উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলে ১২০ টাকায় খরচে পুলিশের চাকরি পেলেন ২৭ জন। চাকরি নয় সেবা’ শ্লোগানে স্মার্ট পুলিশ তৈরি করতে মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে নড়াইলে ২৭জন পুলিশের চাকরি পেয়েছেন।
পুলিশের চাকরি পেতে টাকা-পয়সা লাগে না। সন্তানের চাকরির জন্য অভিভাবকদের জমিজমা বিক্রি করতে হবে না। মাত্র ১২০ টাকায় খরচেই কনস্টেবল পদে পুলিশে চাকরি এর মধ্যে ১০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট এবং ২০ টাকার ফরম কিনেই হবে যোগ্য প্রার্থীর চাকুরি হয়। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, নড়াইল জেলা পুলিশ লাইনে বুধবার এসব কথা বলেন পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলাম, এস এম,কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সিআইডি) প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, সদর থানার ওসি ওবাইদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন আরও বলেন, মাত্র ১২০ টাকা খরচ করে স্বপ্ন পূরণ হলো নড়াইলের ২৭ তরুণ তরুণী। কোনোরকম ঘুষ-তদবির ছাড়াই মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়নে পুলিশে চাকরি হয়েছে তাদের । মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশের উপযোগী করে স্মার্ট পুলিশিং ব্যবস্থা বিনির্মাণের প্রত্যয়ে বিদ্যমান কনস্টেবল পদে নিয়োগ পদ্ধতির আধুনিকায়ন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্যতম প্রার্থীকেই নির্বাচিত করা হয়েছে। যে সকল প্রার্তী প্রতিটি পরীক্ষায় নিজ নিজ যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছে শুধুমাত্র তারাই নিয়োগযোগ্য হিসেবে মনোনীত হয়েছে।
Author: desk
-

নড়াইলে ১২০ টাকায় পুলিশের চাকরি পেলেন ২৭ জন
-

নড়াইল পৌরমাতা আঞ্জুমান আরা পৌরসভার উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইল পৌরমাতা আঞ্জুমান আরা। নড়াইল পৌরসভার উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজের জীবনের সুখ শান্তি তুচ্ছ করে, পৌরবাসির খেদমতে সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। চলমান রয়েছে অনেকগুলি প্রকল্প। আবার নতুন করে আরোও বেশ কিছু প্রকল্পের জন্য ছুটাছটি করছেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, নড়াইল পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরা একেবারেই ভিন্নধর্মী জনপ্রতিনিধি। তিনি এসি রুমে বসে কাযক্রম পরিচালনায় বিশ্বাসী নন। তিনি রাজনীতির মাঠে অবদান রেখে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন দলীয় নেতা-কর্মী ও ভোটারদের মন জয় করে। ঠিক তেমনি মেয়র হওয়ার পর প্রকৃতপক্ষে মানবিক গুনাবলি নিয়ে অত্যন্ত ধৈর্য়ের সাথে মানবিক কার্যক্রম ও উন্নয়ন করে চলেছেন। পৌরসভার কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে প্রত্যেকটি প্রকল্প সঠিক ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করছেন। আর এসব কাজ করতে গিয়ে তিনি রাত-দিন ছুটে বেড়াচ্ছেন পৌর এলাকার এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে। ছোট বড় সকল প্রকল্প ও ঠিকাদারের মাধ্যমে হওয়া প্রত্যেকটি কাজ নিজেই তদারকি করছেন। প্রায়ই তাকে দেখা যায় বিভিন্ন রাস্তা, কালভার্ট ও ড্রেনের কাজ দেখায় ব্যস্ত রয়েছেন। গভীর রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে আছেন, সেই সময় রাতের ঘুম হারাম করে পৌরসভার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। আবার ছুটে যাচ্ছেন রাস্তার কাজ দেখতে।
নড়াইল উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মেয়র আঞ্জুমান আরা
নড়াইল উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মেয়র আঞ্জুমান আরা
নড়াইল পৌরমাতা আঞ্জুমান আরা। নড়াইল পৌরসভার উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজের জীবনের সুখ শান্তি তুচ্ছ করে, পৌরবাসির খেদমতে সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। চলমান রয়েছে অনেকগুলি প্রকল্প। আবার নতুন করে আরোও বেশ কিছু প্রকল্পের জন্য ছুটাছটি করছেন।
নড়াইল পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরা একেবারেই ভিন্নধর্মী জনপ্রতিনিধি। তিনি এসি রুমে বসে কাযক্রম পরিচালনায় বিশ্বাসী নন। তিনি রাজনীতির মাঠে অবদান রেখে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন দলীয় নেতা-কর্মী ও ভোটারদের মন জয় করে। ঠিক তেমনি মেয়র হওয়ার পর প্রকৃতপক্ষে মানবিক গুনাবলি নিয়ে অত্যন্ত ধৈর্য়ের সাথে মানবিক কার্যক্রম ও উন্নয়ন করে চলেছেন। পৌরসভার কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে প্রত্যেকটি প্রকল্প সঠিক ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করছেন। আর এসব কাজ করতে গিয়ে তিনি রাত-দিন ছুটে বেড়াচ্ছেন পৌর এলাকার এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে। ছোট বড় সকল প্রকল্প ও ঠিকাদারের মাধ্যমে হওয়া প্রত্যেকটি কাজ নিজেই তদারকি করছেন। প্রায়ই তাকে দেখা যায় বিভিন্ন রাস্তা, কালভার্ট ও ড্রেনের কাজ দেখায় ব্যস্ত রয়েছেন। গভীর রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে আছেন, সেই সময় রাতের ঘুম হারাম করে পৌরসভার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। আবার ছুটে যাচ্ছেন রাস্তার কাজ দেখতে।
সোমবার (২০মার্চ) তাকে দেখা যায় পৌরসভার উজিরপুর এলাকার একটি রাস্তার কাজ দেখছেন। তিনি নিজেই সবকিছু দেখভাল করায় কাজের মান পূর্বের তুলনায় অনেক ভালো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পৌর এলাকার সচেতন মহল। ঠিকাদার সহ সংশ্লিষ্ট সকলেই তাঁর আন্তরিকতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার জন্য সবসময় তটস্থ থাকেন। তিনি কোন সময় কাজের গুনগত মানের ব্যাপারে আপোষ করেন না। পৌরসভার কাজ সুন্দর করার স্বার্থে কাউকেই ছাড় দেন না। প্রত্যেকটি কাজ স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করে চলেছেন। পৌরসভাকে অত্যাধুনিক মডেল পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। আর তা করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় ও দপ্তর সমুহে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। তিনি ব্যক্তিগত ইমেজ, রাজনৈতীক প্রজ্ঞা ও প্রশাসনিক দক্ষতা দিয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের কর্তা ব্যক্তিদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন। তারা মনে করছেন এ রকম একজন সৎ , দক্ষ পৌর মেয়রের পক্ষেই পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন করা সম্ভব। তাই তারা তাকে সার্বিক সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেয়ার জন্য আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।
পৌরসভার রাস্তা দিয়ে চলাচল করলেই বোঝা যায়, তার হাতে পৌরসভার উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে। তিনি খুব সীমিত সময় বিশ্রাম নেন। দিন-রাতের বেশির ভাগ সময় ব্যস্ত থাকেন পৌরবাসির ভাগ্যের উন্নয়নের কাজে। অবশ্য এ কাজ করতে গিয়ে তিনি ইতোমধ্যে অনেকের চক্ষুশুল হয়েছেন। সকল রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে তিনি সততার সাথে সকল কাজ করে নড়াইল পৌরসভাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে পৌরবাসির মধ্যে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে গেছে মেয়র আঞ্জুমান আরা’র মাধ্যমেই পৌরবাসির দীর্ঘ দিনের দুঃখ দুর্দশা দুর হতে চলেছে। তাঁর সেবামুলক আচরন ও কার্যক্রম দেখে পৌরবাসি খুবই খুশি। একজন জনপ্রতিনিধিকে ভোট দেয়ার পর সাধারণ জনগনের যে প্রত্যাশা থাকে,তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে পেরেছেন মেয়র আঞ্জুমান আরা। নড়াইল পৌরবাসি উন্নয়ন ও ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের ভোটের কাংখিত মূল্যায়ন পেয়েছেন। এ কারনে তাঁর প্রতি সকলের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। অনেকেই মন্তব্য করেছেন একজন জনপ্রতিনিধি’র যে দ্বায়িত্ব তার শতভাগ পালন করে দেখিয়েছেন নড়াইল পৌরসভার নারী মেয়র আঞ্জুমান আর। তাঁর উন্নয়ন ভাবনা পৌরবাসিকে আশার আলো দেখিয়েছে। তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দেখে তাঁর প্রতি সকলের আস্থা আরোও বেড়ে গেছে। নড়াইলকে এগিয়ে নিতে তাঁর মত রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি খুবই প্রয়োজন।
একজন নারী হয়েও নড়াইল পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরা সমানে দলীয় কর্মসূচী ও পৌরসভার প্রত্যেকটি কার্যক্রম সুচারু ভাবে পরিচালনা করছেন। যা দেখে নড়াইলবাসি বিস্মিত। নড়াইল পৌরবাসি গর্বের সাথে বলতে পারছেন।
পৌরভবনে গিয়ে কাউকে হয়রানী হতে হচ্ছে না। যে কোন সমস্যার ব্যাপারে মেয়র আন্তরিক ভাবে কাজ করছেন। কেবলমাত্র পৌরসভার চেয়ারে বসে ,সভা সেমিনার করে,ফিতা কেটে,বিভিন্ন সভায় যোগদান করে এবং ফাইলে স্বাক্ষর করে পৌরসভা পরিচালনা করছেন না। তিনি সশরীরে ছুটে যাচ্ছেন পৌরসভার প্রতিটি রাস্তার কাজ দেখতে। নিজে দেখে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে দেখিয়ে কাজের মান নিশ্চিত হয়ে বিল দিচ্ছেন। -

কেশবপুর উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা ৪র্থ পর্যায়ে ঘর পেলেন আরোও ৪৫টি ভূমিহীন পরিবার
কেশবপুর প্রতিনিধিঃ
কেশবপুর উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা ৪র্থ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের ঘর পেলেন আরো ৪৫টি পরিবার। এনিয়ে কেশবপুর উপজেলায় ২২৯ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেল জমি ও ঘর।২২ মার্চ সকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভার্চুয়াল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনর্বাসনকল্পে ৪র্থ পর্যায়ে ৩৯,৩৬৫টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন এবং সারাদেশে ৭টি জেলা ও ১৫৯টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেন।
তারই অংশ হিসেবে কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আরিফুজ্জামানের সঞ্চালনায় ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের হাতে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পলাশ কুমার মল্লিক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাবু তপন কুমার ঘোষ মন্টু প্রমুখ। -

কেশবপুরে নিখোঁজের একদিন পর চাবিক্রেতার লাশ ডোবা থেকে উদ্বার, পুলিশের অভিমত গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা
কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুরের আড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা কাটাখালি বাজারের চা বিক্রেতা জিল্লুর রহমান(২৩) নিখোজের একদিন পর ২২ মার্চ বিকেলে তার লাশ একটি বাঁশ ঝাড়ের পার্শ্বের ডোবা থেকে পুলিশ উদ্বার করেছে।
থানার এস আই লিখন কুমার সরকার সাংবাদিকদের জানান লাশের গায়ে থাকা গেঞ্জি খুলে ফাঁস লাগিয়ে তাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হতে পারে।
থানা ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলি মোড়লের ছেলে জিল্লুর রহমান(২৩) অন্যান্য দিনের মত ২১ মার্চ ও চায়ের দোকান দিয়ে চা বিক্রি করেছেন। রাত ৯টার দিকে দোকানে তাকে আর পাওয়া যায়নি।তার পরীবার জানায় নিহত জিল্লুর রহমানের মোবাইল ফোনে ফোন দিয়ে ও পাওয়া না যাওয়ায় তাকে রাত থেকে নিকট জনরা খুজতে থাকে। অবশেষে নিখোজের পর দিন ২২ মার্চ বিকেলে তার লাশ আড়ুয়া গ্রামের একটি বাঁশ ঝাড়ের পার্শ্বের ডোবা থেকে পুলিশ উদ্বার করে।এরিপোর্ট লেখার সময় সন্ধা সাড়ে ৭ টার দিকে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিলো বলে থানার কর্তব্য রত অফিসার জানান। কি কারনে কারা তাকে হত্যা করেছে সেটা এখনো পুলিশের নিকট অজ্ঞাত রয়েছে বলে থানা সূত্র জানায়।
-

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি মনোনীত হওয়ায় রকেটকে ব্রাহ্মণ সংসদের সংবর্ধনা
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহে হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থেকে বিভিন্ন মন্দির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা, ধর্ম মন্ত্রনালয়ের অধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি মনোনীত হওয়ায় সাবেক ছাত্রনেতা ও মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক উত্তম চক্রবর্তী রকেট কে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।বুধবার বিকালে মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ ও জেলা ব্রাহ্মণ সংসদসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃত্বের একাধিক সামাজিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এই সংবর্ধনা দেয়া হয়।
এসময় মহানগর পুজাঁ উদযাপনকারী নেতৃবৃন্দ
বলেন, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক উত্তম চক্রবর্তী রকেট তার দায়িত্ব পালনের মধ্যদিয়ে ময়মনসিংহের হিন্দু সম্প্রদায়ের উন্নত জীবন ও অধিকার বাস্তবায়নের পাশাপাশি আওয়ামী রাজনীতিতেও ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি মনোনীত হওয়ায় ময়মনসিংহের হিন্দু সম্প্রদায়ের উন্নয়নে উত্তম চক্রবর্তী রকেট এর তৎপরতা অতীতে যেমন ছিলো এখনও তেমনি আছে এবং আগামীতে আরো বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য করে তাঁর মতো সৎ ও সাহসী মানুষের বড় বেশি দরকার বলেও দাবী করেন বক্তার।এসময় বক্তাদের অনেকে তাদের বক্তব্যে ভবিষ্যতে উত্তম চক্রবর্তী রকেট কে জনপ্রতিনিধি রূপে দেখার আগ্রহও প্রকাশ করেন।
এসময় বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ ময়মনসিংহ জেলা শাখার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়। বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি শ্রী তপন চক্রবর্তীর
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক শ্রী নিরঞ্জন চক্রবর্তী, বিভাগীয় সমন্বয়ক শ্রী কেশব চক্রবর্তী, শ্রী রমেন চক্রবর্তী,পলাশ আচার্য, অসিত চক্রবর্তী, বিপ্লব ভট্টাচার্য, শ্রী সৌমিত চক্রবর্তী নিপুন,অনামিকা চক্রবর্তী সহ আরো অনেকে।সংবর্ধনার জবাবে উত্তম চক্রবর্তী রকেট তাকে ধর্ম মন্ত্রনালয়ের অধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি মনোনীত করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান এবং একই সাথে সংবর্ধনা দিয়ে সম্মানীত করায় ব্রাহ্মণ সংসদের নেতাকর্মীদেরকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
-

তানোরে আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘরের চাবি হস্তান্তর
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে প্রতিবন্ধী, দুঃস্থবিধবা সমাজের পিছিয়ে পড়া ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার আশ্রায়ণ প্রকল্পের জমিসহ ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। জানা গেছে, ২২ মার্চ বুধবার এ-উপলক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে অডিটোরিয়ামে আলোচনা আয়োজন করা হয়েছে। এদিন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও প্রকৌশলী তারিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। এর আগে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে গৃহহীন পরিবারের কাছে, ঘর হস্তান্তর কর্মসূচি উদ্বোধন ও দেশের ৭টি জেলা এবং ১৫৯টি উপজেলাকে ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, বাঙালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন-পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান করা হয়। আশ্রায়ণ প্রকল্পের এসব ঘর গৃহহীনের আশার বাতিঘর। উপজেলায় আশ্রায়ণ প্রকল্পে ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ধাপে মোট ৬৪২টি ঘর নির্মাণ ও হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬৪২টি ঘরের জন্য প্রায় ৪০ বিঘা সরকারি খাস জমি ব্যবহার করা হয়েছে, টাকার অংকে এসব জমির মুল্য প্রায় চার কোটি টাকা।
সরেজমিন উপজেলার বাধাঁইড় ইউপির জুমারপাড়া, সরনজাই ইউপির তাঁতাহাটি ও জামিন সিধাইড় আশ্রয়ণ প্রকল্পে দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে ছিন্নমূল মানুষের জীবনমান। তারা এখন বসবাস করছেন রঙিন ঢেউটিন আর পাঁকা দেয়ালের আধা পাঁকা বাড়িতে।
এসব বাড়ির আশেপাশে করা হয়েছে শাকসবজির চাষাবাদ। কেউ পালন করছেন হাঁস, মুরগি ও ছাগল। কেউ সেলাই মেশিনের কাজ করছেন।
সন্তানদের পাঠাচ্ছেন স্কুলে। বসতির দুশ্চিন্তা ছেড়ে নিশ্চিন্ত মনে কাজ করে এগিয়ে নিচ্ছেন সংসার। সংসারে এসেছে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সহযোগিতায় প্রকল্পের বাসিন্দারা গঠন করছেন সমবায় সমিতি। নিয়মিতভাবে দিচ্ছেন প্রশিক্ষণ। অনেকের একাডেমিক শিক্ষা না থাকলেও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা হয়ে উঠছেন স্বশিক্ষিত। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ নিয়মিত তদারকি করে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের। এই সরকারের সময়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে উপজেলায় মোট ৬৪২টি গৃহহীন পরিবার তাদের ছেলে-মেয়ে ও পরিবার নিয়ে এসব দুর্যোগ সহনীয় সেমি পাকা ঘরে সুন্দর ভাবে জীবন যানপন শুরু করেছেন। এদিকে এসব ঘরের পাশে বিশুদ্ধ খাবার পানি নিশ্চিত ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশলী অধিদপ্তরের মাধ্যমে হাতের কাছে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা পেয়ে বেশ খুশি উপকারভোগীরা। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এসব ঘরের পাশে সৌচাগার রাখা হলেও ছিলনা পানির ব্যবস্থা।এতে বিশুদ্ধ পানির অভাবে অনেক উপকারভোগী বিপাকে পড়ে। এদিকে দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের আওতায় তানোরে আশ্রায়ণ প্রকল্প-১ এর আওতায় ৫৭টি পরিবারের জন্য ১২টি সাবমার্সিবল পাম্পের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বাঁকি বাড়িগুলোতেও সাবমার্শিবল পাম্প স্থাপন প্রক্রয়াধীন রয়েছে। অন্যদিকে প্রতিটি পাম্পের গোড়া পাকা এবং পানির ট্র্যাঙ্কি স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর নির্দেশনা ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার সার্বিক সহযোগীতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে পৃথক পৃথক স্থানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম ইতমধ্য আশ্রায়ণ প্রকল্পে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে
সমাজের পিছিয়ে পড়া ভুমি ও গৃহহীনদের জন্য প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় পাওয়া ঘরে এসব গৃহহীন পরিবারগুলো সুন্দর জীবন যাপন করছেন। প্রতিটি ঘরে দুইটি কক্ষ, একটি টয়লেট, রান্নাঘর, কমনস্পেস, একটি বারান্দা এবং বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির সুব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব গৃহ প্রত্যেক পরিবারের জন্য আলাদা করে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে নিচু জমি ভরাট করে নতুন মাটিতে ঘর নির্মাণ ও বর্ষার কারনে দুই একটি ঘরে সামান্য সমস্যা দেখা দিয়েছিল সেগুলোও মেরামত করা হয়েছে। উপজেলার বাঁধাইড় ইউপির জুমারপাড়া ও পাঁচন্দর ইউপির তাতিহাটি নবনবী গ্রামের উপকারভোগীরা জানান, তারা প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরে উঠে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করছেন। এসব ঘর নির্মাণ নিয়ে তাদের কোনো অভিযোগ নাই, এসব উপকারভোগীরা বলেন, এক সময় তাদের কোন মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না, অন্যর জমিতে কুড়ে ঘর করে কোন রকম দিন যাপন করতেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তাদের এসব ঘর করে দেওযায় পর থেকে তাদের থাকার আর কোন অসুবিধা হয় না। তারা আরো বলেন, এসব ঘরে টয়লেট, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানি সুব্যবস্থা থাকায় তাদের কোন রকম ভোগান্তিতে পড়তে হয় না। বিদ্যুৎতের আলোয় ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনাও করাতে পারেন। তাই তারা আমরা খুশি। তারা বলেন, আমরা দোয়া করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে আমাদের মত অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করেছেন আল্লাহ যেন এভাবেই তার উপকার করেন।
সংশ্লিস্ট সুত্র জানায়,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় চার ধাপে মোট ৬৪২টি পরিবারকে ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্ত পৃর্বক, কবুলিয়ত ও নামজারিসহ এসব ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব ঘর নির্মানে প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শে মাঠ পর্যায়ে সরকারের কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। বিশেষ করে ইউএনও পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ পিআইও প্রকৌশলী তারিকুুুল ইসলামের ভুমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রধানমন্ত্রী যে লক্ষ নিয়ে এসব গৃহহীন ও ভুমিহীনদের ঘর হস্তান্তর করছেন সেই লক্ষ পূরনে সংশ্লিস্ট কর্মকর্তাগণ এখানো নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এবিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন, এমপি মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন যৌথভাবে আশ্রায়ণ প্রকল্পের কাজ দেখভাল করছেন। তিনি বলেন, কাজের মাণ খুবভাল হয়েছে, এনিয়ে কারো কোনো অভিযোগ নাই। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও)পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ জানান, ইতমধ্যে ১২টি সাবমারসিবল পাম্প স্থাপনে আশ্রায়ণ প্রকল্পের কমপক্ষে ৫৭টি পরিবারে সুপেয় পানির ব্যবস্থা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে বাকিগুলোতেও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, পানির ব্যবস্থা হওয়ায় পরিবারগুলো সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এবিষয়ে বাঁধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণে তানোর মডেল, এখানকার একটি ঘর নিয়েও কারো কোনো অভিযোগ নাই।# -

সুজানগরে এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা
এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার অত্র বিদ্যালয় চত্বরে পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন। পৌর মেয়র ও শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী। বক্তারা তাদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উজ্জল ভবিষ্যত কামনা করে বলেন, তোমরাই দেশের ভবিষ্যত। সামনে তোমরাই দেশের হাল ধরবে। সবাই ভালো ভাবে পরীক্ষা দেবে। এখান থেকেই দৃঢ় মনোবল নিয়ে নিজেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি। -

মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা
এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার অত্র বিদ্যালয়ের হলরুমে পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল ওহাব। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আখতারুজ্জামান জর্জ এর স ালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ও মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজিজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল ওহাব বক্তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জীবনের গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে হলে এখন থেকে স্বপ্ন দেখতে হবে। এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের লক্ষ্য নিয়ে সেভাবে অধ্যবসায়ের সাথে পড়ালেখা করতে হবে। ভালো রেজাল্ট করতে পারলে বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন থাকবে। এছাড়া সকল পরীক্ষার্থীরা যাতে ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে যাতে দেশ এবং জাতির কান্ডারি হয়ে আত্মমানবতায়র সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারে এ প্রত্যাশাও রাখেন প্রধান অতিথি ।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।। -

জয়পুরহাট জেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন ঘোষণা
স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস
মুজিববর্ষ উপলক্ষে জয়পুরহাট জেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন জেলা ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (২২ মার্চ) বেলা ১১ টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালী মিটিংয়ে যোগ দিয়ে এ ঘোষণা দেন। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত ঘর এবং ২ শতক জমির দলিলপত্র তাঁর পক্ষে জয়পুরহাট সদর, কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলার ১ শত ৩৯ জন ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের হাতে তুলে দেন,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় কমিটির সদস্য ও জয়পুরহাট-১ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব এ্যাড.শামসুল আলম দুদু-এমপি।
সে সময় উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা হোসেন,সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত রহমান,জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা বৃন্দ ও জেলার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
বর্তমান জয়পুুরহাটে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ‘জয়পুরহাট জেলায় সর্বশেষ নিরুপিত তালিকা অনুযায়ী মোট ১ হাজার ৪৮ টি ‘ক’ শ্রেণির ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার নির্বাচন করা হয়। সেগুলোর মধ্যে ১ম পর্যায়ে ১৬০ টি, ২য় পর্যায়ে ১ শত ৪১ টি, ৩ য় পর্যায়ে ৩ শত ৫৮ টি মোট ৬ শত ৫৯ টি পরিবারের মধ্যে ২ শতাংশ করে জমিসহ ঘর প্রদান করা হয়। বুধবার ২২ মার্চ বেলা ১১ টায় জেলার সকল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ভার্চুয়ালী মিটিংয়ের মাধ্যমে ৪র্থ পর্যায়ে ১ শত ৩৯ টি পরিবারের মধ্যে ২ শতাংশ করে জমিসহ ঘর প্রদান করা হয়।
-

ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে ঝলসে দেয়া হলো নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
কবিরাজির নামে শরীরে ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে ঝাড়ফুক করার সময় এক কিশোরী স্কুল ছাত্রীর শরীর ঝলসে দেওয়া হয়েছে। দগ্ধ হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে নবম শ্রেনীর ওই শিক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে হরিণাকুন্ডু উপজেলার শুড়া গ্রামে। দগ্ধ আয়েশা খাতুন চুয়াডাঙ্গা জেলার কাউন্সিল পাড়ার আরিফুল ইসলামের মেয়ে। এ ঘটনায় হরিণাকুন্ডু একটি অভিযোগ দিয়েছে আয়েশা খাতুনের পরিবার। গ্রামবাসি ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, শুড়া গ্রামের ভন্ড কবিরাজ সৈয়দ আলী (৫৫) ও তার স্ত্রী পাপিয়া খাতুন দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজির নামে মানুষকে অপচিকিৎসা দিয়ে আসছিল। বুধবার চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় শিক্ষার্থী আয়েশা খাতুনের উপদৃষ্টির ভাব হলে তার পিতা শুড়া গ্রামের কবিরাজ সৈয়দ আলীর কাছে নিয়ে আসে। প্রথমে কবিরাজ ঠান্ডা পানি দিয়ে ঝাড়ফুক করতে থাকে। এতে কাজ না হলে ফুটন্ত গরম পানি শরীরে ঢেলে দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে ওই শিক্ষার্থীর পিতা ও তার সঙ্গে আসা মামুন নামে একজনকে পানি পড়া খাইয়ে অজ্ঞান করে আয়েশা খাতুনের উপর শারিরীক নির্যাতিত করতে থাকে। জ্ঞান ফিরে দেখি আয়েশা খাতুন চিৎকার চেচামেচি করছে। তার চিৎকার শুনে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আয়েশা খাতুনের শারীরিক অবনতি ঘটলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রামবাসির অভিযোগ ভন্ডকবিরাজ সৈয়দ আলী কবিরাজী চিকিৎসার নামে যুবতী নারীদের অজ্ঞান করে পাশবিক নির্যাতন করে। এ বিষয়ে কবিরাজ সৈয়দ আলীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন ফোন করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়। হরিণাকুন্ডু থানার ওসি আক্তারুজ্জামান লিটন জানান, থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কবিরাজ গাঢাকা দিয়েছে।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান।