Author: desk

  • ধ/র্ষণের শিকা/র শিশুর বাবার সঙ্গে দু/র্ব্যবহার পঞ্চগড়ের চিকিৎসকের কু/রুচিপূর্ণ ভাষা

    ধ/র্ষণের শিকা/র শিশুর বাবার সঙ্গে দু/র্ব্যবহার পঞ্চগড়ের চিকিৎসকের কু/রুচিপূর্ণ ভাষা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি;

    পঞ্চগড়ের চিকিৎসকের কুরুচিপূর্ণ ভাষা ভিডিও ভাইরাল
    পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবুল কাশেমের একটি বিতর্কিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ধর্ষণের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি এক শিশুর বাবা ও স্বজনদের সঙ্গে তিনি কুরুচিপূর্ণ, অপমানজনক, কটূক্তিমূলক ও হুমকিসূচক ভাষায় কথা বলছেন।

    ভিডিওতে চিকিৎসকের মুখে শোনা যায়, এই ব্যাটা থানা যায় পরে রহিবো। বুঝিন নাই। কাগজ খান নিয়ে থানা যায় পরে রহিস। কি বালটা করবি করিস। হাসপাতালটা তোমরা চিড়িয়াখানা পাইছো। চিড়িয়াখানার মতো ভর্তি হবা। বেলেট কিনে নিয়ে যায় বাল কামাবা। মান-সম্মান তোমাদের কিছু নাই রে। একবারে নাক ফাটায় দিবো। থতমা উড়াই দেবো। নিজে মারামারি করার চিকিৎসাও করো। মুই মাইরা দিবা পারো। একদম থতমা উল্টায় দিম।

    এই ভিডিও প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠে। শত শত মানুষ ভিডিওটি শেয়ার করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। অনেকে বলেন, এ ধরনের অমানবিক আচরণের জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। শাহজাহান সোহেল নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

    রফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ইনি তো ডাক্তার নামে পঞ্চগড় জেলার একটা বেয়াদব মানুষ। আমার সাথেও খারাপ ব্যবহার করেছে। আমার মা হাসপাতালে সারারাত ভর্তি ছিল, কিন্তু সকালে রোগী দেখার সময় তিনি আমার মাকে চিকিৎসা দেননি। আমি বলতেই উনি চড়াও হয়ে বলেন, ‘আপনার মা তো পালাতক রুগি, রাতে নাকি পালিয়েছে’। এরপর তিনি নোংরা ভাষায় কথা বলেন ও মাস্তানির মতো আচরণ করেন।

    ডা. মোজাম্মেল হক নাহিদ লিখেছেন, মেডিকেল সাইন্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ‘কাউন্সেলিং’। রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে ভালো আচরণ করে ৭০-৭৫ শতাংশ রোগী ম্যানেজ করা সম্ভব। একজন বিসিএস সিনিয়র চিকিৎসক হয়ে এমন ভাষায় কথা বলা অনুচিত। এরকম কিছু ডাক্তারের জন্য গোটা চিকিৎসক সমাজকে অপমান সহ্য করতে হয়। সংশোধন হোন, সম্মান এমনি আসবে।
    এ বিষয়ে সিভিল সার্জন পঞ্চগড় সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি ভিডিও দেখেই তাকে শোকজ করেছি পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • দীর্ঘ ৫০ বছরের দুঃ/খ লা/ঘব হতে চলেছে শার্শার দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের, উপকৃত হবে ৫০ হাজার পরিবার

    দীর্ঘ ৫০ বছরের দুঃ/খ লা/ঘব হতে চলেছে শার্শার দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের, উপকৃত হবে ৫০ হাজার পরিবার

