Author: desk

  • পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ডোবার পানিতে ডুবে মোস্তাকিন (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    রোববার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের দগড় বাড়ি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

    নিহত শিশু মোস্তাকিন ওই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

    তিরনইহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, নিজ বাড়িতে খেলা করছিল শিশু মোস্তাকিন। এক সময় সবার অজান্তে বাড়ির বাইরে বের হয়ে খেলা করার সময় পাশের ডোবায় পড়ে যায়। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিবারের লোকেরা তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করে। এক পর্যায়ে ডোবার পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় তাকে মৃত উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা।

  • ভুয়া সনদ দেখিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন ও ডিবিসি নিউজে চাকুরী-পর্ব-১

    ভুয়া সনদ দেখিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন ও ডিবিসি নিউজে চাকুরী-পর্ব-১

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    বর্তমানে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সুনামধন্য এবং দেশের প্রথম সারির সংবাদ গণমাধ্যম মিডিয়া প্রতিষ্ঠান দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা ও ডিবিসি নিউজ টেলিভিশনে ভুয়া সনদ দিয়ে সাংবাদিকতার চাকুরী করার অভিযোগ উঠেছে জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি মো.শামিম কাদির নামে এক চাঁদাবাজ হলুদ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে।অনুসন্ধানে তার অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া গেছে।

    জেলার গণমাধ্যম কর্মীদের অনুসন্ধানে জানা গেছে, অভিযুক্ত মো.শামিম কাদির জয়পুরহাট টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট ভোকেশনাল থেকে ২০০৮-ইং সালে সি জি পি এ ৩.৫ নিয়ে উত্তীণ হন। পরে অন্য একটি সিটি কলেজ ইনস্টিটিউট থেকে ২০১০-ইং সালে সি জি পি এ ৩.৪ নিয়ে এইচ এস সি পাশ করেন। তবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি এস এস ২০১৫ সালে ২.৬০ জি পি পেয়ে পাশ দেখালেও তা ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড্রিগ্রি পাশের যে সনদ অফিসে জমা দিয়েছেন তার আইডি নম্বর ০৮০২৩৩৩০৪১ আর সিরিয়াল নাম্বার ১৪১৩৬৬৫। অথচ এই আইডি দিয়ে অনলাইনে দেখা যাচ্ছে সুমাইয়া হায়দার নামে একজন মেয়ে। তার পিতার নাম সুলতান মেহেদী হায়দার, আর মাতার নাম দেওয়া রয়েছে আকলিমা হায়দার। জাতির বিবেকধারী মহৎপেশাকে কলঙ্ক কারী এই ভুয়া ডিগ্রিধারী সাংবাদিক জাতির জন্য কতটা নিরাপদ এমন প্রশ্ন এখন সর্বমহলে। শুধু কি তাই ভুয়া সার্টিফিকেটধারী এই শামীম কাদির নিজেকে বড় দুটি সংবাদ মিডিয়ার সাংবাদিক পরিচয়ে দিয়ে দিনরাত চৌশে বেড়াচ্ছে জয়পুরহাটের সরকারি,বে-সরকারি দপ্তর গুলোসহ জেলার প্রতিটি অলিগলি,মহৎপেশার পরিচয়ে চাঁদাবাজি করে টাকা হাতিয়ে নেয়ায় তার যেন এটা নৃত্যদিনের সঙ্গী।শুধু তাই নয় সে নিজেকে বড় মিডিয়ার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের তোষামোদি করে ভাড়াটিয়া সাংবাদিক হিসেবে চলেন। পাশাপাশি জেলার সকল প্রশাসন মহল,বিভিন্ন দপ্তরসহ জনসাধারণের কাছে জেলার ছোটবড় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়ায় কর্মরত অন্যান্য পেশাজীবী গণমাধ্যম কর্মীদের হেয়ু করে একমাত্র তারই দুটি মিডিয়া ছাড়া দেশের সকল মিডিয়া গুলো তার চোখে মূল্যহীন মিডিয়ার সাংবাদিক বলে সর্বস্তরে সমালোচনা করাও তার একটি পেশা। জেলার অন্যান্য সাংবাদিকদের নামে সমালোচনা করাসহ তার চাঁদাবাজি’তে অতিষ্ঠ বর্তমানে জেলার সর্বমহল।

    এ বিষয়ে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন,শামীম কাদির নামে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন শিক্ষার্থী নেই। সে এক মেয়ের সনদ পত্র জাল করেছে। তিনি আরও বলেন এতে আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুনামক্ষুন্ন হচ্ছে, আমরা দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিব। আইনে বলা আছে যদি কেউ জাল জালিয়াতি করে তবে ৪৬৭ ধারার অধিনে এটি দন্ডনীয় অপরাধ। ধারায় বলা হয়েছে ৪৬৬ ও ৪৬৭ ধারানুযায়ী এ অপরাধে ৭ বছর পযন্ত শাস্তির বিধানও রয়েছে।

    তবে অভিযুক্ত মো.শামীম কাদিরের সঙ্গে জেলার কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীরা কথা বললে তা নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অসত্য বলে দাবি করেছেন।

    শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার জানান, মো.শামীম কাদির নামের ২০১৫ সালের স্নাতক ডিগ্রি পাসের কোন ছাত্রের ওই নামের সিরিয়াল আইডি সঠিক নয়’সে হয়ত জালিয়াতি মাধ্যমে এই সনদ বানিয়েছে৷ মূলত অর্থের বিনিময়ে একটি চক্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছে৷ এটি ভুয়া একটি সনদ৷

    জেলা জুড়ে অতিষ্ঠ এই জালিয়াতিবাজ সাংবাদিক পরিচয় দানকারী মো.শামীম কাদিরের জাল সনদ দেখিয়ে সাংবাদিকতা করার বিষয়টি যখন সর্বমহলে প্রকাশ পেলে জেলার আরও অন্যান্য গণমাধ্যম কর্মীরা তার ব্যবহিত মুঠোফোনে 01716597684 এই নম্বরে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার এই ব্যবহারিক মুঠোফোনের নম্বরটি বন্ধ দেখায়। কে-? এই শামীম কাদির কি তার পরিচয়,কোথা থেকে উত্থানসহ তার বিরুদ্ধে চেক ডিজনার মামলাসহ আরও বিভিন্ন অভিযোগ গুলো দ্বিতীয় পর্বে প্রকাশ করা হবে।

  • ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার ওসিসহ পুলিশের ১১কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার ওসিসহ পুলিশের ১১কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানা এলাকার
    আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন,অস্ত্র, মাদক উদ্ধার, ডাকাতি ও হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়াই পৌঁছে দেয়াসহ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সদর উপজেলায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দসহ একই থানার ১১ পুলিশ কর্মকর্তা পুরস্কৃত হয়েছেন।

    রবিবার (১৯শে মার্চ) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায়
    ফেব্রুয়ারী/২০২৩ মাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন,মাদক,ছিনতাই,ডাকাতি, হত্যাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতারে ভূমিকা রাখায় শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার স্বরূপ তাদেরকে সম্মাননা ক্রেষ্ট ও স্মারক প্রদান করা হয়। সভার সভাপতি জেলা পুলিশ সুপার
    মোহাম্মদ মাছুম আহাম্মদ ভুঞা (পিপিএম) তাদের হাতে সাফল্যের শ্রেষ্ঠতার পুরস্কার তুলে দেন।
    সভায় অভিন্ন মানদন্ডে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসাবে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহ্ কামাল আকন্দ, পিপিএম (বার)। একই সভায় কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন সহ আরো ১১পুলিশ কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটনে ভূমিকা রাখায় পুরস্কৃত হয়েছেন। উপজেলার চুরখাই ডাবল মার্ডারের আসামী গ্রেফতার এবং মামলার রহস্য উদঘাটনে অর্থ পুরস্কার গ্রহন করেন থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন ওয়াজেদ আলী ও তার টিমের সদস্য এসআই (নিঃ) মিঞা মোঃ জোবায়ের খালিদ,কং/১০৬৫ ইমরান হোসেন।
    সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ কনষ্টেবল সাদ্দাম হত্যার রহস্য উদঘাটন করায় জেলা পুলিশ সুপার এর হাত থেকে মাননীয় আইজিপি মহোদয় কর্তৃক প্রদেয় অর্থ পুরস্কার গ্রহন করেন কোতোয়ালি মডেল থানার
    এসআই(নিঃ) নিরুপম নাগ,এসআাই (নিঃ) মোঃ আনোয়ার হোসেন, এএসআই (নিঃ) সুজন চন্দ্র সাহা,
    কং/৪৮৩ জোবায়েদ হোসেন, কং/১৪৬২ মোঃ মিজানুর রহমান। জেলার ওয়ারেন্ট তামিল সহ সার্বিকভাবে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত অফিসার হিসাবে অর্থ পুরস্কার গ্রহন করেন কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই (নিঃ) মোঃ আশিকুল হাসান ও কনষ্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় সন্তোষজনক ডিউটির জন্য অর্থ পুরস্কার গ্রহন করেন কোতোয়ালি মডেল থানার নারী এসআই(নিঃ) শারমিন জাহান শাম্মী,নারী এসআই(নিঃ) অন্তি রানী সরকার।

    এবিষয়ে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ শ্রেষ্ঠ ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দিক-নির্দেশনায় ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় কর্মস্থলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। এই পুরস্কার কাজের ক্ষেত্রে আমিসহ আমার অফিসারদের আরও প্রেরণা জোগাবে। আগামীতেও থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে তিনি সকলের দোয়া,আশির্বাদ ও সহযোগীতা কামনা করেন।

  • ফুলবাড়ীয়ার রঘুনাথপুর হাই স্কুলে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    ফুলবাড়ীয়ার রঘুনাথপুর হাই স্কুলে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধিঃ
    উৎসব মুখর পরিবেশে সুষ্টু ও নিরপেক্ষ দীর্ঘ ৬ বছর পর ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রঘুনাথুপর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
    সরাসরি ভোটে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা রঘুনাথুপর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন হয়েছে। গত শনিবার অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটদানের মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়েছে এ নির্বাচন।
    বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, অভিভাবকদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে শনিবার উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নের রঘুনাথপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়। উক্ত ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে অভিভাবক সদস্য পদে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বনিদ্বতা করেন ।
    এর মধ্যে ৪ জন বিজয়ী হয়েছেন। এদের মধ্যে আব্দুর রহিম ২৪৬ ভোট পেয়ে প্রথম স্থান হন, আবুল কালাম ২৩৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান। কোরবান আলী ২৩৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় ও জালাল উদ্দিন মজুনু ১৬০ ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থান হন । বিনা প্রতিদ্বনিদ্বতা সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন উম্মে কুলসুম ।
    নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোহসিনা বেগম। ভোট গ্রহণে দায়িত্ব ছিলেন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মরতা আনোয়ার হোসেন, মুনসুর আহমেদ, আঃ সামাদ, হাবিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন- বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান, মোহাম্মদ আলী মাস্টার, আলহাজ্ব আবু তাহের মেম্বার, সুলাইমান ইসলাম, সারোয়ার আলম রোকন তরফদার, আপেল, এসআই জাহাঙ্গীর আলম নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল।
    প্রিজাইডিং অফিসার একাডেমিক সুপারভাইজার মোহসিনা বেগম জানান, উৎসব মুখর পরিবেশে সুষ্টু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪৫৮ ভোটারের মধ্যে ৩৯৮ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ।

  • রংপুর বাবুখাঁয় লোটাস ফ্রেন্ডস্ সোসাইটির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    রংপুর বাবুখাঁয় লোটাস ফ্রেন্ডস্ সোসাইটির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    রংপুর থেকে বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। –

    রংপুর মহানগরীর ২২ নং ওয়ার্ডের বাবুখাঁয় লোটাস ফ্রেন্ডস্ সোসাইটি উদ্যোগে গতকাল ১৮ মার্চ সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি গোলাম আজমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
    হাইপারটেনশন এন্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর-এর সহযোগিতায় এবং সিইও আনোয়ার হোসেনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করেন হাইপারটেনশন এন্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর-এর পাবলিক রিলেশন অফিসার, বিশিষ্ট সাংবাদিক আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন।
    মেডিকেল ক্যাম্প-এ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র মহোদয়ের কনিষ্ঠ কন্যা রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এমবিবিএস শেষ বর্ষে অধ্যয়নরত জারিন তাসনিম।
    অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মনির হোসেন মুরাদ, ডাঃ নীলুফা ইয়াসমিন।
    আয়োজনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন লোটাস ফ্রেন্ডস সোসাইটির সভাপতি গোলাম আজম আকাশ, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম মুন্না, কোষাধ্যক্ষ আক্তারুজ্জামান বাবলু, দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম, সদস্য যথাক্রমে শরিফুল ইসলাম, এবাদত হোসেন বরকত, রশিদুল ইসলাম, রেজাউল করিম, রিপন মিয়া, মাহবুব ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম জিয়া, আল আমিন সবুজ। উপস্থিত ছিলেন হাইপারটেনশন এন্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর-এর ক্যাম্পেইন কোর্ডিনেটর জাহাঙ্গীর আলম, পাবলিক রিলেশন অফিসার শরিফ আহমেদ প্রমুখ।
    উল্লেখ্য, লোটাস ফ্রেন্ডস সোসাইটি একটি ন্যায়ভিত্তিক, উন্নয়নমূখী, স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক সংগঠন। শিক্ষা, চিকিৎসা সেবা, স্বাস্থ্য সেবা, ঔষধ বিতরণ, বৃক্ষ রোপণ, মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষা সম্মাননা, এতিম ও দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূখী কার্যক্রমে নিজ উদ্যোগে ভূমিকা রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখছেন। উক্ত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস-এর তিন শতাধিক রোগীর মাঝে চিকিৎসা পরামর্শ বই প্রদান করা হয়।

  • অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দেখিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন শ্রেষ্ঠ থানার শ্রেষ্ঠ ওসি আবুল খায়ের

    অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দেখিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন শ্রেষ্ঠ থানার শ্রেষ্ঠ ওসি আবুল খায়ের

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    পটুয়াখালী জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভায় জেলার শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে মহিপুর থানাকে নির্বাচিত করা হয়েছে।১৯মার্চ রবিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় বেষ্ট পারফরমেন্সের পুরস্কার হিসেবে মহিপুর থানাকে
    পটুয়াখালী জেলার শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দেখিয়ে অভিন্ন মানদণ্ডে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসাবে খোন্দকার মোঃ আবুল খায়ের এর হাতে ক্রেষ্ট এবং সনদ তুলে দেন পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম (বিপিএম পিপিএম)।
    পটুয়াখালী জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসাবে মহিপুর থানার এসআই মোঃ আবু হানিফ ফরাজীকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার হিসেবে শ্রেষ্ঠ এসআই এর হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন পটুয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুল ইসলাম, (বিপিএম, পিপিএম)।
    পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানা এলাকার অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রন সহ সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পর্যটকদের নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত করা সহ বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল, স্পর্শকাতর মামলা সমূহের অগ্রগতি সহ চেকপোস্ট জোড়দার করায় গত ফেব্রুয়ারি মাসের অভিন্ন মানদণ্ডের আলোকে পটুয়াখালী জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে মহিপুর থানাকে নির্বাচিত করা হয়। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আহম্মদ মাঈনুল হাসান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)পটুয়াখালী, সাজেদুল ইসলাম সজল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল)পটুয়াখালী, শাহেদ আহমেদ চৌধুরী সহকারী পুলিশ সুপার (বাউফল সার্কেল) পটুয়াখালী, এম মোরশেদ তোহা সহকারী পুলিশ সুপার (গলাচিপা সার্কেল) পটুয়াখালীসহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ ও অন্যান্য অফিসারগণ।

  • ঢাকা মেডিকেলে চান্স পাওয়ায় মেধাবী শিক্ষার্থী রাতুলকে সংবর্ধনা

    ঢাকা মেডিকেলে চান্স পাওয়ায় মেধাবী শিক্ষার্থী রাতুলকে সংবর্ধনা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা)ঃ ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ১৭৬তম হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি ও এসএসসি পাশ করা দরিদ্র পরিবারের সন্তান মেধাবী শিক্ষার্থী রাতুল হাসানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মেধাবী ওই ছাত্রকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির এবং বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-অ্যাটকোর সভাপতি ও স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু। অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল ওহাব এর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা এবং শেখ রাসেল স্মৃতি ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে পাবনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম. আব্দুর রহিম পাকন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার হাবিবুর রহমান হাবিব,সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, বেড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবু, আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তানভীর ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মনির উদ্দিন আহমেদ মান্না, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক কামরুল হাসান মিন্টু, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক কামরুজ্জামান উজ্জল, সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, জেলা আ.লীগের সদস্য আনিসুজ্জামান দোলন, মোস্তাক আহমেদ আজাদ, জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক আলী মূর্তজা বিশ্বাস সনি, যুগ্ন আহ্বায়ক শিবলী সাদিক, জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি.রুহুল আমিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহাদত হোসেন, সুজানগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান, তাঁতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, ভাঁয়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন, মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ, আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী, সাতবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, জাতসাখিনী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ,মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান,স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক ফজলুল হক চাঁদু, পৌর যুবলীগের সভাপতি জুয়েল রানা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তুষার সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় রাতুলের টেস্ট স্কোর ছিল ৮০ দশমিক ২৫ মেরিট স্কোর ২৮০ দশমিক ২৫ । তার ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল পাবনা মেডিকেল কলেজ। রাতুল হাসান সাধারণ এক দরিদ্র কৃষক পরিবারের সন্তান। কৃষক বাবা সহ পরিবারের সবার মুখ উজ্জ্বল করেছেন তিনি। ছোটবেলা থেকে রাতুলের মেডিকেলে পড়ার স্বপ্ন এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। নিজের চেষ্টায়, পরিবারের সদস্যদের এবং চাচা আনোয়ার হোসেন লিটন ও মামা আব্দুর রাজ্জাক সহ শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় অদম্য মেধাবী এ শিক্ষার্থী নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। কোন বাঁধাই যেন দমিয়ে রাখতে পারেনি প্রত্যন্ত গ্রাম অ লে বেড়ে উঠা রাতুলের শিক্ষা জীবনের পথ চলাকে। অদম্য সেই রাতুল এবার ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। রাতুল পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অ ল বাড়ইপাড়া গ্রামের এক অতি সাধারণ পরিবারের সন্তান। বাবা মো.মনোয়ার হোসেন পেশায় একজন সাধারণ কৃষক ও মা মোছাঃ রেবেকা খাতুন গৃহিনী । দুই ভাইয়ের মধ্যে রাতুল বড়। ছোটবেলা থেকেই তিনি অদম্য মেধাবী ছিলেন। রাতুল বাড়ইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে প ম শ্রেণীতে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। এরপর মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৭ সালে জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। এরপর ২০২০ সালে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাশ করেন। এসএসসি পাশ করার পর পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে ভর্তি হয়ে ২০২২ সালে এইচএসসি পরীক্ষায়ও তিনি জিপিএ-৫ পান। এছাড়া রাতুল শিক্ষাজীবনে সরকারি বৃত্তি সহ বিভিন্ন মেধা নির্বাচনী পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করে। রাতুল বলেন, ঢাকা মেডিকেলে চান্স পাওয়ায় প্রথমেই মহান আল্লাহতায়ালার শুকরিয়া আদায় করছি। ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। আর সেই লক্ষ্যে আমি লেখাপড়া চালিয়ে গিয়েছি। সরকারি মেডিকেলে চান্স পেয়ে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যাতে একজন আদর্শবান ডাক্তার হয়ে নিজ গ্রামসহ আমাদের উপজেলার দরিদ্র অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারি। এছাড়া তিনি আরো বলেন,আমি সাধারণ কৃষক পরিবারের একজন সন্তান হওয়ায় নিজে লেখাপড়ার পাশাপাশি মাঠে বাবার কৃষি কাজেও সহযোগিতা করতাম। মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের বলেন, রাতুল খুবই মেধাবী ছাত্র। সে জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষায় আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল। তার কৃতিত্বে আমরা গর্বিত। এর আগেও প্রত্যন্ত অ লের এ মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা করে মেধাবী ছাত্র সেলিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহ অনেক শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের চান্স পেয়েছিল। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল ওহাব বলেন, রাতুল শুধু তার পরিবার নয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গ্রামবাসীর মুখও উজ্জল করেছে।। তার মা এই বিদ্যালয়েই পড়াশুনা করেছে। এবং বর্তমানে রাতুলের একমাত্র ছোট ভাইও এই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীতে পড়াশুনা করছে । তার শ্রেণী রোল ০১।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • সুজানগরে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

    সুজানগরে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

    এম,এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃপাবনার সুজানগরে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে । সুজানগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ হলরুমে স্থানীয় বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেনের স ালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.শাহিনুজ্জামান শাহীন ও পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান কল্লোল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন, থানার ওসি আব্দুল হান্নান, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সরদার। অনুষ্ঠানে শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, সুজানগর পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা,স্থানীয় আ.লীগ,বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • তেঁতুলিয়ায় অনুমতি না নিয়েই শিলাইকুঠি দাখিল মাদ্রাসার গাছ কর্তন

    তেঁতুলিয়ায় অনুমতি না নিয়েই শিলাইকুঠি দাখিল মাদ্রাসার গাছ কর্তন

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শিলাইকুঠি বালাবাড়ী দাখিল মাদ্রাসা প্রশাসনের কোনো অনুমতি বা টেন্ডার ছাড়াই ১টি কৃষ্ণচূড়া গাছ কর্তনসহ চারটি আম গাছের ডালপালা কেটে ফেলা হয়েছে। মাদ্ররাসা পরিচালনা কমিটি অবৈধভাবে কৃষ্ণচূড়া গাছটি কর্তন পূর্বক বিক্রি করে দিয়েছে বলে জানা গেছে।

    রোববার (১৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের শিলাইকুঠি বালাবাড়ী দাখিল মাদ্রাসায় এই গাছ কর্তন করা হয়।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ কর্তন ও চারটি আম গাছের বড় ডালপালা কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার মাঠ প্রাঙ্গণে ১৫ থেকে ২০ বছর আগে কয়েকটি মেহগনি ও আম গাছসহ এই কৃষ্ণচূড়ার গাছটি লাগানো হয়েছিল। হঠাৎ স্টেইজের কথা বলে মাদ্রাসা কমিটি অপূর্ব সৌন্দর্য্যরে এই গাছটিকে বিলীন করে দিয়েছেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষক বলেন, সামান্য বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করার দরকার নেই। মাদ্রাসার উন্নয়নের স্বার্থে স্টেইজ বানানোর জন্য এই গাছটি কাটা হয়েছে।

    মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ আমিন আলী বলেন, আমরা ভাই মাদ্রাসার স্টেইজ বানানোর জন্য কৃষ্ণচূড়া ফুলের গাছটি দেড় হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। ইউএনও স্যার আমাদের গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছে। বিশেষ করে আমরা কমিটির সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে গাছটি কেটেছি। এতে বন বিভাগের কোন অনুমতি নেয়া হয়নি।

    মাদ্রাসার সুপার বদরুল আলম সরকার বলেন, আমরা রেজুলেশনের মাধ্যমে ও ইউএনও স্যারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে গাছটি কেটেছি।

    উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সওকত হোসেন বলেন, ‘এই বিষয়ে আমার জানা নেই, গাছ গুলো মাদ্রাসার হলে আপনি পত্রিকায় লিখেন। কেন লিখতে বলছেন প্রশ্নে তিনি বলেন, অনিয়ম করলে তাকে ধরতে হবে তাই আপনি পত্রিকায় লিখেন। আমার কাছ হলো শিক্ষা নিয়ে দেখা। এটি প্রশাসন ও বন বিভাগের বিষয়।’

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন- আমি এ বিষয়ে অবগত নয়, কেউ আমার কাছ থেকে অনুমতি নেয়নি। তিনি এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বলবেন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন।

  • তানোর আওয়ামী লীগে বইছে ঐক্যের হাওয়া

    তানোর আওয়ামী লীগে বইছে ঐক্যের হাওয়া

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন পর বইছে ঐক্যর হাওয়া। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবণ করে ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করেছে। এতে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মাঝে বইছে ঐক্যর সু-বাতাস।
    জানা গেছে, স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর নেতৃত্বে ও তৎপরতায় উপজেলা আওয়ামী লীগের নতুন মুখের আদর্শিক নেতৃত্ব উপহার দেয়া হয়েছে। এদিকে নতুন নেতৃত্বের পর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে রাতারাতি হয়েছে নাটকিয় পরিবর্তন ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। নেতাকর্মীরা ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে দীর্ঘদিনের মান-অভিমান ভুলে একে-অপরকে কাছে টানতে শুরু করেছে এতে তাদের মধ্য দীর্ঘদিনের বিরাজমান মান-অভিমান ও ক্ষোভ-অসন্তোষের বরফ গলতে শুরু করেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে, চাওয়া-পাওয়া-না পাওয়াসহ নানা কারণে যেসব নেতাকর্মীরা এতোদিন নিস্ক্রীয় ছিল তারাও এমপির আহবানে সাড়া দিয়ে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে নবউদ্দ্যেমে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে এখানো কিছু রাজনৈতিক বেঈমান আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে তৃণমুল নেতাকর্মীদের বিপদগামী করার অপতৎপরতা করছে।কিন্ত্ত সাংসদ মাঠে নামার পর বেঈমানদের সেই স্বপ্ন উবে গেছে।
    স্থানীয় সাংসদের আহবানে সাড়া দিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল বাসার সুজনপ্রমুখদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে ঐক্যর হাওয়া।
    জানা গেছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-মামুন এমপির বিরোধীতা করে পৃথক বলয় সৃস্টির নামে দায়িত্বশীল পদে থেকেও তারা সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কোনো ভুমিকা তো রাখেইনি বরং জামায়াত-বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়নে সৃস্টি করেছিল দলীয়কোন্দল, সাংগঠনিক অবস্থা ছিল নাজুক, ভেঙ্গে পড়েছিল চেইন অব কমান্ড, বিরাজ করছিল হ-য-ব-র-ল অবস্থা। তাদের এসব সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের অভিযোগে তৃণমুলের দাবির মুখে কাউন্সিলে মাইনুল ইসলাম স্বপনকে সভাপতি ও প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকারকে সম্পাদক করে নতুন নেতৃত্ব দেয়া হয়। এদিকে স্থানীয় সাংসদের আহবানে সাড়া দিয়ে আগামী সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন কমিটি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কর্মকান্ড জোরদার, নিস্ক্রীয়দের সক্রীয় এবং সাংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন পহেলা আগস্ট-২০২২ থেকে বছরব্যাপী কর্মসুচি ঘোষণা করেছে। ওদিকে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ায় দলের কোন্দল নিরসণ হয়েছে, বেড়েছে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতা, গতিশীল হয়েছে, সাংগঠনিক কর্মকান্ড। ইতপুর্বে, তাদের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের জনসভায় তেমন লোক সমাগম হতো না, অথচ এমপির নেতৃত্বে এখন ওয়ার্ড কমিটির কর্মীসভা জনসভায় রুপ নিচ্ছে সৃস্টি হয়েছে গণজোয়ার। এতেই প্রমাণ হয় আওয়ামী লীগে কোনো সাংগঠনিক দুর্বলতা ছিল না বরং রাব্বানী-মামুন নেতৃত্বে থেকেও বিরোধী পক্ষের কাছে থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়ে দলকে বিকিয়ে দিয়েছিল। এদিকে স্থানীয় সাংসদের আহবানে দলকে আরো বেশী শক্তিশালী ও সাংগঠনিক কর্মকান্ড গতিশীল করতে নানা কর্মসুচি হাতে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। তানোরের দুটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়নে (ইউপি) শোকাবহ আগষ্ট মাস জুড়েই ছিল নানা কর্মসুচি।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশে করোনা ভাইরাস শনাক্তের পর থেকে জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় সকল সাংগঠনিক কর্মসুচি স্থগিত রেখেছিল আওয়ামী লীগ। তবে পহেলা আগস্ট-২০২২ থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় প্রতিদিনই নানা কর্মসুচি আয়োজন করা হচ্ছে। সীমিত পরিসরে হলেও এসব কর্মসুচিতে উপাজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার পাশাপাশি কর্মসুচিতে ভাল উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্যর সৃস্টি হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনকে ঘষেমেঝে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার লক্ষ্য এসব কর্মসুচি ঘোষণা করা হয়েছে। এসব কর্মসুচির মধ্যে রয়েছে, প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা কমিটির বিশেষ বর্ধিত সভা আয়োজন। এসব কর্মসুচিতে সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও বিশিস্ট ব্যবসায়ী আবুল বাসার সুজন প্রমুখগণ উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন বলেন, এমপি মহোদয়ের আহবানে দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড জোরদার করতে পহেলা আগস্ট থেকে বছরব্যাপী কর্মসুচি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন তাদের মুল লক্ষ্য দলকে সাংগঠনিক ভাবে আরো বেশী শক্তিশালী করা। উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, আমরা একই পরিবারের সদস্য আমাদের মাঝে কোনো মতবিরোধ নাই আমাদের সকলের চাওয়া একটা। আগামী দিনেও জাতীয় রাজনীতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ফের সরকার প্রধান এবং স্থানীয় রাজনীতিতে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে এমপি নির্বাচিত করা। এবিষয়ে আবুল বাসার সুজন বলেন, জাতীয় রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নাই, তেমনি স্থানীয় রাজনীতিতে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির কোনো বিকল্প নাই। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে কোনো বিভাজন নাই, তিনি বলেন, তারা সকলে এক পরিবারের সদস্য তাদের অভিভাবক স্থানীয় সাংসদ। তিনি বলেন, একটি বিশেষ মহল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এখানো অপপ্রচার করছে।#