Author: desk

  • পাঁচ বছরের শিশুকে ধ-র্ষণ চেষ্টার অ-ভিযোগ, মা-মলা তুলে নিতে হু-মকি

    পাঁচ বছরের শিশুকে ধ-র্ষণ চেষ্টার অ-ভিযোগ, মা-মলা তুলে নিতে হু-মকি

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:

    পঞ্চগড়ের চকলেট ও খেলনার আশ্বাসে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। তবে মামলা হওয়ায় হুমকি-ধামকি দেয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

    গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    মামলার এজাহার সূত্র ও পরিবারটি অভিযোগ থেকে জানা যায়, শিশুটি এখনও ভয়ে আঁতকে উঠছে। খেলনা ও চকলেট দেয়ার কথা বলে মুসলিম পরিবারের ওই শিশুটিকে বাড়ির পাশের এক হলুদ ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা করে প্রতিবেশী কণিক রায় নামে এক সনাতন ধর্মের যুবক। শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় কান্নাকাটি করলে- পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে যায়। এ সময় কণিক রায় পালিয়ে গেলে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বাড়িতেই চিকিৎসা করান। পরে অবস্থার উন্নতি না হলে পরদিন দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

     

    এদিকে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরলেও শিশুটি এখনও পুরোপুরি সুস্থ নয় বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

    এ ঘটনায় বুধবার রাতে ওই যুবককে আসামি করে দেবীগঞ্জ থানায় মামলা করেছে শিশুটির বাবা। তবে মামলার পর থেকেই সমঝোতার জন্য ক্রমাগত হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

    শিশুটির বাবা গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘আমি মামলা করেছি বলে স্থানীয় নেতাদের দ্বারা সমঝোতার জন্য আমাকে হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে। আমি বলে দিয়েছি, আমি কখনোই সমঝোতায় যাবো না। আমার অবুঝ মেয়েকে ডেকে নিয়ে যে এমন পাশবিক নির্যাতন করেছে আমি ন্যায়বিচার চাই।’

    এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েল রানা বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এখানে অন্য কোনো ইস্যু নেই। অভিযুক্ত তরুণ এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত। আসামিকে গ্রেফতারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

  • আজ ধন্য বাসিল মরো পবিত্র গীর্জার শুভ উদ্বোধন

    আজ ধন্য বাসিল মরো পবিত্র গীর্জার শুভ উদ্বোধন

    বান্দরবান (থানচি) প্রতিনিধি: মথি ত্রিপুরা।

    বান্দরবান পার্বত্য জেলা থানচি উপজেলা খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের হালিরাম পাড়ায় ধন্য বাসিল মরো গীর্জা শুভ উদ্ভোধন করা হয়েছে।
    শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর ) দুপুরে থানচি উপজেলা ০৪ নং বলিপাড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড অবস্থিত, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের হালিরাম পাড়ায় ধন্য বাসিল মরো গীর্জা শুভ উদ্ভোধন করা হয়।
    পবিত্র গীর্জার টি শুভ উদ্ভোধন করেন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আর্চবিশপ লরেন্স শুব্রত হাওলাদার সিএসসি। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভাইস প্রভেন্সিয়াল সেক্রেড হার্ট যীজাস প্রোভিন্স বাংলাদেশ ফাদার সুশান্ত আন্তনী গমেজ সিএসসি, নিবেদীতা কুমারী মারিয়া ধর্ম পল্লীর পাল-পুরোহিত ফাদার শিতল হিউবার্ট রোজারিও সিএসসি, শান্তি রাজ ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত ফাদার নিকোলাস নকক্রেক সিএসসি, ফাদার সমীর পিটার রোজারিও সিএসসি, ফাদার বিকাশ জেমস রিবেরু সিএসসি, ফাদার সুমন রোজারিও সিএসসি প্রমুখ।
    হলি ক্রশ মিশন সেন্টার ইউএসএ ও হলি ক্রশ ফাদার সেক্রেড হার্ট যিজাস প্রোভিন্স বাংলাদেশ অর্থায়নে, নিবেদিতা কুমারী মারিয়া ধর্মপল্লীর সার্বিক সহযোগীতায় ও হালিরাম পাড়াবাসীদের সক্রিয়ভাবে কঠোর পরিশ্রমের অংশগ্রহণের ধন্য বাসিল মরো গীর্জাটি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়।
    আর্শীবাদ ও ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক পিতর ত্রিপুরা মেম্বার বলেন, বিগত ৩রা মার্চ ২০২৫ তারিখে গীর্জা টি ভিক্তি স্থাপন করা হয়। ভিক্তি প্রস্থর শুভ সূচনা করেন, প্রভিন্স ডেভেলপমেন্ট অফিস, ফাদার বিনয় সেবাস্তিয়ান গমেজ সিএসসি। সঠিক ব্যবস্থাপনার ও সবার সক্রিয় সহযোগিতায় মাত্র সাড়ে ৬ মাস নির্মাণের গীর্জা টি দ্রুত কাজ শেষ করতে সক্ষম হয়।
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, থানচি উপজেলা ০৪ নং বলিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াঅং মারমা, থানচি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক যোহন ত্রিপুরা, ক্যচু পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মনিরাম রাফায়েল ত্রিপুরা ও সিস্টারবৃন্দ। এছাড়া এলাকার খ্রিস্ট ভক্তরা আনুমানিক প্রায় ৬৫০ জন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

