Author: desk

  • পুলিশ সদস্যর উপর হামলায় আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ গ্রেফতার-৩

    পুলিশ সদস্যর উপর হামলায় আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ গ্রেফতার-৩

    আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ছাত্রলীগ নেতা ও তার দলবল থানা পুলিশ সদস্যকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির পাইক, সহযোগি জিয়া ফরিয়া ও মনির পাইককে শনিবার রাত দশটার দিকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ সদস্যরা। আগৈলঝাড়া থানার অফিসার ইন চার্জ মোঃ গোলাম সরোয়ার পুলিশের উপর হামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হামলার শিকার পুলিশ সদস্য শ্রী ভূদেব বিশ্বাসের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারকৃত জাকির পাইকসহ তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম সরোয়ার এজাহারের বরাত দিয়ে জানান, শনিবার ইফতারের আগ মুহুর্তে ভূদেব চন্দ্র বিশ্বাস সমন ডিউটি করে মোটরসাইকেল যোগে থানায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় মসজিদের গেটের সামনে পৌঁছলে জাকির পাইক রাস্তার উপর মোটরসাইকেল রেখে গল্প করায় পুলিশ সদস্য ভূদেব হর্ণ দিলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ক্ষিপ্ত হয়ে জাকির পাইক তাকে এলোপাথারী চর, কিল ঘুষি মারতে শুরু করে। জাকিরের সাথে তাৎক্ষনিক মারধরে যোগ দেয় তার বংশের মনির পাইক, জিয়া পাইক, শহীদ পাইকসহ ৯/১০জন। এসময় ভূদেব হেলমেট খুলে নিজেকে থানা পুলিশ সদস্য পরিচয় দিলেও হামলাকারীরা শান্ত না হয়ে অর্তকিতভাবে ভূদেব এর উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং গালাগাল করে। থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঝটিকা অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির পাইক (৪৪) তার সহযোগী জিয়া ফরিয়া (৩৮) মনির পাইক (৩৮)কে আটক করে। ওসি আরো জানান, শনিবার রাতেই আহত পুলিশ সদস্য ভূদেব চন্দ্র বিশ্বাস বাদী হয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির পাইক, জাকিরের বড় ভাই বাকাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম পাইক,একই গ্রামের জিয়াউর রহমান পাইক, জহিরুল ইসলাম পাইক, মনির পাইক, সান্টু ফকির, রুহুল ফরিয়া, বক্কার পাইকের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে, নং-৪ (৮.৪.২৩)।মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই আলী হোসেন জানান, শনিবার রাতে আটক ছাত্রলীগ নেতা জাকির পাইকসহ তিন জনকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রবিবার সকালে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ভূমি সচিবের সাথে ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির ময়মনসিংহের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ভূমি সচিবের সাথে ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির ময়মনসিংহের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ভূমি সেবার মান বাড়াতে ভূমি অফিস সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক থাকার আহবান জানিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. খলিলুর রহমান।

    সেবা প্রদান ও সেবা গ্রহণে অস্বস্তিকর বিষয় হচ্ছে দুর্নীতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ভূমি সেবা প্রদানকারী ও সেবা গ্রহীতার মধ্যে সেতু বন্ধন তৈরিতে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক থাকতে হবে।”

    রবিবার (৯মার্চ) দুপুরে ভূমি সচিব মোঃ খলিলুর রহমান স্যারের সাথে বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি ইকতিয়ার উদ্দিন ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তাদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
    এসময় বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি ময়মনসিংহ জেলার যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাজহারুল হক ভূঁইয়া,সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ এস এম সারওয়ার- ই- কামাল এবং সকলের অতি ঘনিষ্ঠ আব্দুল করিম। মতবিনিময়ে সভাপতি / সাধারণ সম্পাদক কয়েকটি বিষয় নিয়ে কথা বললে সচিব খলিলুর রহমান জরুরী ভিত্তিতে বিষয়গুলো সমাধানের আশ্বাস দেন।

    মামলা মোকদ্দমা অনেক সময় ভূমি সেবা প্রদানে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে জানিয়ে ভূমি সচিব বলেন, ‘ভূমি ব্যবস্থাপনায় অটোমেশন ও ডিজিটালাইজেশন পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা গেলে ভূমি সেবার মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন জাতি গঠনে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।

    এর আগে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক থেকে পদন্নোতি পেয়ে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন খলিলুর রহমান। গত ২৯ মার্চ মো. খলিলুর রহমানকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

  • সাংবাদিক পরিচয়ে  প্রতারক সাইফুল ও ছালাম গ্রেফতার

    সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারক সাইফুল ও ছালাম গ্রেফতার

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধি:
    সাংবাদিক পরিচয়ে আশ্রয় নিয়ে সাংবাদিক দম্পত্তিকেই প্রতারণার ফাঁদে ফেলে সর্বনাশ ঘটিয়েছে দুই সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম ও রিয়াজুল ইসলাম ওরফে আ: ছালাম। তারা নারী সাংবাদিকের ছবি সংগ্রহ করে নিচের অংশে নগ্ন চিত্র যুক্ত করে ছড়িয়ে দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, ভূইফোড় অনলাইন পোর্টালে। এরপর পাঁচ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে সীমাহীন মানসিক যন্ত্রণায় ওই সাংবাদিক দম্পত্তির ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবন বিপর্যন্ত করে দিয়েছে। মাদারীপুর জেলা সদরে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটিয়েছে এশিয়ান টিভির কথিত ঢাকার সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম খান ও তার সহযোগি মানক কন্ঠের সাব এডিটর পরিচয়দান কারি রিয়াজুল ইসলাম ওরফে ছালাম। এরপর মাদারীপুর প্রেস ক্লাব নামে একটি ভুয়া ফেজবুক আইডি খুলে মিথ্যা অপপ্রচার চালায়। এ ব্যাপারে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। সেই প্রেক্ষিতে মাদারীপুর সদর মডেল থানার পুলিশ গতকাল রাতে ঢাকার সাভার ও গুলশান থেকে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম খান ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী রিয়াজুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে।
    এজাহার সূত্রে জানা জায়,সাংবাদিক দম্পত্বির সাথে পরিচয়ের সুত্রে সু কৌসলে পরস্পর যোগ সাজোসে হঠাৎ বাসায় আসেন। সরল বিশ্বাশে মেহমান হিসেবে আপ্যায়ন করে বাসায় থাকতে দেয়। বাসায় অবস্থান কালে তাদের অনুমোতি ছাড়াই রাতে ব্যাক্তিগত মোবাইল ও ল্যাবটবে থাকা ব্যাক্তিগত কিছু ছবি তথ্য ও উপাত্য ফেজবুক মেইলের পাসওয়ার্ড সুকৌসলে নিয়ে যায়। কিছুদিন পরে সাংবাদিক দম্পত্বির ফেজবুক মেসেঞ্জার ও হোয়টস আপে আপত্বিকর কিছু ছবি পাঠিয়ে ৫লক্ষ টাকা দাবি করে। একপর্যায় টাকা না পেয়ে হোয়াটস আপ ফেজবুক নাম সবর্ঃস্ব কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে সাংবাদিক দম্পত্তির ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবন বিপর্যন্ত করে দিয়েছে। প্রতারকচক্রের মূল হোতা সাইফুল ইসলাম খানের (৩৬) বাবার নাম সিরাজ খান, মাতা: মোসাম্মৎ সাহেরা বেগম, বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সদর থানাধীন যোদ্ধা করিসিং গ্রামে এবং তার প্রধান সহযোগী রিয়াজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে ইসলাম চৌধুরী (৩৮) পরিচয় দেয়া প্রতারকের প্রকৃত নাম আঃ ছালাম, পিতা ওয়াজেদ আলী, মাতা জোহরা বেগম, তার বাড়ি ঝালকাঠি সদরের কলেজ রোডে।
    এ বিষয়ে রোববার (৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় মাদারীপুর মডেল থানার অফিসার্চ ইনচার্জ মোঃ মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন,সাংবাদিক দম্পতির ল্যাপটপ থেকে তাদের স্বামী স্ত্রীর বিভিন্ন ছবি, ভিডিও চুরি করে আনে তারা। ঢাকায় ফিরেই নারী সাংবাদিকটির বিভিন্ন ছবির নিচের অংশে নানা নগ্ন দৃশ্য সংযোজন করে তা পাঠিয়ে দেয় তার স্বামীর ইনবক্সে। এরপর সাইফুল ইসলাম ও রিয়াজুল নানারকম ভয়ভীতি দেখায়। একপর্যায়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং তা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পরিশোধ না করলে নগ্ন দৃশ্যাবলী অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়ারও হুমকি দেয় তারা এবং মানসিক চাপ ও ভীতি সৃষ্টির লক্ষ্যে কিছু নগ্ন ছবি ওই সাংবাদিক দম্পত্তির পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশী ঘনিষ্ঠজনদের কাছে পাঠিয়েও দেয়।
    মাদারীপুর মডেল থানার টিম অভিযানে নামে এবং ঢাকা, সিঙ্গাইরসহ বিভিন্ন স্থানে টানা ১০ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে কথিত এশিয়ান টিভির সাইফুল ইসলাম খান ও তার সহযোগী রিয়াজুল ইসলামকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তাদের কম্পিউটারে যে আলামত লুকানো ছিলো তা সহ মোইল জব্দ করে।

  • ময়মনসিংহে অসহায়-দুস্থ পরিবারের মাঝে যুবলীগের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    ময়মনসিংহে অসহায়-দুস্থ পরিবারের মাঝে যুবলীগের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক এর আয়োজনে সদর উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে ময়মনসিংহে অসহায়-দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    রবিবার (৯মার্চ) “শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে পবিত্র মাহে রমজানে দুস্থ-অসহায় পরিবারেরকে যেন খাদ্য সংকটে না থাকে সে লক্ষে আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা মোতাবেক এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এহতেশামুল আলম।

    এ সময় এহতেশামুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ সহ প্রতিটি সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গিয়ে অসহায়, দুস্থদের বাড়িতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছি। রেশনিং পদ্ধতিতে প্রতিটি অসহায় পরিবারের মাঝে খাবার পৌঁছে দেব। আমাদের নেত্রী নির্দেশ দিয়েছে বাংলার একটি মানুষও যেন ক্ষুধার্ত না থাকে।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের নেত্রী বলেছেন- আমরা কি পেলাম, কি পেলাম না সেটা বড় কথা নয়। আমরা মানুষকে কি দিলাম সেটাই বড় কথা। আমরা এসেছি শেখ হাসিনার নির্দেশে রেশনিং পদ্ধতিতে ত্রাণ সামগ্রী অসহায় মানুষের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

    এসময় জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক বলেন, আপনাদের বলতে চাই আমাদের আপনাদের প্রিয় মানুষটি বাবা-মা হারিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। তাকে বারবার হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। বিএনপি-জামাত ২০০৪ সালে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে। আল্লাহ তাকে জীবিত রেখেছে আপনাদের কল্যাণে কাজ করার জন্য। আপনারা সেই মানুষটির (শেখ হাসিনা) জন্য দোয়া করবেন। কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে আমরাও মাহে রমজান ও আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেবো।

    খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলা ও সদর যুবলীগের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ক্যাম্পাস প্রতিবেদক,

    রাজধানীর কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।শুক্রবার ঢাকার আল ইসলাম রেস্টুরেন্টে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইরফান আহমদ ফাহিম এর উদ্বেগে এই আয়োজন করা হয়।

    এসময় কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন সজিব, রবিউল ইসলাম শাহরুখ, জোবায়ের ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, শরিফ হাসান, যুগ্ম-সম্পাদক রুহুল আমিন অন্তু, জাহেদ হোসেন রাসেল, নজরুল ইসলাম রাকিব, জামাল খান, সজিব হোসেন স্বাধীন, মেহেদি হাসান রাজিব, শিশির রহমান সিজার, সহ-সাধারণ সম্পাদক সোহাগ হোসেন চৌধুরী, তানভীর আহমেদ খান, ছাত্রনেতা ইমরান হোসেন সুরাজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, মামুন খান, রবিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম তুহিন, শেখ ফয়সাল আহমেদ, মো: উজ্জ্বল, মাহমুদুল হাসান, সিফাত সরদার, সহ-প্রচার সম্পাদক আব্দুর রশিদ রাসেল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সুমন হোসেন সাজিদ, ক্ষুদ্র ও কুটির সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন আবির, ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যাবস্থানা সম্পাদক সুমন মোল্লা নাহিদ, সহ-সম্পাদক নাজমুল হুদা নাঈম, আদনান আহমেদ বায়জিদ, নাহিদ হাসান শুভ, আরিফ খান জয়, খন্দকার সাজ্জাদুল ইসলাম হেভেন, সবুজ আহমেদ মাল, জোবায়ের আহমেদ ফারুক, শাহ আলম মোল্লা, আব্দুল্লাহ আল মামুন সজিব, সৌরভ আকন্দ।

    এছাড়াও কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য অপু আহমেদ শাওন, আরমান হোসেন, মেহেদি হাসান দিহান, এস এ শাওন ভূইয়া, মো: ঈসমাইল, আকাশ, আজহারুল আবেদীন জয়, শরফুল হাসান নাঈম, মাহমুদ, নাজমুল, কাওসার হোসেন, রাকিব হোসেন, ফয়সাল আহমেদ, সম্রাট শাহজাহান, কর্মী সাফিন, মেহরাব, ইমন, নাঈম, সোহাগ, রোমান, তন্ময়, সোয়েব সহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আশুলিয়ায় পুলিশ সদস্যের মা’কে মারধর ও তাদের বাড়ি ঘর ভাংচুর-লুটপাটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

    আশুলিয়ায় পুলিশ সদস্যের মা’কে মারধর ও তাদের বাড়ি ঘর ভাংচুর-লুটপাটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

