Author: desk

  • ধুনটে জমি দখলকে কেন্দ্র করে মারপিট, বাড়িঘর ভাঙচুর, নবজাতক ও শিশুসহ আহত ২০

    ধুনটে জমি দখলকে কেন্দ্র করে মারপিট, বাড়িঘর ভাঙচুর, নবজাতক ও শিশুসহ আহত ২০

    মিজানুর রহমান মিলন,
    বগুড়া জেলা প্রতিনিধি :

    বগুড়ার ধুনটে জমি দখলকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনায় নবজাতক, শিশু, মহিলা, বৃদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে । আহতরা শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রবিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল ৩ টায় ধুনটের গোপালনগর ইউনিয়নের মহিশুরা গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে । এ সময় আহত মন্জুয়ারা খাতুনের কোলে থাকা ১৫ দিনের নবজাতকও আঘাতপ্রাপ্ত হয়। আহতরা জানান, পূনরায় আক্রমণের ভয়ে তারা ধুনট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি না হয়ে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন । আহতরা হলেন, আব্দুর রাজ্জাক(৩৫),মন্জুয়ারা খাতুন (২৮),জিম আক্তার (১০),জাবেদ আলী (৮০),জেল হোসেন (৭০),আবু সাইদ (৬১),ওজায়ের (২২),আদরী বেগম (৬০),জাহেদা খাতুন(৪৫),আফরোজা বেগম (৪১),নাজমা খাতুন (২৫),জনতা খাতুন (২১),জুলেখা খাতুন (২৭),আসাদুল ইসলাম (৩১),নুরবানু (৪৬),ফাতেমা খাতুন (৪৬)। জানা যায়, মহিশুরা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে আবুল কালাম, আব্দুল বাসেদ, খালেক, মালেক, মান্নান ও আলী আকবরের ছেলে হোসেন একই গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের চার বিঘা জমি জোরপূর্বক দখল করে আসছিলো। জমির দলিল ও খাজনা খারিজ মূলে রবিবার বিকেল ৩ টায় আব্দুর রাজ্জাক জমিতে গেলে কালাম, আবদুল বাসেত, খালেক, মালেক, মান্নান, হোসেনের নেতৃত্বে ৫০/৬০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে । এ সময় আব্দুর রাজ্জাকের বাড়ির লোকজন এগিয়ে গেলে তাদেরকেও মারপিট করে । তখন আব্দুর রাজ্জাক সহ আত্মীয় স্বজন দৌড়ে বাড়িতে পালালে আক্রমণকারীরা বাড়ির ভেতরে ঢুকে এলোপাথারি ভাবে মারপিট করে। এতে মহিলা, নবজাতক,শিশু, বৃদ্ধসহ ২০ জন আহত হয় । এ সময় বাড়িঘর ও আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, জমিতে ধান কাঁটাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা জানতে পেরে সেখানে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। এ ঘটনায় হোসেন আলী বাদি হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন, তদন্ত চলছে ।

  • ময়মনসিংহে ১নং ফাঁড়ি এলাকার অপরাধীদের নতুন আতঙ্ক  দেবাশীষ সাহার যোগদান

    ময়মনসিংহে ১নং ফাঁড়ি এলাকার অপরাধীদের নতুন আতঙ্ক দেবাশীষ সাহার যোগদান

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অন্তর্গত ১নং পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার অপরাধ নির্মুলে এলাকার মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজ চুর,ডাকাতদের নতুন আতঙ্ক হিসাবে ফাঁড়ি ইনচার্জ পদে যোগদান করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার দক্ষ ও সাহসী এস আই বাবু দেবাশীষ সাহা।

    সোমবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তার কাছে দায়িত্ব হস্তক্ষেপ করেন নিদায়ী ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন। কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ এস আই বাবু দেবাশীষ সাহাকে চেয়ারে বসিয়ে তার উপর ফাঁড়ি এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বভার অর্পণ করেন। এস আই বাবু দেবাশীষ সাহা এর আগে কোতোয়ালী মডেল থানায় কর্মরত ছিলেন।

