Author: desk

  • কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম ইফতার

    কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম ইফতার

    ‌মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,
    কুমিল্লা থেকে ।

    কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    নগরীর রাজগঞ্জ একটি পার্টি সেন্টারে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    সংগঠনের সভাপতি একাত্তর টিভির নিজস্ব প্রতিবেদক কাজী এনামুল হক ফারুক এর সভাপতিত্বে ইফতারের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল আবু নাসের।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন-কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার,
    জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ,
    প্যানেল মেয়র হাবিবুল আল আমিন সাদী,
    মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু,
    জেলা জাতীয়পার্টির সদস্য সচিব ওবায়দুল হক মোহন ।
    ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নিউজটোয়েন্টিফোর টিভির হুমায়ুন কবির জীবনের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তৃতা করেন-কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, শিরোনাম সম্পাদক নীতিশ সাহা
    , সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার গোলাম কিবরিয়া
    ,সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান, পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর মাসুম,
    ফটোসাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ওমর ফারুকী তাপস,
    মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত্য দাস টিটু,উদিচীর সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন সিদ্দিকীসহ আরো অনেকে।
    আরো উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের সহ-সভাপতি সময় টিভির বাহার রায়হান,সাংগঠনিক সম্পাদক চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জাহিদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক ইনডিপেডেন্ট টেলিভিশনের তানভীর দিপু,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাই টিভির আবু মুছা, নির্বাহী সদস্য –এখন টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান খালেদ সাইফুল্লাহ, ডিবিসির নাছির উদ্দিন চৌধুরী,আনন্দ টিভির সৈয়দ আহসান হাবীব পাখী, দেশটিভির সুমন কবির,এশিয়ার টিভির আজিজুল হক,এখন টিভির মাসুদ আলম,এসএ টিভির রফিকুল ইসলাম,বিজয় টিভির হুমায়ুন কবির মানিক,চ্যানেল এস টিভির রাজিব সাহাসহ আরো অনেকে।
    পরে প্রয়াত সাংবাদিকদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন কান্দিরপাড় জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ ক্বারি মো: ইব্রাহিম ।
    ইফতার ও দোয়ায় জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।

  • বরগুনার তালতলীতে ইউসিবি’র ৪১১তম এজেন্ট শাখা উদ্বোধন

    বরগুনার তালতলীতে ইউসিবি’র ৪১১তম এজেন্ট শাখা উদ্বোধন

    মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড এর ৪১১তম এজেন্ট শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে।

    সোমবার (২৭ শে মার্চ) দুপুর ১২টায় ভূমি অফিস সংলগ্ন তালতলী বাজারে এ শাখার উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে তাকওয়া ইসলামি ব্যাংকিং এর সুবিধা সম্বলিত ব্যাংকটির এ এজেন্ট শাখার উদ্বোধন করেন তালতলী উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবি-উল-কবির,ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের আমতলী ব্রাঞ্চ ইনচার্জ
    মো.বজলুর রহমান, এজেন্ট ব্যাংকিং বরিশাল জোন এরিয়া ম্যানেজার মো.জাকির হোসেন, তালতলী শাখার
    এজেন্ট ওনার মো.ওলিউল্লা রিয়াজএবং বাজারের ব্যবসায়ীসহ গন্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ ব্যাপারে এজেন্ট ব্যাংকিং বরিশাল জোন এরিয়া ম্যানেজার মো.জাকির হোসেন বলেন, আলোর পথে, সবার সাথে এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সম্পূর্ণ সুদবিহীন ইসলামি ব্যাংকিং এরএকটি এজেন্ট আউটলেট এটি। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীসহ সকল পর্যায়েরগ্রাহকেরা সাচ্ছন্দ্যে ও ঝামেলাবিহীন সেবা পাবেন।

