Author: desk

  • বানারীপাড়ায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ll এলাকায় বিচারের দাবিতে তোলপাড়

    বানারীপাড়ায় ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ll এলাকায় বিচারের দাবিতে তোলপাড়

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা।। বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের জম্বদ্বীপ গ্রামের সুলতান ব্রিজের পাশে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগের বিচার দাবিতে তোলপাড়। শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

    শিশুটি বাবা সোহল জানান, ১২ এপ্রিল বুধবার সকাল সারে ১০টার দিকে তাদের পার্শ্ববর্তীর ব দাদা সম্পর্কীয় ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী কালাম (৫৫) তার শিশু কন্যাকে চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে। পাশের রাহাদের প্রাইভেট পড়ানোর ফাঁকা ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

    এদিকে মেয়েকে খুঁজতে বের হয়ে তার মা সীমু ঘটনাস্থলে হাজির হলে শিশুটি তার সঙ্গে কালামের অনৈতিক আচরণের বিষয়টি মাকে বলে দেয়।

    এসময় মা সীমুর ডাকচিৎকারে বাবাসহ স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। লম্পট কালাম প্রথমে ধর্ষণ চেষ্টার কথা অস্বীকার করলেও এক পর্যায়ে ভুল হয়েছে বলে তাদের কাছে ক্ষমা চায়।

    শিশুটির বাবা-মা জানান, কালাম তাদেরকে বিষয়টি চেপে যাওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা নেওয়ার ও প্রস্তাব দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পূর্বে সুচতুর কালাম গা ঢাকা দেয়।

    এদিকে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কালামের ভাইসহ স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল পায়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভিকটিমের পরিবার ও এলাকাবাসী লম্পট কালামের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

    এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার এসআই ওসমান গনি জানান অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

  • তেঁতুলিয়ায় ২৬৩ বস্তা সারসহ বিসিআইসি ডিলার আটক অতঃপর কারাগারে

    তেঁতুলিয়ায় ২৬৩ বস্তা সারসহ বিসিআইসি ডিলার আটক অতঃপর কারাগারে

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ তেঁতুলিয়ায় অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ২৬৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দসহ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) ডিলার ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফা জামাল রাজুকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নে অভিযানকালে সরকারপাড়া গ্রামের মৃত মহিব উদ্দিনের ছেলে ফয়জুল হকের বাড়ীতে রাখা ১৭৩ বস্তা এবং কালদাসপাড়া এলাকায় মোস্তাফা জামাল রাজুর নিজস্ব চায়ের বাগানে মজুদ রাখা ৯০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহাগ চন্দ্র সাহা। শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) আটককৃত বিসিআইসি ডিলারকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    অভিযানের সময় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ তারেক হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জীবন ইসলাম, তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ চৌধুরী, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মোতালেব, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস ফারুক, ইউপি সদস্য মোঃ আইবুল হক, ইউপি সদস্য আতাউর রহমান, ইউপি সদস্য তারিফ হোসেন প্রধান, সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ সর্বসাধারনগণ উপস্থিত ছিলেন।

