কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ সালে ডিসেম্ভর মাসের দিকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে । আর এই নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ ১ আসনে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা। কে হবেন নৌকার মাঝি এই নিয়ে শুরু হয়েছে জেলা জুড়ে নানান গুঞ্জন ও আলোচনা। গত ১৫বছর যাবত সুনামগঞ্জ ১ আসনে বরাবরের মতই একটানা তিনতিন বারের মত কোন শক্তিশালী প্রার্থী না থাকায় নৌকার মনোনয়ন ভাগিয়ে নিয়েছেন বিতর্কিত নানান অভিযোগে অভিযুক্ত সুনামগঞ্জ ১ আসনের বর্তমান এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোজ্জেম হোসেন রতন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে ক্ষমতাশীন আওয়ামীলীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধুর কন্যা বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাকে নৌকার মনোনয়ন দেবেন সেই ভাবনায় নেতাদের মধ্যে শুরু হয়েছে দৌড়যাপ।
প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পারি দিচ্ছেন অনেকে। ইতি মধ্যেই মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের সাথে নির্বাচনে পাল্লা দিয়ে অংশ গ্রহণ করার মতো প্রার্থী হিসেবে একমাত্র যোগ্য হিসেবে আলোচনায় শীর্ষে উঠে এসেছেন তরুণ রাজনীতিবিদ সাবেক ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক দানবীর মো: সেলিম আহমদের নাম। সারা জেলাজুড়েই নেতাদের এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চলছে এমনটির আলোচনা সমালোচনা ঝড়। সুনামগঞ্জ ১ আসনে কে হবেন নৌকার মাঝি রতন না সেলিম? সেটি নিয়ে জল্পনা কল্পনা রয়েছে তৃণমূল নেতাসহ সাধারণ মানুষের মনে। দল কাকে দিবেন নৌকার মনোনয়ণ ? নানান দূর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত বর্তমান বিতর্কিত এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনকে? নাকি নতুন প্রজন্মের ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি সেলিমকে? নাকি অন্য কাউকে ? সরেজমিনে ঘুরে সুনামগঞ্জ ১ আসনের জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, মধ্যনগর, তাহিরপুরের প্রতিটি থানা এরিয়াসহ বিভিন্ন গ্রামেগঞ্জে রাস্তা ঘাটের পাশে হাটবাজারে দেখাযায় আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রত্যাশী সেলিম আহমদের অনুসারিরা শেখ হাসিনার নিকট সেলিম আহমদকে নৌকার মনোনয়ন দেওয়ার দাবীতে বিশাল বিশাল ব্যানার ফেসটুন লাগিয়ে এবং নেতাদের ফেইসবুকে , ফেস্টুন, ব্যানার, লিফলেটের মাধ্যমে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পাড়ি দিচ্ছেন । যার কারনে প্রচারণার শীর্ষে সেলিম আহমদের নাম চলে এসেছে সকলের আগে।
এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় দেখা যায় সেলিম আহমদের আলোচনা বেশি উঠে আসছে প্রতিনিয়তই। ইতিমধ্যে জেলাজুড়ে তরুণ এই রাজনীতিবিদ সেলিম আহমদ প্রতিটি শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে তার কর্মকান্ডের মাধ্যমে জয়করে নিয়েছেন সকলের মন। লক্ষ্যকরে দেখা গিয়েছে করুনা কালীন মহামারির সময় থেকে শুরু করে বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের মাঝে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াসহ বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, কবরস্থানের উন্নয়নসহ স্কুল কলেজ পড়–য়া অসহায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার জন্য এবং অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য নিজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে যে পরিমান সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে রয়েছেন তা অন্য কোন এমপি কিংবা দলীয় নেতাদের মধ্যে এমনটি দেখা যায়নি। যার কারনে সেলিমকে শুধু সুনামগঞ্জ ১ আসনের নৌকার প্রার্থীই নয়, জেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চায় সাধারণ মানুষসহ তৃণমুল ত্যাগী নেতারা।
