Author: desk

  • জমি নিয়ে বিরোধে চাচাতো ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ভাইয়ের

    জমি নিয়ে বিরোধে চাচাতো ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ভাইয়ের

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে জমিজমা বিরোধের জের ধরে চাচাতো ভাইয়ের হাতে আজিম উদ্দীন (৩৫) এক যুবক নিহত হয়েছেন। তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত আজিম পেশায় মাইক্রোবাস চালক ও উপজেলার মালিয়াট ইউনিয়নের বেথুলি গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। রোববার রাত ৮ টার দিকে তাদের বাড়ির আঙ্গিনায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, আজিমদের সঙ্গে চাচাতো ভাই মেহেদী হাসানদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। রোববার সন্ধ্যায় মালিয়াট ইউনিয়নের বেথুলী গ্রামে ইসরাইল হোসেনের ছেলে চাচাতো ভাই মেহেদি হাসানের তর্কবিতর্ক হয়। এ নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে আজিমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আজিমকে মৃত ঘোষণা করে। স্থানীয় মালিয়াট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান খান বলেন, এ ঘটনায় তত্বিপুর পুলিশ ক্যাম্পের তদন্ত কর্মকর্তা তফসির হোসেন ও টুআইসি মসিউল আজম অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করেছে। এদিকে কালীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো থানায় কোন মামলা হয়নি।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • পীরগঞ্জে জাতীয় পার্টির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    পীরগঞ্জে জাতীয় পার্টির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    আবু জাহেদ, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে জাতীয় পার্টির ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা হয়েছে। রবিবার বিকেলে পৌর শহরে উপজেলা জাতীয় পার্টির অস্থায়ী কার্যালয়ে জাতীয় পার্টির আয়োজনে সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজ উদ্দীন আহম্মেদ এমপি, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) দবিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ ফয়জুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস,পৌর জাতীয় পার্টির আহব্বায়ক অধ্যাপক তৈয়ব আলী প্রমুখ।
    এসময় উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ন সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ, বুলবুল আহাম্মেদ, যুগ্ন সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আমজাদ ও মাহফুজুল হক হিরা, উপজেলা জাতীয় পার্টির অর্থ সম্পাদক হাসান আলী, জাতীয় যুবসংহতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্র সমাজের আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র নেতা বকুল আলম, জাতীয় ছাত্র সমাজের পীরগঞ্জ সরকারী কলেজ শাখা সভাপতি শাহারিয়ার কবির (রনি) ও সদস্য সচিব সামিউল বাসার (সোহেল), সহ জাতীয় পার্টি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আদীতমারীতে পৃথক অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    আদীতমারীতে পৃথক অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে পলাশী ও ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন থেকে দুই জন মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার করেন আদিতমারী থানার পুলিশ।

    লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, এর দিকনির্দেশনায় আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাম্মেল হক, এর নেতৃত্বে এসআই/নিঃ গোকুল চন্দ্র বর্মন, এসআই সালেহুর রহমান, এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ সালেহুর রহমান আকন্দ, ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ ৭নং পলাশী ইউপির নামুড়ি বাজারে জনৈক মুহাম্মদ মকবুল হোসেন এর সারের দোকানের সামনে বুড়িমারি গামী পাঁকা রাঁস্তার উপরে চেকপোস্ট ডিউটি করা কালে আসামী মোহাম্মদ রুবেল মিয়া(৩০), এর হেফাজত হতে ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেন ও ২ নং ভেলাবাড়ী ইউপির বকশীটারী মৌজাস্থ পলাতক আসামী মোঃ বেলাল হোসেন এর বসতবাড়ীর উত্তর দুয়ারী টিনের ঘরের ভিতর বিছানার নিচ হতে ১২ বোতল স্কার্ফ সিরাপ উদ্ধারসহ রাব্বী রাজু (২৮), দুইজন কে গ্রেফতার করেন।

    গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন মোহাম্মদ রুবেল মিয়া(৩০), পিতা মোঃ জালাল মিয়া, সাং-নামুড়ি রামদেব, ইউপি- পলাশী, রাব্বী রাজু (২৮), পিতা মোঃ ফজলুল হক, সাং- ভেলাবাড়ী, উভয়ের থানা-আদিতমারী, জেলা-লালমনিরহাট। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আদিতমারী থানায় পৃথক দুুইটি মামলা হয় মামলা নং-১৫, তা-১৩/০৪/২০২৩, ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণীর ১৯(ক) রুজু করা হয়।মামলা নং ১৭, তাং১৪/০৪/২০২৩ ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণীর ১৪(খ)/৪১ রুজু হয়। আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ্দ করা হয়েছে।

    লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোজাম্মেল হক, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পলাশী ও ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন থেকে দুই জন মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার করেন আদিতমারী থানার পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ।

  • পানছড়িতে দুইশতাধিক দরিদ্র মুসলিম পরিবারের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে

    পানছড়িতে দুইশতাধিক দরিদ্র মুসলিম পরিবারের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুই শতাধিক দরিদ্র পরিবারের মাঝে বস্ত্র (শাডি, লুঙ্গী) ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়।

    শনিবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০ টার সময় খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম, সাবেক পৌর মেয়র রফিকুল আলম, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম ও পরিবারের পক্ষ থেকে এই বস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন পানছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃআবু তাহের।

    বস্ত্র বিতরণে এই সময় উপস্থিত ছিলেন পানছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য জয়নাথ দেব। পানছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মায়াসহ প্রমুখ।

  • পল্লী বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ পাথরঘাটাবাসী

    পল্লী বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ পাথরঘাটাবাসী

    অমল তালুকদার পাথরঘাটা (বরগুনা) থেকেঃ পবিত্র রমজান মাসে বরগুনার পাথরঘাটা সহ আশেপাশের অঞ্চলে পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে রোজাদার মানুষসহ এ অণ্চলের বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

    শনিবার সন্ধ্যা থেকে সারারাত কমপক্ষে ৪/৫ বার কখনও ১ঘন্টা কখনও ২ ঘন্টারও অধিক সময় লোডশেডিং দেয় পল্লীবিদ্যুত কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত শুক্রবার দুপুর ২টা থেকেই অরম্ভ হয় ঘন ঘন লোডশেডিং এর অতিষ্ঠপর্ব। এসময় শিশু ও বয়োবৃদ্ধ মানুষ এবং হাসপাতালের ভর্তিকৃত রোগীসহ অন্যান্য রোগীদের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌছে যায়। বৈশাখের প্রচন্ড খড়তাপ আর তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারনে ভ্যাপসা গরমে এমন দূরাবস্থার সৃস্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয় চিকিৎসকরা।

    পাথরঘাটা পৌরশহরের রোজাদার অনেক বাসীন্ধাকে রাতে রাস্তায় নেমে আসতে দেখা গেছে। আবার কেউ কেউ চরম অতিষ্ঠ হয়ে নিজ নিজ ফে.বু.আইডি থেকে যা-ইচ্ছে তাই পোস্ট করতে দেখাগেছে। এসব জ্বালাময়ি পোস্টে সোশ্যাল একটিভিস্টরা করছে নানা নেতিবাচক কমেন্স। সবমিলিয়ে রমজান মাসে বিদ্যুতের এমন ভেলকিবাজি কেউ-ই অন্তত এই গরমে মেনে নিতে চায় না।

    বিষয়টি প্রসংগে পল্লীবিদ্যুতের এজিএম মিজানুর রহমান ভোরের কাগজকে বলেন, আমাদের প্রয়োজন কমপক্ষে দশ। আর গ্রীড দিচ্ছে আমাদেরকে পাঁচ। এঅবস্থায় আমার কি করার আছে? তিনি অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, তারাবিহ্’র নামাজ আর সেহরিহ্ চলাকালিন একজন বিবেকবান মানুষ হয়ে অন্তত এই চেষ্টাটুকু করা উচিৎ ;যাতে এই সময়টিতে যেনো লোডশেডিং না হয়।

  • স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে – পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে – পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব শাহরিয়ার আলম এমপি বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    দেশের প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ব্যাংক বীমা, অফিস আদালত ও প্রতিটি দপ্তরে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। দেশের মানুষ এখন ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে সব ধরনের কাজেই সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের কৃষক থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরে স্মার্ট পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। যার ফলে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোরবার দুপুরে চারঘাট উপজেলা পরিষদ হলরুমে চারঘাট উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে জনশুমারি ও গৃহ গননা ২০২১ প্রকল্পের ট্যাবলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