    জানা যায়, ওই ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স রুম্পা এন্টারপ্রাইজের মালিক সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল (রাজু)। মোস্তফা জামাল রাজু বাজারে সারের দাম বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবৈধভাবে দুটি স্থানে ২৬৩ বস্তা ডিএপি সার মজুত করে রেখেছিলেন। দেশে সারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার খবরে কৃষকদের বরাদ্দকৃত সার রাতের আধাঁরে ও ভোর রাতে বিভিন্ন জায়গায় মজুদ করে রাখেন মোস্তফা জামাল (রাজু)। দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পর গত মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) সকাল থেকে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মচারীরা ডিলার পয়েন্টে সার মজুদের তথ্য সংগ্রহ করেন এবং পূর্বের দরে বিক্রি করার পরামর্শ দেন। তারই ধারাবাহিকতায় মেসার্স রুম্পা এন্টারপ্রাইজে এমওপি-৫০ বস্তা ও টিএসপি-৫০ বস্তা মজুদের বিবরণ দেয়া হয়েছে। বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স রুম্পা এন্টারপ্রাইজ কর্তৃক অবৈধভাবে মজুদের তথ্যের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়েক জন সাংবাদিক গত বুধবার সকালে ফয়জুল মিস্ত্রীর বাড়ীর বাহিরে তাঁর পরিবারকে অবৈধভাবে সার মজুদ রাখার কথা জিজ্ঞাসা করতেই রাগান্বিত হয় এবং বাড়ীর ভিতর প্রবেশ করতে বাঁধা দেয়। ওই সময়ে সাংবাদিকরা উপায় অন্ত খুঁজে না পেয়ে চলে আসেন শিলাইকুঠি বাজারে। এদিকে সাংবাদিকগণ ফিরে আসার ২০ মিনিটেই ফয়জুলের ছেলে মমিরুল অটো ভ্যানে সার গুলো অন্যত্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য লোড শুরু করেন। সোর্সের মাধ্যমে তাৎক্ষনিক খবর পেয়ে সাংবাদিকগণ উপস্থিত হোন এবং ভ্যানে লোডকৃত সার গুলো ক্যামেরা বন্দি করেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহাকে অবগত করা হলে তিনি কৃষি অফিসার জাহাঙ্গীর আলমকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে দেন। এরপর উপজেলা কৃষি অফিসার জাহাঙ্গীর আলম সরেজমিনে এসে ফয়জুল হকের বাড়ীতে থাকা আনুমানিক ১৬৩ বস্তা ও চা-বাগানে আনুমানিক ৭৬ বস্তা ডিএপি সারের জব্দ তালিকা দেখিয়ে চেয়ারম্যানের ও ইউপি সদস্যদের হেফাজতে রাখেন। পরের দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহাগ চন্দ্র সাহা অভিযান পরিচালনা করলে সর্বসাকুল্যে ২৬৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ তালিকা করা হয়।

    স্থানীয় কৃষকরা বলেন, দাম বৃদ্ধির লক্ষ্যে এভাবে সার মজুত করা হয়। পরে কৃষকদের কাছ থেকে সারের দাম বেশি নেওয়া হয়। খুব ভালো হয়েছে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

    সারের ডিলার ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফা জামান রাজু বলেন, আমি সারের ডিলার। আমিতো চুরি-ডাকাতি করিনি। গতকালও ইউরিয়া সারের জন্য টাকা পেমেন্ট করলাম। বুড়াবুড়ি বাজারে গোডাউন না পাওয়ায় এখানে রাখতে হয়েছে। এসব বিষয়ে কোনো আইন জানা না থাকায় এভাবে রেখেছিলাম। তাই আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সারগুলো পূর্বের দামে বিক্রি করে দেওয়ার অনুরোধ জানালেও কাজ হয়নি।
    তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ চৌধুরী বলেন, সার জব্দের ঘটনায় বিসিআইসির ডিলার মেসার্স রুম্পা ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল রাজুকে থানা হেফাজতে নেওয়ার নেয়ার পর মামলা দায়ের করে আজ (১৪ এপ্রিল) আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, মেসার্স রুম্পা ট্রেডার্সের মালিক ও ডিলার মোস্তফা জামাল রাজু তার গোডাউনে সার না রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রির লক্ষ্যে অবৈধভাবে ২৬৩ বস্তা সার মজুত করে রাখেন। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে আমরা প্রথমে একটি বাড়ি থেকে ১৭৩ বস্তা ও অন্য একটি স্থান থেকে ৯০ বস্তা ডিএপি সার উদ্ধার করে জব্দ করি। এ ঘটনায় বিসিআইসির ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাকে থানা হেফাজতে নেওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
    তিনি আরোও বলেন, সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • সিরাজগঞ্জের সলঙ্গ হতে ৪৮ কেজি ৯৬০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ জন  আটক করেছে র‌্যাব-১২-পিকআপ জব্দ

    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গ হতে ৪৮ কেজি ৯৬০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ জন আটক করেছে র‌্যাব-১২-পিকআপ জব্দ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    ১। র‌্যাব-১২ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের পাশাপাশি মাদক দ্রব্য উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারসহ নেশার মরণ ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার জন্য র‌্যাবের জোড়ালো তৎপরতা অব্যাহত আছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ১৪ এপ্রিল ২০২৩ খ্রিঃ রাত ০৪.৫০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুল গোলচত্তরের দক্ষিণ পার্শ্বে পাবনাগামী মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে কাঁচা বাজারের সামনে পাকা রাস্তার উপর একটি পিকআপ তল্লাশী চালিয়ে ৪৮ কেজি ৯৬০ গ্রাম গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাহাদের সাথে থাকা মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের ও বহনের কাজে ব্যবহৃত ০১টি পিকআপ ও ০২ টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ হামিদুর রহমান (৩২), পিতা-মোঃ সাইফদ্দীন, ২। মোঃ আব্দুল খালেক(৩০), পিতা-পিয়ার আলী, উভয় সাং-আনারপুর, থানা-সাপাহার, জেলা-নওগাঁ।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।

    ৪। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাদেরকে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ উপরোক্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়াতে প্রদর্শনের জন্য অনুরোধ করা হলো। যে কোন প্রয়োজনে ফোন করুন মিডিয়া সেল মোবাইল নং- ০১৭৭৭-৭১১২৪৩

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন

    কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ

    ফোন-০২-৫৮৮৮৩১৮৫৯(অফিস)

  • আদিতমারীতে দুই জনকে গ্রেফতার করেন জুয়ার সরঞ্জামাদিসহ

    আদিতমারীতে দুই জনকে গ্রেফতার করেন জুয়ার সরঞ্জামাদিসহ

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের আদীতমারী থানার বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩নং কমলাবাড়ী ইউনিয়নের বড় কমলাবাড়ী এলাকা হতে জুয়া সরঞ্জামাদিসহ দুইজন কে গ্রেফতার করেন আদিতমারী থানার পুলিশ।

    গত (১৩ই এপ্রিল) ২০২৩ইং বৃহস্পতিবার
    লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাম্মেল হক, এর নেতৃত্বে এসআই/কমল কিশোর ঘোষ, এসআই/হামিদুল ইসলাম, এএসআই/গোপাল, এএসআই/তপন সহ আদিতমারী থানাধীন ৩নং কমলাবাড়ী ইউনিয়নের বড় কমলাবাড়ী মৌজাস্থ জনৈক মো: শরীফ উদ্দিন, পিতামৃত: আ: জব্বার, সাং- চন্দনপাঠ এর বাঁশঝাড়ে জুয়া খেলা অবস্থায় খেলার সরঞ্জামাদিসহ দুই জুয়ারুকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত জুয়ারু আসামীরা হলেন আরিফুল ইসলাম (৩২), পিতা- মোঃ জালাল উদ্দীন, আইনুল ইসলাম (২৮), পিতা- মো: ফয়েজ উদ্দিন, উভয়ের সাং- বড় কমলাবাড়ী, থানা- আদিতমারী, জেলা: লালমনিরহাট।গ্রেফতারকৃত জুয়ারুদের কে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করলে জনাব রওজাতুন জান্নাত,সহকারী কমিশনার(ভূমি), আদিতমারী ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, আদিতমারী, লালমনিরহাট উক্ত জুয়ারুদের কে ০৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০/-( একশত) করে জরিমানা করেন। আসামীদের জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

    লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাম্মেল হক,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩নং কমলাবাড়ী ইউনিয়নের
    বড় কমলাবাড়ী এলাকা হতে জুয়া সরঞ্জামাদিসহ০২জন জুয়ারু কে গ্রেফতার করেন আদিতমারী থানার পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • পানছড়িতে আলোকিত ধুধুকছড়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    পানছড়িতে আলোকিত ধুধুকছড়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নের ধুধুকছড়াবাসীর ১ম মিলনমেলা ২০২৩ উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০ টার সময় আলোকিত ধুধুকছড়া ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে ধুধুকছড়ায় এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে মঙ্গলাচরণ এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু করা হয় এবং তার পর পর অতিথিবৃন্দদের উত্তরীয় পড়িয়ে দেওয়া হয়।

    আলোচনা সভায় এতে আলোকিত ধুধুকছড়া ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক সুজেশ চাকমা ( রুহিনি) এর সঞ্চালনায় ও সভাপতি নিটোল মনি চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি মিলনপুর বৌদ্ধ বিহার অধ্যক্ষ শ্রীমৎ সত্যানন্দ মহাস্থবির। এই সময় স্বাগত রাখেন শিক্ষা ও মানব কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুভাষীস চাকমা।