  • কুমিল্লার মুসলিম সম্প্রদায়ের ৩৬৮ বছরের ঐতিহাসিক শাহ সুজা মসজিদ মোগল সম্রাজ্যের সা-ক্ষী

    কুমিল্লার মুসলিম সম্প্রদায়ের ৩৬৮ বছরের ঐতিহাসিক শাহ সুজা মসজিদ মোগল সম্রাজ্যের সা-ক্ষী

    কুমিল্লা দঃ জেলা প্রতিনিধি, তরিকুল ইসলাম তরুন, 

    কুমিল্লার ৩৬৮ বছরের পুরাতন মুসলিম সম্প্রদায়ের স্মৃতি আজো মোঘল সাম্রাজ্যের স্বাপিত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় তরুন প্রজম্মকে। সেই মোঘল স্মৃতি দাঁড়িয়ে আছে কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলিতে  ঐতিহাসিক শাহ সুজা মসজিদ। মঘল আমলের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে এই পুরাতন মসজিদ টি।

    কালের সাক্ষী এই মসজিদটি বড় ধরনের তেমন  পরিবর্তন না হলেও যুগে যুগে সম্প্রাসারন হয়েছে, 

    মুসল্লী বেড়েছে, কুমিল্লা শহরের মোগলটুলি এলাকায় আরো মসজিদ রয়েছে অনেক কিন্তু তারপরও মুসল্লীদের প্রথম পছন্দ শাহ সুজা মসজিদই।এই  মসজিদের মুসল্লীদের  ধারণক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে বহু আগে। শুক্রবার জুম্মার দিনে মসজিদের বাহিরে চলে আসে মুসল্লীদের নামাজের  কাতার, এটি ঐতিহাসিক  কুমিল্লার ঐতিহ্যের ছাপ বা স্মৃতি হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে। 

    কুমিল্লা শহরের মুগলটুলি এলাকায় অবস্থিত এই ঐতিহাসিক শাহ সুজা মসজিদ স্থাপিত। ঐতিহাসিক ইতিহাস গবেষক দের মতে জানা যায় ১৬৫৮ সালে বাংলার সুবেদার শাহ সুজা তার ত্রিপুরা বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।

    সাড়ে তিনশো বছরেরও অধিক  বছর আগে নির্মিত মসজিদটি উত্তর দক্ষিনে লম্বা। 

    আয়তাকার মসজিদটি বাইরের মাপে দৈর্ঘ্য ১৭.৬৮ মি., প্রস্থ ৮.৫৩ মি. ও প্রাচীরগুলি ১.৭৫ মি. পুরু । মসজিদের চার কোণে ৪টি অষ্টকোণাকার বুরুজ রয়েছে ।

     এগুলি কার্নিসের বেশ উপরে উঠে গেছে এবং এর শীর্ষে রয়েছে ছোট গম্বুজ । 

    মসজিদের পূর্ব প্রাচীরে ৩টি এবং উত্তর ও দক্ষিণ প্রাচীরে একটি করে খিলানযুক্ত প্রবেশপথ রয়েছে । প্রধান প্রবেশপথটি অপেক্ষাকৃত বড় এবং এতে অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে । প্রবেশপথগুলির উভয় পার্শ্বে ও উপরে প্যানেল নকশা অলঙ্কৃত করা হয়েছে।  কিবলা প্রাচীরে রয়েছে ৩টি মিহরাব, কেন্দ্রীয়টি অপেক্ষাকৃত বড় ও অধিক আকর্ষণীয় । 

    এটি ফুল, লতা পাতা ও জ্যামিতিক নকশায় শোভিত । দুটি পার্শ্ব খিলান দ্বারা মসজিদের অভ্যন্তরভাগ তিন ভাগে বিভক্ত । 

    মধ্যের অংশটি বাইরের দিকে পূর্ব ও পশ্চিমে কিছুটা উদ্গত করে নির্মিত। এই অংশের চার কোণে ৪টি সরু মিনার কার্নিসের উপরে উঠেছে । গম্বুজগুলির শীর্ষদেশ পদ্মনকশা ও কলস চূড়া দ্বারা শোভিত সেই আগ থেকে ।মসজিদের কার্নিসের নীচের অংশ মারলোন নকশায় অলংকৃত । বিভিন্ন সময়ে মসজিদটির সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে । একটি শিলালিপির পাঠ অনুযায়ী ১৮৮২ সালে হাজী ইমামউদ্দিন ৭.৩২ মি. প্রস্থের সমতল ছাদ বিশিষ্টবারান্দাটি নির্মাণ করেন। 

    পরবর্তীকালে মসজিদটি আরও সম্প্রসারিত ও দুপার্শ্বে মিনার নির্মাণ করা হযয়েছে । এব্যপারে বিএনপি নেতা ও সমাজ সেবক মাহবুবুল আলম চপল জানান মসজিদ টি তৈরি ৩৬৮ বছর পূর্বে কিন্তু কালের পরিবর্তনে অনেক বার সৌন্দর্য বর্ধনে স্থানীয় দের আর্থিক সহযোগিতায় উভয় দিকে  সম্প্রসারন করা হয় এবং সাথে মাদ্রাসা, পানির ঝর্ণা, অযুখানা নির্মান করা হয়। প্রধান ফটক কারুকার্য শোভিত করে তৈরি করা হয়। আমরা ছোট বেলা এই মসজিদেই বাবা সাথে নামাজ পড়তে যেতাম,তখন এখনকার মতো ঘনঘন মসজিদ ছিল না।

    এছাড়াও সমাজ সেবক মোখলেছুর রহমান, ও নাছির উদ্দীন বলেন শাহ সুজা মসজিদ মোগলটুলী,পুরাতন চৌধুরী পাড়া,গাংচরের  ঐতিহ্যের প্রতিক,

    আমরা এই মসজিদে নামাজ পড়ি,এই মসজিদের ইতিহাস ব্যাপক,পিলারে খচিত আছে ৩৬৮ বছরের স্থাপিত্বের নানান ঐতিহাসিক স্থাপিত্বের কথা।

  • কুমিল্লাতে ভূমি অফিসের নথিপত্র জা-লিয়াতি, বি-চারহীনতায় বে-পরোয়া চ-ক্র

    কুমিল্লাতে ভূমি অফিসের নথিপত্র জা-লিয়াতি, বি-চারহীনতায় বে-পরোয়া চ-ক্র

    তরিকুল ইসলাম তরুণ,

    কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা ভূমি অফিসের খতিয়ান বহির সূচিপত্র জালিয়াতি করে জমি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।

