Author: desk

  • এম এম টি স্টেট তিন ফসলী জমিতে ঘর নির্মানের অভিযোগ

    এম এম টি স্টেট তিন ফসলী জমিতে ঘর নির্মানের অভিযোগ

    মো বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে পঞ্চগড়ে তিন ফসলী জমিতে ঘর নির্মানের অভিযোগ উঠেছে এম এম টি এষ্টেট লিমিটেড কোম্পানির বিরুদ্ধে।
    পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের পাহারতলী গ্রামে ২০০৫ সালে চা বাগান সৃজনে নিমিত্তে জমি ক্রয়ের অনুমতি দেয় জেলা প্রশাসন। ওই সময় এম এম টি এষ্টেট লিমিটেড কোম্পানিকে শর্ত দেওয়া হয় ধানী বা আবাদী জমি ক্রয় করা যাবে না। চা চাষ ব্যতীত অন্য কোন কাজে এ জমি ব্যবহার করা যাবে না। কিন্তু এসব শর্ত না মেনে তারা জোর পূর্বক জমি ক্রয়করে তিন ফসলী জমিতে বিশাল জায়গা জুড়ে ঘর নির্মান করতেছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

    আমিরুল ইসলাম, এলাকাবাসী জোরপূর্বক ভয়-ভীতি দেখে এরা রাতের আঁধারে মানুষের জমি দখল ক্রয় করে নিচ্ছে মূল্য দিয়ে এদের জন্য আমাদের আবাদী জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে গরিব মানুষ কি করব।
    স্থানীয় ইউপি সদস্য সপিউল আলম বলেন এরা মগের মুল্লুকের মত আমাদের এলাকাটাকে জমি খেকুদের মত খেয়ে নিচ্ছে নিয়ম নীতিকে তো রক্ষা করে না।
    আগে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছু হাত উপরে অনেক বড় নিউজ প্রকাশ করে কি করবেন বলে জানান। এবং স্থানীয় কিছু সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত।
    সোহেল রানা, ব্যবস্থাপক এম টি এষ্টেট লিমিটেড তো জানি কিন্তু প্রয়োজনের তাগিদে করা লাগে অনুমতি আগে থেকে নেওয়া আছে
    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সদর . মাসুদুল হক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পঞ্চগড় আইনের বাইরে কেউ নই এই ধরনের ঘটনা ঘটাইলে আমরা তবে অভিযোগ পেলে অবশ্যই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবো খুব শীঘ্রই।

  • খাদ্যে ভ্যাজাল পাথরঘাটার পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড

    খাদ্যে ভ্যাজাল পাথরঘাটার পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড

    পাথরঘাটা(বরগুনা)প্রতিনিধি : ৪ এপ্রিল মঙ্গলবার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বরগুনার পাথরঘাটা পাঁচ প্রতিষ্ঠান থেকে ২৮ হাজার টাকা জড়িমানা আদায় করেছে। খাদ্যে ভ্যাজালসহ মেয়াদোত্তীর্ণ ভোগ্যপন্ন সংরক্ষণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরগুনার সহকারি পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস এ দন্ড প্রদান করেন।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা স্যনিটারী ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক পরেশ চন্দ্র হাওলাদার সহ এই দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারী, সাংবাদিক এবং থানা পুলিশ সদস্যবৃন্দ#

    অমল তালুকদার।।

  • ঝালকাঠিতে ৩১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সবুজায়নে শক্তি ফাউন্ডেশন

    ঝালকাঠিতে ৩১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সবুজায়নে শক্তি ফাউন্ডেশন

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    শক্তি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের একটি বৃহত্তম বেসরকারি জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান (এনজিও)। প্রতিষ্ঠানটি গত ১লা এপ্রিল ২০২৩ তারিখে ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে এবং সংস্থার কর্ম এলাকায় ৫৫টি জেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই লক্ষে জেলা শাখা অফিসের মাধ্যমে গাছের সংখ্যা ৫০টি বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করে।

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক ফারাহ্ গুল নিঝুম। এছাড়াও শক্তি ফাউন্ডেশন থেকে উপস্থিত ছিলেন আইটি ডিপার্টমেন্টর প্রধান মো: জিল্লুর রহমান, জোনাল হেড মো: জহিরুল ইসলাম, রিজিওনাল হেড এসএম শরিফুল হাসান । এ এস বি এম এম এফ ও অন্যান্য কর্মীগণ।