    এই সময় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধান শিক্ষক কিরীটি জীবন চাকমা, সাবেক সহকারী শিক্ষক ফনীন্দ্র লালা চাকমা,সংগঠন এর উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট মুরব্বি নরোত্তম চাকমা,খাগড়াছড়ি আলোর নির্বাহী পরিচালক অরুণ কান্তি চাকমা, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার খাগড়াছড়ি সাধন কুমার চাকমা,পানছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সর্বোত্তম চাকমা,স্থানীয় মুরব্বি শান্তি বিজয় চাকমা।

    সংবর্ধিত গুণীজনদের মধ্যে ছিলেন শ্রীমৎ সত্যানন্দ মহাস্থবির অধ্যক্ষ মিলনপুর বৌদ্ধ বিহার, খাগড়াছড়ি, মিজ মঙ্গল ময়ী চাকমা সাবেক সহকারী শিক্ষক,ফনীন্দ্র লালা চাকমা সাবেক প্রধান শিক্ষক, নিরুপম চাকমা সাবেক সহকারী শিক্ষক,জুগলেন্দু চাকমা সাবেক সহকারী শিক্ষক, কিরীটি জীবন চাকমা সাবেক প্রধান শিক্ষক, জ্ঞান রঞ্জন চাকমা সাবেক সহকারী শিক্ষক, নিটল মনি চাকমা সাবেক উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সর্বোত্তম চাকমা সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পানছড়ি খাগড়াছড়ি, ডিভাইন ওয়েলথ চাকমা ৩৮ তম বিসিএস (পররাষ্ট্র),মিজ প্রত্যাশা চাকমা, সহকারী প্রকৌশলী (এলজিইডি)।

    সম্মানিত অতিথিবৃন্দদের মধ্যে ছিলেন প্রফেসর ড. সুধীন কুমার চাকমা সাবেক অধ্যক্ষ খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ, বাবু উ ক্য জেন সবেক যুগ্ন সচিব, গগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, প্রফেসর বোধি সত্ত্ব দেওয়ান সাবেক অধ্যক্ষ খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ,মিজ শ্রীলা তালুকদার, সাবেক প্রধান শিক্ষক খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,সাধন কুমার চাকমা সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার খাগড়াছড়ি, অরুণ কান্তি চাকমা নির্বাহী পরিচালক, আলো, খাগড়াছড়ি,মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, নির্বাহী পরিচালক, জাবারাং কল্যাণ সমিতি, একুশে পদক প্রাপ্ত লেখক ও গবেষক।

    এই অনগ্রসর ধুধুকছড়া এলাকার প্রথম মাস্টার ডিগ্রি পাশ করেন নিটোল মনি চাকমা। এর পরবর্তীতে তার থেকে প্রেরণা ও উৎসাহ পেয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি পাশ করেছেন এবং বাংলাদেশের বড় বড় পর্যায়ে রয়েছেন অনেক জ্ঞানী ও গুণীজন।

    মূলত ধুধুকছড়াবাসীকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে ও আলোকিত ধুধুকছড়া গডে তোলার লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ ঘটে “আলোকিত ধুধুকছড়া ফাউন্ডেশন” নামের সামাজিক ও মানবিক সংগঠনের। এই মহতী উদ্যোগের জন্য আলোচকরা আলোকিত ধুধুকছড়া ফাউন্ডেশন এর নেতৃবৃন্দদের ধন্যবাদ জানান।

