Author: desk

  • বাবুগঞ্জে অজ্ঞাতদের ফেলে রাখা ট্রলারের এক বছেরেও রহস্য  উদগঠন  করতে পারেনাই প্রশাসন

    বাবুগঞ্জে অজ্ঞাতদের ফেলে রাখা ট্রলারের এক বছেরেও রহস্য উদগঠন করতে পারেনাই প্রশাসন

    কে এম সোহেব জুয়েল :- বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের আগরপুর বন্দরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বাজার সংলগ্ন খালে ফেলে রাখা স্টিল বডির ইঞ্জিন চালিত ট্রলারের এক বছরের অধিক সময় পার হয়ে গেলেও ট্রলার মালিককে চিহ্নিত করে ট্রলারটি ফেলে রাখার রহস্য উদঘটন করতে পারে নাই প্রশাসনের লোকজন ।

    এ ব্যাপারে আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে দীর্ঘ এক বছর পুর্বে অভিযোগ দায়েরের পরেও কোন রহস্য উদঘটন না হওয়ায় স্হানীয় জনমনে নানান প্রশ্নের উদ্ভব হচ্ছে। অপরদিকে বেওয়ারিশ হওয়ায় ট্রলারটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার দৃশ্য লক্ষ করা গেছে। কতিপয় অসাদু চক্রের লোকজন গোপনে ট্রলারটি বিক্রি করে লাভবান হওয়ার ব্যাস্হতায় দিন কাটাচ্ছেন।

    স্হানিয়দের ধারনা চোর চক্রের সদস্যরা ট্রলারে করে গরু কিম্বা অন্যান্য মালামাল সামগ্রি চুরি করে পালাবার চেস্টা ছিল তাদের। কিন্তুু বাজারে পাহাড়ার জোরদার ভুমিকা থাকার কারনে চুরি করা সম্ভব কিম্বা ট্রলারটি নিয়ে সরে যেতে সক্ষম না হওয়ায় করনে ট্রলারটি ফেলে পালিয়েছেন চোর চক্রের সদস্যরা।

    প্রশাসনের তৎপরতা জোরদার থাকলে এর রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব বলেও এমন ধারনা করছেন স্হানীয় ও সচেতন মহলের লোকজন। তাই চোরকে চিহ্নিত করে ট্রলারটির যথাযথ ব্যাবস্হা নিতে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদিকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদিকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ সব সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জের সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকবৃন্দের উদ্যোগে পৌর শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়। শহীদ মিনারে একই সময়ে প্রথম আলো বন্ধুসভাও মানববন্ধন করে।মানববন্ধনে আইনজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক, রাজনীতিক, সাংস্কৃতিকর্মী, নারী আন্দোলনের নেত্রী, সমাজকর্মী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার লোকজন অংশ নেন।
    জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ সমাজকর্মী রমেন্দ্র কুমার দে, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তৈয়বুর রহমান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল হক, অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার, জেলা গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সভাপতি রুহুল তুহিন, দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের পঙ্কজ কান্তি দে, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি আইনজীবী এনাম আহমেদ, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদ, থিয়েটার সুনামগঞ্জের সভাপতি ও সাংবাদিক দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সংগঠন সুনামগঞ্জ প্রসেনিয়ামের পরিচালক দেবাশীষ তালুকদার শুভ্র, ছাত্রনেতা নাসিম চৌধুরী।
    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে কালো আইন আখ্যায়িত করে বক্তারা বলেন, মানুষ এই কালো আইন চায় না। তারপরও সরকার নিজেদের স্বার্থে, বিরোধী মতকে দমন করার জন্য এটি রাখতে মরিয়া। এই আইনের অপব্যবহার হচ্ছে। বিশেষ করে এই আইন দিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করার অপচর্চা শুরু হয়েছে। এতে সরকারই দেশে-বিদেশে সমালোচিত হচ্ছে। বক্তারা আরও বলেন, সংবাদমাধ্যম সরকারে প্রতিপক্ষ নয়, বরং বন্ধু। তাঁরা গঠনমূলক সমালোচনা করবে, সংকটের কথা তুলে ধরবে। সরকার সেগুলো শুধরে নেবে, এটাই হওয়া উচিত। কিন্তু আমরা দেখছি, দেশে তার উল্টোটা ঘটছে। এটা কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়। এত এত ঘটনা ঘটছে, মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে, তবুও সরকার কেন এই চরম বিতর্কিত আইনটি বাতিল করছে না, এটাই বিশ্ময়।
    কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে দৈনিক সুনামকণ্ঠের সম্পাদক বিজন সেন রায়, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল নোমান, সাংবাদিক কুলেন্দু শেখর দাস, আইনজীবী-সাংবাদিক এ কে এম মহিম ও এ আর জুয়েল, আইনজীবী মতিয়া বেগম, জেলা মহিলা পরিষদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনা পাল, সাংবাদিক বিন্দু তালুকদার, রোরহান উদ্দিন, সমাজকর্মী সালেহীন চৌধুরী ও ওবায়দুল হক মিলন, জেলা খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক মো. রাজু আহমদ, সাংবাদিক আকরাম উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, আসাদ মনি, মেহেদী হাসান, এ কে মিলন আহমদ, কে এম শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ হানিফ, উন্নয়নকর্মী আরিফুর রহমান, সুনামগঞ্জ বন্ধুসভার সভাপতি শাহজাহান সিদ্দিকী, বন্ধুসভার শফিকুল ইসলাম, রুবেল পালম জাকিরুল ইসলাম মান্না, শেখ মহুয়াসহ আরও অনেক সাংবাদিক বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।##

  • কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের মাঝে ছুটে চলছেন নজরুল ইসলাম নয়ন

    কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মানুষের মাঝে ছুটে চলছেন নজরুল ইসলাম নয়ন

    বার্তা পরিবেশক :
    জমে উঠেছে তারাকান্দা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আগামী ১২জুন নির্বাচনের তারিখও ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মাঝে ছুটে চলছেন প্রার্থীরা। ভোটারদের কৌতূহলের যেন শেষ নেই। নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশে বিরাজ করছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
    উপজেলা পরিষদ নির্বাচন দলীয় হওয়ায় এ সুযোগে মাঠে ময়দানে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের একাধিক সিনিয়র নেতারা। তবে সবচেয়ে বেশি ভোটের মাঠে এগিয়ে রয়েছেন তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জনবান্ধব নেতা নজরুল ইসলাম নয়ন। তিনি কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিরামহীনভাবে ছুটে চলেছেন মানুষের দোয়ারে দোয়ারে। উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে মানুষের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করে সভা-সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রার্থী হিসাবে ভোটারদের মন জয় করতে নানা রকম প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি।

    সেই ধারাবাহিকতায় সোমবার ৩রা এপ্রিল সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম নয়ন উপজেলার তারাকান্দা দক্ষিন বাজার, মধুপুর গ্রামের বিভিন্ন জায়গায়,গোয়ালকান্দী বাজারে ও
    মৌলভীবাজার সহ বিভিন্ন এলাজায় ১২ই জুন আসন্ন তারাকান্দা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য ভোটারদের দ্বারেদ্বারে গিয়ে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে গণসংযোগ করেন এবং সকলের কাছে দোয়া প্রত্যাশা করেন। এসময় তিনি বলেন, তারাকান্দা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আগামী ১২জুন ঘোষণা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছেন। গ্রামীণ জনপদ থেকে ঢেলে সাজাতে হবে। এজন্য যোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজন। আগামী নির্বাচনে আপনাদের সহযোগিতা ও দোয়া চাই যেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলার অন্তর্ভুক্ত তারাকান্দা উপজেলা উপহারের মাধ্যমে আমাদের ফুলপুর-তারাকান্দা আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এর নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে পারি। এসময় তার সাথে তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বদিউল আলমকে দেখতে গেলেন রাওয়া চেয়ারম্যান ওয়াদুদ

    সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বদিউল আলমকে দেখতে গেলেন রাওয়া চেয়ারম্যান ওয়াদুদ