    ১৯৯২ইং সনে প্রতিষ্ঠিত শক্তি ফাউন্ডেশন মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) এবং যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠান প্রায় সমগ্র বাংলাদেশে ৫০৪ টি শাখা অফিস ও ৮৭ টি শক্তি মেডিক্যাল সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, আর্থ- সামাজিক উন্নয়ন, উদ্যোক্তা তৈরি ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে উপযুক্ত ঋণদানের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে।

    ৩১ তমপ্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শক্তি ফাউন্ডেশন গ্রিনইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের মাধ্যমে এপ্রিল মাসের মধ্যে ৫৫টি জেলাতে ৩,১০০টিবৃক্ষরোপনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে এক দিকে যেমন পরিবেশের উন্নয়ন ঘটাতে ও অন্যকে উদ্ভুদ্ধকরনের কাজে আসবে অন্যদিকে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

  • কালকিনিতে মনির হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ! ইউপি চেয়ারম্যানের ফাসির দাবি

    কালকিনিতে মনির হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ! ইউপি চেয়ারম্যানের ফাসির দাবি

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার সিডি খাঁন ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মো. মনির হোসেন চৌকিদার-(৩৭) প্রতিপক্ষের বোমা হামলায় নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যার বিচারের দাবিতে সিডিখান ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ চান মিয়া সিকদারের ফাসির দাবিতে এক বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করেছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বও ও কালকিনি থানার সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করা হয়।
    স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সিডিখান ইউনিয়নের নতুন চরদৌলাত খাঁন গ্রামের মো. রশিদ চৌকিদারের ছেলে সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মো. মনির হোসেন চৌকিদার সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিয়ারহাট বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তিনি মিয়ারহাট লঞ্চঘাট নামক স্থানে পৌছলে ওৎপেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার মাথা ও মুখে বোমা মেরে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা এসে আহত মনিরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে এ নিহতের ঘটনায় হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে এক বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী। এ সময় বিক্ষোভকারীরা চেয়ারম্যানের ফাসির দাবি করে মিছিল করেন।
    বিক্ষোভ শেষে ইউপি সদস্য দিদার সরদার,তাবারক হোসেন,মোঃ আজিজুল হক বেপারী,আশরাবালী সরদার ও সিডিখান ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান রাশেল বলেন, চেয়ারম্যান চান মিয়া সিকদার এ তিন টাইমে থেকে ১০টি মার্ডার করেছে। এর আগে তুহিন বেপারী,করমালী,আলম পেদা,মহব্বত সরদার সহ ৮/১০ মার্ডার হয়েছে সিডিখানে।মিজান বেপারীর পা কর্তন,অপুর চোখ নাই এরকম অনেক ঘঁটনা ঘটেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।আমরা আর কোন মায়ের বুক খালি দেখতে চাইনা,আমরা শান্তি চাই।
    কালকিনি থানা ফটকের সামনে বিক্ষোভ করলে,থানার ওসি মোঃ শামিম হোসেন বলেন, ইনশ্ াআল্লাহ,আমাকে সহায়তা করবেন,আপনাদের সিডিখানকে নিটেল ক্লিনিং করব।আর একটা রিকোয়েষ্ট থাকবে, যে ঘটনা ঘটেছে আমরা আইনগত ভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি,আপনারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবেন,সম্মান দেখাবেন।ওই এলাকায় যাতে বিশৃঙ্খলার মত কোন ঘটনা না ঘটে।
    পরে ভুক্তভোগী পরিবার ও বিক্ষোভকারীরা কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন।

  • গোপালগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষে আহত-৩০, বাড়ী ঘর ভাংচুর

    গোপালগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষে আহত-৩০, বাড়ী ঘর ভাংচুর

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী নব নির্বাচিত ও পরাজিত মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে নারীসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। এসব কয়েকটি বাড়ী ঘর ভাংচুর করা হয়।

    আজ মঙ্গলবার (০৪ এপ্রিল) বিকেলে সদর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কংশুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবেদ মাসুদ সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    আহতদেরকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    ওসি জাবেদ মাসুদ জানিয়েছেন, পহেলা রমজান ১নং ওয়ার্ডের পরাজিত মেম্বার প্রার্থী কাবুল শেখের সমর্থক সাজিম ইমরানকে মারধর করে বিজয়ী মেম্বার জাহিদ শিকদারের সমর্থক সুজনসহ কয়েকজন সমর্থক।

    এর সূত্র ধরে গতকাল সোমবার (০৩ এপ্রিল) সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরে আজ মঙ্গলবার (০৪ এপ্রিল) দুপুরে পরাজিত মেম্বার প্রার্থী কাবুল ও তার ভাইদের ৪টি ঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করা হয়।

    এর জের ধরে বিকালে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা ঢাল-সড়কি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এসময় একে অপরের দিকে বৃস্টির মত ইট নিক্ষেপ করে। দফায় দফায় ধরে চলা সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন হয়।

    পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়েন্ত্রণে আনে। আহতদেরকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গত ২০ মার্চ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নসহ ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

  • সরকার দেশের এমন উন্নয়নমূলক কাজ করছে যে আজকে একটা আগুন নেভানোর মত বিভাগ পর্যন্ত তাদের নাই- মির্জা ফখরুল

    সরকার দেশের এমন উন্নয়নমূলক কাজ করছে যে আজকে একটা আগুন নেভানোর মত বিভাগ পর্যন্ত তাদের নাই- মির্জা ফখরুল

    ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রাতিষ্ঠাণিক একটা ব্যবস্থা আইনজীবী সমিতি, এই সমিতিকে দখল করার জন্য এই আওয়ামী লীগের সরকার বেআইনি ভাবে দখল করার জন্য সকল প্রকার শক্তি প্রয়োগ করেছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রযন্ত্রকে তারা ব্যবহার করতে দ্বিধা করছে না। এই একটা জায়গা আইনজীবী সমিতি, যেখানে মানুষের আস্থা ছিল, সেই আস্থাটাও এখন পুরোপুরি ভাবে নির্মুল হয়ে যাওয়ার অবস্থা হয়েছে।

    মঙ্গলবার ৪ এপ্রিল বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের পৌর মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ একটা অত্যন্ত কঠিন সময় পার করছে। বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্র সম্পূর্ণ অনুপস্থিত, মানুষের যে অধিকার তা পুরোপুরিভাবে হরণ করা হয়েছে। লুন্ঠিত হচ্ছে ব্যক্তিগত অধিকার এবং সংবিধানকে এখানে প্রতিনিয়ত লঙ্ঘন করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, আজকে আওয়ামী লীগ নির্বাচন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন আগামীতে যে সংসদ নির্বাচন সে নির্বাচনের জন্যে আওয়ামী লীগ নতুন করে ২০১৪ ও ২০১৮ এরমত তামাশা শুরু করেছে। আমরা খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই- আমরা কেনা তামাশার নির্বাচন বিশ^াস করিনা। আমরা বিশ^াস করি- জনগণ যেখানে তার সত্যিকারের ভোট দিতে পারবে, তার মত প্রকাশ করতে পারবে; এই ধরনের একটা নির্বাচন আমরা চাই।

    ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেই খান্ত হননি, তারা অর্থনৈতিক যে ভিত্তিগুলো সেগুলোকে তারা নরবরে করে দিয়েছেন। অথচ তারা বিভিন্ন রকমের কথা বলেন; বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে। এমন উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে এখানে ব্যাংক লোপাট হয়ে যাচ্ছে; বাংলাদেশে ব্যাংকের রিজার্ভ ফাণ্ড হ্যাক হয়ে যাচ্ছে। সেগুলোর দিকে আওয়ামী লীগ সরকারের কোন খেয়াল নেই।

    আওয়ামী লীগ সরকার দেশের এমন কি উন্নয়নমূলক কাজ করছে যে আজকে একটা আগুন নেভানোর মত তাদের বিভাগ পর্যন্ত নাই। যেই ফায়ার বিগ্রেড আছে, তারা ৪০টির উপর ইউনিট কাজ করার পরও বঙ্গবাজারের অগ্নিকন্ড নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। অর্থাৎ এই ফায়ার বিগ্রেডের সেরকম সক্ষমতা নেই এত বড় আগুন নিয়ন্ত্রণে নেয়ার মত।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, সেই অগ্নিকাণ্ডে বঙ্গবাজার পুরোপুরি ভাবে ধুলিসাৎ ও মিশে যাওয়ার মত অবস্থা হয়েছে। এরআগে সিদ্দিক বাজারে ও বনানীতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাগুলো কেন ঘটছে? এ ঘটনাগুলো হচ্ছে এই জন্যে সরকারের যে প্রতিষ্ঠানগুলো দায়িত্বে রয়েছে দেখভাল করার। তারা দেখবে কোথায় আগুন নেভানোর কোন ব্যবস্থা আছে কিনা। কিন্তু আমরা মনে করি সরকারের এসব প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যর্থ হয়েছে।

    তিনি বলেন, আমরা যেটা বলতে চাই, এই আওয়ামী লীগ সরকারের এখন সময় হয়ে গেছে পুরোপুরি ভাবে; তাদের চলে যাওয়া উচিৎ। আমাদের বাংলাদেশকে আবার আগে জায়গায় ফিরে দেওয়া উচিৎ।