  • মেহেরপুরে তীব্র তাপদাহে ব্যাহত হচ্ছে বোরো চাষ, ফসলি জমি ফেটে চৌচির

    মেহেরপুরে তীব্র তাপদাহে ব্যাহত হচ্ছে বোরো চাষ, ফসলি জমি ফেটে চৌচির

    এসআই বাবু, মেহেরপুরঃ
    মেহেরপুর সদরের বারাদীতে গত কয়েক দিনের তীব্র তাপদাহে ব্যাহত হচ্ছে বোরো চাষ কার্যক্রম। অত্র অঞ্চলের কিছু কিছু এলাকায় বোরো ধান রোপন কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও ফেটে যাচ্ছে ফসলের মাঠ। প্রখর রোদে ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ছে কৃষক। বারাদী অঞ্চলে বেশিরভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। ফসলের মাঠের পরিস্থিতি দেখে হতাশায় ভেঙে পড়েছেন সাধারণ কৃষক। বোরো ধান রোপন কার্যক্রম কিছুটা বৃষ্টির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু গত এক মাসের বেশি সময় ধরে বৃষ্টিপাত হচ্ছে না। তীব্র তাপদাহে বোরো রোপনের জন্য প্রতিকূল পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও বোরো ধান রোপণ করা গেলেও ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে প্রচন্ড তাপদাহ খরা অব্যাহত থাকায় উঁচু জমিসহ উচু নিচু জমি গুলোর পানি শুকিয়ে জমি ফেটে যাচ্ছে। এতে বোরো ধান রোপন করে চরম বিপাকে পড়েছে কৃষকরা।
    অত্র অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, এক মাস পূর্বে যেসব জমিতে পানি ছিল সেসব জমিতেও এখন পানির অভাবে ফাটল দেখা দিয়েছে। কয়েকদিনের প্রখর রোদে মাটি শুকিয়ে ফেটে গেছে। রোপনকৃত ধানের গাছ গুলো পানির অভাবে বিবর্ণ হয়ে মারে যাচ্ছে। এমন খরার কারণে সেচ পাম্পের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে কৃষকদের। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়াই বাড়বে ধানের উৎপাদন ব্যয়। এ ব্যাপারে মেহেরপুর বীজ উৎপাদন খামার বিএডিসি বারাদী খামারের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কেএম মনিরুজ্জামান বলেন, চলতি মৌসুমে অত্র খামারে বিভিন্ন জাতের বোরো ধান বীজ ফসল ১১৯ একর, বোরো হাইব্রিড ধান বীজ ফসল ৯৯ একর ও হাইব্রিড ভুট্টা ৫ একর সর্বমোট ২২৩ একর ফসল মাঠের দন্ডায়মান। ফসলের অবস্থা খুব ভালো। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কাঙ্খিত মাত্রায় ফলন অর্জিত হবে বলে আশা করা যায়। বর্তমানে খামার এলাকা সহ আশেপাশের এলাকায় তীব্র তাপদাহ বিরাজ করছে। প্রতিনিয়ত সেচ দেয়ার পরেও মাটি শুকিয়ে যাচ্ছে। মাঠের দণ্ডায়মান বোরো ধান বীজ ফসল বর্তমানে পরাগায়ন পর্যায়ে থাকায় পানির অভাবে পরাগায়ন ব্যাহত হচ্ছে। তিনি আরো জানান, প্রচন্ড তাপদাহের কারণে অতিরিক্ত কয়েকটি স্যালো টিউবয়েল স্থাপন করে নিয়মিত সেচ কার্যক্রম চলমান রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারপরও দিন দিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ধান ক্ষেতের মাঠে পানি রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় পরাগায়ণ ব্যাহত হচ্ছে এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ বেশি হচ্ছে ফলে ফলন কিছুটা কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরো ফসলে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বর্তমান উপ-পরিচালকের নেতৃত্বে খামারটি লাভজনক অবস্থায় আছে বলে তিনি জানান।

  • ভূমি কর্মকর্তার কর্ম পদ্ধতিতেই বদলে যাচ্ছে ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিস

    ভূমি কর্মকর্তার কর্ম পদ্ধতিতেই বদলে যাচ্ছে ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিস

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ নগরীর পৌর ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষেরা খুব খুশি। কেনোনা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র ও খতিয়ান এখন অনলাইনে সব আপডেট। এখানে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে ইকতিয়ার উদ্দিন ভূইয়া যোগদান করার মাত্র ১বছরে হয়েছে ব্যাপক পরিবর্তন। পুরো পৌর খতিয়ান এখন অনলাইন সার্ভারে প্রবেশ করানো হয়েছে। কিউআরকোড যুক্ত নামজারি খতিয়ান পাচ্ছেন কোনো হয়রানি ছাড়াই। বিনামূল্যে মিলছে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সহিমুহুরি নকল।

    অফিস সূত্রে জানা যায়, বর্তমান সহকারি ভূমি কর্মকর্তা আসার পর থেকেই ভূমি অফিসের অন্যান্য কর্মচারীদের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমেছে। জনগণের ভোগান্তি লাগবে সেবার সবকিছু এখন অনলাইনে। ভূমি অফিসে কোন আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। সব স্পট সিসি ক্যামেরায় ধরা। শুধু তাই নয় বর্তমান সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি ব্যবস্থা শতভাগ অনলাইন আপডেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র অনলাইনে আপলোড, বাদি-বিবাদীর সরাসরি শুনানি আর দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমির নামজারিসহ নানামুখী সেবায় পাল্টে গেছে ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিস।

