Author: desk

  • তানোরে শিক্ষক-কর্মচারী মিলন মেলা

    তানোরে শিক্ষক-কর্মচারী মিলন মেলা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান সমিতি ও উপজেলা মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির উদ্যোগে বাৎসরিক মিলন মেলা উপলক্ষে আলোচনা সভা ও প্রীতিভোজ আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, ১৯ মার্চ রোববার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী কল্যান ও মাদরাসা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে এবং সভাপতি জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শামসুল ইসলামের সঞ্চালনায় নাইস গার্ডেন চত্ত্বরে মিলন মেলা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না ও বিশিষ্ট সমাজসেবক তরুণ শিল্পপতি আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজন। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফ খাঁন, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও সোনীয়া সরদার,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন ও সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কামরুজ্জামান মিয়া, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, চাঁন্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি ফরহাদ মিঞা, বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, আব্দুল আওয়াল রাজু ও রামিল হাসান সুইট প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি বলেন,আপনাদের সামনে দুটি পথ একটি মালেশিয়া-সিঙ্গাপুর মুখী,অপরটি পাকিস্তান-আফগানিস্থান মুখী। একটি উন্নয়ন ও গণতন্ত্রমুখী, অপরটি জঙ্গিবাদ ও অগ্নিসন্ত্রাসমুখী। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ হলো উন্নয়ন ও গণমুখী, আর বিএনপি হলো জঙ্গিবাদ ও অগ্নিসন্ত্রাসমুখী। তিনি বলেন, আওযামী লীগের সময়ে দেশ মালেশিয়া-সিঙ্গাপুরমুখী হয়, আর বিএনপির সময়ে দেশে জঙ্গিবাদ ও অগ্নিসন্ত্রাসমুখী হয়। আওয়ামী লীগ হলো উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারক-বাহক। আর বিএনপি হলো জঙ্গিবাদ ও অগ্নিসন্ত্রাসের ধারক-বাহক।
    তিনি বলেন, আগামি নির্বাচন আমাদের তাই,আমাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমারা কোনো পথে যাবো। সাধারণ মানুষের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস, আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও অর্জনের চিত্র তুলে ধরার জন্য তিনি শিক্ষকদের প্রতি উদ্বাত্ত আহবান জানান। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা মানেই বাংলাদেশ, শিশুরা যেমন মাতৃকোলে নিরাপদ, তেমনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ।
    তিনি বলেন, যে জাতি উপকারীর উপকার স্বীকার করে না সে জাতি উন্নতি করে না। বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাংলাদেশ গর্বিত ইতিহাস সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানাতে হবে। শিক্ষকদের বলবো দেশকে ভাল বাসতে হবে, ভালভাবে লেখাপড়া করাতে হবে, নিজেকে ভাল শিক্ষক হতে হবে, শ্রেষ্ট শিক্ষক হিসেবে গড়ে তুলতে । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সময়ের বাইরেও শিক্ষার্থীদের জন্য সময় দিতে হবে শিক্ষিত জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভুমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, আগামি নির্বাচন হবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির এই নির্বাচন আমাদের নির্বাচন, নৌকা যার আমরা তার, নৌকা যার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার।
    তিনি বলেন, বিএনপি বার বার মিথ্যা, অপপ্রচার করে বিদেশে জনমত সৃষ্টি করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছেন।
    তারা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি ও ৬৪ জেলায় বোমা ফাটিয়েছিল। অথচ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মডেল
    মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি বলেন,
    বিএনপি জামায়াত দেশে ইসলাম পক্ষে কোন কাজ করতে পারে নি। বঙ্গবন্ধু শেখ হসিনা প্রতি উপজেলায় দুটি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকািরকরণ করে দিয়েছেন। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের চেয়ে বেশী চিনে, যেমন শেখ মুজিবুর রহমানকে যেমন চিনতেন। বিএনপির মুখে গণতন্ত্র মানায় না। তারাতো একটি সেনানিবাসের দল, একটি খোচ্চর দল। প্রধান অতিথি ওমর ফারুক চৌধুরী আরও বলেছেন, গোদাগাড়ী তানোরের মাটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি, নৌকার ঘাঁটি। এখন এমন একটি সময় এসেছে অতীতে যারা দলের বিবোধীতা করেছেন, নৌকার বিরোধীতা করেছেন এখন সংশোধন হয়ে দলে ভাল কাজ করার সুযোগ পাবেন আর যদি না করেন তাহলে তাদের ক্ষতি অপেক্ষা করছে।তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে খুব শক্ত নির্বাচন, নিজেদের মাঝে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি নির্বাচনের সময় কিছু সুসময়ের পাখির আগমন হয়, তাদের সঙ্গে কিছু নেতা কর্মী ঘোরাফেরা করে। কিন্তু অতীতে কোন লাভ হয় নি। এবারো কোন লাভ হবে না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকা মানে দেশের উন্নয়ন হওয়া, দেশ এগিয়ে যাওয়া আর বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় থাকা মানে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হওয়া। দেশের সম্পদ লুটপাট করা, মানুষ হত্যা করা। তিনি বলেন, সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির পক্ষে থাকতে হবে। তাহলে কোনো অপশক্তি মাথাচাঁড়া দিয়ে পারবে না।#

