটি আসাধারন বিষয়কে সাধারন, সাবলীল ভাবে যিনি তুলে ধরেন তিনিই শিক্ষক। এই শিক্ষকই যখন তাদের অধিকার আদায়ের জন্য স্বোচ্চার হন তখন হয়ে যান পাগল। কারন শিক্ষকরাতো শুধু দিয়েই যাবেন। তারা চাইবেন কেন?!

    একটি উন্নয়নশীল দেশের উন্নতি নির্ভর করে প্রথমত সে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর। আমাদের দেশের উন্নয়ন নির্ভর করে শিক্ষকদের ত্যাগের উপর। বেসরকারী এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের কথা। ছোটবেলায় শিক্ষকদের দেখেছি তাদের বেতনের জন্য আন্দোলন করতে। এস.এস.সি পরীক্ষা বর্জন করে বেতন ভাতা বৃদ্ধির জন্য আন্দোলন করতে। এখন দেশ এগিয়ে গিয়েছে। সবার মাথাপিছু আয় বেড়েছে। অষ্টম পে-স্কেলে শিক্ষদের বেতন বেড়ে দ্বিগুন হয়েছে। তবুও কেন আন্দোলন? হতাশার শুরু ঐখান থেকেই। অষ্টম পে-স্কেলের আওতায় শুরু হলো বৈশাখী ভাতা। পহেলা বৈশাখের বাজারে সরকারি চাকরিজীবীদের হাতে ঝোলানো রূপালি ইলিশের ঝলকানিতে শিক্ষকরা চোখে ঝাপসা দেখছেন প্রতিবছর। বৈষম্যের বেড়াজালে শুধু একপক্ষকে বৈশাখী ভাতা প্রদান করে বেসরকারি শিক্ষকদের ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন! আর কি চাই তাদের?

    অষ্টম পে-স্কেলের আওতাধীন সবাই বার্ষিক শতকরা পাঁচ ভাগ প্রবৃদ্ধি পাচ্ছেন। আর বেসরকারি শিক্ষকেরা পাচ্ছেন বঞ্ছনা। করতে হচ্ছে আন্দোলন, ক্লাস বর্জন, আমরণ অন্বেষণ ইত্যাদি। প্রেস ক্লাবের সামনে পড়ে থাকছে পলিথিনে মোড়ানো বিবেকের লাশ। কেউ দেখার নেই, কেউ শোনারও নেই। বুদ্ধিজীবী সুশীল সমাজ বুদ্ধি বিক্রি করেন টেলিভিশনের টকশোতে। শিক্ষকদের নিয়ে ভাববার সময় কোথায়?!

    শুরু হয়েছে জাতীয়করণ আন্দোলন। চলছে আমরণ অন্বেষণ। জাতীয়করণ নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলায় একটি স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু অনেক অযোগ্য প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত হওয়ায় বেড়েছে দ্বিমত, সংঘাত, আন্দোলন, হাইকোর্টে রীট এবং প্রাণ গিয়েছে শিক্ষকের। এভাবে বিক্ষিপ্ত জাতীয়করণ শিক্ষাক্ষেত্রে আসলেই কি সুফল বয়ে আনতে পারে?! দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করতেই হবে। পত্র পত্রিকায় রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরণ অন্বেষন থেকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছেন একশ পঞ্চাশ জন শিক্ষক। আরও হয়তোবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাবেন। কিন্তু তাতে কি হয়েছে? মারা তো জাননি! মারা গেলে হয়তোবা বিষয়টি নিয়ে ভাবা শুরু করবেন।

    শিক্ষা নামক মৌলিক অধিকারটি আজ পণ্যে পরিণত হতে চলেছে। সরকারীকরণের বর্তমান প্রক্রিয়া চলতে থাকলে শিক্ষা সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাবে। বিরাজমান শিক্ষার মানের বৈষম্য আরও বেড়ে যাবে। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না, এতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে গোটা জাতি। এমতাবস্থায়, সরকারিকরণের বর্তমান ধারা থেকে বের হওয়াটাই দেশ ও জাতীর জন্য মঙ্গলজনক হবে। এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ। নিশ্চিত হবে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষম বন্টন। আর জনগনই তো রাষ্ট্রের মালিক!