    পদোন্নতি জনিত কারনে ১নং ফাঁড়ির বিাদায়ী ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনকে সিলেট মেট্রোপলিটনে বদলী করা হয়েছে। এর আগে তিনি গত ৫ এপ্রিল ২০২২ইং ১নং ফাঁড়ীতে ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করে ১বছর ২০দিন দায়িত্ব পালন করেছেন।

    নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ১নং ফাঁড়ি ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনের বিদায় ও বাবু দেবাশীষ সাহার যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ কামাল আকন্দ তার বলেন, কোতোয়ালী থানার সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ১নং পুলিশ ফাঁড়ি এলাকা, এখানে কোন সমস্যার সৃষ্টি হলে তার প্রভাব থানায় পড়ে। আনোয়ার হোসেন যতদিন ১নং ফাঁড়ীতে দায়িত্ব পালন করেছেন ততদিন আমাকে কোন চিন্তা করতে হয়নি, আলাদা করে কোন ছক আকঁতে হয়নি। যখন যেখানে যা প্রয়োজন আনোয়ার হোসেনকে বললে সে সকল কিছু দায়িত্বশীলতার মধ্যদিয়ে গুছিয়ে রাখত।

    এসময় আনোয়ার হোসেনের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করে তিনি বাবু দেবাশীষ সাহার উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য – ১নং ফাঁড়ি ইনচার্জ হিসেবে নবযোগদানকৃত বাবু দেবাশীষ সাহা আনোয়ার হোসেনেরমত দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখে ১নং ফাঁড়ীর সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    অফিসার ইনচার্জ আরও বলেন, আমি দেবাশীষকে বলব সবসময় মাথা ঠান্ডা রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আপনার যদি দশ ঘন্টা ডিউটি থাকে তাহলে কেউ আপনার কাছে সেবা নিতে আসলে মাত্র ডিউটি শুরু মনে করে দায়িত্ব পালন করবেন। মনে করেন আপনার ডিউটির শেষের ঘন্টায় চর নিলক্ষীয়া থেকে একজন আসলো সে কিন্তু বুঝবে না যে আপনি দশ ঘন্টা যাবৎ ডিউটি করছেন তাই শেষ ঘন্টাকেও শুরু ভেবেই ঠান্ডা মাথায় কথা বলতে হবে।

    এসময় বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আগৈলঝাড়া-বাশাইল সড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় পিতা নিহত,পুত্র আহত

    আগৈলঝাড়া-বাশাইল সড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় পিতা নিহত,পুত্র আহত

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় পুত্র বেঁচে থাকলেও নিহত হয়েছে পিতা।স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া উপজেলার,আগৈলঝাড়া-বাশাইল সড়কের মাগুড়া বাজারের পূর্ব পাশে ২৫ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরের একটি ট্রাকের সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পার্শবর্তি মাদারীপুর জেলার মৃত দলিল উদ্দিন মিয়ার ছেলে ব্যবসায়ী লিটন মিয়া (৫৫) ও তার ছেলে কলেজ ছাত্র মোঃ জানেআলম ওরফে নিরব (১৮) গুরুতর আহত হয়ে সড়কের পাশে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায়।ঘটনার পরই ঘাতক ট্রাক পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা পিতা ও পুত্রকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা.গোলাম মোশের্দ সজীব, আহত অবস্থায় আনা পিতা লিটন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করে। পুত্র নিরবকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরন করা হয়েছে।

  • বানারীপাড়ায় ঈদে এবার নেতাদের উপস্থিতি কম

    বানারীপাড়ায় ঈদে এবার নেতাদের উপস্থিতি কম

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি।। বানারীপাড়ায় এবারের ঈদে নেতাদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। বর্তমানে সংসদ সদস্য মোঃ শাহে আলমকে দেখা গেছে এলাকায় কর্মী, হতদরিদ্রদের পাশে। তিনি প্রধান মন্ত্রীর কল্যাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত ৪৬ জন নেতা, কর্মী ও দুস্থদের, পৌরসভা সহ ৯ টি ইউনিয়নে ১০ কেজির সরকারি চাল ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় এবং প্রায় আড়াই হাজার কর্মীকে ঈদ উপহার পাঠিয়েছেন।

    বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ গোলাম ফারুক অসুস্থতার জন্য এলাকার বাইরে আছেন। পৌর মেয়র এ্যাডভোকেট সুভাষচন্দ্র শীল সরকারি ভাবে প্রধান মন্ত্রীর ঈদ উপহার তার ৯টি ওয়ার্ডে বিতরণ করেন অন্য নেতৃবৃন্দকে এলাকায় দেখা যায়নি। উপজেলা সদরে তেমন কোন পোস্টার ব্যানার চোখে পড়েনি। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছিল নেতৃবৃন্দকে এলাকায় কর্মী ও অসহায়দের সাথে যোগাযোগ রাখার। দলীয় কর্মকান্ড ও উন্নয়নের কথা প্রচার করার জন্য। সেটি মুলত পরিলক্ষিত হয়নি।
    এ বছরের শেষে জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সেদিক লক্ষ্য রেখে নেতাদের এলাকায় থাকা বাঞ্ছনীয় ও ছিল। কিন্তুু কোন দলেরই সে কার্যক্রম দেখা যায়নি। এবারের নির্বাচন কঠিন হবে আশা যায়। জনগণের ভোট পাওয়ার ক্ষেত্রে নেতাদের কর্মকান্ড নেই। ইতোপূর্বের ঈদের পূর্ব থেকেই নেতারা নিজের প্রধান্যতা বুঝাতে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারনা করতে দেখা গেছে। এবছর তেমনটি দেখা যায়নি। কর্মীদের মধ্যেও কিছুটা হতাশা দেখা দিয়েছে। এমনটি বলেছেন নাম প্রকাশে অনেক কর্মিরা।

    একই বিষয় মন্তব্য রয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যেও।#

  • নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে যুবকের পায়ের রগ কাটল দুর্বৃত্তরা গ্রেফতার ১

    নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে যুবকের পায়ের রগ কাটল দুর্বৃত্তরা গ্রেফতার ১

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের লোগাড়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় এক যুবকের পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের কোলা গ্রামে ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নাসির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
    পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববিরোধের ও আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে উপজেলার কোলা গ্রামের মাহাবুর শেখ ও হিমা খাঁ সমর্থিত লোকজনদের সাথে একই গ্রামের শাহাদত শেখ সমর্থিত লোকজনদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব সংঘাত চলে আসছিল।
    এর জের ধরে ঈদের পরের দিন গত রোববার (২৩ এপ্রিল) বিবাদমান ওই দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে । এ ঘটনার পর ওইদিন সন্ধ্যায় লোহাগড়া থানা পুলিশের নির্দেশনায় বিবাদমান দুটি পক্ষ দ্বন্দ্ব সংঘাতে লিপ্ত হবে না মর্মে পুলিশের নিকট মুচলেকা প্রদান করে।
    পরে সোমবার দুপুর একটার দিকে ওই গ্রামের মৃত সিরু শেখের ছেলে মাহাবুর শেখের নেতৃত্বে ২০/২৫ জনের একদল সন্ত্রাসী রামদা, লাঠিসোঠা, লোহার রড, ক্ষুর, চাকু নিয়ে প্রতিপক্ষের শেখ সাজ্জাদ (২৭) ‘র উপর হামলা চালিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখন করে।
    পরে এলাকাবাসী আহত সাজ্জাদকে উদ্ধার করে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ এর চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
    এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, হামলার ঘটনায় জড়িত থাকায় ওই গ্রামের মৃত সিরু শেখের ছেলে ইসরাফিল শেখ (৪৮)কে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ওই গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • উত্তরবঙ্গের সকল মানুষদেরকে নিয়ে কটুক্তি করেছেন আশুলিয়ার ভাদাইলে কে এই সাইফুল শিকদার?

    উত্তরবঙ্গের সকল মানুষদেরকে নিয়ে কটুক্তি করেছেন আশুলিয়ার ভাদাইলে কে এই সাইফুল শিকদার?

    হেলাল শেখ।
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের মধ্যে উত্তরবঙ্গের সকল মানুষকে নিয়ে কটুক্তি করেছে আশুলিয়ায় কে এই সাইফুল শিকদার? জানা গেছে, ঢাকা জেলার আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল এলাকায় এক ময়লা ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে বহিস্কৃত স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা নেশাখোর সাইফুল ইসলাম শিকদারের অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে। রংপুর ও উত্তরবঙ্গের মানুষ জাতীয় বাটপার, জাতীয় চিটার বলে এমন কটুক্তি ও হেয় প্রতিপন্ন মূলক মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন উত্তরবঙ্গের শত শত মানুষ ও সচেতেন মহল।
    উক্ত ব্যাপারে মাহবুব আলম মানিক নামের একজন লেখক-সাইফুল ইসলাম শিকদারের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তার ফেসবুক আইডি থেকে। তিনি লিখেছেন যে, প্রিয় সুধি সবাইকে আমার সালাম আসসালামু আলাইকুম। সেই সাথে আমার সুপরিচিত এবং সম্মানিত ব্যক্তি “মোঃ সাইফুল ইসলাম শিকদার” ভাইয়ের প্রতি রইলো ভালোবাসা ও সালাম। আপনারা অনেকেই জানেন, সাইফুল শিকদার ভাই একজন আশুলিয়ার আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রাক্তন নেতা। সেই সূত্রে অবশ্যই তিনি একজন সম্মানিত ব্যক্তি কিন্তু একজন আওয়ামীলীগ অঙ্গসংগঠনের সাবেক নেতাকর্মী হয়ে তিনি উত্তরবঙ্গের সকল মানুষকে উদ্দেশ্য করে কটুক্তি, হেয় প্রতিপন্নমূলক এমন মন্তব্য করতে পারেন না। আমরা তার থেকে এটা আশা করিনা। তিনি ২৪/০৪/২০২৩ইং তারিখে আনুমানিক বেলা তিনটার সময় আশুলিয়া ধামসোনা ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে তিস্তা ব্যারেজ দেখতে এবং রংপুরে ভ্রমণের উদ্দেশ্য গিয়ে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লাইভে এসে রংপুর এবং উত্তরবঙ্গের সকল মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আজ আমি এসেছি উত্তরবঙ্গের একটি বিখ্যাত অ ল রংপুর, এখানে এসে আসলে আমি একটা জিনিস বুঝতে পারলাম আমরা ঢাকার লোকেরা যাদের সবসময় মফিজ বলি, আসলে তারা মফিজ না, তারা হলেন জাতীয় চিটার, জাতীয় বাটপার, এবং লাইভে একাধিকবার এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। আসলে তিনি কেনো এমন মন্তব্য করেছেন সেটা আমার বোধগম্য নয়।
    মাহবুব আলম মানিক আরো লিখেছেন যে, তিনি হয়তো ভুলে গেছেন তার মন্তব্য যদি সঠিক হয় তাহলে প্রথমেই জাতীয় চিটার বাটপারের তালিকায় তাহার তথ্যমতে থাকবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার স্বামী ড. ওয়াজেদ সাহেবসহ পরিবারের সকল সদস্যগণ। কারণ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর স্বামী মৃত ড. ওয়াজেদ উত্তরবঙ্গের সন্তান, সেই সূত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্তরবঙ্গের পুত্রবধু এবং তাহাদের উত্তরসুরীরাও উত্তরবঙ্গের সন্তান। আপনি কি তাহলে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন? প্রশ্ন রইল, তাই যদি হয় তাহলে চলুন আপনাকে উত্তর বঙ্গের আরো অনেক জাতীয় চিটার জাতীয় বাটপারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। ১। উত্তর বঙ্গের সন্তান হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ, যিনি টানা ১০ বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। ২। উত্তরবঙ্গের সন্তান, বাংলাদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রকেয়া। ৩। উত্তরবঙ্গের সন্তান, কবি সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। ৪। উত্তরবঙ্গের সন্তান, কমরেড ফরহাদ। ৫। উত্তরবঙ্গের সন্তান, সাবেক এমপি মৃত এ্যাডঃ আব্দুর রহিম ভরসা। ৬। উত্তরবঙ্গের সন্তান, সাবেক স্পীকার জমিরউদ্দীন সরকার। ৭। উত্তরবঙ্গের সন্তান, সাংস্কৃতিক জগতের সুপরিচিত এবং বর্তমানে এমপি আসাদুজ্জামান নুর। ৮। উত্তরবঙ্গের সন্তান, মশিউর রহমান জাদু মিয়া। ৯। উত্তরবঙ্গের সন্তান, সাবেক ডেপুটি স্পীকার মৃত এ্যাডঃ ফজলে রাব্বি। ১০। উত্তরবঙ্গের সন্তান, ব্লাক