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ যশোরের শার্শা উপজেলার প্রস্তাবিত মাখলার খাল সংস্কার প্রকল্প বাস্তবে রুপ দিতে চলেছে। স্বাধীনতার পর থেকে ভারতীয় ইছামতী নদীর জোয়ারের পানিতে শার্শা উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের ৫২ টি বিল বরাবরই নিমজ্জিত থাকে। প্লাবিত হয় হাজার হাজার বিঘা আমন ফসলের জমি। ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজারো পরিবার। এবারও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। এবছরও ভারত থেকে আসা জোয়ারের পানি ইছামতী নদীর দু’কুল ছাপিয়ে রুদ্রপুর দাউদখালী খাল দিয়ে মাখলা বিলে প্রবেশ করে হাজার হাজার বিঘা ফসলের জমি ভাষিয়ে দেয়। এতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়। এ নিয়ে লোকসমাজ পত্রিকায় ছবিসহ বেশ কয়েকটি রিপোর্ট প্রকাশ হলে নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এলাকা পরিদর্শন করেন। এবং এর সমাধানের আশ্বাস দেন। পানি প্রবেশের পথ রুদ্রপুর দাউদখালী খালমুখে হওয়ার কারনে কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রবিউল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামকে খালের নকশা প্রনয়ন পুর্বক খাল সংস্কার ও কার্যকর স্লুইসগেট নির্মানের প্রস্তাবনা পেশ করার আহবান জানানো হয়। কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রবিউল হোসেন এবিষয়ে লোক সমাজকে বলেন, নকশা তৈরী করে যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডে জমা দেয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই এটি বাস্তয়ন হবে। তিনি বলেন এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডাঃ কাজী নাজিব হাসান যাবতীয় সহযোগিতা করছেন। তিনি আরও বলেন, মাখলা খাল পুণঃ সংস্কারসহ রুদ্রপুর দাউদখালী খালমুখে উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন স্লুইসগেট নির্মান এবং সাহেবের খালমুখ থেকে নতুন খাল খনন করে কলারোয়া উপজেলার সোনাই নদীর সাথে সংযোগ স্থাপনের নকশা এরই মধ্য জমা দেয়া হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন হলো ভারতীয় পানি ইছামতী নদী দিয়ে আর শার্শার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেনা। উপরন্তু শার্শা উপজেলার উত্তর ও দক্ষিনাঞ্চলের বর্ষার পানি মাখলা খাল দিয়ে সোনাই নদীতে প্রবাহিত হয়ে সুন্দরবন অঞ্চলে প্রবেশ করবে। ফলে শার্শা উপজেলার বিলগুলি আর প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। তখন আমন, ইরি ও তরকারি চাষ আগের মতই সম্ভব হবে। এতে করে উপজেলার ৫০ হাজারেরও অধিক চাষি উপকৃত হবেন। এতে করে দীর্ঘ ৫০ বছরের দুঃখের অবসান ঘটবে। শার্শা উপজেলার দক্ষিনাঞ্চলের সকল চাষিদের ভাগ্যেরও পরিবর্তন হবে ।

  • গোদাগাড়ীতে একটি স্কুল মাঠের গ-র্ত নিয়ে কার স্বার্থে অ-পপ্রচার

    গোদাগাড়ীতে একটি স্কুল মাঠের গ-র্ত নিয়ে কার স্বার্থে অ-পপ্রচার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আষাড়িয়াদহ
    কানাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে খেলার মাঠ থেকে মাটি খুড়ে গর্ত করায় বিদ্যালয়ের দুটি ভবন ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ভবনের পাশে খনন করা গর্তে পানি জমেছে। কিন্তু গর্তটি আজকে ভরাট করার পরে কার স্বার্থে, কেন এত অপপ্রচার ?

    ভাল কাজ করলে মানুষ, কিছু মানুষ বাঁকা চোখে দেখবে এটা স্বাভাবিক। তাই বলে কি ভাল বন্ধ করে জনগনকে সেবা বঞ্চিত করবেন। দশের চক্রে ভগমান মানকে ভুত হয়ে যায়।

    বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছিলেন, ‘উন্নয়ন হলো চেষ্টা এবং ভুলের একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। ‘বিজনেস গুরু রিচার্ড ব্রানসনের মতে, ‘নিয়ম মেনে কেউ হাঁটা শিখতে পারে না বরং চেষ্টা এবং বার বার ভুল পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হাঁটা শিখতে হয়।’
    তেমনটি ঘটেছে চর আষাড়িয়াদহ কাঁনাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি গর্ত করে মাটি উত্তোলন করে কয়েক ফুট দূরে ছাত্রছাত্রী এলাকার শিশুদের একটি মিনি পার্ক তৈরী করার জন্য অন্য একটি গর্তে নিয়ে যাওয়া হয়। দুই স্কুল কতৃপক্ষ, চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদ, সরকারী কর্মকর্তা এবং এলাকাবাসীর সাথে বসে মতামতে ভিক্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে কাজটি করা হয়।

    বন্যা ও বৃষ্টি কমে গেলে ওই গর্তটি পুনরায় মাটি ও বালু ভরাট করা হবে। প্রচুর বৃষ্টির কারণে খালটি পানিতে ভর্তি হয়ে যায়। জরুরী ভিক্তিতে আজকে খালটি ভরাট করা হযেছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল হক ভোলা। তিনি আরও জানান, কোন ভালকাজ সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে করতে গেলে প্রতিবন্ধকতা আসবেই। দুটি স্কুল কমিটির সদস্য, শিক্ষক, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, সরকারী কর্মকর্তা, এলাকার সুধিজনদের মিনি শিশু পার্কের ব্যপারে সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বন্যা ও বৃষ্টির কারণে মাটি না পাওয়ায় এবং পরবর্তীতে দ্রুত ভরাট করে দেয়া শর্তে ওই স্থান থেকে মাটি উত্তোলন করে পার্কের গর্ত ভারাট করা হয়। পার্কে জন্য আমাকে সকল মালামাল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে কার্যক্রম দূতগতিতে চলছে। আমি আজকেই স্কুলে ওই গর্ত ভরাট করেদিয়েছি।
    কিছু মহল আমাকে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিকট খারাপ করতে, উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্থ করতে ইমন, কবিরসহ কয়েকজন ফেসবুক সহ বিভিন্ন মাধমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন যাদের ভালকাজ দেখলে গায়ে জ্বর আসে।

    চর আষাড়িয়াদহ কাঁনাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসগর আলী জানান, সকলের সাথে আলোচনা করে মাটি উত্তোলন করে মাটি নিয়ে পার্কের কাজে ব্যবহার করা হয় এবং আজকে স্কুলের ওই গর্তটি ভরাট করা হয়েছে, কোন প্রকার সমস্যা হয় নি। সবাইকে অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করচ্ছি। সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস একই মন্তব্য করেন। চর আষাড়িয়াদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিন্টুর সাথে যোগাযোগ করা হলে রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, এলাকায় ভাল কাজ করা কষ্টকর। বিদ্যালয় কতৃপক্ষ, ইউনিয়ন পরিষদ, এলাকার সুধিজন নিয়ে মতামতের ভিক্তিতে আমরা মিনি পার্ক করছি, পার্কের সকল মালামাল চরে চলে গেছে, কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।বন্যা ও বৃষ্টির কারনে মাটি না পাওয়ায় ওই স্থানে গর্তটি করা হয়েছিল সেটি আজকে ভরা করা হয়েছে। এলাকার শিশু-কিশোরদের মাদক থেকে দূরে থাকতে বিভিন্ন লেখাধুলার ব্যবস্থা করা হয়েছে, বিনোদনের জন্য পার্ক করা হচ্ছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা করতে চাই। চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে তাড়াতাড়ি পৌছানোর জন্য স্পিডবোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিনামূল্যে রোগি, গর্ভবতী মা, দুস্থদের সেবা দেয়া হবে যা উদ্বোধন পর্য়ায়ে রয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • আদালতে মি-থ্যা মাম-লা দিয়ে দরিদ্র পান বিক্রেতার পরিবারকে হ-য়রানীর অ-ভিযোগ

    আদালতে মি-থ্যা মাম-লা দিয়ে দরিদ্র পান বিক্রেতার পরিবারকে হ-য়রানীর অ-ভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগরের এক দরিদ্র ও নরিহি পরবিাররে বিরুদ্ধে রংপুর ও বগুড়া আদালতে পৃথক দুটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। জানাযায়, গত ২০২৩ সালে রংপুর আদালতে সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নরে ফকিৎপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল ওহাব সেখ এবং তার ছেলে হৃদয় শেখকে (২৩) গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ী বানিয়ে রংপুর আদালতে আলমগীর হোসনে নামক এক ব্যক্তিকে বাদি সাজিয়ে ২০২৩ সালে এবং পরে ২০২৪ সালে বগুড়া আদালতে বেলাল হোসেন নামক এক ব্যক্তিকে দিয়ে হৃদয় শেখের নামে পৃথক আরেকটি হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করান প্রতারক ও দালাল হিসেবে পরচিতি শাহরয়িার কবির নামের এক ব্যক্তি। রংপুর আদালতে দায়েরকৃত মামলার নং-১৪৩/২৩ এবং বগুড়া আদালতে দায়েরকৃত মামলা নং- ৫১৭/সি/২০২৪। প্রতারক শাহরিয়ার কবিরের বাড়ী গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়, পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ফকিৎপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল ওহাব শেখ স্থানীয় সাতবাড়ীয়া বাজারের একজন ক্ষুদ্র পান বিক্রেতা এবং তার ছেলে হৃদয় শেখ ২০২৩ সালে সে সময় সাতবাড়িয়া কলেজের এইচ এসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। এরমধ্যে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহীনীতে সৈনিক পদে লোকবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে দরিদ্র পরিবার হওয়ায় আব্দুল ওহাব শেখ তার ছেলেকে বগুড়া পাঠান সেনাবাহীনীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য। এ সময় শাহরিয়ার কবির নামে ওই দালাল ও প্রতারকের খপ্পরে পড়েন হৃদয় শেখ। এ সময় হৃদয় শেখকে শতভাগ চাকুরির নিশ্চয়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে পরবর্তীতে সাদা স্ট্যাম্প ও ব্যাংকের ৪টি ব্ল্যাংক চেকের পাতা রেখে দেন এবং চাকরি না হলে সেগুলো ফেরত প্রদানের কথা বলেন। কিন্তু সে সময় চাকুরী না হলে ওই চেকের পাতা ও স্ট্যাম্প ফেরত চান হৃদয় শেখ ও তার পিতা। কিন্তু তা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন শাহরিয়ার কবির। এরমধ্যে ঢাকাতে নিজ যোগ্যতায় ফায়ার সার্ভিসে চাকুরী হয় হৃদয় শেখের। এরপর বিষয়টি ওই দালাল ও প্রতারক শাহরিয়ার কবির জানতে পেরে মোটা অংকের টাকা দাবি করে হৃদয় শেখের দরিদ্র পিতা পান বিক্রেতা আব্দুল ওহাব শেখের কাছে, তা না হলে মামলা দায়েরের হুমকি দেন । পরবর্তীতে টাকা না দিলে ওই প্রতারক রংপুর আদালতে আলমগীর হোসেন নামক এক ব্যক্তিকে বাদী বানিয়ে হৃদয় শেখ ও তার পিতা আবুল ওহাব শেখের কাছে ৮ লক্ষ টাকা পাওনা দাবি করে এবং বেলাল হোসেন নামক এক ব্যক্তিকে বাদী বানিয়ে রিদয় শেখের কাছে বগুড়া আদালতে ২২ লাখ টাকা ব্যবসায়ীক পাওনা দাবি করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। এদিকে পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়ীয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাছেত জানান, ২০২৩ সালে হৃদয় শেখ তার কলেজের শিক্ষার্থী ছিল। এবং তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল না হওয়ায় কলেজের পক্ষ থেকে ফ্রি বেতনে পড়াশনা করাতেন। এ বিষয়ে পাবনার সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপন জানান, একটি দরিদ্র পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনা খুবই দুঃখজনক,আমার জানামতে রিদয় এ উপজেলার সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের দরিদ্র একজন পান বিক্রেতার সন্ধান। এদিকে হৃদয় শেখ ও তার পিতা আব্দুল ওহাব শেখের মতো দরিদ্র একটি পরিবারের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক আদালতের কাছে সঠিক বিচার প্রার্থনার পাশাপাশি এ ঘটনার অন্তরালে থাকা ওই দালাল ও প্রতারক শাহরিয়ার কবিরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

    এম এ আরিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ময়মনসিংহে ৫ দফা দাবিতে নেজামে ইসলাম পার্টির বিক্ষো-ভ

    ময়মনসিংহে ৫ দফা দাবিতে নেজামে ইসলাম পার্টির বিক্ষো-ভ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি, মৌলিক সংস্কার ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে দ্রুত জাতীয় নির্বাচন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গানের শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ময়মনসিংহ শাখা।

    শুক্রবার (১৯সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় ময়মনসিংহ বড় মসজিদের সামনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ময়মনসিংহের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়।

    উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন নেজামী ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় সংগঠন সচিব অধ্যক্ষ আবু তাহের খান। প্রধান বক্তার বক্তব্যে জুলাই শহীদদের সাথে প্রতারণা করলে বাংলাদেশে আরেকটি গণ বিপ্লব ঘটবে জানিয়ে
    বলেন, শত শত শহীদের রক্তস্নাত বিরানব্বই ভাগ মুসলিম অধ্যূষিত বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে তামাশা করলে আরেকটি গণ বিপ্লব সংঘটিত হবে। জুলাই এরং শাপলার সৈনিকেরা ঘরে ফিরে যায়নি। একটা নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ না করে আমাদের এই বিপ্লবের মিশন শেষ হবে না।

    এসময় বক্তাগন অনতিবিলম্বে ঘোষিত পাঁচ দফা দাবী বাস্তবায়নের চুড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে জুলাই শহীদদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানানোর আহবান জানান। বাংলাদেশে আনারও ফ্যাসীবাদ কে পুনর্বাসিত করার চক্রান্ত রুখে দিতে সকল কে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গড়তে উদাত্ত আহ্বান জানান।

    নেজামে ইসলাম পার্টি ময়মনসিংহ আমীরহাফেজ মাওলানা আজিজুল হক এর সভাপতিত্বে ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতী শরীফুর রহমান এর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মহানগর আমীর ড. হাফেজ মাওলানা উমর ফারুক, মহানগর সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা সাইফুল মালেক সহ জেলা ও মহানগরীর নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশে বক্তারা আরো বলে, শত শত শহিদের রক্তস্নাত বিরানব্বই ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে তামাশা করলে আরেকটি গণবিপ্লব সংঘটিত হবে। জুলাই এবং শাপলার সৈনিকরা ঘরে ফিরে যায়নি। একটা নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ না করে আমাদের এই বিপ্লবের মিশন শেষ হবে না।

    সমাবেশে বক্তারা-১। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি।
    ২। মৌলিকসংস্কার ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে দ্রুত জাতীয় নির্বাচন। ৩। আওয়ামী ফ্যাসীবাদ ও তার দোসরদের বিচার, কার্যক্রম নিষিদ্ধ।
    ৪। শাপলার গনহত্যা, পিলখানা ও জুলাই হত্যাযজ্ঞের দ্রুত বিচার, এবং ৫। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গানের শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ এই ৫ দফা দাবি উত্থাপন করেন প্রধান অতিথি।

  • ময়মনসিংহে পিআর পদ্ধতিসহ পাঁচ দাবীতে জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল ও সমা-বেশ

    ময়মনসিংহে পিআর পদ্ধতিসহ পাঁচ দাবীতে জামায়াতের বিক্ষো-ভ মিছিল ও সমা-বেশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    পিআর পদ্ধতিতে আগামী জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদ ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ময়মনসিংহ মহানগরী।

    শুক্রবার ( ১৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩ ঘটিকায় ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
    তিনি বলেন, জুলাই সনদ এদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার। আরেকটি স্বৈরাচারী সরকার যেন আবার চেপে বসতে না পারে সেজন্য জুলাই সনদকে আইনী ভিত্তি দিয়ে পিআর পদ্ধতিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দিতে হবে। সন্ত্রাস, দুর্নীতিমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য জামায়াতের এ আন্দোলন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
    কর্মসূচিতে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। এসময় এই মুহূর্তে দরকার পিআর আর সংস্কার, পিআর পদ্ধতির নির্বাচন, দিতে হবে দিয়ে দাও, জামায়াত-শিবির জনতা, গড়ে তোলো একতা স্লোগান দিতে দেখা যায়

    মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ্ কায়সার এর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, ময়মনসিংহ মহানগরীর আমীর ও ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।

    সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করতে হবে। অবাধ, সুষ্টু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) নিশ্চিত করতে হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তিনি আগামী নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ আসনে সদর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে নগরবাসীকে আহবান জানান।

    সমাবেশ শেষ বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাউনহল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এসময় পাঁচ দফা দাবির স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে রাজপথ।

    উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশ বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভূইয়া, ময়মনসিংহ অঞ্চল টিম সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুল করিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন, ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ও ত্রিশাল সংসদীয় আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেল, সহ-সেক্রেটারি আনোয়ার হাসান সুজন, মাহবুবুল হাসান শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও নেত্রকোনা-৪ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার, শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য ডাঃ আব্দুল আজিজ, হায়দার করিম, খন্দকার আবু হানিফ, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারী প্রমুখ ।

  • গোপালগঞ্জে এম এইচ খান মঞ্জুর গ-ণসংযোগ ও ৩১ দফার লিফলেট বি-তরণ

    গোপালগঞ্জে এম এইচ খান মঞ্জুর গ-ণসংযোগ ও ৩১ দফার লিফলেট বি-তরণ

    কে এম সাইফুর রহমান নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে
    গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান এম এইচ খান মঞ্জু আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-২ আসন থেকে দলীয় মনোয়ন পেতে সর্বত্র জনসংযোগ ও সাধারণ জনগণ ও ভোটারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করে চলেছেন।

    শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপালগঞ্জ জেলা শহরের বড়বাজার ও বটতলা বাজারে, মোহাম্মদপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ করার সময় বলেন, কোন অসাধু ব্যক্তি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দলের নাম ভাঙিয়ে অথবা আমার নাম ব্যবহার করে, গোপালগঞ্জ-২ সংসদীয় এলাকায় কোন সালিশ বাণিজ্য অথবা অপকর্মের সাথে লিপ্ত থাকে তাহলে তাকে আইনের হাতে তুলে দিন অথবা আমাকে জানান। আমি তাকে আইনের হাতে তুলে দেবো। তিনি আরও বলেন, বিএনপি বহু দলীয় গনতন্ত্রে বিশ্বাসী সুশাসনের পক্ষের একটি রাজনৈতিক দল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী দলের নেতাকর্মীরা দলের জনপ্রিয়তা অক্ষুন্ন রাখতে ত্যাগ ও পরিশ্রম করে যাচ্ছেন যার সুফল অচিরেই মিলবে।

    এছাড়াও তিনি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমুলক মামলায় গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে আটক জেলা বিএনপি নেতা মাহাবুব আলী সোহেলকে দেখতে যান। পরে তিনি সোহেলের বাসভবনে গিয়ে সোহেলের মা ও স্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি সোহেলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক ও মিথ্যা মামলা দায়েরের বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতাদের অবগত ও সকল প্রকার সহায়তা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

    এ সময় জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এস এম সুমন, জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক এস এম হুমায়ুন কবীর, পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খান ঝান্টু, কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মন্দিরের সভাপতি রমেন্দ্রনাথ সরকার, সদর উপজেলার গোবরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান টুটুল, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো: লিটন মিয়া, জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক মাসুদ শেখ সহ বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • শাজাহানপুরের চোপিনগর ইউপি নির্বাচনে জামায়াত মনো-নীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা আ.ন.ম ইয়াহিয়া

    শাজাহানপুরের চোপিনগর ইউপি নির্বাচনে জামায়াত মনো-নীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা আ.ন.ম ইয়াহিয়া

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়ার শাজাহানপুরে চোপিনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বিহিগ্রাম এ.ডি.ইউ সেন্ট্রাল ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আ.ন.ম ইয়াহিয়ার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার(১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিহিগ্রাম এ.ডি.ইউ সেন্ট্রাল ফাযিল মাদ্রাসার মিলনায়তনে কর্মী সমাবেশে জেলা জামায়াতের বায়তুলমাল সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল্লাহিল বাকী আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন।

    এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে এমপি প্রার্থী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী, উপজেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহমান, উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুস সালাম, আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ প্রামাণিক, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি হাফেজ মোকলেছুর রহমান মুকুল, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি তারেকুল ইসলাম তারেক, উপজেলা বায়তুলমাল সেক্রেটারি উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মোমিন, উপজেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি প্রভাষক মাওলানা কাওসার আলী, চোপিনগর ইউনিয়ন আমীর ডাঃ সালেকুর রহমানসহ উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য, ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    এছাড়া গত ২৫ আগস্ট উপজেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলনে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন আড়িয়া ইউনিয়নে উপাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহমান, মাঝিড়া ইউনিয়নে মাওলানা আব্দুস সালাম, খরনা ইউনিয়নে আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ প্রামাণিক, গোহাইল ইউনিয়নে মাওলানা শহিদুল ইসলাম, আশেকপুর ইউনিয়নে মাওলানা আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মাদলা ইউনিয়নে অধ্যাপক গাজীউর রহমান, খোট্রাপাড়া ইউনিয়নে অধ্যাপক শাইদুল ইসলাম, আমরুল ইউনিয়নে আশরাফুল মান্নান সামাউন।

  • গৌরনদীকে বা-ল্যবিবাহ ও মাদ-কমুক্ত করতে তরুন সমাজের শপথ

    গৌরনদীকে বা-ল্যবিবাহ ও মাদ-কমুক্ত করতে তরুন সমাজের শপথ

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    ‎‎গৌরনদী প্রতিনিধি।
    বরিশালের গৌরনদীতে “বাল্যবিবাহ ও মাদক প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা ও সচেতনতা” শীর্ষক সেমিনার ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিকেল ৪টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে গৌরনদী ডিবেটিং সোসাইটি (জিডিএস)। সার্বিক সহযোগিতা করে উপজেলা প্রশাসন ও গৌরনদী পৌরসভা।
    ‎‎অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গৌরনদী ডিবেটিং সোসাইটির প্রধান পরিচালক মোঃ বাপ্পি শিকদার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক রিফাত আরা মৌরী। ‎বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শাহতা জারাব সালেহীন, গৌরনদী প্রেসক্লাবের আহবায়ক ও পৌর নাগরিক কমিটির সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, গালর্স স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নির্মল হালদার, পৌর জামায়াত ইসলামের আমির মো. হাফিজুর রহমান এবং মাহিলারা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক জিনাত জাহান খান, গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ অলিউল ইসলাম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র প্রতিনিধি গোলাম মোর্শেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন পালরদী মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের শিক্ষক রাজা রাম সাহা। ‎সেমিনারে বাল্যবিবাহ ও মাদকের ভয়াবহতা এবং তা প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, সমাজ পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি তরুণরাই। তাদের সচেতনতা ও সাহসী অবস্থান বাল্যবিবাহ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ‎সেমিনার উপলক্ষে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় গৌরনদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মাহিলারা ডিগ্রি কলেজ। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ‎অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় তরুণদের সক্রিয় উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং সবাই বাল্যবিবাহ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। বাল্যবিয়ে ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং ডিবেটিং সোসাইটির বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন। প্রধান অতিথি ইউএনও রিফাত আরা মৌরি।

  • কুমিল্লার মাঠে মোহামেডান স্পোটিং কে ৪-১ গোলে হারালো  বসুন্ধরা কিংস -গ্রুপ চ্যালেঞ্জ কাপ 

    কুমিল্লার মাঠে মোহামেডান স্পোটিং কে ৪-১ গোলে হারালো  বসুন্ধরা কিংস -গ্রুপ চ্যালেঞ্জ কাপ 

    কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন, 

    ঘরোয়া মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্ট বসুন্ধরা গ্রুপ চ্যালেঞ্জ কাপে মোহামেন স্পোর্টিংকে ৪-১গোলের বড় ব্যবধানে হারালো বসুন্ধরা কিংস। শুক্রবার কুমিল্লা  স্টেডিয়ামে উত্তেজনাকর ম্যাচ উপভোগ করে দর্শকরা। 

    মাঠ পুরোপুরি প্রস্তুত না থাকায় শুরু হতে দেরি হয় ১১ মিনিট। খেলা শুরুর পর মাত্র ১৩ মিনিটের মধ্যেই দেখা মেলে দুটি পেনাল্টির। দোরিয়েলতন গোমেস নাসিমেন্তো দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর মোহামেডানকে সমতায় ফেরান মোজাফ্ফর মোজাফ্ফরভ। এরপর রাফায়েল আগুস্তো ও ইমানুয়েল সানডের লক্ষ্যভেদের পর দোরিয়েলতনের দ্বিতীয় গোলে বড় জয় নিশ্চিত হয় বসুন্ধরা কিংসের।

    ৬২তম মিনিটে বড় ধাক্কাটা খায় কিংস। মোহামেডানের মিনহাজুর আবেদিন রাকিবকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন মিডফিল্ডার সোহেল।

    ৭২ মিনিটে কর্নার থেকে তৈরি হওয়া সুযোগে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত ভলিতে গোল করেন রাফায়েল আগুস্তো, এগিয়ে যায় কিংস।

    ৭৫ মিনিটে দোরিয়েলতনের কাটব্যাক থেকে গোল করে সাবেক ক্লাব মোহামেডানের বিপক্ষে ব্যবধান বাড়ান এমানুয়েল সানডে। শেষদিকে ৮৬ মিনিটে মোহামেডান ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে চতুরতার সঙ্গে গোল করে ব্যবধান ৪-১ করেন দোরিয়েলতন।

    এরপরই মোহামেডান সমর্থকরা গ্যালারি থেকে মাঠে ফ্লেয়ারসহ নানা কিছু ছুঁড়তে থাকেন। তাতে খেলা বন্ধ থাকে কিছুক্ষণ। পরিস্থিতি ঠাণ্ডা হলে ফের শুরু হয় খেলা, কিন্তু মোহামেডান পারেনি ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো ইঙ্গিত দিতে। হারের হতাশা নিয়ে নতুন মৌসুম শুরু হলো আলফাজ আহমেদের দলের।শেষ পর্যন্ত ৪- ১ গোলের পরাজয় স্বীকার মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।