    হেলাল শেখ,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর গ্রামের প্রবাসী হযরত আলী’র স্ত্রী-বাংলাদেশ পুলিশের একজন সদস্য আল-আমিন এর মা ইয়াছমিন’কে মারধর ও তাদের বাড়ি ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একাধিক অভিযোগ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে।
    আশুলিয়া থানার অভিযোগে ভুক্তভোগী ইয়াছমিন জানান, ঢাকার আশুলিয়ার “ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা’র আপন ছোট ভাই মোঃ নাজিম উদ্দিন নাজি (৪০) পিতা- মৃত মুন্নু মোল্লা ও মিয়াজ উদ্দিন (৬০), পিতা-মৃত কিতাব আলী এবং আব্দুল জলিল (৫০), পিতা-মৃত আঃ জব্বার, সর্ব সাং-ইয়ারপুর, থানা-আশুলিয়া, জেলা ঢাকাগন আমাদের একটি জমি অবৈধভাবে দখলের পায়তারা করিতেছিলো। আমাদের বাধার কারণে বিবাদীরা আমাদের জমি দখল করতে পারে নাই। উক্ত বিরোধের জের ধরিয়া অদ্য ইং ০৬/০৪/২০২৩ইং তারিখ দুপুর ২টা ৩০ ঘটিকার দিকে উল্লেখিত বিবাদীগন তাহাদের সঙ্গে আরো ১০-১২ জন সন্ত্রাসী সহযোগীসহ দা, শাবল,হাতুরী, লোহার রড ইত্যাদি অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করিয়া বাড়ির পূর্ব ভিটিতে থাকা তিন রুম বিশিষ্ট ওয়াল কাম টিনশেড বিল্ডিং ভাংচুর করিয়া অনুমান ১,৫০,০০০/ টাকার ক্ষতি সাধন করে সন্ত্রাসীরা। তখন আমি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করিলে বিবাদী নাজিম উদ্দিন মোল্লা নাজি আমাকে চুল ধরিয়া মাটিতে ফেলিয়া আমাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারিয়া আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা,ফুলা জখম করে এক প্রকার নির্যাতন করে। বিবাদী আঃ জলিল আমার ঘরে থাকা আলমারী হইতে নগদ-৭০ হাজার টাকা এবং বিবাদী মিরাজ উদ্দিন আলমারী হইতে অনুমান ০২ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার যাহার মূল্য অনুমান ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গিয়েছে। বিবাদীরা ঘরের বারান্দার গ্রীল ভাঙ্গীয়া নিয়া গিয়েছে, যাহার মূল্য অনুমান ২৫,০০০/ টাকা। আমাদের ডাক চিৎকার শুনিয়া আশে-পাশের লোকজন আগাইয়া আসিতে থাকিলে বিবাদীরা যাওয়ার সময় এই বলিয়া হুমকি দিয়া গিয়াছে যে, তাহারা যেকোনো সময় আমাদের জমি, ঘর, বাড়ি দখল করিয়া নিবে। তাহাদেরকে বাধা দিলে আমাকে ও আমার পুত্রকে খুন করিয়া ফেলিবে। তিনি আরও বলেন, আমার ছেলেকে অনেক কষ্টে লেখা পড়া করাইয়াছি, সে এখন বাংলাদেশ পুলিশের একজন সদস্য, আমার ছেলের নাম আল-আমিন, সে মিরপুরে চাকরিরত আছে। আমার ছেলের কিছু হলে আমি বাঁচবো না, আমি ও আমার পরিবারের লোকজন বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি, পুলিশ ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করছি, সঠিক ভাবে তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতার করাসহ সঠিক বিচার দাবি জানাচ্ছি আমি এক অসহায় মা।
    অন্যদিকে আশুলিয়া থানায় অভিযোগকারী সাদিয়া আক্তার শিল্পী (২১), পিতা মোঃ মোকছেদ আলী, সাং-ইয়ারপুর, থানা আশুলিয়া, জেলা ঢাকা জানান, বিবাদী ১। আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে নৌকা মার্কা প্রার্থী ছিলেন মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা’র আপন ভাই মোঃ নাজিম উদ্দিন নাজি (৪০), পিতা-মৃত মুন্নু মোল্লাসহ ১০-১২ জন বিবাদীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি যে, আশুলিয়া থানাধীন মনসন্তোষ মৌজাস্থ জমি যাহার সি এস ২১০, আর এস ৪৬০, ৪৬২, বি আর এস ৭৬৫৭, ৭৬৫৮, দাগে মোট জমির পরিমাণ ২৪ শতাংশ ইহার কাতে ২৪শতাংশ জমি বিগত ১৯৮৬ সাল হইতে আমরা ক্রয় সূত্রে মালিক হইয়া উক্ত জমিতে বাড়ি ঘর নির্মাণ করিয়া বসবাস করিয়া আসিতেছি। বিবাদীগন এলাকার ভূমিদস্যু ও জমি দখলদার। বিবাদীগন ১০ বছর পূর্ব হইতে আমাদের উক্ত জায়গা জোরপূর্বক জবর দখল করার পায়তারা করিয়া আসিতেছে। অদ্য ইং ০৬/০৪/২০২৩ইং তারিখ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বিবাদীগনসহ তাহার সহযোগী আরো ৮-১০জন বিবাদীগন আমার বাসার পাশে আসিয়া আমার বাবার নাম ধরিয়া গালি গালাজ করিতে থাকে, তখন আমি বিবাদীদেরকে গালিগালাজ করিতে নিষেধ করিলে ১নং বিবাদীসহ সকল বিবাদীগন আমাকে মারপিট করার জন্য বে-আইনী জনতাবদ্ধ অনাধিকার ভাবে আমাদের উক্ত বাড়ি ঘরের ভিতর প্রবেশ করিয়া দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হইয়া লাঠি শোডা, দা, চাইনিজ কুড়াল, নিয়া বাড়িঘরের ওয়াল, জানালা, দরজা, চালের টিন বাইরাইয়া ও কুবাইয়া ব্যাপক ভাংচুর করিয়া অনুমান প্রায় ১০,০০,০০০/= টাকার ক্ষতি সাধন করে। এর আগে বিবাদীগন আমাদের বিরুদ্ধে সি আর মামলা দায়ের করেন, যাহার মামলা নং-৫৪৩/২০১০। উক্ত মামলা আমাদের পক্ষে রায় হওয়া সত্ত্বেও বিবাদীগন কোর্টের আইন অমান্য করিয়া আমাদের উক্ত জায়গা দখল করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রহিয়াছেন, সঠিক তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতারসহ কঠিন শাস্তি দাবি করছি।
    মোঃ মোকছেদ আলী বলেন, আমি আশুলিয়ার ইয়ারপুর হাই স্কুলে দফতরির চাকরি করি, ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং নৌকা মার্কা চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর মোল্লা মোশারফ হোসেন এর আপন ছোট ভাই নাজিম উদ্দিন মোল্লাসহ তাদের লোকজন আমাদের জমি, বাড়ি ঘর দখলের চেষ্টা করে সন্ত্রাসী কায়দায় ভাংচুর ও লুটপাট করেছে, আমি ছোট চাকরি করি, গরীব মানুষ তাই আমার কেউ নেই, আমি সঠিক বিচার চাই। এ ব্যাপারে বিবাদীদের কাছে জানতে যোগাযোগ করা হলে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান শাহেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মোল্লা মোশারফ হোসেন মুসা’র সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি কিন্তু তার সাথে কথা হয়নি।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ভজন চন্দ্র রায় বলেন, আশুলিয়ার ইয়ারপুর গ্রামে বাড়ি ঘর ভাংচুরের ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একাধিক অভিযোগ হয়েছে, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান।

  • সততার সাথে কাজ করে প্রশংসায় ভাসছেন রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সাহেদ

    সততার সাথে কাজ করে প্রশংসায় ভাসছেন রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সাহেদ

    হেলাল শেখ,
    বিশেষ প্রতিনিধি ঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সায়েদ মানবিক পুলিশের গর্ব ও সাধারণ মানুষের বন্ধু। তিনি ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানা থেকে ২২-০৫-২০২১ইং তারিখে রূপগঞ্জ থানায় যোগদান করার পর থেকে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
    নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জনাব মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) জনাব মোঃ জাহেদ পারভেজ চৌধুরী’র নেতৃত্বে রূপগঞ্জ থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় এ এফ এম সায়েদ (ওসি) রূপগঞ্জ থানা ও অন্যান্য অফিসার ফোর্সের সমন্বয়ে পুলিশী বিশেষ তৎপরতায় বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করতে পারে বলে তাহারা পুলিশ বাহিনীকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
    জানা গেছে, রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এফ এম সায়েদ সাহেব এর আগে আশুলিয়া থানা ও ধামরাই থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন, এরপর ঢাকা জেলার সাভার উত্তর ডিবি’র (ওসি) ছিলেন এবং সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে সততা ও সাহসী ভুমিকায় দায়িত্ব পালন করেছেন। অনেকেই বলেন, এরকম ওসি আশুলিয়ায় খুবই দরকার। আশুলিয়ায় অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে, যেখানে সেখানে মানুষের লাশ পাওয়া যায়, তাই আশুলিয়াতে ওসি সাহেদ সাহেব যোগদান করলে জনগণের জন্য ভালো হবে বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন।
    জানা গেছে, জনগণের নিরাপত্তা ও সঠিকভাবে কাজ করায় বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর মানবিক পুলিশ অফিসারগণ অনেকেই (ওসি) এ এফ এম সায়েদকে সম্মান করেন। তিনি একজন চৌকস পুলিশ অফিসার (ওসি)। সুন্দর ব্যবহার ও সততার কারণে মানুষের ভালোবাসায় তিনি বিশেষ সম্মান অর্জন করেছেন। খবর নিয়ে জানা গেছে, সাভার উপজেলার বেশিরভাগ জনগণ অনেক সম্মান করেন ও ভালোবাসেন (ওসি) এ এফ এম সাহেদকে। তিনি রূপগঞ্জ থানায় আসার পর থেকে অনেক ভালো কাজ করেছেন বলে অনেকেই জানান।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, সায়েদ ভাই শুধু পুলিশ হিসেবে নয়, তিনি একজন ভালো মানুষ। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে অনেক ভালো কাজ করতে দেখেছি। সাভার মডেল থানায় বিভিন্ন কাজের জন্য আমাদের সংস্থা’র সদস্যদের পাঠিয়েছি তার কাছে, তিনি সঠিক ভাবে সততার সাথে কাজ করেছেন বলে আমাদের সদস্যরা জানান। (ওসি) এ এফ এম সায়েদ ভাইয়ের প্রশংসা করেছেন সচেতন মহল। এটা সত্যি তাঁর জন্য বিশেষ সম্মান অর্জন। প্রায় দুই বছর হতে চলেছে রূপগঞ্জ থানায় (ওসি) হিসেবে এই পুলিশ কর্মকর্তার যোগদান।

  • দেশের ৯০% মানুষ ভালো-তাহলে সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা মামলা হচ্ছে কেন?

    দেশের ৯০% মানুষ ভালো-তাহলে সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা মামলা হচ্ছে কেন?

    সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)ঃ বাংলাদেশের প্রায় ৯০% মানুষ ভালো-তাহলে জাতির বিবেক সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা মামলা হচ্ছে কেন? এর জন্য সাংবাদিকরাই বেশি দায়ী বলে অভিমত প্রকাশ করেন অনেকেই।
    জীবনের ঝুঁকি দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে কলম সৈনিক সাংবাদিকরা হামলা মামলা ও হত্যার শিকার হচ্ছেন কিন্তু সেই সাংবাদিকরাই আজ বেশি অবহেলিত। সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক-দেশ ও জাতির বিবেক। জাতির কাছে প্রশ্ন কেন সাংবাদিকদের উপর হামলা মামলা করা হয়?। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ শান্তি প্রিয়। জনগণের তুলনায় সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম। ৯০% মানুষ তাদের সেবা সঠিকভাবে পাচ্ছেন। তুলনামূলক বাংলাদেশে মাত্র ১০% জনগণ খারাপ, এর কারণে ভালো মানুষগুলোর বদনাম হয়, বাকিটা ইতিহাস।
    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদেরকে ১৯৭৫ সালে নিষ্টুরের মতো হত্যা করেছে ঘাতকরা, বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই হত্যাকারীদেরকে পুরোপুরিভাবে বিচার করতে পারেননি, এখনো অনেকেই বিদেশে পালিয়ে আছে। বিশেষ করে ১। প্রজাতন্ত্র-বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত। ২। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা-প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত হইবে। ১২বছর আগের পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিক এবং চলমান পরিস্থিতি আর বর্তমান সময়ের হিসাব অনেকটা আলাদা। বর্তমানে যারা উক্ত দুইটি পেশায় আছেন, তারা বেশিরভাগ ব্যক্তিই সৎ ও সাহসীকতার সাথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন বলে অনেকেরই অভিমত। আপনারা জানেন যে, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ পুলিশ ও সাংবাদিকদের দায়িত্ব এবং ভুমিকা কি? এ আলোচনা নিয়ে পরে আসি।
    (বাংলাদেশের ইতিহাস)ঃ তথ্য সুত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, ২ মার্চ ১৯৭১। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান। তথ্য-কমপিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড এর ৮৭নং পাতা। যাঁর ডাকে বাংলার মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে গিয়েছিলেন, তিনিও আজ আমাদের মাঝে নেই, তাহার স্মৃতিটা সবার মাঝে বেঁচে আছে। এখন আমরা স্বাধীনভাবে বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারছি, স্বাধীনভাবে পথ চলছি, একবারও কি তাদের আত্মার মাফেরাতের জন্য আমরা দোয়া করি? সবাই সবার জন্য দোয়া করা দরকার, এই দেশ আপনার আমার সবার, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না কেউ।
    ১৯৭১ইং সালের পর বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো-বিভাগ সংখ্যা ছিলো ৬টি যা বর্তমানে ৮টি করা হয়েছে। ৬৪টি জেলা। প্রতিটি জেলায় পুলিশ প্রশাসন ও সংবাদ কর্মী আছেন, সেই সাথে প্রতিটি এলাকায় জনপ্রতিনিধি জনগণের স্বার্থে কাজ করছেন। যে পেশায়, যে দায়িত্বে রয়েছেন, সবাই যদি সঠিকভাবে সেই দায়িত্ব পালন করেন তাহলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে, উন্নয়ন হবে, স্মার্ট হবে। উন্নয়নমূলক কাজ করার কথা সবাই বলা যায় কিন্তু উন্নয়ন করা সহজ নয়। আমাদের সবাইকে সরকারী সম্পদ রক্ষায় কাজ করতে হবে। যেমনঃ সরকারী খাল, বিল, নদী ও গ্যাস, বিদ্যুৎসহ যেসকল সেক্টর রয়েছে, সবগুলোর দিকে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। প্রতিটি যানবাহনের প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র লাগবে। মাদক, জুয়া, দেহ ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। এই ৩টি অপরাধ বন্ধ হলে দেশে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি, খুন, ধর্ষণ, প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড কমে যাবে বলে অনেকেরই অভিমত।
    বিশেষ করে আপনার আমার পরিবার, সমাজ, দেশ ও দেশের সম্পদ রক্ষা করতে আমাদেরকেই সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। যে জাতি যতো সচেতন হবেন-সেই জাতি ততই উন্নতির দিকে যাবে। আমরা কেউ কারো হিংসা ও নিন্দা না করি, বিবাদ সৃষ্টি না করি, যার যে কাজ,সেই কাজ সঠিকভাবে গুরুত্বর সাথে করবো। আমরা দুইদিনের মেহমান, আজ আছি, আগামীকাল হয়ত আর থাকবো না। খারাপ কাজ করা সহজ কিন্তু ভালো কোনো কাজ করে দেখাই যে, এই কাজটি আমরা মানবতার কল্যাণে করেছি। ভালো কিছু করতে বেশি অর্থ লাগেনা, ভালো মনমানুষিকতা হলেই চলে। হে মানুষ তোমার সবকিছুতেই চাহিদা আছে সত্য কিন্তু যৌবনের চাহিদা আর পেটের খাবারের চাহিদা না থাকলে কোনো কাজ করার দরকার হইতো না। যৌবন মানব জীবনের এক শ্রেষ্ট সম্পদ তাকে অস্বীকার করা যায় না,দেহগত যৌবন আর মানুষিক যৌবন একরকম না। মানুষিক আত্মার অভাব হলে সেই মানুষটি ভালো হতে পারবেন না। আমরা যে মানুষ, যে ধর্ম পালন করি না কেন, একদিন বিচারকের সামনে হাজির হতেই হবে। আমরা অন্যের জন্য সবকিছু করছি, নিজের জন্য কি স য় করলাম? বুঝতে পারলে সেই বুদ্ধিমান। মানুষের চাওয়া পাওয়ার শেষ নাই। আমি অভিনয়ে বেশি চাই না,বাস্তবে আমাকে কম দাও। ধর্ম, কর্ম নিয়ে মানুষের জীবন আর কে কেমন ভালো কর্ম করেছেন? কারো মনে কষ্ট দিয়ে বা কারো ক্ষতি করে কেউ কি লাভবান হওয়া যায়? আসুন আমরা সত্যের সন্ধ্যানে মানবতার কল্যাণে কাজ করি।
    বাংলাদেশের মানুষ আমরা, আমাদের সঠিক ইতিহাস জানা দরকার। অবশ্যই আইন মেনে কাজ করতে হবে, সেজন্য সচেতন মহল ও সাংবাদিকদেরকে বেশি বেশি আইনের বই পড়তে হবে। বাংলাদেশের সংবিধান মানতে হবে। সংবাদকর্মী বা সাংবাদিক হলে তার আগে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়তে হবে। প্রতিদিন সংবাদ সংগ্রহ করে তা সংশ্লিষ্ট মিডিয়াতে প্রকাশ করতে হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই পড়তে হবে, জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব প্রতিটি এলাকায় গিয়ে খোজখবর নিতে হবে যে, জনগণের নাগরিক সমস্যা কি? বাস্তবতা অনেক কঠিন। আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন আমাদের সবার স য় দরকার, তবে সেই স য় অর্থ বা সম্পদ নয়। অর্থ সম্পদের জন্য মানুষ খারাপ কাজ ও অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ অপকর্ম করলে তার হিসাব দিতে হবে একদিন।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) অভিমত প্রকাশ করে বলেন যে, মানুষ হলে কর্মফল সবাইকে ভোগ করতে হবে আর বাস্তবতা কঠিন হলেও তা মানতে হবে এটা নতুন কিছু না, তবে সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সবসময় কাজ করেন কিন্তু সরকার বা কোনো সংস্থা সেই প্রকৃত সাংবাদিকদের কি সুবিধা দিচ্ছেন? কিছু দুর্নীতিবাজদের অনৈতিক কর্মকান্ড তুলে ধরলেই সাংবাদিকরা তাদের কাছে খারাপ হয়ে যায়, সেই প্রকৃত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়, সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা করা হয়। সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না হলে অপরাধীরা সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা মামলা করার সাহস করবেই, নিজে সচেতন হবেন এবং অন্যদেরকে সচেতন করবেন, ভুল হলে ক্ষমা করুন, সবাইকে ধন্যবাদ।

  • পাইকগাছায় নিজস্ব অর্থায়নে ও সেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হচ্ছে আল্লাহর ৯৯ নাম সম্বলিত মিনার

    পাইকগাছায় নিজস্ব অর্থায়নে ও সেচ্ছাশ্রমে নির্মিত হচ্ছে আল্লাহর ৯৯ নাম সম্বলিত মিনার

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা )।।
    মহান আল্লাহর নিরানব্বই নাম খচিত দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য শৈলীর সু-উচ্চ মিনারসহ ঈদগাহ নির্মাণ হচ্ছে সুন্দরবন উপককূলীয় খুলনার পাইকগাছায়। হতদরিদ্র গ্রামবাসীর অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে ঈদগাহটি নির্মিত হচ্ছে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কপিলমুনির নাছিরপুর গ্রামে।
    মহান আল্লাহ ও রাসুল (সাঃ) এর প্রতি গভীর ভালোবাসার নিদর্শন স্বরুপ ঈদগাহটির নির্মাণের উদ্যোক্তা স্থানীয় সাধারণ গ্রামবাসীই।
    রমজানের শুরু থেকেই পার্শ্ববর্তী মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করে রোজাদার মুসল্লীরা ঝুড়ি-কোদাল নিয়ে হাজির হচ্ছেন এর নির্মাণ কাজে। খবর পেয়ে উদ্যোক্তাদের উৎসাহের পাশপাশি নির্মাণ কাজ দেখতে প্রতিদিন ভীঁড় জমাচ্ছেন প্রত্যন্ত এলাকার শত শত মানুষ। ব্যাতিক্রমী ধর্মীয় এ নির্মাণ শৈলীর স্বাক্ষী হিসেবে এর নক্সা প্রণয়ন করেছেন, খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রকৌশলী সজল মন্ডল।
    স্থানীয় গ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মানবাধীকার কর্মী এসএম মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ’র ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও উদ্যোগে নির্মাণাধীন ঈদগাহ ও এর ব্যাতিক্রমী দৃষ্টিনন্দন মিনারের কাজ এগিয়ে চলেছে দূর্বার
    গতিতে।
    এব্যাপারে এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ জানান, নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটি হতে পারে দেশের দর্শনীয় ধর্মীয় স্থাপনার অন্যতম একটি।
    নির্মাণশ্রমিক ইনামুল ইসলাম জানান, মহান আল্লাহর ৯৯ নাম সম্বলিত মিনারটির উচ্চতা হবে ২৭ ফুট, ২৫ ফুট সুদৃশ্য টাইলস দ্বারা খচিত হবে গোটা মিনার। এছাড়া উপর থেকে বৈদ্যুতিক লাইট দ্বারা কৃত্রিম আলোকরশ্মী সৃষ্টি করা হবে।
    যা আল্লাহর নামগুলোর উপর ছড়িয়ে পড়লে তৈরি হবে অন্যরকম দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ। পুরো মিনারজুড়ে থাকবে কৃত্রিম আলোর ব্যাতিক্রমী কারুকাজ।
    স্থানীয়দের মাধ্যমে জানাযায়, মহান ধর্মীয় স্থাপত্য নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন, স্থানীয় শেখ নেছার আলী। তিনি বলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে স্থানীয়রা সামগ্রিকভাবে মিনারসহ ঈদগাহটির নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন।
    আল্লাহর ৯৯টি নামসহ ব্যাতিক্রমী আয়োজনের ঈদগাহটি বাংলাদেশে প্রথম বলেও দাবি করেন তিনি। এসময় তিনি এর নির্মানকাজ এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।।

  • ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করল সনাতন ধর্মালম্বী পঞ্চগড়ের এক পরিবার

    ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করল সনাতন ধর্মালম্বী পঞ্চগড়ের এক পরিবার

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ঃ
    পঞ্চগড়ে আইনের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে সনাতন (হিন্দু) ধর্মালম্বী এক পরিবারের চার সদস্য। মুসলমানদের আচার-ব্যবহার, ধর্মীয় রীতি-নীতি, চাল-চলন ভালো লাগায় স্বেচ্ছায় ও স্বজ্ঞানে তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

    বিষয়টি শনিবার (৮ এপ্রিল) যোহরের নামাজের সময় স্থানীয় মুসল্লীদের জানিয়েছেন পঞ্চগড় বাজার মসজিদের ইমাম ওমর ফারুক।

    ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত চারজন হচ্ছেন- পঞ্চগড় বাজার পঞ্চগড় বাবু ক্ষিতিশ চন্দ্র ভক্তের ছেলে অরুন কুমার ভক্ত (৪২), স্ত্রী জ্যোতি রাণী সরকার (৩২), তাদের দুই ছেলে ইশান ভক্ত অনিরুদ্ধ (৯) ও আরিন (৮)।

    অরুন কুমার ভক্তের পরিবর্তিত নাম নুর মোহাম্মদ, তার স্ত্রীর নাম মোছা. সুমাইয়া আক্তার, বড় ছেলের নাম মোহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ এবং ছোট ছেলের নাম মোহাম্মদ ইবনে আলী।

    গত ১ মার্চ পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে সনাতন ধর্ম ত্যাগ করেন তারা।

    সদ্য মুসলিম হওয়া নুর মোহাম্মদ বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবত মুসলমান ধর্মের রীতিনীতি অবলোকন করছি। আমি ও আমার স্ত্রী পরামর্শ করে নিজেদের ইচ্ছায় ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সন্তানদের নিয়ে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেই।