Author: desk

  • ঠাকুরগাঁওয়ে  শিক্ষার্থীদের মাঝে ট্যাবলেট বিতরণ

    ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ট্যাবলেট বিতরণ

    ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় মাধ্যমিক পর্যায়ে ৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৭০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়ছে।

    রবিবার (২ মার্চ) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা হলরুমে শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়।

    ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপ-পরিচালক মাজেদুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম, সহকারি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বেলালউদ্দিন সরকার, রাণীশংকৈল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা, সরবারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমীন প্রমূখ।
    এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক সাংবাদিক বৃন্দ।

    গৌতম চন্দ্র বর্মন
    ঠাকুরগাঁও

  • ডাসারে জটিল রোগে আক্রান্তদের মাঝে চেক বিতরন

    ডাসারে জটিল রোগে আক্রান্তদের মাঝে চেক বিতরন

    রতন দে, মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    মাদারীপুরের ডাসারে ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্টোক, প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসিমিয়া আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য সরকারের দেয়া এককালিন ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
    আজ রবিবার সকালে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে মোঃ জাফর ফরাজী,সঞ্জয় সরকার,মোসাঃ রিনা বেগম,হাবিবুর রহমান,শংকর হালদার,সীমা বেগম ও রিক্তা রানী দাস সহ মোট ৭ জন উপকার ভোগীদের প্রত্যেক”কে ৫০ হাজার টাকা অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।
    উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকতা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মশিউর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সারমীন ইয়াছমীন।
    যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাকিম তালুকদার,ডাসার উপজেলা আনসার ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আহসানুর রহমান, ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ আতিকুর রহমান আজাদ,ইউনিয়ন সমাজসেবা কর্মি মোঃ মিজানুর রহমান,লায়লা আক্তার,তাছলিমা বেগম ও তানজিলা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

  • রামপালে আধিপত্য বিস্তারের হামলায় আওয়ামীলীগের উভয় পক্ষের ১০ জন আহত গ্রেফতার ২

    রামপালে আধিপত্য বিস্তারের হামলায় আওয়ামীলীগের উভয় পক্ষের ১০ জন আহত গ্রেফতার ২

    এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || রামপালে আধিপত্য বিস্তারে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের হামলায় বাঁশতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শনিবার রাতে ভুক্তভোগী রেজাউল কুদরতি রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পরে রাতে অভিযান চালিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আবু তালেব শেখ ও বর্তমান ইউপি সদস্য কবির হোসেন ফকিরকে গ্রেফতার করেছে রামপাল থানা পুলিশ ।

    আহতরা হলেন, বাঁশতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইসলামাবাদ গ্রামের মৃত মাওলানা খায়রুল বাশারের পুত্র কুদরতি এনামুল বাশার বাচ্চু (৫০), একই গ্রামের মোবারক শেখের পুত্র মহব্বত আলী শেখ (৫৪), মৃত্যু নজরুল ইসলামের পুত্র নাজমুল ইসলাম (৩০), আ. রউফের পুত্র কোহিনূর কুদরতি (৩২), মহব্বত আলী শেখের পুত্র হুসাইন শেখ (৩৩) ও আবুল হাসান শেখ (৩৫) এবং আ. রউফের পুত্র মো. রেজাউল কুদরতি। অন্য পক্ষের আহতরা হলেন, আ. রউফের পুত্র পলাশ শেখ (৩৫) ও তার ভাই নাহিদ শেখ (৩০) ও মৃত্যু তাছিন শেখের পুত্র মারুফ শেখ। আহতরা রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, খুলনা ও বাগেরহাটের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

    এজাহার সূত্রে ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় ইসলামাবাদ তিন রাস্তার মোড়ে ফরহাদের দোকানের সামনে স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধ, মৎস্যঘের বিরোধ ও ক্ষমতার দাপট দেখাতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একই দলের প্রতিপক্ষের উপর দা, লাঠি ও রড নিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আবু তালেব, মারুফ শেখ, মাসুম শেখ, মোস্তাফিজ শেখ, হুমায়ুন শেখ, মাসুম বিল্লাহ, বাকী বিল্লাহ, শরাফত কাজী, খোকন শেখ, পলাশ শেখ, নাহিদ শেখ, আসাদ শেখ, আব্দুল্লাহ শেখ, আবু বকার, রবি ও হাসিব সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জন হামলা করে। এতে তারা গুরুতর আহত হয়েছেন।

    আসামী আল আমীন জানান, হামলার সময় আমি ছিলাম না। আমি কিছু জানি না। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আমার নামে মামলা দায়ের করেছেন। আহত মাসুম বলেন, রেজাউলসহ অন্যরা পলাশকে মারপিট করার সময় আমরা বাঁধা দিলে তারা আমাদের উপর হামলা করে পলাশসহ তিন জনকে আহত করেছে।

    এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি মারপিটের ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাতে অভিযান চালিয়ে ১নং আসামিসহ দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, অন্যদের ধরার জোর চেষ্টা চলছে।#

  • চুড়খাইয়ে গরীব অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন করলেন সৌদী প্রবাসী বাদশা মিয়া

    চুড়খাইয়ে গরীব অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন করলেন সৌদী প্রবাসী বাদশা মিয়া

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    অসহায় দুস্থ মানুষদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঈদ উপহার পৌছে দিয়েছেন বাংলাদেশ পলিটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার লীগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য,ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নের চুড়খাই নামাপাড়া গ্রামের সৌদী প্রবাসী শেখ মোহাম্মদ বাদশা মিয়া।

    রবিবার (২রা এপ্রিল) চুড়খাই নামাপাড়া এলাকায় তার নিজ বাড়ীতে শেখ মোহাম্মদ বাদশা মিয়ার পক্ষে তার সহধর্মীণী মোছাঃ শাহনাজ পারভীন অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে উপহার হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে নগদ ৫ শত টাকা করে সর্বমোট প্রায় ৬ শতাধিক গরীব অসহায় মানুষের মাঝে এই উপহার তুলে দেন।

    এ বিষয়ে শেখ মোহাম্মদ বাদশা মিয়া বলেন, ঈদ মুসলমানদের একটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এই ঈদ যেন সবার জন্য আনন্দময় হয়। সবাই যেন হাসিমুখে ঈদ উদযাপন করতে পারে তাই আমার এলাকার দুস্থ ও অসহায় মানুষদের কাছে ঈদ উপহার সামগ্রী পৌছে দিয়েছি। প্রত্যেকেরই উচিৎ স্ব-স্ব অবস্থান থেকে অসহায় ও দুস্থ মানুষদের পাশে থাকা।

    এদিকে বাদশা মিয়ার দেয়া ঈদ উপহার পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে এসব এলাকার মানুষ বলেন,বাদশা মিয়া একজন জনবান্ধব সমাজ সেবক। তিনি সব সময় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। তার ঈদ উপহার পেয়ে আমরা অনেক আনন্দিত।

    উক্ত নগদ অর্থ সামগ্রী বিতরণ পুর্ব মুহুর্তে সৌদী প্রবাসী বাদশা মিয়া ফোনালাপে জানান,বিদেশে বসবাস করলেও আমার মন চায়,এলাকার অসহায়দের জন্য কিছু করার। তাই আমি এলাকার গরীবদের পাশে আছি, থাকবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও বলেন, বিদেশে বসবাস করলেও আমার জন্মভুমি চুড়খাই নামাপাড়া এলাকার মানুষদের ভুলতে পারি না। তাদের সাথে মিশে থাকতে চাই এবং আমরা যেন প্রতি বছরই রমজান মাসে এলাকার গরীবদের মুখে হাসি ফুটাতে পারি।পরিশেষে তিনি নিজেের ও তার পরিবারের সবার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার জার্নালিস্ট মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, সাংবাদিক আরিফ রববানী,ইঞ্জিনিয়ার লীগ এর কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আকাশ হাসান,সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রাসেলসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঝালকাঠিতে সাংবাদিক শামসের মুক্তি, প্রথম আলো সম্পাদকের নামে মামলা প্রত্যাহার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

    ঝালকাঠিতে সাংবাদিক শামসের মুক্তি, প্রথম আলো সম্পাদকের নামে মামলা প্রত্যাহার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও সাভারের নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকেরা। একই সঙ্গে শামসুজ্জামানের নিঃশর্ত মুক্তি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।
    আজ রোববার সকাল ১০টায় ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। ঝালকাঠি সাংবাদিক সমাজ, প্রেসক্লাব ও প্রথম আলো বন্ধুসভার আয়োজনে এ মানববন্ধনে কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন। ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি এডভোকেট আক্কাস সিকদারের সঞ্চালনায় ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যমুনা টেলিভিশনের ঝালকাঠি প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা দুলাল সাহা, প্রেসক্লাবের সহ-সম্পাদক এন টিভির প্রতিনিধি কে এম সবুজ, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাংলা টিভি প্রতিনিধি রতন আচার্য্য, দৈনিক গাউছিয়ার প্রকাশক অলোক সাহা, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির প্রতিনিধি রহিম রেজা, এখন টিভির প্রতিনিধি আল আমিন তালুকদার ও প্রথম আলো প্রতিনিধি অসম মাহমুদুর রহমান।
    যমুনা টেলিভিশনের ঝালকাঠি প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা দুলাল সাহা বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বারবার মামলা করে গণমাধ্যমকর্মীদের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সম্প্রতি প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, একই পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক (সাভার) শামসুজ্জামান ও যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি মাহাবুব আলমসহ অনেক সাংবাদিকের নামে এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। শামসুজ্জামানকে মধ্যরাতে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের বাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল ও সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মুক্তির দাবি জানান।
    এন টিভির প্রতিনিধি কে এম সবুজ বলেন, আইনমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলেই সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করা যাবে না। অথচ আমরা দেখছি, মামলা হওয়ার আগেই সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারকে আমরা বলতে চাই, সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করবেন না।’
    এখন টিভির প্রতিনিধি আল আমিন তালুকদার বলেন, ‘সারা দেশে এই আইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দেওয়া হচ্ছে। এই কালো আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকেরা মাঠে থাকব। সাংবাদিক শামসুজ্জামানসহ এ আইনে কারাবন্দী সব সাংবাদিকের দ্রুত মুক্তি দিতে হবে।’
    প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি এডভোকেট আক্কাস সিকদার বলেন, কোনো অভিযোগের তদন্ত ছাড়াই একজন সাংবাদিককে গভীর রাতে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া দুঃখজনক। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজ বন্ধ করা যাবে না। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকেরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করেন। এই আইন বাতিল করে সাংবাদিকতার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি। তিনি আরও বলেন,

    প্রথম আলোর সাভারের স্টাফ রিপোর্টার শামসুজ্জামান শামসের মুক্তি ও সম্পাদক মতিউর রহমানের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা আক্রোশমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

  • যাবজ্জীবন  সাজাপ্রাপ্ত আসামি নলছিটির চোপা মিলন গ্রেপ্তার

    যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি নলছিটির চোপা মিলন গ্রেপ্তার

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি:

    ঢাকার একটি হত্যামামলার যাবতজীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি নলছিটি উপজেলার বাসিন্দা মিলন সিকদার(৩৮) ওরফে চোপা মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে নলছিটি থানা পুলিশ। শনিবার রাতে ঢাকা র‍্যাব-৩ এর সহায়তা নলছিটি থানার এসআই এনামুল হাসানের নেতৃত্ব একটি টীম হাতিরঝিল এলাকা থেকে আটক করে।

    মিলন সিকদার উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের চৌদ্দবুরিয়া গ্রামের মৃত আ: মন্নান সিকদারের ছেলে। সে ২০১১ সালে ২৪ জুলাই কোতোয়ালি থানার নবাবপুরে বসে রজব আলী নামের একজনকে হত্যার সাথে জরিত ছিল। মিলনসহ কয়েকজন মিলে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে হত্যা করে। উল্লেখ্য তারা দুজনে একই এলাকায় বসবাস করতো এবং একসাথে মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জরিত ছিল। পরবর্তীতে মোবাইল দিয়ে টাকা ধার নেওয়া নিয়ে দুজনের মাঝে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তারই জের ধরে মিলন সিকদার তাকে হত্যার সাথে জরিয়ে পরে।

    এ ঘটনায় নিহতের ভাই জুম্মন আলী কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১৩জনকে আসামী কে অভিযোগ পত্র জমা দেন। আদালত ২০১৯ সালে ১ আগষ্ট আসামি মিলন সিকদারসহ সাতজনকে বিভিন্ন সাজা প্রদান করে। বাকিদের খালাস দেওয়া হয়। মিলন সিকদারকে যাবতজীবন সাজা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই সে ছদ্মনামে পলাতক থাকে।

    সে পলাতক থাকা অবস্থায় বাস-গাড়ীর ড্রাইভার হিসেবে কুয়াকাটায় ছদ্মনামে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আতাউর রহমান বলেন,মিলন সিকদারকে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ লাখ  টাকার তামার তারসহ আটক ২

    রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২ লাখ টাকার তামার তারসহ আটক ২

    এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি|| রামপালে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার প্লান্টের অভ্যন্তরে সিনপ্লেক্স এলাকা থেকে ১২০ কেজির অধিক কপার ক্যাবলসহ মো. মহিদুল শেখ (২৬) ও হাসিবুর শেখ (২৫) নামে চোর চক্রের দুই সদস্য আটক করেছে ৩ আনসার ব্যাটালিয়নের রামপাল ক্যাম্পের সদস্যরা।
    রোববার (২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামপালে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার প্লান্টের অভ্যন্তরে সিনপ্লেক্স এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চোর চক্রকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১২০ কেজির অধিক কপার ক্যাবলসহ ০১টি ক্যাবল কাটার হাতিয়ার, ০২টি স্মার্ট ফোন ও ০১টি সেলফোন উদ্ধার করে আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ।
    আনসার ব্যাটালিয়ন-৩ এর অধিনায়ক চন্দন দেব নাথ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
    আটক মো. মহিদুল শেখ বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার মিঠাখালী গ্রামের জালাল শেখের ছেলে ও হাসিবুর শেখ রামপাল উপজেলার পিপুলবুনিয়া গ্রামের মনিরুল শেখের ছেলে।
    আনসার ব্যাটালিয়ন-৩ এর অধিনায়ক চন্দন দেব নাথ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, রোববার সকাল ৯টার দিকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতর থেকে বিপুল তামার তার পাচার করা হবে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে তার নির্দেশনায় কোম্পানি কমান্ডার জনাব রাজিব হোসাইনের নেতৃত্বে চৌকশ আভিযানিক একটি দল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সিনপ্লেক্স এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানেু সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ১২০ (একশত বিশ) কেজির অধিক কপার ক্যাবল, ০১টি ক্যাবল কাটার হাতিয়ার, ০২টি স্মার্ট ফোন ও ০১টি সেলফেনসহ চোরচক্রের মো. মহিদুল শেখ (২৬) ও হাসিবুর শেখ আটক করা হয়। উদ্ধার করা কপার ক্যাবল ও সেলফোনগুলোর আনুমানিক মূল্য ২,০৫,০০০/- (দুই লক্ষ পাঁচ হাজার) টাকা প্রায়।
    তিনি আরও বলেন, এ জাতীয় রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক উদ্ধারকৃত মালামালসহ চোরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া রামপাল থানায় মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
    উল্লেখ্য গত মে ২০২২খ্রি. হতে অধ্যাবদি পর্যন্ত ৫৫টির অধিক অভিযানে প্রায় ৬৬,৬২,৩০০/- (ছেষট্টি লক্ষ বাষট্টি হাজার তিনশত) টাকার চোরাই মালামাল ও ৪৬ জন চোরাকারবারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • সুনামগঞ্জ সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ সুপারের মত বিনিময়

    সুনামগঞ্জ সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ সুপারের মত বিনিময়

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জঃ

    সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে এক সপ্তাহে ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী গ্রেফতার ও মাদক উদ্ধারসহ নিয়মিত মামলার আসামী গ্রেফতার এবং চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন ইত্যাদি বিষয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্টিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সুনামগঞ্জ কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহ্সান শাহ্। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন ও অর্থ) আবু সাঈদ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) রিপন কুমার মোদক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহিদুল ইসলাম খান, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী প্রমূখ।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১’ রূপকল্প বাস্তবায়নে স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি গঠনের জন্য টেকসই উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করতে দিনরাত্রী নিরবিচ্ছিন্নভাবে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ।
    তারই ধারাবাহিকতায় গত এক সপ্তাহে (২৫-০৩-২০২৩ খ্রি. হতে ০১-০৪-২০২৩ খ্রি. পর্যন্ত) সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানা কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জিআর ওয়ারেন্টভূক্ত ৭ জন (ছাতক-২, জগন্নাথপুর-২, দোয়ারাবাজার-২, শান্তিগঞ্জ-১); সিআর ওয়ারেন্টভূক্ত ৩ জন (সদর-১, ছাতক-২); জিআর সাজা ওয়ারেন্টভূক্ত-২ জন (জগন্নাথপুর-১, দোয়ারাবাজার-১); সিআর সাজা ওয়ারেন্টভূক্ত-২ জন (জগন্নাথপুর-১, দোয়ারাবাজার-১); মাদক মামলায়-৪ জন (বিশ্বম্ভরপুর-১, দিরাই-৩); চোরাচালান মামলায়-৫ জন (সুনামগঞ্জ সদর-১, ছাতক-২, দোয়ারাবাজার-২); চুরি মামলায়-৯ জন (জগন্নাথপুর-৩, দোয়ারাবাজার-১, জামালগঞ্জ-১, ধর্মপাশা-৪); প্রতাশ্য জুয়া মামলায়-২৮ জন (সদর-৯,তাহিরপুর-৯, দোয়ারাবাজার-১০); ফৌঃ কাঃ বিঃ ৫৪ ধারায়-৯ জন, ১৫১ ধারায়-৫ জন, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায়-৩ জন ও অন্যান্য মামলায় ৪৭ জনসহ সর্বমোট ১২৪ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।

    এছাড়া গত এক সপ্তাহে চোরাচালান মামলায় ১৩০০ কেজি ভারতীয় চিনি, ২টি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা, ৬০ বোতল ভারতীয় মদ, চুরি মামলায় ২টি গরু, ১টি সিলিং ফ্যান, ২টি বাটন মোবাইল; ডাকাতি মামলায় ১২টি গরু, মোটরসাইকেল ১টি, বাটন মোবাইল ২টি, ছুরি ১টি, কিরিচ ১টি, ক্ষুর ১টি; বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা মামলায় স্টিল বডি নৌকা-১টি, ইঞ্জিন-১টি, ৪২০ ঘনফুট বালু এবং মাদক মামলায় ২৪ (ছব্বিশ) বোতল AC BLACK বিদেশী মদ উদ্ধার কার হয়।

    সুনামগঞ্জ জেলাকে মাদক ও অপরাধ মুক্ত করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেকোনো ধরণের অপরাধ যেমন-চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, অস্ত্র, চাঁদাবাজী, মাদক, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নারী নির্যাতন, সাইবার অপরাধসহ সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীর সাথে যেই জড়িত থাকুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে বদ্ধ পরিকর সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ। এসময় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিকস এবং অনলাইনের গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ##

  • রাঙ্গাবালীতে সড়ক নয় যেন মরন ফাঁদ, দূর্ভোগে হাজার মানুষ

    রাঙ্গাবালীতে সড়ক নয় যেন মরন ফাঁদ, দূর্ভোগে হাজার মানুষ

    রফিকুল ইসলাম রাঙ্গাবালীর (পটুয়াখালী ):
    রাঙ্গাবালীর বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ন হচ্ছে ধানসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ একটি এলাকা। এই ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পথ হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদে থেকে ফেলাবুনিয়া লঞ্চ ঘাট। যার মাঝ খানে (সাহজাহান মল্লিক বাড়ি থেকে বড়বাইশদিয়া এ হাকিম মাধ্যমিক বিদ‍্যালয়) পর্যন্ত রাস্তা। বর্ষা মৌসুম না আসতেই বর্তমানে এই রাস্তার খালে পরিনিত হচ্ছে, যে কারণে থমকে আছে মৌডুবী ও বড়বাইশদিয়া এই দুই টি ইউনিয়নের লঞ্চ যাত্রী ও কৃষকসহ হাজার হাজার মানুষের ভাগ্যের চাকা। মাত্র এক কিলোমিটার সড়কটি এখন এই অঞ্চলের মানুষের গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে। তবুও দৃষ্টি নেই কর্তৃপক্ষের।

    বছরের পর বছর রাস্তাটি না করায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ট্রলি চলাচলে রাস্তার যে গর্ত হয়েছে পায়ে হেঁটে পার হওয়াই দুরের কথা নৌকা নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

    যার কারণে এই অঞ্চলের লঞ্চ যাত্রী ও কৃষকসহ হাজার হাজার মানুষ তাদের কৃষিপণ্য ও অন্যান্য উপকরণ পরিবহন করতে পারছেন না। এমনকি টমটমও চলাচল করতে পারছে না এবং ঢাকায় লঞ্চে মালামাল সরবরাহ করতে পারছে না,যার কারণে কৃষকরা বাধ্য হয়েই ধান, কাচামালসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণগুলো কম মূল্যে খড়িয়াদের কাছে বিক্রি করছেন। এতে করে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন বছরের পর বছর। । রাস্তাটি ভালো না হওয়ায় শুকনো ও বর্ষা মৌসুমে এই অঞ্চলের শত শত শিক্ষার্থীদের দীর্ঘপথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দিয়ে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। থমকে আছে এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক চাকা মাত্র এই এক কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তার কারণে।

    স্হানীয় বাসিন্দা মো: রিংকন বলেন দেশের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে শহরের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও আমরা এ সুবিধা থেকে দূরে আছি

    বড়বাইশদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জনাব মোঃ ফরহাদ হোসেন বলেন, এই রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলে চরম দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে কথাটি সত্যি! এই দূর্ভোগ থেকে উত্তরন হওয়ার জন্যে পটুয়াখালী ৪ এর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ মহিব্বুর রহমান মুহিব ভাইয়ের স্মরনা পন্য হয়েছি।তিনি তাৎক্ষণিক ভাবে ডিউ লেটারের মাধ্যমে আমাকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছেন! আমি সেখানে গিয়ে নিজ দায়িত্বে উপজেলা ইঞ্জিনিয়াদের সহযোগিতায় স্কিমটির স্টিমেট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর ব্যবস্হা করেছি পরবর্তীতে ঢাকায় গিয়ে খোজ নিয়ে যানতে পেরেছি পূনঃরায় স্টিমেট সংশোধন এর জন্যে উপজেলায় পাঠানো হয়েছে! সেখানে যোগাযোগ করেছি তারা আশ্বস্ত করল আমরা দ্রুতই সংশোধন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্হা করতেছি। এছারাও মাননীয় এমপি মহোদ্বয় যখন দেখেছেন বড়বাইশিদিয়া ইউনিয়নের রাস্তার এমন দূর্দশা তাই তিনি পরবর্তীতে আরো তিনটি রাস্তার ডিউ লেটার দিয়েছেন আমি সেই চিঠি উপজেলায় পৌছে দিয়েছি যা এখনো উপজেলায় স্টিমেটের কাজ চলমান বলেই আমাকে উপজেলা ইঞ্জিয়াররা অবহিত করেছেন।
    আমি আশা করি আমার এই অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে অনুধাবন করবেন এবং বাস্তবায়নের জন্যে চেষ্টা অব্যহত রাখবেন। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর এই ইউনিয়নের অন্যান্য রাস্তাগুলোর জন্যে ঢাকায় স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয় যোগাযোগ স্হাপন করছি।
    যার প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে মাটির রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে।
    পাকা রাস্তাগুলোর জন্যে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন পর্যায়ক্রমে আপনাদের উন্নয়নের প্রতি আমারা গুরুত্ব দিব এবং জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো ডিপিপির আওতাভুক্ত রয়েছে।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী

  • আস্থার ঠিকানা হতে চান জনগণের ওসি এরশাদুল আলম

    আস্থার ঠিকানা হতে চান জনগণের ওসি এরশাদুল আলম

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট সদর থানার জনগণ ও পুলিশের মধ্যে দূরত্ব ঘুচতে শুরু করেছে এখন জনতাই পুলিশ, পুলিশই জনতা। পুলিশ এখন পূর্বের চেয়ে তাদের ভাবমূর্তিকে অনেকটাই উজ্জ্বল করেছে। সাধারণ মানুষ এখন পুলিশের সেবা পেয়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করছে।

    লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম, বৈশ্ববিক করোনা মোকাবেলা সম্মুখ যোদ্ধা হিসাবে শুধু কাজ করেনি এখন অনেক ক্ষেত্রে বেশ কিছু কর্মকর্তার মানবিক কর্মকান্ডে পুলিশের প্রতি মানুষের প্রশংসা বাড়ছে।

    যোগদানের পর হতে থানার চিত্রই পাল্টে দিয়েছেন। তার সর্বত্র ছুটে চলা ও কিছু মানবিক কর্মকান্ডে তিনি মানুষের মন ছুঁয়ে দিয়েছেন। কখনও পাঞ্জাবি পরে মাইক্রোফোন হাতে মসজিদের দাঁড়িয়ে, কখনও কখনও অসহায় মানুষকে সহায়তা করে। কখনও কঠিন পরিস্থতিতে নিজে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনে, থানায় আসা মানুষকে কখনও সৎ পরামর্শ দিয়ে মামলা হতে বিরত রেখে সমস্যার সমাধান করে। তার এসব কর্মকান্ডের একটাই লক্ষ্য- মানুষের আস্থা অর্জন। জনগনের কাছে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তিকে উজ্জল করে ফুটে তোলাই যেন তার দৈনন্দিন জীবনের কাজ।

    তাছাড়া লালমনিরহাট সদর থানায় যোগদানের
    পর হতে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী তামিল সহ নানা কর্মকান্ডে তিনি লালমনিরহাট জেলায় কয়এক বার ওসি হিসাবে শ্রেষ্টত্ব অর্জন করেছেন। দৈনন্দিন থানায় আসা মানুষকে আইনগত সহায়তা, কখনও চিকিৎসা সহায়তা কিংবা সৎ পরামর্শ দিয়ে মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কখনও কোন অসহায় মানুষ থানায় তার কাছে এসে খালি হাতে ফেরত যেতে দেখা যায় না। সবসময় এরশাদুল আলম এ সকল অসহায় মানুষের প্রতি তার মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেন। পুলিশের সেবা জনগনের দ্বারগোড়ায় পৌঁছাতে কখনও কখনও চরাঞ্চল পাশাপাশি চেয়ার টেবিল নিয়ে বসিয়েও সেবা দেন তিনি। এরশাদুল আলম কে অনেক সময় অবসর সময়ে থানার বাহিরে গিয়ে মাদক বিরোধী প্রচারনা করতেও দেখা যায়। তার মতে লালমনিরহাট সদর থানায় মাদক থাকলে তিনি থাকবেন না, তিনি থাকলে মাদক থাকবে না বলে স্পষ্ট মাদক ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ারী দেন তিনি। তার এ সব মানবিক ও ব্যতিক্রমী সব উদ্যোগ নিয়ে মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই পাওয়া এই পুলিশ কর্মকর্তার।

    লালমনিরহাট সদর থানায় এখন সারাক্ষণ ভিড় থাকে সহায়তা প্রত্যাশীদের। এরশাদুল আলম বলেন, ‘আমি মানুষের আস্থার ঠিকানা হতে চাই। জনগন স্বপ্নে যে পুলিশ প্রত্যাশা করে, আমি সেই পুলিশ হয়ে বাঁচতে চাই। শুধু পদাধিকার বলে নয়, হতে চাই জনগণের প্রত্যাশার ওসি। মানুষের মনে দীর্ঘদিন ধরে যত নেতিবাচক ধারণা সব মুছে দিতে চাই।” তিনি আরোও বলেন, মানুষের মাঝে থাকা পুলিশ ভীতি আমি দূর করতে চাই। আর এ কারনে আমি নিজেই বিভিন্ন এলাকায় এলাকায় প্রতি সপ্তাহে ঘুরে সেখান থেকে মাদক, ইভটিজিংসহ অন্যান্য অপরাধ ও অপরাধী সম্পর্কে জনগনকে ধারণা দিয়ে থাকি।

    ওসি এরশাদুল আলম আরোও বলেছেন, আমার থানায় যদি কোন মাদক ব্যবসায়ী এ পেশা ছেড়ে ভাল হতে চায় আমি তাদের সুযোগ দিতে চাই, শুধু তাই নয় ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা করে তাদের পূর্নবাসনের উদ্দোগ নিবো। এ বিষয়ে তিনি একটি ব্যতিক্রমী। উদ্দোগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তার এ উদ্যোগ পুলিশ- জনতা আস্থার সম্পর্ক তৈরির অপরাধ অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধেও ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি। সেবা গ্রহিতাদের মতে, ওসি এরশাদুল আলম একজন মানবিক পুলিশ অফিসারই নন, তিনি থানায় আসা সেবা প্রত্যাশী মানুষদের সৎ পরামর্শ ও দিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এমনিই একজন এসি যার কাছে মানুষ সহজেই কথা বলার অবাধ সুযোগ পেয়ে থাকেন। তার আচারনে সেবা নিতে আসা মানুষ। সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।