    সেবা নিতে নেই আগের মতো তৃতীয় পক্ষ কিংবা দালালের দৌরাত্ম। কোনো হয়রানি ছাড়াই মিলছে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। ভূমি অফিসের নানামুখী সেবা পেয়ে আর কর্মকর্তা ইকতিয়ার উদ্দিন ভূইয়ার আচার-আচরণে খুশি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। যারা এক সময় তৃতীয়পক্ষের সহায়তা ছাড়া জমির কোনো কাজই করতে পারতেন না, তাঁরাই এখন নিজের সমস্যার কথা নিজেরাই ভূমি অফিসে এসে বলতে পারছেন। বিভিন্ন ধরনের সেবা পাচ্ছেন সেবাগ্রহীতারা।

    এতে খতিয়ানের করণিক ভুল সংশোধন থেকে নামজারি ও জমাভাগ/জমা একত্রিকরণের আদেশের রিভিউ, ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণীর আপত্তি নিষ্পত্তি, দেওয়ানী আদালতের রায়/আদেশ মূলে রেকর্ড সংশোধনসহ বিবিধ কেসের আদেশের নকল/সার্টিফাইড কপি প্রদান করা হচ্ছে। ভূমি অফিস থেকে বের হয়ে মেছুয়া বাজার এলাকার এক ভূমি মালিক জানান, ‘আগে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো, টাকা দিয়ে দালাল ধরে কাজ করতে হতো। কিন্তু এখন ১১৫০ টাকা খারিজের জন্য লাগে। বাড়তি টাকা নেয়না অফিসের কোন কর্মচারী। টাকার রশিদ দিয়ে দেয়। তাড়াতাড়ি সেবা পাচ্ছি।’

    আরেকজন সেবা গ্রহীতা জানান, ‘আপত্তি ছিল, দ্রুত শুনানি করে মিচ মামলায় খতিয়ানের সমাধান দিলেন নাইব সাহেব । আমার জমির বিষয়ে সমস্ত তথ্য জানিয়ে দরখাস্ত দিয়েছিলাম। ভূমি অফিস থেকে আমাকে ফোন দিয়ে তারিখ জানিয়েছে। আজ শুনানি ছিল। তাতে সমাধান হওয়ায় আমি অনেক খুশি।’

    ভূমি অফিস সূত্রে আরও জানা গেছে, কর্ণফুলী উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন

    ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন হওয়ার পর থেকে
    পৌর এলাকা এখন সিটি করপোরেশন এলাকা। আগের তুলনায় এড়িয়া ও ওয়ার্ড বেশী। তারপরও নাইব ইকতিয়ার উদ্দিন ভূইয়ার মেধায় ভূমি অফিসেও লেগেছে এই পরিবর্তনের হাওয়া। ভোগান্তি ছাড়া স্বল্পসময়ের মধ্যে সেবা প্রার্থীরা কাক্ষিত সেবা পাচ্ছেন এখন। শুনানিকালে কোনো পক্ষের কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে আবেদন বাতিল না করে সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) এর পরামর্শ নিয়ে তাকে সময় দেওয়া হচ্ছে। কোনো কাগজের নকল পেতেও কোনো বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় না। নানামুখী এসব সেবার পাশাপাশি ভূমি অফিসের পরিবেশগত ও অবকাঠামোগত পরিবর্তনের কাজ শুরু হয়েছে।

    ইতোমধ্যে সহকারি ভূমি কর্মকর্তা এই ভূমি অফিসে যোগদান করার পর বিভিন্ন এলাকায় ভূমি অফিসের জন্য খাস জমি বরাদ্দ দিলেন। সরকারের কাছে চাহিদাপত্র দিয়ে অকাঠামোগত উন্নয়নে ফাইল প্রেরণ করেছেন। যা বিগত বছরে কোন নাইবকে এমন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। এতে নতুন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার কর্মপদ্ধতির প্রশংসা করছেন নগরীর বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা।