    চারঘাট উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিসংখ্যান কার্যালয় আয়োজিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক।

    এ ছাড়াও অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বিল্পব, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজমিরা খাতুন, উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান আলমাছ, সরদহ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাসানুজ্জামান মধু, চারঘাট মডেল থানার ওসি মাহবুবুল আলম সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    এরপরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায় দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেন।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • বাঁধের কাজের অনিয়ম ঢাকতে কতিত সাংবাদিকদের মাঝে ১০ হাজার করে টাকা বিতরণের অভিযোগ পাউবো কর্মকর্তা বিরুদ্ধে

    বাঁধের কাজের অনিয়ম ঢাকতে কতিত সাংবাদিকদের মাঝে ১০ হাজার করে টাকা বিতরণের অভিযোগ পাউবো কর্মকর্তা বিরুদ্ধে

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :

    হাওর বেষ্টিত সুনামগঞ্জ জেলা, এজেলায়
    দূর্নীতি: হাওর বাঁধ নির্মাণ কাজে সফলতা দেখাতে দূর্নীতি ও লুটপাটে জড়িত হয়ে এবার দূর্নীতির টাকার ভাগ নিচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলায় কর্মরত দেশের বড় বড় সুনামধন্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কিছু কতিত সাংবাদিক ও ক্যামেরা ম্যানরা। অভিযোগ সুত্রে জানা যায় প্রায় ৩০/৩৫ জন সাংবাদিক পানি উন্নয়ণ বোর্ড এর দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তার সাথে হাত মিলিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটপাট করার সুকৌশল হিসেবে এবার সুনামগঞ্জের কিছু অসাধু সাংবাদিকদের ১টি কালো তালিকা করে বাঁধের কাজে সাফল্য দেখাতে জনপ্রতি তাদের ১০ হাজার টাকা করে ঘুষ (সম্মানি) রাতের আঁধারে বিতরণ করেছেন, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী -১ মামুন হাওলাদার ও তার সহযোগী দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা।
    এমনটি তথ্যের সন্ধান মিলিছে অবশেষে সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুকের মাধ্যমে।
    জানা যায় গতকাল শনিবার সন্ধা থেকে শুরু করে রাত ১১ টা পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের জেলা কার্যালয়ে দুইজন, চারজন,গ্রুপ আকারে সাংবাদিক নামধারী দালালদের মাধ্যমে মোবাইলে ফোন করে ডেকে নিয়ে দশ হাজার করে ৩০/৩৫ জন কতিত সাংবাদিককে লুকিয়ে লুকিয়ে টাকা বিতরণ করা হয়। যা শনিবার সন্ধায় থেকে রাত ১১ঘটিকা পর্যন্ত পাউবোর কর্মকর্তার অফিসে সিসি ক্যামেরার অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসবে বলে দাবী জানিয়েছেন অনেক মুলধারার সাংবাদিকরা বিষয়টি কিছু স্থানীয় ও দৈনিক জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিকদের নজরে আসলে। বিষয়টি সাংবাদিক সমাজে ছড়িয়ে পড়ে। সাথে সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মামুন হাওলাদার নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ করে গা ডাকা দেন। কয়েকজন সাংবাদিক তাকে বক্তব্য নেওয়ার জন্য অনেক খোঁজা খোঁজির পর প্রায় ২/৩ ঘন্টা অপেক্ষা করেও কর্মকর্তার দেখা মেলেনি এবং মোবাইল ফোন বন্ধ করে সাংবাদিকদের সাথে লুকোচুরি শুরু করেন পাউবো কর্মকর্তা মামুন হাওলাদার।
    অনুসন্ধানে জানা যায় এক সাংবাদিক নেতাকে দিয়ে ৩০/৩৫ জনের একটি কাল তালিকা তৈরি করে তাদের মাঝে টাকা বিতরণ করা হয়। যা সাংবাদিক সমাজকে কুলশিত মর্মাহত করেছে। এই বিষয়টি মূলধারার সাংবাদিকদের মনে আঘাত লেগেছে যা মেনে নিতে পারছেন না সাংবাদিক সমাজের অনেকে।

    হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম, দুর্নীতিকে ধামাচাপা দিয়ে সফলতা দেখাতে সুনামগঞ্জে টেলিভিশনে কর্মরত প্রতি সাংবাদিকদের ঘুষ(সম্মানি) হিসেবে ১০ হাজার করে টাকা দিলো পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) এই প্রশ্ন মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুকের মাধ্যমে জানাজানি হয়। অনেক সাংবাদিকরা ফেইসবুকের মাধ্যমে লিখেছেন। সুনামগঞ্জ দৈনিক সুনামকন্ঠ পত্রিকার স্টাফ রিপোটার মুশাহিত রাহাত বলেন সুনামগঞ্জের বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে বাঁধের দূর্নীতি ঢাকতে ১০হাজার করে চাঁদা দিলেন
    পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার। এঘটনায় তিনি বক্তব্য নিতে প্রায়২ঘন্টা অপেক্ষা করেও খোঁজে পাননি । সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ঐ কর্মকর্তা মোবাইল বন্ধ করে গা ডাকা দেন। দৈনিক জালালা বাদ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি জানান মামুন হাওলাদার বাঁধ থেকে কত টাকা লুঠে নিয়েছেন তার অনুসন্ধান চলুক।
    এদিকে একাত্তর টিভি ও কালের কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি শামস শামীম তিনি ঐ কর্মকর্তাকে সাফ জানিয়ে দেন তিনি কোন ধরনের উৎকোচ বা সম্মানি গ্রহন করবেন না। ঐ কর্মকর্তা তাকে অফার দিয়েছেন কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।
    জানা যায় কিছু টেলিভিশন ও পত্রিকার কতিত সাংবাদিক নেতারাও গিয়ে টাকা এনেছেন ঐ কর্মকর্তার সাথে হাত মিলিয়ে।
    আর এসব সাংবাদিকদের টাকা দেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার কেন? এমন প্রশ্ন এখন সাংবাদিক সমাজ সহ-সুশীল সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে।
    এশিয়ান টিভির জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক বণিক বার্তার জেলা প্রতিনিধি আল আমিন জানান
    সরজমিনে সন্ধায় পানি উন্নয়ন বোর্ডে গিয়ে কয়েকজন সাংবাদিককে টাকা নিয়ে আসতে দেখা যায়।
    নাম গোপন রাখার শর্তে এক সাংবাদিক বলেন সাংবাদিকদের কয়েকটি সংগঠন তার মধ্যে একটি বিতর্কিত সংগঠন আছে তারা সাংবাদিকদের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কতিত সাংবাদিকদের তালিকা তৈরি করে সাংবাদিক সমাজকে কোলশিত করে চলে, এটা তাদের এক ধরনের ব্যাবসা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের আন্ডারে কয়েকজন সাংবাদিক নামধারী অসাংবাদিক রয়েছে তাদের কাজ হচ্ছে সাংবাদিক ম্যানেজ করা, আজও তাই হয়েছে।
    প্রায় ৪ঘন্টা পাউবোর অফিসের আসপাশে দেখা যায় সাংবাদিকদের ২/৩জন করে গ্রুপ করে সন্ধা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পাউবোর কর্মকর্তা মামুন হাওলাদার অফিস রুমে যাওয়া আসা করতে। হঠাৎ করে যে ভাবে সাংবাদিকদের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর রুমে যাওয়া এবং আসা প্রথমে ভেবেছিলাম মনে হয় কোন বড় ধরনের ঘটনা ঘটেছে তাই এত সাংবাদিক যাওয়া আসা করছেন। পরে জানতে পারি ৩০/৩৫জন সাংবাদিকদের বাঁধের কাজের অনিয়ম ঢাকতে ১০হাজার করে টেলিভিশনের সাংবাদিক ও তাদের ক্যামেরা ম্যানদের টাকা দিচ্ছেন পাউবোর কর্মকর্তা মামুন হাওলাদার।
    তবে বিষয়টি নিশ্চিত নিয়ে কথা বলতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদারকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, মোবাইল বন্ধ করে গা ডাকা দিয়ে লুকিয়ে পড়েন।

    এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খুশি মোহন সরকার জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি খোঁজ খবর নিচ্ছেন।
    উল্লেখ্য, শনিবারে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পাউবো কর্মকর্তাগণ। এসময় জেলার কয়েক ৪/৫জন সাংবাদিককে সঙ্গে নিয়ে যান।

  • সুধীজনদের সম্মানে সেনবাগ উপজেলা প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    সুধীজনদের সম্মানে সেনবাগ উপজেলা প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সেনবাগের সুধীজনদের নিয়ে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ রমজান, শনিবার উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত সুলতান প্লাজার ভোজন বিলাস রেস্টুরেন্টে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ রিপনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল হক এর সঞ্চালনায় এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ,সেনবাগ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এবং এস এ টিভির সমম্বয়ক হাসান মঞ্জুর।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনবাগ পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আ স ম জাকারিয়া আল মামুন,বি আর ডি বি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান ভুইয়া পলাশসহ অনেকেই।এসময় সেনবাগের বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিবৃন্দ,বীর মুক্তিযোদ্ধা, কলেজ, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকগন,ব্যাংকার,লেখক,
    কবি,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, এবং জেলা -উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দসহ উপজেলা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক নেতৃব্ন্দসহ প্রায় শতাধিক মেহমান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন সেনবাগ ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা জাকির হোসেন।

  • তসলিম উদ্দীন রানার উদ্যোগে পটিয়ায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    তসলিম উদ্দীন রানার উদ্যোগে পটিয়ায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা উপকমিটির সদস্য, সাবেক ছাত্রনেতা ও কলামিস্ট তসলিম উদ্দীন রানার উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে পটিয়া শান্তির হাট কামাল সেন্টার মাঠে
    ৫ শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
    এতে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা এনামুল হক, আব্দুল করিম ইমন,পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম চৌধুরী, আজিজুল্লাহ আজিজ,সাইফুল ইসলাম,যুবনেতা মোঃ ইউনুস,আব্দুর শুক্কুর,জসিম উদ্দিন, ছাত্রনেতা সাজ্জাদ হোসাইন প্রমুখ।
    সভায় বক্তারা বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে পটিয়ার বিভিন্ন জায়গায় ৫০০ এর অধিক গরীব অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের নেতা তসলিম উদ্দীন রানার উদ্যোগে ভবিষ্যতেও আরো বেশি কাজ করার হবে বলে জানান।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ দিন পর অনশনরত যুবতীর  ভালোবাসার জয়

    ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ দিন পর অনশনরত যুবতীর ভালোবাসার জয়

    ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ইতালি প্রবাসী’র বাড়ীর গেটে ৫ দিন অনশনের পর ভালোবাসার জয় পেয়েছে ববিতা দাস।আর এ ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া থানার ২০ নং রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের এমপি’র মোড় এলাকায়।

    জানা যায়,গত মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় বিয়ের দাবিতে ববিতা দাস ইতালি প্রবাসী অনিক দাসের বাড়ির গেটে অনশন শুরু করে।দীর্ঘ সময়ে বসে থাকায় অসুস্থ হয়ে পড়েলে।

    শনিবার (১৫ এপ্রিল) সালিশে বসে প্রেমিক অনিক দাসের পরিবার সালিশ শেষে প্রেমিক অনিক দাস পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে বিয়ের সম্মতি জানালে সবার মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। পরে ছেলে মেয়ের মিষ্টিমুখের পরে ছেলেকে মেয়ের সঙ্গে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    প্রেমিক সদর উপজেলার রুহিয়া থানার ২০ নং রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের এমপি’র মোড় এলাকার বাসিন্দা ইতালি প্রবাসি অতুল এন্ড্রিকো দাসের ছেলে অনিক দাস (২৪) রুহিয়া ক্যাথলিক মিশন স্কুলে পড়াশোনা কালে আরাজি চিলারং গ্রামের জুয়েল দাসের কন্যা ববিতা দাস (২১) সহ পরিচয় থেকে ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

    ২০২০ সালে অনিক দাস ববিতা দাসকে এফিডেভিটমূলে ঘোষণা দিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের তিন দিনের মাথায় অনিকের পরিবার তাদের বিয়ে মেনে নেওয়ার কথা বলে তাদের মেয়ের বাড়ি হতে তুলে নিয়ে আসে।

    রুহিয়া ক্যাথলিক মিশনের ফাদারের কাছে নিয়ে যাবার কথা বলে মেয়েকে অটোচার্জার রিকশায় তুলে দেয় এবং অনিককে অন্য একটি মোটর সাইকেলে তুলে নিয়ে আসে। রুহিয়া মধুপুর কালিতলায় আসার পর অনিককে অজানা জায়গায় গোপন করে রাখে এবং মেয়েকে ঠাকুরগাঁও আদালত পাড়ায় নিয়ে গিয়ে ডিভোর্স পেপারে সাক্ষর করতে বলে।

    ববিতা দাস সাক্ষর না করার পরও তাদের তালাক হয়ে গেছে বলে জানিয়ে মেয়েকে তার পিতার কাছে ফেরত পাঠানো হয়।পরবর্তীতে ববিতা দাসকে রাজশাহীর এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়।

    বিয়ের পর অনিক দাস মরিয়া হয়ে উঠে এবং ববিতাকে ডিভোর্স দিতে তার স্বামী বাবু চাপাচাপি করতে থাকে। এ নিয়ে ববিতার সংসারে শুরু হয় টানাপোড়ন।

    এসময় প্রেমিকা ববিতা জানায়, অনিক প্রতিদিন আমার সাথে ফেসবুক ম্যাসেন্জার, ইমু, হোয়াটসআপ ও মোবাইলে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলে আমার বিয়ে করার জন্য আমার ২য় স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করে। আমি দশ বাচ্চার মা হলেও অনিক আমাকে নিয়ে জীবন কাটানোর প্রস্তাব দিলে আমি বাসায় চলে আসি এবং আমার ২য় স্বামী বাবুকে তালাক দিই। অনিকের কথায় আমি আমার দ্বিতীয় স্বামী বাবুকে ডিভোর্স দিয়ে চলে এসেছি।

    ববিতা আরও জানায়,অনিক আমাকে খুবই ভালবাসে। সে ইতালি থেকে আমার ভরণ পোষনের টাকা পাঠাত।

    আমার মোবাইলে অনিক ও আমার অনেক ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্যও এসএমএস ছিল। গত মঙ্গলবার বিকাল আনুমানিক ৩ টার সময় অনিকের পরিবারের লোকজন আমাকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে গিয়ে একটা রুমে আটকে রাখে এবং আমার মোবাইল ফোনটা কেড়ে নিয়ে সব কিছু ডিলিট করে দেয়।

    ববিতা অনশনের পূর্বে প্রেমিক অনিক দাস ওই মেয়েকে বিয়ে করার শর্তে গত মাসের প্রথমদিকে বাংলাদেশে আসে। যথারীতি ছেলের পিতা মাতা ও আত্মীয়রা বিয়ের পয়গাম নিয়ে মেয়ের বাড়িতে যায়।

    সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২৯ মার্চ। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে ছেলের পরিবার ওই মেয়ের সঙ্গে বিয়েতে আপত্তি জানালে এবং গোপনে অন্যত্র ছেলেকে বিয়ের চেষ্টা করতে থাকলে শুরু করলে মেয়ে অনশনে বসে।

    এদিকে দীর্ঘ ৫ দিন যাবত খ্রিষ্টান যুবতী ববিতা দাস প্রেমিকের বাড়ির গেটে অবস্থানকালে অনিককে তার পরিবার অন্যত্র সরিয়ে রাখে ।এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা মেয়ের পাশে এসে দাঁড়ায় এবং অবস্থানকালীন সময়ে তার খাওয়া দাওয়ার ও দেখাশোনা করে।
    শনিবার সন্ধায় রুহিয়া থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি পার্থ সারথী দাস,সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ বাবু ও রুহিয়া থানার ওসি সোহেল রানা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ঘটনা নিরসনে এক সালিশ বসানো হয়।

    সালিশে দীর্ঘ আলোচনা শেষে ছেলে ও মেয়েকে পাশাপাশি হাজির করানো হয় এবং ২ পরিবারের লোকজনের বাইরে পুলিশ বেষ্টনীতে তাদের কথা বলার সুযোগ করে দেওয়া হলে প্রেমিক অনিক দাস ববিতা দাসকে বিয়ে করার সম্মতি প্রদান করে। রাত দেড়টার দিকে ছেলে ও মেয়ে উভয় উভয়কে মিষ্টি খাইয়ে সম্মতি প্রকাশ করে।

    এ সময় ৫দিন অনশনে থাকা ববিতা দাস, তার পরিবার পরিজনের মাঝে হাসি ফোয়ারা বয়ে যায়। সালিশে সমাধান দিতে পেরে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তি ও উৎসুক সাধারণ জনতা পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    গৌতম চন্দ্র বর্মন
    ঠাকুরগাঁও