Author: desk

  • আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাংবাদিকসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন, পুলিশ সুপার  নীলফামারী

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাংবাদিকসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন, পুলিশ সুপার নীলফামারী

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ নীলফামারীতে পবিত্র মাহে রমজান ও পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে প্রেসব্রিফিং করেছেন জেলা পুলিশ সুপার। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সাংবাদিকসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

    মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে প্রেসব্রিফিং এ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম বলেন, চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটনসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের বর্ণনা দেন এবং গত ৭ মাসে জেলা পুলিশের কার্যক্রমে ১৬৩টি মাদক মামলায় ১৯২ জন আসামীকে গ্রেপ্তার এবং ৫৯২৪ পিস ইয়াবা, ৭৯৯ বোতল ফেন্সিডিল, ৬০৪ গ্রাম হেরোইন, প্রায় ৪৬ কেজি গাজা, ৮৭ লিটার দেশী মদ ও ১০৮৮ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে। ৫৯টি চুরি মামলায় ৬৫জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। চুরি যাওয়া ৯টি চোরাইগরু, ৫টি বাইসাইকেল, ১০টি মোটরসাইকেল, ১২টি ইজিবাইক, ২৬০টি চুরি যাওয়া মোবাইল, ১টি পিকআপ, ২টি বাস এবং নগদ ১২লাখ ২০ হাজার টাকা সহ অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও ৭৮৮৭টি ই-ট্রাফিক মামলায় ২কোটি ৫৬ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়।’
    আসন্ন বাংলা নববর্ষ ও পবিত্র ইদ-উল-ফিতরের আনন্দ উৎসব ঘিরে যাতে কোনো জঙ্গি তৎপরতা না থাকে সে লক্ষে আমাদের বিশেষ টিম কাজ করছে। কেউ যেনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজোব সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য জেলার সাইবার পেট্রলিং টিম কাজ করছে।’

    তিনি আরো বলেন, জেলার সকল স্টেক হোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে এবং বিভিন্ন শ্রেনীর পেশার মানুষের সাথে দ্রুত যোগাযোগ জন্য একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুফ তৈরি করা হয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এবং পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের জন্য ”বন্ধন” সাংবাদিকদের জন্য ”পুলিশ মিডিয়া নীলফামারী”, ব্যবসায়ীদের জন্য ”পুলিশ ব্যবসায়ী সেল” জনপ্রতিনিধিদের জন্য “পুলিশ জনপ্রতিনিধি সেল” মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের জন্য ” পুলিশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সেল” গঠন করা হয়। যার ফলে কোন ঘটনা ঘটার আগেই আমরা তথ্য পেয়ে থাকি। এর বাইরেও কোন ঘটনা ঘটে গেল তাৎক্ষণিকভাবে আমরা অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল নীলফামারী-জলঢাকা) মোঃ মোস্তফা মঞ্জুর (পিপিএম সেবা), ডিআইও ওয়ান মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আল-ফারুক পরভেজ উজ্জল ও সাধারণ সম্পাদক আল-আমিনসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা।

  • বানারীপাড়া সৈয়দকাঠি বিএনপির ইফতার ও দোয়ায় মানুষের ঢল

    বানারীপাড়া সৈয়দকাঠি বিএনপির ইফতার ও দোয়ায় মানুষের ঢল

    বরিশাল প্রতিনিধি॥
    বরিশালের বানারীপাড়ায় ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার ও দোয়া মোনাজাতে জনতার ঢল
    নেমেছে। (বানারীপাড়া-উজিরপুর) বিএনপির কর্নধর, দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী
    কমিটির সদস্য এস.সরফুদ্দীন আহমেদ সান্টুর সার্বিক সহযোগীতায় উপজেলার
    সৈয়দকাঠি ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। ১১
    মার্চ মঙ্গলবার ইউনিয়নের হাওলাদার বাড়ি জামে মসজিদের ঈদগাহ প্রাঙ্গনে
    অনুষ্ঠিত ইফতারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির
    আহবায়ক মো: শাহ আলম মিঞা। ইফতার পূর্ব সময়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ
    আবু হানিফ হাওলাদারে সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য
    শাহাদাত হোসেন জালিনুরের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য
    সচিব মো: রিয়াজ আহম্মেদ মৃধা, পৌর যুবদলের আহবায়ক কাইউম উদ্দিন ডালিম,
    ছাত্রদলের আহবায়ক রুবেল হাওলাদার, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক রনি খান।
    অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার
    মল্লিক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম- আহবায়ক আ: সবুর খান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম
    আহবায়ক আঃ রহমান, মোঃ সোহরাব, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মো: সজল, ইলিয়াস
    শেখ, সদস্য সচিব মো: তাওহিদুল ইসলাম, কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আজমল
    হাওলাদার।

  • খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়ন কর্তৃক শান্তি বাহিনীর সদস্যদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

    খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়ন কর্তৃক শান্তি বাহিনীর সদস্যদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি;
    খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়ন কর্তৃক শান্তি বাহিনীর সদস্যদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ ও মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শান্তি-সম্প্রীতি-উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়ি ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড ও খাগড়াছড়ি রিজিয়নের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ এবং বৈসাবি উৎসব উপলক্ষ্যে অস্ত্র সমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা ৯২ জন শান্তি বাহিনীর সদস্য ও মৃত্যু হওয়া সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

    এ উপলক্ষ্যে সোমবার (১০ এপ্রিল) দুপুর ১২ টায় খাগড়াছড়ি ক্যান্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. গোলাম মহিউদ্দিন আহমেদ মাহি এ অর্থ তুলে দেন।

    এ সময় তিনি বলেন, সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষের যে কোনো বিপদে আপদে পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। সেনাবাহিনীরা পাহাড়ের পরম বন্ধু,পাহাড়িদের পরম বন্ধু। আমরা সাধ্য ও সামর্থ্য মতো সহযোগিতা করবো। তিনি সংঘাত না করার আহবান জানিয়ে বলেন, আমাদের সদিচ্ছা আছে, আন্তরিকতা আছে।

    সংঘাত পরিত্যাগ করে, অস্ত্র সমর্পণ করে শান্তির পথে ফিরে আসার সিদ্ধান্তকে সাহসি ও সমপোযোগি সিদ্ধান্ত বলে অবহিত করেন।

    এ সময় খাগড়াছড়ি ডিজিএফআই’র ডেট কমান্ডার লে. কর্নেল মো. শাহ আলম সিদ্দিকী,সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. আবুল হাসনাত, খাগড়াছড়ি রিজিয়নের স্টাফ অফিসার (জিটুআই) মেজর মো. জাহিদ হাসান, জেলা পরিষদের সদস্য শুভ মঙ্গল চাকমা,রবি শংকর তালুকদার সহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা,প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নাচোল উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    নাচোল উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা মিনি কনফারেন্সন রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাইমেনা শারমীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের।
    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান ঝালু, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মশিউর রহমান বাবু, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান জান্নাতুন নাঈম মুন্নি, থানার (তদন্ত) অফিসার ইনচার্জ ইকবাল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা প্রভাতী মাহাতো, সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কাজী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন এনজিওর প্রধান গণ।
    আইনশৃঙ্খলা সভায় মাদক, বাল্যবিবাহ, রাস্তা ঘাট, সাস্থ্য সেবা, পানি সরবরাহ, গাড়ীঘোড়া, রাস্তায় যানজোট নিরাসন সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন অতিথি বৃন্দারা।

  • প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে ডিবি পুলিশের হাতে রক্ষা পেলেন না মামুন ইয়াবা সহ আটক

    প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে ডিবি পুলিশের হাতে রক্ষা পেলেন না মামুন ইয়াবা সহ আটক

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়; পঞ্চগড় সদর উপজেলায ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ী। এসময় গ্রেফতার করা হয় মামুনের সহযোগী তুষার আলম প্রধান (৪০) কে।

    রবিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের ফুলপাড়া থেকে মামুনকে ও পঞ্চগড় পৌরসভার রামের ডাংগা এলাকা থেকে তুষারকে গ্রেফতার করা হয়। তবে রায়হান (৩২) নামে মামুনের অপর এক সহযোগী পলাতক রয়েছে।

    পরে তাদের বিরুদ্ধে রবিবার (৯ এপ্রিল) রাতেই পঞ্চগড় সদর থানায় মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন করেছে ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) লিপন কুমার বসাক। পরে গ্রেফতারকৃতদের সোমবার দুপুরে আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠিয়েছে বলে জানায় ডিবি পুলিশ।

    গ্রেফতার হওয়া আসামি মামুনুর রশিদের বাড়ি উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের ফুলপাড়া এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মশিউর রহমানের ছেলে।

    এছাড়া মামলার অপর দুই আসামি তুষার আলম প্রধানের বাড়ি পঞ্চগড় পৌরসভার রামের ডাংগা এলাকায় এবং রায়হানের বাড়ি পঞ্চগড় পৌরসভার পুরাতন ক্যাম্প এলাকায়।

    ডিবি পুলিশ ও মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের ফুলপাড়া এলাকার টমেটো চাষী ও ব্যবসায়ী মাসুদ রানা (৩৮)’র সাথে একই এলাকার টমেটো ব্যবসায়ী মামুনুর রশিদের ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্ব ছিল। পরে গেল শনিবার (০৮ এপ্রিল) মামুন তার সহযোগী রায়হানের মুঠোফোন থেকে মাসুদকে কল করে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের মেসার্স রশিদ বীজ ভান্ডারের সত্ত্বাধিকারী পরিচয় দিয়ে তার টমেটো ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে ঢেঁড়স চাষাবাদ করতে পারমর্শ দেন। পরামর্শ মোতাবেক মামুন মাসুদকে রবিবার দুপুরে বাসযোগে বাসের হেলপার জহিরুল ইসলামের মাধ্যেমে ঢ়েড়স বীজ পাঠানোর কথা জানান। পরে হেলপার জহিরুল ইসলাম রবিবার বিকেলে মাসুদকে মুঠোফোনে কল করে বীজগুলো গ্রহণ করার অনুরোধ করেন। পরে ব্যাংকে ব্যাক্তিগত কাজ শেষে মাসুদ তার ব্যবসায়ীক পার্টনার চাঁদপুর জেলার টমেটো ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে সাথে নিয়ে পঞ্চগড় পৌরসভার ধাক্কামারা এলাকায় ঢেঁড়স বীজ আনতে যান টমেটো ব্যবসায়ী মাসুদ। পরে মামুনের সহযোগী তুষার ডিবি পুলিশকে ফোন করে জানায় ধাক্কামারা এলাকায় প্রকাশ্যে ইয়াবার বেচাকেনা চলছে। খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪ প্যাকেট ঢেঁড়স বীজ ও একটি প্যাকেটের ভেতর ৯৫ পিছ ইয়াবা উদ্ধার করে। যার আনুমানিক বাজার মূল্যে ১৯ হাজার টাকা বলে জানায় ডিবি পুলিশ। পরে মাসুদ ও খোরশেদকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যান ডিবি পুলিশের সদস্যরা। পরে তাদের দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ব্যবসায়ী মাসুদ রশিদ বীজ ভান্ডার থেকে ঢেঁড়স কেনার ঘটনাটি খুলে বলেন। পরে ডিবি পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্তে নামে। পরে অল্প সময়ের মধ্যে মাসুদকে কল করা নম্বর ও তথ্য দাতাদের নম্বর ও অবস্থান ঘেটে পুলিশ মামুন, তুষার ও রায়হান নামে তিনজন এ ঘটনায় জড়িত থাকার সত্যতা পায়। পরে রবিবার সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে মামুন ও তুষারকে গ্রেফতার করে। তবে অভিযানের খবর টের পেয়ে মামুনের সহযোগী রায়হান পালিয়ে যায়।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, সোমবার দুপুরে আসামিদের আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন। মামলার অপর আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমাদের কাছে রহস্যজনক মনে হলে আমরা তদন্তে নামি। পরে আমরা তদন্তে পাই যে এক নিরীহ ব্যবসায়ীকে ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বের জেরে ফাঁসানোর জন্য হেলপার জহিরুলকে ১০০ টাকা দিয়ে ৪ প্যাকেট ঢেঁড়সের বীজ ধরিয়ে দিয়ে ব্যবসায়ী মাসুদকে দিতে বলা হয়েছিল। পুরো ঘটনাটি মামুন নামে এক ব্যবসায়ী সাজিয়েছেন। পরে আমরা মামুন ও তুষারকে গ্রেফতার করি এবং ব্যবসায়ী মাসুদ, খোরশেদ ও বাস হেলপার জহিরুলকে ছেড়ে দেই। আমরা চাই যেন কোন নিরীহ মানুষকে এভাবে ফাঁসানো না হয়। এ ব্যাপারে আমরা সজাগ দৃষ্টি রাখছি।

  • সংবাদ প্রকাশের জেরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেই এম্বুলেন্স ভোগান্তির শিকার হচ্ছে রোগীরা

    সংবাদ প্রকাশের জেরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেই এম্বুলেন্স ভোগান্তির শিকার হচ্ছে রোগীরা

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
    সুনামগঞ্জ ২৫০শয্যা সদর হাসপাতালের প্রাইভেট এম্বুলেন্সকে ঘিরে একটি সংবাদ প্রকাশের জেরে সদর হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছেনা প্রাইভেট এম্বুলেন্স। যার কারনে রোগীদের রেফার্ট করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট যেতে মিলছে না সরকারী কিংবা প্রাইভেট এম্বুলেন্স। ফলে রোগীরা হচ্ছেন ভোগান্তির শিকার। কি এমন ঘটেছে হঠাৎ করেই হাসপাতাল থেকে উদাও সকল প্রাইভেট এম্বুলেন্স ? আর কোথায় থাকে হাসপাতালের একটি মাত্র ভিআইপিদের জন্য বরাদ্দকৃত এম্বেুলেন্সটি যা সাধারণ মানুষের ভাগ্যে জুটেনা ? কেনইবা সদর হাসপাতালের প্রাইভেট এম্বুলেন্স গুলি বন্ধকরে অবরোধ করবে চালকেরা ? কিসের কারনে রোগীরা হবে ভোগান্তির শিকার? এমনটি ঘটে চলেছে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে। সরেজমিনে এবং ভোক্তভোগীদের সাথে আলাপ করে জানাযায় গত ৭ এপ্রিল দৈনিক সুনামগঞ্জ খবর পত্রিকার ওয়েব সাইটে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগে ভাইরাল হয়। যেখানে একটি অংশে বলা হয়েছে সিন্ডিকেট দিয়ে হচ্ছে এম্বুলেন্স ব্যাবসা যা বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই বলে দাবী জানিয়েছেন এম্বুলেন্স চালকেরা। জানা যায় হাসপাতালে সরকারী এম্বুলেন্স ১টি। রোগীদের সেবা দানের জন্য এম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করেছেন কয়েকজন ড্রাইভার ও মানবিক যুবকেরা। যেখানে কোন সিন্ডিকেট নেই, ২০/২২টির মত প্রাইভেট এম্বুলেন্স রয়েছে সেখানে । জানা যায় হাসপাতালের তিনটি এম্বুলেন্স এর মধ্যে মাত্র ১টি সচল এবং ১জন ড্রাইভার রয়েছে, বাকি ২টি এম্বুলেন্স বিআরটি কর্তৃক অকেজো ঘোষিত । একটি সরকারী এম্বুলেন্স ধারা কোন ভাবেই সম্ভব নয় রোগীদের সেবা প্রধান করা । ১১টি উপজেলা থেকে শতশত রোগীরা আসে হাসপাতালে। এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট রেফাট করতে হয় অনেক রোগীদের সিলেটে।এসময় সরকারী এম্বুলেন্স অনেকের ভাগ্যে জুটেনা । ভিআইপিদের ফোন বা সুপারিশ লাগে তবে সেটির সন্ধান মিলে। তা নাহলে বছরে একবার ও সেটির দেখা মিলেনা। কোয়াটারের গ্যারেজ অথবা স্টাফদের নিয়ে হাটবাজারে দেখা যায় ব্যস্ত থাকতে সরকারী ড্রাইভার মুহিতকে।
    তখন প্রাইভেট এম্বুলেন্স রোগীদের একমাত্র ভরসা হয়ে দাড়ায়। ২২শত টাকা ,অক্সিজেন না লাগলে দুই হাজার টাকা ভাড়া নিয়ে সিলেট রোগী নিয়ে যাওয়া হয়। সিরিয়াল মোতাবেক চলে ঐসমস্ত এম্বুলেন্স। পাশাপাশি ৯৯৯এ ফোন করেও সরকারী এম্বুলেন্স পাওয়া যায়না অসহায় রোগীদের বেলয়া । ঐ সমস্ত প্রাইভেট এম্বুলেন্স ড্রাইভার এবং মালিকেরা মিলে সাহায্য করে বিনা টাকায় গরীব রোগীদের আনা নেওয়া করেন এমন দৃশ্য দেখা যায় ।
    এতবড় একটি হাসপাতালে প্রাইভেট এম্বুলেন্স ছাড়া ১টি মাত্র এম্বুলেন্স দিয়ে কিভাবে রোগীদের সেবা প্রদান করা সম্ভব সেই প্রশ্ন থেকেই যায়। হঠাৎ করে হাসপাতাল থেকে প্রাইভেট এম্বুলেন্স উদাও হয়ে যাওয়া এবং রোগীদের ভোগান্তির খবর শুনে রবিবার দিন ব্যাপী কয়েকজন সংবাদকর্মী সরেজমিনে অবস্থান নেন । প্রথমে চোখে পরে হাসপাতাল এড়িয়ায় একটিও এম্বুলেন্স নেই । এমন সময় পাথারিয়া গ্রাম থেকে বিষপান করে একটি মেয়ে গুরুত্বর অবস্থায় জরুরী বিভাগে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে সিলেটে রেফার্ট করেন। পরে ঐ রোগীর স্বজনরা দিশেহারা হয়ে পরেন। কোথাও এম্বুলেন্স পাওয়া যাচ্ছেনা ,সরকারী এম্বুলেন্সটি তখন কোয়াটারের গ্যারেজে ছিল? ড্রাইভার মুহিতকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি কোন রোগী নিয়ে সিলেটে যাননি বলে জানান এবং এম্বুলেন্স কোথায় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাকে একজন সাংবাদিক ফোন করে বলেছেন উনার এম্বুলেন্স প্রয়োজন হবে তাই এখনও কোন রোগী নিয়ে যাইনি। এসময় হাসপাতাল এলাকার যুবক নুরুল ইসলামকে বিষটি জানালে তিনি এক প্রাইভেট এম্বুলেন্স এর ড্রাইভারকে ডেকে এনে বিষপান করা রোগীকে সিলেট পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। দিরাই থেকে সড়ক দূর্ঘটনায় আহত রোগী আজাদ মিয়া তিনি হাতে এবং পায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও কোন প্রাইভেট এম্বুলেন্স না পেয়ে জানান, এতবড় একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসছি একটি এম্বুলেন্স পাচ্ছিনা। তিনি বলেন শুনেছি এম্বুলেন্স এর বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছে সেই জন্যে ড্রাইভাররা মিলে এম্বুলেন্স বন্ধ রেখেছেন । সাংবাদিকরা নিউজ করলে মানুষের ভোগান্তি কমে, কিন্তু এখন দেখছি এক সাংবাদিকের নিউজের কারনে জনগণের ভোগান্তি শুরু হয়েছে বলে সিএনজি করে চলে যান।
    এসমস্ত রোগীদের ভোগান্তির চিত্র এবং প্রাইভেট এম্বুলেন্স এর ড্রাইভারদের অবরোধ ছিল দিনবর হাসপাতাল এরিয়ায়। কয়েকজন এম্বুলেন্স মালিক ও ড্রাইভারদের সাথে কথা বললে তারা জানান একটি সুনামধন্য পত্রিকার পেইজে প্রাইভেট এম্বুলেন্সকে জড়িয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে যার জন্য ট্রাফিক সার্জন দ্বারা যদি হয়রানি করানো হয়।এমনটির ভয়ে কোন এম্বুলেন্স ড্রাইভার রোগী নিয়ে সিলেট যেতে চাচ্ছেন না। তারা বলেন নিজেদের পকেট থেকে সাহায্য তুলে অসহায় রোগীদের বিনা টাকায় সিলেটে পৌছে দেন। সুনামগঞ্জ সরকারী এম্বুলেন্স গরীবের ভাগ্যে জুটেনা । প্রাইভেট এম্বুলেন্স দিয়ে সেবা দেওয়া হয় এবং কোন সিন্ডিকেটের মাধমে এম্বুলেন্স ব্যবসা হয়না হাসপাতালে। অসহায় রোগীদের সেবা প্রদান করার লক্ষে পুরাতন মিনি মাইক্রোবাসকে এম্বুলেন্স বানিয়ে সার্ভিস দেওয়ার জন্য কয়েকজন মানবিক যুবকেরা এম্বুলেন্স বানিয়েছেন। জানাযায় সুনামগঞ্জ সানক্রেড হাসপাতালের একটি এম্বুলেন্স রয়েছে যা গরীব রোগী নিয়ে সিলেট গেলে টাকা লাগে ২৫শত টাকার উপরে এছাড়াও আর একটি নতুন এম্বুলেন্স রয়েছে, সেটি ৩ হাজার টাকার নিছে রোগী নিয়ে যায়না। কিন্তু যারা লাইটেস কিনে এম্বুলেন্স বানিয়েছেন তারা ১৮শত থেকে ২ হাজার টাকায় এবং অক্সিজেনসহ ২২শত টাকার মধ্যে রোগী নিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের নিয়ে গিয়ে ভর্তিসহ সেবা প্রদান করে থাকেন। কিন্তু এক সাংবাদিকের আত্মীয়কে না নেওয়ার কারনে তাদের বিরুদ্ধে নিউজ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তরা। এছাড়াও এক এম্বুলেন্স মালিক বলেন ঐ সাংবাদিক ট্রাফিক সার্জনসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের এম্বুলেন্স চলাচল বন্ধ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন । কি করে প্রাইভেট এম্বুলেন্স চলে সেটি দেখে নিবেন বলে হুমকি দামকি দিয়ে আসছেন। তাই এম্বুলেন্স চালকেরা পুলিশের হয়রানিতে পড়বে এমনটির ভয়ে তারা এম্বুলেন্স চালানো বন্ধকরে দিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালণ করছেন। নিউজের কারনে রোগীদের কেন ভোগান্তি হবে এমন প্রশ্নে কয়েকজন চালক ও মালিক বলেন এখন যদি এক সঙ্গে মারামারি করে ২০জন রোগী হাসপাতালে আসেন এবং তাদের সকলকে যদি চিকিৎসার জন্য সিলেট যেতে হয় তাহলে ঐ সাংবাদিকের মোবাইল নাম্বার দিয়ে দিব তিনি এম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা করে দেবেন। আর উনার নিউজের জবাব চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরাই ভাল বলতে পারবেন ফিটনেস বিহীন এম্বুলেন্স কেন চলে। তারা বলেন প্রশাসন যদি অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে এসমস্ত প্রাইভেট এম্বুলেন্স চলাচলের জন্য অনুমতি দেন তাহলে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করবেন বলে জানান। যে নিউজে জনগণের ভোগান্তির কারন সৃষ্টি করে সেই সমস্ত নিউজ না করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান ভোক্তভূগী সাধারন মানুষেরা।###

  • চারঘাট উপজেলা আইন শৃঙ্খলার কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    চারঘাট উপজেলা আইন শৃঙ্খলার কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট (রাজশাহী)

    চারঘাট উপজেলা আইন শৃঙ্খলার কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজমিরা খাতুন, চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক, চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান আলমাছ, চারঘাট মডেল থানার ওসি মাহবুবুল আলম, সরদহ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাসানুজ্জামান মধু, ভায়ালক্ষীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ, নিমপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, শলুয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইউসুফপুর ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম ও চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হক সহ উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিজিবি প্রতিনিধি ও এনজিও প্রতিনিধি গন উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় মাদক প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসারা আহবান জানান। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশি টহল জোরদার করার জন্য ওসি চারঘাটকে অবহিত করা হয়।

    এ ছাড়া বাংলা নবর্বষ যথাযথ ভাবে পালনের জন্য স্বার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক  বিরুদ্ধে মিথ্য মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন  ও সমাবেশ

    যমুনা টেলিভিশনের সাংবাদিক বিরুদ্ধে মিথ্য মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    যমুনা টেলিভিশনের রংপুর ব্যুরো প্রধান সরকার মাজহারুল মান্নান সহ সারাদেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবীতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ সোমবার বেলা ১১টায় পঞ্চগড় সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে শেরে বাংলা চত্বরে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত মানববন্ধন ও সমাবেশে যমুনা টেলিভিশনের রিপোর্টার রনি মিয়াজীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ,সিনিয়র সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম শহীদ,চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের প্রতিনিধি হোসেন রায়হান, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুল আলম, বাংলাভিশনের প্রতিনিধি মোশাররফ হোসেন,এখন টিভি ও কালের কন্ঠের প্রতিনিধি লুৎফর রহমান, পঞ্চগড় জেলা সম্মিলিতি সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক আজহারুল ইসলাম জুয়েল, বোদা প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক রাশেদুজ্জামান বাবু পঞ্চগড় জেলা প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মোঃ বাবুল হোসেন সহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গনমাধ্যমকর্মীরা।

    মানববন্ধনে বক্তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যমুনা টেলিভিশনের রংপুর ব্যুরো প্রধান মাজহারুল মান্নান সহ সকল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, এ আইনে গ্রেপ্তারকৃত সাংবাকিদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবী জানান। অন্যথায় সারাদেশে সাংবাদিকদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবী আদায় করার হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

  • ৯৯৯-এ কল করে সহায়তা চাওয়াই কাল হলো পরিবারের, বাঁচাতে ফেসবুকে প্রবাসী ছেলের আকুতি

    ৯৯৯-এ কল করে সহায়তা চাওয়াই কাল হলো পরিবারের, বাঁচাতে ফেসবুকে প্রবাসী ছেলের আকুতি

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এ কল করে সহায়তা চাওয়াই কাল হয়ে দাঁড়িয়ে একটি পরিবারের। সহায়তা তো পাইনি উল্টো ওই পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। আটকের কয়েকঘন্টা পর সদর থানায় প্রতিপক্ষের করা নারী নির্যাতন মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    আর এমন অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জ সদর থানার গোপীনাথপুর তদন্ত কেন্দ্রের দুই পুলিশের বিরুদ্ধে।

    গত ৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সুকতাইল গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওই দুই পুলিশ সদস্যরা হলেন গোপীনাথপুর তদন্ত কেন্দ্রে উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু হাসান ও সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শ (এএসআই) ওহিদুজ্জামান।

    ভুক্তভোগীরা হলেন সদর উপজেলার শুকতাইল গ্রামের হিরু মোল্লা, তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম ও তাদের ছেলে বাইজিদ মোল্লা।

    পুলিশের এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী। যদিও পুলিশ বলছে, পুলিশের সামনে মামলার বাদীকে মারধর করার অপরাধে তাদের আটক করা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় ও প্রতক্ষ্যদর্শীরা বলছেন ঘটনার সময় ওই মহিলাকে কোন মারধর করা হয়নি।

    প্রতিপক্ষের করা মিথ্যা মামলায় বৃদ্ধ বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের বাঁচাতে ও পুলিশের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আকুতি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের দুবাই প্রবাসী ছেলে।

    প্রতক্ষ্যদর্শী সুত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী হিরু মোল্লার সাথে তার আপন ভাই বিজিবি সদস্য ইয়াহিয়া মোল্লা সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। গত বৃহস্পতিবার (০৬ এপ্রিল) ইয়াহিয়া মোল্লার স্ত্রী চামেলী বেগম হিরু মোল্লার জমিতে জোর করে সেফটি ট্যাংক নির্মাণ করতে যায়। এসময় হিরু মোল্লার বউ ফাতেমা বেগম বাঁধা দেয়। এ সময় ইয়াহিয়া মোল্লার বউ চামেলি বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাবার বাড়ীর থেকে লোকজন ডেকে এনে ফাতেমা বেগম ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হুমকি ধামকি দিয়ে পুনরায় কাজ শুরু করে।

    পরে ফাতেমা বেগম বাধ্য হয়ে পুলিশের জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন দেয়। এ সময় গোপীনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু হাসান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ওহেদুজ্জামান ঘটনাস্থলে আসে এবং নিরেপেক্ষ ভুমিকা পালন করে নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়।

    পরবর্তীতে ইয়াহিয়া মোল্লা বউয়ের সাথে ঘরের ভিতর গিয়ে কথা বলে আচরন পরিবর্তন হয়ে যায় ওই পুলিশ সদস্যদের। পরে ভুক্তভোগী ওই পরিবারকে মিমাংসার কথা বলে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আটক করা হয়। এরপর আটকের কয়েকঘন্টা পর চামেলি বেগম বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ওই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কোর্টে প্রেরণ করা হয়।

    এঘটনার পর ভুক্তভোগী হিরু মোল্লার ছেলে দুবাই প্রবাসী হেলাল মোল্লা গত ৭ এপ্রিল (শুক্রবার) ফেসবুকে পুলিশের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতায় অভিযোগ ও বৃদ্ধ বাবাসহ পরিবার সদস্যদের বাঁচাতে আকুতি করে একটি ভিডিও পোস্ট করেন।

    এ বিষয়ে নাম না প্রকাশ করার শর্তে একাধিক প্রতক্ষ্যদর্শী বলেন, হিরু মোল্লার বউ ফাতিমা বেগম ৯৯৯ ফোন দেওয়ার পর পুলিশ আসলো। প্রথমে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছিলেন। হঠাৎ ওই পুলিশদের ফোনে একটা ফোন আসে এরপর তারা বাদি চামেলি বেগমের ঘরে গিয়ে তার সাথে কথা বলতে দেখা যায়। ঘর থেকে বের হয়ে তারা হিরু মোল্লাসহ তার স্ত্রী ও ছেলেকে মিমাংসার কথা বলে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে আমরা জানতে পারি কয়েকঘন্টা পর তাদের চামেলি বেগমের করা নারী নির্যাতন মামলায় আটক করা হয়েছে।

    পুলিশের সামনে ওই নারী মারধরের কোন ঘটনা ঘটেছে কি না এমন প্রশ্নে তারা বলেন, পুলিশের সামনে কেউ মারামারি করে নাই। শুধু মহিলারা মহিলারা ঝগড়া করছে। এর বেশি কিছু না।

    এ বিষয়ে মামলার বাদী চামেলী বেগম বলেন, আমার স্বামীর রেকর্ডীয় জায়গায় মিস্ত্রি দিয়ে কাজ করছিলাম, হিরু মোল্লার পরিবার শত্রুতা করে বাঁধা দিয়েছে, আমি আইনের আশ্রয় নিয়ে তাদের নামে মামলা করেছি।

    ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম বলেন, চামেলী বেগম একজন মামলাবাজ মহিলা। সে আমাদের পরিবারের সদস্য ও এলাকার সাধারণ মানুষের নামে একাধিক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। আমরা ন্যায় বিচার ও নিরাপত্তার জন্য ৯৯৯ এ ফোন করে ছিলাম, পুলিশ আমাদের আস্থা ভেঙে দিয়েছে। উদ্ধতন কর্মকর্তাদের ফোন ও ঘুষের বিনিময়ে আমাদের পরিবারের ওপর অন্যায় করেছে। স্থানীয় পুলিশের উপর আমরা আস্থা হারিয়ে ফেলেছি। আপনাদের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারসহ উদ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

    এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জাবেদ মাসুদ বলেন, তাদের বিরুদ্ধে সদর থানায় নারী নির্যাতন মামলা হয়েছে। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তারা পুলিশের সামনে মামলার বাদীকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এ বিষয়ে গোপীনাথপুর তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু হাসানের ফোনে একাধিকবার ফোন করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ওহেদুজ্জামান বলেন, আমি কিছুই বলতে পারবো না। উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু হাসান স্যার ও ইনচার্জ যেটা বলবে সেটাই ঠিক।

    গোপীনাথপুর তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (ইনচার্জ) মোশাররফ হোসেন বলেন, পুলিশের সামনে মামলার বাদীর উপর হামলার করায় তাদের আটক করা হয়েছিল। এবং আমরা যেটা বলেছি সেটাই সঠিক।

    জেলা পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, আমি যেমনটি শুনেছি তা হলো ওই মহিলা (ফাতেমা বেগম) ৯৯৯ ফোন করে সহায়তা চেয়েছিলেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের সামনে মামলার বাদী কে মারধর করে। পরে তাদের আটক করা হয়। এ বিষয়ে আমি আরো বিস্তারিত জেনে আপনাদের জানাতে পারবে। #

  • মাদক ব্যবসায়ী ও ইভটিজারদের কোন ছাড় নেই-টুঙ্গিপাড়া থানার নতুন ওসি

    মাদক ব্যবসায়ী ও ইভটিজারদের কোন ছাড় নেই-টুঙ্গিপাড়া থানার নতুন ওসি

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : টুঙ্গিপাড়া থানার নতুন পরিদর্শক (ওসি) এসএম কামরুজ্জামান বলেছেন, মাদক ব্যবসায়ী ও ইভটিজিং কারীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না। কিন্তু একার পক্ষে সবকিছু সম্ভব নয়। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তাই টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কে মাদক ও ইভটিজিং মুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

    রবিবার (০৯ এপ্রিল) রাতে টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

    পরিদর্শক এসএম কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, আপনারা মাদক, ইভটিজিং, নারী নির্যাতন, ও বাল্যবিবাহ সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করুন। সবার চেষ্টায় একটা সুস্থ্য স্বাভাবিক পরিবেশ উপহার দেয়া সম্ভব।

    মতবিনিময় সভায় টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম, মনোজ সরকার, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমরান শেখ, সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক পাভেল সরদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজল সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাক্কির বিল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম (সফিক), সদস্য রকিবুল ইসলাম সহ থানার অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #