উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলে পুলিশ পরিদর্শক গৌরাঙ্গ পালকে বিদায় সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন এসপি সাদিরা খাতুন। আমরা পেশাদারিত্বের স্মৃতিকে অক্ষুন্ন রাখি। গৌরাঙ্গ পাল, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) এর সাতক্ষীরা জেলায় বদলি হওয়ায়
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, ১১ এপ্রিল (মঙ্গলবার) পুলিশ সুপারের কার্যালয় হতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন, নড়াইল। গৌরাঙ্গ পাল, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন), নড়াইল ২০১০ সালে সার্জেন্ট পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ২০১৮ সালে তিনি পুলিশ পরিদর্শক পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হন। চাকুরিসূত্রে তিনি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নড়াইল জেলায় যোগদান করেন। এছাড়া তিনি কেএমপি, ডিএমপি, ঝিনাইদহ ও খুলনা জেলায় বিভিন্ন সময় কর্মরত ছিলেন। তিনি পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) হিসেবে নড়াইল জেলায় যথেষ্ট সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে কাজ করেছেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নড়াইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
Author: desk
-

নড়াইলে পুলিশ পরিদর্শক গৌরাঙ্গ পালকে বিদায় সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন এসপি সাদিরা খাতুন
-

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নেক ব্লাস্টে দিশেহারা কৃষক জানেন না কৃষি কর্মকর্তারা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ধানের নেক ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। এতে ধানের শীষ শুকিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ কয়েক দিনের ব্যবধানে এসব ক্ষেতের ধানে এ রোগ দেখা দেয়। বিশেষ করে ব্রি-৬৩ ধানে এ রোগ বেশি দেখা দিয়েছে। কিছু কিছু ২৮ ধাানের ক্ষেতেও এ রোগ মিলছে। অনেকে ঋণ ও ধার দেনা করে চাষ করছেন। ধান নষ্ট হয়ে যাওয়া তারা এখন দিশেহারা। তবে ধানের এ সমস্যার কথা কিছুই জানেন না সংশ্লিষ্ট এলকার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। সোমবার সকালে বিষয়টি তাদের অবগত করালে জানান, আজ মিটিং এ আছে কাল খোঁজ নিয়ে দেখবো। চলতি ইরি মৌসুমে কালীগঞ্জ উপজেলায় ১৫ হাজার ৭১৫ হেক্টর জমিতে ধানের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে ব্রি ধান ৬৩ চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে। তবে এ রোগ দেখা দিলে ট্রাইসাইক্লাজল গ্রুপের ট্রুপার স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার রায়গ্রাম ইউনিয়নের খামারমুন্দিয়া গ্রামের মাঠে তরিকুল ইসলামের এক বিঘা, দলিল উদ্দীনের এক বিঘা ও মোমিন উদ্দীনের দুই বিঘাসহ ওই এলাকার বেশ কিছু জমির ধান হঠাৎ শুকিয়ে যাচ্ছে। একই ভাবে ইউনিয়নের রায়গ্রামের মাঠে তপন কুমার মন্ডলের ৮ শতক ও পরিতোষ ঘোষের এক একর জমির ধান শুকিয়ে গেছে। শিমলা-রোাকনপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মনজের আলীর দুই বিঘা ধান শুকিয়ে যাচ্ছে। তবে কি কারণে এমনটি হচ্ছে এ বিষয়ে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে কথা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে কৃষকরা তাদের চেনেন না বলে উল্লেখ করেন। রায়গ্রাম ইউনিয়নের খামারমুন্দিয়া গ্রামের কৃষক দলিল উদ্দীন জানান, চলতি ইরি মৌসুমে আমি দুই বিঘা জমিতে ধান চাাষ করেছিলাম। এরমধ্যে এক বিঘা জমিতে ব্রি-৬৩ ধান ছিল। গত কয়েকদিন আগে মাঠে গিয়ে দেখি কিছু কিছু ধানের শীষ সাদা হয়ে যাচ্ছে। এসময় স্থানীয় কীটনাশক ও সার ব্যবসায়ীর পরামর্শে ওষুধ স্প্রে করি কিন্তু কোন কাজ হয়নি। কয়েকদিনে মধ্যে জমির সব ধান সাদা হয়ে গেছে। এখন ওই জমিতে একটি ধান আর হবে না। কৃষি কর্মকর্তাকে বিয়য়টি জানিয়েছেন কিনা প্রশ্নে তাকে চিনি না এবং তাকে কখনোা মাঠে আসতে দেখিনি বলে জানান। কৃষক লালন হোসেন জানান, আমার এক বিঘা জমির ধান হঠাৎ শীষে পচন ধরে নষ্ট হয়ে গেছে। পাশ্ববর্তী মনোহরপুর গ্রামের কৃষক মনজের আলী বলেন, এ বছর আমি দুই বিঘা জমিতে ২৮ ও ৬৩ ধানের চাষ করেছিলাম। গত কয়েক দিনে হঠাৎ ধানের শীষের গলায় পচন ধরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জমির অর্ধেকের বেশি ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এখন কি করবো বুঝতে পারছি না। কৃষি অফিসাররাও আমাদের কোন খোঁজ খবর নেয় না বলে উল্লেখ করেন। একই ইউনিয়নের মেগুরুখদ্দা গ্রামের কৃষক ইমদাদ হোসেন জানান, আমার জমির পাশে তপন কুমার মন্ডল নামে এক কৃষক ৮ শতক জমিতে ২৮ ধান করেছিল। গত কয়েকদিনে জমির সব ধান লাল রং হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। রায়গ্রাম ইউনিয়নের দ্বায়িত্বে থাকার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাকারিয়া রায়হান জানান, আমি এখন মিটিং এ আছি। অতিরিক্ত গরমে কারনে ধানের এমন হচ্ছে। আমি কাল বিষয়টি দেখবো। কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলম রনি জানান, কোন কৃষক আমাদের এখনো জানায়নি। তবে গরমের কারনে এমনটি হতে পারে অথবা ছত্রাকের কারনেও ধানে পচন ধরে শুকিয়ে যেতে পারে। পচন রোগ দেখা দিলে ট্রাইসাইক্লাজল গ্রুপের ট্রুপার স্প্রে করার পরামর্শ দেন তিনি।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান -

নড়াইলে গ্যাস লাইট বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকান্ডে ৫টি পরিবারের প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলে গ্যাস লাইট বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকান্ডে ৫টি পরিবারের প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি। নড়াইলের শামুকখোলা গ্রামে আগুনে ৫টি পরিবারের ছোট-বড় ১০টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে করে প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১১ এপ্রিল) নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের শামুকখোলা গ্রামের শহিদ মোল্যার রান্না ঘরে চুলার পাশে থাকা গ্যাস লাইট বিস্ফোরিত হয়ে সৃষ্ট অগ্নিকান্ডে শহিদ মোল্যার ২টি ঘর, শফিক মোল্যার ৩টি ঘর, তবিবর মোল্যার ২টি ঘর, নাজমুল কাজীর ১টি ঘর ও শরিফুল কাজীর ২টি ঘরসহ নগদ ৩ লক্ষ টাকা ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। এ সময় আগুনে শফিক মোল্যার ২টি গরু পুড়ে গেছে। আগুন নেভানোর সময় তবিবর মোল্যা ও রোজিনা বেগম আহত হয়। তাদেরকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসী ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে খবর পেয়ে নড়াইলের লোহাগড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। -

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে টিআইবি’র পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত, সমস্যা সমাধানে তত্বাবধায়কের আশ্বাস
রিপোর্ট : ইমাম বিমান
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালকে জনবান্ধব সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাষ দিলেন হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ শামীম আহমেদ। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) এর এক অধিপরামর্শ সভায় হাসপাতালের সুনাম বৃদ্ধিতে সকলের সহযোগিতা চেয়ে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং সমস্যা সমাধানে আশ্বাস দেন তত্বাবধায়ক। ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে টিআইবি’র সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) এক অধিপরামর্শ সভায় এ আশ্বাস দেন তত্বাবধায়ক।
সভায় সনাকের পক্ষ থেকে হাসপাতালের ডাক্তার সংকট, এক্স-রে ফিল্ম সংকট, দালালদের হয়রানি, হুইল চেয়ার বা ট্রলির সংখ্যা বাড়ানো, টয়লেটে নারী-পুরুষের আলাদা চিহ্নিতকরণ, হাসপাতালের ওয়েবপোর্টাল বা তথ্য বাতায়ন হালনাগাদ করা ইত্যাদি বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। এছাড়াও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র বিশেষায়িত মোবাইলভিত্তিক এপস্ (প্যাক্টঅ্যাপ) এর মাধ্যমে কমিউনিটি মনিটরিং এ প্রাপ্ত সমস্যাগুলো সভায় তুলে ধরে তা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষকে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ঝালকাঠির সদস্যরা অনুরোধ জানান। যেসকল সমস্যা স্থানীয়ভাবে সমাধান করা সম্ভব নয়, তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নিতেও আহ্বান জানান তারা।