    তানোর প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২শ ১০ পিস  ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

    নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ২শ ১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ইয়াবাসহ আল-মামুন সরদার (২৮) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শনিবার (১৮ মার্চ) গভীর রাতে জেলার নড়াগাতি থানার মহাজন বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
    নড়াইল ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    গ্রেফতার মামুন লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া গ্রামের মৃত-আবু সাঈদ সরদারের ছেলে। এছাড়াও তিনি খুলনা জেলার কয়রা থানায় মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
    ওসি মো.সাজেদুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদ পেয়ে মাদক কারবারি আল-মামুন সরদারকে নড়াগাতি থানার মহাজন বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ২শ ১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
    তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান গোয়েন্দা পুলিশের এই কর্মকর্তা।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ সদরে ১৩৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ফারুক মিয়া গ্রেফতার; ট্রাক জব্দ

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ সদরে ১৩৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ফারুক মিয়া গ্রেফতার; ট্রাক জব্দ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    ১। র‌্যাব-১২ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারসহ নেশার মরণ ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার জন্য র‌্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম অধিনায়ক, র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ১৯ মার্চ ২০২৩ খ্রিঃ ভোর ০৪.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন বনবাড়িয়া মৌজাস্থ ঠাকুরের ট্যাক জনৈক মোঃ মাসুমের চাতালের সামনে পাকা রাস্তার উপর এক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৩৭ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাহার সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি ট্রাক, ২৪ টি ড্রাম এবং ০১ টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ ফারুক মিয়া(৩৫), পিতা-মোঃ আবুল কালাম, সাং-পৈায়া পাথর, থানা-মুরাদনগর, জেলা-কুমিল্লা।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।

    ৪। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ এরশাদুর রহমান

    সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার

    ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার

    সিপিএসসি, সিরাজগঞ্জ,র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২৫৫

  • বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন শাজাহানপুরের কৃতি সন্তান আনোয়ার হোসেন পান্না

    বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন শাজাহানপুরের কৃতি সন্তান আনোয়ার হোসেন পান্না

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    চলতি বছরের বার এসোসিয়েশন পরিক্ষায় ৪৪৫৭২ জন পরিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন। তিন ধাপে পরিক্ষা শেষে পাশ করে ৫৩২৯ জন। পাশের হার ১২% এবং ফেলের হার ৮৮%। বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের কৃতি সন্তান আনোয়ার হোসেন পান্না ২০০৭ সালে নগর শাহ মোজাম্মেল হক উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি ও ২০০৯ সালে বগুড়া সরকারী শাহসুলতান কলেজ হতে এইচ.এস.সি পাশ করে ২০১৪ সালে উচ্চ শিক্ষার জন্য লন্ডন যান এবং ২০১৯ সালে লন্ডন থেকে এল. এল. বি ও এল. এল. এম ডিগ্রী অর্জন শেষে দেশে এসে আইনপেশায় মনোনিবেশ করেন। এবং ২০২২ সালের বার কাউন্সিলের পরিক্ষায় অংশগ্রহন করেন। মোঃ আনোয়ার হোসেন পান্না বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে ১৯৯২ সালে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম দুলাল প্রাং এবং মাতার নাম আসমা বেগম । তিন ভাই বোনের মধ্যে সে মেজো । তার এই সফলতার বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন পান্না সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিলনকে বলেন, প্রথমেই মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে কোটি কোটি শুকরিয়া প্রকাশ করছি এবং আমি আনন্দিত যে এই রকম পেশায় যুক্ত হতে পেরেছি , সারা জীবন অসহায় মানুষের পাশে থেকে ন্যায়ের পক্ষে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আইনগত সহায়তা প্রদান করার আশা ব্যাক্ত করে এবং তার ভবিষৎ জীবনের সফলতা কামনা করে সবার কাছে দোয়া চান তিনি । আমরুল ইউনিয়নে তিনি প্রথম তরুণ আইনজীবি । তার এই সফলতায় এলাকাবাসী উচ্চাসিত এবং আনন্দিত ও গর্বিত ।