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সড়ক দুর্ঘটনায় গুরতর আহত আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রামের পটিয়ার সন্তান মুহাম্মদ বদিউল আলমকে দেখতে গেছেন
    রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) আলাউদ্দিন এম এ ওয়াদুদ বীর প্রতীক।

    সোমবার দুপুরে তিনি যুবলীগ নেতা বদিউল আলমকে দেখতে হাসপাতালে যান। এ সময় অসুস্থ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এ যুবলীগ নেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি। মেজর জেনারেল (অবঃ) আলাউদ্দিন এম এ ওয়াদুদ বীর প্রতীক অসুস্থ এ নেতার রোগমুক্তি কামনা করেন এবং তার শয্যা পাশে থেকে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন ও বেশ কিছুক্ষন সময় কাটান।

    এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ডি এম জমির উদ্দিন, ভাটিখাইন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, পটিয়া পৌরসভা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম সাইফু,
    রফিকুল আলম রিজভী রুবেল।

    গত ২২ মার্চ সকালে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মাথায় মারাত্মক আঘাত পেয়েছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পটিয়ার সন্তান মুহাম্মদ বদিউল আলম। সেদিন প্রথমে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা ন্যাশনাল নিউরো সাইন্স হসপিটাল পরে ঢাকা ইম্পেরিয়াল হসপিটালে ভর্তি করান। এরপর দুইদিন আগে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা এভারকেয়ার হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে।

  • পীরগঞ্জে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন

    পীরগঞ্জে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন

    আবু জাহেদ, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি ঃ সারাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, শামস্জ্জুামান সহ গ্রেপ্তারকৃত সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে।
    সোমবার সকাল ১১টায় পৌর শহরের পূর্ব চৌরাস্তায় পীরগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিকরা এ মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে পীরগঞ্জ ও পাশর্^বতী রাণীশংকৈল উপজেলার সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের অংশগ্রহণে প্রায় দেড় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন চলাকালে দাবীর সাথে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও- ৩ আসনের সাবেক এমপি জাহিদুর রহমান জাহিদ, উপজেলা সিপিবি’র সভাপতি প্রভাত সমীর শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা আলম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, সাবেক সভাপতি মেহের এলাহী, রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, প্রথম আলো প্রতিনিধি কাজী নুরুল ইসলাম, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক বিষ্ণুপদ রায়, সিনিয়র সাংবাদিক দীপেন রায়, মোকাদ্দেস হায়াত মিলন, মামুনুর রশিদ, খুরশিদ আলম শাওন, নুরন নবী রানা, বাদল হোসেন। মানববন্ধন চলাকালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করা সহ এ আইনে গ্রেপ্তারকৃত সাংবাকিদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান বক্তারা ।

    আবু জাহেদ
    পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও

  • শুনতে অবিশ্বাস্য হানজিলা ও তানজিলার জন্ম চাকরি  ও অবসর একই সঙ্গে

    শুনতে অবিশ্বাস্য হানজিলা ও তানজিলার জন্ম চাকরি ও অবসর একই সঙ্গে

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    একসঙ্গে জন্ম। একসঙ্গে চাকরী। আবার অবসরও একই সঙ্গে। শুনতে অবিশ^াস্য হলেও হানজিলার রহমান ওরফে ঠান্ডু মিয়া ও তানজিলার রহমান ওরফে মন্টু মিয়ার জীবনে এমনই ঘটেছে। তারা যমজ দুই ভাই। জন্মের ব্যবধান মাত্র ১০ মিনিটের। একত্রে বেড়ে ওঠা দুই যমজ ভাই পড়ালেখাও করেছেন একই সঙ্গে। পড়ালেখা শেষে চাকরিও পেয়েছেন একই চিঠিতে। কর্মস্থলেও যোগ দিয়েছেন একই দিনে। অবসরের ক্ষেত্রেও তাই। ঠান্ডু ও মন্টু মিয়ার বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলাকানাই ইউনিয়নের বানিয়াকান্দর গ্রামে। অবসরের পর দুই ভাই মিলে বাড়িতে মিনি পার্ক তৈরি করেছেন। এখন ওই পার্কের গাছপালা দেখভাল করেন। এই দুই ভাইয়ের দেখা মেলে ঝিনাইদহ শহরের পুরোনো ডিসি কোর্ট এলাকায়। দুই ভাইয়ের চেহারা ও পোশাকে মিল দেখে কথা বলতে গেলে এসব তথ্য জানান তাঁরা। পরে বানিয়াকান্দর গ্রামে দুই ভাইয়ের প্রতিষ্ঠিত ঠান্ডু-মন্টু ফ্যামিলি পার্কে যান এই প্রতিবেদক। এ সময় ঠান্ডু ও মন্টু মিয়া বলেন, ১৯৬২ সালের ২ ফেব্রয়ারি ১০ মিনিটের ব্যবধানে জন্ম তাঁদের। তাঁদের সবকিছুই যেমন অনেক মিল, জীবনে প্রায় সব কাজই করেছেন একসঙ্গে। বানিয়াকান্দর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঠান্ডু ও মন্টু মিয়ার মিলের কোনো শেষ নেই। অনেক যমজ রয়েছে, তবে এতটা মিল কোথাও দেখা যায় না। তাঁদের বাবা বিশারত আলী অনেক আগে মারা গেছেন। মা রাহেলা খাতুন বেঁচে আছেন। তাঁরা তিন বোন আর দুই ভাই। ঠান্ডু মিয়ার দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। মন্টু মিয়া তিন মেয়ের বাবা। ঠান্ডু মিয়া বলেন, বাবা ১৯৬৭ সালে দুই ভাইকে কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেন। এরপর তাঁরা প্রতি শ্রেপণিতে এক সেট বই কিনে পড়ালেখা করেছেন। এভাবে পঞ্চম শ্রেণি পাস করেন। এরপর ১৯৭২ সালে বেড়বাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। বিদ্যালয়টি তখন নিম্নমাধ্যমিক ছিল। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় একটি বার্ষিক পরীক্ষায় দুই ভাই একই নম্বর পান। এরপর বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক (বর্তমান ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান) আবদুর রশীদ তাঁদের দুজনকে অফিস কক্ষে ডেকে আনেন। এরপর দুজনের সম্মতিতে প্রধান শিক্ষক ছোট ভাইকে প্রথম ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে আব্দুর রশীদ বলেন, দুজন একই নম্বর পাওয়ায় তাঁকে এটা করতে হয়েছিল। তাঁরা দুই ভাই খুবই মেধাবী ছাত্র ছিলেন। ১৯৭৭ সালে এসএসসি পাস করেন ঠান্ডু ও মন্টু মিয়া। সেখানেও তাঁদের দুজনের প্রাপ্ত নম্বর ছিল একই। ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ১৯৭৯ সালে। এরপর তাঁরা একই কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। মন্টু মিয়া বলেন, পড়ালেখা শেষে তাঁরা চার বছর বাড়িতে কৃষিকাজ করেছেন। এরপর ১৯৮৬ সালে দুজনই একসঙ্গে পরিসংখ্যান অধিদপ্তরে চাকরির আবেদন করেন। ঢাকায় মৌখিক পরীক্ষার সময় ঠান্ডু পরীক্ষাকক্ষে প্রথম প্রবেশ করেন। তিনি বেরিয়ে এলে ভেতরে যান মন্টু। তাঁকে দেখে উপস্থিত কর্মকর্তারা বিস্মিত হয়ে জানতে চান, ‘এইমাত্রই তো সাক্ষাৎকার দিয়ে গেলেন, আবার কেন এসেছেন?’ মন্টু বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন। এরপর একই চিঠিতে ১৬ জনকে চাকরিতে যোগ দিতে বলা হয়, যাঁদের মধ্যে তাঁরা দুভাই ছিলেন। ওই বছরের ৮ এপ্রিল ঢাকায় একসঙ্গে চাকরিতে যোগ দেন ঠান্ডু ও মন্টু। চাকরিজীবনে দেশের বিভিন্ন স্থানে কাটিয়েছেন দুই ভাই। অবসর গ্রহনের আগে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু অফিস থেকে ২০২০ সালের ২ ফেব্রয়ারি সহকারী পরিসংখ্যান কর্মকর্তা একসঙ্গে চাকরী জীবন শেষ করেন। বর্তমানে বাড়ির সঙ্গে থাকা ৬০ শতক জমিতে পার্ক গড়ে তুলেছেন ঠান্ডু আর মন্টু মিয়া। যেখানে গাছের পরিচর্যা করে সময় কাটে তাঁদের। এই যমজ দুই ভাই বলেন, এক জীবনে একে অপরের সঙ্গ ছাড়েননি। অনেক সময় দুই ভাইকে গুলিয়ে ফেলেছেন অনেকে। এ কারণে জীবনে অনেক মজার ঘটনা ঘটেছে। কেউ জানতে চাইলে জীবনের এসব ঘটনার স্মৃতিচারণার ঝাঁপি খুলে বসেন তাঁরা।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • নড়াইলের বিস্ফোরক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি যশোর থেকে গ্রেপ্তার