ডায়মন্ড খ্যাত গুনি কণ্ঠ শিল্পী বেবী নাজনিন। ১১। উত্তরবঙ্গের সন্তান, বর্তমান বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সী। ১২। উত্তরবঙ্গের সন্তান, বর্তমান রেল মন্ত্রী মোঃ নুরুল ইসলাম সুজন। ১৩। উত্তরবঙ্গের সন্তান, বর্তমান নৌ-প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী। ১৪। উত্তরবঙ্গের সন্তান, বর্তমান জাতীয় পর্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ১৫। উত্তরবঙ্গের সন্তান, বিরোধী দলীয় বিএনপি’ দলের বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর। ১৬। উত্তরবঙ্গের সন্তান, সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন। এছাড়াও আরো অসংখ্য প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, কবি শিল্প সাহিত্যিকসহ শত শত বিখ্যাত গুনী ব্যক্তিদের জন্ম উত্তরবঙ্গে। আপনি যাদের জাতীয় চিটার বাটপারের তালিকায় রেখেছেন। সাইফুল ইসলাম, আপনি হয়তো ভুলে গেছেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরের অধিকাংশ সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন আপনার মন্তব্যের জাতীয় চিটার বাটপার উত্তরবঙ্গের লোকেরা। উত্তরবঙ্গের কোটি কোটি মানুষকে উদ্দেশ্য করে কটুক্তি ও হেয় প্রতিপন্নমূলক এমন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
    জানা গেছে, সাইফুল শিকদার স্বেচ্ছাসেবক লীগের আশুলিয়া থানা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিস্কৃত নেতা। তিনি স্থানীয় ভাদাইল কাঁঠালতলা এলাকার বাসিন্দা, এর আগে মাদক সংশ্লিষ্টতা ও চাঁদাবাজিসহ সংগঠন বিরোধী নানারকম অপরাধমূলক কর্মকান্ডের কারণে তাকে কমিটির পদ পদবি থেকে বহিস্কার করা হয়। এ বিষয়ে একজন ভুক্তভোগী মোঃ এনতাজ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, স্থানীয় সাদেক ভুঁইয়া মেম্বার এলাকার মানুষ বইলা আমারে ময়লার ব্যবসা দিছে করবার লাইগা। আমি ২-৩ বছর ধইরা ব্যবসা করতাছি। সাইফুল শিকদার আইসা আমার গাড়ি আটকাইয়া কয় এই মাল নিবি না। আমি কইছি গাড়ি যাইব না কারণটা কি? সে বলে যে, মাসে ২৫ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হইবো। কাইলকা লেবারগো আইসা কইতাছে গাড়ি বার করলে বাইরা ফাটায় ফালামু। হ্যারপর আজকা আশুলিয়া থানায় গিয়া মামলা করার জন্য অভিযোগ করেছি। ওরা হলো সাইফুল শিকদার, মাসুদ, মাসুম, ঈমান আলী, চ ল, আলম, পিন্টুসহ আরো ৮-১০জন আছে বলে ভুক্তভোগী জানান। এ রকম অনেক অপকর্ম করে থাকে এই সাইফুল শিকদার।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ভাদাইলে ময়লা ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সাইফুল শিকদার ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে ঘটনার দিন শনিবার বিকেলে সাইফুলকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্ত অন্যদেরকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। রাতেই এ ব্যাপারে মামলা হয়, রবিবার আসামীকে ঢাকা মুখ্য বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়। সাইফুল শিকদার আদালত থেকে জামিনে এসেই এলাকায় সুদের দোকান খোলে বসেছে, সেই সাথে মানুষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে বেড়াচ্ছে বলে অনেকেই জানান।
    আশুলিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আরও একাধিক নেতা মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতা ও চাঁদাবাজির সাথে জড়িত থাকায় তাদেরকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। সূত্র জানায়, আশুলিয়ার ভাদাইল আবারও ক্রাইম জোন হিসেবে পরিণত হয়েছে, বাড়ছে নানারকম অপরাধমূলক কর্মকান্ড ক্রাইম। উক্ত সাইফুল ইসলাম শিকদারকে আবারও গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছেন উত্তরবঙ্গের শত শত মানুষ ও সচেতন মহল। তাকে গ্রেফতার করার পর আইনের আওতায় এনে কঠিন সাজা দেয়া হলে আর এরকম কটুক্তি করার সাহস কেউ পাবে না বলে অনেকেই জানান। এ বিষয়ে বক্তব্য নেয়ার জন্য যোগাযোগ করে সাইফুল শিকদারকে পাওয়া যায়নি। ধারাবাহিক-পর্ব ১।

  • পানছড়ির কংচাইরী পাড়ায় ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা অনুষ্ঠিত

    পানছড়ির কংচাইরী পাড়ায় ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা অনুষ্ঠিত

    মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় মহান সাংগ্রাই( বৈসাবি) উপলক্ষে মারমা সম্প্রদায়ের উদ্যোগে সাংগ্রাই উৎসবে ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।

    মঙ্গলবার ( ২৫ এপ্রিল) বিকাল ৪টার সময় কংচাইরী পাড়া মাঠে এই ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা সম্পন্ন হয়।

    ঐতিহ্যবাহী বলি খেলা শেষে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মারমা যুব কল্যাণ সংঘের আয়োজনে সাংগ্রাই কমিটির আহ্বায়ক ও ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আফ্রুমং মারমার সভাপতিত্বে এই সময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া।এই সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মংসানু মারমা ( মাষ্টার) ।
    এতে উপস্থিত ছিলেন ৪ নং লতিবান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভূমিধর রোয়াজা,সাংবাদিক সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লাকি কুপন ড্র হওয়ার কথা হয়েছে।

  • লক্ষ্মীপুরে সড়ক বিভাগের কোয়াটার থেকে নারীর খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার

    লক্ষ্মীপুরে সড়ক বিভাগের কোয়াটার থেকে নারীর খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার

    নাজিম উদ্দিন রানা।

    লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
    লক্ষ্মীপুরে সড়ক ও জনপদ বিভাগের স্টাফ কোয়ার্টারের একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে মমতাজ বেগম (৪৭) নামে এক নারীর কয়েক খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে ওই নারী মরদেহ উদ্ধার ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক বিরোধ ও ছোট ছেলের সাথে মনোমালিন্য থেকে এই হত্যাকান্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছেন পুলিশ। ঘটনার পর থেকে ছোট ছেলে রকি লাপাত্তা রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ শেষে এমন কথাই জানান, লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ্জামান আশরাফ।
    নিহত মমতাজ বেগম লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা কুশাখালী ইউনিয়নের গোরারবাগ এলাকার মৃত আব্দুল মতিনের স্ত্রী। তার স্বামী সড়ক ও জনপদ বিভাগের ড্রাইভার পদে চাকুরী করতেন।
    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গেলো এক বছর থেকে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের স্টাফ কোয়াটারের এই বাসায় দুই ছেলে শরিফুল ইসলাম বাপ্পি ও ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম রকিকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন মমতাজ বেগম। ঈদের ছুটিতে ছোট ছেলে রকিকে বাসায় রেখে বড় ছেলে বাপ্পিকে নিয়ে নিজ গ্রামের বাড়ী সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের গোরারবাগ এলাকায় ঈদ করতে যান মমতাজ বেগম। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাপ্পি তার মাকে একটি সিএনজি অটোরিকসা করে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের কোয়াটারের বাসায় পাঠায়। পরে রাত ৯টার দিকে বাপ্পি বাসায় ফিরে দেখে ঘরে তালা লাগানো। এসময় ফোনেও তা মাকে না পেয়ে সে আশপাশের লোকজনকে খবর দেয়। এসময় জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরের মেঝেতে রক্ত দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহায়তায় বাসার পিছনের দরজা খুলে ওই নারীর কয়েক খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকেই নিহতের ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম রকি লাপাত্তা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রকি লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের ডিগ্রির ছাত্র।
    সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নিহত মমতাজের স্বামী আব্দুল মতিন সড়ক ও জনপদ বিভাগের গাড়ি চালক পদে চাকুরী করতেন। প্রায় ১৮ বছর আগে মারা যান তিনি। এরপর বেশ কয়েক বছর মমতাজ বেগম ওই দপ্তরে দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে পিয়নের কাজ করতেন। গত দুই-তিন বছর থেকে মমতাজের বড় ছেলে বাপ্পী দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে সড়ক ও জনপদ বিভাগের পিয়নের চাকুরী নেয়। এর সুবাধে গত এক বছর ধরে দুই ছেলে নিয়ে স্টাফ কোয়াটারের ওই বাসায় বসবাস করে আসছিলেন মমতাজ বেগম।
    লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ্জামান আশরাফ বলেন, এহত্যাকাণ্ডটি একটি বীভৎস হত্যাকাণ্ড। ছোট ছেলে রকির সাথে মায়ের মনোমালিণ্য থেকে এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে। ঘটনার পর থেকেই রকি নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে। রকিকে খুঁজে পেলে এ নৃশংস হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে। তদন্তের সার্থে বড় ছেলে ব্প্পাীকে পুলিশের কাছে নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

  • জয়পুরহাটে ইজিবাইক চোর চক্রের ২ সদস্য আটক

    জয়পুরহাটে ইজিবাইক চোর চক্রের ২ সদস্য আটক

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটে আন্তজেলা চোর চক্রের দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ব্যাটারিচালিত একটি ইজিবাইক উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৫। গত দিবাগত রাতে সদর উপজেলার পাঁচুরচক এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন,জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা কুটিরপাড়া এলাকার আফতাব আলী আকন্দের ছেলে আশরাফ আলী আকন্দ (৫৫) ও সদর উপজেলার পাঁচুরচক ফকিরপাড়া এলাকার কাজী জহুরুল ইসলামের ছেলে জয় ইসলাম রাজ (২০)।

    মঙ্গলবার সকালে জয়পুরহাট র‌্যাব-৫ ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০ টায় জয়পুরহাট সদর উপজেলার পাঁচুরচক এলাকা থেকে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় একটি চোরাই ইজিবাইক জব্দ করা হয়।

    তিনি আরও জানান,আটক আশরাফ আলী আকন্দ ইজিবাইক চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ও জয় ইসলাম রাজ তার সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে এই চোর চক্রের সঙ্গে জড়িত। জয়পুরহাট সদর ও আশপাশের এলাকায় চোরাই ইজিবাইক বিক্রি করে আসছিলেন তারা। এ চক্রের অন্য সদস্যদের আটককের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    পরবর্তীতে আটককৃতদের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।

    নিরেন দাস,জয়পুুরহাট।

  • আগৈলঝাড়ায় নাছিমা বেগমের  দীর্ঘশ্বাস ‘বৃষ্টির পানিতে আর ভিজতে ভালো লাগে না

    আগৈলঝাড়ায় নাছিমা বেগমের দীর্ঘশ্বাস ‘বৃষ্টির পানিতে আর ভিজতে ভালো লাগে না

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    “বাবা বৃষ্টির পানিতে আর ভিজতে ভালো লাগে না, আমারে একটা ঘর কইরা দেন, আমি মারা যাবার পর আবার আপনেরা ঘরখান খুইলা নিয়েন।”- নাছিমা বেগম।উপরের কথাগুলই বলছিলেন বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার চেংঙ্গুটিয়া গ্রামের হতদরিদ্র নাছিমা বেগম। স্বামী বাক প্রতিবন্ধী মোঃ মোতালেব হাওলাদার। স্বামী মোতালেব হাওলাদার পাঁচ বছর যাবৎ নিখোঁজ। দুটি কণ্যা সন্তান বিবাহ হয়েছে, তাদের আর্থিক অবস্থা ও খুব একটা ভালো না। ছোট্ট জরাজীর্ণ ঘরে নাছিমা বেগম একাই বসবাস করেন। কিন্তু ঘরখানি খুবই নড়বড়ে টিনের চালে রয়েছে অসংখ্য ছিদ্র। বৃষ্টি হলে তাঁর ঘর বিছানা সবই ভিজে যায়। ঘরের চালের সাথে ছোট বড় অসংখ্য পাতিল ঝুলিয়ে চেষ্টা করেন বৃষ্টি থেকে বিছানা শুকনা রাখতে। নাছিমা বেগম তাঁর ঘরটি মেরামতের জন্য সমাজের বিত্তবানদের সহযোগীতা চেয়েছেন।