উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে এসপি সাদিরা খাতুন’র নির্দেশে
রমজান মাসে ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফেরাতে বাজার মনিটরিং। নড়াইলের পুলিশ সুপার (এসপি) মোসাঃ সাদিরা খাতুন’র নির্দেশনায় রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার তদারকি করছে নড়াইল জেলা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, রবিবার (২ এপ্রিল) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) তারেক আল মেহেদী নড়াইলে চৌরাস্তা কাঁচা বাজার ও রূপগঞ্জ বাজার মনিটরিং করেন। শাক-সবজি, মাছ-মাংস, দুধ-ডিম, ছোলা-খেজুরসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসমূহ ক্রয় করতে সাধারণ জনগণ যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য তারা দোকানের ন্যায্য মূল্য তালিকা টানিয়ে রাখা নিশ্চিত করেন। তারা ক্রেতা-বিক্রেতা ও বাজারে আগত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করেন এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ক্রয়ে নির্ধারিত মূল্য থেকে অতিরিক্ত মূল্য নিয়ে থাকলে তাৎক্ষণিক পুলিশকে (০১৩২০১৪৭০৯৮) নাম্বারে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করেন। এছাড়া গুজব ছড়িয়ে বাজারে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বাজার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জানান।
Author: desk
-

নড়াইলে এসপি সাদিরা খাতুন’র নির্দেশে রমজান মাসে ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফেরাতে বাজার মনিটরিং
-

সুজানগরে ইটভাটা সর্দারকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা
এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা) ঃ পাবনার সুজানগর পৌর বাজারের সিনেমা হল রোডের সিটি ভবন এলাকায় ছুরিকাঘাতে মো.তজু প্রামানিক(৫২) নামের এক ইটভাটা সর্দারকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে রবিবার রাত ১০টার দিকে রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত তজু প্রামানিক সুজানগর পৌরসভার চরভবানীপুর এলাকার মৃত ইমান আলীর ছেলে। আমিনপুরের আলো ও মেঘনা নামে ইটভাটায় শ্রমিকদের সর্দার হিসেবে কাজ করতেন তিনি। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, কয়েক মাস ধরে পৌরসভার চরভবানীপুর এলাকার মৃত মাসুদ হোসেনের ছেলে তুফান (২৫) বিশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। সেই চাঁদার টাকা না দেওয়ায় প্রকাশ্যে তজু প্রামানিককে ছুরকাঘাতে হত্যা করেছে তুফান। সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আব্দুল হাননান হত্যাকান্ডের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত তুফানকে আটক করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। তুফানের বিরুদ্ধে এর আগেও থানায় মাদকের ৪টি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের আরোও ৩টি সহ মোট ৭টি মামলা রয়েছে। তুফানের পিতা মাসুদ ২০০৭ সালের দিকে র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হন বলে জানা গেছে। ওসি আরো জানায়, প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, ইটভাটায় কাজ করার জন্য পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ও সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কয়েকজন শ্রমিককে অগ্রিম টাকা প্রদান করে ভাটা সর্দার তজু প্রামানিক। কিন্তু ওই সকল শ্রমিক অগ্রিম টাকা নিয়েও ইটভাটায় কাজ না করায় টাকা ফেরত চাইলে তারা তজু প্রামানিককে টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে। তখন ওই টাকা তুলতে সন্ত্রাসী তুফানকে দায়িত্ব দেয় তজু প্রামানিক। এবং টাকা তুলে দিলে ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হবে বলে তুফানকে জানায় তজু প্রামানিক। পরে ওই শ্রমিকদের কাছে ঘুরাঘুরি শুরু করে সন্ত্রাসী তুফান। এবং একপর্যায়ে তজু প্রামানিককে তার পাওনা টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তুফানকে জানায় শ্রমিকেরা, অপরদিকে শ্রমিকেরা টাকা এখনো দেয়নি বলে তুফানকে জানায় তজু প্রামানিক। এ নিয়ে দুইজনের মধ্যে সম্প্রতি বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং সন্ত্রাসী তুফান তজু প্রামানিকের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। এ ঘটনায় তুফান ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করছে বলে গত প্রায় ১ মাস আগে থানা পুলিশকে অবগত করে তজু প্রামানিক। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার বেলা ১১টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তজু প্রামানিক ইটভাটায় যাওয়ার পথে পৌর বাজারের সিনেমা হল রোডের সিটি ভবন এলাকা থেকে তুফান তার পথ রোধ করে টাকা দাবি করে, তখন শ্রমিকের কাছ থেকে টাকা না পেলে তোমাকে আমি টাকা দিব কিভাবে জানালে মো.তজু প্রামানিক প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসী তুফান। পরে রাত ১০টার দিকে রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি । তবে হত্যার প্রকৃত কারণ বের করতে কাজ করছে পুলিশ । এবং হত্যাকান্ডের এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ওসি আব্দুল হাননান।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।। -

পঞ্চগড়ে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ
মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
পঞ্চগড়ে চিকিৎসকের অবহেলায় সাবিত্রী রানী (২২) নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাতে বোদা উপজেলার সুরমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক
সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে প্রসূতি মায়ের স্বজনরা বিক্ষোভ করেন ওই ক্লিনিকে।পরে বোদা থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। রোববার (২ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ লাশের প্রাথমিক সুরতাহল শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।রোগীর স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া চাপাতি এলাকার সাবিত্রী রানী (২২) নামে এক প্রসূতি শনিবার বিকালে ওই ক্লিনিকে ভর্তি হন।এক পর্যায়ে ক্লিনিক কতৃপক্ষ প্রসূতিকে ক্লিনিকে ভর্তি করে ব্যবস্থাপত্র দেন এবং জরুরি অস্ত্রোপচারের জন্য রুমে নিয়ে যান।সেখানে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র বোদা মেডিকেল অফিসার সার্জারি চিকিৎসক ডা.রহমতুল্লাহ ও আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্রেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. হুদা ছিলেন।অস্ত্রোপচার শুরু করার কয়েক মিনিটের মধ্যে প্রসূতির শারিরিক অবস্থা অবনতি হলে কাউকে কিছু না বলে চিকিৎসকরা চলে যান। এক পর্যায়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে গোপনে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ এম্বুলেন্সে তাকে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্রেক্সে নেন।তবে এর আগেই নবজাতকসহ প্রসূতি মা মারা যান।
প্রসূতির স্বামী কমল রায় জানান, তার স্ত্রী সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন। সিজারের জন্য তাকে বিকাল ৪ টার দিকে অপারেশনের জন্য ক্লিনিকে নেওয়া হয়।সেখানে প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু হলে কাউকে কিছু না বলেই ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়।
এ বিষয়ে ক্লিনিকের পরিচালক ও বোদা সদর ইউনিয়নের পরিবার কল্যাণ সহকারি সুরমা বেগম কৌশলে মোবাইল ফোনের কথা বলে পালিয়ে যায়।
বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা.রাজিউর করিম রাজু জানান,সন্ধ্যা ৭ টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তির জন্য আনা হয়েছে।তবে এর আগেই কর্তব্যরত চিকিৎসক দেখেছেন রোগী মারা গেছে।পরে পুলিশকে খবর দিয়ে হাসপাতালে রাখা হয়েছিল। মৃত ওই নারীর শরীরে ক্যানোলা ও ক্যাথেটার লাগানো ছিল।
সরকারি পুলিশ সুপার (দেবীগঞ্জ সার্কেল) পঞ্চগড়, মোছা.রুনা লায়লা জানান, ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।তবে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ আসেনি। এ ছাড়া চিকিৎসকের অবহেলা নিয়ে অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
-

বানারীপাড়ায় বিনামূল্যে ঢেউটিন ও বিতরণ
এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি ॥ বানারীপাড়ায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্রদের মাঝে বিনামূল্যে ঢেউটিন ও অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার ২ এপ্রিল দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ১৮টি পরিবারের মধ্যে ২ বান্ডিল করে ঢেউটিন এবং ৬ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বানারীপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ গোলাম ফারুক। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতিমা আজরিন তন্বীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মহসিন-উল হাসান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সলিয়াবাকপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল হক মিন্টু, এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি রাহাদ সুমন আওয়ামী লীগ নেতা মাহাতাব উদ্দিন ফকির, যুবলীগ নেতা জয়ন্ত হালদার, ইউপি সদস্য সান্টু সরদার প্রমুখ।#
-

পটুয়াখলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত ২
এস আল-আমিন খাঁন পটুয়াখালী।
পটুয়াখালী টু কুয়াকাটা মহাসড়কের হেতালিয়া বাঁধ ঘাট সংলগ্ন ০১/০৪/২০২৩ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৫ ঘটিকার সময় ট্রাক ও নসিমন(টমটম) সংঘর্ষে দুইজন গুরুত্বর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, ১) মোঃ মুসা তালুকদার (২৬), পিতা- মোঃ নজরুল তালুকদার, পূর্ব হেতালিয়া, ৩ নং ওয়ার্ড, থানা এবং ০২) মোঃ নাসির সিকদার (৪৫), পিতা-মোঃ সিকান্দার সিকদার, মির্জাগঞ্জ, থানা-মির্জাগঞ্জ, জানাগেছে টমটমটি হেতালিয়া বাধঘাটের দিকে আসার সময় বরিশাল হইতে কুয়াকাটা গামী একটি অজ্ঞাত নামা কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে টমটমে থাকা দুইজন ছিটকে নিচে পড়ে আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দুজনকে বরিশাল পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
-

ব্রিজ এখন মরণ ফাঁদ, প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা
খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী বরগুনা।।
বরগুনার বেতাগী উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের গড়িয়াবুনিয়া বাজার ও গড়িয়াবুনিয়া ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর সামনের সড়কে ব্রিজ ভেঙে পড়ে থাকায় মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা নতুন করে নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে থাকলেও বাস্তবে তার কিছুই হচ্ছে না।
গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে ভেঙে আছে এই সড়কের ব্রিজের মাঝের একাংশ। কিন্তু দীর্ঘদিনেও ভাঙা জায়গায় মেরামত বা নতুন ব্রিজ নির্মাণের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি কর্তৃপক্ষের । ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করা হাট,বাজারের পথচারী ও স্কুল কলেজ গামী শিক্ষার্থীসহ কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষের। বিকল্প সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই ব্রিজ ব্যবহার করতে হচ্ছে তাদের।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের গড়িয়াবুনিয়া বাজার ও গড়িয়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সামনের ব্রিজটি প্রায় দুই বছর আগে পাটাতনের মাঝখান ভেঙে যায়। এরপর থেকে ওই রাস্তা দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে অটোরিকশা, ভটভটিসহ ছোটখাটো যানবাহন চলাচল করত। বর্তমানে ভাঙা অংশের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকায় ওই এলাকার প্রায় ১০টি গ্রামের বাসিন্দাসহ স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্থের ব্রিজটির মাঝের পাটাতনের একাদিক অংশ ভেঙ্গে পড়ে আছে। ইঞ্জিনচালিত টমটমের ধাক্কায় অনেক আগে সাইড ওয়ালও ভেঙে গেছে। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে পথচারী বা স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।
চালকেরারও এই অংশ দিয়ে পার হচ্ছেন সাবধানে।
ভাঙা এই ব্রিজের দুই পাসে রয়েছে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,গড়িয়াবুনিয়া বাজার,কমিউনিটি ক্লিনিক,মাধ্যমিক বিদ্যালয়,গড়িয়াবুনিয়া এসহাকিয়া আলিম মাদ্রাসা, গড়িয়াবুনিয়া দরবার শরীর, এবং উপজেলার বেতাগী সরকারি কলেজ, বিবিচিনি স্কুল এন্ড কলেজে যাওয়া জন্যও শিক্ষার্থীদের এক মাত্র ভরসা যোগাযোগ এর পথ হচ্ছে এই ব্রিজ।গড়িয়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক মোঃ মনির গাজী বলেন এই ব্রিজ দিয়ে আমাদের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা স্কুলে আশার চলাচলের জন্য এই ভাঙা ব্রিজ একমাত্র ভরসা। তাই তাদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
দক্ষিণ ফুলতলা গ্রামের বাসিন্দা ও গড়িয়াবুনিয়া বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ মোকলেসসহ একাধিক ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় কারণে আমাদের বাজারে মুদি মালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পরিবহনে একদিকে যেমন বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যাপক লোকসানের শিকার হচ্ছেন তারা। ব্রিজ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে দু-একটি যানবাহন পারাপার হলেও এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করা কয়েক হাজার মানুষ তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পরিবহন করতে পারছে না।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ জসিম মোল্লা বলেন, প্রায় দুই বছর যাবত ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়ে আছে। এতে এ সড়ক দিয়ে মানুষের চলাচলের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ব্রিজ ভাঙা হওয়ায় বড় গাড়ি চলে না। এখন ঝুঁকি নিয়ে শুধু ইঞ্জিনচালিত টমটম ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চলাচল করে।
এলাকাবাসি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন-নিবেদন করলেও। তাঁরা আশ্বাস দিলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বেতাগী উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাইসুল ইসলাম বলেন, ব্রিজটি কথা আমি শুনেছি এবং এটি প্রোজেক্টে অন্তর্ভুক্ত করাও হয়েছে খুব তারাতাড়ি এখানে নতুনভাবে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। -

আগামী প্রজন্মকে মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাস জানাতে হবে – পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট (রাজশাহী):
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব শাহরিয়ার আলম এমপি বলেছেন, আগামী প্রজন্মকে মুক্তি যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। কারণ বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা মুক্তি যুদ্ধ সম্পর্কে তারা সঠিক তথ্য জানে না। তাই প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নিজ নিজ ক্লাশে মুক্তি যুদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে ব্যাপক ভাবে আলোচনার জন্য আহব্বান জানান।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোরবার দুপুরে চারঘাট উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রশ্ন উত্তর প্রতিযোগিতার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ, অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, তোমরা নিজ নিজ এলাকার মুক্তি যোদ্ধার নিকট থেকে মুক্তি যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস শুনে তা তোমরা লিপিবদ্ধ করে রাখবে যা তোমাদের ভবিষ্যতে শিক্ষা জীবনে কাজে লাগবে।
তিনি আরও বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুদ্ধ ভাবে ইংরেজি ও গণিত শিক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকদের উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক, চারঘাট সার্কেলের সিনিয়র এ এস পি প্রণব কুমার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বিল্পব, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজমিরা খাতুন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার মিজানুর রহমান আলমাছ, সরদহ ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাসানুজ্জামান মধু, চারঘাট মডেল থানার ওসি মাহবুবুল আলমসহ স্থানীয় নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সবশেষে, বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ, প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ ও ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।
মোঃ মোজাম্মেল হক ০০৬
চারঘাট, রাজশাহী। -

চারঘাট পৌরসভাকে মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে পৌরবাসীর মাঝে ডাস্টবিন বিতরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট (রাজশাহী):
চারঘাট পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন ও মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ১৯৯৮ সালের চারঘাট পৌরসভা স্থাপিত হওয়ার পরে এই প্রথম একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিলেন চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক। চারঘাট পৌরসভাকে ক্লিন পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে
প্রতেকটি এলাকায় ডাস্টবিন বিতরণ করা হয়।রোববার সকাল ১০ টায় চারঘাট চৌরাস্তা মোড়ে ডাস্টবিন বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
পৌর মেয়র একরামুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ডাস্টবিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার মিজানুর রহমান আলমাছ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মাজদার রহমান, উপজেলা মাদক প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাদশা, পৌর কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেনসহ পৌর কাউন্সিল ও কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মোজাম্মেল হক
চারঘাট, রাজশাহী। -

শ্রীনগর ভাগ্যকুলে বিধ্বংসী অগ্নিকান্ডে ৫ দোকানীর সর্বস্ব পুড়ে ছাই
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
শ্রীনগর ভাগ্যকুল বাজারে ৫টি দোকানে অগ্নিকান্ডে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।০২ এপ্রিল রবিবার সকাল সাড়ে ৯ টায়।শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল বাজারে শিবুনাথ ভাণ্ডার মুদি থেকে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান সকাল সাড়ে ৯টায় বাজারে শিবুনাথ সাহা ভাণ্ডার পাইকারী মুদির দোকান সহ খালেক তালুকদার তেলের দোকান,আয়নাল এন্টার প্রাইজের গোডাউন সহ ২টা মুদির দোকান সিরাজ এন্টার প্রাইজ কাঁচামাল সহ আগুন লেগে পুরোপুরি পুড়ে যায়। আয়নালের গোডাউনের আংশিকও পুড়ে যায়।তালুকদার এন্টার প্রাইজের মালিক আঃ খালেক তালুকদার বলেন, ডিজেল মবিলের ড্যাম ও মাটির পাতিলা সহ প্রায় ১ লক্ষ ৫০হাজার,শিবু সাহা নগদ দোকানে থাকা ক্যাশ ১লক্ষ ৩০ হাজার সহ প্রায় ৪ লক্ষ টাকা,আয়নাল শেখ গোডাউন সহ প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা। সিরাজ শেখ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ৫ অন্যান্য মোদির সামগ্রী সর্বমোট ২০ লক্ষ টাকা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট ঘটনা স্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। দোকান মালিকরা দাবী করেন, অগ্নিকান্ডে তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকতা মোঃ সেলিম রোজা বলেন,ঘটনা স্থলে র্যাব ১০শ্রীনগর থানা পুলিশ, আনসার, সাংবাদিক,স্থানীয়রা সহ আমরা এসে আগুন ১ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি, আগুনের উৎপত্তি ও ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। ভাগ্যকুল বাজারে ৫ দোকানে অগ্নিকান্ড ক্ষয়ক্ষতি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চলে আসেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ হোসেন পাটওয়ারী,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মসিউর রহমান মামুন। পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি অনুদানের কথা বলেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার।
-

কেশবপুরে নাটক সাজিয়ে স্বামী জিল্লুকে হত্যা করলেন স্ত্রী সখিনা (বাদী), আদালতে স্বীকারোক্তি
মোঃ জাকির হোসেন,
কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুর উপজেলার কাটাখালী হাজারের চা বিক্রেতা আড়ুয়া গ্রামের মনিরুজ্জামান ওরফে জিল্লুকে হত্যা করেছেন তার স্ত্রী নিজেই। এ হত্যা মামলার বাদী নিহতের স্ত্রী সখিনা খাতুন (৩৫) হত্যার কথা স্বীকার করে ২এপ্রিল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবান বন্দি দিয়েছেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অবন্তিকা রায় শনিবার বিকেলে তার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।এ হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে যশোরের ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম। তিনি বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, জিল্লুর ভাল্ব নষ্ট ছিল। ঠিকমত হাঁটাচলা করতে পারতেন না। এছাড়া স্ত্রী সখিনা তার খালাতো ভাই বিল্লালের সাথে পরকীয়া করতেন। তার জেরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে নাটক সাজায় সখিনা। তিনি আত্মহত্যা করার কথা বলে পাশের একটি বাগানে যান। তাকে ফিরিয়ে আনতে জিল্লুও সেই বাগানে যান। সখিনা জিল্লুকে বাগানের পাশের ডোবার মধ্যে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন। পরে জিল্লুর গায়ের গেঞ্জিদিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এসআই মফিজুল ইসলাম সাংবাদিকদের আরও জানান, আটকের পর সখিনাকে কেশবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২২ মার্চ বিকেলে ওই এলাকার একটি বাঁশবাগান থেকে জিল্লুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জিল্লু উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলী সরদারের ছেলে। তিনি কাটাখালি বাজারের চা দোকানি ছিলেন। ২১ মার্চ রাতে বাজার থেকে নিখোঁজ হন তিনি। পরের দিন বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিকে, এ ঘটনায় কেশবপুর থানায় মামলা করেন স্ত্রী সখিনা খাতুন। মামলাটি নিয়ে ছায়া তদন্ত করে ডিবি পুলিশ। ডিবির তদন্তে উঠে আসে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে স্বামীকে হত্যা করে হত্যার নাটক সাজায় স্ত্রী সখিনা আসল রুপ।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোরাচাঁদ দাস সাংবাদিকদের বলেন, মনিরুজ্জামান ওরফে জিল্লু হত্যা মামলার বাদী তাঁর স্ত্রী সখিনা বেগম জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছেন। এ মামলার বাদী তাঁর স্ত্রী এখন হত্যা মামলার আসামি। হত্যার সঙ্গে কোনো পরকীয়ার বিষয় রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁকে ২এপ্রিল যশোর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।