পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছা থানা পুলিশ ইয়াবাসহ মোঃ ইমন শেখ কে (২৪) আটক করেছে। আটক ইমন সাত্ক্ষীরা জেলার তালা থানার কানাইদিয়া গ্রামের ইমাদুল শেখের ছেলে। সোমবার গভীর রাতে গোপন সংবাদে ওসির নির্দেশে এ এস আই নাসিউদ্দীন ৩০ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেন। ইমন পাইকগাছার হরিঢালি বরফ মিলের সামনে ইয়াবা বিক্রি করছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে যায়।ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, মাদকের সাথে কোন আপোষ নেই। এ ঘটনায় থানায় মাদক আইনে মামলা হয়েছে।
Author: desk
-

পাইকগাছায় ইয়াবাসহ আটক-১
-

স্কুল পরিদর্শনকালে- ভবির্ষ্যতে বড় কিছু অর্জন ও ভালো মানুষ হতে হলে লেখাপড়ার কোন বিকল্প নেই- ইউএনও মমতাজ
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম বলেছেন, ভবির্ষ্যতে বড় কিছু অর্জন ও ভালো মানুষ হতে হলে লেখাপড়ার কোন বিকল্প নেই। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ঐতিহ্যবাহি লস্কর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। হাঁসি-আনন্দে খোলামেলা ভাবে জীবনের গল্প শুনিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের মন জয় করেন। ইউএনও মমতাজ বেগম স্কুল শিক্ষার্থীদের মা-বাবা,মুরব্বি ও শিক্ষকের আদেশ-নির্দেশ মেনে চলার কথা বলেন। তিনি শিশু শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি পত্র-পত্রিকা চর্চা করে বাড়তি জ্ঞান অর্জনের পরামর্শ দেন।
স্কুল পরিদর্শনকালে ইউএনও মমতাজ বেগমকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, প্রধান শিক্ষক জাহানারা খাতুন, সহকারী শিক্ষক সুধারানী মন্ডল,ছায়া খাতুন,সালেহা রহমান,হাসনা হেনা,অচিন্ত কুমার ঢালী ও মোঃ আফজাল হোসেন। -

নড়াইলে ব্যাংকার ও বণিক সমিতির সাথে পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন’র মতবিনিময় সভা
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে ব্যাংকার ও বণিক সমিতির সাথে পুলিশ সুপার সাদিরা খাতুন’র মতবিনিময় সভা।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ব্যাংকার ও বণিক সমিতির সাথে মতবিনিময় সভা করেন নড়াইলের পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সভায় পুলিশ সুপার ব্যাংক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাধারণ জনগণ তাদের অর্জিত অর্থ ব্যাংকে গচ্ছিত রাখেন এবং প্রয়োজনে উত্তোলন করে থাকেন। এক ব্যাংক হতে অন্য ব্যাংকে টাকা স্থানান্তর করার সময় অবশ্যই পুলিশকে ইনফর্ম করবেন। আপনারা টাকা লেনদেনের সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন। বিশেষ করে জাল টাকা শনাক্তকরণে সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। ব্যাংকের ভিতর ও তার আশেপাশের সিসি ক্যামেরাগুলো সচল রেখে ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করার জন্য তিনি বিশেষ তাগিদ দেন। এছাড়া ব্যাংকের মোটরসাইকেল পার্কিং এলাকা সিসি ক্যামরার আওতায় আনার জন্য বলেন। এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের সময় বোরকা পরিহিত মহিলাদের মুখ উন্মুক্ত রেখে টাকা উত্তোলন করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
অপরদিকে পুলিশ সুপার বণিক সমিতির সদস্যদের পবিত্র রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল, স্বাভাবিক ও সহনশীল পর্যায়ে রাখার জন্য আন্তরিক থাকার আহবান জানান। তিনি বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার তদারকি করছে নড়াইল জেলা পুলিশ। সাধারণ জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে কেনা-কাটা করতে পারে এবং চুরি, ছিনতাই এর শিকার না হয় সেজন্য পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি হতে জনগণকে রক্ষা করতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। শহরে ট্রাফিক জ্যাম কমানোর জন্য কিছু রুটে ডাইভারশন করা হয়েছে। বেশি টাকার ট্রানজেকশন করার সময় তিনি বণিক সমিতির সদস্যদের পুলিশকে অবহিত করতে বলেন। -

জয়পুরহাটের কালাইয়ে সরকারি খাস জমি সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যুর দখলে- পর্ব-১
এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
বর্তমান সরকারের উন্নয়নের রোলমডেল খ্যাত জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার প্রায় কোটি টাকার মূল্যের সরকারি খাস খতিয়ানভূক্ত পুকুর ভুয়া বন্দোবস্ত খতিয়ান ও মাঠ জরিপে রেকর্ড হয়ে বেহাত হয়ে যাচ্ছে। জলাশয় পুকুর দখলদারদের হাত থেকে বাদ পড়ছে না।
মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার জিন্দারপুর ইউনিয়নের করিমপুর এলাকায় সরকারি সরগাড়া খাস পুকুর খতিয়ান মূলে ৮১শতক পুকুরের চারপাশে দখলে নেয়ায় এখন ৪০ শতকের জলাশয় হয়েছে।
করিমপুর গ্রামের একাধিক ব্যক্তি বলেন, এই খাসপুকুরটি ব্রিটিশ আমল থেকে আমাদের বাপ দাদারা পুকুরের পানি চাষাবাদের জন্য ব্যবহার করে আসছিল। এখন মাছ চাষের উপযোগী হওয়ায় এলাকার মাছ চাষিরা ইজারার মাধ্যমে ওই পুকুরটি ডেকে নিয়েছিল। দলীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ও তহশিলদারের অনিয়মের কারণে পুকুরটি ইজারা নিয়ে বর্তমান খাসপুকুরে মালিক হয়েছেনতাইজুল ইসলাম। আমরা চাই সঠিক তদন্ত করে সরকার রাজস্ব পাক এটি আমাদের প্রত্যাশা ৷
পুকুরটি উদ্ধারে করিমপুর গ্রামের ফজলুর রহমান বাদি হয়ে কালাই উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর নিকট লিখিত আবেদন দিয়েছেন। আবেদনে মৌজা করিমপুর জে, এল নং ৯৯ আর এস খতিয়ান ৮০২ দাগ নং ৩৪/৫৭/ জমির পরিমান ৮১ শতাংশ মালিকানা করা হয়েছে। ওই খাস পুকুরটি উদ্ধারের জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
পুকুর ও জলাশয়কে ধানী জমি দেখিয়ে ভুয়া বন্দোবস্তের মাধ্যমে খতিয়ান, মাঠ জরিপ হয়ে কয়েক হাত বদল হয়ে ভূমিদস্যু চক্রের হোতা তাইজুল পুকুর জলাশয় ভরাট করে এখন সরকারের সম্পত্তির মালিক বনে গেছেন এমন অভিযোগ উঠেছে।
এসব সরকারী সম্পত্তি উদ্ধারে প্রশাসনের কি কোন দায় নেই? এমন প্রশ্ন রাখেন সচেতন মহল।
সূত্র জানায়, উপজেলার করিমপুর মৌজার ১নং খাস খতিয়ানের ৩৪/৭৫, ৩৩/৫৫, ২১/৭৩, ১১৫৭/১৫৯৯ নং দাগের কোটি টাকা মূল্যের ৮১শতক সরকারী খাস খতিয়ানের জমি পূর্ব সরকার পক্ষে প্রদেশ পক্ষে- নামে রেকর্ড বিদ্যমান। যা আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে ভুয়া বন্দোবস্তের মাধ্যমে ৫৭ দাগ-ক/ধানী ৭৯০০ দেখিয়ে ৮০২ নম্বর খতিয়ান খুলে মাঠ জরিপে খতিয়ান প্রনয়ন করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ন বিধি বহির্ভূতভাবে সরকারি পুকুরটি এলাকার সিরাজুল, লিপু, আঃ হান্নান, নূরুজ্জামান সরকারিভাবে পুকুর লিজ নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাইজুল তহশিলদারকে ঘুষ দিয়ে ভুয়া রেকর্ড করে তাইজুলের বাবা লজিমদ্দিন মালিক হয়েছে৷
এ বিষয়ে ভুয়া ৫৭- দাগে /৭৯০০ বন্দোবস্তকারী তাইজুল ইসলাম বলেন, ’আমি একজন কৃষক বিষয়টি আমি ভাল জানি না, বাবার সাথে কথা বলে আমি আপনাকে ফোন করবো। কোন রিপোর্ট কইরেন না। আগামিকাল সকালে দেখা করব, পরে তাজুল ইসলাম এ প্রতিনিধিকে আরো বলেন, আমার বাবা ঐ খাস পুকুর ৯০ বছরের লিজ নিয়েছে । বর্তমান পুকুরটি ডিসিআর মূলে চাষাবাদ করে খাচ্ছি৷ খাসপুকুর বিষয়ে মামলা হয়েছে৷
ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আবু বাসার বলেন, ’১০০-কে/৫৭-০৯৭৫ কেসটি ভুয়া। ৭৯০০ নম্বর নামে ভূমি অফিসে বিধি বহির্ভূত সরকারি সম্পদ উদ্ধারে মামলা করা হয়েছে। জেলা সেটেলমেন্ট অফিস এগুলো করেছে উল্লিখিত জমি পুকুর শ্রেনীর এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি।’
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌসি বলেন, আমরা একটি তদন্ত প্রতিবেদন পাঠিয়েছি। রিপোর্ট আসলে যথাযথ ব্যবস্থাসহ পর্যায়ক্রমে বেদখল হওয়া সব সরকারী জমি উদ্ধার করা হবে এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। -

গোদাগাড়ী কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেফতার ২
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রায় এক কোটি ৬ লাখ টাকার ১ কেজি ৬০ গ্রাম হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটলিয়ন (র্যাব)।
সোমবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ভগবন্তপুর রোডপাড়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ভগবন্তপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে জিয়ারুল (৩৬) ও একই এলাকার আখতারুজ্জামানের ছেলে সিহাব জামান (৩০)।
গত সোমবার মধ্যরাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করে র্যাব-৫, সিপিসি-১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প।র্যাব জানায়, বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গোদাগাড়ী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের ভগবন্ত গ্রামের রোডপাড়াস্থ আব্দুল লতিফের বাড়ির পশ্চিম দিকে পাঁকা রাস্তার উপর থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। হেরোইন সংগ্রহ করে গোদাগাড়ী থেকে অটোরিকশায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়ার পথে হেরোইনসহ হাতেনাতে ওই দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন, র্যাব-৫, সিপিসি-১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রুহ-ফি-তাহমিন তৌকির এবং কোম্পানি উপ-অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম।
এ ঘটনায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। -

বেতাগীর প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ মামলার আসামি ঢাকায় র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার
বেতাগী বরগুনা প্রতিনিধি
বরগুনার বেতাগীর আলোচিত প্রতিবন্ধী শিশু কন্য ধর্ষন মালার একমাত্র আসামি মো. মজিবুর রহমান খান (৫০) ঢাকায় র্যাবের হাতে এর হাতে গ্রেফতার হয়েছে।
সোমবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১ঘটিকায় ঢাকার মিরপুরের আত্বীয় মনিরুজ্জামানের বাসা থেকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যাবহার করে (মোবাইল ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে) মজিবুর রহমান খানকে র্যাবের একটি দল গ্রেপ্তার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামি মজিবুর রহমান খানকে খুব শীঘ্রই বেতাগী থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন।
উল্লেখ, বেতাগী সদর ইউনিয়ন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। পরে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেতাগী থানায় মো. মজিবুর রহমানকে একমাত্র আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
