মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায়
চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে ১২০ অসহায় পরিবারের মাঝে ইফতার
সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ টেক্সাস যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি
ও মানবিক সংগঠন পটিয়া নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডক্টর
জুলকারনাইন চৌধুরী জীবনের পক্ষে বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় এ খাদ্য সহায়তা
প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কাজী মো: মোরশেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া
নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের অর্থ সচিব নজরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা
মোহাম্মদ মারুফ, মো. সুমন, রানা, তৈয়ব, নাছির, ওসমান।
বক্তারা বলেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মতে মানবিক সংগঠন
পটিয়া নজির আহমদ দোভাষ ফাউন্ডেশন উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের
অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ চলমান রেখেছে।
Author: desk
-

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পটিয়ায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ
-

গৌরনদীতে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পক্ষে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
বি এম মনির হোসেনঃ-
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনায় ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর নিজ অর্থায়নে বরিশালেরর গৌরনদীর সাতটি ইউনিয়নে দের হাজার গরীব অসহায় পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করার পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন, তারই অংশ হিসাবে , বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পৌরমেয়র হারিছুর রহমান খাঞ্জাপুর ও বার্থী ইউনিয়নে চার শতাধিক পরিবারের মাঝে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন।
এসময়ে আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। -

ইউএনওর উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষায় গাইড ওয়াল নির্মাণ।
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় সড়কের ভাঙ্গনের ফলে ঝুকিতে থাকা মনোরঞ্জন ভৌমিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিকে রক্ষায় এগিয়ে আসলেন ইউএনও মিজাবে রহমত। স্কুলের প্রবেশ রাস্তা ভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হয় বিসকা ইউনিয়ন এর মনোরঞ্জন ভৌমিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। এর আগে পরিদর্শনে গেলে উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ডলী এবং বিদ্যালয়টির সভাপতি আনন্দ মোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নারায়ন চন্দ্র ভৌমিকসহ এলাকাবাসী স্কুলটির সড়কের ভাঙন রোধে এবং স্কুলের নিরাপত্তার স্বার্থে স্কুলের সম্মুখ ভাগের পুকুরে গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য ইউএনও’নিকট জোর দাবি জানান। সেই দাবীর প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকতার সাথে কার্যকর ও জাগ্রত করতে শিক্ষা বান্ধব ইউএনও মিজাবে রহমত স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ৮০ ফুট গাইডওয়ালটি নির্মাণ করেন। ফলে স্কুলের সড়কটি ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পেলো, রক্ষা পেলো বিদ্যালয়টি। ইউএনও এর এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্কুল কমিটি, স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসী ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। আজ ৫ এপ্রিল গাইড ওয়ালের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মিজাবে রহমত, সাথে ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব জীবন আরা বেগম, আনন্দ মোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নারায়ন চন্দ্র ভোমিক, শিক্ষকবৃন্দ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বিসকা এলাকায় দেখা গেছে, সড়কটির অনেক অংশই পাশ্ববর্তী পুকুরে ধসে গেছে। একই সাথে ভাঙ্গনের ফলে
মনোরঞ্জন ভৌমিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণে ঝুঁকিপুর্ণ হয়ে উঠে।
সিসি ঢালাইয়ে নির্মিত সড়কটি রক্ষায় পুকুরের পাড়ে কোনো ধরনের গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হয়নি। সামান্য বাঁশের বেড়া দিয়ে সড়কটি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও স্কুলটি হয়ে উঠে বেশ ঝুকিপুর্ণ। এলাকাবাসী এব্যাপারে ইউএনও মিজাবে রহমত কে অবগত করলে তিনি গাইড ওয়াল নির্মাণ করে দিয়ে স্কুলটিকে রক্ষায় এগিয়ে আসেন। তার এই মানবিকতায় তিনি এলাকায় মানুষের মাঝে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন। -

সিংড়ায় শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল
মোঃ এমরান আলী রানা নাটোর প্রতিনিধি
নাটোরের সিংড়ায় আয়েশ শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘের আয়োজনে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকাল ৫ টায় উপজেলার ২ নং ডাহিয়া ইউনিয়নের আয়েশ বাজারে এই আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
আয়েশ শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘের সভাপতি সৌরভ সোহরাবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ২ নং ডাহিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল মজিদ মামুন। বক্তব্য দেন, ডাহিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য তারেক হোসেন দুলাল, ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সাইফ মাহমুদ প্রমূখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ফকির, ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল হোসেন, আয়েশ গ্রামের প্রবীণ আওয়ামীগ কর্মী শেখ বাহা উদ্দিন শেখ, আলা উদ্দিন আকন্দ, ২ নং ডাহিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রাশিদুল ইসলাম শ্রাবণ, সাধারন সম্পাদক হাশেম আলী প্রমূখ।
আলোচনা শেষে দ্বিন-ই ইসলামী নিয়ে আলোচনা করেন মাওলানা জালাল উদ্দিন। পরে দোয়া পরিচালনা করেন অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ শামসুল ইসলাম। -

বানারীপাড়য় মামলার বাদীকে লাঞ্চিত
এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া।। মঙ্গলবার ৪ ডিসেম্বর বানারীপাড়া পৌসভার উত্তরপাড় আশ্রয়ন সংলঘ্ন সন্ধ্যা নদীর চর থেকে আশ্রয়নের লোকজন মাটি কাটলে ওই জমির মালিক দাবিদার উজ্জল বড়াল বাধা দিলে তাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করে।
এ সামনেই রে লান্ছিত হওয়া উজ্জল বড়াল জানান, ওই চরে ৭একর জমি আমার পূর্বপুরুষ তথা বাব দাদার। সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনের পর পূর্ব পারে চর পরে। ওই চর সরকার খাস জমি হিসেবে চিন্হিত করে উপজেলা ভূমি অফিস। এর বিরুদ্ধে ডিসি, ইউএনও, সহকারী কমিশনার(ভূমি) সহ ৮ জনকে বিবাদী করে বানারীপাড়ার বিজ্ঞ জজ আদালতে উজ্জ্বল বড়াল মামলা করে এবং এর নোটিশ উপজেলা জেলা কমিশনার ভূমি এবং নির্বাহী অফিসারকে নোটিশ পেয়েছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ওই স্থানে মাটি কাটলে তাতে উজ্জল বড়াল বাধা দেয়। এর পরে বানারীপাড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ জাহিদ হোসেনের সামনেই লোকজন এখান থেকে ইউএনও মাটি কাটার জন্য বলেছে। এ জন্য মাটি কাটছি বলে উজ্জল বড়ালকে এলোপাথাড়ি ভাবে লান্ছিত করে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।এ ব্যপারে ইউএনও এবং সহকারী কমিশনার ভূমি ফাতিমা আজরিন তন্তী জানান, সে মামলা করেছে উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের কিন্তু দাবী করছে পৌরসভার জমি। ওই জমি ১ নং খাস খতিয়নের।
এদিকে উজ্জল বড়ালের দাবি নদী ভাঙ্গনে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। বাইশারী ইউনিয়নের জমি সন্ধ্যা নদীর পূর্ব পার এলাকায় চর জেগেছে। #এস মিজানুল ইসলাম
বানারীপাড়া, বরিশাল।। -

কিস্তিতে ল্যাপটপ কিনে আটোয়ারীর শাহিনুর এখন কোটিপতি
মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
২৪ বছরের তরুণ শাহিনুর রহমান। বাবার একমাত্র ছেলে তিনি। কৃষক বাবার স্বপ্ন ছিলো ছেলে বড় হয়ে বাবাকে কৃষি কাজে সহযোগিতা করবেন। তবে শাহিনুরের স্বপ্ন ছিলো তিনি প্রকৌশলী হবেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি বেছে নিয়েছেন ফ্রিল্যান্সিং তথা অনলাইনে উপার্জনের পথ। এখন ঘরে বসেই আয় করছেন প্রচুর বৈদশিক মুদ্রা। পথচলার কয়েক বছরেই কোটিপতি বনে গেছেন তিনি। নিজের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন এলাকার বেশ কয়েকজন তরুণেরও।শাহিনুর রহমানের বাড়ি পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের বড়দাপ গ্রামে। তিনি দবিরুল ইসলাম ও রহিমা বেগম দম্পতির ছেলে। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছেন এই তরুণ।
শাহিনুরের শৈশব মোটেও ভালো ছিলো না। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট শাহিনুর ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। তবে কৃষক বাবর অভাবের সংসারে শহিনুরের পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে পরিবারের জন্য। তারপরও নিজের মনোবল ঠিক রেখে বাদ দেননি পড়ালেখা। বড় বোন শারমীন আক্তার এবং দুলা ভাইয়ের সহযোগিতায় স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন প্রকৌশলী হবার।
শাহিনুর জেএসসি পাশ করেন জিপিএ-৫ পেয়ে। এরই মধ্যে ছন্দপতন ঘটে শাহিনুরের সব স্বপ্নের। অভিভাবক তুল্য দুলাভাইয়ের মৃত্যুতে সব কিছুই হয়ে যায় এলোমেলো। হতাশা নেমে আসে পুরো পরিবারে। তবে পিছু হটেননি শাহিনুর। অভাবের মধ্যেই ২০১৬ সালে এসএসসি পাশ করেন এবং ভর্তি হন একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে। পাশাপাশি শুরু করেন ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ।
কাজে শুরুর প্রথম দিকে প্রতি মাসে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা উপার্জন করতেন শাহিনুর। এখন তার প্রতিমাসে আয় ৪ থেকে ৫ হাজার মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা।
শাহিনুর বলেন, ‘শুরুর দিকের পথচলাটা মোটেও সহজ ছিলো না। পদে পদে ছিলো নানা প্রতিবন্ধকতা। তবে প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর পরিশ্রম আমাকে এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। এখন আমার একার উপার্জনেই চলছে পুরো পরিবার। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কাজেও অবদান রাখছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুলাভাইয়ের মৃত্যুর পর বোন এবং ভাগ্নের দায়িত্ব এসে পড়ে বাবার ওপর। এ অবস্থায় আমার পড়ালেখা চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। এজন্য টিউশনির পাশাপাশি নিজেকে স্বাবলম্বী করার চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খেতো সবসময়। একটা সময় ফ্রিল্যান্সিং এর বিষয়টি মাথায় আসে। কিন্তু ল্যাপটপের অভাবে কাজ শুরু করতে পারছিলাম না। বাড়ি থেকে ল্যাপটপ কিনতে চাইলে বাবা অপারগতা প্রকাশ করেন। যখন বুঝিয়েও পারছিলাম না তখন বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেই। এক পর্যায়ে বাবা কিস্তিতে একটা ল্যাপটপ কিনে দেন। সেই দিয়ে পথচলা শুরু।’
শাহিনুর বলেন, ‘প্রথম কাজ শুরু করি অনলাইন মার্কেটিং প্লেস ‘আপওয়ার্কে’। ২০১৭ সাল থেকে চেষ্টা করলেও প্রথম আয়ের দেখা পাই ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর। এই মার্কেট প্লেস থেকে এখন পর্যন্ত উপার্জন করেছি ১ লাখ ২৬ হাজার মার্কিন ডলার। পাশাপাশি ‘ফাইভার’ নামক মার্কেট প্লেস থেকে ৫ হাজার মার্কিন ডলার উত্তোল করেছি। এছাড়া আমার নিজের প্রতিষ্ঠান ‘লিড ডিসকোভারি’ থেকে প্রচুর ডলার উপার্জন করছি। গত ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে টোটাল আয় করেছি ১১ লাখ টাকা। আমার ‘লিড ডিসকোভারি’ নামক প্রতিষ্ঠানে বেশ কিছু যুবকের কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করেছি। একই সঙ্গে আউটসোর্সিংয়ে আগ্রহীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। আমার কাছে প্রশিক্ষণ নেওয়া প্রায় ২০ জন সফল ফ্রিল্যান্সার হয়েছেন।’
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে অনলাইন উপার্জনে ঝুকলেন কেন? জানতে চাইলে শাহিনুর বলেন, ‘ডিপ্লামা পাশ করে চাকরি করতে চাইলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা বেতন পেতাম। সরকারি চাকরি হলে হয়তো আরেকটু বেশি পেতাম। কিন্তু বৈধ উপায়ে মাসে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা আয় করা কখনোই সম্ভব না। অনেকেই বলে সরকারি চাকরির শেষে একটা মোটা অংকের টাকা পাওয়া যায়। তাদের উদ্দেশ্যে আমার বক্তব্য হলো- আমি যদি প্রতিমাসে অনলাইন থেকে এক লাখ টাকাও আয় করি, সব খরচ বাদে আমার সঞ্চয় থাকবে কমপক্ষে ৮০ হাজার টাকা। ১০ বছর পরে এই জমানো টাকাটা কি মোটা অংকে দাঁড়াবে না?’
যারা নতুন ফ্রিল্যান্সার হতে চান, তাদের প্রতি পরামর্শ কি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অনেক সময় নতুনরা ইউটিউবে বিজ্ঞাপন দেখে প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে। এতে অনেকের মনবোল নষ্ট হয়ে যায়। ভালো প্লাটফর্ম থেকে কাজ শিখতে পারলে ভবিষ্যত উজ্জল। তবে পরিশ্রম এবং ধৈর্য্যের বিকল্প নেই।’
এদিকে, একমাত্র ছেলের সফলতায় গর্বের শেষ নেই বাবা দবিরুল ইসলামের। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে ছোটবেলায় অনেক দুষ্ট ছিলো। আমি কৃষি কাজ করি, কিন্তু তাকে কাজে নিতে পারতাম না। যখন ল্যাপটপ-মোবাইল নিয়ে বসে থাকতো ভাবতাম ছেলেটা বেপরোয়া হয়ে গেছে। সে ভালো কিছু করবে স্বপ্নেও ভাবিনি। আলহামদুলিল্লাহ প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি করেছে। আমার ছেলেকে নিয়ে আমার গর্বের শেষ নেই।’ ছেলের জন্য দোয়া চেয়েছেন তিনি।
শহিনুরের প্রতিবেশি অ্যাডভোকেট ফরহাদ বলেন, ‘আমি জানতাম শাহিনুর ইঞ্জিনিয়ার হবে। কিন্তু এত পরিমাণ টাকা উপার্জন করে প্রথমে বিশ্বাস করিনি। আমাদের এলাকার ছোট ভাই এত অল্প বয়সে তার যে সাফল্য তাতে আমরা গর্ববোধ করি। তাকে সবরকম ভালো কাজে পাশে পাই। সে এগিয়ে যাবে, তার মাধ্যমে অনেকের বেকারত্ব ঘুচবে এই প্রত্যাশা আমাদের।’
আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকুল আলম হালিম বলেন, ‘আমি জেনেছি শাহিনুর একজন সফল ফ্রিল্যান্সার। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যেকোন সাপোর্ট প্রয়োজন হলে আমরা তার পাশে থাকবো। এছাড়া আমাদের বেকার যুবকরা যেন ফ্রিল্যান্সিং এ উদ্বুদ্ধ হয় এবং বেকারত্ব ঘুচাতে ভূমিকা রাখে এজন্য শাহিনুরের মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে একটি সেমিনার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
-

নড়াইলে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা দিলেন এসপি সাদিরা খাতুন
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে একজন পুলিশ পরিদর্শক-এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা দিলেন এসপি সাদিরা খাতুন।
আমরা পেশাদারিত্বের স্মৃতিকে অক্ষুন্ন রাখি।
মোঃ ইকরাম হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (সঃ)-কে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, ৩ এপ্রিল (সোমবার) পুলিশ সুপারের কার্যালয় হতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে এ সংবর্ধনা প্রদান করেন পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন, নড়াইল।
মোঃ ইকরাম হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক(সঃ), নড়াইল ১৯৮৪ সালে কনস্টেল পদে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৯০ সালে তিনি পুলিশের নায়েক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হন। ২০০০ সালে তিনি উপ-সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (সঃ), ২০১১ সালে সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (সঃ) এবং ২০১৭ সালে পুলিশ পরিদর্শক(সঃ) পদে পদোন্নতি পান। দীর্ঘ ৩৯ বছর কর্মজীবনে তিনি যশোর, ঝালকাঠি, ডিএমপি, বান্দরবান, ঝিনাইদহসহ বিভিন্ন জেলায় কর্মরত ছিলেন। তিনি পুলিশ পরিদর্শক (সঃ) হিসেবে নড়াইল জেলায় যথেষ্ট সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে কাজ করেছেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি ২ মেয়ে ও ১ ছেলে সন্তানের জনক। তার বাড়ি লোহাগড়া উপজেলার কুমারকান্দা গ্রামে। পুলিশ সুপার তার এবং তার পরিবারের সবার সু-স্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করেন। তিনি অবসরে গেলেও জেলা পুলিশের সাথে তার সম্পর্ক এবং সব ধরনের সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ সুপার জানান। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নড়াইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। -

নড়াইলে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি সাদিরা খাতুন
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন এসপি সাদিরা খাতুন।
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
পুলিশের নায়েক পদ হতে এএসআই(সশস্ত্র) পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ২ জন পুলিশ সদস্যকে র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন নড়াইল জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন মহোদয়।
পদোন্নতি প্রাপ্ত মীর মিয়ারাজ আলী বাগেরহাট জেলা থেকে এবং মোঃ কাজল এপিবিএন-৩, খুলনা থেকে সহ বদলি হয়ে ২৯ মার্চ নড়াইল জেলায় যোগদান করেছেন।২ এপ্রিল পুলিশ সুপার কার্যালয় হতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন পুলিশ সুপার।
এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। -

কোনোই ব্যবস্থা নেয়া হয়নি ডিলারের বিরুদ্ধে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় রাতের আঁধারে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় রাতের আঁধারে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)’র পণ্য বিক্রি করেছে ডিলার লোকমান আলী। সে তেঁতুলিয়া চৌরাস্তা বাজার, তেঁতুলিয়া পঞ্চগড়ের মেসার্স আলিফ ট্রেডার্স নামীয় প্রতিষ্ঠানের ডিলার। মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) গভীর রাতে উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখতে ও জানতে পারা যায়, সকাল ৯টা থেকে দুপুর দুুইটা পর্যন্ত টিসিবি পণ্য বিক্রয় করা হয়। পণ্য বিতরণের সময় ডিলারের কাছ থেকে অবৈধভাবে প্রথমে ২৫টি কার্ড উদ্ধার করেন ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুল মমিন ও ট্যাগ অফিসার রুবেল হক পরে দুপুরের দিকে আরোও ১০টি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে অবৈধভাবে ৩৫টি কার্ড উদ্ধার করেন ইউনিয়ন ট্যাগ টীমের সদস্য। এদিকে ডিলারের অনিয়মের কারণে ৫৩জন টিসিবি কার্ডধারী ব্যক্তি পণ্য ক্রয় করতে পারেননি। এদিকে ডিলার কার্ডধারী ব্যক্তিকে না দিয়ে একই সঙ্গে একই ব্যক্তিকে ১৯টি টিসিবি’র পণ্য বিক্রি করেছেন। কার্ড ছাড়াই বিক্রি করা হয়েছে অধিকাংশ পণ্য।
জানা যায়, সোমবার (৩ এপ্রিল) টিসিবি’র পণ্য ওই ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসা হলে দিবাগত রাতেই প্রতিটি কার্ডের জন্য চিনি ১ কেজি, ডাল ২ কেজি ও সোলা ১ কেজি পরিমাপ করে পলিথিনে প্যাকেট করা হয়। রাত যখন ১টা ২০মিনিট তখন দ্বীপ ট্রেডার্স এর প্রোপাইটর প্রদিপ কুমার রায়ের প্রাইভেট কারের মাধ্যমে টিসিবি’র মালামাল অন্যত্রে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন আবারও ওই প্রদিপ কুমার রায়ের প্রাইভেট কার সকাল ৯টার আগেই পরিষদ চত্বরে এসেছিলেন বলে জানা গেছে।
ডিলার লোকমান আলী বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘এটা কিছুই না, কার্ডের মাল ১০টা আপনার এলাকার প্রদিপ এখান থেকে ৫টা মাল নিয়েছে। আপনার কাছ থেকে যে কার্ড গুলো পেয়েছে সেগুলো কিভাবে আসলো জানতে চাইলে বলেন, আমার কাছে পণ্য নিতে আসা কোন এক ব্যক্তির হাতে নতুন কার্ড মনে হওয়ার আমি ট্যাক টীমকে দেখতে বলেছি। ভাই আমি ব্যস্ত আছি অন্য সময় কথা বলব বলেই ফোনে কথা বলা বিচ্ছিন্ন করে দেয়।’
এদিকে এ বিষয়ে জানার জন্য কালিয়া মনি, দেবনগড়, তেঁতুলিয়া পঞ্চগড়ের দ্বীপ ট্রেডার্স নামীয় প্রতিষ্ঠানের ডিলার প্রদিপ কুমারকে রাত ৮টা ও ৯টা নাগাদ ০১৭১৬…৩১৬ নম্বরে মুঠোফোনে ফোন দেয়া হলে ফোনটি রিসিভ করেননি।ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ট্যাগ টীমের আহবায়ক মোঃ ছলেমান আলী বলেন, আমরা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে জানতে পারি সোমবার দিবাগত রাত যখন ১টা ২০মিনিট তখন প্রদিপ কুমার রায়ের প্রাইভেট কারে ডিলার লোকমান টিসিবির পণ্য অন্যত্র বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যান। পরের দিন সকাল ৯টার আগেও প্রদিপ কুমারের গাড়ি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমরা ডিলারের কাছ থেকে ৩৫টি কার্ড পেয়েছি। আমি মৌখিকভাবে ইউএনও মহোদয়কে বিষয়টি অবগত করেছি। এইসব কার্ডগুলো ইউএনও মহোদয় রেখে দিতে বলেছেন। ডিলারের সবকিছু টাকা আপাতত আমার জিম্মায় আছে। ৫৩টি টিসিবি কার্ডের পণ্য ক্রয় করে দিতে চেয়েছেন। টিসিবি পণ্য ক্রয় করে দেয়ার পর তার সমস্ত টাকা ফেরত দেয়া হবে। এতো বড় অন্যায়ের কাজ আপনি ডিলারকে ছাড়িয়ে দিলেন কেন? এমন জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, ‘আমি এতো কিছু বুঝতে পারিনি।’
এ বিষয়ে ট্যাক টীমের সদস্য সচিব মোঃ রুবেল হক বলেন, ‘প্রদিপ কুমার নিজেও একজন ডিলার সে এভাবে নিতে পারেনা। যা হোক তদন্ত সাপেক্ষে এর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ডিলার লোকমানের বিষয়টি চেয়ারম্যান মহোদয়কে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে তিনিই এর ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।’
এ ব্যাপারে জানার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহার মুঠোফোনে ফোন দেয়া হলে ফোন কলটি রিসিভ হয়নি।
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।
-

পাইকগাছায় পুলিশের অভিযানে ৭ আসামি গ্রেফতার
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছা থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সাত পরোয়ানার আসামিকে গ্রেফতার করেছ। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, গদইপুর ইউনিয়নের কুরবান শেখের ছেলে হযরত শেখ (৩৫), ছলিম শেখের ছেলে আলাউদ্দীন শেখ (৪৯), সোলাদানা ইউনিয়নে মোহম্মদ আলীর ছেলে কামরুজ্জামান (৪০) কপিলমুনি ইউনিয়নের আত্তাব আলীর ছেলে বিল্লাল (২৭), কপিলমুনি ইউনিয়নের আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে আবুল বাঁশার (২২) পাগল সরদারের ছেলে সামছুর সরদার (৬০) রাড়ুলী ইউনিয়নের মান্দার মোড়লের ছেলে আবু তালেব মোড়লকে (৬৬) গ্রেফতার করা হয়। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতার পরোয়ানার আসামিরা টাকা পয়সা লেনদেন চেকের মামলার আসামি। গ্রেফতারকৃত আসামিদের সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা।।