Author: desk

  • তারাগঞ্জের একটি সোয়েটার্স কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    তারাগঞ্জের একটি সোয়েটার্স কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধঃ
    রংপুরের তারাগঞ্জের একটি সোয়েটার্স কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কারখানার ১৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    গতকাল রবিবার দিবাগত রাত ২.৩০ টার সময় হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের নতুন মাদ্রাসা মোড় এলাকায় অবস্থিত এআরটি সোয়েটার্স লিমিটেডের কারখানায় আগুন লাগে। কারখানার লোকজন আগুন দেখতে পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

    এআরটি সোয়েটার্স লিমিটেডের মালিক পক্ষের রহমত আলী ও হাবিব জানান, রাতে আগুন কিভাবে যে লাগল তা আমরা বুঝতে পারছিনা এখনও। আমাদের কারখানার সবকিছুই পুড়ে গেছে। বিভিন্ন কালারের সুতা, ওভারলক মেশিন , লিংকিং মেশিন, রোলিং মেশিন, নিটিং টু লিংকিং মেশিন, জেনারেটর, টিনের ঘরসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুমারেশ রায়৷

  • তারাগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে ভূমিসহ ঘর হস্তান্তরের লক্ষ্যে প্রেস ব্রিফিং

    তারাগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে ভূমিসহ ঘর হস্তান্তরের লক্ষ্যে প্রেস ব্রিফিং

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে নির্মিত জমিসহ ঘর প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে তারাগঞ্জে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সোমবার (২০ মার্চ) বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ওই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

    রংপুরের তারাগঞ্জে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ওই প্রেস ব্রিফিং করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেল মিয়া। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলাভাইস চেয়ারম্যান সাবিনা ইয়াসমিন ও বায়েজিদ বোস্তামি, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফরিদা সুলতানা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)মোঃ আলতাফ হোসেন। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • শ্রমিকদের রেশন কার্ড চালুর দাবিতে বিএল এফ’র প্রতিবাদ সভা

    শ্রমিকদের রেশন কার্ড চালুর দাবিতে বিএল এফ’র প্রতিবাদ সভা

    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন (বিএলএফ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুব কমিটির উদ্যোগে, আসন্ন পবিত্র মাহে রমজানে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ, ঈদুল ফিতরের পূর্বে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস প্রদান, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের সাথে শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি সমন্বয়, শ্রমিক বৈষম্য দূর করা, নিয়োগপত্র প্রদান, শ্রমিক রেশন কার্ড চালু এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সোমবার (২০শে মার্চ ২০২৩ইং) তারিখ রাত ৮:০০ ঘটিকায় নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন নাসিরাবাদ ওমরগণি প্লাজায় সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এসব কর্মসূচি পালন করেন, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন (বিএলএফ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুব কমিটির নেতৃবৃন্দ।

    বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন (বিএলএফ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুব কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আমির হোসেনের সভাপতিত্ব এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সোবহান সুমনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন (বিএল এফ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ আলী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন বিএলএফ’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার ভূঁইয়া,বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন বিএলএফ চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো.মাঈন উদ্দিন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলা সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো.ফারুক হোসেন,চট্টগ্রাম পিকআপ সিএনজি টেম্পু ও পণ্য পরিবহন মালিক চালক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা এবং প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন (বিএলএফ) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও শ্রম আদালত-২ এর সদস্য আবু আহমেদ মিয়া।

    প্রধান বক্তা, আবু আহমেদ মিয়া বলেন, বছরের ১১ মাস মালিকের জন্য শ্রম দিলেও বন্দর নগরী চট্টগ্রামের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদেরকে রোজার মাসে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয়। রোজা এলেই ছাঁটাই আতঙ্কে থাকেন বিভিন্ন পেশার শ্রমিকরা। বাংলাদেশের শ্রম পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকার সম্প্রতি শ্রম আইন সংশোধন করলেও আইনের বিধানাবলী সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, এর বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা এখনো দেখি বিনা নোটিশে আমাদের শ্রমিকদের চাকুরিচ্যুত করা হচ্ছে। বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে শ্রমিকদের হামলা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। এ অবস্থায় চলতে থাকলে সরকার যে উদ্দেশ্যে শ্রম আইন সংশোধন করেছে, তা বাস্তবায়ন হবে না। এতে করে শ্রম বাজারে অস্থিরতা লেগেই থাকবে। তাই মালিক পক্ষ থেকে শুরু করে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোকে শ্রম আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সঠিক তদারকি প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

    প্রতিবাদ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন (বিএলএফ) চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম- সম্পাদক সামসুল ইসলাম আরজু, ইয়াসিন মিয়াজী, কাজী জাহাঙ্গীর, জিয়া উদ্দিন রানা, মিজানুর রহমান, মাইন উদ্দিন তাপস, জাকির হোসেন, বেলায়েত হোসেন, শফিক, গোলাম শাহরিয়ার, আতাউল গণি উসমান ও সোহাগ প্রমুখ।

  • নলছিটিতে ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের উদ্বোধন

    নলছিটিতে ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের উদ্বোধন

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পথচলা শুরু হয়।

    নলছিটি পৌর এলাকার হাসপাতাল সড়কে তিনতলা বিশিষ্ট এ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সকল ধরনের আধুনিক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। থাকবেন বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার।

    এ ব্যাপারে ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের পরিচালনা পর্যদের সভাপতি মো. নাসির খান বলেণ,আমরা কম খরচে উপজেলার সাধারণত মানুষদের ভালো সেবা নিশ্চিত করতে চাই। আমাদের প্রথম লক্ষই থাকবে ভালো সেবার মাধ্যমে মানুষের মনে স্থান করে নেওয়া।

    দোয়া মোনাজাতে সেবা ক্লিনিকের অংশীদার খান মনিরুজ্জামান বিপ্লব,রিয়াজ পেয়াদা,বেল্লাল মৃধা, স্থানীয় বাসিন্দা আলো চৌধুরী, ব্যবসায়ী শাহাদৎ ফকিরসহ অসংখ্য মানুষজন অংশ নেন। পরিচালনায় ছিলেন হাইস্কুল জামে মসজিদের ইমাম মুফতি হানযালা।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।

    ঠাকুরগাঁওয়পর পীরগঞ্জ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরণ ও সাহিত্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১৯ মার্চ)২০২৩ ইং সকাল থেকে বিকাল পর্যুন্ত এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে উক্ত অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয।

    অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের উপনির্বাচের এমপি মোঃ হাফিজ উদ্দিন আহমেদ,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার নাজির, পীরগঞ্জ সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ কামরুল হাসান প্রমুখ।

    উক্ত অনুষ্ঠানে পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি,বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।তবে অনুষ্ঠানে কলেজের ছাত্রছাত্রী সংখ্যা কম ছিল।

  • ময়মনসিংহ সদরে ঘর পাবে আরো ১১৪ভূমিহীণ ও গৃহহীন পরিবার,সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও

    ময়মনসিংহ সদরে ঘর পাবে আরো ১১৪ভূমিহীণ ও গৃহহীন পরিবার,সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেতে যাচ্ছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আরো ১১৪টি পরিবার। আগামী ২২ মার্চ সারাদেশে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘরের চাবি হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার দুপুর ১২টায় উপজেলা প্রশাসনের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম

    তিনি জানান, উপজেলার ৯টি স্পটে ১১৪টি পরিবারকে জমিসহ গৃহ প্রদান করা হবে।যার নির্মাণ ব্যয় হবে। সব গুলো পরিবারের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা।

    ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে গৃহ হস্তান্তর কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন প্রধানমন্ত্রী।

    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে এর আগেও ৪৪৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদান করা হয়েছে। ২২শে মার্চ আরো ১১৪ টি পরিবার কে গৃহ প্রদান করা হবে। এ নিয়েমোট ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের অনুকূলে এই পর্যন্ত মোট ৫ শত ৫৯টি গৃহ নির্মাণের বরাদ্দ হয়েছে।

    সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড এইচ এম ইবনে মিজান জানান-প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২;প্রকল্পের আওতায় ময়মনসিং সদর উপজেলার উপজেলা টাঙ্কফোর্স কমিটি ও যৌথ সভার মাধ্যমে এ পর্যন্ত মোট ৮০০টি পরিবারকে ক’ শ্রেণীর ভূমিহীন ও গৃহহীণ পরিবার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।তন্মধ্যে ১ম পর্যায়ে ২৫০টি,২য় পর্যায়ে ৭৫টি,৩য় পর্যায়ে (১ম ধাপ) ৬৫টি,এবং ৩য় পর্যায়ের (২য় ধাপ) ৫৫টি,গৃহনির্মাণের মাধ্যমে এই পর্যন্ত ৪৪৫টি ক’ শ্রেণির ভূমিহীণ ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদান করা হয়েছে। আগামী ২২শে মার্চ বুধবার সারাদেশের ন্যায় ক’শ্রেণীর ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে সদর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ পর্যায়ে প্রথম ধাপে ১৪৪ টি পরিবারের নিকট গৃহ হস্তান্তর করবেন।একই সাথে উপকারভোগী পরিবারের নিকট জমির কবুলিয়ত দলিল ও খতিয়ান প্রদান করা হবে চলতি বছরের জুন মাস নাগাদ উপজেলাকে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত’ ঘোষণার প্রয়াস চলমান রয়েছে।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা জানান- ঘর গুলো যেন মজবুত এবং টেকসই হয় সেই লক্ষ্যে এবারের ঘর গুলোর ফাটল ঠেকাতে উন্নত মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রতিনিয়তই ঘরগুলো নির্মাণ কাজ তোদের কি করা হচ্ছে।

    এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ সদর উপজেলাকে সম্পূর্ণ ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা যাবে বলে আশা করা যায়। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।

    সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি এসিল্যান্ড এইচ এম ইবনে মিজান, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা, উপজেলা প্রশাসনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম,সাংবাদিক শামসুল আলম খান,জাহাঙ্গীর আলম আকন্দ,আরিফ রববানী,প্রদীপ বিশ্বাস,আল আমিন,মারুফ হোসেন কমল, মমতা বেগম পপি সহ বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

  • ঝালকাঠিতে ১২০ টাকায় পুলিশে চাকুরী পেল ২৬ তরুন তরুনী

    ঝালকাঠিতে ১২০ টাকায় পুলিশে চাকুরী পেল ২৬ তরুন তরুনী

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ১২০ টাকা খরচে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য (ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল) পদে ঝালকাঠি জেলায় ২৬ জন তরুন ও তরুনী চাকুরী পেয়েছেন। বাছাই পরীক্ষার তিনটি ধাপ পার করে নিজ নিজ যোগ্যতায় চুড়ান্ত পর্যায়ে স্থান পেয়েছে তারা। এই প্রক্রিয়ায় তাদের প্রত্যেকের ১২০ টাকা করে খরচ হয়েছে। যা আবেদনের সময় ব্যাংক ড্রাফটে জমা দিয়েছেন।
    কোনো রকম তদবীর বা অর্থ লেনদেন ছাড়াই বাছাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চাকুরী পেয়ে তাদের অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। অভিভাবকরাও স্বপ্নের মতো দেখেছেন বিষয়টি।
    স্বচ্ছতা ও সততার এ বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল। চূড়ান্ত প্রার্থীদের অভিভাবকরা কখনো বিশ্বাসই করতে পারেননি তাদের সন্তানদের টাকা ছাড়া পুলিশে চাকরি হবে।
    রোববার (১৯ মার্চ) রাত ১১ টায় ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সে টিআরসি পদে পরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল।
    অনুষ্ঠানের শুরুতে নিয়োগ পরীক্ষায় চুড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়া ২৬ জন নারী ও পুরুষকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি খাইয়ে দেয়া হয়।
    এসময় ঝালকাঠি জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা ছাড়াও নিয়োগ বোর্ডে থাকা ভোলা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আছাদুজ্জামান এবং পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আহমাদ মাঈনুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
    জানা যায়, গত ২ মার্চ ঝালকাঠি জেলার ৪টি উপজেলা থেকে আগত আটশতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন পুলিশের ‘ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল’ পদের জন্য বাছাই প্রক্রিয়ায়।

    প্রথম ধাপে বাছায়ে টিকে ২১১ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। সেখান থেকে ৬১ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়। সকল পরীক্ষা শেষে চূড়ান্তভাবে কোঠা নির্ধারণ মোতাবেক যোগ্যতা অনুযায়ি ৪ জন নারী এবং ২২ জন পুরুষ প্রার্থীকে এই চাকুরীর জন্য চুড়ান্ত পর্বে প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত করা হয়।
    নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মো. আফরুজুল হক টুটুল তার বক্তব্যে বলেন, ‘পুলিশকে আধুনিক ও মানবিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে বর্তমান আইজিপি মহোদয়ের প্রচেষ্টায় পুলিশের সব পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ার মানোন্নয়ন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝালকাঠি পুলিশের মানোন্নয়ন ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ২৬ জন যোগ্য ব্যক্তি নিয়োগ পেয়েছেন।’
    প্রাথমিকভাবে চুড়ান্ত পর্যায়ে উত্তীর্ণ হওয়া অনেক প্রার্থীদের অভিভাবকরা এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন এই নিয়োগে শুধুমাত্র ১২০ টাকা ব্যাংক ড্রাফট ব্যতিত আর কোনো খরচ হয়নি। অবৈধ পন্থা কিংবা দালাল ধরতে হয়নি। তারা পুলিশের বাছাই কমিটি এবং সরকারকে সাধুবাদ জানান।

  • ধামইরহাটে জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা

    ধামইরহাটে জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে জগদল আদিবাসী স্কুল এন্ড কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাকসুদা নার্গিস, মোঃ ফেরদৌস হোসেন, মোঃ মোবায়দুল ইসলাম, এ কে এম মাইনুল আহসান ও মোঃ মোতাররফ হোসেনের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ ২০ শে মার্চ ১১ ঘটিকায় জগদল আদিবাসী স্কুল এন্ড কলেজ হলরুমে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ধামইরহাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ দেলদার হোসেনের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ধামইরহাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইতিহাসবিদ সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল ইসলাম। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ ইলিয়াস আলম, ধামইরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত সহকারি অধ্যাপক মোঃ আব্দুল খালেক চৌধুরী, সহকারী শিক্ষক মোঃ আতাউর রহমান, মোঃ আব্দুল লতিফসহ কর্মরত শিক্ষক কর্মচারী, অভিভাবক ও ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ। সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সহকারি অধ্যাপক মাকসুদা নার্গিস, মোঃ ফেরদৌস হোসেন ও সহকারী শিক্ষক মোঃ মোতাররফ হোসেনকে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিদায় সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতি ও প্রধান অতিথি ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • ডাসারে নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে স্কুল ভবন নির্মানের অভিযোগ! তথ্য যানতে চাইলে ঠিকাদার অকথ্য ভাষা ব্যবহার হুমকি

    ডাসারে নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে স্কুল ভবন নির্মানের অভিযোগ! তথ্য যানতে চাইলে ঠিকাদার অকথ্য ভাষা ব্যবহার হুমকি

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার নবগ্রামে চলবল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মানে ব্যাপক নিন্মমানে সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে ঠিকাদার সৈয়দ তুহিন হাসানের বিরুদ্ধে।
    সরেজমিনে গিয়েও নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে ঢালাইর কাজ করতে দেখা গেছে মিস্ত্রীদের ছিল, না ইঞ্জিনিয়র বা ঠিকাদারের কোন লোকজন।
    মুঠোফোনে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক সৈয়দ তুহিন হাসানের কাছে, কাজের বিষয় তথ্য যানতে চাইলে,অশ্লিলভাষা ব্যবহার করে সাংবাদিকদের হুমকি।
    স্কুল প্রধান,ম্যানেজিং কমিটি ও এস্থানীয় সুত্রে জানা যায়,শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর মাদারীপুর জোন থেকে ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের চলবল উ”চ বিদ্যালয়ের ৪(চার) তলা ভিত বিশিষ্ঠ এক(১) তলা একাডেমীক ভবনের উপর ২(দুই) তলা ভবন পাশ হয়। গত দুই বছর পূর্বে মের্সাস ফজল এন্টার প্রাইজ নামে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজটি পায় এবং প্রোঃ সৈয়দ তুহিন হাসান উক্ত কাজটি গত এক(১) বছর আগে স্কুলটির ভবনের কাজ শুরু করেন। স্কুল ভবনটি গ্রামের ভিতরে এবং ডাসার এলাকায় ঠিকাদারের বাড়ি বিধায়,কাজের শুরু থেকেই অতিনিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মান করছেন বলে জানায় এস্থানীয় লোকজন,স্কুল ম্যানেজিং কমিটি ও স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
    সদ্য বিধায় নেয়া চলবল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নারায়ন চন্দ্র সরকার বলেন, কাজের সিডিউল অনুযায়ী কাজ হচ্ছে না। আমি ইঞ্জিনিয়র কে বলেছি,সে বলে যখন কাজের টেনডার হয়েছে ওই সময়ে করলে ভাল হত,এখন বাজার ভাল না,তাই কনছিডার করা হচ্ছে। ছুরকি খোয়া যে ওখানে দেখছেন,ওইটা দিয়েই আগের ছাদ ঢালাই দিয়েছে। কাজের মান খারাব।

    বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ধীরেন্দ্র নাথ বাড়ৈ বলেন, আমি ভাল কাজ করার জন্য এসও সাবকে কলছি, সব দিকদিয়ে কাজের গুনগত মান সম্মৃদ্ধ নয়।
    স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সহদেব কুমার বাড়ৈ বলেন, আমি যখনি কাজের ওখানে গিয়েছি,তখনি কাজের ওখানে ইঞ্জিনিয়র বা ঠিকাদার পাইনি। কাজের ইট খোয়া দেখলাম ভাল না।
    এ বিষয় যানতে চাইলে মের্সাস ফজল এন্টার প্রাইজের মালিক(ঠিকাদার) সৈয়দ তুহিন হাসান বলেন, কাজের মান কি খারাব,খারাব হলে ইঞ্জিনিয়রকে বলবে,এসওকে বলবে,আপনাকে কে বলেছে।আমি কি চৌকিদার, যে কাজের কাছে থাকবো। সাংবাদিকতা বাধদিয়ে চৌকিদারী করেন। আপনাদের মত অনেক সাংবাদিক দেখেছি। আমার রড খারাব,ইট খারাব,খোয়া খারাব লিখে আপনি নিউজ করে দেন। আমাকে চেনেন আমি সৈয়দ তুহিন হাসান,আমি ৬৪ জেলায় কাজ করি।
    শিক্ষা অধিদপ্তর মাদারীপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী তানভির ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আমি ওখানে ইঞ্জিনিয়র পাঠাইতেছি। একটু পরেই ফোন করে বলেন, ঠিকাদার বলেছে, ওই মালামাল সরিয়ে ভাল মালামাল দিয়ে কাজ করবে।

  • ঘুষ-তদবির ছাড়াই নীলফামারীতে পুলিশে চাকরি পেলেন- ৬৯জন

    ঘুষ-তদবির ছাড়াই নীলফামারীতে পুলিশে চাকরি পেলেন- ৬৯জন

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী।
    মোঃ শাহ আলম তার বাড়ী নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নে। যখন সে প্রথম শ্রেনীতে পড়ে তাদের ছেড়ে অন্যত্রে চলে যায় পিতা বাহার উদ্দিন। তারপর থেকে তাদের খোজও নেয় নি পিতা। মানুষের বাড়ীতে কাজ করে ছেলে শাহ্ আলম ও তার ছোট ভাইকে অনেক দুঃখে কষ্টে বড় করে তোলে তার মা শাহেলা বেগম। ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে দুই ভাই পরিক্ষা দিয়ে নিজ যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছেন বড় ভাই শাহ আলম।
    জলঢাকা উপজেলার বড়ঘাট এলাকার লাবিবা আক্তার। বাবা বেলাল হোসেন পেশায় রাজমিস্ত্রির হেলপার। তার বাবার তিনশ টাকার মজুরিতে অনেক কষ্টে চলে তাদের সংসার। ছোট থেকেই লাবিবার ইচ্ছা ছিল বাহিনীতে চাকরি করবে। কিন্তু সে জানতো টাকা ছাড়া হয় না চাকরি। তবুও সেসব কথা পিছনে ফেলে ১২০ টাকা দিয়ে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে আবেদন করে চুড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তির্ন হয়। উত্তির্ণ হয়েই পাল্টে গেছে তার চিন্তা চেতনা । সে এখন বিশ্বাস করে টাকা ছাড়াও চাকরি হয়।
    কনস্টেবল পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন বৈশাখী দাস। বাড়ী নীলফামারী সদর উপজেলার হাড়োয়া এলাকায়। তার বাবা শারীরিকভাবে অসুস্থ্য। করতে পারে না চলাফেরা। তার অসুস্থতার পর মা গৌড়ী দাস অনেক যায়গায় ছোটাছুটি করেও পান নি সংসার চালানোর মতে কোন চাকরি। মানুষের বাড়ীতে বাড়ীতে কাজ করে মেয়ে বৈশাখী দাসকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়িয়েছেন। পুলিশে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিলে আবেদন করে বৈশাখী দাস। চুড়ান্ত পরীক্ষা উত্তির্ন হয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন ভাবতে পারে নি মা গৌড়ী দাস। এখন তাদের সংসার স্বচ্ছলতা ফিরে আসবে এতে খুশী মা গৌড়ী দাস।
    কোনো রকম ঘুষ ও তদবির ছাড়াই নীলফামারীতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন ৬৯ জন। শারীরিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় ২ হাজার ৪১৫ জন চাকরি প্রত্যাশীকে পেছনে ফেলে তারা নিয়োগ পান। সোমবার (২০ মার্চ) দুপুরে নীলফামারী পুলিশ লাইন্সে প্রাথমিকভাবে চুড়ান্ত উত্তির্ণদের নাম প্রকাশ করেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম। স্বচ্ছতার মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান করায় নিয়োগপ্রাপ্তরা ও অভিভাবকরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম কে । এরকম নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামীতেও হবে বলে আশাবাদী তারা।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার সদস্য ও রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া, পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) কনক কুমার দাস, নীলফামারী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) আমিরুল ইসলাম, সৈয়দপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোআর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।
    জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ‘ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে আবেদনকারীর সংখ্যা ২হাজার ৪১৫জন। এর মধ্যে উপস্থিত ২হাজার ১৭৬জন চাকরী প্রত্যাশীদের মধ্যে শারীরিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তির্ণ হয়ে নিয়োগ পান ৬৯জন। যার মধ্যে রয়েছে ৫৯জন পুরুষ ও ১০ জন নারী।’
    নিয়োগপ্রাপ্তদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বেশিরভাগই বেশিরভাগই হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সন্তান। কৃষক, অটোচালক, রিক্সা-ভ্যান চালক, দিনমজুর, শ্রমিক, দর্জি পরিবারের সন্তান। যাদের চাকরির জন্য টাকা দেওয়ার সামর্থ্য যেমন নেই, তেমনি সুপারিশেরও নেই কোনো লোক। মেধা ও শারীরিক পরীক্ষায় নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের মাধ্যমে কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেয়েছেন তারা।
    পুলিশ জানায়,‘ নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে কৃষক পরিবারের ৩৭জন, চাকুরীজীবী পরিবারের ১৩জন ও শ্রমিক পরিবারে ১৯ জন রয়েছে। এদের মধ্যে পুরুষ কোটায় সাধারন ৪২জন, আনসার কোটায় ১জন, পোষ্য কোটায় ৬জন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ১০জন সহ ৫৯ জন এবং নারী কোটায় সাধারন ৮জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ১জন ও পুলিশ পোষ্য কোটায় ১জন সহ ১০ জন নিয়োগপ্রাপ্ত হন।’
    পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম বলেন, ‘স্বচ্ছতা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শতভাগ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই ৬৯ জন যুবক-যুবতীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রকৃত মেধাবীরাই সুযোগ পেয়েছে চাকরিতে।’
    তিনি আরও বলেন, ‘সরকারসহ পুলিশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা চাচ্ছেন পুলিশে স্বচ্ছতা ফিরে আসুক। সেই চাওয়া পূরণেই নীলফামারী পুলিশ নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করছে। এ ধারা আগামীতেও অব্যাহত রাখতে চাই।’