    ফখরুল বলেন, কারণ আমরা যে বাংলাদেশ চেয়েছিলাম, আমরা যে বাংলাদেশকে পেতে যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছিলাম,সেই বাংলাদেশ আজকে একটা পুরোপুরি ভাবে একক গণতান্ত্রিক, স্বৈরতান্ত্রিক দেশে পরিণত হয়েছে। অথচ আমরা লড়াই করেছি গণতন্ত্রের জন্যে। সেই জন্যেই আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করছি; আমরা বিশ^াস করি দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, দেশের মানুষের আন্দোলন-লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক একটা রাষ্ট্র গঠন করতে সক্ষম হব আমরা।

    এসময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা তৈমুর রহমানসহ বিএনপির বিভিন্ন সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও ন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

    গৌতম চন্দ্র বর্মন
    ঠাকুরগাঁও

  • লক্ষ্মীপুরের প্রবীণ সাংবাদিক এম এ মালেকের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী

    লক্ষ্মীপুরের প্রবীণ সাংবাদিক এম এ মালেকের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী

    নাজিম উদ্দিন রানা:

    লক্ষীপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক প্রবীণ সাংবাদিক,সংগঠক ও শিক্ষানুরাগী এম এ মালেকের মৃত্যু দিবস আগামী ৯ এপ্রিল। এদিন তাঁর ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী। এ উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। তাঁর মাগফেরাত কামনা করে সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া আহবান করা হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে।

    প্রয়াত এম এ মালেক ও তাঁর সহকর্মীদের থেকে জানাযায় লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও আজীবন সদস্য ছিলেন। এছাড়া জেলা রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি, চেম্বার অব কমার্সের সাধারন সম্পাদক, কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি,প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা প্রধান শিক্ষক মহুরম এম এ মালেকের ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী রবিবার ৯ই এপ্রিল। তিনি মৃত্যু কালীন সময় পর্যন্ত জাতীয় দৈনিক ভোরের পাতার পত্রিকার ব্যুরো প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীর কাছে তিনি ছিলেন সাদা মাঠা হাসি খুশী একজন প্রিয় মানুষ ও সাংবাদিকতার জগতের কিংবদন্তী কলম সৈনিক তিনি লক্ষীপুর বাসীর প্রাণের স্পন্দন সাংবাদিকদের আশ্রম নামে খ্যাতি অর্জন করেছেন ।সাংবাদিকতা জগতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে কিংবদন্তি কলম সৈনিক ছিলেন । অতি সহজে সাধারন মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতেন তিনি। উনার ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ৯ই এপ্রিল রোজ রবিবার ইফতার ও দোয়া মহুরমের নিজ গ্রাম লক্ষীপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড সমসেরাবাদ গ্রামের হাজী চুন্নী মিয়া হাওলাদার জামে মসজিদে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। মহুরমের বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজন আপনারা সবাই আমন্ত্রিত । তিনি লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক ও আজকের বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি নাজিম উদ্দিন রানার পিতা।

    মরহুম এম এ মালেকের শিক্ষা ও সাংবাদিকতার জীবনীঃ প্রবীণ সাংবাদিক এম এ মালেক লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সদর উপজেলার সমসেরাবাদ গ্রামের হাজী চুনু মিঞা হাওলাদার বাড়ীর সভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।তিনি সমসেরাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। তার পরে লক্ষ্মীপুর মডেল হাইস্কুলে অধ্যয়ন কালে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় তার সাংবাদিকতার হাতে খড়ি। পরবর্তীতে চৌমুহনী এস এ কলেজে অধ্যয়নকালীন সময়ে দৈনিক পূর্বদেশ, দৈনিক বাংলা, দৈনিক কিষাণে, দৈনিক দেশ বাংলায় লেখালেখি করেন এবং লক্ষ্মীপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক আল চিশত ও দৈনিক লক্ষ্মীপুর কন্ঠে দীর্ঘদিন সম্পাদনের দায়িত্ব পালন করেন। ষাট দশকের তুখোড় ছাত্র নেতা হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রদান করেন। মরহুম মালেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকা টিটি কলেজ থেকে বিএড সমাপ্ত করেন। দীর্ঘ ১৫বছর সিলেটের ছাতক এবং সাভারের দোসাইদ একে হাইস্কুলে পর্যায়ক্রমে প্রধান শিক্ষক ছিলেন। বিএড অধ্যায়ন কালীন সময়ে ১৯৭৫-৭৬ সালে টিটি কলেজের ছাত্র সংসদ এর নির্বাচিত জিএস ছিলেন। তিনি সাংবাদিকতা জীবনে অসংখ্য প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা অংশগ্রহণ করেছিলেন।

  • সেনাবাহিনীর অদম্য সাতান্নের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্পেইন

    সেনাবাহিনীর অদম্য সাতান্নের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্পেইন

    রিপন ওঝা, মহালছড়ি

    খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের আওতাধীন জংলিটিলার গুয়ামাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মহালছড়ি সেনাজোনের অদম্য সাতান্ন কর্তৃক আজ ৪ এপ্রিল ২০২৩ ইং তারিখে মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়।

    উক্ত মেডিকেল ক্যাম্পেইনে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি সেনা জোনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় একটি মেডিক্যাল টিম সকাল ১০.০০ ঘটিকা হতে বিকাল ২.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত প্রায় ২৫০ জন দুঃস্থ ও হতদরিদ্র পাহাড়ি-বাঙ্গালীদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে।

    দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় সেনাবাহিনীর এরূপ মহতি উদ্যোগে স্থানীয় জনসাধারন অত্যন্ত আনন্দিত। মহিলা, শিশু ও বয়োবৃদ্ধগণ নিজেদের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসা সেবা পেয়ে মহালছড়ি সেনা জোনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ ব্যক্ত করেন।

    এ বিষয়ে মহালছড়ি সেনা জোনের সাথে কথা বলে জানা যায়, “মহালছড়ি সেনা জোন সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের উন্নত মানের জীবনযাত্রা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে আন্তরিকভাবে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এর ধারা অব্যাহত থাকবে।”

  • মহালছড়িতে রমযান মাসে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে সেনাবাহিনী

    মহালছড়িতে রমযান মাসে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে সেনাবাহিনী

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি

    খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর জোনের অদম্য সাতান্ন কর্তৃক আজ ০৪ এপ্রিল মঙ্গলবার পবিত্র মাহে রমজান উপহার সামগ্রী নিয়ে চাল, ডাল, তেল, আটা, চিনি, লবন, পেঁয়াজ, আলু খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    উক্ত এ সময়ে জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল শাহরিয়ার সাফকাত ভূইয়া, পিএসসি’র নেতৃত্বে চৌংড়াছড়ি গুচ্ছগ্রামের শান্তিনগর, মৌমেনশাহীপাড়া, সাওতালপাড়া, উত্তরপাড়া ও হেডম্যানপাড়া, মগপাড়া এলাকা হতে আগত শতাধিক স্থানীয় দুঃস্থ অসহায় জনগণের মাঝে এবং সেই সাথে বাড়ি বাড়ি গিয়েও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন।

    ঈদ উপহার খাদ্য সামগ্রী পেয়ে সাধারণ মানুষ অত্যন্ত খুশি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা মহালছড়ি জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

  • ভাবখালী বাজারে উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টরের অভিযানে পানি মিশ্রিত ৩০লিটার দুধ ধ্বংস

    ভাবখালী বাজারে উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টরের অভিযানে পানি মিশ্রিত ৩০লিটার দুধ ধ্বংস

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নের ভাবখালী বাজারে দুধ মহলে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক। এ সময় দুধ মহালে ল্যাক্টোমিটারে পরীক্ষা করে বেশ কয়েকজন অসাধু দুধ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৩০ লিটার পানি মিশ্রিত দুধ পাওয়া গেলে তা জব্দ করে জনসমক্ষে ধ্বংস করা হয় একই সাথে সতর্ক করা হয় অন্যান্য দোকানদারদের।

    মঙ্গলবার (৪এপ্রিল) বিকালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোঃ মাহবুব হোসেন এর নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাজার এলাকার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ব্যবসায়ীদের পণ্য ক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ, ব্যবসায়ীদের মাঝে নিরাপদ খাদ্য আইন, ভোক্তা অধিকার আইন সম্পর্কে প্রচারণা চালান মো. মাহবুব হোসেন।

    অভিযানকালে ইফতার সামগ্রী তৈরী, সংরক্ষণ এবং বিক্রয় করার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে ব্যাবসায়ীদের নির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং উপস্থিত জনতাদের নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কিত স্বাস্থ্যশিক্ষা প্রদান করাসহ ব্যবসায়ীদের মূল্য বেশি না রাখা, অনুমোদন বিহীন পণ্য বিক্রি না করার পরামর্শও দেন। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করে আসছেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোঃ মাহবুব হোসেন।

    আজকের এই অভিযান পরিচালনায় স্বাস্থ্য সহকারী কামরুজ্জামান ও আশরাফুল ইসলাম এবং সিএইচসিপি শাহাদাত হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তাকে সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করেন।

    জনস্বার্থে বাজার তদারকি অব্যাহত থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মাহবুব হোসেন।