আগামী সংসদ নির্বচনে সেলিম আহমদ অংশ গ্রহন করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি রাজনীতিতে এসেছি ছাত্রলীগ থেকে শুরুকরে। বর্তমানে আমি শ্রমিকলীগের সভাপতি হিসেবে সুনামগঞ্জ জেলায় দায়িত্বে রয়েছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পুরণে তারই সুযোগ্য উত্তরসূরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশকে বিশ্বের বুকে একটি অসাম্প্রদায়িক উন্নত বাংলাদেশ হিসেবে রুপকারের জন্য দিন রাত প্ররিশ্রম করে উন্নয়নের জন্য এদেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আমি তারই অংশ হিসেবে আমার জেলায় শেখ হাসিনার একজন কর্মী হিসেবে অসহায় মানুষের পাশে থেকে আমার সাধ্যমত ব্যক্তিগত অর্থায়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন যেহেতু আমি রাজনীতি করি দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে আমি আমার নির্বচনী এলাকায় নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করব না। দল যদি আমাকে সুনামগঞ্জ ১ আসনে নৌকার মনোনয়ন দেন তাহলে আমি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছি। এছাড়াও তিনি আর বলেন দল যদি আমাকে মনোনয়ন নাওদেন যাকে নৌকার মনোনয়ন দিবেন আমি তার হয়ে কাজ করব। সুনামগঞ্জ ১ আসনে এবার নতুন মুখ নৌকার মনোনয়ন পাবেন এমনটিই প্রত্যাশা ঐ এলাকার তৃণমূল মানুষের।
Author: desk
-

সুনামগঞ্জ ১ আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা কে হবে নৌকার মাঝি রতন না সেলিম
-

কলাপাড়ায় ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বাবুল মাষ্টারের বিজয়ের আনন্দে ভাসছে চম্পাপুর
এস আল-আমিন খাঁন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।
পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলার ৮ নং চম্পাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকল জল্পনা কল্পনাকে হারমানিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস মার্কার মাহাবুব আলম বাবুল মাষ্টার জয়লাভ করায় চম্পাপুর ইউনিয়ন বাসীর মুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬’মার্চ-২০২৩ ইং) তারিখ সকাল সাড়ে আটটা থেকে ইভিএম পদ্ধতিতে নির্ধারিত সময় বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ভোট গ্রহন করা হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাররা ইভিএম পদ্ধতিতে এই প্রথম ভোট দিতে পারায় খুবই আনন্দিত চম্পাপুর ইউনিয়নবাসী। উৎসব মুখোর পরিবেশে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়ায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মিডিয়াকর্মীদের ধন্যবাদ জানান প্রার্থী সমর্থকরা।
চম্পাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাহবুব আলম বাবুল মাষ্টার আনারস মার্কা, ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ সমর্থিত প্রার্থী রিন্টু তালুকদার নৌকা মার্কা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সমর্থিত প্রার্থী মোঃ ইমরান আলী হাতপাখা, সওখতুর রহমান শামীম স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া মার্কা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন মৃধা চশমা মার্কায় মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।
ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা (১২৫৮৮) ভোট, মোট ৯ টি ভোট সেন্টারে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহন করা হয়। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস মার্কা-( ৩২১৯ ) ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, এছাড়া ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা-(২৫৮৫) ভোটে ২’য় ,দলীয় প্রার্থী নৌকা মার্কা-(২২৭৩) ভোট পেয়ে ৩’য়, স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা মার্কা- (১২৫০) ভোটে ৪র্থ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া মার্কা- (৯২৬) ভোটে ৫’ম হয়েছেন।
মোট ৬৩৪ ভোট বেশি পেয়ে চম্পাপুর ইউনিয়ন পরিষদের নব- নির্বাচিত চেয়ারম্যান হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস মার্কার মাহাবুব আলম বাবুল (মাষ্টার), তিনি বিজয়ী হয়ে ইউনিয়নবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে রাস্তা ঘাট নির্মান, মাদক ও দুর্নীতি মুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গড়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করলেন জনসম্মুখে।
তিনি আরও বলেন আমার নির্বাচনী ইশতেহার ছিলো এলাকার সার্বিক উন্নয়ন মুলক কাজের মাধ্যমে জনগনকে সঠিক সেবা প্রদান করা। বিগত দিনে ইউনিয়নবাসী যে সকল ভোগান্তির শিকার হয়েছে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কাজে হয়রানি হয়েছে, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, সরকারের দেয়া খাদ্য কর্মসূচির চাল পেতে অর্থ প্রদান এবং ইউনিয়ন পরিষদের অন্যান্য সেবা মুলক কাজে হয়রানির শিকার হয়েছে। এ সকল হয়রানি থেকে জনগন যাহাতে রেহাই পেতে পারে এবং এলাকার রাস্তা ঘাট পাকাঁ করে জনগণের দুর্ভোগ লাগবে কাজ করাটাই হবে তার মুল লক্ষ্য। এছাড়া ও জন্ম নিবন্ধন অনলাইন সরকারি ফি ব্যাতিত বাড়তি ফি দিতে হবে না কাউকে। ইউনিয়ন পরিষদে জনগণের জন্য সরকারের যত প্রকার সুবিধা রয়েছে সব ধরনের সুবিধা প্রদান করে চম্পাপুর ইউনিয়নকে একটি দুর্নীতি ও মাদক মুক্ত করে পটুয়াখালী জেলার অন্যতম ইউনিয়ন পরিষদ ও একটি মডেল ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলা হবে চম্পাপুর ইউনিয়ন পরিষদ। এক্ষেত্রে সকল কাজে জনগনকে পাশে নিয়ে তাদের সহযোগীতা ও পরামর্শ নিয়ে কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।
-

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খেলাধুলায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: চেয়ারম্যান আবু সাঈদ
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহের সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি, উপজেলার সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা আলহাজ্ব আবু সাঈদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতার ফলে খেলাধুলায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই দেশে খেলাধুলার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে।শনিবার (১৮ই মার্চ) সারাদিনব্যাপী সিরতা ইউনিয়নের প্রফিসেন্ট মডেল স্কুল, সূর্যোদয় মডেল কেজি স্কুল, আনন্দীপুরে রশি টানাটানি, ভবানীপুর গ্রামে ফুটবল খেলার পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এসময় চেয়ারম্যান সাঈদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের মত সকল খেলাকেই জনপ্রিয় করতে চায়। তিনি চান দেশের সোনার ছেলেরা ক্রিকেটের মত টাইগার হয়ে সবধরনের খেলায় সারা দুনিয়া কাঁপিয়ে তুলুক। তাই তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে তগিদ দিচ্ছেন।
প্রফিসেন্ট মডেল স্কুল, সূর্যোদয় মডেল কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ, আনন্দীপুরে রশি টানাটানি খেলার আয়োজকবৃন্দ ভবানীপুর গ্রামে ফুটবল খেলার আয়োজকবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধান অতিথি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু আবু সাঈদ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক থেকে যুব সমাজকে বিরত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন চেয়ারম্যান আবু সাঈদ। এসময় শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের সুযোগ দিতেও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন-ক্রীড়াঙ্গনে পেশাদারিত্ব ফেরাতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের উদ্যোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাতীয় পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট।
রশি টানাটানি খেলায় ৫নং সিরতা ইউনিয়ন পরিষদ, ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ফয়জুর রহমান (ফজলু) এর সভাপতিত্বে এ সময় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ আল আমিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬নং চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের বড়বিলা ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম, সিরতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতা মাসুদ রানা বিজয় প্রমূখ।
-

সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা’ মূলহোতা আটক
স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে চাকরি নিয়ে দেওয়ার প্রলোভন ও ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্রের মূলহোতা হারুন উর রশিদ (৪০) কে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যাব-৫,সিপিসি-৩,জয়পুুরহাট ক্যাম্পের র্যাব সদস্যরা।
শনিবার(১৮ মার্চ) বিকেলে জয়পুুরহাট র্যাব-৫ ক্যাম্পের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
আটককৃত প্রতারক হারুন উর রশিদ নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার জিধিরপুর গ্রামের মৃত.আব্দুল জলিল মণ্ডলের ছেলে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হারুন উর রশিদ ৩/৪ জনের সিন্ডিকেটের মূলহোতা। তারা দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের প্রতারণার সাথে জড়িত ছিল। হারুন উর রশিদ প্রার্থীদের আশ্বস্ত করেন যে উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাদের সাথে তার দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে। এই সিন্ডিকেট কখনও কখনও অবৈধ নিয়োগের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বা ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিত। ২০২২ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ চলাকালে হারুন উর রশিদ একজন প্রার্থীর সাথে যোগাযোগ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার জন্য অবৈধভাবে ১৩ লাখ টাকা নেন এবং একটি নিয়োগপত্র দেন। পরে ওই পদে যোগ দিতে যাওয়ার পর প্রার্থী তার ভুয়া নিয়োগপত্রের কথা জানতে পারেন। ভুক্তভোগী বাদী হয়ে জয়পুরহাট র্যাব ক্যাম্পে একটি অভিযোগ করেন।
অভিযোগ পেয়ে জয়পুরহাট র্যাব-৫,ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মো.মোস্তফা জামান এর নেতৃত্বে,নওগাঁর বাদলগাছী উপজেলার জিধিরপুর এলাকায় অভিযান কয়েকটি ভুয়া নিয়োগপত্রসহ হরুন উর রশিদকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
-

শার্শার বেলতলায় আঁচার তৈরীর আম উঠতে শুরু করেছে
আজিজুল ইসলাম : দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের আমের রাজধানী খ্যাত বেলতলা আম বাজারে গুটি আম বেচাকেনা শুরু হয়েছে। আমের আঁচার তৈরী ও টক ডাউলের জন্য গুটি আমি কিনতে পাইকারদের পাশাপাশি খুচরা ক্রেতারাও ভীড় জমাচ্ছেন আম বাজারে।
এখানে প্রতি মণ আমের গুটি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।বিক্রেতারা জানিয়েছেন , ঢাকা রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন বড় বড় শহরে টক ডাইল,ও আচার খাবার কাজে ব্যাবহার করা হচ্ছে এই আম। সীমান্ত নগরী বাগআঁচড়ার পাশেই অবস্থিত বেলতলা বাজারে। যেটি যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার উভয় অংশে অবস্থিত।
বেলতলা বাজারে আম বিক্রি করতে আসা মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এই অঞ্চলে আমের ফলন আগাম হয়েছে, যার কারণে দ্রুত আম বড় হয়েছে। এছাড়াও দেশে করোনা ভাইরাস না থাকায় চাহিদা বেশি ও ভালো দামে আম বিক্রি হচ্ছে।
মেসার্স বিসমিল্লাহ ফল ভান্ডার এর প্রোপাইটার মোঃ আব্দুস সাত্তার বলেন, এবছর আমের দাম ভালো এবং চাহিদাও বেশি আছে, আশা করছি এবছর ব্যবসা ভালো হবে।
আম ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ লুকমান হোসেন জানান, বাজারে প্রতিটি আড়ৎ এ (গুটি) আম বেচাকেনা শুরু হয়েছে। পবিত্র রোজার পরপরই পাকা আম বেচাকেনা শুরু হবে। পাশাপাশি এখানে আম বিক্রি করতে আসা বেপারী, এবং বাহির থেকে আম কিনতে আসা ব্যাপারীদের সব ধরনের সুবিধা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
-

মোংলা বন্দরে ড্রেজার থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু, ৩ঘন্টা পর লাশ উদ্ধার
মোংলা প্রতিনিধি
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৫ নম্বর জেটিতে খনন কাজে নিয়োজিত ড্রেজার থেকে পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার তিন ঘন্টা পর নিহতের লাশ উদ্ধার করেছেন ডুবরিা। লাশটি থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার বিভাগ জানায়, বন্দরের ৫নম্বর জেটি এলাকায় খনন কাজে নিয়োজিত সিএসডি বোখারী নামক ড্রেজারের কাটার (মাটি খননের পাখা) পরিস্কার করার সময় শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দুই শ্রমিক পশুর নদীতে পড়ে যান। মুলত ড্রেজারের কাটারের ঝুলন্ত ওয়াররোপ ছিড়ে গেলে কাটারটি নদীর তলদেশে পড়ে যায়। তখনই কাটারের ময়লা পরিস্কার করতে থাকা দুই শ্রমিক কাটারের ওয়াররোপের সাথে জড়িয়ে জেটি সংলগ্ন পশুর নদীতে পড়ে যান। তারা নৌকায় করে কাটারটি পরিস্কারের কাজ করছিলেন। নদীতে পড়ে যাওয়ার পর দুইজনের একজন সাতরিয়ে কুলে উঠতে পারলেও নাইম দেওয়ান (২৫) নামের শ্রমিক নিঁখোজ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে খবর পেয়ে দুর্ঘটনাস্থলে স্থানীয় ডুবুরি, বন্দর ও ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। তল্লাশির এক পর্যায়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লাশটি সনাক্ত করেন স্থানীয় ডুবুরিরা। এরপর লাশটি যাতে সরে কিংবা ভেসে যেতে না পারে সেজন্য রশি/দড়ি দিয়ে হাত বেঁধে রাখেন। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই কাটার নিচে চাপা পড়া নিহত নাইমের লাশ উদ্ধার করেন ডুবরিা। উদ্ধারের পর লাশটি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত নাইম দেওয়ানের বাড়ী মুন্সীগঞ্জে। আর সাতরিয়ে কুলে উঠা শ্রমিক হলেন মাজেদ (৫০)।
বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব এ ড্রেজারটি গোপালগঞ্জের এজেড ড্রেজিং কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর খান মেজবাহের কাছে ভাড়া দেয়া ছিলো। ওই কোম্পানীটি ভাড়া নিয়ে বন্দরের ৫ নম্বর জেটি এলাকায় খনন কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। নিহত শ্রমিক নাইম এজেড ড্রেজিং কোম্পানীতে কর্মরত ছিলেন।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের হবে এবং লাশের ময়না তদন্তের জন্য রবিবার বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এছাড়া এ ঘটনার তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিবেন নৌপুলিশ বলেও জানান তিনি। -

চোখ খুলে তাকালেই দেশের সর্বত্র উন্নয়ন চোখে পড়ে- কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক
আঃ হামিদ মধুপুর( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ
কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, চোখ খুলে তাকালেই দেশের সর্বত্র অভূতপুর্ব উন্নয়ন চোখে পড়ে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে, গ্রামের দুর্গম রাস্তাও সব পাকা হয়ে গেছে। দেশের সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে সম্মান ও মর্যাদায় পৃথিবীতে অনন্য উচ্চতায় তুলেছেন। এই উন্নয়নের বাংলাদেশকে আজ সারা পৃথিবী অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখে। তাই, আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়ে দেশের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।
শনিবার বিকালে টাঙ্গাইলের মধুপুরের মহিষমারা ইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, যুবসমাজকে অবক্ষয় থেকে রক্ষা করে দক্ষ মানবসম্পদ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তরুণদেরকে খেলাধুলায় আরো উৎসাহিত করতে হবে ও সুস্থ বিনোদন তাদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।
মহিষমারা ইউনিয়ন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাটি উদ্বোধন করেন মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ মোঃ ছরোয়ার আলম খান আবু।
মহিষমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহি উদ্দিন এর সভাপতিত্বে উক্ত উদ্বোধনী খেলায় উপস্হিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, মধুপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ মো. সিদ্দিক হোসেন খান, আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট ইয়াকুব আলী, সহ সভাপতি মীর ফরহাদুল আলম মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক, মির্জাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাদিকুল ইসলাম, আলোক হেলথ কেয়ার ও ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এর ব্যাবস্হাপনা পরিচালক মো. লোকমান হোসেন, সহ আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। উক্ত খেলায় গোপাপুর মরহুম ফরহাদ হোসেন স্মৃতি ফুটবল একাডেমীকে দুই এক গোলে হারিয়ে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ার কেশরগন্জ কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমী বিজয় অর্জন করেন। -

জয়পুরহাটে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জেলার শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস
জয়পুরহাটে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জেলার শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ মার্চ) বিকেলে শহরের শহীদ ডাঃ আবুল কাশেম ময়দানে বেলুন-পায়রা উড়িয়ে ও প্রদীপ জ্বালিয়ে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাড.নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রদুত অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভোমিক।
সংগঠনের জেলা শাখার আহবায়ক রতন কুমার খাঁর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য,রাখেন, কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য বাবু কাজল দেবনাথ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হরিচাঁদ মন্ডল সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু সাগর হালদার,পদ্মাবতী দেবী, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এ্যাড. হৃষিকেষ সরকার ও সাধারণ সম্পাদক সুমন কুমার সাহা।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে সম্মেলনে উপস্থিত কাউন্সিলরদের মতামত অথবা ভোটে নতুন সভাপতি সাধারন সম্পাদক নিবার্চিত হবে। রিপোর্টটি পাঠানো পর্যন্ত সভাপতি/সাঃ-সম্পাদক এর নাম ঘোষণা করা হয়নি।
-

জাতীয় পর্যায়ে ট্রিপল জাম্পে খুলনার মেয়ে তমার সাফল্য
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
জাতীয় পর্যায়ে শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা এ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় ২০২৩ এ তারিন জামান তমা দারুন সাফল্য অর্জন করেছে। ১৩ মার্চ ঢাকা আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত জাতিয় পর্যায়ে খুলনা বিভাগ থেকে এ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় ট্রিপল জাম্পে ৩য় হয়েছে। সে খুনলা জেলার পাইকগাছার শহীদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী। এ্যাথলেটিকস এ সে অভুতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে এবং শহীদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের জন্য গৌরব বয়ে এনেছে। তার এই সাফল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ, ম্যানেজিং কমিটি, অভিভাবকসহ এলাকাবাসী দারুন ভাবে উৎসাহিত হয়েছে।
তারিন জামান তমা ২০২৩ সালের শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা এ্যাথলেটিকস্ ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় হাই জাম্প, লং জাম্প, ট্রিপল জাম্প ও ১০০ মিটার দৌড়ে ১ম স্থান অধিকার করে। ৮ ফেব্রুয়ারী উপজেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় হাই জাম্প ১ম, লং জাম্প ২য়, ট্রিপল জাম্পে ১ম ও ১০০ মিটার দৌড়ে ২য় স্থান অধিকার করে। ১৫ ফেব্রুয়ারী জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এ্যাথলেটিকস্ প্রতিযোগিতায় হাই জাম্প, ট্রিপল জাম্পে ১ম ও লং জাম্পে ৩য় স্থান অধিকার করে। ২৫ ফেব্রুয়ারী ভুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এ্যাথলেটিকস্ প্রতিযোগিতায় ট্রিপল জাম্পে ১ম স্থান ও হাই জাম্পে ৩য় স্থান অধিকার করে। তারিন জামান তমা জানান, শখের বসে এ বছরই প্রথম এ্যাথলেটিকস্ প্রতিযোগিতায় নাম লেখায় ও ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় সবগুলো ইভেন্টে ১ম স্থান অধিকার করে। এ ব্যাপারে শহীদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অঞ্জলী রানী শীল বলেন, তমার সাফল্যে আমরা খুবই আনন্দিত। জাতীয় পর্যায়ে থেলার জন্য আমরা তাকে সবরকম সহযোগিতা করছি।সে আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য সুনাম বয়ে এনেছে। তার সাফল্যে পিতা সিরাজুল গোলদার ও মাতা মোছাঃ পারুল বেগমের উৎসাহে তার অনুপ্রেরণা আরও বেড়ে যায়। কোন অনুশীলন ছাড়াই চুড়ান্ত পর্যায়ে সে এ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় ৩য় স্থান লাভ করেছে।সংসদ সদস্য মো: আক্তারুজ্জামান বাবু, ইউএনও মমতাজ বেগম ও বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অঞ্জলী রানী শীল তার সাফল্য অর্জনে উৎসাহ,অনুপ্রেরণা যোগানোসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।ইমদাদুল হক
পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি। -

পাইকগাছায় ১৮০ জন ছাত্র-ছাত্রী ও বৃত্তি প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০২২ সালের বার্ষিক পরীক্ষার প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় স্থান অধিকারী ১৮০ জন ছাত্র-ছাত্রী ও বৃত্তি প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শনিবার সকালে নতুন বাজার চান্নি চত্বরে ব্রততী রায় শিশু ও প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট এর সার্বিক আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্রততী রায় শিশু ও প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্টৈর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক ব্যাংকার প্রজিৎ কুমার রায়ের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ৭নং গদাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক শেখ রুহুল কুদ্দুস,সাবেক শিক্ষক এস এম মোজাম্মেল হক,গদাইপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্মল চন্দ্র অধিকারী,ভোলানাথ শুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিব শংকর রায়,নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ।
সাবেক ইউপি সদস্য জগন্নাথ দেবনাথ এর পরিচালনায় ও ব্রততী রায় শিশু ও প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্টৈর সাধারণ সম্পাদক মিলন রায় চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস, প্রশান্ত কুমার সরকার, পীযূষ সাধু, মটবাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি সুরঞ্জিত রায়, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান নান্টু,প্রধান শিক্ষক খালেদা খালেদা খাতুন,সুলেখা ঘোষ, মনিরুল ইসলাম, জিএম হারুন অর রশিদ সহ ১৮০ জন পুরস্কৃত ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।