Author: desk

  • গোপালগঞ্জে ট্রলি চাপায় বৃদ্ধ নিহত

    গোপালগঞ্জে ট্রলি চাপায় বৃদ্ধ নিহত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে মাটি টানা ট্রলি চাপায় সুনীল কুমার বিশ্বাস (৬২) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানী উপজেলার শিবগাতী বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।

    কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ফিরোজ আলম দূর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত সুনীল কুমার বিশ্বাস কাশিয়ানী উপজেলার জোনাসুর ধোপরা গ্রামের ঠাকুর জুড়ান বিশ্বাসের ছেলে।

    ওসি মো: ফিরোজ আলম জানান, নিহত বৃদ্ধ সুনীল কুমার বিশ্বাস ওই স্থানে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এসময় দ্রুতগামী একটি মাটি টানা ট্রলি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

    তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় ট্রলি চালককে আটক করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরে হাইওয়ে থানা পুলিশের কাছে হাস্তান্তর করে ময়না তদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

  • আশুলিয়ায় দুইটি হত্যাকা-ের পর আবারও এক রোজাদারকে হত্যার চেষ্টা-থানায় অভিযোগ

    আশুলিয়ায় দুইটি হত্যাকা-ের পর আবারও এক রোজাদারকে হত্যার চেষ্টা-থানায় অভিযোগ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় পরপর দুইটি হত্যাকান্ডের পর আবারও আশুলিয়া ইউনিয়নের কান্দাইলে সন্ত্রাসী কায়দায় আকতার হোসেন নামের এক রোজাদার ব্যক্তিকে হত্যার চেষ্টা, এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ভিকটিম।
    গত ২২ মার্চ ২০২৩ইং ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠের ভেতরে গাড়ি চালক আতিককে হাত পা বাধা অবস্থায় হত্যা করে ফেলে রাখা হয় এবং (২৩ মার্চ ২০২৩ইং) আশুলিয়ার কাঠগড়া নয়াপাড়া এক বাড়িতে পোশাক শ্রমিক মফিজুল মোল্লা (৩০) কে গুলি করে হত্যার পর আবারও আশুলিয়া ইউনিয়নের কান্দাইল হাকিম মার্কেটের পাশে হাজী কোরবান আলীর ছেলে মোঃ আকতার হোসেন (৬৩) কে সন্ত্রাসী কায়দায় হত্যা চেষ্টা করে প্রবিবেশী সোহেল ও তার লোকজন।
    আশুলিয়া থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদী মোঃ সোহেল হোসেন (৪৫), মীর হোসেন (২০), দিনা (৩৫), ফাতেমা (৩২), সর্ব সাং কান্দাইল, থানা আশুলিয়া, জেলা ঢাকাদেরসহ আরও ৪-৫জন বিবাদী বহিরাগত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রোজাদার ব্যক্তিদের উপর হামলা ও লুটপাট করার অপরাধে মামলা করার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ভিকটিম আকতার হোসেন।
    অভিযোগকারী আকতার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, গত (২৫ মার্চ ২০২৩ইং) তারিখ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটের দিকে বিবাদী আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দা, লাঠি, লোহার রড, শাবল, দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ অবস্থায় আমার বসত বাড়ীতে আসিয়া আমাকে নাম ধরে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করিতে থাকে সোহেল ও তার লোকজন, তখন আমি ঘর থেকে বের হইয়া বিবাদীদেরকে রোজা রমজানের দিন এই অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করিতে নিষেধ করিলে সোহেল রানা অতর্কিত ভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাহার হাতে থাকা শাবল দিয়া আমার মাথায় স্বজোরে আঘাত করিয়া গুরুতর ফাটা রক্তাক্ত জখম করে। আমার ছেলে শিহাব হোসেন আমাকে ফিরাইতে আসিলে বিবাদী মীর হোসেন তাহার হাতে থাকা লোহার রডের ধারালো অংশ দিয়া আমার ছেলের মুখের থুতলীতে পার মারিয়া কাটা গুরুতর জখম করে। অল্পের জন্য আমার ছেলে শিহাব প্রানে বেঁচে যায়। আসামীরা একযোগে লাঠি সোঠা নিয়া আমাকে সহ আমার ছেলে শিহাব ও অপর ছেলে সাব্বির হোসেন (২২) কে পিঠাইয়া নীলা ফুলা জখম করে। সোহেল হোসেন আমার পাঞ্জাবীর পকেটে থাকা নগদ ৭৫, ৫০০/টাকা ছিনতাই করে নিয়া যায়। বিবাদী মীর হোসেন আমার ছেলে শিহাবের হাতে থাকা একটি আই ফোন-১১ মোবাইল সেট যার মূল্য ৮৫,৫০০/টাকা নিয়া যায়। তখন ডাক চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিতে থাকিলে বিবাদীরা আমাদের পরিবারের সদস্যদের সুযোগ মত পাইলে জান মালের আরো বড় ধরণের ক্ষতি করিবে বলিয়া হুমকি দিয়া চলে যায়। এরপর আমাকে লোকজন সেখান থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন, আমার মাথায় ৮টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।
    উক্ত ব্যাপারে ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সোহেল ভুঁইয়া চাঁদপুরের হাইমচর থানার নয়নি গ্রামের মৃত হাবিবুর ভুঁইয়ার ছেলে, তিনি আশুলিয়া এলাকায় আসার পর রাজমিস্ত্রির কাজ শুরু করেন, পর্যায়ক্রমে কন্টাক্টারী করেন বিভিন্ন ভবন বাড়ির রাজমিস্ত্রির কাজ চুক্তিতে করেন। তিনি কতগুলো বিয়ে করেছেন তার কোনো হিসাব নাই। এ বিষয়ে জানতে সোহেল ভুঁইয়ার মোবাইল নাম্বারে কল করে তাকে পাওয়া যায়নি, তার দুই নাম্বার স্ত্রী ফাতেমা বেগম বলেন, আমার স্বামী ৪টি বিয়ে করেছে, আমি দুই নাম্বার, তিনি এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
    ২৮ মার্চ ২০২৩ইং এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নোমান সিদ্দিক বলেন, আকতার হোসেন নামের এক ব্যক্তির অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। পুলিশ ও র‌্যাব জানায়, অপরাধী সে যেই হোক না কেন, তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। পর্ব-১।

  • ঝিনাইদহে পিকআপের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত আহত ২

    ঝিনাইদহে পিকআপের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত আহত ২

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    মেয়েকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার পথে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ চিনিকলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার বিষয়খালি গ্রামের স্বামী সাবদার হোসেন ও স্ত্রী পারভিনা খাতুন।এ ঘটনায় আহত তাদের মেয়ে সাথী খাতুন, ভ্যানের চালক করিম ও অপর এক শিশুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।কালীগঞ্জ থানার ওসি হালিম মোল্লা জানান, আজ ভোরে ঝিনাইদহের বিষয়খালি থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান ভাড়া করে স্বামী সাবদার আলী ও তার স্ত্রী পারভীনা খাতুন তাদের মেয়ে সাথীকে নিয়ে যশোরে চিকিৎসক দেখাতে যাচ্ছিলেন। সকাল ৬টার দিকে তারা ঝিনাইদহ-যশোর সড়কের কালীগঞ্জ মোবারকগঞ্জ চিনিকলের সামনে পৌঁছালে যশোরমুখি একটি দ্রুতগামী মাছ ভর্তি পিকআপ পিছন দিক থেকে ভ্যানে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান পারভীনা খাতুন। এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্বামী সাবদার আলী, মেয়ে সাথী খাতুন, নাতি ও ভ্যান চালক করিমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সাবদার আলীকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। আহতদের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • চারঘাটে অটো রিক্সার চাপায় এস এস সি পরীক্ষার্থী নিহত

    চারঘাটে অটো রিক্সার চাপায় এস এস সি পরীক্ষার্থী নিহত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট (রাজশাহী):

    চারঘাটে অটো রিক্সার চাপায় এস এস সি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে চারঘাট আড়ানী রাস্তার মুংলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

    নিহত পরীক্ষার্থী চারঘাট উপজেলার অনুপম পুর গ্রামের মিঠন আলীর মেয়ে মাইশা খাতুন (১৮) বলে জানা গেছে।

    পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, মাইশা মুংলী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সে এস এস সি পরীক্ষার্থী।

    মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়ে মুংলী বাজার শাহমখদু্ৃৃম কোচিং-এ যাওয়ার পথে চারঘাট-আড়ানী রাস্তায় রুস্তম পুর থেকে ছেড়ে আসা একটি অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিক্ষার্থী মাইশাকে চাপা দিলে ঘটনা স্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    দূরঘটনার সাথে সাথে অটো চালক পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা দৌড়ে এসে নিহত মাইশাকে অটোরিকশার নিচে থেকে বের করে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুবুল আলম বলেন, দূর ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে পৌছায়। ঘাটক অটোরিকশাটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে তবে চালক পলাতক র‍য়েছে।

    তিনি আরও বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় লাশটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
    এ ব্যাপারে চারঘাট মডেল থানায় সাধারণ একটি ডায়েরি করা হয়েছে।

    দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন ঘটনা স্থলে পৌছে নিহতের পরিবারকে শান্তনা দেন শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • নড়াইলে গ্রামবাংলার ভাঁটি ফুল প্রাকৃতিকভাবে সেজেছে বর্ণিল সাজে

    নড়াইলে গ্রামবাংলার ভাঁটি ফুল প্রাকৃতিকভাবে সেজেছে বর্ণিল সাজে

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে গ্রামবাংলার ভাঁটি ফুল প্রাকৃতিকভাবে সেজেছে বর্ণিল সাজে। ভ কাছে সুপরিচিত একটি উদ্ভিদ। সারা দেশে ভাঁট উদ্ভিদ জম্মে থাকে। বিশেষ করে নড়াইলের গ্রামঞ্চলে মেঠোপথের ধারে, জঙ্গলে, রাস্তার দুইধারে ও পতিত জমিতে। এদের উপস্থিতি বিশেষভাবে লক্ষনীয়। এই উদ্ভিদ অবহেলায় ও অযন্তে চাষ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে। ভাঁট গুল্মজাতীয় বহুবর্ষজীবী সপুষ্পক উদ্ভিদ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেক জানান, এটি গ্রামবাংলার অতিপরিচিত একটি বুনো উদ্ভিদ। কবি জীবনান্দ দাশ তাঁর কবিতায় লিখেছেন, ‘ভাঁটি আশঁ শ‍্যাওড়ার বন বাতাসে কী কথা কয় বুঝি নাকো, বুঝি নাকো চিল কেন কাঁদে; পৃথিবীর কোন পথে দেখি নাই হায়, এমন বিজন’ পথের ধারে দুপ্রান্তে প্রাকৃতিকভাবে জম্ম গ্রহন করে থাকে। যখন পথের ধারে এই ভাঁটফুল ফুটতে থাকে তখন পথের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ঋতু চক্রের আবর্তনে নয়নাভিরাম ভাঁট ফুলের এক বর্ণিল আয়োজন নিয়ে এখন সেজেছে প্রকৃতি। সড়কের পাশে, দিঘীর ধারে কিংবা বনে-বাদাড়ে এখন সারি সারি ভাঁট গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে বসন্তে ফোটা ভাঁট ফুল। এই ভাঁট ফুল কিছুটা হলেও প্রশান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়। এখন ভাঁট ফুল সেজেছে বর্ণিল সাজে প্রকৃতিতে। চোখ জুড়ানো বর্ণিল ফুল সবার মনকে নাড়া দেয় খুব গভীরভাবে। গ্রামীণ প্রকৃতির কাছে গেলেই চোখে পড়বে এই বর্ণিল ভাঁট ফুল। যে কোন প্রকৃতি ও ফুল প্রেমী মানুষ এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হবে। পথের ধারে ভাঁট ফুলের সৌন্দর্য দেখতে ,পদচারীরাও থমকে দাঁড়ায়। প্রতি বছর বসন্তে সাদা পরী হয়ে আমাদের মাঝে হাজির হয় ভাঁট ফুল। ভাঁট গাছের প্রধান কান্ড সোজাভাবে দন্ডায়মান, সাধারণত ২-৪ মি.লম্বা হয়। পাতা ৪-৭ ইঞ্চি লম্বা হয়। ভাঁট পাতা দেখতে কিছুটা পানপাতার আকৃতির ও খসখসে। ডালের শীর্ষে পুষ্পদন্ডে ফুল ফোটে । পাপড়ির রং সাদা এবং এতে বেগুনি রঙের মিশেল আছে। বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে। এই ফুলের রয়েছে মিষ্টি সৌরভ। ফুল ফোটার পর মৌমাছিরা ভাঁট ফুলের মধু সংগ্রহ করে। ভাট গাছ শখের বশে বাগানে বা ফুলের টবে কেউ লাগায় না। বসন্ত এলেই ফুল ফুটে । সাদা-লাল ফুলের সমাহার বন প্রান্তর আলোকিত করে তোলে। অপরুপ মোহনীয় সৌন্দর্যে সকলের নজর কেড়ে নেয়। ভাঁট ফুল বা বনজুঁই এলাকা ভিত্তিক ভাইটা ফুল,ঘেটুফুল,ভাতফুল নামেও পরিচিত। ফুলের চারটি পাঁপড়ি সমন্বয়ে গোড়ার দিকটা হালকা বেগুনি রঙের। প্রতিটি ফুলে চারটি করে পুংর্কেশর সামনের দিকে বেড়িয়ে আসে। বসন্তকাল ভাঁট ফুলের ভরা মৌসুম। অনাদরে ফুটলেও এর রুপে মুগ্ধ সকলেই। পলাশ, কৃষ্ণ, মান্দার বসন্তে মানুষের মন রাঙ্গিয়ে মাতোয়ারা করে তোলে আর ভাঁটফুল এনে দেয় সরলতা ও শুভ‍্যতা। বুনো সৌন্দর্য ছড়িয়ে গ্রামবাংলার মাঠ প্রান্তর শুভ্রতার আলোয় আলোকিত করে। এর ফুলের থোকা দিয়ে গ্রামের কিশোর ও কিশোরি পাতা দিয়ে তৈরী মুকুটের শোভা বাড়ায় ও খেলার ঘর সাজায়। বাড়ীর আনাচে – কানাচে ফুটে থাকা ভাঁটফুল গ্রামের ছোট ছেলে মেয়েদের খেলার উপকরণ। তেতো স্বাদের ভাঁটগাছের আছে অনেক ঔষধি গুন। ছোট মণিদের মুখের অরুচি ও পেটফাপা সারাতে গ্রামের মায়েরা ভাঁটপাতার রস পান করান। ক্ষত সারাতে,লিভার ভালো রাখতে,জ্বর প্রতিরোধে ও মাংস পেশির ব‍্যাথা সারাতে ইহা ব‍্যবহার করা হয়। য‍ৌন রোগ সারাতে গ্রামের কবিরাজরা ভাঁটগাছের মূল ব‍্যবহার করেন। বসন্ত শেষে ইহার ঝোপ কেটে গ্রামের দরিদ্র মেয়েরা লাকড়ি হিসাবে ব‍্যবহার করেন। বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি,ঘরবাড়ী তৈরীসহ বিভিন্ন কারণে উজার হচ্ছে ভাঁট গাছ। ঔষধি গুন ও বুনো সৌন্দর্য উপভোগে ভাঁটফুল রক্ষা করা জরুরি। কেননা সৌন্দর্য মানুষের মনকে আলোকিত করে তোলে।

  • নড়াইলে চলছে হাতি দিয়ে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি

    নড়াইলে চলছে হাতি দিয়ে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে হাতি দিয়ে চলছে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি। কখনো সড়কে দাঁড়িয়ে আবার কখনো ছোট-বড় বাজারে ঢুকে হাতি দিয়ে টাকা তোলা হচ্ছে।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, কেউ কেউ খুশি হয়ে টাকা দিলেও অনেকে হাতির ভয়ে বা চক্ষুলজ্জার খাতিরে টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এভাবে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত টাকা আদায় করছেন মাহুতরা (হস্তিচালক)।
    হাতি দিয়ে টাকা আদায় করছিলেন সাতক্ষীরার তরিকুল ইসলাম (২৪)। তিনি বলেন, মাদারীপুরের মাওয়া এলাকায় সার্কাস খেলায় হাতি নিয়ে এসেছেন। এর ফাঁকে প্রতিদিন বিভিন্ন জেলায় গিয়ে এভাবে টাকা তুলছেন। তবে এর একটি অংশ হাতির মালিককে দিতে হয় বলে দাবি করেন তিনি।
    রূপগঞ্জ বাজারের মিতালী ফার্মেসির মালিক তাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ইচ্ছা না থাকলেও দোকানের সামনে হাতি এসে গেলে টাকা দিতে বাধ্য হই। কেননা চক্ষুলজ্জা বলেও তো একটা কথা আছে।’
    তবে মাহুতরা হাতি দিয়ে টাকা তোলার জন্য বণিক সমিতির কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেন না বলে জানান নড়াইল রূপগঞ্জ শিল্প ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সন্তু ঘোষ।
    চাঁদাবাজির বিষয়ে হাতির মালিক সোলায়মান মোল্যা বলেন, ‘আমরা চাঁদাবাজি করি না। আমাদের হাতি দেখতে মানুষ ছুটে আসে। খুশি হয়ে যে যা দেয় তাই নেওয়া হয়।
    এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, এভাবে টাকা আদায় করা অন্যায়। তবে কেউ যদি শখ করে টাকা দেয় সেটা অন্য কথা। আমরা
    বিষয়টি নলেজে নিচ্ছি। এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে ৩৪৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; ট্রাক জব্দ

    র‌্যাব-১২’র পৃথক অভিযানে ৩৪৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার; ট্রাক জব্দ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    ১। র‌্যাব-১২ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারসহ নেশার মরণ ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার জন্য র‌্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ২৮ মার্চ ২০২৩ খ্রিঃ রাত ০২.৪০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার পৌরসভাধীন কাঠের পুল মোড়ে পাকা রাস্তার উপর একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৯৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাহার সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০১টি মোবাইল এবং ২৯ কেজি চাউল জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ নূরুল হক ইসলাম @বাদশা(২৩), পিতা-মোঃ সহির মিয়া, সাং-গোবরধান ২নং এসপারবাধ, ডাকঘর-মহিষ খোচা, থানা-আদিতমারী, জেলা-লালমনিরহাট।

    ৩। ২৮ মার্চ ২০২৩ খ্রিঃ সকাল ০৮.৩৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল বগুড়া জেলার শেরপুর থানাধীন ছনকা বাজার সততা হোটেল এন্ড রেসটুরেন্ট এর সামনে পাকা রাস্তার উপর একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাহাদের সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০১ ট্রাক এবং ০৩ টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

    ৪। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ ফরিদুল ইসলাম(২২), পিতা-মোঃ আব্দুস সালাম ২। মোঃ আশিক আলী(২১), পিতা-মোঃ শাহীনুল ইসলাম, উভয় সাং-নিকশেখ সিন্দুর মাস্টারপাড়া, ইউনিয়ন-সানিয়াজান, থানা-হাতিবান্দা, জেলা-লালমনিরহাট।

    ৫। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ, বগুড়া জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।

    ৬। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    প্রেস সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য ফোন করুন ০১৭৭৭-৭১১২৪৩ (মিডিয়া সেল র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ)

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ এরশাদুর রহমান

    সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার

    ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার

    সিপিএসসি, সিরাজগঞ্জ,র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২৫৫

  • ক্ষেতলালে ধর্ষণের মুল পরিকল্পনাকারী রিয়া ধরাছোঁয়ার বাহিরে

    ক্ষেতলালে ধর্ষণের মুল পরিকল্পনাকারী রিয়া ধরাছোঁয়ার বাহিরে

    এস এম মিলন জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে গত বুধবার ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষনের মূল ঘটনাসহ অভিযুক্তদের আড়াল করতে উভয় পক্ষের অভিভাবক ও আওয়ামীলীগ নেতা স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির জন্য দিনভর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে গত ২৪ মার্চ, শুক্রবার ভিকটিমের মা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ক্ষেতলাল থানায় ধর্ষনের অভিযোগে দুইজনের নাম উল্লেখসহ চার জনকে আসামি করে মামলা করেন। কিন্তু ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এ ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি অপরদিকে ধর্ষণের মুল পরিকল্পনাকারী সুরভি আক্তার রিয়া ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছে।
    জানা গেছে, গত বুধবার (২২মার্চ) উপজেলার কলিঙ্গা গ্রামের শাহাজুল ইসলামের ছেলে সুমন তার বসত বাড়িতে ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণের এমন ঘটনা ঘটায়। ঘটনার পরের দিন বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত সুমনের বাবা শাহাজুল ইসলাম ও রাব্বিউল এর বাবা সাইদুর রহমান মুল ঘটনাকে আড়াল করতে বড়াইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফ ফকিরের বাড়িতে স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি করার জন্য দফায় দফায় বৈঠক করে। সেই বৈঠক বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উভয় পক্ষের মধ্যে টাকা নিয়ে দরকষাকষি, বিয়ের আয়োজন নাটকসহ, থানা ও নেতা ম্যানেজের চেষ্টা চলে।
    ভিকটিমকে বিয়ে না করে টাকা দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করলে ওই ভিকটিম শিশুর মা ওই প্রস্তাবে রাজি হয়নি বলে সাংবাদিকদের জানান।পরে আপোষকারীরা ভুক্তভোগীকে রাতে ক্ষেতলাল থানায় নিয়ে গিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দুইজনের নাম উল্লেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করান।
    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২মার্চ, বুধবার বেলা ১১টায় কলিঙ্গা গ্রামের শাহাজুল ইসলামের ছেলে সুমন বাড়িতে তার বাবা-মা না থাকার সুযোগে তার প্রেমিকা রিয়া (১৬) ভুক্তভোগী ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীকে স্কুল থেকে জয়পুরহাট বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে প্রেমিকা রিয়া কলিঙ্গা গ্রামে সুমনের বাড়িতে নিয়ে যায়। সুমন তার প্রেমিকা রিয়াকে নিয়ে আলাদা ঘরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে। অপরদিকে ভিকটিম স্কুল ছাত্রীকে ওই বাড়ি ড্রয়িংরুমে একা পেয়ে দুই বন্ধুর সহায়তায় একজন ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে ওই ছাত্রীকে জোরপুর্বক ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে। ওই ছাত্রীর চিৎকার শুনে সুমন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং কৌশলে প্রেমিকার সাথে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
    ওই ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে তার মাকে বিস্তারিত ঘটনা জানালে ওই ছাত্রীর মা পরদিন বৃহস্পতিবার ক্ষেতলাল থানায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ করেন।
    ভুক্তভোগীর মা বলেন আমার মেয়ের ঘটনাটি আপোষ করে দেয়ার জন্য ডেকেছিলেন। নেতারা যে ছেলে শ্লীলতাহানি করেছে তার সঙ্গে আমার মেয়ের বিয়ে দিয়ে নিষ্পত্তি করতে চেয়েছিল। কিন্তু ওই ছেলে ও ছেলের বাবা রাজি না হওয়ায় আমরা আপোষ করিনি।
    এ বিষয়ে রাব্বির বাবা সাইদুর বলেন, আমার বাড়ি পুলিশ আসায় বড়াইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আশরাফ ফকিরের সঙ্গে দেখা করে ভুক্তভোগী ওই মেয়ের বাড়িতে নিয়ে যায় কানপাড়া গ্রামের রহিম ও জাহাঙ্গীর আশরাফ ফকির সহ কয়েক জন নেতা গোপন বৈঠক শেষে বলেন রাব্বীর সঙ্গে ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। বিয়ে না করলে আপনার ছেলের জেল হতে পারে তখন আমি ভয়ে বিয়ের সম্মতি দেই। তিনি আরো বলেন, নূর মোহাম্মদের ছেলে রাব্বি, মতির ছেলে চঞ্চল ও সাহাজুল ইসলামের ছেলে সমুনসহ তিন জনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে থানা মিটাবে নেতারা। এখন শুনলাম অভিযুক্ত পাঁচজনের মধ্য থেকে মূল পরিকল্পনাকারী রিয়াকে বাদ দিয়ে শুধু আমার ছেলেসহ চারজনের নামে মামলা করা হয়েছে,। আমি চাই এর সঠিক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
    অপরাধের সহায়তাকাৱীও একজন অপরাধী তার বিচার না হইলে ন্যায় বিচার প্রশ্নবিদ্ধ। অভিযুক্ত রিয়া উপজেলার ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী একই স্কুলে পড়ার সুবাদে ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী কে ফুসলিয়ে রিয়া তার প্রেমিক সুমনের বাড়িতে নিয়ে যায়৷ যেহেতু এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড পরিকল্পনাকারী জাহিদুল ইসলাম সুমন ও তার প্রেমিকা সুরভী আক্তার রিয়া এই মামলা থকে বিভিন্ন তদবির বাণিজ্য রিয়াকে বাদ দেওয়া হয়েছে৷
    অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার নিশ্চিন্তাবাজার এলাকার রাজুর মেয়ে সুরভী আক্তার রিয়া কালাইয়ে পড়াশুনা করার সময় গত ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি একই এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে রাজুর সাথে নোটারি পাবলিক মূলে বিয়ের পিরিতে বসেন৷ সেই মেয়ে জামাই রাজুর বিরুদ্ধে সুরভির বাবা অপহরন ও ধর্ষণ মামলা করেন। বর্তমানে সেই মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। পরে সুরভি আক্তার রিয়া ক্ষেতলালে ভর্তি হয়ে পড়াশোনার সুবাদে অভিযুক্ত উপজেলার কলিঙ্গা গ্রামের শাহাজুল ইসলামের ছেলে সমুনের সাথে দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক চলছে। সেই সম্পর্কের কারণে প্রেমিকা রিয়া সুমনের বাড়িতে প্রায় যাতায়াত করে৷
    পারিবারিক সূত্রে যানা যায়, ওই প্রেমিকা সুরভি আক্তার রিয়া জেলার আক্কেলপুর উপজেলার আলাদিপুর গ্রামে শাকিলের ছেলে প্রবাসী রাসেলের সঙ্গে বিয়ের এঙ্গেজমেন্ট করা হয়েছে৷
    নাম প্রকাশ না করার শর্তে জৈনক ব্যক্তি বলেন, ভুক্তভোগীরা অসহায় হওয়ায় প্রভাবশালী অভিযুক্তরা অর্থের বিনিময়ে মীমাংসার আয়োজন করেছিল।
    উপজেলার বড়াইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফ আলী ফকির বলেন,, ছেলে পক্ষের অভিভাবকরা আমার কাছে গিয়েছিল। আমি তাদের পরামর্শ দিয়েছি, আপনারা মেয়ের পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে বসে আপস করাই ভালো। আমি এর বেশি আর কিছু বলতে পারবোনা।
    ক্ষেতলাল থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)রাজিবুল ইসলাম বলেন, প্রথমে ধর্ষণ চেষ্টার একটি অভিযোগ হয়েছিল। সেটি রাতে ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী ধর্ষনের অভিযোগ নিয়েছি। ভিকটিমকে মেডিকেল টেস্টের জন্য পাঠানো হবে। পরর্বতীতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সিসিবিভিও আয়োজনে গোদাগাড়ীতে জেন্ডার কাউন্সিলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    সিসিবিভিও আয়োজনে গোদাগাড়ীতে জেন্ডার কাউন্সিলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। আজ ২৭ মার্চ, ২০২৩ রোজ সোমবার সিসিবিভিও-রাজশাহীর আয়োজনে ও ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড জার্মানী-এর সহায়তায় “রাজশাহীর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর রক্ষাগোলা গ্রাম ভিত্তিক স্থিতিশীল খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচী”-এর আওতায় গ্রাজুয়েট পযার্য়ের ১০টি রক্ষাগোলা সংগঠনের ২০জন নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে সিসিবিভিও শাখা কার্যালয় প্রশিক্ষণ কক্ষে দিনব্যাপী রক্ষাগোলা সংগঠনে পরিবার ভিত্তিক নারী-পুরুষ সদস্যবৃন্দের জেন্ডার সমতা কাউন্সিলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ কর্মশালার বিষয় ছিলো জেন্ডার ও সেক্স ধারণা, দৈনন্দিন জীবনে নারী পুরুষের কার্যাবলী, অভিঙ্গতা বিনিময়, নারীর প্রতিসহিংসতা (শারীরিক ও মানসিক) পারিবারিক বিবাদ- কলহ , বাল্য বিবাহ ও জোরপূর্বক বিবাহ, মাতৃত্বকালীন ও মানসিক অসুস্থতা।

    কর্মশালায় সহায়কের দায়িত্ব পালন করেন সংস্থার মূল্যায়ন ও প্রতিবেদন কর্মকর্তা প্রদীপ মার্ডী, কর্মশালাটি পরিচালনা করেন প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা সৌমিত্র বিশ্বস এবং তাকে সহায়তা করেন সংস্থার নারী উন্নয়ন কর্মকর্তা সবিতা রানী ও সমাজ সংগঠক (শিক্ষা) ইমরুল সাদাত ।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • শোয়েব চৌধুরী একজন আদর্শবান ও দূরদর্শী রাজনীতিবিদ ছিলেন

    শোয়েব চৌধুরী একজন আদর্শবান ও দূরদর্শী রাজনীতিবিদ ছিলেন

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আশির দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্দিনের নিবেদিত প্রান, ত্যাগী ও সংগ্রামী আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম শোয়েব আহমদ চৌধুরী একজন দেশপ্রেমিক, ত্যাগী, আদর্শবান, দূরদর্শী ও প্রজ্ঞাবান, বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ছিলেন। তাঁর মতো এমন দেশপ্রেমিক, দূরদর্শী ও সততার মূর্তপ্রতিকের অন্যতম উদাহরণে পরিণত হতে পারলেই প্রকৃত রাজনীতিবিদ ও রাজনীতির মহাকবি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রকৃত সৈনিক হিসেবে গড়ে উঠা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ।

    সোমবার (২৭ মার্চ) শোয়েব আহমদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ ও মতবিনিময়ে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, জনাব শোয়েব আহমদ চৌধুরী অত্যন্ত দূরদর্শী, আপাদমস্তক ও বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন প্রকৃত ও পরিক্ষিত সৈনিক ছিলেন। শোয়েব আহমদ চৌধুরী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন অকুতোভয় সৈনিক ছিলেন। তিনি ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন, বিশ্বাসী ও অনুগত। তার মতো রাজনীতিবিদ ও নেতা বর্তমান রাজনীতিতে খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন।

    রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ বলেন, শোয়েব আহমদ চৌধুরী স্বৈরাচার সরকারের পতন ও গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারে নিজের জীবন বাজি রেখে ঢাকার রাজপথে অসংখ্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। দেশের মানুষের অধিকার আদায় ও স্বৈরতন্ত্রের পতন এবং গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলনে তাঁর অবদান অসামান্য ও চিরস্মরণীয়। ওয়ান ইলেভেনের সময়ে আওয়ামী লীগের অত্যান্ত দুর্দিনে দলের পাশে ছিলেন। এমনকি দলের প্রতিটি দুঃসময়ে শোয়েব আহমদ চৌধুরী দলের পাশে থেকে একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে দলের পক্ষে কাজ করেগেছেন। অসংখ্যবার হামলা-মামলার শিকার এবং কারাবরণ করলেও অন্যায়ের কাছে কোনোদিন আপোষ করেননি তিনি। শোয়েব আহমদ চৌধুরী একজন নিখাঁদ দেশপ্রেমিক, ত্যাগী, সংগ্রামী,  এবং আপোষহীন নেতা ছিলেন।

    মহামান্য রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শোয়েব আহমদ চৌধুরী ব্যাক্তি হিসেবেও একজন মহান মানুষ এবং আলোকিত মহাপুরুষ ছিলেন। সুশিক্ষিত, মার্জিত এক বিরাট মহান ব্যাক্তি শোয়েব আহমদ চৌধুরী ছিলেন অসংখ্য, অগণিত জ্ঞান ও প্রতিভার অধিকারী। সদা বিনয়ী ও মিষ্টভাষী এই নেতা ছিলেন সর্বদা নিরহংকারী, যাকে কোনো অহংকার, লোভ-লালসা স্পর্শও করতে পারেনি। তিনি ছিলেন একজন মানবদরদি, জনদরদী ও পরোপকারী ব্যাক্তি। কর্মী থেকে নেতা হয়ে উঠা শোয়েব আহমদ চৌধুরী সর্বদা সাধারণ মানুষ ও দলের তৃনমুল কর্মীদের পাশে থেকেছেন। দেশ ও জনগনের কল্যাণের আত্মস্বার্থকে বাদ দিয়ে শুধুমাত্র দেশমাতৃকার সেবায় নিঃস্বার্থে কাজ করেছেন তিনি। সকল ধর্ম, শ্রেণী-পেশার মানুষের যেকোনো বিপদেই ছুটে গেছেন তিনি, পাশে দাড়িয়েছেন তাঁদের। আর তাই তো জনতার নেতা শোয়েব আহমদ চৌধুরী দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের কাছেই ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়। সততা, নম্রতা, সরলতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তাঁকে সর্বজন শ্রদ্ধেয় করে তুলেছিলো। তিনি আপন কর্মের মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা অর্জন করে নেন। যা রাজনীতির অঙ্গনে বিরল। প্রয়াত শোয়েব আহমদ চৌধুরীর মতো যদি সবাই রাজনীতি করেন তাহলে তাঁর মতোই সকলে জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন এবং মানুষের হৃদয়ে আজীবন অম্লান থাকবেন। আমাদের সকলেরই উচিৎ শোয়েব আহমদ চৌধুরীর মতো আদর্শবান হওয়া, তাঁর আদর্শ ও নীতিকে অন্তরে ধারণ করা।

    এসময় মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ শোয়েব আহমদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের সম্মানিত উপদেষ্টাবৃন্দ, শোয়েব আহমদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের সভাপতি জননেতা মো. মশিয়ার রহমান এ সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল ইসলাম (বাদশা) সহ নবনির্বাচিত সকল নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

    শোয়েব আহমদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের নেতৃবৃন্দরাও এসময় মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানান। এবং রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।