-

নাটোরের নলডাঙ্গায় ৪ জুয়ারী আটক
এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
নাটোর জেলা প্রতিনিধিনাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলা মাধবপুর খোলা পুকুর এলাকা থেকে জুয়া খেলার সময় ৪ জুয়ারীকে গ্রেফতার করেছে নলডাঙ্গা থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নলডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম তিনি বলেন
নলডাঙ্গা থানার টিম অভিযান কালে ইং ০৩/০৪/২০২৩ তারিখ বেলা ১৪.১৫ ঘটিকায় নলডাঙ্গা থানাধীন মাধবপুর গ্রামস্থ খোলাপুকুর নামক স্থানে জনৈক মোহাম্মদ, পিতা- মৃত তমিজ উদ্দিন এর জমিতে হিজল গাছের নিচে হতে ০৪ টি মোবাইল ফোন, ০৪টি সীমকার্ড, একটি খয়েরী রংয়ের DON তাসের প্যাকেটে রক্ষিত ৫২ (বায়ান্ন) টি তাস, একটি সবুজ রংয়ের DON তাসের প্যাকেটে রক্ষিত ৫২ (বায়ান্ন) টি তাস, খোলা তাস ১১ (এগার) টি, একটি নীল+গোলাপী রংয়ের প্লাষ্টিকের মাদুর, জুয়া খেলার নগদ মোট ৫,৩৯৯/-(পাঁচ হাজার তিনশত নিরানব্বই) টাকা সহ আসামী ১। তৈয়বুর রহমান (৩৪), পিতা-মৃত বয়েন উদ্দিন প্রাং, গ্রাম-মাধবপুর (প্রামানিকপাড়া), ২। মাহাবুর রহমান (৩৪), পিতা- শুকুর প্রামানিক,গ্রাম-নলডাঙ্গা (সরদারপাড়া) , উভয় থানা- নলডাঙ্গা, জেলা-নাটোর, ৩। আহম্মদ সাখিদার (৩৭), পিতা-মৃত ময়েন উদ্দিন সাখিদার , গ্রাম-আকনা বাঁশবাড়িয়া, থানা-রাণীনগর, ৪। রহিদুল (৪৫), পিতা-মৃত আক্কাস প্রামানিক, গ্রাম-সাহেবগঞ্জ, থানা- আত্রাই, উভয় জেলা –নওগাঁ’গনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী’গনের বিরুদ্ধে নলডাঙ্গা থানার মামলা নং-০২, ধারা-১৮৬৭ সালের জুয়া আইন এর ৩/৪ রুজু করিয়া বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
নাটোর জেলা প্রতিনিধি -

ময়মনসিংহে পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্তসহ ১২ অপরাধী গ্রেফতার
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
মাহে রমজান ও আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অপরাধ বিরোধী অভিযানে পরোয়ানাভুক্তসহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় পৃথক এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নগরীর আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, চুরি ছিনতাই ও ডাকাতি প্রতিরোধসহ নিত্যপণ্য এবং ঈদ মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা মানুষজনের চলাচল নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে কোতোয়ালি পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘন্টায় ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে।
এর মাঝে এসআই হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে একটি টীম বেলতলী থেকে নিয়মিত মামলার আসামী মোঃ রাছেল মিয়া, এসআই আজগর আলীর নেতৃত্বে একটি টীম দিঘারকান্দা থেকে দস্যুতার চেষ্টা মামলার আসামী মোঃ সজীব হোসেনকে দেশীয় অস্ত্র সহ, এএসআই মোঃ আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টীম ইসলামবাগ হাজী কাশেম আলী কলেজ গেইটের সামনে থেকে মাদক মামলায় আসামী রোমান মিয়াকে এককেজি গাজা সহ, এসআই কামরুল হাসানের নেতৃত্বে একটি টীম বলাশপুর পালপাড়া এলাকা থেকে দস্যুতা চেষ্টা মামলার আসামী মুমিন ও রাজুকে গ্রেফতার করে।
এছাড়া এসআই আশরাফুল আলম, মনিতোষ মজুমদার, এএসআই সোহরাব, হুমায়ুন, রেজাউল, মাহমুদুল পৃথক অভিযানে পরোয়ানা ভুক্ত আরো সাত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করে। তারা হলো, মোঃ এনামুল হক খান, লুৎফর রহমান খান, জহুর খান, নুর মোহাম্মদ, সজীব মিয়া, সজীব আহম্মেদ ও নুর ইসলাম।এদের মাঝে একই ব্যক্তির নামে একাধিক গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেফতারকৃতকে মঙ্গলবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান-ঈদকে সামনে রেখে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।অভিযান সফল করতে তিনি সর্বস্তরের জনতার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। -

প্রধানমন্ত্রীর নামের কলেজ জেলায় খ্যাতি অর্জন ! একজন শিক্ষা উদ্যোক্তা ও অধ্যক্ষের এক অনন্য বিদ্যাপিঠ গড়ে তোলার গল্প
রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
একজন শিক্ষা উদ্যোক্তা হিসেবে সৈয়দ আবুল হোসেনের নাম শুধু মাদারীপুর জেলা
জুড়েই নয়। শিক্ষাক্ষেত্রে তার অবদান জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। স্বাধীন
বাংলাদেশ তার এ স্বীকৃতি অনেকের কাছে রূপ কথার গল্পের মতোই মনে হয়।
শৈশবে নিজ এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাবে অনেক ছেলেমেয়ের পড়ালেখা বন্ধ
হয়ে যেতে দেখেছেন তিনি। সেকালের পড়ালেখার সেই দুরবস্তা এখনো নাড়া দেয়
সৈয়দ আবুল হোসেনকে। সেই থেকে স্বপ্ন দেখতেন দেশে শিক্ষা প্রসারের জন্য
অবদান রাখতে। সেই আলোকে কাজও করেছেন গত অর্ধ শতাব্দী। বলা যায়, শিক্ষা
বিস্তারে দেশে যারা কাজ করেছেন সৈয়দ আবুল হোসেন তাদের মধ্যে অন্যতম। গুণী
এই মানুষটি লেখাপড়া শেষে কর্মজীবনের শুরু থেকেই কাজ শুরু করেন শিক্ষা
বিস্তারে। নিজস্ব অর্থায়নে নিজ এলাকা মাদারীপুরে ৬টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
এর মধ্যে ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। প্রতিষ্ঠা করেন অসংখ্য মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ
১৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। পরে সরকারিকরণ করা হয় ওইসব স্কুল। তার মধ্যে
সবচেয়ে বেশি সুনাম কুড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নামে প্রতিষ্ঠা করা সরকারি
শেখ হাসিনা একাডেমী অ্যান্ড উইমেন্স কলেজ ও তার বাবার নামে করা ডি. কে
আইডিয়াল সৈয়দ আতাহার আলী একাডেমী এন্ড কলেজ। যা সৈয়দ আবুল হোসেনের
বাড়ি সংলগ্ন ও তার প্রিয় দুটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান দুটিকে সাফল্যের দ্বারে
পৌছে দিতে তার ছিল যোগ্যতা সম্পন্ন অধ্যক্ষ নির্বাচন। যা তিনি
সঠিকভাবে করতে পেরেছেন বলেই সফলতার মুখ দেখেছে প্রতিষ্ঠান দুটি। তার মধ্যে
শেখ হাসিনা একাডেমী অ্যান্ড উইমেন্স কলেজটি সরকারী করন করা হয় গুনের
বিচারে। সরকারী শেখ হাসিনা একাডেমি অ্যান্ড উইমেন্স কলেজের অধ্যক্ষ জাকিয়া
সুলতানার নেতৃত্বে ও সৈয়দ আবুল হোসেনের দিক নির্দেশনায় কলেজটি জেলার
অন্যতম বিদ্যাপিঠে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও শিক্ষানুরাগীরা মনে করেন
যোগ্য শিক্ষা উদ্যোক্তা ও যোগ্য অধ্যক্ষের কারনেই ডাসার এলাকার শিক্ষার
মানোন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয় সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়
গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অবহেলিত মানুষের জন্য কাজ করছেন
অবিরত। যে কারনে তার পরিচিতির গন্ডি দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও পৌছে গেছে। যে
কারনে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ‘ক্যাম্পাস সমাজ উন্নয়ন কেন্দ্র’ তাকে
‘যুগশ্রেষ্ঠ শিক্ষা উদ্যোক্তা স্বর্ণপদক ও সম্মাননা’র বিরল স্বীকৃতিতে ভূষিত
করেন সৈয়দ আবুল হোসেনকে। শিক্ষা প্রসারের পাশাপাশি দুর্যোগ কবলিত ওদুস্থ মানুষের পাশে থাকেন সৈয়দ আবুল হোসেন। এসব দুর্যোগে নগদ টাকা,
জমিসহ নানা সাহায্য-সহযোগিতা করায় দানবীর হিসেবেও খ্যাত সৈয়দ আবুল
হোসেন। লেখালেখিতেও অভ্যাস আছে তার। নানা বিষয়ে লিখেছেন বেশ কিছু বই।
এ ছাড়া দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার রাজনৈতিক পথচলা
দীর্ঘদিনের। দলের হয়ে জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। দুই বার
তাকে মন্ত্রিত্ব দেয়া হয়। দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব
পালন করে সুনাম কুড়িয়েছেন। তিনি যোগযোগ মন্ত্রী থাকাকালে বাংলার
মানুষের বড় স্বপ্ন পদ্মাসেতুর কাজে হাত দেয়া হয়। কিন্তু একটি চক্রান্তের কারনে
তাকে সরে যেতে হয় । তবে পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে সৈয়দ আবুল হোসেনের
বিরুদ্ধে যে কথিত অভিযোগ উঠেছে কানাডার আদালতে তা অসত্য বলে
প্রমাণিত হয়েছে। তবুও এই গুণী মানুষটিকে তার উপযুক্ত মর্যাদা দেওয়া হয়নি
বলে দুঃখ প্রকাশ করেন দেশ বরেণ্য ব্যক্তিরা । মাদারীপুরের নব গঠিত একটি উপজেলার
নাম ডাসার । সাবেক যোগযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ডাসার গ্রামের
সন্তান হওয়ায় সেখানে তার উদ্যোগে গড়ে উঠেছে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও
বিভিন্ন স্থাপনা। জেলায় তার প্রতিষ্ঠিত স্কুল ও কলেজগুলো সুনামের
সাথে ভাল ফলাফল করে আসছে প্রতি বছরই। তার মধ্যে অন্যতম সরকারি শেখ হাসিনা
একাডেমী অ্যান্ড উইমেন্স কলেজ ও ডি. কে আইডিয়াল সৈয়দ আতাহার আলী
একাডেমী এন্ড কলেজ। যা সৈয়দ আবুল হোসেনের বাড়ি সংলগ্ন ও তার প্রিয়
দুটি প্রতিষ্ঠান।
দক্ষিণবঙ্গের নারী শিক্ষার অনন্য বিদ্যাপীঠ হিসেবে সুনাম রয়েছে সরকারি শেখ
হাসিনা একাডেমী এন্ড উইমেন্স কলেজের। ১৯৯৫ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
তবে ২০০১ সালে পাঠদানের মধ্য দিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়। গ্রামের অবহেলিত,
পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা যুগ শ্রেষ্ঠ শিক্ষা উদ্যোক্তা এবং সাবেক যোগাযোগ
মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন। তার প্রতিষ্ঠিত কলেজের মধ্যে ডাসারে ডি.কে
আইডিয়াল সৈয়দ আতাহার আলী একাডেমী এন্ড কলেজটি ও স্বমহিমায়
উদ্ভাসিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে প্রতিষ্ঠিত সরকারি শেখ হাসিনা
একাডেমী এন্ড উইমেন্স কলেজে বর্তমানে তিন হাজরের অধিক ছাত্রী অধ্যয়নরত।
এখানে উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক পাস,ও স্নাতক সন্মান শ্রেণি রয়েছে।
কলেজটিকে বর্তমান অবস্থানে পৌছে দিতে প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ আবুল হোসেনের
পরে যার অবদান উল্লেখযোগ্য তিনি হলেন কলেজটির অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা ।
অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা সরকারি শেখ হাসিন একাডেমী এন্ড উইমেন্স কলেজে
যোগদান করেন ২০১১ সালের মার্চ মাসের ১ তারিখে। যোগদান করেই তিনি
হোস্টেলে ছাত্রীদের এবং অনাবাসিক ছাত্রীদের হাতে মোবাইল সম্পুর্নরূপে নিষিদ্ধকরেন। পাশাপাশি পরীক্ষায় অকৃতকার্য ছাত্রীদের তিনি আলাদা মনিটরিং এর ব্যবস্থা
করেন। ফলে ২০১১ সালেই পাসের হার হয় শতভাগ। ২০১১ সাল থেকে পনেরো সাল পর্যন্ত
এ ধারা অব্যাহত থাকে এবং ২১ সাল পর্যন্ত কখনোই পাশের হার ৯৮ এর নিচে
নামেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৬ সাল থেকে
ধারাবাহিক পাঁচ বছর কলেজ টি মাদারীপুর জেলায় শ্রেষ্ঠ কলেজ ও শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষের
খেতাব অর্জন করে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড অঞ্চলে কলেজটি দুইবার শ্রেষ্ঠ কলেজের
খ্যাতি অর্জন করে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে ২০১৮ সালের রোভার মুট
প্রোগ্রাম গাজীপুরে মহা তাবু জলসায় বাংলাদেশের সকল কলেজের মধ্যে
কলেজটি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। -

রামপালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফেরাতে আওয়ামী লীগের প্রেস ব্রিফিং
এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফেরাতে রামপাল উপজেলা ও বাঁশতলী আওয়ামী লীগ এক প্রেস ব্রিফিং করেছেন। মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলার গিলাতলা বাজারের কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বাঁশতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২০ নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের ইসলামাবাদ গ্রামের কতিপয় ব্যক্তি আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। তারা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সাথে হাত মিলিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের মারপিট, ঘের দখল, ও আধিপত্য বিস্তারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এসব অপকর্মের বিরোধিতা করায় তারা বাঁশতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কুদরতি এনামুল বাশার বাচ্চু, যুবলীগ সভাপতি মল্লিক মিজানুর রহমান, ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম সোহাগ, ইউপি সদস্য মো. রাসেল, সাবেক ইউপি সদস্য মো. মহিদুল ইসলাম, ফকির দেলোয়ার হোসেনসহ উপজেলা ও বাঁশতলী ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের হেনস্তা ও মারপিট করে গুরুতর আহত করেছে। এখনও অনেকেই খুলনা এবং বাগেরহাট হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ইসলামাবাদ গ্রামের আবু তালেব, মারুফ শেখ, মাসুম শেখ, মোস্তাফিজুর রহমান, হুমায়ুন কবির, বাকি বিল্লাহ, মাসুম বিল্লাহ, শরাফত আলী, খোকন শেখ, পলাশ শেখ, নাহিদ শেখসহ বেশ কিছু ব্যক্তি সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছে। তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ফরমুলা মোতাবেক আওয়ামী লীগের মধ্যে থেকে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। তারা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে সরকারের সুনাম সুখ্যাতি নষ্ট করতে চায়। প্রেস ব্রিফিংয়ে নেতৃবৃন্দ এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও দলমত নির্বিশেষে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতের জোর দাবি করেন। তারা রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগ, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি এবং খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক এর জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিবৃতি দাতারা হলেন, হাওলাদার আবু তালেব, কুদরতি এনামুল বাশার বাচ্চু, ফকির দেলোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. হক, মো. মুহিতুল ইসলাম, মল্লিক মিজানুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, শেখ আপ্তাব, রেজাউল কুদরতি, ইসরাফিল হোসেন, মো. রাসেল শেখ, শফিকুল ইসলাম সোহাগ, দাউদ আলী মল্লিক, সোলাইমান শেখ, আল মামুন (অভি) প্রমুখ। #