    আপনাদের শিক্ষা, জ্ঞান যদি কোন শিক্ষক দিয়ে থাকেন তবে দয়াকরে সেই মহান শিক্ষকের উছিলায়, বেসরকারি শিক্ষকদের কথা ভাবুন। শিক্ষকদের গাছে তুলে দিয়ে মই টান দিবেন না। মই না থাকলে দেশের নব্বই শতাংশ শিক্ষার্থীও গাছে উঠতে পারবে না। এই শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলে একটি সুন্দর জাতী গঠন করে দেশকে সমৃদ্ধ করায় আমরাও অঙ্গিকারবদ্ধ। আমরা আবেগ দিয়ে বিবেক বিসর্জন দিতে চাই না। শিক্ষকরা যদি জাতি গড়ার কারিগর হয়ে থাকেন তবে এই আন্দোলন জাতির বিবেকের আন্দোলন। মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণ ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাজমান সরকারি-বেসরকারি বৈষম্য দূরিকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি৷

    বর্তমান সরকার ২৬ হাজার ১শ ৯৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নতুন করে জাতীয়করণ করেছেন। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষকের চাকরি সরকারীকরণ করা হয়েছে। ১৯৯০ সালে বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিশুর শতকরা হার ছিল ৬১, বর্তমানে তা উন্নীত হয়েছে শতকরা ৯৭.৭ ভাগে।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে সারা দেশের লাখ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী লাগাতার ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে চলছে আমরণ অনশন কর্মসূচি এবং আন্দোলনকারীরা বলেছেন, দাবি-দাওয়া আদায় না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে। অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলন চলবে। বেসরকারি যেসব শিক্ষক-কর্মচারী এখনও জাতীয়করণের আওতায় আসেননি, তাদের আর্থিক দুর্দশার বিষয়টি না বোঝার কথা নয়। কিন্তু জাতীয়করণের দাবি পূরণের জন্য আন্দোলন একটি সময় উপযোগি পদক্ষেপ। যারা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে যাচ্ছে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের কথা ভেবে মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এব্যপারে একটি গ্রহনযোগ্য পদক্ষেপ নিতে হবে। বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের একজন মুখপাত্র বলেছেন, মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে এবং তিনি জাতীয়করণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজ চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের আলোচনা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন, আমরা আশা করব, প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে এমন নির্দেশনা দেবেন, যা আন্দোলনের শিক্ষক-কর্মচারীদের উত্তেজনা প্রশমনে সহায়ক হবে। প্রেস ক্লাবের সামনে ১১ দিন ধরে যে আমরণ অনশন চলছে, সেখানে ইতিমধ্যে ১২০ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ধর্মঘট চলতে থাকলে আরও অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়বেন, সন্দেহ নেই। তাই অবিলম্বে সংকটটির সুরাহা হওয়া প্রয়োজন।

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, আন্দোলনকারীদের সমস্যাটি মানবিক কারণে সহৃদয়তার সঙ্গে বিবেচনা করুন। সাড়ে পাঁচ লাখ আন্দোলনকারীর জীবন স্বচ্ছন্দময় হয়ে উঠতে পারে। তারা তো ছাত্রছাত্রী পড়াচ্ছেনই। তাদের শ্রম ও মেধার মূল্যায়ন করা রাষ্ট্রের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।

    সকল শিক্ষকগণ ১৬ বছরে দ্বিতীয় উচ্চতর স্কেল পেলেও প্রধান শিক্ষক, সহকারি প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহঃসুপারগণ দ্বিতীয় উচ্চতর স্কেল পাচ্ছেন না। একদেশে দুই নিয়ম এ যেন একচোখে তেল অন্য চোখে লবন দেয়ারমত অবস্থা। শিক্ষা মন্ত্রী, প্রধান মন্ত্রী পারেন এ বৈষম্য দূর করতে প্রধান শিক্ষক, সহঃ প্রধানদের মাঝে হতাশা কাটিয়ে সুদিন ফিরিয়ে আন্তে। শিক্ষকগণ নানামূখি সমস্যায় মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। তাদের নুন আন্তে পান্তা ফুরায় অবস্থা। বেসরকারী শিক্ষকদের প্রাণের দাবী, বেসরকারী শিক্ষকদের শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ ঘোষনা হউক, এ কাজ টি করতে পারেন প্রধান মন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর সুযৌগ্য কন্যা শেখ হাসিনা।
    শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড হলে শিক্ষকরা শিক্ষার মেরুদন্ড। কিন্তু আজ শিক্ষক সমাজ অবহেলিত ও বিভিন্নভাবে হয়রানি-নির্যাতনের শিকার। শিক্ষকদের চাকরির নিরাপত্তা, আর্থিক স্বচ্ছলতা, সামাজিক মর্যাদা নেই বলে মেধাবীরা এই পেশায় আসতে চান না। বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিক্ষকরা রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হয়ে চাকরি হারিয়ে পথে পথে ঘুরছেন। শিক্ষকদের চাকরির নিরাপত্তা নেই বলেই আজ শিক্ষার বেহাল অবস্থা।
    শিক্ষাক্ষেত্রে আজ পর্বতসম বৈষম্য বিদ্যমান। সরকারি বেসরকারি স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষক-কর্মচারীদের সমযোগ্যতা ও সমঅভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও সরকারি স্কুল ও বেসকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেলে পার্থক্য রয়েছে। সরকারি স্কুল-কলেজের ছাত্রদের যে সিলেবাস বেসরকারি স্কুল-কলেজের ছাত্রদের ও একই সিলেবাসে পড়ানো হয়। কিন্তু তাদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট দেয়া হয়। বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন স্কেলের ২৫% ও কর্মচারীদের ৫০% উৎসব ভাতা দেওয়া হয়। বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের সাথে ইহা বিমাতাসুলভ আচরণের বহিঃপ্রকাশ।

    শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের ১/১/১৯৮০ থেকে জাতীয় বেতনর স্কেলের অন্তুর্ভূক্ত করেন এবং ৫০% বেতন স্কেল প্রদান করেন। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ ১০%+১০% = ২০% প্রদান করেন। ১৯৯৪ সালের শিক্ষক আন্দোলনে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১০%, ২০০০ সনে আন্দোলনে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০% এবং সর্বশেষ ২০০৬ সনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১০% বেতন প্রদান করে ১০০% এ উন্নীত করেন। এখন চাকুরী জাতীয়করণের কোন বিকল্প নেই। চাকুরী জাতীয়করণের জন্য সরকারের অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন নেই।
    বর্তমানে শিক্ষক কর্মচারীরা সরকার থেকে ১০০% বেতন পান। এজন্য সরকারকে প্রদান করতে হয় প্রতি মাসে প্রায় ১০০০ কোটি টাকা মাত্র। ১২ মাসে সরকারকে দিতে হয় ১২০০০ কোটি টাকা মাত্র।
    প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হলে সরকারকে প্রদান করতে হবে মোট প্রায় ১৭৮২০ কোটি টাকা প্রায়। বর্তমান সরকার বেতন বাবদ প্রদান করছে ১২০০০ কোটি টাকা। অতিরিক্ত প্রদান করতে হবে প্রায় ৫৮২০ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারের আয় হবে প্রায় ৫ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।
    শিক্ষকগণ হচ্ছেন জাতির বিবেক ও মূল্যবোধ সংরক্ষণের ধারক ও বাহক। শিক্ষার সংস্কার, সম্প্রসারণ ও মান উন্নয়নে সরকার বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিবেন বলে শিক্ষক সমাজ প্রত্যাশা করে।

    মানসম্মত শিক্ষা ও মেধাবী জাতি গঠনে জাতীয়করণের বিকল্প নেই। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশের তুলনায় শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে আমাদের অবস্থান তলানীতে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করলে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা হাস্যরসের খোরাক হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

    সর্বোচ্চ পর্যায়ে শিক্ষাখাতকে প্রাধান্য দেয়া, মাধ্যমিক শিক্ষাকে গতিশীল করা, মাধ্যমিক পর্যায়ে মেধাবিকাশে প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা চালুকরণ জাতীয়করণ ছাড়া সম্ভব নয়।
    বর্তমানে শিক্ষকতার পেশাটাকে মুখে মুখে সম্মানজনক পেশা বলা হলেও গ্রেড অনুপাতে বেতন, কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর বোর্ডের আচরণ, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা আর সিঁকি উৎসবভাতা কিন্তু অন্যটা প্রমাণ করে। আমরা যে শতভাগ অবহেলা আর বঞ্চনার শিকার তা কিন্তু এই বেতন ও সামান্য সুবিধা প্রমাণ করে। অন্যান্য চাকরি বঞ্চিত হলে একান্ত বাধ্য হয়ে তারা এ পেশায় এলেও বেতন, ভাতা ও মূর্খ পরিচালনা কমিটি দেখে পড়ানোর মানসিকতা পরিবর্তন করে তারা এটাকে চাকরি হিসেবে বেছে নেয় সেবা হিসেবে নয়। এটা জাতির জন্য অশনিসংকেত।
    অভাবগ্রস্ত শিক্ষকরা মানসিক ভাবেও বিপদগ্রস্ত। অভাব যখন চারদিকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকে তখন নিদারুণ কষ্টের ভান্ডার থেকে সৃজনশীল কিছু পাওয়ার চিন্তাই বৃথা। তাই অতিশীঘ্র জাতীয়করণ না হলে এ শিক্ষা ব্যবস্থায় অরাজকতা বৃদ্ধি পাবে, শিক্ষায় প্রতিযোগিতা আরও কমবে এবং এসব সেক্টরে প্রচন্ড অসন্তুষ্টি দেখা দেবে। আমাদের দেশের চেয়েও অনুন্নত বেশ কয়েকটি এশিয়ান রাষ্ট্রে শিক্ষা খাতে সর্বনিম্ন জিডিপি ৩.৫০ বা ৪ শতাংশ সেখানে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হয়েও আমাদের জিডিপি ২.০৯ শতাংশ। এটা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। দেশের মাধ্যমিক, উচ্চ শিক্ষাসহ সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাণবন্ত করতে, আশানুরূপ ফলাফল পেতে জাতীয়করণ একান্ত প্রয়োজন। বিশাল বাজেটের আংশিক এবং প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের আয় জমা নিয়ে জাতীয়করণ করলে শিক্ষক/শিক্ষার্থী/ অভিভাবকগন যেমন উপকৃত হবে তেমনি আমাদের শিক্ষায় আন্তর্জাতিক মান ও কৌশল অবলম্বন করে বাস্তবিক প্রয়োগ সম্ভব হবে। বেসরকারি শিক্ষকদের হাহাকার নিরসনে এখনই জাতীয়করণের মোক্ষম সুযোগ।

    বেসকারী শিক্ষকদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে পবিত্র রমজান মাসে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বেসরকারী শিক্ষক সমাজের প্রাণের দাবী একটায় সেটা হলো সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষকদের পাহাড়সম বৈষম্য দূর করতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে জাতীয়করণ করা। এ ঘোষনার অপেক্ষায় শিক্ষক সমাজ তীর্থের কাকের ন্যয় চেয়ে আছেন।

  • ঝিনাইদহে  সাংবাদিক পুলিশ ও মানবাধিকার কর্মী সেজে চলছে প্রতারণা

    ঝিনাইদহে সাংবাদিক পুলিশ ও মানবাধিকার কর্মী সেজে চলছে প্রতারণা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    এক সময় ঝিনাইদহ অঞ্চলে চরমপন্থিদের নিয়মিত চাঁদা দিয়ে গ্রামে বসবাস করতে হতো মানুষকে। চাঁদার টাকা পরিশোধ না দিয়ে নিরীহ মানুষদের গুলি করে বা গলাকেটে হত্যার পর বিভিষিকা ছড়িয়ে দিতো। পিলে কাঁপানো সেই পরিবেশ এখন আর নেই। কিন্তু এখন চরমপন্থার চেয়ে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে ডিজিটাল চাঁদাবজী। সাংবাদিক, পুলিশ, গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও মানবাধিকার কর্মী সেজে এক শ্রেনীর প্রতারক জেলাব্যাপী ভয়ংকর চাঁদাবাজীতে লিপ্তি হয়ে পড়েছে। ফলে রাস্তায় হরহামেশে দেখা মিলছে প্রেস, মানবাধিকার ও পুলিশ লেখা স্টিকারযুক্ত মটরসাইকেলের। এই প্রতারকরা এতটাই সংঘবদ্ধ যে এরা দলবেধে সরকারী কর্মকর্তা বা গ্রামের মানুষকে আক্রমন করছে। চাহিদা মতো টাকা না দিলে ফেক ফেসবুক আইডিতে ভিডিও বা ছবি দিয়ে মিথ্যা খবর ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। প্রতিদিন ঝিনাইদহের গ্রামেগঞ্জে হাজারো এমন প্রতারণার ঘটনা ঘটলেও মানুষ কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিয়ে এমন এক চাঁদাবাজীর ঘটনা ঘটেছে কোটচাঁদপুরের ফুলবাড়িয়া গ্রামে। জনৈক রবীন্দ্র্রনাথ ঘোষ মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিয়ে ফুলবাড়িয় গ্রামের হারান বিশ^াসের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসে ফুলবাড়ি গ্রামের হারান বিশ্বাসের মেয়ে প্রীতি বিশ্বাস বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় হারান বিশ্বাস কোটচাঁদপুর মডেল থানায় একটি জিডি করেন। কদিন মানবাধিকার নেতা পরিচয় দিয়ে জনৈক রবীন্দ্রনাথ ঘোষ হারান বিশ্বাসের কাছ থেকে তার মেয়েকে উদ্ধার করে দেওয়ার কথা বলে মোটা অংকের টাকা নিয়ে যান। কয়েক মাস পার হয়ে গেলেও মেয়েকে ফিরে না পেয়ে রবীন্দ্র্রনাথের দ্বারস্থ হন হারান বিশ্বাস। তখন রবীন্দ্র্রনাথ হারান বিশ্বাসের কাছে আবারও মোটা অংকের টাকা দাবী করেন। হারান বিশ্বাস টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁর সাথে খারাপ আচরণ করেন কথিত মানবাধিকার নেতা রবীন্দ্র্রনাথ ঘোষ। পরবর্তীতে এ ঘটনা নিয়ে থানা পুলিশের দ্বারস্থ হন হারান বিশ্বাস। এদিকে ঝিনাইদহ জেলায় শুস্ক মৌসুমে অবৈধ ভাবে মাটির ব্যবসা চলে রমরমা। ইটভাটা মালিকরা এসব মাটি কিনে থাকেন। কিন্তু সারা জেলায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজী করার অভিযোগ উঠেছে। আসলে তারা কোন সাংবাদিক না। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বেপরোয়া ভাবে চাঁদাবাজী করে থাকেন। তারা পুকুর কাটা খবর পেলেই দল বেধেঁ চলে যান ঘটনাস্থলে। এককালীন কিছু টাকা নিয়ে ও মাসিক চুক্তি করে চলে আসেন। হাটে বাজারে গজিয়ে ওঠা কোয়াক ডাক্তাররাও এদের হাত থেকে বাদ যাচ্ছে না। সবাই এই চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, সমাজ বিরোধী ও মাদকসেবীদের একটি বড় অংশ এখন সাংবাদিক সেজে এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এদের চলাচল বেশি। বেশ কয়েকবার এরা ধরা পড়লেও আইনের ফাঁক দিয়ে তারা ছাড়া পেয়ে গেছেন। স্কুল কলেজে নিয়োগ নিয়ে এই চক্রটি প্রতারণার আশ্রয় গ্রহন করে থাকেন। সভাপতির বিরুদ্ধে খবর প্রকাশের ভয় দেখিয়ে সম্প্রতি নগরবাথান এলাকার একটি স্কুলে দলবেঁধে হানা দিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন। ঝিনাইদহ শহরের আলফালাহ ও শামীমা ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে মোটা অংকের টাকা গ্রহনের অভিযোগ রয়েছে। কিন্ত কোন ভাবেই এই প্রতারক চক্রকে থামানো যাচ্ছে না। পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের কর্তাব্যাক্তরাও এ বিষয়ে নীরব রয়েছে। এই চক্রের বিরুদ্ধে আবার পাল্টাপাল্টি সংবাদও প্রচার হচ্ছে। টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ বেঁধে গেলে নিজেরাই অন্য গ্রæপের বিরুদ্ধে খবর প্রচার করতে দেখা গেছে। অনেক ভুক্তভোগী আবার প্রতিকার না পেয়ে নিজেদের ফেসবুকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কে কখন কত টাকা নিয়েছেন তা প্রচার করছেন। জেলাজুড়ে এমন কর্মকান্ডে পশোদার সাংবাদিকরা হতাশ ও অসহায় হয়ে পড়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সালমা সেলিম জানিয়েছেন, এমন প্রতারণার খবর আমাদের কাছে প্রতিনিয়ত আসছে। আমরা একটি অভিযোগ ফাইল খুলেছি। প্রশাসনের পাশাপাশি এ বিষয়ে সিনিয়র সাংবাদিক ও সাংবাদিকদের সংগঠনগুলোকে ব্যবস্থা নিতে হবে বলে তিনি মনে করেন। মানবাধিকার কর্মী ও জেলার সিনিয়র সাংবাদিক অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু জানান, আমি শুনেছি বেশকিছু দিন ধরে একটা প্রতারক চক্র মানবাধিকার নেতা পরিচয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকাতে প্রতারণা করে আসছে। এরা নিয়োগকৃত স্থানীয় সোর্সদের মাধ্যমে এ কাজ করে থাকে। এদের বিরুদ্ধে সামজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। একই সাথে গণমাধ্যমে এদের প্রতারণার বিষয় তুলে ধরতে হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে এদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। নইলে পেশাদার সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়বে। কোটচাঁদপুরের একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে কোটচাঁদপুর থানার ওসি মঈন উদ্দিন জানান, মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিয়ে এরা থানায় একবার তদন্ত করার নামে এসেছিল। আমাদের এক উপ-পরিদর্শককে হুমকি-ধমকিও দিয়েছিল। তখনই তাঁদের কার্যক্রম নিয়ে সংশয় বোধ করেছিলাম। পরবর্তীতে তাঁদের দ্বারা প্রতারিত হয়ে এক ভুক্তভোগী আমাদেরকে অবগত করেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • পীরগঞ্জে চলন্ত সিএনজি গাড়ীতে আগুন

    পীরগঞ্জে চলন্ত সিএনজি গাড়ীতে আগুন

    আবু জাহেদ, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ-রাণীশংকৈল সীমান্তে চলন্ত সিএনজি গাড়ীতে অগ্নিকান্ড ঘটে।
    শনিবার বিকেলে পীরগঞ্জ-রাণীশংকৈল সড়কে গোগর চৌরাস্তার পূর্ব দিকে গুলজার আলী মিলের সামনে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাযায়, সিএনজি চালক বুদরুল ইসলাম দিনাজপুর থেকে রোগী নিয়ে হরিপুর যাদুরাণী যাওয়ার পথে চলন্ত গাড়ীতে হঠাৎ করে সিএনজি ইঞ্জিনের দুটি লাইনের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। গাড়িতে আগুন দেখেই চালক ও যাত্রীরা গাড়ী থেকে নেমে যাওয়া যায় তাদের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুনে গাড়িটি ভুস্মীভূত হয়। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থল পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

    আবু জাহেদ
    পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও