Author: desk

  • সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণে বিভিন্ন হামলা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন

    সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণে বিভিন্ন হামলা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন

    হেলাল শেখঃ সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণে বিভিন্ন হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। কেউ আবার নিজেদের অনেক বড় সাংবাদিক মনে করে অহংকারে মাটিতে পা রাখতে চায় না, এর কারণে আরো জটিলতা বাড়ছে। সারাদেশে সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা ও নির্যাতন বন্ধ করতে হলে থানা পর্যায় থেকে শুরু করে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সাংবাদিক সবাইকে সচেতন হওয়াসহ ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। সাংবাদিক কতো প্রকার আছে তার হিসাব নাই। এবার ১ থেকে ১৬ প্রকার সাংবাদিক নাম প্রকাশ করা হচ্ছে। ১। সাইনবোর্ড সাংবাদিক, ২। আইডিকার্ড সাংবাদিক, ৩। ভুয়া সাংবাদিক, ৪। প্রেসক্লাব সাংবাদিক, ৫। বহুমাত্রিক সাংবাদিক, ৬। কথাসাহিত্যিক সাংবাদিক, ৭। দলীয় সাংবাদিক, ৮। ভবিষ্যতদ্রষ্টা সাংবাদিক, ৯। মৌসুমী সাংবাদিক, ১০। শখের সাংবাদিক, ১১। অপসাংবাদিক, ১২। স্বার্থপর সাংবাদিক, ১৩। বি ত সাংবাদিক, ১৪। লাঞ্ছিত সাংবাদিক, ১৫। কাঙ্খিত সাংবাদিক, ১৬। প্রকৃত সাংবাদিক।
    প্রতিদিন প্রতি মুহুর্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির সেবা করে যাচ্ছেন প্রকৃত সাংবাদিকরা। তবে সেই ত্যাগী সাংবাদিকরা কি পাচ্ছেন? কেন সাংবাদিকতায় আসছেন বেকার মানুষগুলো? সত্যি কথা বললে বা সংবাদ প্রকাশ করলে সেই সাংবাদিকদের নামে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা ও হামলা করা হয়। সাংবাদিকরাতো কোনো চোর ডাকাত নয়, বা বড় দুর্নীতিবাজ নয় যে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে সাজা দিতে হবে। সূত্র জানায়, সারাদেশেই নিজেদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শক্রতা সুষ্টি করছে কিছু সাংবাদিক তারা ১ থেকে ১৫ প্রকার সাংবাদিক। সেই সাথে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা, আশুলিয়া থানা, মিরপুর থানা, বরিশাল ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানাসহ সারাদেশে প্রায় অনেক থানায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক, সেই অর্থে সাংবাদিকরা কেন অপহেলায় অপমানিত হচ্ছেন?। অর্থ ও স্বার্থের জন্য মানুষ যদি অমানুষের পরিচয় দেন এটা খুবই লজ্জাজনক। সাংবাদিকদের পেশা যেন ধর্মকর্ম মানুষের সেবা করাই তাদের একমাত্র কাজ। যারা কাজ করেন তাদের ভুল হতেই পারে কিন্তু ছোট একটা ভুল করলেই বড় ধরণের হামলা, মামলার শিকার হতে হতে হয় সেই সাংবাদিকদেরকে। থানায় ডেকে নিয়ে বা রাস্তা থেকে ধরে নিয়েই বিভিন্ন মামলা দেয়া হয় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে, এটা জাতির জন্য কতটা লজ্জাজনক?। বাংলাদেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন পুলিশ বাহিনী আর সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করেন। সরকার পুলিশকে বেতন ভাতা দিলেও সাংবাদিকরা পাচ্ছেন না সরকারি কোনো সম্মানি ভাতা। ভালো কাজ করলে বলা হয় এটা তাদের দায়িত্ব। সামান্যতম ভুল করলে তাদেরকে বড় গালাগালি দেওয়া হয়। সব পুলিশ খারাপ না, কিছু পুলিশ সদস্য খারাপ তাই পুলিশের বদনাম হয়। মানবিক পুলিশ ও সাংবাদিক তাদের ঘর থেকে বাহিরে বের হলে বা ডিউটিতে গেলে তাদের পরিবারের সদস্যরা অনেক চিন্তায় থাকেন যে, কখন যেন কোন হামলার শিকার হয় তারা।
    দেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ, র‌্যাব যে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গী, খুনী, ধর্ষণকারী, অপহরণকারীদেরকে গ্রেফতার করেন এবং ভিকটিম উদ্ধার করাসহ অনেক কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেন। বিশেষ করে কিছু লোকজন অভিমত প্রকাশ করেন যে, পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট হলেও সেই অর্থে তুলনামূলক ভাবে সেবার মান বাড়ছে না। সূত্রমতে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মানয়ীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করাসহ পাশাপাশি বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঢাকা বিভাগের সকল থানায় সিসি টিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে,এতে যেমন প্রশংসা বাড়ছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের। তবে কিছু থানা পুলিশের অনিয়ম দুর্নীতির কারণে পুলিশ বাহিনীর বদনামও হচ্ছে, কিন্তু এই দায় নিবে না মানবিক পুলিশ সদস্যরা। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ধুলাবালির মধ্যে প্রতিদিন অনেক কষ্টের মধ্যে ডিউটি করেন, তাদের সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। দেশের থানা পুলিশ কর্তৃক আটক হওয়া ব্যক্তিদের হাজত থেকে কারাগারে থাকা নানারকম সমস্যা হয়ে থাকে, তারপরও মানুষ সঠিক পথে চলে না এটা দুঃখজনক ব্যাপার। ঢাকার আশুলিয়া থানায় জিডি ও অভিযোগের তদন্তই করেন না কিছু পুলিশ অফিসার এমন অনেক ভুক্তভোগীর অভিযোগ রয়েছে। কিছু পুলিশ সদস্যদের দাবি-বেতন বাড়ার সাথে সেবার মান বাড়ছে, আগের চেয়ে অনেকটা উন্নতি হয়েছে পুলিশ বাহিনীর সেবার মান। পুলিশের সেবার মান আরও বাড়বে ও স্বপ্ন একদিন পূর্ণ হবে। তবে পুলিশ ও জনগণের মানুষিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। সূত্র জানায়, জরাজীর্ণ থানাগুলোতে অনেক জায়গায় নতুন ভবন করেছে সরকার। এদিকে বাংলাদেশের পুলিশের নতুন প্রায় ১৫টির মতো ইউনিট গঠিত হয়েছে। কিছু পুলিশ সদস্যের ভুলের কারণে পুরো পুলিশ বাহিনীর দোষ দেয়া হয় এটা ঠিক নয়। পুলিশ সদস্যদের দাবি-বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন তারা, তবে চট্রগ্রামের মেজর সিনহার মৃত্যু নিশ্চিত করতে গুলি করেন ওসি প্রদীপ এমন একটি সংবাদ শিরোনাম প্রকাশ হয়েছে শীর্ষ জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসহ বিভিন্ন মিডিয়াতে। এরপর থেকে পুলিশ বাহিনীর অনেক বদনাম হয়। তবে তাকে র‌্যাব বাহিনী আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর সিলেটে ডাক্তারের চেম্বারে কর্মচারি রায়হানকে পরিকল্পিতভাবে পুলিশ দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠে। এই হত্যার ঘটনায় সিলেটের বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তরুণ (এসআই) আকবর ভুঁইয়াকে আটক করা হয়। গত ৯ নভেম্বর ২০২০ইং সকালে রাজধানীর আদাবর মানসিক রোগ নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে গিয়ে হাসপাতালের কর্মচারিদের গণপিটিুনিতে এ এসপি আনিসুল করিম হত্যার ঘটনা ঘটে। এমন ঘটনা কেউ আশা করেনি বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন।
    রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশের থানায় পুলিশের তেমন কোনো সমস্যা না থাকায় মফস্বল এলাকা থেকে বদলি হয়ে ঢাকায় আসার জন্য পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা করে থাকেন। এর অনেক কারণও রয়েছে। মফস্বল এলাকায় পুলিশ সদস্যদের নানারকম সমস্যা, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পুলিশের থাকা খাওয়ার সমস্যা। অনেক সময় জরুরি কাজে গাড়ি না পাওয়াসহ নানারকম সমস্যা রয়েছে পুলিশের। বিশেষ করে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যেদের অনেক কষ্ট করে ডিউটি করতে হয়, তাদের অনেকেই সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন এমন অনেক তথ্য রয়েছে। সুত্রে জানা গেছে, অনেক ইউনিটে চাহিদার চেয়ে অর্ধেকেরও কম জনবল দিয়ে দৈনন্দিন কাজ চালানো হচ্ছে পুলিশ বাহিনীতে। বেশিরভাগ ইউনিটি ও থানার নিজস্ব কোনো ভবন নেই, আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। অনেক সময় জরুরি অভিযান পরিচালনার জন্য গাড়ি পাওয়া যায় না। দুঃখজনক বিষয়ঃ সাধারণ মানুষ অনেকেই বলেন, ডাকঢোল পিটিয়ে রং বে-রঙের বেলুন উড়িয়ে পুলিশ বাহিনীতে নতুন নতুন ইউনিটির যাত্রা শুরু হয়, কিন্তু পুলিশের সেবার মান বাড়ছে না কেন? অনেক পুলিশ সদস্য অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছেন এর কারণও রয়েছে পারিবারিক সমস্যা। সূত্র জানায়, রাজধানী ছাড়াও যেমনঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। এই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও তদন্ত ওসিসহ ৪০ জনের মত অফিসার রয়েছেন। দেখা যায়, বেশিরভাগ পুলিশ অফিসারগণ ভাড়া গাড়ি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ১০-১২ বছর আগের পুলিশ আর বর্তমান সময়ের পুলিশ একরকম নয়। সরকার যেমন পুলিশের বেতন বৃদ্ধি করেছে,তেমনি পুলিশের কষ্টও বাড়ছে। এদিকে ট্রাফিক পুলিশের কয়েকজন সদস্য জানান, পুলিশ সদস্য ভালো কাজ করলে পাবলিক বলে এটা পুলিশের দায়িত্ব কিন্তু পুলিশ সদস্য ছোট কোনো ভুল করলে তাদেরকে অনেক সময় বড় ধরণের শাস্তি দেয়া হয়, এমন কি চাকরি চলে যায়। বাংলাদেশের “প্রশাসনিক কাঠামো” ৬টি থেকে বাড়িয়ে বর্তমানে ৮টি বিভাগ ও ৬৪ জেলা এখন। ৬৪ জেলায় ৮৬,৬০৮টি গ্রাম। ১৯৭১ সালে মাত্র ৭কোটি জনগণ ছিলো, যা বর্তমানে প্রায় ১৮কোটির মত জনগণ হয়েছে। মানুষ বাড়ছে, ঘর বাড়ি বাড়ছে, ইটভাটা বাড়ছে, ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট বাড়ছে, পুলিশ সদস্যও বাড়ছে, কিন্তু সেই অর্থে কি সেবার মান বাড়ছে?। পুলিশ বিভাগের জন্য আলাদা মেডিকেল ইউনিটি গঠিত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান খান কামাল গত ৩ অক্টোবর ২০১৯ইং সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে “বিএসআরএফ সংলাপ” অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে সরকার গত মেয়াদে ৮০ হাজার পুলিশের জনবল বৃদ্ধি পেয়েছে। জরাজীর্ণ থানাগুলোতে নতুন ভবন করা হচ্ছে। পুলিশের নতুন ১৫টি ইউনিট গঠিত হয়েছে। আমরা হেলিকপ্টার সংযোজন করতে যাচ্ছি, তার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছি। (পিবিআই), এ ছাড়া দেশের শিল্প এলাকার নিরাপত্তা জোরদার ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ইন্ডাষ্টিয়াল পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও ট্যুরিষ্ট পুলিশ গঠন করা হয়। এ ছাড়াও কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট নামে নতুন আরও একটি ইউনিট গঠন হয়। পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দাবি-পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগ ও রংপুর রেঞ্জে রিজাভ ফোর্স (আর আর এফ) এবং পাবনা জেলার আতাইকুলা ও আমিনপুর থানাসহ প্রায় ২৯টি নতুন থানা এবং প্রায় ৪৭টি তদন্ত কেন্দ্র নতুন হয়েছে। মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য। আমাদের প্রশ্ন দেশের আর কত হামলা মামলা-নির্যাতন ও হত্যার শিকার হবে সাংবাদিকরা? দুঃখজনক হলেও সত্য সাংবাদিকরা সবার খবর রাখেন কিন্তু সেই সাংবাদিকরা কেমন আছেন তার খবর কেউ রাখেন না। কিছু সাংবাদিক তাদের নিজেদের ভুলের কারণে হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, এটা নিয়ে নিজেরা সচেতন হতে হবে।

  • পঞ্চগড়ে জেলা বিএনপির অবস্থান কর্মসুচী

    পঞ্চগড়ে জেলা বিএনপির অবস্থান কর্মসুচী

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি: বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদে এবং পুর্ব ঘোষিত ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবীতে পঞ্চগড়ে জেলা বিএনপির অবস্থান কর্মসুচী পালন করেছে।
    শনিবার বিকেলে পঞ্চগড় জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসুচী পালন করে দলীয় নেতা কর্মীরা।
    অবস্থান কর্মসুচীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির।
    এসময় জেলা বিএনপির আহবায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, বিএনপি নেতা আব্দুল মজিদসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা অবস্থান কর্মসুচীতে অংশ নেন।

    মো. বাবুল হোসেন, পঞ্চগড়।।

  • হরিণাকুন্ডুতে রবিউল ইসলাম হত্যার নেপথ্যে পুরানো বিরোধ

    হরিণাকুন্ডুতে রবিউল ইসলাম হত্যার নেপথ্যে পুরানো বিরোধ

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার ও পুর্বশত্রæতার জের ধরে খুন করা হয় ইজিবাইক চালক রবিউল ইসলামকে। শুক্রবার বিকালে ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু শহরের “একতারা” মোড়ে কুপিয়ে জখম করার পর রাত ১০টার দিকে রবিউল ইসলাম মারা যান। তিনি হরিণাকুন্ডু পৌর এলাকার জোড়াপুকুরিয়া গ্রামের মিনহাজ উদ্দিনের ছেলে। রবিউল হত্যার পর প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। উত্তেজনা প্রশমনে গ্রামটিতে অরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, জোড়াপুকুরিয়া গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের সাইফুল কমিশনার ও আক্কাচ আলীর দুইটি গ্রæপ রয়েছে। সামাজিক এই গ্রæপে আওয়ামীলীগ ছাড়াও বিএনপি ও জামায়াতের লোকজন রয়েছে। গ্রামবাসির ভাষ্যমতে ২০২১ সালে হরিণাকুন্ডু পৌরসভার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আ’লীগ নেতা আক্কাচ আলীকে কুপিয়ে জখম করে সাইফুল কমিশনার গ্রæপের লোকজন। এই হামলায় আক্কাচ আলী চিরতরে পঙ্গু ও বধির হয়ে যান। ওই সময় হামলার নেতৃত্ব দেন শুক্রবার রাতে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত রবিউল ইসলাম। তিনি আক্কাচ আলীকে কোপানো মামলার প্রধান আসামীও। পঙ্গু আক্কাচ আলীর ছেলে পলাশ এখন হরিণাকুন্ডু পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি। অনেকের ধারণা পিতার উপর বর্বরতম হামলার প্রতিশোধ নিতেই রবিউলকে খুন করা হয়েছে। যদিও এই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগ নেতা পলাশ। তবে প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্যমতে, শুক্রবারের হরিণাকুন্ডু শহরের একতারা মোড়ে হামলার সময় কিশোর গ্যাং ও বেশির ভাগ স্কুল কলেজে পড়া ছাত্ররাই অংশ নেয়। হামলাকারীরা সবাই ছাত্রলীগ নেতা পলাশের সঙ্গে থাকেন বলে অভিযোগ। এদিকে সাইফুল কমিশনার গ্রæপের সমর্থক রবিউল ইসলাম নিহত হওয়ার খবর জোড়াপুকুরিয়া গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সাইফুল সমর্থকরা জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষ আক্কাচ আলী, কবির উদ্দীন, হাসেম আলীম, মাছেম আলী, সদর উদ্দীন, কদর আলী, উজ্জল, আব্দুল কদ্দুস, সুজন, রাজন ও হায়বার আলীর বাড়ি ভাংচুর করে। এরমধ্যে ছয়টি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। লুট করা হয়েছে আক্কাচ আলী, সুজন, রাজন ও আব্দুল কুদ্দুসসহ একাধিক ব্যক্তির গরু-ছাগল। শনিবার সকালেও লুটপাট অব্যাহত ছিল। সরজমিন দেখা গেছে, আক্কাচ আলী গ্রæপের সমর্থকরা ঘরবাড়ি ছাড়া। বাড়িতে মহিলারা রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে হরিনাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জোড়াপুকুরিয়া গ্রামটিতে উত্তেজনা বিরাজ করায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গ্রামটিতে আতংক থাকলেও এখন পরিবেশ শান্ত। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ নিয়মিত টহল দিচ্ছে। ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম জানান, শুক্রবার রাতের অগ্নিসংযোগে ৬টি বাড়ির কিছু ঘর পুড়ে গেছে। বিচুলি গাদায়ও আগুন লাগানো হয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • মাহে রমজান উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা দিলেন যুবলীগ

    মাহে রমজান উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা দিলেন যুবলীগ

    লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
    লক্ষ্মীপুরে মাহে রমজান উপলক্ষে অসহায় পরিবারে মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে রায়পুরের কেরোয়া এলাকায় এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এর নির্দেশনায় প্রতিটি এলাকায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বায়েজিদ ভুইয়া। এদিন শতাধিক পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়।
    এসময় যুবলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    এসময় আয়োজকরা জানান, যুবলীগের মানবিক কর্মসূচি আওতায় পবিত্র মাহে রমজানে পিছিয়ে পড়া মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হয়। আমরা চেষ্টা করি সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষ যাতে কষ্টে না থাকে, এজন্য এবারও খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।
    এবার জেলার বিভিন্ন গ্রামে ৩ হাজার পরিবারের মাঝে ৩ কেজি চাউল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি তেল দেওয়া হয়। খাদ্য সামগ্রী পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন হতদরিদ্র মানুষগুলো।

  • পাইকগাছায় নবাগত ওসি ও বিদায়ী ওসি’র সাথে পুলিশং ফোরাম এর শুভেচ্ছা বিনিময়

    পাইকগাছায় নবাগত ওসি ও বিদায়ী ওসি’র সাথে পুলিশং ফোরাম এর শুভেচ্ছা বিনিময়

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা থানার দায়িত্বভার নিয়েই অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম পাইকগাছার মানুষের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার ঘোষনা করে সকলের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার অনুরোধ করেছেন। ১ এপ্রিল-২৩ প্রথম কর্ম দিবসের সকালে উপজেলা কমিউনিটি পুলিশং ফোরাম এর নেতৃবৃন্দের সাথে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নবাগত ওসি পুলিশং ফোরাম নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান। তিনি সকলকের কাছে তথ্য আদান-প্রদানের সহযোগিতা চেয়ে ভুক্তভোগীদের সেবা পেতে কোন মাধ্যম ছাড়া তার সাথে সরসরি কথা বলার জন্য অনুরোধ করেছেন। একই অনুষ্ঠানে বিদায়ী ওসি মোঃ জিয়াউর রহমানের দায়িত্ব পালনকালে ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে পুলিশং ফোরাম এর নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করে তার তার সার্বঙ্গীন সফলতা কামনা করেণ। এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কমিউনিটি পুলিশং ফোরাম এর সভাপতি দাউদ শরীফ,সহ-সভাপতি গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি, এম আব্দুস ছালাম কেরু,চাঁদখালী ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাজা মোঃ আবু ইলিয়াস, পৌর কমিটির সভাপতি সাবেক কাউন্সিল শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত,সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, উপজেলা ও পৌর ও ইউনিয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে দেলুটির সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নির্মল চন্দ্র মন্ডল, নির্মল বৈরাগী,বিভুতী ভুষন সানা,সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, আব্দুল আজিজ,এসএম শাহাবুদ্দিন শাহিন,সায়েদ আলী মোড়ল কালাই, অশোক ঘোষ, আঃ মজিদ বয়াতি,ইউপি সদস্য হাসানুজ্জামান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফেরদৌস ঢালী,ফাতেমাতুজ জোহরা রুপা,জুলি শেখ,নাজমা কামাল,শিবলী সাদিক,তানজিম মোস্তাফিজ বাচ্চুসহ অনেকে।

  • পাইকগাছার বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

    পাইকগাছার বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছার বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার বিকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন সংসদ সদস্য আলহাজ¦ আক্তারুজ্জামান বাবু। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু’র স ালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, জেলা পরিষদ সদস্য রবিউল ইসলাম রবি, ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু, অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, আওয়ামী লীগনেতা এসএম শাহবুদ্দীন শাহীন ও ছাত্রলীগনেতা রায়হান পারভেজ রনি।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।।

  • ৭ অস্বচ্ছল মানুষের চিকিৎস্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর অব্যাহত মানবিক সহায়তা নজির সৃষ্টি করেছে এমপি-বাবু

    ৭ অস্বচ্ছল মানুষের চিকিৎস্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর অব্যাহত মানবিক সহায়তা নজির সৃষ্টি করেছে এমপি-বাবু

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনা-৬ ( পাইকগাছা- কয়রার) সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অব্যাহত ভাবে অস্বচ্ছল অসুস্থ্য মানুষের চিকিৎস্বার্থে অর্থ সহয়তা করে নজীর সৃষ্টি করেছেন। আমি শুধু প্রধানমন্ত্রীর বাহক হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় অস্বচ্ছ্ল দলীয় নেতা-কর্মী থেকে অসুস্থ্য গরীর মানুষের চিকিৎকসার চেকগুলো আনতে সহয়তা করছি। ১ এপ্রিল-২৩ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ২২ জন অসুস্থ্য নারী-পুরুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ১১ লাখ টাকার মানবিক অর্থ চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। আগামী ২৪ সালে দ্বাদশ জাতিয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর নৌকা প্রতিকের বিজয় অর্জনে তিনি প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত সুভাধাভোগী পরিবারের জোরালো ভূমিকা রাখার আহবান জানান। শনিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু,ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু,সাবেক উপাধ্যক্ষ রমেন্দ্র নাথ সরকার,গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি,এম আব্দুস ছালাম কেরু, দেলুটি’র সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নির্মল কুমার মন্ডল,এ্যাডঃ সমীর কুমার বিশ্বাস, উপজেলা কমিউনিটি পুলিশং ফোরাম এর সভাপতি দাউদ শরীফ, পৌর কমিটির সভাপতি শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, সম্পাদক ও সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম,প্যানেল চেয়ারম্যান শংকর বিশ্বাস, সোলাদানা পুলিশং ফোরামের সম্পাদক এসএম শাহাবুদ্দিন শাহিন, ভিলেজ মাধ্যঃ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এমএম আজিজুল হাকিম, ইউপি সদস্য শওকত হাওলাদার, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফেরদৌস ঢালী, ফাতেমাতুজ জোহরা রুপা,সাবেক ইউপি সদস্য নাজমা কামাল, সাবেক ছাত্র নেতা রায়হান পারভেজ রনিসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।

  • সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ২০ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ মাদক কারবারী শামসুল হক কে আটক করেছে র‌্যাব-১২

    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ২০ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ মাদক কারবারী শামসুল হক কে আটক করেছে র‌্যাব-১২

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    ১। র‌্যাব-১২ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারসহ নেশার মরণ ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার জন্য র‌্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ০১ এপ্রিল ২০২৩ খ্রিঃ দুপুর ০১.৫০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলা সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুলস্থ সিরাজগঞ্জ টু ঢাকাগামী মহাসড়কের ফুড ভিলেজ এর সামনে রাস্তার উপর একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ২১৩ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তার সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ শামসুল হক (৪৫), পিতা- মৃত মন্তাজ আলী, সাং-হরিশংকরপুর কুমারপাড়া, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহী।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।

    ৪। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ মনিরুজ্জামান

    সহকারি পুলিশ সুপার

    মিডিয়া অফিসার

    র‌্যাব- ১২, সিরাজগঞ্জ

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২০৩

  • নড়াইলে জরুরি সেবায় পুলিশকে কল করে উদ্ধার হলেন অবরুদ্ধ নির্যাতিত বিধবা নারী বিউটি

    নড়াইলে জরুরি সেবায় পুলিশকে কল করে উদ্ধার হলেন অবরুদ্ধ নির্যাতিত বিধবা নারী বিউটি

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে

    নড়াইলে জরুরি সেবায় কল করে উদ্ধার হলেন অবরুদ্ধ নির্যাতিত বিধবা নারী বিউটি।জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে নড়াইলের বিউটি বেগম (৩৫) নামে এক বিধবা নারী উদ্ধার পেলেন। ঘটনাটি ঘটেছে লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের গিলাতলা
    গ্রামে। নির্যাতিত ওই মহিলাকে লোহাগড়া থানা পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। বিউটি বেগমকে অমানবিক নির্যাতন করে ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার দেবরদের বিরুদ্ধে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের গিলাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর সূত্রে জানা যায়, কাশিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মৃত আমজাদ হোসেন খানের পুত্রবধূ বিউটি বেগম। আট বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় তার স্বামী তোফাজ্জেল হক হিট্টুর মৃত্যু হয়। স্বামীর মৃত্যুর পরেও ছোট দুই ছেলে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করে আসছেন বিউটি। স্বামীর
    রেখে যাওয়া মাঠের জমি চাষাবাদের পাশাপাশি সেলাইয়ের কাজ করে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জোগান ও জীবিকা নির্বাহ করে করেন। শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকালে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করা জমিতে চাষাবাদের জন্য যান বিউটি। জমি চাষের সময়ে তার দেবর মিন্টু খান, মনির হোসেন খান সেন্টু,সাজ্জাদ হোসেন খান রিন্টু, পিনা খান, দেবরের স্ত্রী রাহেলা বেগমসহ ছয়
    থেকে সাতজন আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাষাবাদ বন্ধ করতে বলেন। বিউটি ও তার ছেলে সাইফ খান চাষাবাদ বন্ধ না করলে তাদেরকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন তারা। এ অবস্থায় সকাল ১০টার দিকে ৯৯৯ -এ কল করে লোহাগড়া থানা পুলিশ অসুস্থ বিউটি বেগম ও তার ছেলেকে বাড়ি থেকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
    গিলাতলা গ্রামের আব্দুর রহমান বলেন, দেবর মিন্টু খান অন্য ভাইয়েরা আগ্নেয়াস্ত্র (দুই নালা বন্দুক) হাতে লাঠিসোঁটা, দেশীয় অস্ত্রসহ জমি চাষাবাদে বাধা দিচ্ছিলেন বিউটির । জমি থেকে না গেলে বিউটি ও তার ছেলে সাইফকে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেন । এ সময় বিউটির ছেলে সাইফ ঘটনার ভিডিও ধারণ করাতে তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ দেন।ভুক্তভোগী বিউটি বেগম বলেন, আমার স্বামীর মৃত্যুর পর আমার দেবররা বেশ
    কয়েকবার আমার ওপর অমানবিক নির্যাতন করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। তারা চায় বন্দুকের ভয় দেখিয়ে সব জমি লিখে নিতে আর আমার এতিম সন্তানদের ভিটা ছাড়া করতে। গতকাল (শুক্রবার) সকালে আমার ভাগের জমি চাষ করতে গেলে তারা বাধা দেয়। আমরা জমি থেকে না যেতে চাওয়ায় সবার সামনে আমার বুকে বন্দুক ঠেকিয়ে বলে জমি সব লিখে দিয়ে চলে যা, তা না করলে তোদের সবাইকে মরতে হবে। এরপর
    আমাদেরকে লাঠি, হকিস্টিক, বন্দুকের বাট দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকে। আমাদেরকে মেরে বাড়ির মধ্যে আটকে রাখে। হাসপাতালেও যেতে দেয়নি। পরে বাধ্য হয়ে ৯৯৯ একল দেই। পুলিশ এসে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন,প্রশাসনের
    কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ করছি আপনারা ন্যায় বিচার করুন। আমার সন্তানদের অধিকারটুকু রক্ষা করার নিশ্চয়তা দিন।
    লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক খালিদ
    সাইফুল্লাহ বেলাল বলেন, বিউটি বেগমের শরীরের বিভিন্নস্থানে জখম রয়েছে। চাপা আঘাতের কারণে রক্ত জমাট হয়ে আছে। আপাতত দৃষ্টিতে আঘাত গুরুতর মনে না হলেও এসব আঘাতের কারণে রোগীকে দীর্ঘ মেয়াদে ভুগতে হবে। এ বিষয়ে মিন্টু
    খানের কাছে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ও মাইরখেয়েছি। আমি অসুস্থ হার্টের রোগী এখন বেডে আছি, কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। অস্ত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমার ভাইয়ের লাইসেন্স করা অস্ত্র। ভাইয়ের মাথা গরম উল্টাপাল্টা কিছু করে না বসে সেজন্য অস্ত্রটি আমি নিয়ে
    রেখেছিলাম। লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দীন বলেন,জরুরি সেবা ৯৯৯ -এর কলের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি এক নারীকে তার দেবররা
    ঘরে অবরুদ্ধ করে প্রাণে মারার চেষ্টা করছে। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই। বিউটি বেগম ও তার ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হামলায় ব্যবহারকৃত অস্ত্র লাইসেন্সকৃত হলেও বৈধ অস্ত্র প্রাপ্তির শর্ত ভঙ্গ করায় আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

    এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন বলেন, কোন নারীকে সম্পত্তি বা অন্য কোন কারনে নির্যাতন করার অধিকার কারো নাই। পুলিশ কল পেয়ে উদ্ধার করেছে। তার স্বার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে।

  • র‌্যাব-১২’র বিশেষ অভিযানে স ৩৬ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ শেফালী ও জেসমিন নামের নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২’র বিশেষ অভিযানে স ৩৬ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ শেফালী ও জেসমিন নামের নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    ১। র‌্যাব-১২ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারসহ নেশার মরণ ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার জন্য র‌্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ৩১ মার্চ ২০২৩ খ্রিঃ সন্ধা ০৫.০০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলা বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানাধীন বঙ্গুবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে ষ্টেশন এর দক্ষিণ পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩৬৩ গ্রাম হেরোইনসহ ০২ জন নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০২ টি মোবাইল এবং নগদ ৫০০০/- টাকা জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোছাঃ শেফালী বেগম(৫০), স্বামী-মোঃ ইমরান আলী, ২। মোছাঃ জেসমিন আক্তার সুরভী(২২), পিতা-ইমরান আলী, উভয় সাং-বিদিরপুর বারমাইল, পোষ্ট-পিরোজপুর, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহী।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।

    ৪। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ মনিরুজ্জামান

    সহকারি পুলিশ সুপার

    মিডিয়া অফিসার

    র‌্যাব- ১২, সিরাজগঞ্জ

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২০৩