সভায় সনাকের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হেমায়েত হোসেনের নেতৃত্বে
সভায় উপস্থিত ছিলেন, সনাক’র স্বাস্থ্য উপকমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার, কবিতা হাওলাদার, ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) গ্রুপ, এক্টিভ সিটিজেন্স গ্রুপের (এসিজি) সদস্যবৃন্দ ও টিআইবি’র কর্মীবৃন্দ। -

বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ
বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন (বিএলএফ)’র আয়োজনে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ১০ই এপ্রিল বিকেল চারটায় ডবলমুরিং থানাধীন আগ্রাবাদে হাজীর মিষ্টি মেলা এন্ড রেস্টুরেন্টে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন (বিএলএফ) চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি সৈয়দ রবিউল হক শিমুলের সভাপতিত্বে এবং মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়ার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন (বিএলএফ)’র কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দা আজিজুন নাহার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম পিকআপ সিএনজি টেম্পু ও পণ্য পরিবহন মালিক চালক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলা সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. ফারুক হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে (বিএলএফ)’র কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ- সভাপতি সৈয়দা আজিজুন নাহার বলেন,গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। সেই সঙ্গে নিত্যপণ্যের দাম লাগামহীনভাবে দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যুনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাই।
বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন বিএলএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রবিউল হক শিমুল বলেন,বছরের ১১ মাস মালিকের জন্য শ্রম দিলেও অধিকাংশ হোটেল শ্রমিককে রোজার মাসে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয়। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সকল পেশার শ্রমিকদেরকে ২০ রমজানের মধ্যে বেতন ও ঈদ বোনাস প্রদানের জন্য সকল মালিকদের নিকট অনুরোধ জানান তিনি।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদ, বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার ভূঁইয়া, জেলার সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দিন, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম, মহানগর বিএলএফ যুগ্ম- সম্পাদক হাজী আলমগীর হোসেন, সাইফুল ইসলাম শাহীন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স গার্মেন্টস ফেডারেশন চট্টগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন মজনু, বিভাগীয় যুব কমিটির সভাপতি আমির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবদুস সোবহান সুমন,
নব-নির্বাচিত চট্টগ্রাম মহানগর যুব কমিটির সভাপতি মো. জাবেদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর আলম, জেলা যুব কমিটির সভাপতি মো. মাসুম বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মো.হানিফ, আব্দুর রহিম ভূঁইয়া, জিয়াউদ্দিন রানা, গুলজার বেগম, জাবেদ চৌধুরী ও এম এম ইউ হেলাল প্রমূখ।এছাড়াও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন বিএলএফ চট্টগ্রাম জেলা, বিভাগীয় যুব ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণে সাধারণ শ্রমিকদের পাশে থাকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ও বিশ্ব মুসলিম উম্মার শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।
-

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে ডিবি পুলিশের হাতে রক্ষা পেলেন না মামুন ইয়াবা সহ আটক
মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়; পঞ্চগড় সদর উপজেলায ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ী। এসময় গ্রেফতার করা হয় মামুনের সহযোগী তুষার আলম প্রধান (৪০) কে।
রবিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের ফুলপাড়া থেকে মামুনকে ও পঞ্চগড় পৌরসভার রামের ডাংগা এলাকা থেকে তুষারকে গ্রেফতার করা হয়। তবে রায়হান (৩২) নামে মামুনের অপর এক সহযোগী পলাতক রয়েছে।
পরে তাদের বিরুদ্ধে রবিবার (৯ এপ্রিল) রাতেই পঞ্চগড় সদর থানায় মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন করেছে ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) লিপন কুমার বসাক। পরে গ্রেফতারকৃতদের সোমবার দুপুরে আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠিয়েছে বলে জানায় ডিবি পুলিশ।
গ্রেফতার হওয়া আসামি মামুনুর রশিদের বাড়ি উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের ফুলপাড়া এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মশিউর রহমানের ছেলে।
এছাড়া মামলার অপর দুই আসামি তুষার আলম প্রধানের বাড়ি পঞ্চগড় পৌরসভার রামের ডাংগা এলাকায় এবং রায়হানের বাড়ি পঞ্চগড় পৌরসভার পুরাতন ক্যাম্প এলাকায়।
ডিবি পুলিশ ও মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের ফুলপাড়া এলাকার টমেটো চাষী ও ব্যবসায়ী মাসুদ রানা (৩৮)’র সাথে একই এলাকার টমেটো ব্যবসায়ী মামুনুর রশিদের ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্ব ছিল। পরে গেল শনিবার (০৮ এপ্রিল) মামুন তার সহযোগী রায়হানের মুঠোফোন থেকে মাসুদকে কল করে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের মেসার্স রশিদ বীজ ভান্ডারের সত্ত্বাধিকারী পরিচয় দিয়ে তার টমেটো ক্ষেতে সাথী ফসল হিসেবে ঢেঁড়স চাষাবাদ করতে পারমর্শ দেন। পরামর্শ মোতাবেক মামুন মাসুদকে রবিবার দুপুরে বাসযোগে বাসের হেলপার জহিরুল ইসলামের মাধ্যেমে ঢ়েড়স বীজ পাঠানোর কথা জানান। পরে হেলপার জহিরুল ইসলাম রবিবার বিকেলে মাসুদকে মুঠোফোনে কল করে বীজগুলো গ্রহণ করার অনুরোধ করেন। পরে ব্যাংকে ব্যাক্তিগত কাজ শেষে মাসুদ তার ব্যবসায়ীক পার্টনার চাঁদপুর জেলার টমেটো ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে সাথে নিয়ে পঞ্চগড় পৌরসভার ধাক্কামারা এলাকায় ঢেঁড়স বীজ আনতে যান টমেটো ব্যবসায়ী মাসুদ। পরে মামুনের সহযোগী তুষার ডিবি পুলিশকে ফোন করে জানায় ধাক্কামারা এলাকায় প্রকাশ্যে ইয়াবার বেচাকেনা চলছে। খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪ প্যাকেট ঢেঁড়স বীজ ও একটি প্যাকেটের ভেতর ৯৫ পিছ ইয়াবা উদ্ধার করে। যার আনুমানিক বাজার মূল্যে ১৯ হাজার টাকা বলে জানায় ডিবি পুলিশ। পরে মাসুদ ও খোরশেদকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যান ডিবি পুলিশের সদস্যরা। পরে তাদের দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ব্যবসায়ী মাসুদ রশিদ বীজ ভান্ডার থেকে ঢেঁড়স কেনার ঘটনাটি খুলে বলেন। পরে ডিবি পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্তে নামে। পরে অল্প সময়ের মধ্যে মাসুদকে কল করা নম্বর ও তথ্য দাতাদের নম্বর ও অবস্থান ঘেটে পুলিশ মামুন, তুষার ও রায়হান নামে তিনজন এ ঘটনায় জড়িত থাকার সত্যতা পায়। পরে রবিবার সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে মামুন ও তুষারকে গ্রেফতার করে। তবে অভিযানের খবর টের পেয়ে মামুনের সহযোগী রায়হান পালিয়ে যায়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, সোমবার দুপুরে আসামিদের আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন। মামলার অপর আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমাদের কাছে রহস্যজনক মনে হলে আমরা তদন্তে নামি। পরে আমরা তদন্তে পাই যে এক নিরীহ ব্যবসায়ীকে ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বের জেরে ফাঁসানোর জন্য হেলপার জহিরুলকে ১০০ টাকা দিয়ে ৪ প্যাকেট ঢেঁড়সের বীজ ধরিয়ে দিয়ে ব্যবসায়ী মাসুদকে দিতে বলা হয়েছিল। পুরো ঘটনাটি মামুন নামে এক ব্যবসায়ী সাজিয়েছেন। পরে আমরা মামুন ও তুষারকে গ্রেফতার করি এবং ব্যবসায়ী মাসুদ, খোরশেদ ও বাস হেলপার জহিরুলকে ছেড়ে দেই। আমরা চাই যেন কোন নিরীহ মানুষকে এভাবে ফাঁসানো না হয়। এ ব্যাপারে আমরা সজাগ দৃষ্টি রাখছি।
-

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ৯’শ৫০ মেট্রিকটন কয়লা নিয়ে মেসিনিয়ান স্পায়ার ভিরলো পায়রা ঘাটে
এস আল-আমিন খাঁন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।
পায়রা বন্দরের ইনার আনকোরেজে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবচেয়ে বেশি পরিমান কয়লা নিয়ে ৯’এপ্রিল সোমবার শেষ বিকেলের দিকে ‘মেসিনিয়ান স্পায়ার’ নামের একটি জাহাজ ভিড়ছে। বাহামস এর পতাকাবাহী এ জাহাজটি ৪০ হাজার ৯শ‘ ৫০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে বন্দরের ইনার আনকোরেজ এসে পৌছায় যা বাংলাদেশের ইতিহাসের এই প্রথম রেকর্ড করলেন স্বপ্নের পায়রা বন্দরের।পায়রা বন্দরের পাইলট গোলাম রব্বানী বলেন, ১০.২০ মিটার গভীরতা এ জাহাজটির দৈর্ঘ্য ১৯০ মিটার ও প্রস্থ ৩২ মিটার।
পায়রা বন্দর সূত্রে আরও জানাগেছে, ইন্দোনেশিয়ার বালিকপানান বন্দর থেকে ১ সপ্তাহ আগে পায়রা বন্দরের উদ্দেশ্যে কয়লা নিয়ে যাত্রা শুরু করে জাহাজটি।পায়রা বন্দরের পাইলট আলী ইয়াকুব আলম সোমবার বিকেলে বন্দরের আউটার থেকে ইনার আনকোরেজে জাহাজটি নিয়ে আসেন।
বাংলাদেশের যে কোন বন্দরের থেকে পায়রা বন্দরের গভীরতা এখন সবচেয়ে বেশি। দেশের ইতিহাসে এর আগে কোন বন্দরের ইনার আনকোরেজে ৪০ হাজার ৯শ‘ ৫০ মেট্রিক টন মাল নিয়ে জাহাজ ঢুকতে পারেনি। এই প্রথম পায়রা বন্দরের ইনারে বাহামস এর পতাকাবাহী জাহাজটি ভিড়েছে। আগামী মঙ্গলবার থেকেই মাল খালাস কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়াও চলতি সপ্তাহে ৬০ হাজার মেট্রিক টনের আরও একটি বড় জাহাজ পায়রা বন্দরে আসার কথা রয়েছে বলে জানান পায়রা বন্দরের মিডিয়া ইউংস ও ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক আজিজুর রহমান।
-

গোপালগঞ্জে কৃষকদের সিআইজি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপার্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে কৃষক ও কৃষাণীদের সিআইজি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থ বছরের ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম ফেজ প্রজেক্ট প্রকল্পের আওতায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিস এ সিআইজি কংগ্রেসের আয়োজন করে।
আজ মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর বয়রা ঘোনাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে অনুষ্ঠিত সিআইজি কংগ্রেসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি গোপালগঞ্জ সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আ: কাদের সরদার।
চরবয়রা ঘোনাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি ও সিআইডি সংগঠক আলহাজ্ব খন্দকার মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিআইজি কংগ্রেসে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর হর্টি কালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক মো: মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাফরোজা আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ লিয়াকত হোসেন, চরবয়রা ঘোনাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ অহেদুল ইসলাম, সিবি ঘোনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন শাহজাহান শেখ, কৃষক আকরাম হোসেন, কৃষাণী বিনা বিশ্বাস বক্তব্য রাখেন।
এ সিআইজি কংগ্রেসে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা, হরিদাসপুর, রঘুনাথপুর ও বোড়াশী ইউনিয়নের ১০টি সিআইজির দুই’শ কৃষক ও কৃষাণী অংশ নেন।
প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি গোপালগঞ্জ সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আ: কাদের সরদার বলেন, সিআইজি হল কৃষকদের ‘কমন ইন্টারেস্ট গ্রুপ।” এই গ্রুপের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নিজেদের মধ্যে একতা বৃদ্ধি ও স্থায়ী সংযোগ স্থাপন করা। সিআইজি সদস্যরা তাদের কৃষির সমস্যা চিহ্নিত করবেন। তারপর সমাধানের উপায় নির্ধারণ করবেন। উন্নয়নের বাস্তব ভিত্তিক স্মার্ট পরিকল্পনা গ্রহন করে তারা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। কৃষক নিজে সাবলম্বী হবেন। তারা দেশের খাদ্য উতপাদন বৃদ্ধি করবেন। সেই সাথে কৃষক ও কৃষাণী গ্রুপের সদস্যদেরও আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবেন। টেকসই ও স্মার্ট কৃষি তারা নিশ্চিত করবে। #
-

গোপালগঞ্জে জমি বিরোধের জেরে ফলদ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে জমি বিরোধের জের ধরে খোকন আরাফাতের বসত বাড়ীর প্রায় ৪ লাখ টাকার ফলজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মৈয়ার আরাফাত ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১০ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার পশারগাতী ইউনিয়নের পশারগাতী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দিনই মৈয়ার আরাফাত (৭০), বিনা বেগম (৪৫), তিহামসহ (২২) মোট ৫ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী মোছা: বিছু বেগম মোবাইল ফোনে জানান, ২০০৬ সালে আমার চাচা শ্বশুর একটি জমি দেন। জমিটি গর্ত ছিল। পরে দেড় লাখ টাকা খরচ করে জমিটি ভরাট করে বাড়ী তৈরী করে থাকি। এসময় জমির বাকী অংশে আম, জাম, কাঁঠাল, আমলকি, জলপাই, খেজুর ও পেয়ারা গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলের গাছ লাগাছ। প্রত্যেকটি গাছে ফল ধরেছে। আমার স্বামী ঢাকায় সিএনজি চালায়। বেশি কিছু দিন হলো আমরা ঢাকায় রয়েছি। এ সুযোগে প্রতিবেশী মৈয়ার আরাফাত ও তার লোকজনের এই জমি নিজের দাবী করে আমার সব গাছগুলো কেটে ফেলে।
ভুক্তভোগীর স্বামী মো: খোকন আরাফাত বলেন, আমি একদিন সিএনজি না চালালে সংসার চালাতে কষ্ট হয়। ফলে আমাকে ঢাকায় থাকতে হয়। আমার স্ত্রী বেশ কিছু ফলদ গাছ লাগিয়েছিল। তা কেটে ফেলেছে। এটা শুনে আমার পরিবার নিয়ে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে ছুটে আসি। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন জমি দখলে বাঁধা দিলে মৈয়ার আরাফাত ও তার লোকজন আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করতে থাকে। প্রতিবাদ করলে এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা মারতে আসে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় আমি মৈয়ার আরাফাত (৭০), বিনা বেগম (৪৫), তিহাম (২২) সহ মোট ৫ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মৈয়ার আরাফাতের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব না হলেও তার স্ত্রী বিনা বেগম বলেন, জায়গাটি আমাদের। তাই আমরা আমাদের জায়গার গাছ কেটে নিয়েছি এতে কার কি? জমি নিয়ে আগে সালিশ বৈঠক হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সালিশ বৈঠকের রায় আমরা মানি না।
এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা মুকসুদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার জানান, অভিযোগ পেয়ে পুলিশের একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করি। ফলদ গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। পরবর্তীতে তারা আর গাছ কাটতে পারেনি। যে সকল গাছ কেটেছে সবগুলো গাছ ঘটনাস্থলে রয়েছে। জমির কাগজপত্র নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পশারগাতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আ: রহমান মীর বলেন, ধারনা করা হচ্ছে কয়েক লাখ টাকার গাছ কেটে মারাত্মক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার বিচার শালিস হয়েছিল। কিন্তু কাগজপত্র দেখে শালিসের রায় দিলেও মৈয়ার আরাফাত ও তার লোকজন মানেনি। তবে তারা চাইলে বিষয়টি মিমাংসার জন্য আমি আবারও চেষ্টা করবো। #
-

কুমিল্লার কাবিলায় দারুল আজাহার মাদ্রাসা কমপ্লেক্সেরের ইফতার ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে, রবিবার বিকালে কুমিল্লার বুড়িচংউপজেলার কাবিলার পরিহালপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে মহাসড়কের পাশে ইসলামী দিনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল আজাহার মাদ্রাসা কমপ্লেক্সে ।আর এই কমপ্লেক্সের উদ্যাগে ইফতার ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও অত্র প্রতিষ্ঠানের পিন্সিপাল মাও সৈয়দ আবদুল কাদের জামাল। এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন ওমর ফারুক, মোঃফরিদ মৃধা, মোঃমোয়াজ্জেম হোসেন,মোঃ আঃরব,হাজী মিজানুর রহমান, মোঃজায়েদুল আলম,আঃআলীম সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ। অনুষ্ঠানে মেধাবী ও বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি ।পরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ শিক্ষকদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।