Author: desk

  • আশুলিয়ার ভাদাইলে ১৩টন রড ছিনতাই ও পোশাক শ্রমিককে গুলি করে হত্যাসহ ২দিনে দুই লাশ উদ্ধার

    আশুলিয়ার ভাদাইলে ১৩টন রড ছিনতাই ও পোশাক শ্রমিককে গুলি করে হত্যাসহ ২দিনে দুই লাশ উদ্ধার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় দুইদিনে ২জনকে হত্যা। ইয়ারপুর ইউনিয়ন ও ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল পাবনারটেক রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠের ভেতর থেকে এক গাড়ি চালকের লাশ উদ্ধার ও আশুলিয়া ইউনিয়নের কাঠগড়া একটি বাড়ি থেকে এক পোশাক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছেন আশুলিয়া থানা পুলিশ।
    বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে (২৩-০৩-২০২৩) ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া নয়াপাড়া মফিজুল মোল্লা (৩০) নামের এক পোশাক শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। তিনি ৪-৫জন সহকর্মী নিয়ে একটি একতলা ফাঁকা বাড়িতে ভাড়া থেকে গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। এ ঘটনা গভীর রাতে পাশের বাড়ির মালিক কামরুল হাসান শাকিল (৩৮) চিৎকার দিয়ে বলেন, তার বাড়িতে ডাকাত পড়েছে। এ সময় মফিজুল একা তার রুম থেকে বাহিরে আসলে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা, এরপর আহত মফিজুল মোল্লার সাথে থাকা সহকর্মীরা পাশের রুমের লোকজন তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। বিভিন্ন লোকজন বলছেন যে, ডাকাতির ঘটনা নাটকীয়, আশুলিয়ায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দেখাতে ডাকাতির নাটক সাজানো হতে পারে। অনেকেই বলেন, মফিজুল কন্যা রাশির পুরুষ, সে একাধিক বিয়ে করেছে, তার সাথে কোনো নারীর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক থাকায় ওই নারীর স্বামী বা ভাই বন্ধুরা এই হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটাতে পারে।
    নিহত মফিজুল মোল্লার ভাড়া বাড়ির মালিক মোঃ মোফাজ্জল হোসেন মাদবর বলেন, মফিজুল খুব ভালো ছেলে তার ব্যবহার খুব সুন্দর। মফিজুল মোল্লার একটি মটরসাইকেল আমার বাড়িতে রাখতেন, ঘটনার সময় তার পাশের রুমের লোকজনকে ওই মটরসাইকেল দিয়ে ভিকটিমকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি দাবী করছেন। এরকম ঘটনায় বাড়ির মালিক তিনি কেন তার ভাড়াটিয়াকে নিয়ে হাসপাতালে যায়নি। দুই বছর হলো একই বাড়িতে ভাড়া ছিলেন মফিজুল মোল্লা।
    এ বিষয়ে পাশের বাড়ির মালিক স্থানীয় হাজী আব্দুল করিম মুন্সীর ছেলে কামরুল হাসান শাকিল বলেন, আমার বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় মফিজুল মোল্লা নামের পোশাক শ্রমিক ডাকাতদের গুলিতে নিহত হয়েছেন এটা দুঃখজনক। এটি ডাকাতির ঘটনা হলে তার আলামত থাকার কথা কিন্তু শুধু একজনকে গুলি করে পালিয়ে গেছে ডাকাত দল এটা রহস্যজনক বলে প্রশ্ন করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। অন্যদিকে এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবারের কাছে জানতে চাইলে তারা বলছেন অন্য কথা, মফিজুল একাধিক বিয়ে করেছেন, তাকে সবাই পছন্দ করতো, সে কন্যা রাশির পুরুষ মানুষ ছিলেন। অনেকেই ধারণা করছেন, ওই বাড়ির আশপাশে কোনো নারীর সাথে পরকীয়া প্রেম সম্পর্ক থাকায় হয়তো তাকে হত্যা করেছে, ডাকাতির ঘটনা নাটকীয়।
    গতকাল বুধবার (২২ মার্চ ২০২৩ইং) সকাল ৭টার দিকে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন আবাসন-১এর উত্তর পাশে মাঠের আব্দুর রহমানের ছেলে মোঃ আতিকুর রহমান আতিক (৫২) এর লাশ উদ্ধার করেছেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ভজন চন্দ্র রায় এর সঙ্গিয় ফোর্স। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, খুব সকালে প্রতিদিনের মতো লোকজন রূপায়ন মাঠে হাটতে আসেন, লোকজন সেখানে এসে একটি লাশ দেখতে পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশকে জানায়, এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই লাশ উদ্ধার করেন। জানা গেছে, নিহতের গ্রামের বাড়ি রংপুর থেকে অনেক বছর আগে আশুলিয়ার ভাদাইলের পাবনারটেক এসে জমি কিনে বাড়ি করে বসবাস করতেন।
    নিহতের স্ত্রী মোছাঃ দুলালী বেগম পোশাক শ্রমিকের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে একজন ব্যক্তি মোবাইল ফোনে কল করে ডেকে নিয়ে যায়, তারপর আর আতিক বাসায় ফেরেনি। সকালে লোকজন বাড়িতে খবর দেয় তার স্বামীর লাশ পড়ে আছে রূপায়ন মাঠের ভেতরে। কে বা কারা তার স্বামীকে হত্যা করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কেই তা জানিনা, তবে নিহতের ছেলে ও মেয়ে বলছিলেন যে, বাড়ির পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিতো আতিক, সেখানে লোকজনের সাথে মাঝে মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
    এলাকাবাসী জানায়, উক্ত আশুলিয়ার রূপায়ন আবাসন-১এর মাঠের ভেতরে এবং আশপাশের এলাকা পাবনারটেক, জামগড়া, মনির মার্কেট ও ভাদাইল ক্রাইম জোন এলাকা, এই এলাকায় চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অপহরণ, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড সংঘটিত চলমান রয়েছে। গত ৪-৫দিন আগে ভাদাইলে একটি ট্রাক থেকে ১৩ টন রড ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে, এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় মামলা হয়েছে, ছিনতাই হওয়া ১৩ টন রডের মধ্যে ১২ টন রড উদ্ধার হলেও এ ঘটনায় ছিনতাইকারী চক্রের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ভজন চন্দ্র রায় গণমাধ্যমকে বলেন, আশুলিয়ার ভাদাইলে ১৩ টন রড ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে, ১২টন রড উদ্ধার করা হয়েছে, এই ছিনতাইয়ের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। সেই সাথে রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠে গাড়ি চালক আতিক এর হত্যাকান্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে কিভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে, তদন্ত চলছে।
    উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানা পুলিশ ও র‌্যাব জানায়, আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠ থেকে যে একজন গাড়ি চালকের লাশ উদ্ধার ও আশুলিয়ার কাঠগড়া নয়াপাড়া গুলি করে পোশাক কারখানার যে শ্রমিককে হত্যা করেছে, দুইটি পৃথক হত্যাকা-ের বিষয়ে তদন্ত চলছে, কি কারণে এই পৃথক দুইজনকে হত্যা করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ও র‌্যাব জানায়, অপরাধী সে যেই হোক না কেন তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • নওগাঁয় হরিজন কলোনীতে মাদক বিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত

    নওগাঁয় হরিজন কলোনীতে মাদক বিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত

    নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় মাধক বিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টায় শহরের সুইপার কলোনী মহল্লায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এই সেমিনারের আয়োজন করে।

    নওগাঁ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাছ বাজার সংলগ্ন সুইপার কলোনী মহল্লায় আয়োজিত মাদক বিরোধী সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ লোকমান হোসেন।

    নওগাঁর জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    এ সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শরিফুল ইসলাম খান, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন, স্থানীয়পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুল মালেক খোয়াজ, হরিজন সম্প্রদায়ের নেতা সাবাব চন্দ্র হাড়ি ও চন্দন বাঁশফোড়।#

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।

  • ধনবাড়ীতে রমজান উপলক্ষে টিসিবির পণ্য বিক্রি

    ধনবাড়ীতে রমজান উপলক্ষে টিসিবির পণ্য বিক্রি

    হাফিজুর রহমান.টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি::
    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে রমজান মাস উপলক্ষে ট্রেডিং করপোরশেন অব বাংলাদেশ(টিসিবি)’র পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার(২৩ মার্চ২৩)ইং সকালে ধনবাড়ীর বীরতারার কেন্দুয়ায় এ র্কাযক্রমরে উদ্বোধন করনে ট্যাগ অফিসার উপজেলা দরিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা মো: আব্দুল লতিফ।

    জনপ্রতি ১ কেজি চিনি , ২ কেজি মসুরের ডাল ও ২ লিটার সয়াবিন তৈল বীরতারার ৩৮২ জন পরিবারের মাঝে বিক্রয় করা হয়। এ সময় ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক সাংবাদিক হাফিজুর রহমান, জুবায়ের ট্রেডার্সের ডিলার মতিয়ার রহমান, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম সহ অন্যন্যারা উপস্থিত ছিলেন।

  • পীরগঞ্জে কম্পিউটার বাজার সেল সেন্টারের উদ্বোধন

    পীরগঞ্জে কম্পিউটার বাজার সেল সেন্টারের উদ্বোধন

    আবু জাহেদ,পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে কম্পিউটার বাজার সেল সেন্টার নামে নতুন এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ (২৩ মার্চ) বিকেলে পৌর শহরের শহীদ জিয়াউর রহমান সড়ক মাইক্রো স্ট্যান্ডের পূর্ব পাশ্বে তরিকুল টাওয়ারের নিচ তলায় ফিটা কেটে উদ্বোধন করেন সিনিয়র সাংবাদিক আজম রেহমান ।
    এসময় পীরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়নালান আবেদীন বাবুল,সহ-সভাপতি কাজী নুরুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা,কম্পিউটার বাজার সেল সেন্টারের প্রোপাইটার নুরুন নবী রানা, সাংবাদিক বুলবুল আহম্মেদ,এস আর মানিক,আবু জাহেদ , আবু তারেক বাঁধন, ভবন মালিক তরিকুল ইসলাম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।
    প্রসঙ্গ, দিনাজপুরের সুপরিচিত কম্পিউটার বিক্রয় প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার বাজারের সেল সেন্টার এটি। কম্পিউটার বাজার সেল সেন্টার পীরগঞ্জের প্রোপাইটার নুরুন নবী রানা জানান এখানে কম্পিউটার টেনিং, ক্রয়-বিক্রয় ও সার্ভিসিং সহ সকল ধরনের ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা হবে।

    আবু জাহেদ
    পীরগঞ্জ ঠাকুরগাঁও

  • নড়াইলে সরকারি ৩৯টি ল্যাপটপসহ বিপুল পরিমান চোরাই মালামালসহ ৬জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    নড়াইলে সরকারি ৩৯টি ল্যাপটপসহ বিপুল পরিমান চোরাই মালামালসহ ৬জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে
    নড়াইলে সরকারি ৩৯টি ল্যাপটপসহ বিপুল পরিমান চোরাই মালামালসহ ৬জনকে গ্রেফতার
    করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে নড়াইল এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোছা সাদিরা খাতুন।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, গত ২৬ জানুয়ারি স্বরসতী পূজাঁর দিন স্কুল বন্ধ
    থাকায় নড়াইলের লোহাগড়া থানার নলদী ইউনিয়নের বিএসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর শেখ
    রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের গ্রিল কেটে সরকারের আইসটি বিভাগ থেকে দেয়া ১৭ টি
    ল্যাপটপ ও ১৫ চার্জার চুরি হয়ে যায়। এঘটনায় প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে লোহাগড়া
    থানায় মামলা দায়ের করেন ( মামলা নং-২০), অপরদিকে গত ১৬ মার্চ ২০২৩ সদরের
    তুলারামপুর মালিডাংাগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১টি ল্যাপটর , ১টি
    প্রজেক্টর,১টি প্রিন্টার, ১টি সাউন্ড বক্স,১২টি বিআরবি সিলিং ফ্যান, ফিঙ্গার
    প্রিন্টার এবং ১৭ মার্চ সদরের চাকই পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
    থেকে ২টি ল্যাপটপ, ১টি প্রজেক্টর ও নগদ ১০ হাজার টাকা এবং একই দিনে সদরের
    হবখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ১২ টি বিআরবি সিলিং ফ্যান চুরি যায়। এ
    সব চুরির ঘটনায় সংশ্লিল্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগন বাদি হয়ে নড়াইল সদর
    থানায় দায়ের করেন।
    পরবর্তীতে জেলা পুলিশের সকল বিভাগের তৎপরতায় গোয়েন্দা পুলিশ ২১ মার্চ একটি
    সিমের সুত্র ধরে সিম ব্যাবহার কারী গোপালগঞ্জের মকসেদপুর থানার মোঃ শহিদুল
    তার সহযোগী রিজু সরদার সনাক্ত করে নড়াইল পৌর এলাকার ভওয়াখালী থেকে গ্রেফতার
    করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা চুরি কথা স্বীকার করে। পরে তাদের তথ্য মত বিভিন্ন
    জায়গায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ২২ শে মার্চ অভিযান চালিয়ে চোরাইকৃত ৩৯টি
    ল্যাপটপ,ল্যাপটপের চার্জার ১৪টি,সিলিং ফ্যান ৭২টি, প্রজেক্টর ৪টি, প্রিন্টার
    ৩টি ,স্ক্যানার ১টি,মিনি সাউন্ড বক্স ১৬টি,কম্পিউটার বক্স ২টি,কিবোর্ড ৩টি ও
    মাউচ ২টি উদ্ধার করে।
    এ ঘটনায় মোঃ শহিদুল ইসলাম (৩০), রিজু সরদার (১৮),মোঃ সোহবান মোল্যা (৩৮),
    মতিউর রহমান মোল্যা (৩৫) মোঃ আরমান মোল্যা (২০)সহ নেপাল দাস(৩০)কে গ্রেফতার
    করা হয়।
    পুলিশ সুপার মোছা সাদিরা খাতুন এর সভাপতিত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ দোলন
    মিয়া,সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুর রহমান,জেলা গোয়েন্দা শাখার
    ওসি মোঃ সাজেদুল ইসলাম,, জেলা পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তা,বিভিন্ন প্রিন্ট ও
    ইলেটট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক কর্মি, সংশ্লিষ্টরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • নাগরপুরে ২৫ মার্চ গণহত্যা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা

    নাগরপুরে ২৫ মার্চ গণহত্যা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা

    নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে ২৫ মার্চ গণহত্যা সম্পর্কে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) নাগরপুর মুক্তিযোদ্ধা উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে অত্র বিদ্যালয়ের হল রুমে মোঃ রওশন আলী খান এর সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক মো.আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় ২৫ মার্চ গণহত্যা সম্পর্কে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচক হিসাবে ২৫ মার্চ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ন তথ্যবহুল আলোচনা রাখেন সাবেক উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.মজিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা.মো.সোলায়মান মিয়া, সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুল করিম, সহকারী শিক্ষক মোখলেছুর রহমানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • রাজশাহীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ কলকাতা থেকে আগত অতিথিরা

    রাজশাহীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ কলকাতা থেকে আগত অতিথিরা

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী : রাজশাহী মহানগরীর পরিচ্ছন্নতা, সবুজায়ন, পরিকল্পিত নগরায়ন, রাতের আলোকায়ন ও সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছেন ভারতের কলকাতা থেকে আগত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সাংবাদিকেরা। দুই দিনের সফরে এসে রাজশাহীকে দেখে রাজশাহী নগরী ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তারা। রাজশাহীকে সৌন্দর্যের প্রতীক বলে অখ্যায়িত করেছেন তারা।

    বাংলা ওয়ার্ল্ডওয়াইডের আহবায়ক সৌম্যব্রত দাস বলেন, আমরা দুইদিন ধরে রাজশাহীতে আছি। বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখেছি। রাজশাহীর সব কিছুতে একটা পরিকল্পিত উন্নয়নের ছাপ দেখতে পেয়েছি। বিশেষ করে রাজশাহীর পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নে মুগ্ধ হয়েছি। দিনের রাজশাহী আর রাতের রাজশাহী আলাদা,দিনে পরিচ্ছন্ন ও রাতে আলোকউজ্জ্বল। বাংলাদেশের অন্য শহরও আমি দেখেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে অন্য শহরে তুলনায় রাজশাহী এগিয়ে আছে।

    কলকাতা প্রেসক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুর বলেন, রাজশাহীর সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ ও আতিথিয়েতায় আপ্লুত। রাজশাহীর নগরপিতা যেভাবে শহরকে সাজিয়েন, দেখেই বোঝা যাচ্ছে সব কিছুই পরিকল্পিত। দুই দেশের মানুষের সুস্থ সম্পর্ক বহমান থাকবে। আমাদের মধ্যে যোগাযোগ আরো নিবিড় হবে।

    রবীন্দ্র ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাস কমিউনিকেশন এন্ড ভিডিওগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শ্রী দেবজ্যোতি চন্দ বলেন, রাজশাহী সত্যিকার অর্থেই গ্রিন সিটি ও ক্লিন সিটি। এটি বাংলাদেশের এডুকেশন হাব। রাজশাহীর টাউন প্ল্যানিং, প্রশস্ত রাস্তা ও সবুজায়ন প্রক্রিয়াকে দেখে মুগ্ধ হয়েছি।

    তিনি আরো বলেন, ভারত-বাংলাদেশ যৌথভাবে বিভিন্ন কাজ করছে। উভয় দেশে ব্যবসা-বানিজ্য অনেক বাড়বে। সেক্ষেত্রে রাজশাহী গুরুত্বপূর্ণ শহর ভুমিকা পালন করবে। ভারত-বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের পিপল টু পিপল কন্টাক্ট, সিভিস সোসাইটি টু সিভিস সোসাইটি আদান-প্রদান আমাদের এই যাত্রা আরো সুদৃঢ় হবে।

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম ও ম্যাস কমিউনিকেশন বিভাগের প্রফেসর ড. সান্তুন চট্রোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের রাজশাহী শহরের কথা শুনেছিলাম। আমরা এসে দেখে মুগ্ধ হয়েছি। এতো সুন্দর ও পরিপাটি একটি শহর। বাংলাদেশের অন্য শহরের তুলনায় রাজশাহী এগিয়ে আছে বলে আমার কাছে মনে হয়েছে।

    বাংলা ওয়ার্ল্ডওয়াইডের সদস্য বিদ্যুৎ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশে এতো সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন একটি শহর আছে, রাজশাহীতে না আসলে জানতে পারতাম না। সত্যিকার অর্থেই রাজশাহী সোন্দর্যের শহর।

    উল্লেখ্য, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের আমন্ত্রণে দুই দিনের সফরে সোমবার (২০ মার্চ) রাজশাহীতে আসেন কলকাতার অতিথিরা। সোমবার বরেন্দ্র জাদুঘর, পদ্মাপাড়, টি-বাধ ও রাতে আলোকায়ন ঘুরে দেখেন তারা। মঙ্গলবার ( ২১ মার্চ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, তাহেরপুরের ঐতিহাসিক দুর্গামন্দির, নাটোর রাজবাড়ি ও পুঠিয়া রাজবাড়ী পরিদর্শন করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • বিল গেটস পরীক্ষায় ১৬০০ নম্বরে ১৫৯০ পেয়েও পড়াশোনা ছেড়ে দেন

    বিল গেটস পরীক্ষায় ১৬০০ নম্বরে ১৫৯০ পেয়েও পড়াশোনা ছেড়ে দেন

    মোঃ হায়দার আলীঃ বাবা-মা চেয়েছিলেন বিল গেটস আইনজীবী হোক। কিন্তু বিল গেটস সারা দিন পড়ে থাকতেন কম্পিউটার নিয়ে। স্কুলেই প্রোগ্রামিংয়ে হাতেখড়ি তার। নিজে নিজেই লিখে ফেলেন গেমিং প্রোগ্রামিং।

    স্কুল থেকে বহিষ্কার হন নীতিবিরুদ্ধ অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য। উল্টো হার্ভার্ডে এসে প্রোগ্রামিংয়ে আরও মনোযোগী হন তিনি। স্যাট পরীক্ষায় ১৬০০ নম্বরে ১৫৯০ পেয়েও পড়াশোনা ছেড়ে দেন তিনি। বন্ধু পল অ্যালেনকে নিয়ে গড়ে তোলেন মাইক্রোসফট। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এনে বদলে দিলেন পুরো কম্পিউটার জগৎ। মাইক্রোসফট হয়ে উঠল বিশ্বের শীর্ষ টেক কোম্পানির একটি। সেই সাফল্যেই এলো হাজার হাজার কোটি টাকা। এখন বিল গেটস ১০৫.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মালিক। বিশ্বের শীর্ষ ধনী তিনি। কত টাকা তার ?
    শীর্ষ ধনীর তকমাটা হাতছাড়া হয়েছিল বিল গেটসের। অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস তাকে টপকে গিয়েছিলেন। টানা দুই বছর শীর্ষ ধনীর জায়গাটি ধরে রেখেছিলেন জেফ বেজোস। তাকে পেছনে ফেলে বিল গেটস এখন বিশ্বের শীর্ষ ধনী। ১০৫.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মালিক তিনি। কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম মাইক্রোসফট উইন্ডোজ তৈরি করে তিনি বদলে দিয়েছিলেন কম্পিউটিং জগতের ইতিহাস। সেই মাইক্রোসফট এখন বিশ্বের শীর্ষ টেক প্রতিষ্ঠানের একটি। আবারও বিল গেটসের শীর্ষ ধনী হওয়ার পেছনে জেফ বেজোসের বিয়ে বিচ্ছেদ একটি বড় কারণ। বিয়ে বিচ্ছেদের কারণে সাবেক স্ত্রী ম্যাককেনজিকে ৩২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার দিতে হয় জেফ বেজোসকে। এতে বিশ্বে প্রথমবারের মতো ১৬০ বিলিয়ন ডলারের মালিক হওয়া বেজোসের সম্পদের পরিমাণ অনেক কমে যায়। অ্যামাজনের শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন হয়। অন্যদিকে ১৯৮৭ সালে শীর্ষ ধনীদের তালিকায় প্রবেশ করা বিল গেটস কয়েক বছর ধরে এক নম্বরে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। ২০০০ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত ফোর্বসের তালিকা অনুযায়ী ১২ বার শীর্ষ ধনীর তকমা পান তিনি। এর বাইরে সবসময়ই শীর্ষ তিনের মধ্যেই থেকে গেছেন ৬৪ বছরে পা দিতে যাওয়া এ ব্যবসায়ী। বিল গেটস তার দাতব্য ফাউন্ডেশনে ৩৫ বিলিয়ন ডলার দান করলে সম্পদের পরিমাণ অনেকটা কমে যায়। যদিও এখন টাকার পেছনে আর ছুটছেন না বিল গেটস। বরাবরই সে কথা বলে আসছেন তিনি। তার মনোযোগ দাতব্য প্রতিষ্ঠান নিয়ে। প্রতি সেকেন্ডে আয় ৩২ হাজার টাকা
    বিল গেটস মাইক্রোসফট থেকে সরে এসেছেন বেশ আগেই। এখন সময় দেন স্ত্রী ও তার নামে গড়া একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য। শত শত কোটি টাকা তিনি দান করছেন প্রতি মাসেই। এসব টাকার বেশির ভাগই খরচ হয়, দরিদ্র, শিক্ষা ও চিকিৎসাবঞ্চিত শিশুদের পেছনে। মাইক্রোসফট থেকে সরে এলেও তার টাকার পাহাড় আকাশ ছুঁয়েছে। এখনো প্রতি সেকেন্ডে তিনি আয় করছেন ৩২ হাজার টাকা! বিজনেস ইনসাইডার বিল গেটসের আয় নিয়ে এই অভুত তথ্যটি তুলে ধরে। গেটসের নিট সম্পদের মূল্য ক্রোয়েশিয়া, কম্বোডিয়া ও বাহামার মোট দেশজ উৎপাদনের সমান।

    প্রতিদিন ৮ কোটি টাকা খরচ করলেও ফুরাবে না ২১৮ বছরে…বিলিওনিয়ারদের টাকার পরিমাণ কত? কত হাজার কোটি টাকা তাদের তা বুঝে উঠতে হিমশিম খেতে হয় অনেকেরই। সহজ একটা হিসাব দেওয়া যাক। দিনে ৮ কোটি খরচ করলেও বিল গেটসের সব টাকা ফুরাতে লাগবে ২১৮ বছর। অক্সফামের এক গবেষণায় এ হিসাব দেওয়া হয়েছিল বেশ আগে। গার্ডিয়ান পরে খবর আকারে এটি প্রকাশ করে। তখন তার সম্পদ ছিল ৭৯ বিলিয়ন ডলার। আরেক মার্কিন ব্যবসায়ী ওয়ারেন বাফেট এ হারে খরচ করতে থাকলে ১৬৯ বছরে শূন্য হবে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। শৈশবেই প্রোগ্রামিং বহিষ্কার হন স্কুল থেকে
    বিল গেটসের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন শহরের সিয়াটলে। তার বাবা ছিলেন বিখ্যাত আইনজীবী। মা চাকরি করতেন একটি কোম্পানিতে। বাবা-মা চেয়েছিলেন বিল গেটস আইনজীবী হবেন। ১৩ বছর বয়সে বিল গেটসকে ভর্তি করা হয় লেকসাইড স্কুলে। বিল গেটস ততদিনে প্রোগ্রামিং নিয়ে নিজে নিজেই চর্চা শুরু করে দিয়েছেন। তার বাড়াবাড়ি রকমের এ প্রোগ্রামিং আগ্রহ দেখে স্কুল তাকে গণিত ক্লাস থেকে অব্যাহতি দেয়। কম্পিউটার সেকশনে বসেই তিনি প্রথম প্রোগ্রাম লিখে ফেলেন। এ প্রোগ্রামটি কম্পিউটারের সঙ্গে গেম খেলার জন্য ব্যবহার করে গেটস সবাইকে চমকে দেন। এরই মাঝে স্কুলে ডোনেশনের টাকায় কিছু ভালো মানের কম্পিউটার আসে। বিল গেটস তখন কম্পিউটার সেকশনের অন্য ছাত্রদের নিয়ে কম্পিউটার সেন্টার করপোরেশনের নীতিবিরুদ্ধ ডেমো অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কার করেন। কাউকে কিছু না জানিয়ে এটি কম্পিউটারে ব্যবহার করায় বিল গেটস ও তার তিন বন্ধু পল অ্যালেন, রিক ওয়েইল্যান্ড এবং কেন্ট ইভানসকে স্কুল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। ট্রোজান ঠেকিয়ে বিল গেটস অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কারের দিকে ঝুঁকে পড়েছিলেন। প্রোগ্রামিংয়ে বিল গেটসের কৌতূহল স্কুল থেকে কলেজ জীবনেও পৌঁছে যায়। তবে বড় ধরনের ম্যাজিক দেখান বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে। বন্ধুকে নিয়ে তৈরি করেন পৃথিবীকে বদলে দেওয়া এক অপারেটিং সিস্টেম।
    হার্ভার্ডে পড়াশোনা ছেড়ে শুরু করেন প্রোগ্রামিং
    প্যানকেক সর্টিং নামের এক গাণিতিক সমস্যার সমাধান করেছিলেন বিল গেটস। অধ্যাপকরা যখন সেই সমাধান সাময়িকীতে প্রকাশ করার জন্য বিল গেটসকে খুঁজে বের করলেন, দেখা গেল এ নিয়ে তার কোনো আগ্রহই নেই! তিনি ব্যস্ত প্রোগ্রামিং নিয়ে। মাইক্রোসফট বানাতে গিয়ে হার্ভার্ডে পড়াশোনাই ছেড়ে দিলেন…
    মেধাবী বিল গেটস হার্ভার্ডে পড়ার সময়ই প্রোগ্রামিংয়ে মজে যান। যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনায় শুরু করেন ফাঁকিবাজি।
    হার্ভার্ডে পড়ার সময় যেসব কোর্সের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন, তার একটিতেও হাজিরা দেননি। তাই বলে বাইরে ঘুরে বেড়ানো বা আড্ডাবাজিতে তাকে দেখা যেত না। উল্টো যে ক্লাসে বসতে ভালো লাগল সে ক্লাসে গিয়ে বসে থাকতেন। লেকচারারদের কথা মন দিয়ে শুনতেন। বিল গেটসের মুখস্থ বিদ্যা ছিল দারুণ। যে কারণে ক্লাসে ফাঁকিবাজি করলেও পরীক্ষার রেজাল্ট দেখে তা বোঝার জো নেই। ক্লাস না করেও সব সময় এ গ্রেড পাওয়া ছাত্রদের তালিকায় ওপরের দিকে থাকতেন তিনি। হার্ভার্ডে পড়ার সময় বিল গেটস সবার নজর কাড়েন পড়াশোনা দিয়েই। ‘প্যানকেক সর্টিং’ নামের দীর্ঘদিনের এক গাণিতিক সমস্যার সমাধান করে ফেলেন। প্রথমদিকে অধ্যাপকরা তার কথা বিশ্বাস করতে চাননি। তার এক অধ্যাপক ওই সমাধানটি একাডেমিক পেপারে প্রকাশ করতে বলেন। তবে এটি নিয়ে বিল গেটসের খুব একটা আগ্রহ দেখা যায়নি। কারণ ততদিনে পড়াশোনা বলতে গেলে ছেড়েই দিয়েছেন তিনি। তার ব্যস্ততা মাইক্রোসফট নিয়ে। নতুন আবিষ্কারের স্বাদ বিল গেটসকে আঁকড়ে ধরেছে। হার্ভার্ডের সাবেক অধ্যাপক ক্রিস্টোস পাপাডিমিত্র লিখেছেন, ‘দুই বছর পর যখন বিল গেটসকে ডেকে বলা হলো, তার সমাধানটি গণিতের সাময়িকীতে প্রকাশের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। তখন তার আগ্রহ দেখা যায়নি। সে নিউ মেক্সিকোর আলবুকার্কে মাইক্রোপ্রসেসরের মতো যন্ত্রের জন্য কোড লিখতে ছোট একটি কোম্পানি চালাতে আগ্রহী।’ সেই কোডিং প্রেম, প্রোগ্রামিংয়েই জন্ম নেয় মাইক্রোসফট। পৃথিবী বদলে দিলেন মাইক্রোসফট দিয়ে সাধারণ ব্যবহারকারীরা আরও সহজে কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য এ অপারেটিং সিস্টেম পেয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। ১৯৮৬ সালে মার্কিন পুঁজিবাজারে জায়গা করে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। রাতারাতি দাম বাড়তে থাকায় প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কিনে তিনজন বিলিয়নিয়ার এবং প্রায় ১২ হাজার আইপিও গ্রাহক মিলিয়নিয়ার বনে যান…

    ওয়াশিংটনভিত্তিক মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। বিল গেটস ও তার বন্ধু পল অ্যালেন মাইক্রোসফট গড়ে তুলেছিলেন। যখন শুরু করেছিলেন তখন তারা চেয়েছিলেন নিজেরাই তা ব্যবহার করবেন। পরে ঠিক করলেন সেই কম্পিউটার বিক্রিও করবেন তারা। যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার ঝুঁকি নিয়েছিলেন তারা। তখন বাজারে ছিল অলটেয়ার-৮৮০০ কম্পিউটার। সেই কম্পিউটারের জন্যই কিছু ইন্টারপ্রেটার টাইপের প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন তারা। ১৯৮০ সালের মাঝামাঝি জনপ্রিয় অপারেটিং সফটওয়্যার এমএস-ডস তৈরি করেন তারা। কম্পিউটার বাজারে দুই বন্ধুর রাজত্ব তখন থেকেই শুরু। তাদের অপারেটিং সিস্টেম বাজারে ব্যবহারকারীর মধ্যে আস্থা তৈরি করে। অল্প সময়ের ব্যবধানে অপারেটিং সফটওয়্যার মাইক্রোসফট উইন্ডোজ বাজারে ছাড়েন তারা। অবিশ্বাস্য সাড়া ফেলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ। সাধারণ ব্যবহারকারীরা আরও সহজে কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য এ অপারেটিং সিস্টেম পেয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। ১৯৮৬ সালে মার্কিন পুঁজিবাজারে জায়গা করে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। রাতারাতি দাম বাড়তে থাকায় প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কিনে তিনজন বিলিয়নিয়ার এবং প্রায় ১২ হাজার আইপিও গ্রাহক মিলিয়নিয়ার বনে যান। ১৯৯০ সালের দিকে প্রতিষ্ঠানটি অপারেটিং সফটওয়্যারের পাশাপাশি নিজেদের বাণিজ্য প্রসারের জন্য একের পর এক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ শুরু করে। ২০০০ সালে মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। ততদিনে সাফল্যের আকাশ ছুঁয়েছে মাইক্রোসফট। বিল গেটস হয়ে ওঠেন বিশ্বসেরা ধনী।

    ধনকুবের তবুও বার্গার কিনতে লাইনে দাঁড়ান
    বিশ্বসেরা ধনী। টাকার পাহাড় রয়েছে তার। যা চান- চাইলেই হাতের নাগালে পৌঁছে যায় সব। তবু সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত বিল গেটস। এ কথা অনেকবার বলেছেনও তিনি। তার কথার প্রমাণ এ ছবিটি। সিয়াটলে সেদিন উইকেন্ড (সপ্তাহের বন্ধের দিন)। সিয়াটলের ফাস্টফুড শপ ডিকস ড্রাইভ-ইন-এর লাইনে বার্গার কেনার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী বিল গেটস। লাল সোয়েটার, ধূসর রঙের প্যান্ট ও কালো স্নিকার পরা গেটস পকেটে হাত ঢুকিয়ে অপেক্ষা করছেন লাইনে। তার সামনে দেখা যাচ্ছিল এক তরুণকে। ফেসবুকে পোস্ট হওয়া ধনকুবেরের এ ছবিটির ব্যাপারে আমেরিকান সংবাদমাধ্যম বলছে, সেদিন মাত্র ৬০০ টাকা দামের খাবার কিনতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন বিল গেটস!

    ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সন্তানদের দেননি মোবাইল ল্যাপটপ-কম্পিউটার বিল গেটসের তিন সন্তান। ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত তাদের কারও হাতেই মোবাইল ফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ, ডেক্সটপ কম্পিউটার- কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র তুলে দেননি বিল গেটস। ঘরে খাবার টেবিলেও মোবাইল আনা নিষেধ। বিল গেটস একাধিকবার আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় বলেছেন, স্কুলে তাদের সহপাঠীরা মোবাইল ব্যবহার করত বলে আমার সন্তানরা মোবাইল-কম্পিউটার ব্যবহার করার জন্য গো ধরত। আমি দিতাম না। ঘুমের ব্যাঘাত হবে এটা মনে করেই ১৪ পেরোনোর পরও তাদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার করতে দেন না তিনি। সন্তানদের ঘুমানোর সময়টাও ঠিক করে দিয়েছেন। বিল গেটস নিজে বই পড়তে পছন্দ করেন। সন্তানদেরও বই পড়তে উৎসাহ দেন সব সময়। এ ছাড়া পরিবারের সবার সঙ্গে ঘুরতে যান সময় পেলেই। টেনিস খেলেন। বিল গেটস বলেন, সন্তানদের সময় দেওয়ার লোভ তার কখনই কমেনি।
    জীবনে সবচেয়ে বড় ভুল
    বিল গেটসের জীবনেও রয়েছে মস্ত বড় ভুল। সে কথা স্বীকারও করেছেন তিনি। অ্যাপল ছাড়া অন্য সব মোবাইলের প্লাটফর্ম হিসেবে অ্যানড্রয়েডকে বাড়তে দেওয়াই তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। এ কথা বুঝে নিতে সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীদের কষ্ট হওয়ার কথা নয়। বিশ্বজুড়েই অ্যানড্রয়েডযুক্ত মোবাইলের বাজার ছড়িয়েছে। এই বাজার দখল করতে পারত মাইক্রোসফট। ঠিক সময়ে অ্যানড্রয়েডকে প্রতিযোগিতায় নিয়ে আসতে পারলে আজ মাইক্রোসফট বিশ্বের অন্যতম সেরা টেক কোম্পানি না হয়ে একমাত্র টেক কোম্পানি হতে পারত। সেই সুযোগ হারিয়েছেন বিল গেটস।

    খাবার খেয়ে নিজেই প্লেট ধুয়ে রাখেন
    মেলিন্ডার সঙ্গে বিল গেটসের প্রেম জমে ওঠে ১৯৮৭ সালে। বিয়ে করেন ১৯৯৪ সালে। বিল গেটস সবসময় বলেন, বিয়ের পর থেকেই সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন তিনি। বিশ্বের শীর্ষ ধনী বলে আয়েশ কিংবা বিলাসিতায় গা ভাসাননি। এখনো বিল গেটস সবার আগে ঘুম থেকে উঠতে পছন্দ করেন। শরীর ও মন উভয়ের ব্যায়ামের মধ্য দিয়ে শুরু করেন দিনটা। ট্রেডমিলে টানা এক ঘণ্টা দৌড়ান। তার পর হালকা নাস্তা নিয়ে বসে পড়েন পত্রিকা পড়তে। ঘরের টুকটাক কাজ নিজেই করেন। রাতে খাবার খেয়ে নিজেই প্লেট ধুয়ে রাখেন। অবসরে বই পড়েন। সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনকুবেরের বাড়িঃ
    ওয়াশিংটনের মেডিনায় লেক ওয়াশিংটনের পাশে ৬৬ হাজার বর্গফুটের ওপর তৈরি হয়েছে বিল গেটসের বিলাসবহুল বাড়ি। এ বাড়ির দাম প্রায় ১৫ কোটি ৪২ লাখ ডলার। এ বাড়ির দেয়ালে রয়েছে অত্যাধুনিক সেন্সর। যে কেউ নিজের পছন্দমতো ঘরের তাপমাত্রা বদলে ফেলতে পারেন। ৫০০ বছরের পুরনো বহুমূল্যবান ডগলাস ফার গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি এ বাড়ির বেশির ভাগ অংশ। বাড়ির সামনে রয়েছে ৬০ ফুট লম্বা সুইমিং পুল। অত্যাধুনিক সুবিধাযুক্ত ২৪টি বাথরুম রয়েছে বাড়িটিতে। একসঙ্গে ২০০ জন অতিথি থাকতে পারেন অতিথিশালায়। মোট ছয়টি রান্নাঘর রয়েছে এখানে। ২ হাজার ১০০ বর্গফুটের লাইব্রেরিতে রয়েছে বেশ কিছু প্রাচীন পান্ডুলিপিসহ গেটসের ব্যক্তিগত লাইব্রেরি। সন্তানদের জন্য সম্পদ রেখে যাবেন না বিল গেঁস
    গেটস দম্পতির তিন সন্তান। দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে তাদের। বিনা পরিশ্রমে টাকা-পয়সা জীবন গঠনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে বলে মনে করেন গেটস দম্পতি। গেটস দম্পতি সন্তানদের কলেজে যেতে অনুপ্রাণিত করেন। সাধারণ জীবনযাপনে প্রয়োজনের বেশি টাকা তাদের হাতে তুলে দেন না তারা। গেটস দম্পতি চান সন্তানরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চাকরি করুক, নিজের ক্যারিয়ার নিজে তৈরি করে নিক। এতেই তারা জীবনের প্রকৃত স্বাদ খুঁজে পাবে। এ কারণেই বিপুল পরিমাণ সম্পদের কানাকড়িও সন্তানদের জন্য রাখার কোনো পরিকল্পনা নেই গেটস দম্পতির। সন্তানদের জন্য বিলিয়ন ডলারের কোনো ট্রাস্ট-ফান্ড গঠনেরও পরিকল্পনা নেই। গেটস দম্পতির মতে, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে বিপুল ধন-সম্পদ রেখে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। বিল গেটস নিজেই বলেন, এটি তাদের জন্য উপকারী নাও হতে পারে।

  • নড়াইলের সরশপুর এলাকায় মানুষের পারাপারের শেষ ভরসা চিত্রা খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো

    নড়াইলের সরশপুর এলাকায় মানুষের পারাপারের শেষ ভরসা চিত্রা খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল সদরের সরশপুর এলাকায় মানুষের পারাপারের শেষ ভরসা চিত্রা খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো। ৫২ বছর ধরে একটি পাকা সেতুর অভাবে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এখানকার চার ইউনিয়নের প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ। বর্ষা এলে দুর্ভোগ আরও বাড়ে। ঝড়বৃষ্টিতে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে সাঁকো পারাপার। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান,
    স্থানীয়রা এখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। দাবি পূরণ না হওয়ায় স্কুলশিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এছাড়া কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ায়ও পোহাতে হয় দুর্ভোগ। বছরের পর বছর ধরে একটি ব্রিজের অপেক্ষা এলাকবাসীর।
    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মরা চিত্রা নামের এ খালের উৎপত্তি মাগুরার শালিখা উপজেলার গড়েরহাট মোড়ে কাজলা নদী থেকে। পরে সেটি নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ও শাহাবাদ ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সেখান থেকে চণ্ডীবরপুর ইউনিয়নের রতডাঙ্গা ত্রিমোহনীতে গিয়ে চিত্রা নদীতে মিশেছে এ মরা চিত্রা। এই খালের ওপর প্রায় ১০ ফুট পরপর দুটি করে বাঁশের খুঁটি। এমন ১৮ খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে বাঁশের সাঁকোটি। ধরার জন্য আড়াআড়িভাবে দুই পাশে দুটি বাঁশ বেঁধে রাখা হয়েছে।
    নড়াইল সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের সরশপুর এলাকায় এই খালের দুই পাড়ে রয়েছে মাইজপাড়া ইউনিয়নের ছয়টি এবং শাহাবাদ ইউনিয়নের আটটি গ্রাম। রয়েছে মাইজপাড়া, সরশপুর, শাহাবাদ ও ধোন্দার মোড়ে চারটি হাটবাজার, একটি কলেজ, তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাঁচটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে ব্যবসায়ী, কৃষক, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থীসহ দুর্ভোগ পোহাতে হয় এসব গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে।
    যাতায়াতের জন্য এলাকাবাসী নিজেরাই সাঁকোটি তৈরি করেছেন বলে জানালেন খালের পশ্চিম পাড়ের চরবিলা গ্রামের বাসিন্দা আবু তালেব মোল্যা। এসময় আক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, কত নেতারে বল্লাম। কতবার চেয়ারম্যানদের বলছি। এখানে একটা পাকা সেতু বানিয়ে দিলে আমাদের কষ্ট কমে যায়। তারা শুধু বলে দেখতিছি। বুঝার পর থেকে ৫২ বছর শুধু শুনেই গেলাম কিন্তু ব্রিজ আর হলো না।
    দুই পাড়ের কয়েকজন বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশ স্বাধীনের পর এলাকার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এভাবেই চলাচল করছেন। এ সময়ে খালের দুই পাড়ের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নের অনেক ছোঁয়া লেগেছে। বদলে গেছে এলাকার চিত্র। বদলায়নি কেবল বাঁশের সাঁকোটি।
    স্থানীয়রা জানায়, নড়বড়ে এই সাঁকো পার হতে অনেক সময়ই শিশুরা পা পিছলে পানিতে পড়ে যায়। স্কুলগামী শিশুদের কথা বিবেচনা করে হলেও খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করার দাবি তাদের।
    এই খালের পূর্ব পাড়ে সরশপুর এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষার্থী সুমাইয়া জানায়, তার বাড়ি খালের পশ্চিম পাড়ের আড়ংগাছা গ্রামে। স্কুলে আসার সময় সাঁকো পার হতে ভয় লাগে।
    নড়াইলের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহির মেহেদী হাসান বলেন, ওই জায়গায় একটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ঠিকাদারও নিয়োগ করা হয়েছে। খুব দ্রুত সময়ে কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।
    মাইজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জসিম মোল্যা এবং শাহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, এখানে সেতু নির্মাণে তাদের চেষ্টার কোনো কমতি নেই। এত গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি তারা গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কিন্তু সেতু নির্মাণের মতো বরাদ্দ তাদের নেই। এখানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে সেতু বাস্তবায়ন করতে হবে।

  • মহেশপুরে খালিশপুর বাজারে বৈদ্যতিক শর্ট শার্কিটে আগুন লেগে ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ভুস্মিভূত

    মহেশপুরে খালিশপুর বাজারে বৈদ্যতিক শর্ট শার্কিটে আগুন লেগে ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ভুস্মিভূত

    শহিদুল ইসলাম ঝিনাইদহ মহেশপুর থেকেঃ-

    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার এস’বিকে ইউনিয়নে খালিশপুর বাজারে বৈদ্যতিক শর্ট শার্কিটে আগুন লেগে ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে একেবারে ছাই হয়ে গেছে এতে আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
    এঘটনায় স্বরজমিনে গিয়ে জানা যায় ২২ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১ টার সময় কালিগঞ্জ – জীবন নগর মহা-সড়কের পাশে অবস্থিত সড়ক বিভাগের জায়গায় টিনের বেড়া টিনের ছাউনি তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত ১১ জন ব্যাক্তি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা করে আসছিলো। রাত ১টার সময় বৈদ্যুতিক শর্ট শার্কিটে আগুন লেগে চা দোকানি পরিমল, টায়ার ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম, মটর সাইকেল গ্যারেজ জুয়েল আহাম্মেদ, সেলুন দোকানি ভরত কুমার, হাড়ি পাতিল ব্যবসিক আবুল হাশেম, উত্তম, খোকন, তকুব্বর, আসাদুল সহ ১১ জন ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো সম্পুর্ন ভাবে পুড়ে একেবারে ছাই হয়ে গেছে। এতে আনুমানিক প্রায় ১৮থেকে ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
    খবর পেয়ে মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের কর্মীরা দ্রত ঘটনাস্থল এসে আগুন নিভাতে সক্ষম হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা দ্রত আগুন নিভাতে সক্ষম না হলে বাজারে অবস্থিত অনেক ব্যবসায়ীর ক্ষতি সাধন হইতো।
    এ সংবাদ মহুর্থের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে পরে ঝিনাইদহ ৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাড,শফিকুল আজম খাঁন চঞ্চল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশী, ইউপি চেয়ারম্যান আরিফান হাসান নুথান চৌধুরী ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাহা পর্যবেক্ষণ করেন।
    ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আবুল হাশেম ও ভরত কুমার জানান তাহাদের সহায় সম্বল হারিয়ে একেবারে নিস্ব হয়ে গেছে বর্তমান তাহার অসহায় ভাবে জীবন যাপন করছে। এই মহুর্থে তাহাদের পাশে দাড়ানোর জন্য স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বদয় দৃষ্টি কামনা করছেন।