    এব্যাপারে সহকারি ভূমি ইকতিয়ার উদ্দিন ভূইয়া জানান, ‘পৌর ভূমি যোগদান করেছি প্রায় বছর হয়েছে। যোগদানের পর থেকে সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) স্যারের নির্দেশে ও স্যারের সহায়তায় ভূমি সংক্রান্ত সকল ফাইল ও সেবা অনলাইনের আওতায় আনা হয়েছে। যিনি সেবাপ্রার্থী কেবলমাত্র তাকেই অফিসে আসতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এতে করে ভোগান্তি থেকে তাঁরা রক্ষা পাবে। এছাড়াও যে সেবা অফিস থেকে দেওয়া সম্ভব তাৎক্ষণিক তা দেওয়া হচ্ছে। যেটাতে সময় লাগবে সেক্ষেত্রে আবেদনকারীর মোবাইল নম্বরে এসএমএস অথবা ফোনে নির্ধারিত তারিখ বলে দেওয়া হচ্ছে। আর যে সেবা এখান থেকে দেওয়া সম্ভব নয় সেই সেবা প্রাপ্তির বিষয়ে সঠিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন একজন অফিসার চাইলে একটি এলাকার অনেক উন্নতি ঘটাতে পারেন। বিষয়টি আমাদের নাড়া দিয়েছে। নগরীর সাধারণ মানুষেরা জানান, ‘বর্তমান নাইব এর সৃজনশীল কাজ করার মানসিকতা আছে বলেই জনগণ সেবা পাচ্ছে। মূলত এ কারণেই ভূমি অফিসের সেবার মান পরিবেশ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে।’

    সহকারি ভূমি কর্মকর্তা ইকতিয়ার উদ্দিন ভূইয়া বর্তমান কর্মস্থলে যোগদান করেছিলেন এ বছরের ২৪ মে। এর পূর্বে তিনি সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে দক্ষতা ও মেধা সম্পন্ন থাকায় তিনি বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি হিসাবে দায়িত্বে থেকে ভূমি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বাস্তবায়নে কাজ করছেন। তার নিজ বাড়ী ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার বৈতাগীর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে। বাবার নাম মকবুল হোসেন৷ তিনি ছিলেন একজন সমাজ সেবক ও মেধাবী চিকিৎসক।

    (

  • গোদাগাড়ীতে বাংলা নববর্ষ  পালিত

    গোদাগাড়ীতে বাংলা নববর্ষ পালিত

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকেঃ আজ পহেলা বৈশাখ। বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হলো নতুন বাংলা বর্ষ ১৪৩০। জীর্ণ পুরাতন সবকিছু ভেসে যাক, ‘মুছে যাক গ্লানি’ এভাবে বিদায়ী সূর্যের কাছে এ আহ্বান জানায় বাঙালি। পয়লা বৈশাখ আমাদের সকল সঙ্কীর্ণতা, পাপ পরিহার করে উদারনৈতিক জীবন-ব্যবস্থা গড়তে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের মনের ভেতরের সকল ক্লেদ, জীর্ণতা দূর করে আমাদের নতুন উদ্যোমে বাঁচার অনুপ্রেরণা দেয়। আমরা যে বাঙালি, বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি, পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণে আমাদের মধ্যে এই স্বাজাত্যবোধ এবং বাঙালিয়ানা নতুন করে প্রাণ পায়, উজ্জীবিত হয়।

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পহেলা বৈশাখ পলিত হয়েছে। গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জয় কুমার মহন্তের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খাতুন মিলি, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডার অশোক কুমার চৌধুরী, ইউএনও সহধর্মিণী সুমি চৌধুরী, এসপি সার্কেল সোহেল রানা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আাব্দুর রশিদ, গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি মোঃ কামরুল ইসলাম, আদিবাসী নেতা রাজকুমার শাও প্রমূখ।

    গোদাগাড়ী প্রেস ক্লাবের সভাপতি এবিএম কামারুজ্জামান বকুলের সঞ্চলনায় উপস্থিত ছিলেন, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিষ্ট মোঃ হায়দার আলী, অধ্যক্ষ বরজাহান আলী পিন্টু, সহকারি কমিশনার মোঃ সবুজ হাসান, প্রভাষক আকবর আলী প্রমূখ।

    আলোচনা সভার পাশাপাশি কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের সাথে সাথে দিবসটি উপলক্ষে অনুরুপ কর্মসূচি পালন করেন, গোদাগাড়ী সরকারী কলেজ, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সুলতানগজ্ঞ উচ্চ বিদ্যালয়, গুনিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়, গোগ্রাম আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, গোদাগাড়ী সরকারী স্কুল এন্ড কলেজ, রাজাবাড়ী ডিগ্রী কলেজ, দিগরাম উচ্চ বিদ্যালয়, কাশিমপুর একে ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়, বাসুদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়, রাজাবাড়ী হাট উচ্চ বিদ্যালয়, রাজাবাড়ীহাট উচ্চ বিদ্যালয়, রাজাবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বাসুদেবপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান কুইজ প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচ পালন করে বলে জানা গেছে। এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, এনজিও, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।
    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • রমজান ও ঈদ উপলক্ষে ইফতার ও ঈদের বাজার  সামগ্রী বিতরণ করেছে মোংলার ছায়া সংগঠন

    রমজান ও ঈদ উপলক্ষে ইফতার ও ঈদের বাজার সামগ্রী বিতরণ করেছে মোংলার ছায়া সংগঠন

    মোংলা প্রতিনিধি।
    মোংলার অন্যতম সেস্বাসেবী প্রতিষ্টান ছায়া সংগঠনের উদ্দোগে ইফতার ও ঈদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে পৌর শহরের সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে শতাধিক দরিদ্র মানুষের
    এ ইফতার ও ঈদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময়
    সংগঠনের সভাপতি নুর মোহাম্মাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসিফ, দপ্তর সম্পাদক মে: রিমন
    সিনিয়র সদস্য মো. রুবেল খাঁন উপস্থিত থেকে এ খাদ্য সামগ্রী এবং ২ জন কে ঈদের পোষাক উপহার দেন। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিলো মুড়ি ১ কেজি, চিড়া ১ কেজি, ছোলা ১ কেজি, চিনি ১ কেজি, ২ প্যাকেট করে সেমাই, ১ প্যাকেট নুডলস, ১ প্যাকেট দুধ ১ কেজি পোলাউ চাল বাদাম ও কিসমিস। সেস্বাসেবী প্রতিষ্ঠিত ছায়া সংগঠনের এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষেরা।

  • নলডাঙ্গায় উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩০ উদযাপিত

    নলডাঙ্গায় উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩০ উদযাপিত

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি

    নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় নানা আয়োজনে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ (বাংলা নববর্ষ-১৪৩০) উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে সকাল ৯টায় নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা রোজিনা আক্তারের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

    শোভাযাত্রাটি উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কম্পেক্স চত্বর থেকে শুরু করে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ আবার করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় নানা রঙের ফেস্টুন, ঘোড়া, পেঁচা, দোয়েলসহ বর্ণিল সাজ ছিলো নজরকাড়া।

    বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নির্বাহি কর্মকর্তা বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব। এর সাথে বাঙালি জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্য জড়িত। বাঙালির চিরায়ত এই উৎসবটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে উদযাপিত হয়। বাংলা নববর্ষের কর্মসূচির মধ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও প্রশংসিত। যা ইতোমধ্যে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। উৎসব মুখরভাবে দিনটি পালন করা হচ্ছে এটা আমাদের জন্য আনন্দদায়ক।

    তিনি আরও বলেন, বাংলা নববর্ষ অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে জাগ্রত করে। সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবে রূপদানে কাজ করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। যার ধারাবাহিকতায় ২০৪১ সালে বাংলাদেশ যে মধ্যম আয়ের দেশের স্বপ্ন দেখছে, তা বাস্তবায়িত হবে। শুধু অর্থনৈতিকভাবে নয় সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে দেশ অনেক এগিয়ে যাবে।

    শোভাযাত্রায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, অফিসার ইনচার্জ নলডাঙ্গা থানা আবুল কালাম, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম , নলডাঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটির সকল সাংবাদিক, থানা প্রেস ক্লাব নলডাঙ্গা সকল সাংবাদিক, স্কাউট সদস্যসহ
    বিভিন্ন স্কুল-কলেজ শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন। এছাড়াও বাইরের প্রচুর সংখ্যক মানুষ উপজেলা আসেন নববর্ষ উদযাপনে।

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি।।