Author: desk

  • হবিগঞ্জে গৃহ হস্তান্তর উপলক্ষে জেলা  প্রশাসনের প্রেসব্রিফিং

    হবিগঞ্জে গৃহ হস্তান্তর উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রেসব্রিফিং

    সৈয়দ মশিউর রহমান হবিগঞ্জ।।
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক তৃতীয় পর্যায়ের অবশিষ্ট ও ৪র্থ পর্যায়ের জমিসহ গৃহ হস্তান্তর উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের প্রেসব্রিফিং অনুষ্টিত হয়েছে। সোমবার ২০ মার্চ দুপুর ৩:৩০ মিনিট জেনারেল প্রশাসক সম্মেলন কনফারেন্স রুমে এ প্রেসব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রিয়াঙ্কা পাল এর সভাপতিত্বে ও আর ডিসি কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় প্রেসব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাশ সাগর, টিভি জার্নালিস্ট সভাপতি আব্দুল হালিম, সাবেক সভাপতি এডভোকেট রুহুল আমিন শরিফ, বিটিভি ক্যামেরাম্যান সৈয়দ সালিক, সাংবাদিক শরিফ চৌধুরী, সৈয়দ মশিউর রহমান, আজারুল ইসলাম মুরাদ, মীর কাদির প্রমুখ।

    প্রেসব্রিফংয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রিয়াঙ্কা পাল জানান আগামী ২২ মার্চ হবিগঞ্জ সদর ৭৫ টি এর মধ্যে ৪র্থ পর্যায়ে ২৯টি লাখাই ৩৫ টি, শায়েস্তাগঞ্জ ১২০টি এর মধ্যে ৭২ টি, নবীগঞ্জ ২৭০ টি, আজমিরীগঞ্জ ১৩০ টি, বানিয়াচং ১৭৭ টি, চুনারুঘাট ৯৭ টি, মাধবপুর ১০৯ টির মধ্যে ৩ টি,
    বাহুবল স্নানঘাট দফে মুদাফরপুর মৌজায় ৩৫ টি, সাতকাপন ইউনিয়নের হরহরিয়া মৌজার ৩৭টি, লামাতাশি ইউনিয়নের ধুনিয়াখালি মৌজার ২৫টি ও মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর মৌজায় ৪০ টি ঘর সহ মোট ১৩৭টি ঘর-ক, শ্রেনীর ভুমিহীনদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে।

  • আগৈলঝাড়ায় ৪০ টি গৃহহীন পরিবারকে ঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী

    আগৈলঝাড়ায় ৪০ টি গৃহহীন পরিবারকে ঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    আগামী ২২ মার্চ বুধবার সারা দেশের সাথে একযোগে স্থায়ী ঠিকানা পাচ্ছেন বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৃহহীনরা। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে চতুর্থ পর্যায়ের প্রথম ধাপে ৪০ টি গৃহহীন পরিবারকে জমি সহ ঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গৃহহীন দের ঘর দেয়ার বঙ্গবন্ধুর ইচ্ছা পূরণ করছে আওয়ামীলীগ সরকার। মুজিব বর্ষের আয়োজন সার্থক করতে নেয়া হয়েছে এই উদ্যোগ। এদিকে প্রকৃত গৃহহীন রাই যাতে এই ঘরে ঠাই পান সে লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যাচাই-বাছাই করা হয়েছে কয়েক ধাপে। প্রকল্পটি সরাসরি তদারক ও বাস্তবায়ন করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সূত্র জানায়, ২০২০ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছিলেন, মুজিব বর্ষে দেশে কোন মানুষ গৃহহীন থাকবে না। সরকার সব ভূমিহীন এবং গৃহীন মানুষকে ঘর তৈরি করে দেবে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি প্রকল্প, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায় গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন প্রকল্প ২। তবে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভাগ ও সংস্থা যৌথভাবে গৃহীনদের জন্য নেওয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকরা মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পের অগ্রগতি তদারকি করছেন। ইতিমধ্যে এসব প্রকল্পের অনেক বাড়িঘর সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আবার অনেক বাড়ি হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এদিকে আগৈলঝাড়ায় ভূমিহীন এবং গৃহহীন পরিবারকে মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর দেওয়ায় অনেক খুশি তারা। গৃহহীনরা জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা মাথা গোজার ঠাই করে দিয়েছেন। জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত এখানে কাটিয়ে দিতে পারব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে অনেক ধন্যবাদ। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন জানান, উপজেলা ব্যাপী চতুর্থ পর্যায়ে প্রথম ধাপে ৪০ টি পরিবারকে ঘর দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে আশ্রয়ন ২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহীনদের জন্য সরকারি জায়গায় এই ঘর করা হয়েছে। আশ্রয়ন ২ প্রকল্পের অধীন ভূমিহীন ও গৃহীন পরিবারের জন্য দুই কক্ষ এক বারান্দা বাথরুম রান্নাঘর বিশিষ্ট সেমি পাকা ঘর, প্রকল্পের কবুলিয়াত ও দলিল, নামজারি খতিয়ান সনদপত্র সহ আগামী ২২ মার্চ বুধবার সারাদেশের সাথে একযোগে আগৈলঝাড়া উপজেলার ৪০টি পরিবারকে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হবে। এই উপলক্ষে আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রেস কনফারেন্স আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসেন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এইচ এম মাসুম,সহ সাধারণ সম্পাদক বিকাশ রায়,সহ অন্যান্য সাংবাদিক বৃন্দ।

  • ধন্যবাদ জানাচ্ছি মুন্সীগঞ্জের ডিসি মহোদয়কে, ব্যারিস্টার সুমন

    ধন্যবাদ জানাচ্ছি মুন্সীগঞ্জের ডিসি মহোদয়কে, ব্যারিস্টার সুমন

    মোঃ‌লিটন মাহমুদ মুন্সীগঞ্জঃ
    খেলা ছিলো মুন্সীগঞ্জ স্টেডিয়ামে। সেই খেলা আজ সোনারং স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজকে কোনভাবেই আমার খেলতে পারার কথা না। ধন্যবাদ জানাচ্ছি ডিসি মহোদয়কে। অন্ততপক্ষে তিনি যে এই সোনারং মাঠে খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন। রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় সোনারং মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুন্সীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি বনাম ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমীর মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলা শেষে ব্যারিস্টার সাইয়েদুল হক সুমন এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আমার অপরাধ কি? আমার অপরাধ হলো আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলি। আজকের খেলায় কে হারছে বা জিতেছে সেটি বড় বিষয় নয়। বড় বিষয় হলো আজকে মুন্সীগঞ্জে এসে আপনাদের সাথে আত্বীয় করতে পেরেছি। যারা এই মাঠে খেলতে দিয়েছেন তাদেরকে বলি আপনারা এসে দেখে যান সাধারণ মানুষের ভালোবাসার কোন কমতি নেই। যারা খেলা দেখতে এসেছেন তারাই খেলার প্রকৃত যোদ্ধা। এদেরকে আটকাইতে পারবে না। আর এই ভালোবাসাই ফুটবল খেলা উন্নয়নের জন্য যতেষ্ঠ। আমি ঘাম ঝরাই। ঐক্য গড়াই। আর এই মাটির মানুষের জন্য ঐক্য করাই এটাই আমার অপরাধ। এছাড়াও ধন্যবাদ জানাই মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্জ মোঃ মহিউদ্দিনকে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে। এছাড়াও ধন্যবাদ জানাই আমাদের সংসদের আইন প্রনেতা মাননীয় এমপি মৃনাল কান্তি দাসকে। ধন্যবাদ জানাই আক্কাস ভাইকে। তার সাহসি ভূমিকার কারণেই এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেই যাবো। মুন্সীগঞ্জ রিপোটার্স ইউনিটি ও ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমীর মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি (১-১) গোলে ড্র হয়। খেলাটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন রেনেসা ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আক্কাস আলী। হাজার হাজার দর্শকের সমাগমে অনুষ্ঠিত এ খেলাটিতে ব্যারিস্টার সুমন অংশগ্রহণ করেন। মুন্সীগঞ্জ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শকরা এ খেলা দেখার জন্য ভীড় জমান। উত্তেজনাপূর্ণ খেলা প্রথমার্ধে (০-০) গোলে উভয় দল মাঠ ত্যাগ করেন। বিরতীর পর প্রথমে মুন্সীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি (১-০) গোলে এগিয়ে থাকে। কিছুসময় পর ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমী (১-১) গোলে সমতা ফিরিয়ে আনে। আক্রমন ও পাল্টা আক্রমনের মধ্যে উভয় দলের খেলা সমাপ্ত হয়। খেলা শেষে ব্যারিস্টার সুমনের ফেসবুক ফ্যান ফলোয়াররা সেলফি তোলেন।

  • ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছে আরো ৫৩৯টি পরিবার,উদ্বোধনের অপেক্ষায়

    ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছে আরো ৫৩৯টি পরিবার,উদ্বোধনের অপেক্ষায়

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    আগামী বুধবার (২২ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১০টায় ৫৩৯টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের হাতে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান সোমবার দুপুরে তার সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানান।

    এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১১৪টি, মুক্তাগাছা উপজেলায় ১৭৪টি, ত্রিশাল উপজেলায় ৩৩টি, গফরগাঁও উপজেলায় ১০টি, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় ৬১টি,গৌরীপুর উপজেলায় ২১টি,তারাকান্দা উপজেলায় ২১ টি, হালুয়াঘাট উপজেলায় ১৮টি, ধোবাউরা উপজেলায় ৮৭টি পরিবারের মাঝে জমিসহ ঘর হস্তান্তর করা হবে।

    জেলা প্রশাসক বলেন, ময়মনসিংহ জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের পুনর্বাসনের কাজ সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। চতুর্থ পর্যায়ে প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা।

    প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয়, ক’শ্রেণির পরিবার যার জমি ও ঘর কিছুই নেই এমন ভূমিহীন-গৃহহীন, ছিন্নমূল ও অসহায় দরিদ্র পরিবার এবং খ শ্রেণির পরিবার যার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ জমির সংস্থান আছে, কিন্তু ঘর নেই এমন পরিবার। ক’ শ্রেণির পরিবারের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি নিষ্কণ্টক খাস জমি, সরকারিভাবে ক্রয়কৃত জমি, সরকারের অনুকূলে কারো দানকৃত জমি অথবা রিজিউমকৃত জমিতে ভূমিহীন-গৃহহীনদের ২শতক জমিসহ সেমিপাকা একক গৃহ প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হচ্ছে।

    আরো জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২;প্রকল্পের আওতায় ময়মনসিংহ জেলার উপজেলা টাঙ্কফোর্স কমিটি ও যৌথ সভার মাধ্যমে এ পর্যন্ত মোট ৪১৮৯টি পরিবারকে ক’ শ্রেণীর ভূমিহীন ও গৃহহীণ পরিবার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।তন্মধ্যে ১ম পর্যায়ে ১৩০৫টি,২য় পর্যায়ে ৬৪৫টি,৩য় পর্যায়ে (১ম ধাপ) ৮৪০ গৃহ নির্মাণের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ২৭৯০ টি ক’ শ্রেণীর ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার কে পুণর্বাসন করা হয়েছে। ৪র্থ পর্যায়ে বরাদ্দকৃত ১৩৩৪ টি গৃহের মধ্যে ৫৩৯ টি ঘরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ৭৯৫ টি পরিবারকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে গৃহ প্রদানের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হবে।

    আগামী ২২শে মার্চ বুধবার সারাদেশের ন্যায় ক’শ্রেণীর ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে সদর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ পর্যায়ে প্রথম ধাপে ৫৩৯ টি পরিবারের নিকট গৃহ হস্তান্তর করবেন।একই সাথে উপকারভোগী পরিবারের নিকট জমির কবুলিয়ত দলিল ও খতিয়ান প্রদান করা হবে। এর আগে ফুলবাড়িয়া,ফুলপুর, ভালুকা,নান্দাইল এই ৪টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত’ ঘোষণা হয়েছে। এবার ত্রিশাল,গৌরীপুর, তারাকান্দা এই তিনটি উপজেলাকে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত’ ঘোষণা হবে বলেও জানান তিনি।

    আগামী ২২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুষ্ঠানকে সফল করতে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান।

    অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( রাজস্ব) বলেন, ঘরগুলো এখন শুধু হস্তান্তরের অপেক্ষায়। ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ সব সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান- ঘর গুলো যেন মজবুত এবং টেকসই হয় সেই লক্ষ্যে এবারের ঘর গুলোর ফাটল ঠেকাতে উন্নত মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রতিনিয়তই ঘরগুলো নির্মাণ কাজ তদারকি করা হচ্ছে।

    প্রেস ব্রিফিং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: পারভেজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( শিক্ষা ও আইসিটি) মো: মেহেদী হাসান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর,দিলরুবা ইসলাম জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মনোরঞ্জন বর্মনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মধ্যনগর স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও মাসিক আইন শৃঙ্খলা,সন্ত্রাস নিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    মধ্যনগর স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও মাসিক আইন শৃঙ্খলা,সন্ত্রাস নিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    ধর্মপাশা ও মধ্যনগর প্রতিনিধি:
    ২০মার্চ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার থেকে আলাদাভাবে সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যবৃন্ধ প্রশাসনিক,বিজিবি,গনমাধ্যম,রাজনৈতিক,ধর্মীয়,ব্যাবসায়ী,শিক্ষানুরাগী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ২৫মার্চ শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্বলন,২৬মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের সূর্যোদয়ের সাথে সকল সরকারি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে পতাকা উত্তোল,৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা,মধ্যনগর বিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    এসময় বক্তব্য সহ উপস্থিত ছিলেন মধ্যনগর মধ্যনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাহিদুল হক,বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম,বাঙ্গালভিটা বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার মোঃজাফর হাসান,মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সঞ্জীব রনজন তালুকদার টিটু, আওয়ামী সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোবারক হোসেন,কুতুবউদ্দিন তালুকদার, বাজার সভাপতি অমরেশ রায় চৌধুরী,অধ্যক্ষ বিজন কুমার তালুকদার,প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম,যুবলীগ সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, প্রেসক্লাব সভাপতি আতিক ফারুকী,সোনালী ব্যাংক সহকারী ম্যানেজার রাজীব দেবনাথ,পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দেবল কিরণ তালুকদার প্রমূখ।

    শান্ত তালুকদার
    ধর্মপাশা ও মধ্যনগর।

  • ধর্মপাশায় পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    ধর্মপাশায় পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

    ধর্মপাশা ও মধ্যনগর প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদ হলরুমে সোমবার দুপুরে উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এর আয়োজন করে। ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শীতেষ চন্দ্র সরকার এই সভায় সভাপতিত্ব করেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মুসতানশির বিল্লাহ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন, ধর্মপাশা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুবায়ের পাশা হিমু, জয়শ্রী ইউপি চেয়ারম্যান সঞ্জয় রায় চৌধুরী, সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন,ধর্মপাশা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ইসহাক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক, এম এম এ রেজা পহেল, বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ডভিশন বাংলাদেশের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক সাগর জন কস্তা প্রমুখ।##

    শান্ত তালুকদার
    ধর্মপাশা ও মধ্যনগর।

  • ময়মনসিংহে  সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের জন্মদিন পালন করেছে জাপা

    ময়মনসিংহে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের জন্মদিন পালন করেছে জাপা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহে নানা আয়োজনে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিকৃর্তিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে দলের নেতাকর্মীরা। সোমবার (২০ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির বাসভবনস্থ ময়মনসিংহের জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্ত আস্থাভাজন আব্দুল আউয়াল সেলিম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন-জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির হোসেন বিল্লাল,শাহজাহান,সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার,সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন,যুগ্ম আহবায়ক মকবুল হোসেন,রমজান আলী,লিটন মিয়া,মহিলা জাপা নেত্রী রেখা রাণী সরকার,ইউপি সদস্য আসমা খাতুন, ইসমতসরা মীরা মেম্বার, জাতীয় যু সমাজ নেতা জালাল উদ্দিন প্রমুখ।

    এ সময় মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্ত আস্থাভাজন আব্দুল আউয়াল সেলিম
    বলেন, নয় বছরের শাসনামলে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সারা দেশে উন্নয়নের বীজ বপন করে গেছেন। ৬৮ হাজার গ্রাম বাংলার মানুষের জন্য তিনি কাজ করেছেন। নিভৃত পল্লী থেকে শহরতলিতে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। তিনি নাম ফলকের রাজনীতি করেননি। এ কারণে দেশের মানুষের হৃদয়ে তার স্থান হয়েছিল।

    আলোচনা সভার আগে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিকৃর্তিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা ও মহানগর ও সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতারা। এ ছাড়া দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকেও দলের প্রতিষ্ঠাতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে আলোচনা সভা শেষে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    এ ছাড়াও জাতীয় পার্টির বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • চট্টগ্রাম মহানগর বিচার বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘মত বিনিময় সভায়, সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়

    চট্টগ্রাম মহানগর বিচার বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘মত বিনিময় সভায়, সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    চট্টগ্রাম মহানগর বিচার বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘মত বিনিময় সভা ২০২৩’ এ মান্যবর সিএমপি কমিশনার জনাব কৃষ্ণ পদ রায়, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) মহোদয়ের যোগদান।

    চট্টগ্রাম মহানগর বিচার বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘মত বিনিময় সভায় ড. বেগম জেবুননেছা, বিজ্ঞ মহানগর দায়রা জজ, চট্টগ্রাম মহোদয়ের সভাপতিত্বে মহানগর দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব মোঃ কামরুল হোসেন মোল্লা, দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় বিচারপতি, মনিটরিং কমিটি ফর সাবঅর্ডিনেট কোর্টস, চট্টগ্রাম বিভাগ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ, ঢাকা মহোদয়।

    অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মান্যবর পুলিশ কমিশনার জনাব কৃষ্ণ পদ রায়, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) মহোদয়।

    এসময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, পিপিএম-বার, উপ-পুলিশ কমিশনার, দক্ষিণ বিভাগ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ মহোদয়।

  • এক রাতেই সাতটি গরু চুরি

    এক রাতেই সাতটি গরু চুরি

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়;
    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে এক রাতেই সাতটি গরু চুরি হয়েছে। গত শনিবার (১৮ মার্চ) উপজেলার দন্ডপাল ইউনিয়নের মৌমারি এলাকার ফরিদুল ইসলামের বাড়ি থেকে এই চুরির ঘটনা ঘটে।

    চুরি হওয়া গরুর মালিক জানান, অন্য দিনের মতো রাত ১০ টায় তারা ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে দেখেন গোয়াল ঘরের তালা ভাঙা এবং ঘরে কোন গরু নেই। চুরি হওয়া সাতটি গরুর আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ টাকা।

    গরুর মালিক জানান, সকালেই তিনি বিষয়টি জানাতে দেবীগঞ্জ থানায় গেলে ডিউটি অফিসার চুরির বর্ণনা শুনে নাম ঠিকানা লিখে নেন। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ তদন্ত করতে আসেননি।

    এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জামাল হোসেন বলেন, চুরির বিষয়টি শুনেছি তবে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি উপজেলা জুড়ে শতাধিক গরু চুরির ঘটনা ঘটলে গরু চুরির ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশি তদন্তে ধীর গতির কারণে অধরাই থাকছে গরু চুরির মামলা ।

  • নড়াইলে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ের ধারনা দিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া

    নড়াইলে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ের ধারনা দিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    ‘নড়াইলে বিশ্ববিদ্যলয় স্থাপনের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক মতবিনিময়
    সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের মাল্টিপারপাস হলে
    রবিবার দূপুরে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ
    বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রবিউল ইসলামের
    সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজের
    অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ শাহানারা বেগম, সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের উপাধ্যক্ষ
    প্রফেসর খান শাহাবুদ্দিন, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    নড়াইলে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সম্ভাব্যতা নিয়ে ধারণাপত্র পাঠ করেন
    প্রধান অতিথি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া। তিনি জানান,
    মুজিব-ইন্দিরা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে ইতোমধ্যে ভারত-বাংলাদেশের
    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
    নেতৃত্বে নড়াইলে মুজিব-ইন্দিরা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে স্মার্ট
    বাংলাদেশ বিনির্মানে দেশের শিক্ষা খাত আরো একধাপ এগিয়ে যাবে।