    নড়াইলের বিস্ফোরক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি যশোর থেকে গ্রেপ্তার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের বিস্ফোরক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি যশোর থেকে গ্রেপ্তার।
    যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আলম শেখ (৪৩) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আলম বিস্ফোরক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, তিনি নড়াইল সদর থানাধীন গোবরা গ্রামের মৃত বরকত শেখের ছেলে। নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জের তত্ত্বাবধানে ২ এপ্রিল রোববার দিবাগত রাতে এসআই (নি:) শোভন কুমার নাগ সঙ্গীয় ফোর্সসহ র‍্যাব-৬ যশোর এর একটি আভিযানিক টিমের সহায়তায় এসটিসি ৬৩/১২ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মূলে যশোর সদর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

  • নড়াইলে ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন মতবিনিময়

    নড়াইলে ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন মতবিনিময়

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
    নড়াইলে ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন মতবিনিময়। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে চেম্বার অব কমার্স ও ব্যবসায়ী মহলের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা করেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সভায় পুলিশ সুপার পবিত্র রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল, স্বাভাবিক ও সহনশীল পর্যায়ে রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের আন্তরিক থাকার আহবান জানান। তিনি বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার তদারকি করছে নড়াইল জেলা পুলিশ। সাধারণ জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে কেনা-কাটা করতে পারে এবং চুরি, ছিনতাই এর শিকার না হয় সেজন্য পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি হতে জনগণকে রক্ষা করতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। শহরে ট্রাফিক জ্যাম কমানোর জন্য কিছু রুটে ডাইভারশন করা হয়েছে। বেশি টাকার ট্রানজেকশন করার সময় তিনি ব্যবসায়ীদের পুলিশকে অবহিত করতে বলেন। সভায় চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হাসানুজ্জামান বলেন, বাজারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ভবিষ্যতে পুলিশের এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • নড়াইলে নবাগত জেলা প্রশাসক আশফাকুল হক চৌধুরীর নড়াইলে যোগদান

    নড়াইলে নবাগত জেলা প্রশাসক আশফাকুল হক চৌধুরীর নড়াইলে যোগদান

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
    নড়াইলে নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আশফাকুল হক চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহন
    করেছেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের কাছ থেকে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, ৩মার্চ
    সোমবার বেলা ১১টায় জেলা প্রাসকের কার্যালয়ে নবাগত জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ
    আশফাকুল হক চৌধুরী পৌঁছালে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিদায়ী জেলা
    প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
    রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গত (১২ মার্চ) রোববার উপসচিব ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি
    স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে মোহাম্মাদ আশফাকুল হক চৌধুরীকে নড়াইল জেলা প্রশাসক
    ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
    অপর দিকে রাষ্ট্রপতির আদেশ ক্রমে উপ সচিব মো : আলমগীর কবির স্বাক্ষরিত
    প্রজ্ঞাপনে নড়াইলের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানকে বাস্তবায়ন
    পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের উপসচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
    উল্লেখ্য, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ২ বছর ৩ মাস নড়াইলের জেলা প্রশাসক
    হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

  • নড়াইলে খামারির চারটি বিদেশী জাতের গরুর রহস্যজনক মৃত্যু করা হলো ময়নাতদন্ত

    নড়াইলে খামারির চারটি বিদেশী জাতের গরুর রহস্যজনক মৃত্যু করা হলো ময়নাতদন্ত

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে খামারির চারটি বিদেশী জাতের গরুর রহস্যজনক মৃত্যু করা হলো ময়নাতদন্ত। খামারির ৪ গরুর রহস্যজনক মৃত্যু, করা হলো ময়নাতদন্ত নড়াইল সদরে আব্দুল আজিজ ওরফ জুয়েল (৫৮) নামের এক খামারির চারটি বিদেশী জাতের গরুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এতে আনুমানিক সাড়ে ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন খামারি। তার অভিযোগের ভিত্তিতে গরুগুলোর মৃত্যুর রহস্য জানতে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (২ এপ্রিল) দুপুরে নড়াইল জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের ৫ সদস্যের একটি দল পুলিশের উপস্থিতিতে সদর পৌরসভাধীন হাঁট বাড়িয়া গ্রামের ওই খামারির বাড়ির পাশে মৃত গরু গুলোর ময়নাতদন্ত করে।
    পুলিশ ও খামারি মালিক সূত্রে জানা যায়, সদরের পৌরসভাধীন হাটবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ ওরফে জুয়েলের বাড়িতে বিদেশী উন্নত জাতের ১৬টি গরু নিয়ে একটি খামার রয়েছে। প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার (১ এপ্রিল) ইফতারের আগে জুয়েল তার খামারের গরুগুলোকে খাবার দিয়ে ইফতার করতে মসজিদে চলে যান। নামাজ পড়ে ফেরার সময় বাড়ির লোকের চিৎকার ও কান্নাকাটিতে জুয়েল তার খামারে দৌড়ে যান। গিয়ে দেখতে পান তার দুটি গরু মারা গেছে এবং অপর দুটি গরু মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছে। তাৎক্ষণিক গরু দুটিকে তেতুল পানি খাওয়ান এবং উপজেলা প্রাণি সম্পদ উপ-সহকারী কর্মকর্তা (পশু চিকিৎসক) অনন্ত কুমার পালকে খবর দেন। পশু চিকিৎসক খবর পাওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে খামারে উপস্থিত হয়ে গরুগুলোর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান।

    খামারি আব্দুল আজিজ ঢাকা পোস্টকে বলেন, ফ্রিজিয়ান জাতের দুইটি গাভী ও একটি বকনা বাছুর এবং শাহিওয়াল জাতের একটি গাভীসহ চারটি গরু মারা গেছে। এতে আমার সাড়ে ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি মনে করছি বাড়ির লোকের অনুপস্থিতিতে কেউ শত্রুতা করে আমার খামারের গরুগুলোর খাবারে বিষ জাতীয় কিছু মিশিয়েছে। তাই আমি থানায় অভিযোগ করেছি।
    জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক মো. আবু তালেব বলেন, চৈত্রের শেষে তাপমাত্রাজনিত কারণে চাষের ঘাষে প্রচণ্ড পরিমাণ নাইট্রেট জমা হয়। গরুর পেট খালি থাকা অবস্থায় চাষের ঘাস খেলে পাকস্থলীতে গিয়ে বিক্রিয়া হয়ে গরুর মৃত্যু পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে এই কারণে গরু তিনটির মৃত্যু হয়েছে। যেহেতু খামারির বড় ক্ষতি হয়েছে, তাকে আইনগত সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
    সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. নাজমুল হক, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ অনন্ত কুমার পাল, উপ-সহকারী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমসহ পাচঁ সদস্য বিশিষ্ট একটি টিম খামারির বাড়িতে গিয়ে ময়নাতদন্ত করেছেন। গরুর ভিসেরা, ঘাস, ভুষি অন্যান্য প্রয়োজনীয় আলামত পুলিশের মাধ্যমে রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয়েছে।
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবাইদুর রহমান বলেন, খামারি আব্দুল আজিজের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে পুলিশের উপস্থিতিতে মৃত গরুগুলোর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।