    মংচিন থান
    বরগুনা প্রতিনিধি

  • রুপালীর বহুবিবাহই যেন প্রতারণার নেশা

    রুপালীর বহুবিবাহই যেন প্রতারণার নেশা

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের দঃ নারায়ঞ্জন এলাকায় বসবাসরত মোঃ মোশারফ হোসনের মেয়ে রুপালীর বহুবিবাহই যেন প্রতারণার নেশা।গত ২৩ বছরে করেছেন ৫ বিয়ে।

    রুপালী পঞ্চম স্বামী নিয়ে সংসার করলেও তার দেওয়া মিথ্যা মামলায় কারাবাস করছেন তৃতীয় স্বামী জনাব আলী। জনাব আলীর বর্তমান স্ত্রী শ্যামলী খাতুন অভিযোগ করে বলেন আমার স্বামী জনাব আলীর সাথে (সাবকে স্ত্রী) রুপালীর ০৭/১০/২০১২ইং তারিখে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিল। যাহা গত ২৩/০৭/২০২০ইং তারখি রুপালী র্কতৃক মামলার ধারাবাহিকতায় ২১/০৯/২০২০ইং খোলা তালাকের মাধ্যমে উভয় পক্ষের সম্মতিতে ও সরকারি বিধি মোতাবেক তালাকপ্রাপ্ত হয়।(কপি সংরক্ষতি)

    তথ্য অনুসন্ধানে ধারাবাহিক র্বণনাঃ

    রুপালীর প্রথম স্বামী মজিদুল ইসলাম বলেন- রুপালীর সাথে আমার দুই বছরের মতো সংসার হয় । হঠাৎ নাইয়োরের উদ্দেশ্যে বাবার বাড়ীতে বেড়াতে গেলে আর আমার সংসার করবে না র্মমে জানায়। কারন বিহীন আমার সংসার না করার সিদ্ধান্তে আমি পারিবারিক ভাবে আলোচনা করে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে তৎসময়ে ১৫০০০০/-(এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে কাজী অফিসের তালাক সম্পন্ন করতে বাধ্য হই।

    দ্বিতীয় স্বামী- আনিছুর রহমান বলেন- আমার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আমার র্সবস্ব ধ্বংস করে সংসার ভেঙ্গে চলে যায়, সে ধাক্কা আমি এখন সামলে উঠতে পারি নাই।

    তৃতীয় স্বামী কারাবন্দী জনাব আলীর সাথে কারাগারে স্বাক্ষাৎকালে তিনি বলেন- রুপালীর সাথে বিয়ের পর সামান্য বিষয়ে হরহামেসাই ঝগড়া ও কথা কাটাকাটি হতো। এমন ঘটনায় আমি খুব চিন্তিত ছিলাম এবং পরে বুঝতে পারি আমার স্ত্রী(রুপালী) পর-পুরুষে আসক্ত। এরই ধারাবাহিকতায় রুপালী আমাকে ছেড়ে চলে যায়। অতঃপর আইন অনুযায়ী আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয় । তালাকের মাধ্যমে সমস্ত আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন হয় । কিন্তু তারপরেও আমাকে মামলা দিয়ে আজবধি হয়রানি করে যাচ্ছে। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।

    চতুর্থ স্বামী মোখলেছুর রহমান বলনে- এই মহিলা (রুপালী) পর-পুরুষ ছাড়া কিছুই বোঝে না। সামাজিক ভাবে মানুষকে মানহানি করে ও কৌশলে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই তার কাজ।

    পঞ্চম স্বামী রবিউল ইসলাম বলেন- পূর্বের চারটি স্বামীর কথা আমার জানা ছিল না। আমি শিক্ষক মানুষ, অতো খোঁজ খবর নিতে পারি নাই । আমার সরল মনে ধোকা দিয়ে আমাকে সে বিয়ে করেছে । কন্তিু মান সম্মানের ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারছিনা।

    জনাব আলীর র্বতমান স্ত্রী শ্যামলী খাতুন অভিযোগ করে বলেন- আমার স্বামীর সাথে আইনানুক ভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এবং মোহর বাবদ ১০০১০৯/-(এক লক্ষ এক শত নয় টাকা) স্বাক্ষীগনের সামনে সর্ম্পূণ টাকা আইনানুক ভাবে প্রদান করা হয়। যাহার সমস্ত কাগজ পত্রাদি আমাদের কাছে রয়েছে। কিন্তু রুপালী বেগম (সাবেক স্ত্রী) মিথ্যা মামলা দিয়ে আমার স্বামীকে হেনস্থা করছে। মামলা তুলে নেওয়ার কথা বলে অতিরিক্ত ১০০০০০/-(এক লক্ষ) টাকা নিয়েও মামলা তুলে নেয়নি। এমতাবস্থায় আমার স্বামী আদলতের আদেশে কারাগারে। আমি বিষয়টি পুনঃ তদন্তের ভিত্তিতে ন্যায় বিচার চাই।

  • উত্তর ও দক্ষিণ বিভাগের বিশেষ টিম কর্তৃক ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ০৩ টি ছুরি সহ ০৪ (চার) ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতার

    উত্তর ও দক্ষিণ বিভাগের বিশেষ টিম কর্তৃক ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ০৩ টি ছুরি সহ ০৪ (চার) ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতার

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর ও দক্ষিণ) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার নিহাদ আদনান তাইয়ানের সার্বিক দিক-নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সোনাহর আলীর তত্ত্বাবধানে, পুলিশ পরিদর্শক রিপন কুমার দাসের নেতৃত্বে বিশেষ টিমের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৭/০৩/২০২৩ খ্রি: তারিখ ০০:৫৫ ঘটিকার সময় অভিযান পরিচালনা করে সিএমপি’র বাকলিয়া থানাধীন কালামিয়া বাজার সংলগ্ন লন্ডন বেকারির সামনে ওভার পাসের নিচে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতির কালে ০৩ (তিন) টি ছুরি সহ ডাকাত দলের সদস্য মো: দ্বীন ইসলাম @মুন্না @ কামাল (৩৪), শেখ ফরিদ (২৫), মো: বেলাল হোসেন (৩১) এবং মো: রুবেল (২৫)’কে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ অস্ত্র আইনে ০৫ টি, শেখ ফরিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র সহ মাদকের ০৪ টি এবং আসামি বেলালের বিরুদ্ধে একটি অস্ত্র মামলা আছে। তাদেরকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে গভীর রাতে চলাচলরত পথচারীদের জিম্মি করে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য সমবেত হয়েছিলো। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

  • উজিপুরে পাগলীটাও মা হয়েছে, বাচ্চার বাবা হয়নি কেউ

    উজিপুরে পাগলীটাও মা হয়েছে, বাচ্চার বাবা হয়নি কেউ

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি।

    পাগলী মা হয়েছেন। খবর পেয়ে সবাই দেখতে এসেছেন মা ও বাচ্চা শিশুকে।ফুটফুটে শিশুর মায়াবী মুখ দেখে সবারই মমতায় আগলে রাখার ইচ্ছে। কিন্তু কেউ আর শিশুটির বাবার পরিচয় দেননি।ঘটনাটি ঘটেছে ২৭শে মার্চ সোমবার রাত পোনে এগারোটার দিকে বরিশালের উজিরপুরের ইচলাদী টোল প্লাজার পার্শের বালুর মাঠে। শিশুর কান্নার শব্দে স্থানীয়রা পাগলীর কাছে গেলে দেখে সদ্য পৃথিবীর আলো ফোটা এক ফুটফুটে পুত্র সন্তান,মানুষের ভীর ও বাড়তে থাকে।

    এলাকাবাসী ও উজিরপুর পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর আখি বেগম তৎখানিক শিশুটিকে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। শিশুটির পাগলী মা কে চিকিৎসার জন্য পরবর্তীতে খুজতে গেলে খুজে পাওয়া যায়নি।শিশুটি বর্তমানে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে।

  • জমি দখলের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে  মামলা দিয়ে হয়রানি

    জমি দখলের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মামলা দিয়ে হয়রানি

    নাজিম উদ্দিন রানাঃ লক্ষ্মীপুর কমলগরে চার পরিবারের নারীসহ ৯ দিনমজুরের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখল ও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির করার অভিযোগ উঠেছে মাকছুদুর রহমান গংদের বিরুদ্ধে। 
    গণমাধ্যম কর্মীদের এ তথ্য নিশ্চিত  করেছেন ভুক্তভোগী মোঃ খোকন, মোঃ মনির আহম্মেদ , লোকমান হোসেন, শাহাব উদ্দিন , ইউসুফ, বিবি কুলসুম, ফাতেমা বেগম, কহিনুর বেগম গংরা। সোমবার  বেলা ১১টায় লক্ষ্মীপুর কমনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের আব্দুর রব মাঝি বাড়িতে তাদের অসহায়ত্বের চিত্র তুলে ধরেন ভুক্তভোগী পরিবার। 

    মামলার আসামী মোঃ খোকন, লোকমান, বিবি কুলসুম, কহিনুর বেগম বলেন, ডিআরা ৪৬,২৯১ ৬১৭ খতিয়ানে ১ একর ৬২ ডি বাড়ি, রাস্তাসহ ভোগ দখল করে আসছেন মূল মালিক আব্দুর রব মাঝির ওয়ারিশ এবং খরিদ সূত্র মালিক, মেয়েরাসহ ৬ পুত্র। ১৯৮৭ সালে ৪২৮৬ দলিল মূলে ৭২ শতাংশ জমি খরিদ সূত্রে মালিক হয়  আবুল বাশারসহ  ৬ ভাই। গোলাম মাওলা চৌধুরী গংদের থেকে ৭২ শতাংশ জমি খরিদ সূত্রে মালিক আবুল বাশার গংরা। একই দলিল মূলে ১২ শতাংশ জমির মালিক শাহাজাহান মাঝি, মাকছুদুর রহমান, কবির হোসেন, আবুল কাশেম, জয়নাল মাষ্টার। তারা ১২ শতাংশ জমির মালিক হয়ে ৮৫ শতাংশ জমি আরএস খতিয়ানে অবৈধভাবে  রেকর্ড করে মালিকানা দাবি করে জোর জবরদস্তি করে সন্ত্রাসী কায়দায় একেরপর এক জমি দখল করে আসছেন শাহাজান মাঝি গংরা।

    জমির মালিক মোঃ খোকন, আছিয়া বেগম, সাহিনুর, বলেন,গত ১৫ মার্চ  আমাদের ভোগ দখলকৃত জমিতে চারাগাছ রোপন করতে গিলে কমলনগর থানা  এসআই সিরাজ আমাদের জমির দলিলপত্র নিয়ে থানা আসার জন্য বলেন, কাগজপত্র নিয়ে থানায় গেলে কমলনগর থানার আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিনের নির্দেশে গত ১৬ মার্চ আমাদের পরিবারের নারীসহ  ৯ জনের বিরুদ্ধে  মিথ্যা মারামারির মামলা করেন। মামলার বাদী মাকছুদুর রহমান,মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে বাদীর মাথায় লোহার রডদিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয় মোবাইল চুরির ঘটনায় মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানির করেন মাকছুদুর রহমান গংরা। সোমবার ২৭ মার্চ আবদুল সহিদের জামিন মুক্তি পান আদালত থেকে।এর আগে ৮ জনের জামিন নেন আদালত থেকে।আমরা এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবি জানায়।

    এ ঘটনায় মামলার বাদী মাকছুদুর রহমান জানিয়েছেন, তার মাথায় কোন আঘাতের চিহ্ন নেই, জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে মামলা করেছেন,তবে আসামীর জামিন বিরোধীতা করেননি তিনি। জমি বিরোধ নিষ্পত্তি দাবি করেন মাকছুদুর রহমান। 

    এ বিষয়ে কমলনগর থানায় ওসি সোলায়মান জানিয়েছেন জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মারামারি ঘটনা মামলা হয়েছে।

  • গোপালগঞ্জে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ঘোড়-প্রতিযোগীর আগমন ঘটে এখানে। প্রতিযোগিতা ও গ্রামীণ মেলা উপভোগ করতে আশপাশের কয়েক জেলা থেকে আগত নানা বয়সের লাখো মানুষের সমাগমে স্থানটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। প্রতিযোগতা শেষে দেয়া হয় পুরস্কার।

    বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গাজী হাফিজুর রহমানের উদ্যোগে দাসেরহাট গ্রামবাসী তৃতীয়বারের মত এ প্রতিযোগীতার আয়োজন করে।

    একসময় দেশের জাতীয় অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গ্রামের মানুষের চিত্ত বিনোদনের সুযোগ করে দিত ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগীতা। কিন্তু শহরের হাওয়া গ্রামে উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এখন আর তেমন একটা ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগীতা দেখা যায় না।

    তাই মানুষের চিত্ত বিনোদনের জন্য সোমবার (২৭ মার্চ) বিকালে দাসেরহাট গ্রামের গো-চারণ মাঠে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগীতায় গোপালগঞ্জ, যশোর, বাগেরহাট, ফরিদপুর, মাদারীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ২৪টি ঘোড়া অংশ নেয়। বিকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত কয়েক রাউন্ডে চলে এ প্রতিযোগীতা।

    এ ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগীতো দেখতে গোপালগঞ্জ, কোটালীপাড়া, বরিশাল, ফরিদপুর, মাদারীপুরসহ বিভিন্ন জেলার শিশু ও নারীসহ হাজার হাজার দর্শনার্থী পরিবার পরিজন নিয়ে ছুটে। উপভোগ করেন ঘোড়দৌড় ও গ্রামীণ মেলা।

    এ প্রতিযোগীতায় আমডাঙ্গার শিমুল শেখের ঘোড়া প্রথম, অভনগরের মাসুদ রানার ঘোড়া দ্বিতীয় ও অভয়নগরের নেছার ফকিরের ঘোড়া তৃতীয় হয়। পরে বিজয়ী ঘোড়ার মালিকের হাতে নগদ ৫ হাজার টাকা ও অন্যান ঘোড়ার মালিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আয়োজক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গাজী হাফিজুর রহমান।

    দর্শনার্থী মেহের মামুন বলেন, অনেক দিন ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগীতা দেখা হয় না। এখানে অনুষ্ঠিত হবে জেনে দেখতে এসেছি। দেখে খুব ভাল লেগেছে।

    দর্শনার্থী পরেশ বিশ্বাস বলেন, দাসেরহাট গ্রামে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মত ঘোড়দৌঁড় প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হলো। পরিবার নিয়ে দেখলাম। এমন আয়োজন দেখতে পারায় আমরা খুশি।

    আয়োজক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গাজী হাফিজুর রহমান বলেন, বাঙ্গালীর হাজার বছরের ঐতিহ্যকে লালন ও ধারণ করার জন্য এবং নতুন প্রজম্ম যাতে এসম্পর্কে ধারণা পায় সেজন্য প্রতি বছরই এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে গ্রামবাসী। তরুনরা এখন ঘববন্দি অবস্থায় থাকে। আমাদের ঐতিহ্যবাহী এসব খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হলে তরুনরা ঘর ছেড়ে মাঠমুখী হবে। এতে তরুনরা মাদকসহ অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে দূরে থাকবে। #

  • গোপালগঞ্জে মেয়েকে ফিরে পেতে পিতার সংবাদ সম্মেলন

    গোপালগঞ্জে মেয়েকে ফিরে পেতে পিতার সংবাদ সম্মেলন

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে মেয়ে বৈশাখী রায়কে ফিরে পেতে ও দোষীদের শাস্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অপহরনের শিকার এসএসসি পরিক্ষার্থীর পিতা দীপক রায়।

    আজ মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) সকালে গোপালগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সংবাদ সম্মেলনে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে ওই শিক্ষার্থীর পিতা দিপক রায় বলেন, আমার মেয়ে বৈশাখী রায়ের জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী বয়স ১৫ বছর। আমার মেয়ে এম এ খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষা। অন্যান্য দিনের মত গত ১৯ ফেব্রæয়ারী আমার মেয়ে বৈশাখী রায় সকালে প্রাইভেট পড়তে বাড়ী থেকে বের হয়। এসময় আমার মেয়ে পোনা সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরের উত্তর পাশে পৌঁছালে আসামীগন পূর্বপরিকল্পিতভাবে সেখানে অবস্থায় নিয়ে জঙ্গল মুকুন্দপুর গ্রামের রফিক মল্লিকের ছেলে আর রহমান মল্লিক ও তার সঙ্গীয় আহাদুল মল্লিক, আহাদুল মল্লিকের স্ত্রী সুমি বেগম, পোনা গ্রামের খোরশোদ মোল্যার ছেলে আলম মোল্যা, জাটিগ্রামের কাওসার মোল্যার ছেলে বিল্লাল মোল্যা এবং বিল্লাল মোল্যার স্ত্রী ময়না বেগম জোরপূর্বক অপহরন করে সাদা রং এর একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে দ্রæত পালিয়ে যায়। এব্যাপারে আমি কাশিয়ানী থানায় একটি অপহরন মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। বরং উল্টো আমাকে একটি পেন্ডিং মামলায় আসামী করে চালান দেয়ার হুমকী দেয়। এতে আমি আতংকিত ও নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।

    তিনি আরো বলেন, পরবর্তীতে আমি আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। মামলাটি পিবিআই পুলিশের কাছে তদন্তের জন্য পাঠায় বিজ্ঞ আদালত। আজ ১ মাস ৬দিন পার হয়ে গেলেও কাশিয়ানী থানা পুলিশ ও পিবিআই পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধারের কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আমার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের এসআই হিমানিশ বিশ্বাস আমাকে বলে তিন মাস পরে এসে যোগাযোগ করবেন। মামলার প্রতিদেন দিতে আমার তিন মাস সময় লাগবে। আমি একজন অপহৃত কন্যার অসহায় পিতা। আমি আমার মেয়ে উদ্ধারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও প্রসাশনের উদ্ধর্তন কর্মকর্তার সহযোগীতা কামনা করছি।

    পিবিআই পুলিশের মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হিমানিশ বিশ্বাস বলেন, ভিকটিম উদ্ধারের চেষ্টা চলছে, মোবাইল ট্রাকিং করে পাওয়া গেছে ঢাকায় আছে। পরে আরম দেখা হয়নি। যদি আমরা ভিকটিম উদ্ধার করতে না পারি তাহলে আমি ৩ মাসের মধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করবো বলে বাদীকে জানিয়েছি।

    কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আলম বলেন, দীপক রায় আমাদের কাছে আসলে অভিযোগটি নিয়ে একজন আইও দিয়ে তদন্ত করে দেখা হয় তার মেয়ে প্রেম করে চলে গেছে। এরই মধ্যে তিনি আদালতে মামলা করেন। একই ঘটনায় দুইটা মামলা হয় না। পরে আমরা আর মামলা নেইনি। দীপক রায়কে পেন্ডিং মামলা দিয়ে চালান দেওয়ার অভিযোগটি সর্ম্পূন মিথ্য ও ভিত্তিহীন। #

  • পরিবারের অনেক স্বপ্ন ছিল, দুর্ঘটনায় সব চুরমার হয়ে গেল

    পরিবারের অনেক স্বপ্ন ছিল, দুর্ঘটনায় সব চুরমার হয়ে গেল

    বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

    সাত বছর প্রেমের পর দুই বছর আগে শান্তা আক্তারের সাথে বিয়ে হয় সাগর জোমাদ্দারের সাথে। বিয়ের পর মাত্র দুই মাস একসাথে সংসার করেছেন তারা। এরপর ভাগ্য পরিবর্তনে সৌদি প্রবাসী দুলাভাইয়ের রেস্টুরেন্টে কাজে যোগ দেন সাগর।

    আগামী বছর দেশে ফিরে প্রিয়তমা স্ত্রীর জন্য নতুন বাড়ি বানাবেন। এমনই কত স্বপ্ন ছিলো সাগরের। কিন্তু তার আগেই সড়ক কেড়ে নিয়েছে তার স্বপ্ন। শুধূ সাগরই নয়, দুলাভাই মোজাম্মেল হোসাইনের অকালমৃত্যুতে তাঁদের ঘিরে পরিবারের স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেছে। না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাগর ও তার দুলাভাই মোজাম্মেল হোসাইন। এমন মর্মান্তিক ও করুন পরিনতির মুখোমুখি হতে হবে, তা কখনোই ভাবতে পারেননি তাঁদের পরিবার।

    গত শনিবার ওমরাহ শেষে মদিনা থেকে কর্মস্থল আল কাসিমে ফেরার পথে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়। তাদের মরদেহ বর্তমানে সৌদি আরবের একটি সরকারি হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুজনের মরদেহ বাংলাদেশে আনার চেষ্টা চলছে। তাদের মৃত্যুর খবরে দুই পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    নিহত সাগর জোমাদ্দারের বাড়ি বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের বটতলা গ্রামে। তিনি ওই এলাকায় মোতাহার জোমাদ্দারের ছেলে। ছয় ভাইবোনের মধ্যে সাগর সবার ছোট। অন্যদিকে তার দুলাভাই মোজাম্মেল হোসাইনের(৪৫) বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ছৈলাবুনিয়া গ্রামে। সে ঐ এলাকার মৃত আজিজ মৃধার ছেলে। ২৩ বছর আগে তিনি সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। সবশেষে ৮ বছর আগে বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি।

    মঙ্গলবার সরেজমিনে মোজাম্মেল হোসাইনের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় দূর্ঘটনার ৪দিন পরেও এখনোও স্বজনদের আহাজারি। শোকস্তব্ধ পুরো বাড়ি। বাবার (মোজাম্মেল) কথা মনে করে আহাজারি করছিলেন ছোট মেয়ে অন্তু আর বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন স্ত্রী রুবিনা ইয়াসমিন। খানিকটা দূরে নির্বাক বসে আছেন সাগরের স্ত্রী শান্তা আক্তার। ছেলে ও মে জামাইকে হারিয়ে হারিয়ে বিলাপ করছেন মোতাহার জোমাদ্দার।

    মোজাম্মেল জোমাদ্দারে স্ত্রী রুবিন ইয়াসমিন বলেন, ২৩ বছর আগে ব্যবস্যা করতে আমার স্বামী সৌদি আরবে গিয়েছিল। ৮ বছর আগে সবশেষে দেশে এসেছিল সে। ছেলে মেয়ে মানুষের মতো মানুষ করবে। সকলের জন্য কেনা কাটা করে আগামী বছর দেশে আসার কথা ছিলো তার। কিন্তু তার আগেই না ফেরার দেশে চলে গেল। এখন সরকারের কাছে আবেদন সরকারি সহায়তায় তাদের লাশ যেন দেশে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হয়।

    মোজাম্মেলের ছোট মেয়ে রানিম জাহান অন্তু বলেন, আমি যখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি তখন আমার বাবা সৌদি গিয়েছে। ৮ বছর হয় তাকে আমি দেখিনা। ভিডিও কলে কথা না হলে আমি তার চেহারা ভুলেই যেতাম। বাবা বলেছিলো দেশে এসে আমাকে নিয়ে অনেক জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাবে। আপনারা আমার বাবাকে এনে দিন।

    সাগর জোমাদ্দারের স্ত্রী শান্তা আক্তার বলেন, সাত বছর প্রেমের পর সাগরের সাথে আমার বিয়ে হয়। কিন্তু দুইমাসের বেশি আমরা সংসার করতে পারিনি। সেদিনও ভিডিও কলে কথা হলে সে বলেছিলো ঈদে সবার জন্য কেনাকাটা করতে টাকা পাঠাবে। কিন্তু তার আগেই আল্লাহ তাকে না ফেরার দেশে নিয়ে গেল। আমি এখন কার জন্য বাচঁবো!

  • পঞ্চগড়ে রাতের আধারে গাছ কাটছে গাছ খেকোরা নজরদারি নেই সেই সাথে অবৈধ ভাবে চলছে করাতকল

    পঞ্চগড়ে রাতের আধারে গাছ কাটছে গাছ খেকোরা নজরদারি নেই সেই সাথে অবৈধ ভাবে চলছে করাতকল

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    পানিমাছ প্বাকুরি জারের পাশেই বাজারের পাশেই গত দুদিন আগে রাতের বেলা গাছ কেটে নিয়ে গেছে পরবর্তীতে একটি কেরাত কলে কেটে উন্নত সরিয়ে ফেলা হয়েছে জেলা জুড়েই চলছে গাছ খেকোদের তেলেসমাতি কারবার
    কাঠ জোগান দিতে গিয়ে রাতের আঁধারে চুরি হচ্ছে বন বিভাগের হাজারো ফলজ ও বনজ গাছ।এদিকে কর্তৃপক্ষ বলছে লাইসেন্সবিহীন করাত কলের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে।বন বিভাগের তথ্যনুযায়ী, জেলায় মোট ২৫৪ টি করাত কল রয়েছে।সদরে ৯৩টি,আটোয়ারীতে টি ১৪,তেঁতুলিয়ায় ৩৪টি, বোদায় ৬৫ টি, দেবীগঞ্জে ৪৫ টি। এদের মধ্যে সদরে ৪ টি,আটোয়ারীতে ৫ টি বোদা ও দেবীগঞ্জে ২৫ টি কলের লাইসেন্স রয়েছে। ৩০ জন কল মালিক লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছেন। সরেজমিনে ঘুড়ে দেখা যায়, শহরের জালাসি, শিংপারা, রৌশনাবাগ, হেলিপোর্ট, ফকিরের হাট, ফুটকিবাড়ি, বোর্ড বাজার, গলেহাবাজার, গলেহা সরকারপাড়া, টুনিরহাট, ধাক্কামারা, মালাদাম, আমকাঁঠাল, কাজিরহাট, জগদল, কাজলদিঘী, কালিয়াগঞ্জ, গোয়াল পাড়াসহ জেলা উপজেলার আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে কলগুলো।

    বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দুশো মিটারের মধ্যেও গড়ে উঠেছে অবৈধ করাত কল। নিয়মানুযায়ী একটি করাত কল লাইসেন্স বাবদ সরকারী কোষাগারে জমা দিতে হয় প্রায় ২ হাজার টাকা সাথে ১৫ শতাংশ ভ্যাট, এবং প্রতি বছর কল প্রতি নাবায়ন ফি ৫০০ সাথে ১৫ শতাংশ ভ্যাট। তাই নতুন লাইসেন্স ও পরবর্তী নবায়ন না হওয়ায় সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কল মালিক জানান,জেলার কল-মালিকদের পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আর বনবিভাগের লাইসেন্স পেতে ঘুরতে হচ্ছে বছরের পর বছর। আবার বৈধতা না থাকায় বনবিভাগ কর্তৃপক্ষের কাছে হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে তাদের। সরকারের আয়ের উৎস হিসেবে যােগান দিতে বৈধভাবে কলের কার্যক্রম চালাতে লাইসেন্স প্রাপ্তির জােড় দাবী জানায় তারা।

    পঞ্চগড় বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মধুসূদন বর্মন বলেন,লাইসেন্স ছাড়া যাদের করাত কল চলছে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ও মামলা দায়ের অভিযান প্রতিনিয়ত চলছে।কল মালিকরা লাইসেন্স নিতে আগ্রহ থাকলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের জটিলতায় তা পারছেনা।