  • শৈলকুপার একটি গ্রামের ৭০ পরিবার বাড়ি ছাড়া দেড় বছর

    শৈলকুপার একটি গ্রামের ৭০ পরিবার বাড়ি ছাড়া দেড় বছর

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত দেড় বছর ধরে একটি গ্রামের ৭০টি পরিবারের প্রায় ৩শ মানুষ হয়েছেন বাড়িছাড়া। দখল করে নেওয়া হয়েছে ফসল ও জমাজমি। গ্রামে কেউ ঢুকতে পারছেন না। ফলে অনেকেই মাতব্বরদের হাতে-পায়ে ধরে টাকার বিনিময়ে ফিরেছেন নিজ বসতভিটায়। তবে সামাজিক কোন্দল নিরসনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শান্তি সমাবেশ কোন কাজে আসেনি। ঘটনাটি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার দামুকদিয়া গ্রামে। এলাকাবাসির অভিযোগ, মনোহরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা আরিফ রেজা মন্নু ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলামের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনার জের ধরে ২০২১ সালের জুলাই মাসে মন্নুর সমর্থক দামুকদিয়া গ্রামের উকিল মৃধা খুন হন। এরপর চলে ভাংচুর ও লুটপাট। তার কিছুদিন পরেই ওই ইউনিয়নে হয় ইউপি নির্বাচন। যেখান জাহিদুল ইসলাম আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই শৈলকুপা স্টাইলে মন্নু সমর্থকের উপর চলতে থাকে নির্যাতন। করা হয় গ্রাম ছাড়া। তাদের ফসল ও জমাজমি দখল করে নেওয়া হয়। বর্তমানে এসব জমি দখল করে খাচ্ছেন এলাকার মাতব্বরর ও তাদের সমর্থকরা। আবার অনেকেই গ্রামে থাকতে দামুকদিয়া গ্রামের মাতব্বর রাশেদ, জীবন,বাবু ও পিন্টুকে দিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মনোহরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন এটা আমার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের অপপ্রচার। শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে ভুক্তভোগীরা আমাদের কাছে অভিযোগ দিলে পুলিশ তাদেরকে আইনগত সহায়তা প্রদান ও নিজ বাড়িতে ফিরতে সহায়তা করা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • লোগাং বাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের  বিদায় ও ষষ্ঠ শ্রেনির নবীন বরণ অনুষ্ঠান

    লোগাং বাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও ষষ্ঠ শ্রেনির নবীন বরণ অনুষ্ঠান

    মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং বাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও ষষ্ঠ শ্রেনির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ, লোগাং বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালানাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্ভোধন করা হয়।

    রবিবার (১৯ মার্চ) বেলা ১২টার সময় লোগাং বাজার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে শিক্ষক সুলতান মাহমুদ এর সঞ্চালনায় ও লোগাং বাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি লোকমান হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি ২৯৮ নং আসনের সাসদ সদস্য ও (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) উপজাতীয় শরনার্থী বিষয়ক ট্রাস্কফোর্স এর চেয়ারম্যান কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লোগাং বাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিহির চাকমা।

    এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য এডভোকেট আশুতোষ চাকমা,উপজেলার নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া আফরোজ,উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান চন্দ্র দেব চাকমা,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার দেব,১নং লোগাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয় কুমার চাকমা।

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন অফিসার ইনচার্জ হারুনর রশীদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুল মোমিন, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আবদুল খালেকসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা, অভিভাবকবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    অন্যদিকে লোগাং বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালানাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্ভোধন করা হয়।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের ভ কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পুরস্কার বিতরণ

    ঠাকুরগাঁওয়ের ভ কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পুরস্কার বিতরণ

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলাধীন ভূল্লী থানার অন্তর্গত কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে রবিবার ১৯শে মার্চ-২০২৩ বিকালে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডঃঅরুণাংশু দত্ত টিটো।গেষ্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন,ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভূল্লী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ জুলফিকার আলী,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য রওশনুল হক তুষার, বালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ হাবিবুর রহমান,বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলি ভুট্টাে চৌধুরী,বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর এ আলম সিদ্দিকী মুক্তি, কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন বর্মন,সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আনারুল হক সরকার,জেলা যুবলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক এস এস শাওন চৌধুরী,জেলা কৃষকলীগের সংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু প্রমুখ।

    সে সময় উক্ত অনুষ্ঠানে খেলায় অংশ গ্রহনকারী প্রতিযোগিতায় ১ম,২য় ও ৩য় স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের নিকট পুরস্কার বিতরণ করেন।উক্ত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা দেখতে অসংখ্য জনতা উপস্থিত ছিলেন।এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অরুণাংশু দত্ত টিটো বলেন,এ স্কুল টি অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে,রেজাল্ট ভালো হচ্ছে,বিভিন্ন শিক্ষার্থী ভালো ভালো যায়গায় চান্স পেয়েছে এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমি সার্বিক সহযোগিতা করবো।এ স্কুল টি যেনো ঠাকুরগাঁও জেলার মধ্যে সুনামের সহিত গড়ে উঠতে পারে,ভালো অবস্থান তৈরী করতে পারে,ভবিষ্যতে তাদের শুভকামনা করি।

  • বইয়ের ভেতরে প্রবেশ করে জ্ঞানের রাজ্যে ডুব দিতে হবে – হাবিবুন নাহার

    বইয়ের ভেতরে প্রবেশ করে জ্ঞানের রাজ্যে ডুব দিতে হবে – হাবিবুন নাহার

    বায়জিদ হোসেন, মোংলাঃ
    বর্তমান যুগে তথ্য প্রযুক্তি জ্ঞানে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কম্পিটিশন বেড়ে গেছে। তাই সত্যিকারের জ্ঞান লাভের জন্য যা যা করা দরকার তাই করতে হবে। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে প্রশাসনিক ক্যাডারে মোংলার ছাত্র-ছাত্রীদের জায়গা করে নিতে হবে। মোংলাতে স্কুল অব ফিউচার প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। ১৯ মার্চ রবিবার সকালে মোংলা সরকারি কলেজের আয়োজনে কলেজ অডিটোরিয়ামে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি একথা বলেন।
    রবিবার সকাল ১১ টায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রবীন্দ্র নারায়ণ ভট্টাচার্য্য। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, মোংলা সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ সুনীল কুমার বিশ্বাস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ হাবিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, সরকারি টি এ ফারুক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবু সাইদ খান, মোংলা থানার ওসি তদন্ত বিকাশ চন্দ্র ঘোষ, অধ্যাপক গাজী তৈয়াবুর রহমান, উপাধ্যক্ষ বিভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, অধ্যাপক বিপ্লব কান্তি মজুমদার, অধ্যাপক শামসু মোহাম্মদ ও পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান জসিম। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারি অধ্যাপক মল্লিক অহিদুজ্জামান, ড. অসিত বসু, প্রভাষক কুবের চন্দ্র মন্ডল, প্রভাষক শ্যামা প্রসাদ সেন, প্রভাষক আনোয়ার হোসেন, ড. অপর্ণা অধিকারী, প্রভাষক প্রদীপ অধিকারী, প্রভাষক বিশ্বজিৎ মন্ডল, প্রভাষক মাহবুবুর রহমান, প্রভাষক সাহারা বেগম, প্রভাষক মমতাজ খানম, প্রভাষক নিগার সুলতানা সুমী, প্রভাষক কামাল উদ্দিন, প্রদর্শক সাইদুজ্জামান মিন্টু প্রমূখ। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি আরো বলেন শুধু গোল্ডেন এ প্লাস পেলে হবেনা। বইয়ের ভেতরে প্রবেশ করে জ্ঞানের রাজ্যে ডুব দিতে হবে। টেনে টুনে পাশ করে ছোট খাটো চাকরির প্রতিযোগিতায় অংশ নিলে হবেনা। সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের নবাগত অধ্যক্ষ প্রফেসর রবীন্দ্র নারায়ন ভট্টাচার্য্য। প্রধান অতিথি উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি’র সম্মানে মানপত্র পাঠ করেন শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সাহারা বেগম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রভাষক এস এম মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানে মোংলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে মোংলা সরকারি কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

  • তারাকান্দায় আশ্রয়ন প্রকল্পে পাকা ঘর পাচ্ছে আরো ২১পরিবার

    তারাকান্দায় আশ্রয়ন প্রকল্পে পাকা ঘর পাচ্ছে আরো ২১পরিবার

    ময়মনসিংহ ব্যুরো।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় চতুর্থ পর্যায়ে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলায় আরো ২১জন ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে নতুন ঘর। এসব পরিবার উন্মুখ হয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন নিজেদের ঘরে ওঠার জন্য। ইতোমধ্যে তাদের মধ্যে এক ধরণের উৎসবের আমেজ লক্ষ করা যাচ্ছে।

    মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে সারা দেশে ভূমি ও গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। প্রতিটি ঘরে দুটি শয়নকক্ষ, একটি করে বারান্দা, রান্নাঘর ও বাথরুমসহ নানা সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে। দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না, প্রধানমন্ত্রীর ওই ঘোষণা অনুযায়ী ভূমিহীনদের দুর্যোগ সহনীয় ওই ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। ‘আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ এই স্লোগানে আগামী ২২ মার্চ সকাল ১০টায় সারাদেশে এক যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকারভোগীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করবেন এসব ঘর। সারাদেশের মতো তারাকান্দা উপজেলায়ও এই পর্যায়ে ২১টি ঘর উপকার ভোগীদের মাঝে হস্তান্তরিত হবে।

    এনিয়ে উপজেলায় ১ম,২য়,৩য় ও ৪র্থ পর্যায়ে সর্বমোট ১৫১ টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে স্বপ্নের ঠিকানাভূক্ত হবে।

    গৃহহীন পরিবারগুলো নতুন ঘরে উঠার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সেই সাথে তাদের মধ্যে এক ধরণের উৎসবের আমেজ লক্ষ করা যাচ্ছে।

    ইতিমধ্যে এসব ঘরের নির্মাণ কাজ শেষ। জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তাফিজার রহমান চতুর্থ পর্যায়ে নির্মাণাধীন এসব ঘরের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করাসহ
    ১ম পর্যায়ে,২য় পর্যায় ও তয় পর্যায়ে প্রাপ্ত গৃহহীন পরিবার গুলোর খোজ খবর নিয়ে তাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন। ৪র্থ পর্যায়ে নির্মাণাধীন ঘরগুলোর নির্মাণ কাজের স্বচ্ছতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত নিয়মিত খোজ খবর নিচ্ছেন।

    ইউএনও জানান-১ম পর্যায়ে রামপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে ৩৫ টি, বালিখা ইউনিয়নের মাসকান্দা ৫০টি, ২য় পর্যায়ে ৪০টি, তয় পর্যায়ে ৪০টি, ৪র্থ পর্যায়ে ২১ টি মোট ১৫১ টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত জানান, এই ঘরগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সাথে শতভাগ ডিজাইন, স্পেসিফিকেশন ফলো করে নির্মাণ করা হয়েছে। এই গৃহগুলো হস্তান্তরের মধ্যে দিয়ে তারাকান্দা উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত হবে। নির্মিত ঘরগুলোর মান নিয়ে সকল পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

    তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় উপজেলায় হতদরিদ্র যাদের বসবাসের কোনো ঠিকানা ছিল না, প্রধানমন্ত্রী তাদের স্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছেন। এটা সত্যিই বিস্ময়কর। ঘর পেয়ে ওই মানুষগুলো তাদের ভাগ্যের চাকা নতুনভাবে ঘোরাতে শুরু করেছে। তিনি আরো জানান-মানুষের প্রতি দরদ আর ভালোবাসা থেকেই অসহায় দুস্থদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন উদ্যোগ।

  • হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই যুবলীগ নেতার স্কুল ত্যাগ ব্যবহার করছেন দলের ক্ষমতা

    হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই যুবলীগ নেতার স্কুল ত্যাগ ব্যবহার করছেন দলের ক্ষমতা

    মো.খাইরুল ইসলাম মুন্না,
    বেতাগী বরগুনা প্রতিনিধি

    বেতাগীর বিবিচিনি ইউনিয়নের দেশান্তরকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিএসসি শিক্ষক স্কুলে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই দুই একটি ক্লাস নিয়ে বাড়িতে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মোঃ আব্দুল রহিম তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হওয়াতে ক্ষমতার অপব্যবহার করেই এমনটি করছেন তিনি।

    তিনি ১৮ মার্চ ২০১৩ সালে দেশান্তরকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে যোগদান করে নিয়মিতি স্কুলে আশা যাওয়া করতেন ও ক্লাস নিতেন।

    কিন্তু ১৫ নবেম্বর ২০১৩ সালের পরে বিবিচিনি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পরে ইচ্ছে মতো আসেন স্কুলে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই দুই একটি ক্লাস নিয়ে চলে যান।

    যুবলীগের নেতা হওয়াতে ভয়ে কিছু বলতে পারছেন না স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকরা।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক বলেন তাকে কিছু কলে কি আমরা মাইর খাবো রহিম বিএসসি তো ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমরা দূর থেকে এসে চাকরি করি ভালো থাকতে চাই।

    এবিষয় আব্দুল রহিম এর জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি এমনটি করিনি আমি রাজনীতি করি সেটা ঠিক এর মানে এই নয় যে ক্লাস ফাঁকি দেই।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ভাই কি আর করার তারা তো দল করে তাদের কিছু বললে আমাদের চাকরি করাই দায়।

    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন আপনার মাধ্যমে মুহূর্তে পেয়েছি ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।