Author: desk

  • সুনামগঞ্জে দুই সাংবাদিকের নামে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    সুনামগঞ্জে দুই সাংবাদিকের নামে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

    গত ২৯ শে মার্চ দৈনিক সুনামগঞ্জ প্রতিদিন পত্রিকায় ১ম পাতায় (নিজস্ব প্রতিবেদক: তাহিরপুরে ব্যবসায়ীকে বøাকমেইল করে ২২ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছে ২ ভূয়া সাংবাদিক) শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভূক্তভোগী সাংবাদিক আবু জাহান ও মো: মুরাদ মিয়া। ৩০শে মার্চ সন্ধায় ভূক্তভোগী দুই সাংবাদিকদেও আয়েজনে সুনামগঞ্জ শহরের পৌর বিপনী ২য় তলায় এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগী সাংবাদিক আবু জাহান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মো: মুরাদ মিয়া, লিখিত বক্তব্যে আবু জাহান উল্লেখ করে বলেন আমি মো: আবু জাহান তাহিরপুর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক লাল সবুজের দেশ পত্রিকায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে প্রায় ৪ বছর যাবৎ কাজ করে যাচ্ছি। এবংর্ মো: মুরাদ মিয়া বর্তমানে জাতীয় দৈনিক সকালের সময় পত্রিকায় তাহিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে । পাশাপাশি সে সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেস ক্লাবের সদস্য। আমাদের দু-জনকে আপনারা সবাই ভাল করে ছিনেন। আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ তাহিরপুর উপজেলায় বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করে যাচ্ছি । গত ২৯ শে মার্চ দৈনিক সুনামগঞ্জ প্রতিদিন পত্রিকায় ১ম পাতায় (নিজস্ব প্রতিবেদক: তাহিরপুরে ব্যবসায়ীকে বøাকমেইল করে ২২ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছে ২ ভূয়া সাংবাদিক) শিরোনামে আমাদের ছবি সহকারে একটি মিথ্যা বানোয়াট উদ্দেশ্য প্রণোদিত মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে যার বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই। এটা একটি পরিকল্পিত কাল্পনিক মানহানিকর এবং সমাজে আমাদের হেয়প্রতিপন্ন করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে আমরা এই মিথ্যা বানোয়াট কাল্পনিক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
    আপনারা জানেন এবং বুঝেন আপনাদের বিবেকের কাছে আমাদের প্রশ্ন যেহেতু আমরা সংবাদকর্মী হিসেবে আপনাদের সহকর্মী হিসেবে সাংবাদিক সমাজে দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে চেনা জানাসহ কাজ করে যাচ্ছি । আপনারাই বলতে পারেন কে কোন চরিত্রের অবশ্যই জানেন আপনাদের কাছে নতুন করে কিছু বলার নেই । শুধু এটুকুই বলবো আপনারা জনেন কিছুদিন পর পরই আমরা দেখতে পাই সুনামগঞ্জ প্রতিদিন পত্রিকায় এভাবে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে অজতা মনগড়া মান হানিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়। যার রুপ রেখা নতুন করে বলার ভাষা আমাদের নেই। আদালতে খোজঁ নিলেই জানতে পারবেন এবং বেড়িয়ে আসবে ঐ পত্রিকার কিছু অসাধু প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে একাধীক অভিযোগের কাল ইতিহাস। যারা সাদাকে কাল আর কালাকে সাদা বানিয়ে পত্রিকার সম্পাদককে ভুল তথ্য দিয়ে নিউজ প্রকাশ করে থাকে। আমরা আপনাদের মাধ্যমে পত্রিকার সম্পাদকের কাছে এসমস্ত অপসাংবাদিকদের হাত থেকে পত্রিকার মান সম্মান অক্ষত রাখার আহŸান জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের মান সম্মান যে আঘাত করা হয়েছে আশাকরি তাদের পত্রিকায় ঐ মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ নিউজ প্রকাশ করে পত্রিকা এবং আমাদের মানসম্মান বজায় রাখবেন। অন্যথায় আমাদের মানসম্মান ফিরেয়ে আনতে আদালতের আশ্রয় নেব। তিনি আরও বলেন সবাই জেনে অভাব হবেন যে তাহিরপুর উপজেলা শ্রীপুর (উত্তর) ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত মরম আলীর ছেলে সাংবাদিক নামধারী প্রবাস থেকে পালিয়ে আসা রাজু আহমদ রমজান ও তার আপন ভাতিজা ৭নং ইউ/পি সদস্য আবুল কালামের পুত্র মাদক ব্যবসায়ী ও বয়ানক ডাব্বা জোয়া নামক খেলার মুল হোতার এজেন্ট মো: এমরান মিয়ার নেতৃত্বে প্রকাশ্যে দিবালোকে শ্রীপুর বাজারসহ সারা গ্রামে যুব সমাজ, কোমলমতি স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভয়ানক মাদক ও জোয়া খেলায় আশক্ত করে চলেছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন সময় পুলিশকে অবগত করায় এবং ভিডওি চিত্র ধারণ করায় সুনামগঞ্জ শহরের তাদের অনুসারী এক নাম অজানা সাংবাদিক দিয়ে আমাদেরকে দেখে নেবে বলে রাজু রমজান হুমকি দেয়। পরে হুমকি বাস্তবায়ন করতে আমাদের বিরুদ্ধে ২৯ শে মার্চ দৈনিক সুনামগঞ্জ প্রতিদিন পত্রিকায় নাম অজানা এক সাংবাদিক দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় আপনারা তার খোজঁ নিলেই জানতে পারবেন। পরিশেষে আবারও ঐ মিথ্যা বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়ে আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষনা করছি। তিনি সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেন।###

  • গোপালগঞ্জে জেনারেল হাসপাতালে সার্টিফিকেট বানিজ্যের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন

    গোপালগঞ্জে জেনারেল হাসপাতালে সার্টিফিকেট বানিজ্যের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালক, আবাসিক মেডিকেল অফিসার, ওয়ার্ড মাস্টারসহ কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে লাগামহীন দুর্ণীতি ও সার্টিফিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

    দুর্ণীতি ও সার্টিফিকেট বাণিজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন সংগঠনের শ্রমিকবৃন্দ ও সাধারন মানুষ।

    আজ বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০টায় স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সড়কের উপর দাঁড়িয়ে হাতে হাত ধরে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় অংশ গ্রহণকারীরা হাসপাতালের কতিপয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সার্টিফিকেট বাণিজ্য বন্ধসহ বিভিন্ন দাবীতে শ্লোগান দেন। মানববন্ধন চলাকালে দেলোয়ার মোল্লা, রাজিব মোল্লা, দিলারা বেগম, মিটু কাজী ও কামাল হোসেন বক্তব্য রাখেন।

    মানববন্ধনে দেলোয়ার মোল্লা বলেন, গোপালগঞ্জে ২৫০-শয্যাবিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। কিন্তু এ হাসপাতালের ডাক্তাররা রোগ নির্ণয়ে সেসব যত্রপাতি ব্যবহার না করে খুলনা, ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। ফলে এ খানে চিকিসা নিতে আসা রোগীরা যেমন ভোগান্তিতে পড়েন তেমনি অর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হন।

    দিলারা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে মারাধর করা হয়। পরে থাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। কিন্তু প্রতিপক্ষরা আমার ছেলে একটি প্রতিবন্ধিকে ধর্ষণ করে বলে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ও আবাসিক মেডিকেল অফিসারকে টাকা দিয়ে ধর্ষন করার সার্টিফিটেন নেয়। আমরা ছেলে গুরুত্ব অসুস্থ তাহলে সে কিভাবে ধর্ষন করে। ঠাকার বিনিময়ে হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার এ সার্টিফেকেট দেয়। ফলে আমরা সুবিচার থেকে বঞ্চিত হই।

    মিটু কাজী ও কামাল হোসেন বলেন, হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা: অসিত কুমার মল্লিক, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: ফারুক আহমেদ, ডা: শ্যামল চন্দ্র বাড়ৈ, ডা: হিটলার বিশ্বাস, ওয়ার্ড মাষ্টার সোহেল সিকদার, ওয়ার্ড বয় মিজান মোল্যাসহ একটি দালাল চক্র দীর্ঘদিন যাবৎ ভূয়া চিকিৎসা সনদ দিয়ে সাধারন মানুষকে হয়রানি করছে। এই হাসপাতালে কোটি কোটি টাকার ভাউচার দেখিয়ে মেশিনপত্র কেনা হলেও তা আদৌ চালু হয়নি। ফলে সাধারন মানুষ বাধ্য হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা, খুলনা, বরিশাল যেতে হচ্ছে। দ্রুত এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিকার করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট দাবী জানান তারা।

    নাম না প্রকাশ করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বলেন, গোপালগঞ্জে ২৫০-শয্যাবিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালে রোগী দেখা ও সার্টিফিকেট বাণিজ্যের একটি চক্র গড়ে উঠেছে। ওই চক্রটি ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার বিনিমেয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা: অসিত কুমার মল্লিক, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: ফারুক আহমেদসহ অন্যান্য ডাক্তারদের মাধ্যমে সার্টিফিকেট বাণিজ্য করে। সার্টিফিকেট দেয়ার পর পাওয়া টাকা থেকে বিভিন্ন হারে কমিশন পান তারা। এছাড়া হাসপাতালে আসা রোগীদের চিকিৎসা না দিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে যেতে বলেন। তাছাড়া পছন্দের বিভিন্ন ক্লিনিক থেকে পরীক্ষা করাতে বলেন। সেখান থেকেও তারা বিভিন্ন হারে কমিশন নেন।

    এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: ফারুক আহমেদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি এর সাথে জড়িত নই।

    গোপালগঞ্জে ২৫০-শয্যাবিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালে সহকারী পরিচালক ডা: অসিত কুমার মল্লিক বলেন, আমার বিরুদ্ধে সার্টিফেকেচ বাণিজ্যের অভিযোগ সত্য নয়। আরএমও যে প্রতিবেদন দেন তা মিলিয়ে আমি শুধুমাত্র সই করে দেই। সার্টিফিকেট বাণিজ্য করে যে টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে তা আমার জানা নেই।

    তিনি আরো বলেন, সার্টিফিকেট দেয়া ও না দেয়া নিয়ে আমরা চাপের মধ্যে থাকি। রাজনৈতিক দলের নেতারা কোন কোন ঘটনায় সার্টিফিকেট দিতে চাপ দেন আবার না দেয়ার জন্য চাপ দেন। তখন আমাদের আর কিছু করার থাকে না। #

  • কোতোয়ালির অভিযানে মোটর পাম্পসহ গ্রেফতার ৯। পাঁচ মোটর পাম্প উদ্ধার

    কোতোয়ালির অভিযানে মোটর পাম্পসহ গ্রেফতার ৯। পাঁচ মোটর পাম্প উদ্ধার

    ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের
    আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, চুরি ছিনতাই ডাকাতি ও মাদক প্রতিরোধসহ আদালতের পরোয়ানা ভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে নিয়মিত অভিযানে
    মোটর পাম্প চোরসহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পৃথক অভিযানে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫টি চোরাই মোটর পাম্প উদ্ধার করে পুলিশ।

    কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, চুরি ছিনতাই ডাকাতি ও মাদক প্রতিরোধসহ আদালতের পরোয়ানা ভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

    এর মাঝে এসআই শাহ মিনহাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টীম সিরতা বাজার থেকে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সুজাত আলীকে গাজাসহ এসআই ফারুক আহমেদের নেতৃত্বে একটি টীম গাঙ্গীনার পাড় এলাকা থেকে মারামারি মামলার আসামী মীর আক্রাম হোসেন লেলিন, এসআই রুবেল মিয়ার নেতৃত্বে একটি টীম পাটগুদাম এলাকা থেকে অপহরন মামলার আসামী রিয়ান আহমেদ জিহাদ ওরফে বাবু, এসআই আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টীম পরানগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে চুরি মামলার আসামী মোঃ সাইদুল ইসলাম ও মোঃ আবু রায়হানকে ৫ টি চোরাই মোটর পাম্প সহ গ্রেফতার করে।
    এসআই হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে একটি টীম জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে অন্যা্ন্য মামলার আসামী মোঃ জুয়েল, এএসআই সুজন চন্দ্র সাহার নেতৃত্বে একটি টীম জয়বাংলা বাজার এলাকা থেকে অন্যা্ন্য মামলার আসামী মোঃ বাবুকে গ্রেফতার করে।
    এছাড়া এসআই উমর ফারুক ও এএসআই মাসুম রানা পৃথকএলাকায় অভিযান পরিচালনা পরোয়ানা ভুক্ত আরো দুই পলাতক আসামি গ্রেফতার করে। তারা হলো, নিলক্ষীয়া পাড়া লক্ষীপুরের আকরাম ও বড়বিলার পাড়ের মোঃ সোহেল মিয়া। গ্রেফতারকৃত মোটর পাম্প চোর মোঃ সাইদুল ইসলাম ও মোঃ আবু রায়হান। পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবৎ অত্র এলাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পানির মোটর পাম্প চুরি করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদেরকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান-চুরি,ডাকাতি,
    ছিনতাই সহ অপরাধ মুক্ত ময়মনসিংহ গড়তে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযান সফল করতে যে কোন অপরাধীর বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করতে তিনি কোতোয়ালি থানা এলাকা সর্বস্তরের জনতার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

  • আটোয়ারীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ২২৮ টি ট্যাব বিতরণ

    আটোয়ারীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ২২৮ টি ট্যাব বিতরণ

    নিতিশ চন্দ্র বর্মন,আটোয়ারী প্রতিনিধি:

    আটোয়ারীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ২২৮ টি ট্যাব বিতরণ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১ প্রকল্পের আওতায় ক্রয়কৃত ট্যাবলেটসমুহের মধ্যে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর নিজস্ব প্রয়োজনের অতিরিক্ত ট্যাবলেটসমুহ সারাদেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবি শিক্ষার্থদের মাঝে বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে এগুলো বিতরণ করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবম ও দশম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ২২৮টি ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মুসফিকুল আলম হালিম-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে ট্যাবলেটসমুহ বিতরণ করেন পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ¦ মোঃ মজাহারুল হক প্রধান। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ তৌহিদুল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেনু একরাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লুৎফুল কবির মোঃ কামরুল হাসান, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ এমদাদুল হক,ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাহেদ, মোজাক্কারুল আলম (কচি), বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ সমর্থিত রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, মেধাবী শিক্ষার্থীরা সহ গণমাধ্যমর্মীগণ। প্রধান অতিথি বলেন,তরুণ সমাকে স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠার ক্ষেত্রে সরকারের এই কার্যক্রম বিশেষ ভুমিকা রাখবে। এছাড়া তিনি শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে, সঠিক উপায়ে পড়াশুনার কাজে ও শিক্ষনীয় কাজে ট্যাবলেটগুলো ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

    ট্যাবলেট বিতরণ শেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মজাহারুল হক প্রধান, বিশেষ অতিথি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ তৌহিদুল ইসলাম অন্যান্য অতিথিবৃন্দকে নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্টোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা কর্মসুচির আওতায় ১৮ জনকে, প্রতিজনকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট নয় লক্ষ টাকার চেক আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করেন।

    এছাড়াও একই সাথে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর,ঢাকা’র সহযোগিতায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৯ পরিবারকে ( প্রতি পরিবার ২বান্ডিল ঢেউটিন ও ৬ হাজার টাকা) মোট ১৮ বান্ডিল ঢেউটিন ও ৫৪ হাজার টাকার চেক পৃথক পৃথকভাবে বিতরণ , গরীব ও দুঃস্থদের মাঝে আয় বর্ধক সামগ্রী বিতরণ, সরকারি যাকাত ফান্ড থেকে গরীব ও দুঃস্থদের মাঝে চেক বিতরণ , ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে পাটবীজ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরিকল্পনা এবং উপজেলা প্রকৌশল অফিসের বাস্তবায়নে উপজেলার প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র ফকিরগঞ্জ বাজার গোল চত্বর কাজের শুভ উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মজাহারুল হক প্রধান।

  • মধুপুরে  স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবীতে হকার্সদের মানববন্ধন

    মধুপুরে স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবীতে হকার্সদের মানববন্ধন

    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    ফুটপাত হকার্সদের পুনর্বাসনের দাবীতে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার নানা পেশার হকার্সের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকালে মধুপুর আনারস চত্তরে মানববন্ধন করেন হকার্স শ্রমিকরা।
    এই সময় দুইশতাধিক হকার্স মানববন্ধনে অংশ নেন এবং স্লোগানে স্লোগানে বলেন, ভাত চাই, কাজ চাই, সৎভাবে বাঁচতে চাই।
    তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বলেছেন কেউ না খেয়ে থাকবে না । অথচ আমরা সৎভাবে দোকান করার একটু স্থায়ী জায়গার ব্যবস্থা পাচ্ছি না । আমাদের কথা কেউ ভাবে না।
    ফুটপাত হকার্সরা জানান, প্রায় পনের দিন ধরে আমরা ফুটপাতে দোকান করতে পারছি না, আমরা মানবতার সহিত জীবন যাপন করছি । ঘরে খাবার নেই, সমিতি থেকে ঋণনিয়ে দোকানদারি করতাম, সমিতির কিস্তি দিতে পারছি না, আমরা সৎভাবে বাঁচার জন্য সবার কাছে যাচ্ছি কেউ আমাদের ডাকে সারা দিচ্ছে না।
    এভাবে চলতে থাকলে আমরা না খেয়ে মারা যাবো। আমাদের দাবি না মানলে আমরা রাজপথে আমাদের জীবন দিয়ে দেব।
    বৃহস্পতিবার সকালে পৌর শহরের আনারস চত্বরে এই মানববন্ধন করেন ফুটপাত হকার্স শ্রমিকরা।
    এ সময় বক্তব্য রাখেন মধুপুর হকার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, হকার্স নেতা আব্দুর রহমান, আঃ জলিল, মোঃ অন্তর, চান মিয়া প্রমুখ।

  • ইসলামী ব্যাংকের ৪০ বছর পূর্তিতে উজিরপুরে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ইসলামী ব্যাংকের ৪০ বছর পূর্তিতে উজিরপুরে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধি।
    ইসলামী ব্যাংকের ৪০ বছর পূর্তিতে উজিরপুর শাখায় বৃহস্পতিবার ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। শাখা কার্যালয়ে আয়োজিত এ ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ হাবিবুল্লাহ রাসেল । প্রধান অতিথি ছিলেন উজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ শিকদার বাচ্চু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর পৌরসভার মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারী, উজিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেন,সহকারী কমিশনার ভূমি উজিরপুর উপজেলা, ভাইস চেয়ারম্যান অপূর্ব কুমার বাইন রন্টু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সিমা রানি শীল,বন্দর সভাপতি শামসুল হক সিকদার, শিকারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সরোয়ার হোসেন, ও ইমাম ও মুয়াজ্জিন সহ বিভিন্ন স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষক মন্ডলী,স্থানীয় ব্যবসায়ী বৃন্দ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ ম্যানেজার (অপারেশন) ওয়ালিদ হোসেন প্রমুখ।

    সর্বজনীন কল্যানে ব্যাংকিং শীর্ষক আলোচনা করেন উজিরপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও উজিরপুর উপজেলা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল হক আজহারী।

  • র‌্যাবের অভিযানে দরবেশ ছদ্মবেশধারী মাদক ব্যবসায়ী হেরোইনসহ আটক

    র‌্যাবের অভিযানে দরবেশ ছদ্মবেশধারী মাদক ব্যবসায়ী হেরোইনসহ আটক

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    ওলি মাজারের দরবেশ ছদ্মবেশধারী এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৭৬ লক্ষ্য টাকা মূল্যের ৭ শত ৬০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক করেছে র‌্যাব-৫, রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের র‍্যাব সদস্যরা।

    আটককৃত দরবেশ ছদ্মবেশধারী মাদক ব্যবসায়ী হলেন- খুলনা জেলা সদরের ৫ নং ঘাট আশরাফুল মামুর মাজাররের মৃত.মাহাবুবুল আলমের ছেলে মোঃ শফি ফকির (৩২)।

    বৃহস্পতিবার(৩০ মার্চ) সকাল ১১ টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ র‌্যাব-৫, ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ র‍্যাব-৫, ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গত ২৯ শে মার্চ বিকেল ৫ টার দিকে বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ র‍্যাব-৫, ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার রুহ-ফি-তাহমিন তৌকির এবং কোম্পানী উপ-অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল ইসলাম নেতৃত্বে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উজানপাড়া বাইপাস মোড়স্থ হাজি সুপার মার্কেট এর সামনে অভিযান চালিয়ে ৭ শত ৬১ গ্রাম হেরোইনসহ ছদ্মবেশী দরবেশ শফি ফকির কে হাতেনাতে করে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, র‍্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃত ছদ্মবেশী দরবেশ মাদক ব্যবসায়ী খুলনার সদর থানার বাসিন্দা এবং রাজশাহীর অলি ফকিরের মাজারে নিয়মিত যাতায়াত করতো। এর প্রেক্ষিতে সে মাজারের দরবেশ ছদ্মবেশে থাকতো।

    ঘটনার দিন উল্লেখিত এলাকায় মাদক সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তিনি আসেন। এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মাদক সংগ্রহ করে ব্যাটারি চালিত অটোযোগে রাজশাহী ফেরার পথে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কোম্পানীর একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে ৭৬ লক্ষ্য টাকা মূল্যের ৭ শত ৬১ গ্রাম হিরোইনসহ তাকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয়।

    পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানায় একটি মামলা করা হয়েছে বলেও র‍্যাব জানাই।

    নিরেন দাস, জয়পুুরহাট।

  • ধর্ষনের শাস্তির তুলনায় মিথ্যা ধর্ষন মামলাকারীদের জন্য শাস্তির পরিমান অপ্রতুল

    ধর্ষনের শাস্তির তুলনায় মিথ্যা ধর্ষন মামলাকারীদের জন্য শাস্তির পরিমান অপ্রতুল

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ধর্ষন সমাজের নিন্দনীয় অপরাধের মধ্যে একটি।ধর্ষনের মত অপরাধের জন্য একদিকে ভিকটিমের ব্যক্তিগত জীবন,পারিবারিক জীবন ও সামাজিক জীবন যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেমনি পুরো সমাজে এর নেতিবাচক একটি প্রভাব রয়েছে।তাই ধর্ষন প্রতিরোধে রাষ্ট্র নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করে থাকে।তার মধ্যে ধর্ষনের সাথে জড়িত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান করা একটি অন্যতম পদক্ষেপ।পূর্বে ধর্ষনের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড নির্ধারিত থাকলেও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ (সর্বশেষ সংশোধনী-২০২০)এর ধারা -৯(১) অনুযায়ী বর্তমানে ধর্ষনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড এবং উহার অতিরিক্ত অর্থদন্ড।ধর্ষনের মত নিন্দনীয় অপরাধ দমনের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডই বর্তমান বাস্তবতায় উপযুক্ত শাস্তি কিন্তু এজাতীয় অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হওয়ায় যারা নির্দোষ তারা যেন কোনভাবেই মিথ্যা ধর্ষনের মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সহিত বিবেচনা করা উচিত।একটি কল্যানমূখী রাষ্ট্র ব্যবস্থায় একদিকে যেকোন অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করে যেমন ভিকটিমকে ন্যায় বিচারের নিশ্চয়তা দিতে হয় তেমনি আইনের অপপ্রয়োগে বা বিদ্বেষ প্রসূত অভিযোগে কোন নির্দোষ ব্যক্তি যেন শাস্তি না পায় বা কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটিকেও গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয়।আমাদের দেশে প্রতিপক্ষকে হয়রানী করার জন্য বা প্রতিশোধ নেয়ার জন্য বা অন্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য মিথ্যা মামলা দেয়ার প্রবনতা লক্ষ করা যায়। কোন নিরাপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানী বা ক্ষতিসাধরনের অভিপ্রায়ে কেউ যেন কোন মিথ্যা অভিযোগ বা মিথ্যা মামলা দায়ের না করে তা নিশ্চিত করার জন্য বা নিরুৎসাহিত করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ বা মিথ্যা মামলা দায়ের কারীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা দেশে বর্তমানে বিদ্যমান অনেক আইনেই রয়েছে।আমাদের দেশে বর্তমানে বিদ্যমান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনেও এ ধরনের বিধান রয়েছে।কিন্ত যেহেতু উল্লেখিত আইনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড সেক্ষেত্র মিথ্যা ধর্ষন মামলা দায়েরকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি উপযুক্ত হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি,তাতে মিথ্যা মামলা দায়ের করার প্রবনতা কমবে এবং নির্দোষ কোন ব্যক্তি মিথ্যা ধর্ষন মামলায় হয়রানীর শিকার হলে উপযুক্ত আইনানুগ প্রতিকার পাবে।কিন্তু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০(সর্বশেষ সংশোধনী-২০২০) এর ধারা -৯(১) পরিবর্তন করে ধর্ষনের পূর্বে থাকা সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড পরিবর্তন করে মৃত্যদন্ড করা হলেও একই আইনের ধারা-১৭ অনুযায়ী এ আইনের অধীনে কোন অপরাধের মিথ্যা মামলা বা ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি যে ৭ (সাত) বছর সশ্রম কারাদন্ড এবং এর অতিরিক্ত অর্থদন্ড তা বর্তমানেও বিদ্যমান রয়েছে,এক্ষেত্রে শাস্তি বাড়ানোর কোন সংশোধনী আনা হয়নি। অর্থাৎ এই আইনের বিধান অনুযায়ী কেউ যদি ভিত্তিহীন বা মিথ্যা ধর্ষন মামলা দায়ের করেন তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দোষ প্রমানিত হবার পর মিথ্যা মামলা দায়ের কারীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারার অপরাধে মামলা করলে অপরাধীর সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদন্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে,যা ধর্ষন অপরাধের মত একটি জঘন্য অপরাধের মিথ্যা মামলা দায়ের কারীর জন্য উপযুক্ত শাস্তি নয়।কারন যদি মিথ্যা অভিযোগকারীর মিথ্যা ধর্ষন মামলাটি নিরাপরাধ ব্যক্তি মিথ্যা প্রমান করতে সক্ষম না হয় তাহলে তার মৃত্যুদন্ড হতে পারে অথবা দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্দোষ প্রমানিত হওয়ার জন্য যে সকল ক্ষয়ক্ষতি,মর্যাদাহানি ও হয়রানীর সন্মূখীন হন সে তুলনায় বর্তমানে বিদ্যমান শাস্তি অপ্রতুল এবং এই কম শাস্তি থাকার সুযোগে অনেকে মিথ্যা ধর্ষন মামলা দায়ের করে নিরাপদ ব্যক্তিকে হয়রানী করার অপচেষ্টা করতে পারে।তাই পরিশেষে বলতে চাই ধর্ষনের সাথে জড়িত অপরাধীর যেমন উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব তেমনি নিরাপরাধ ব্যক্তি যেন মিথ্যা ধর্ষন মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বা হয়রানীর শিকার না হয় সেজন্য মিথ্যা ধর্ষন মামলাকে নিরুৎসাহিত করতে মিথ্যা ধর্ষন মামলা দায়ের কারীদের জন্য উপযুক্ত শাস্তির বিধান করা সময়ের দাবি।

    লেখকঃ
    এডভোকেট মোঃ কাওসার হোসাইন
    আইনজীবি
    সুপ্রিমকোর্ট অব বাংলাদেশ
    প্যানেল আইনজীবি,রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
    আইনজীবি,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর।

  • ময়মনসিংহে প্রাপ্তি” মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন ওসি

    ময়মনসিংহে প্রাপ্তি” মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন ওসি

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলোর অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রগুলোর কর্মকাণ্ডের পরিদর্শন করছেন কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ। বৃহস্পতিবার তিনি ময়মনসিংহ ক্যান্টনমেন্ট রোডে “প্রাপ্তি” মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ওসি। এসময় ওসি শাহ কামাল আকন্দ চিকিৎসাধীন মাদকাসক্তদের সহিত আলোচনা এবং তাদেরকে চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহবান জানান।

    সুত্র জানিয়েছে- ৩০শে মার্চ বৃহস্পতিবার বিকাল অনুমান ৪টায় কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহ কামাল আকন্দ, পিপিএম (বার), ময়মনসিংহ নগরীর সানকিপাড়া ক্যান্টনমেন্ট রোডস্থ প্রাপ্তি মাদকাসক্ত পূর্নবাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং চিকিৎসাধীন মাদকাসক্তদের মাদকের উৎস সহ মাদক ব্যবসার সহিত জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মাদকসেবীদের মাদকের কু-ফলতা সম্পর্কে আলোচনা সহ চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য, সুন্দর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহবান জানান। এছাড়াও নিরাময় কেন্দ্রের তৌহিদ ফেরদৌস শাওন (২৬), রাশেদুল হক জয় (২৪), নিন্টু পাল (৪৮) নামের তিন মাদকসেবি মাদকাসক্ত থাকা অবস্থায়, মাদক নিরাময় কেন্দ্র হইতে সেবা গ্রহন করে বর্তমানে সুস্থ্য হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসায় ওসি তাহাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন সহ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং নিরাময় কেন্দ্রে অফিস সহকারী হিসেবে চাকুরীর ব্যবস্থার মাধ্যমে পূনর্বাসিত করা হয়।

  • গোপালগঞ্জে ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রের জন্মোৎসব উপলক্ষে পূজা আর্চনা ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জে ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রের জন্মোৎসব উপলক্ষে পূজা আর্চনা ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রের জন্মোৎসব উপলক্ষে পূঁজা আর্চনা ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় হিন্দু মহাজোট এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) সকালে ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রের জন্মোৎসব ও রাম নবমী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কালী বাড়ীতে পূঁজা আর্চনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে ভক্তবৃন্দের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এ অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা অংশ নেন।

    ধর্মগ্রন্থ রামায়নে বলা হয়েছে, দুস্টের দমন করে শিষ্টের পালন করতে আজ থেকে সাড়ে ৯ লক্ষ বছর পূর্বে ত্রেতা যুগে চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে শ্রী রাম চন্দ্র জন্মগ্রন করেন। তিনি রাবনকে বধ করে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাকে ভাগবান শ্রীকৃষ্ণের সপ্তম অবতার বলা হয়।