    জালিয়াতির ঘটনা প্রমাণিত হওয়ার পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
    শুধু তাই নয়, বিচারহীনতার সুযোগে চক্রটি এখন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং বিরোধীয় ভুমিটি গ্রাস করতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
    এ ঘটনায় এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা
    কোম্পানি গঞ্জ বাস স্টেশনের ১ কিঃমিঃ পশ্চিমে কুলুবাড়ি মৌজার ৪৬৬ ও ৪৭০ দাগের (বর্তমানে বিএস ১০২০) ৯০ শতক জমির মধ্যে ৪৮ শতক জমি ফারুক
    আহমেদ খোকনসহ ৩ জনের কাছে বিক্রি করেন,
    মোবারক আলী সরকারের বড় মেয়ে মিসেস সেজেদা খানম
    একইসাথে, ৪৬৭ ও ৪৭০ দাগের (বর্তমানে ১০২০) বাকি ৪২ শতক ভুমি মোবারক আলী সরকারের স্ত্রী মনজুমা খানমের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়।
    যার খতিয়ান নম্বর ৪৪৪, ডিপি ৩৪৭।
    অভিযোগ উঠেছে, ৪৮ শতক জমি বাদদিয়ে বর্তমানে ৪২ শতক জমির ওপর কুনজর দেয় ফারুক আহমেদ খোকন গংরা।
    তারা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে উপজেলা ভুমি অফিসের মাধ্যমে বি-এস খতিয়ান বহির সূচিপত্র পরিবর্তন করে। জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ৪২ শতক জমির ৪৪৪ নম্বর খতিয়ানের (ডিপি ৩৪৭) ৪৬৬ ও ৪৭০ দাগ পরিবর্তন করে ৪৬৭ ও ৪৭০ দাগে ৪৫৬/২০২২-২০২৩ নম্বর জমা খারিজ করে নেয়।
    বিষয়টি জানাজানি হলে মোবারক আলী সরকারের মেয়ে পাপিয়া সরকার ভুয়া মাঠপর্চা সৃজন করে ৪৫৬/২০২২-২০২৩ জমা খারিজ বাতিলের জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করেন।
    আবেদনের প্রেক্ষিতে ইউএনও, কানুনগো এবং সার্ভেয়ারকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
    দীর্ঘ তদন্ত শেষে জমা খারিজটি ভুয়া মাঠপর্চার ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়।

    এ নিয়ে একাধিক শুনানি শেষে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট সাকিব হাসান খান গত ২৪
    জুলাই, ৯৫ নং কুলুবাড়ি মৌজার দাগসূচিতে বি-এস ৫০১ নম্বর খতিয়ানের ১০২০ হাল দাগের বিপরীতে সাবেক ৪৬৬ ও ৪৭০ বহাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সাথে কাগজপত্র জালিয়াতি করে নেওয়া ৪৫৬/২০২২-২০২৩ নম্বর জমা খারিজটি বাতিল করেন।
    এ সময় অভিযুক্ত ফারুক আহমেদ খোকন তার জালিয়াতির স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে মুচলেকাও নেন।প্রশাসনিক তদন্তে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ার পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বর্তমানে ওই চক্রটি জাল মাঠপর্চা ব্যবহার করে করা ৪৫৬/২০২২-২০২৩ জমা খারিজ বহাল রাখার জন্য কুমিল্লার আদালতে মামলা করে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করছে।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, বিরোধীয় ভুমিটি গ্রাস করতে চক্রটি নানাভাবে ফন্দি-ফিকির চালাচ্ছে।
    প্রশাসনিক তদন্তে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ার পরও কেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এই চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
    এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফারুক আহমেদ খোকনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তার স্বজন দের সাথে কথা বললে ভুমি নিয়ে তার কোন সৎ উত্তর দেয়নি।
    মুরাদনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট সাকিব হাসান খান বলেন, কাগজপত্র জালিয়াতির ঘটনা প্রমাণিত হওয়ার পর সে স্বীকার করে ফারুক আহমে খোকন মুচলেকা দিয়ে ক্ষমা চেয়েছে। বিশেষ বিবেচনায় তাকে ক্ষমা করা হয়ে ছিল।

  • উপকূলে জলবায়ু ন্যা-য় রূপান্তরের ডাক পটুয়াখালীতে জারি গানে পরিবেশ আ-ন্দোলন

    উপকূলে জলবায়ু ন্যা-য় রূপান্তরের ডাক পটুয়াখালীতে জারি গানে পরিবেশ আ-ন্দোলন

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতে গ্লোবাল উইক অব ক্লাইমেট অ্যাকশন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ভিন্নধর্মী সাংস্কৃতিক আয়োজন “প্রকৃতির ডাক: জারি গানে ন্যায় রূপান্তর”।
    শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গ্রীন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি আয়োজনে গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় প্রোগ্রামটি বাস্তবায়নের সহযোগিতা করছে ধুমকেতু ইয়ুথ ফাউন্ডেশন।

    জলবায়ু কার্যক্রমের বৈশ্বিক সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জারি গানের মাধ্যমে উপকূলের মানুষের দুর্দশা, লবণাক্ত পানির যন্ত্রণা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ভয়াবহতা ফুটিয়ে তোলা হয়। একইসঙ্গে নবায়নযোগ্য শক্তিতে দ্রুত রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তা এবং টেকসই উন্নয়নের দাবি তুলে ধরা হয় গানের কথায়।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী, পরিবেশকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। তারা জানান, জারি গানের মতো লোকজ শিল্পমাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের মতো জটিল ইস্যু সহজভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

    এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শুকতারা মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মাহফুজা ইসলাম, গ্রীন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি ফাউন্ডার এন্ড ডিরেক্টর খাইরুল ইসলাম মুন্না.

    গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি ফাউন্ডার এন্ড ডিরেক্টর খাইরুল ইসলাম মুন্না বলেন উপকূলীয় মানুষের টিকে থাকার জন্য ফসিল ফুয়েল নির্ভর শক্তির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর জরুরি। তারা প্রতিশ্রুতি দেন, তরুণদের সম্পৃক্ত করে এ ধরনের কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজন করা হবে, যাতে উপকূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে জলবায়ু ন্যায়ের দাবি আরও জোরদার হয়।

    আয়োজক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা টিকিয়ে রাখতে ফসিল ফুয়েল পরিহার করে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। তরুণ সমাজকে সম্পৃক্ত করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাংস্কৃতিক আন্দোলন অব্যাহত রাখা হবে বলে জানানো হয়।

  • বরগুনার তালতলীতে জলবায়ু পরি-বর্তনের ঝুঁ-কি মো-কাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে সাইকেল র‍্যালি

    বরগুনার তালতলীতে জলবায়ু পরি-বর্তনের ঝুঁ-কি মো-কাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে সাইকেল র‍্যালি

    মংচিন থান তালতলী প্রতিনিধি।।
    ‘অধিকার, কর্মসংস্থান, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও একটি পরিপূর্ণ জীবনের জন্য
    গণহত্যা, ধ্বংস এবং বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে অবস্থান নাও’ এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিতব্য কপ-৩০ ও যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাকে সামনে রেখে বরগুনার তালতলীতে সাইকেল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) ও তালতলী সাইক্লিং ক্লাবের আয়োজনে এ সাইকেল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

    এ বাই-সাইকেল র‍্যালিটি তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে গিয়ে শেষ হয়। এসময় অর্ধ-শতাধিক শিক্ষার্থী র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারীদের শরীরে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবি সম্বলিত টি শার্ট ও বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করতে দেখা যায়।

    তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব, মো. জসিম উদ্দিন র‍্যালির শুভ উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ ও উন্নয়নকর্মী এম মিলন, সাংবাদিক ও পরিবেশকর্মী মো. মোস্তাফিজ, মো. নাঈম ইসলাম, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র (তালতলী-আমতলী) সমন্বয়ক আরিফুর রহমান প্রমুখ।

    এ সময় বক্তারা বলেন, প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠী, শ্রমিক, নারী, কৃষক, জেলে, পশুপালক, যুবক, শিশু, আদিবাসী, অভিবাসী, শরণার্থী, নানা বর্ণের মানুষ, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর কেন্দ্রীভূত একটি ন্যায্য রূপান্তরের মাধ্যমে চলমান ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে।

    দ্রুত, ন্যায্য এবং নারীবান্ধব, দূষণ বন্ধ করতে হবে; মানুষ এবং পৃথিবীর জন্য একটি কার্যকর নবায়নযোগ্য ভিত্তিক জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে; উচ্চ-কার্বন, কৃষি-শিল্প, কৃষি থেকে কৃষিভিত্তিক বাস্তুতন্ত্র এবং টেকসই খাদ্য ব্যবস্থায় রূপান্তর করুন, যা গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন এবং প্রাপ্তির অধিকারকে অগ্রাধিকার দেয়। সব ধরনের যুদ্ধ ও গণহত্যা বন্ধ করতে হবে; পৃথিবীব্যাপী সামরিকীকরণ বন্ধ করতে হবে; ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

    তাঁরা আরও বলেন, তালতলীর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রর নির্গত কালো ধোঁয়ায় উপজেলার অন্যতম সবজি পল্লী সওদাগপাড়া ও টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের জীববৈচিত্র্যসহ এলাকার মানুষের কৃষি ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই অবিলম্বে এই কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধসহ বাংলাদেশের সকল কয়লাভিত্তক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের পত্যাশা ব্যক্ত করেন। একইসাথে জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে আমরা যাতে টিকে থাকতে পারি সেই উদ্যেগ গ্রহণ করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহবান জানান।###

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি

  • সবার স-হযোগিতায় শা-ন্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করা হবে- ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স

    সবার স-হযোগিতায় শা-ন্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করা হবে- ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স বলেছেন, যেখানে পুজা মন্ডপ তৈরি করবেন লক্ষ্য রাখবেন সেখানে যেনো জনসাধারণের চলাফেরার যেন কোন রকম সমস্যা না হয়। অনেক পূজা মন্ডপের পাশে মসজিদ আছে তাই আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে যখন আযান দেয় নামাজ পড়ে তখন যেন বাদ্যযন্ত্র সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ থাকে। এসময় তিনি-এ বছর পূজা উদযাপনে সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোন বরাদ্দ না থাকায় পুঁজা মন্ডপগুলোর নিরাপত্ত্বা জোরূারে মন্ডপে আলোকবাতির ব্যবহার পরিমিত করে সিসি ক্যমেরার ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান। তিনি মন্ডপে আলোকবাতির ব্যবহার পরিমিত করে, অর্থ সেইভ করে সে অর্থে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করারও পরামর্শ দেন একই সাথে মন্ডপে বা মন্ডপের আশেপাশে কোন রকমের বিশৃঙ্খলা দেখলে বা অনুমান করতে পারলে প্রশাসনের নিয়োজিত লোককে অথবা থানাতে সাথে সাথে অবিহিত করার আহবান জানান।

    বৃহস্পতিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সদর উপজেলা পরিষদ ব্রহ্মপুত্র হলরুমে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি ও আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা সভায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম প্রিন্স এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন
    কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শিবিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমর্কর্তা ইঞ্জি: মো: মনিরুল হক ফারুক রেজা,ময়মনসিংহ সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন নাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সেক্রেটারী অধ্যাপক শহীদুল্লাহ কায়সার, , সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জুবায়রা বেগম সাথী, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি এড. তপন দে, আহবায়ক শংকর সাহা, মীর কান্দাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোলায়মান কবীর, জামায়াতে ইসলামী সদর থানার আমির মো: মফিদুল ইসলাম,এনসিপি ময়মনসিংহ জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক এড. এটিএম মাহবুব উল আলম প্রমুখ।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, “সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করা হবে। কোনো দুষ্কৃতিকারী যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

    সভায় কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহানুভূতি ও সহযোগিতায় একটি শান্তিপূর্ণ পূজার পরিবেশ গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য।

    তিনি আরও জানান, পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, টহল বৃদ্ধি এবং মনিটরিং টিম গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    সভায় উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের এসব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পূজাকে কেন্দ্র করে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ ধরনের মতবিনিময় সভা সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।

    এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ , ইসলামিক নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ময়মনসিংহে ডিসির বিরু-দ্ধে অপপ্রচারের প্র-তিবাদ শিক্ষা অফিসারের

    ময়মনসিংহে ডিসির বিরু-দ্ধে অপপ্রচারের প্র-তিবাদ শিক্ষা অফিসারের

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের শাঁখারীপট্টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি ব্যক্তি মালিকানায় নিতে জেলা প্রশাসককে বিবাদী করে জমির মালিকানা দাবি করে বিপুল কুমার সিংহ রায় নামের ব্যক্তির দায়ের করা মামলায় বিদ্যালয়ের জমি ব্যক্তিমালিকানায় চলে যাওয়া নিয়ে জেলা প্রশাসকের ব্যর্থতা আছে মর্মে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে এমন ভিত্তিহীন বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে জেলা শিক্ষা অফিসার,তিনি দাবী করেছেন সংবাদ পত্রটির প্রতিনিধি তার দেওয়া সঠিক বক্তব্য উপস্থাপন না করে অসত্য তথ্য প্রচার করেছে। শিক্ষা অফিসার এই অসত্য তথ্য আমার দেশ সহ বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রকাশিত হওয়ায় সংবাদটিকে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বানোয়াট বলে দাবী করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা শিক্ষা অফিসার ওয়াবায়দুল্লাহ বলেন আমার বক্তব্য ছিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি বেদখল সংক্রান্ত বিষয়ে মামলার উদ্ভব হলে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাগণকে বিবাদী করার কথা। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কোন প্রতিনিধিকে বিবাদী না করায় উক্ত মামলার বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের অগোচরে ছিলো। কাজেই উক্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসকের ব্যর্থতা রয়েছে মর্মে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এই ধরনের সাংবাদে জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আহবান জানান। একই সাথে সেই সাথে সংবাদদাতা কে আরো দায়িত্বশীলতার সাথে সংবাদ প্রকাশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    সুত্র মতে-ময়মনসিংহের শাঁখারীপট্টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৪৫ সালে সাত শতক জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টির জাতীয়করণও হয়। সম্প্রতি সরকারি অর্থায়নে বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন ভেঙে নতুন তিনতলা ভবন নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে এখানে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। কিন্তু বিপুল কুমার সিংহ রায় নামের ব্যক্তি জমিটি তাদের ওয়ারিশান সম্পত্তি এবং অর্পিত সম্পত্তি দাবী করায় এলাকাবাসী হতাশ হয়েছেন। যেখানে মানুষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জমি দেয় সেখানে
    বিপুল কুমার সিংহ রায় স্কুলের সম্পদ নিজের বলে দাবী করে স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাধা গ্রস্থ করছে বলেও এলাকায় সমালোচনা চলছে। শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে -সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি জমার তদারকি করার দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা কর্তৃপক্ষের , মামলা হলে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নামে করে তাদেরকে বিবাদী করতে হবে,তা না করে বিপুল কুমার সিংহ রায় ষড়যন্ত্র করে জেলা প্রশাসককে বিবাদী করেছে। বিপুল কুমার জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করে স্কুলের জমি তাদের ব্যক্তি মালিকানায় নিতে কাজ করছে এবং আইন-আদালতকেও ধোকা দিয়েছে বলে মন্তব্য চলছে স্থানীয় মহলে।

    তার মামলা প্রায়১২ বছর মামলা চললেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিংবা শিক্ষা বিভাগ আদালত থেকে কোনো নোটিস বা সমন না পাওয়ার ঘটনা প্রশাসনের ইচ্ছাকৃত নীরবতা বা গাফিলতি নয় বরং এটা বাদীর কার্পণ্য। বাদী ইচ্ছাকৃত ভাবে স্কুলের জমি বেদখলে নিতে অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে নোটিশ গোপন করেছে এমনটাও হতে পারে। স্কুল কর্তৃপক্ষ নোটিশ হাতে পেলে কর্তৃপক্ষ মামলার মোকাবিলা করবে এমন ভয় হয়তোবা ছিলো বাদীর মাঝে। এটা তার বড় ষড়যন্ত্র।

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন,আমাদেরকে বিবাদী করেনি। আমাদের বিবাদী করলে আমরা আদালতে নিয়মিত জবাব দিতে পারতাম। ষড়যন্ত্র করে এই কাজটি করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় আমাদের আইন শাখায় কথা বলেছি। কয়েকদিনের মধ্যেই হাইকোর্টে রিট করা হবে।

  • ছিলারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন স-ম্পন্ন

    ছিলারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন স-ম্পন্ন

    আরিফুর রহমান, মাদারীপুর

    ছিলারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজের ৪র্থ শিক্ষক পরিষদ নির্বাচন ২০২৫ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ শেষে গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে সম্পাদক, সহ-সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনুষ্ঠিত হয়।

    ফলাফল অনুযায়ী—
    সম্পাদক পদে জনাব আতিকুর রহমান বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি ৩৩ ভোটে সম্পাদক নির্বাচিত হন। সহ সম্পাদক পদে কোনো প্রার্থী না থাকায় জনাব জাহিদুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জনাব সঞ্জয় কুমার হাওলাদার ২৭ ভোটে জয়লাভ করেছেন।

    ফলাফল ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ জনাব জিয়াসমিন আক্তার এবং উপাধ্যক্ষ জনাব নৃপেন্দ্র নাথ হালদার। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে থাকা জনাব শহিদুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী নির্বাচন কমিশন জনাব দেলোয়ার হোসেন ও কামরুন্নাহার সাথী।

    নির্বাচনে কলেজের সব প্রভাষক সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ভোটগ্রহণ, গণনা ও ফলাফল ঘোষণার পুরো প্রক্রিয়া ছিল স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ। নির্বাচন উপলক্ষে পুরো কলেজ প্রাঙ্গণে ছিল এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ।

    বিজয়ী শিক্ষকরা ফলাফল ঘোষণার পর সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং শিক্ষক সমাজের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    আরিফুর রহমান
    মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি।

  • ভাবখালী ইউনিয়নের সফল ও জনবান্ধব প্রশাসক  আসমা উল হুসনা ফাতেমা জান্নাতুল ফেরদৌস

    ভাবখালী ইউনিয়নের সফল ও জনবান্ধব প্রশাসক আসমা উল হুসনা ফাতেমা জান্নাতুল ফেরদৌস

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নের প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন আসমা উল হুসনা ফাতেমা জান্নাতুল ফেরদৌস। তিনি একজন সৎ ও দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা। যিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে দায়িত্বে থেকে উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সেবা প্রদান করে সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্য লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করছেন। তিনি সফলভাবে পরিবার পরিকল্পনা সেবা ও উপকরণ নিশ্চিত করে, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুস্থ ও পরিকল্পিত পরিবার গঠনে অবদান রাখছেন।

    উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সেবা প্রদানে মেধা-দক্ষতা ও সততার সাথে কাজ করার অবদান আছে বিধায় তাকে সরকারি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে ময়মনসিংহ সদরের চেয়ারম্যান পদ শুন্য ১২নং ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আসমা-উল-হুসনা ফাতেমা জান্নাতুল ফেরদৌস গত ০৭ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রশাসক হওয়ার পর থেকেই উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর দিক-নির্দেশনায় সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সরকার ঘোষিত প্রতিটি কার্যক্রম ইউনিয়ন ও এলাকার উন্নয়নে সফলভাবে সম্পাদন করে আসছেন।

    জনসেবা প্রদানের মাধ্যমে এলাকায় সফল ও জনবান্ধব প্রশাসক হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনসাধারণ ও সামাজিক, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে রয়েছে তার সু সম্পর্ক। তিনি ভাবখালী ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকান্ডকে ইউনিয়নের সকলের সহযোগিতা ও পরামর্শে এগিয়ে নিচ্ছেন।

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক কাজ করে দলমত নির্বিশেষে তিনি সর্ববৃহৎ এই ইউনিয়ন মধ্যে আস্থা অর্জন করেছেন। এছাড়াও ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদে বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিখা-টাবিখা, কর্মসৃজন প্রকল্প, এলজিএসপি, ওয়ান পারসেন্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেঞ্চ, কমিউনিটি ক্লিনিকে ফ্যান, চেয়ার, আলমারি, অবহেলিত রাস্তাঘাট সংস্কার ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মাণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিচয় দিয়েছেন।

    উন্নয়ন পাগল, জনগণের আস্থাভাজন পরিশ্রমী বিচক্ষণ প্রশাসক ইউনিয়ন বাসীর সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করে দিচ্ছেন। ফলে অনেকে বলছেন দীর্ঘদিন পর স্বচ্ছ ভাবমূর্তি সেবক পেয়েছেন ইউনিয়নবাসী। নাগরিক সেবা ও উন্নয়নে তার প্রশংসা করছেন ইউনিয়নবাসী। তিনি সরকারের সকল সেবা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত পরিবেশে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার মাধ্যমে ইউনিয়নকে আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে চলেছেন।

    জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি ইউনিয়নের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ইউনিয়নের সকল অসংগতি দূরসহ নাগরিক অধিকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করে চলেছেন। বিশেষ করে কর্মসূচী প্রকল্প, কাবিখা-টাবিখাসহ সকল উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো স্বচ্ছতার সাথে বাস্তবায়ন করছেন। উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডগুলো সবসময় তদারকি করে চলেছেন। তিনি তার সরকারি দপ্তর চালানো পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিয়ে সর্বমহলের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন।

    তার সততা ও মেধায় ইউনিয়নটিতে শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে সরকার ঘোষিত সকল প্রকার সুবিধাদি পাচ্ছেন ইউনিয়নে বসবাসকৃত সর্বসাধারণ। তিনি বলেন- আমি যখন যে দায়িত্বেই থাকি, সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে চেষ্টা করি মানুষের কল্যাণে ও উন্নয়নে কাজ করতে । সবার সহযোগিতাশ আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।