Author: desk

  • আগরতলা ঘুরে এসে বাংলাদেশ-ভারতের সিনেমা হল গুলো তে  গুণগত পার্থক্যে চোখে ধরাপড়ে

    আগরতলা ঘুরে এসে বাংলাদেশ-ভারতের সিনেমা হল গুলো তে গুণগত পার্থক্যে চোখে ধরাপড়ে

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন আগরতলা থেকে–

    চার দিনের সফরে তৃতীয় বারের মতো ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা শহরে আসি। আগরতলা প্রেস ক্লাবের একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট মিডিয়া ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও ত্রিপুরা হেডলাইন টিভির সম্পাদক শ্রদ্ধেয় প্রনব কুমার সরকারের আমন্ত্রণে আমরা বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কুমিল্লা জেলার তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা প্রেস ক্লাবে আসি গত ২৩ শে এপ্রিল ২০২৩.

    প্রতিনিধি দলে ছিলাম,আমি সাংবাদিক সমিতির নির্বাহী সদস্য ও আমার বন্ধু দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক, সাংবাদিক সংগঠক, টক-শো সঞ্চালক, মুক্তি যোদ্ধা গবেষক শাহাজাদা এমরান, সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ আহমেদ লাভলু। আমরা গত
    ২৩ এপ্রিল ২০২৩ রোববার সকালে কুমিল্লা থেকে রওয়ানা হয়ে আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে বেলা সাড়ে ১২টার মধ্যেই ভারতের আগরতলা প্রেস ক্লাবে পৌঁছে যাই।প্রেসক্লাবের গেস্ট
    রুমে গিয়ে ফ্রেস হয়ে বের হই আগরতলা মহারাজা বীর বিক্রম বিমান বন্দরের উদ্দেশ্যে।
    বিমান বন্দরটি দেখে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। খুব বেশি বড় না হলেও অত্যান্ত ছিমছাম,সুন্দর,পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক সবুজের লিলা ভুমি আনন্দ ঘন পরিবেশে ঘেরা এই বিমান বন্দর।
    নিরাপত্তার নামে অহেতুক হয়রানিও চোখে পড়েনি। তবে যতটুকু নিরাপত্তা দরকার সেখানেও কমতি ছিল না। বিমান বন্দরটি ঘুরে অনলাইন নিউজ পোর্টাল কুমিল্লার জমিন থেকে একটি লাইভ শো করেন
    যাতে চেষ্টা করেছেন শাহাজাদা এমরান, আগরতলা মহারাজা বীর বিক্রম বিমান বন্দরটির সাথে আমাদের দেশের আগ্রহী জনগনকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
    আগরতলা মহারাজা বীর বিক্রম বিমান বন্দরকে নিয়ে কুমিল্লার জমিন এ লাইভ দেখে কুমিল্লা থেকে অনেক শুভার্থীই হোয়াটস আ্যপে প্রশংসা করে ফোন দেয়।

    ফলে ক্ষনিকের জন্য হলেও দূর দেশে চনমনে হয়ে উঠে আমার দেহ, মন। ঠিক এমন সময় বন্ধু শাহাজাদা এমরানের কাছে
    প্রস্তাব দেই।

    ভারতের একটি সিনেমা হলে ছবি দেখার। ভাবলাম, প্রায় ১৫-২০ বছর ধরে হলে বসে সিনেমা দেখা হয় না। ভিন্ন দেশের একটি সিনেমা হলের ভিতরের পরিবেশ কেমন, তা অভিজ্ঞতা নেওয়া দরকার। দেখলাম,অপর সহকর্মী সৈয়দ আহমেদ লাভলু ভাইও দেখতে আগ্রহী।
    তাই বিমান বন্দর থেকে সোজা চলে আসলাম ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার রূপসী সিনেমা হলে। এক সাথে একই বিল্ডিংয়ে চারটি হল।
    সাংবাদিক শাহাজাদা এমরা
    রূপসীতে টিকেট কাটল। ছবিটি ভারতের প্রখাত অভিনেতা সালমান খানের ‘কিসিকা ভাই,কিসিকা জান ’ নামের।

    যাই হোক। ভারতীয় সময় বিকাল সোয়া চারটায় শো। আমরা টিকেট কেটে হলে প্রবেশ করলাম । প্রচুর দর্শক। কিন্তু ঠেলাঠেলি নেই। যেহেতু এক সাথে চারটি হল। তাই লিফটে উঠার সময়ই কর্তব্যরত ব্যক্তি টিকেট দেখে সিরিয়াল নির্ধারণ করে দেন। আগের শো শেষ না হওয়াতে ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করার সময় মিলাতে লাগলাম আমাদের দেশের হলের বাহিরে পরিবেশ আর এখানকার হলের বাহিরের পরিবেশ। আগের শো শেষ হলে ভিতরে প্রবেশ করলাম। সিটে বসেই মনে হলো কেন আমাাদের দেশের সিনেমা হল গুলো একে একে বন্ধ হচ্ছে আর এখানকার মানুষ হলে হুমরি খেয়ে পড়ছে।
    সিনেমা শুরু হলো। আমার দুই সহকর্মীসহ হলের দর্শকদের চোখ পর্দার দিকে। সালমান খানকে দেখেই এক পশলা তুমুল করতালি চলল। আমার ভাবনায় মিলাতে লাগলাম দুই দেশের সিনেমা হলের তুলনামূলক পার্থক্য।
    এক সময় কুমিল্লার সিনেমা হলে প্রচুর সিনেমা দেখেছি। এমন সময় গেছে, দুপুর ১২টা থেকে তিনটা মধুমিতা, তিনটা থেকে ছয়টা দীপিকা এবং ছয়টা থেকে নয়টা রূপালীতে ছবি দেখারও অভিজ্ঞতা আছে
    । তবে সে সব সময় এখন অতীত। কুমিল্লার সব সিনেমা হল বন্ধ হয়ে নিভু নিভু জ্বলছে চকবাজারের রূপালী সিনেমা হল।আগে দালালদের ঘুষ দিয়ে টিকেট কাটতে হতো। আর এখন সিনেমা হলে দর্শক নেই।আগরতলা আসার পর লাভলু ভাই ও সম্পাদক যখন প্রস্তাব দিয়েছিল সিনেমা দেখতে,তখন আমি ভাবছিলাম, আমাদের দেশের মত এখানেও হয়তো দর্শক হবে না।কিন্তু আমার ধারণা ভুল হলো। একটা দালানেই চারটি সিনেমা হল।বাংলা,হিন্দি, ও ইংরেজি সিনেমা চলছে। প্রতিটি হলেই উপচে পড়া ভীর।কিন্তু কোন বিশৃঙ্খলা নেই। চমৎকার শৃঙ্খলা। প্রতিটি হলই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। হলের সিটগুলো যেন উন্নতমানের সোফা। কুমিল্লার হলগুলোতে ছবি দেখতে গিয়ে কত যে উলুসের কামড় খেয়েছি সে হিসাব মেলানো কঠিন।
    অথচ ত্রিপুরার হলের ভিতরের পরিবেশ কি যে চমৎকার লাগছে তা বুঝানো যাবে না।
    আমি সারা বাংলাদেশের কথা জানি না। তবে কুমিল্লার সিনেমা হল গুলোর কথা জানি এবং দেখেছি।এই সিনেমা হল গুলোতে অসংখ্য কাটপিস হতো, পিছনের সিট গুলোতে অসামাজিক কার্যকলাপ হতো। অত্যান্ত নিম্মমানের পর্দার কারণে সাউন্ড ডাবলিং হতো। যার কারনে মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো আস্তে আস্তে হল বিমুখ হয়ে পড়ে। কুমিল্লায় এক সময় লিবার্টি, মধুমিতা, দিপীকা,দিপালী,রূপকথা, রূপালী সিনেমা হল ছিল। এই হল গুলোর মধ্যে মানুষ বিনোদন খুঁজে পেত। এখন চকবাজারের রূপালী সিনেমা হল ছাড়া সব গুলোই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সবেধন নীল মনি রূপালী সিনেমা হলও।

    আমি মনে করি, আমাদের দেশের ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রি আজ যে গভীর অন্ধকারে দৌঁড়াচ্ছে তার অন্যতম কারণ হচ্ছে হলের ভিতরের নোংরা পরিবেশ। যার কারণে দর্শকরা হল বিমুখ হয়েছে। এছাড়া সময়-কে ধারণ করে গল্প তৈরি করতে না পারা,ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রিতে নোংরা রাজনীতি, মেধাবী পরিচালক ও প্রযোজকদের মূলায়ন না করা,শিল্পীদের রাজনীতিকরণসহ নানা কারণে মধ্যবিত্ত এ নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার আজ হল বিমুখ। আকাশ সংস্কৃতির কথা নাইবা বললাম। আর চলচিত্রের সাথে যারা জড়িত তাদের মধ্যে অনেকের দেশ প্রেম নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। তাদের অনেকেই ব্যস্ত ভারতের ছবি আমদানি করা নিয়ে রাজনীতি করতে।
    সুতরাং, আজ(২৩ এপ্রিল-২০২৩) ভারতের সিনেমা হলে ছবি দেখতে এসে আমাদের দেশের ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রি আর ভারতের ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রির যে তুলনামূলক পার্থক্য আমার নজরে এলো, তা পরিবর্তন করতে না পারলে আমাদের দেশের ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রি আর কোন দিন মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না।

  • পাইকগাছার তরমুজ রপ্তানি হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে

    পাইকগাছার তরমুজ রপ্তানি হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা )।।
    খুলনার পাইকগাছার কৃষিতে সমৃদ্ধ গড়ইখালী ইউনিয়নের গ্রামের পর গ্রাম জুড়ে হাজার-হাজার বিঘার সবুজ ফসলের ক্ষেত দেখে মন জুড়িয়ে য়ায়। চারিদিকে শুধু সোনালী ধানসহ লোভনীয় তরমুজ,ঢেঁড়শ, উচ্ছে, মিষ্টি আলু পুঁইশাকসহ নানা ধরনের সবজি তুলতে কৃষক-কৃষানীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে রবি মৌসুমে বাইনবাড়ীয়া,হোগলারচক,আমিরপুর,কুমখালী, কানাখালী পাতড়াবুনিয়া ও পাশ্ববর্তী কয়রা উপজেলার চান্নিরচকসহ বিভিন্ন মাঠের উৎপাদিত বিভিন্ন ধরনের সবজি ও তরমুজ ট্রাক যোগে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌছে যাচ্ছে। একাধিক তরমুজ চাষির জানান, ক্ষরা ও শিলা বৃষ্টিতে বেশ কিছু চাষির তরমুজের উৎপাদন আশানুরুপ হয়নি। তবে অধিকাংশ চাষিরা লাভবান হয়েছে। বাইনবাড়ীয়ার তরমুজ চাষি সুভাষ মিস্ত্রী ও সুব্রত মিস্ত্রী এ প্রতিবেদককে জানান, জমির হারী, বীজ-সার,সেচ কীটনাশকসহ বিঘা প্রতি ১৫ থেকে ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে। আর বিঘা প্রতি তরমুজের ক্ষেত বিক্রি হয়েছে সর্বনিন্ম ২০ থেকে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত। কৃষকদের অভিমত প্রতি বছরে দো-ফসলী এ এলাকার মানুষ শ্রমঘন শিল্প বিশেষ করে ধানচাষসহ তরমুজ ও বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে এলাকার কৃষকরা উপকৃত হচ্ছে এবং সর্বোপরী দেশের কৃষি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছেন।
    এ বিষয়ে গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি,এম আব্দুস ছালাম কেরু মিষ্টি পানির স্বপক্ষে মতামত করে জানান,এলাকার কৃষি খাতকে মজবুত করতে ঘোষখালী বদ্ধ নদীর (শান্তার গোড়ায়) বাঁধ দিয়ে মিষ্টি পানি সংরক্ষণ করে রবি মৌসুমের ধান,তরমুজসহ সবজি চাষে কৃষকদের উৎসাহ যোগানো হচ্ছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • সুজানগরে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসহায় ৩৩ রোগী পেল সাড়ে ১৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা

    সুজানগরে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত অসহায় ৩৩ রোগী পেল সাড়ে ১৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ ক্যান্সার সহ দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত সুজানগর উপজেলার ৩৩ জন অসহায় রোগীর মাঝে ১৬ লাখ ৫০হাজার টাকার সরকারি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ক্যান্সার,কিডনী,লিভার সিরোসিস,স্ট্রোকে প্যারালাইজড,জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের সমাজসেবা অধিদফপ্তরের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বৃহস্পতিবার এ সহায়তা প্রদান করা হয়। সুজানগর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রোগীদের মাঝে এককালীন এ আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন। অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো.জিল্লুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা সাইদুর রহমান সাইদ,মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক, দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, যায়যায়দিন প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সুজানগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো.জিল্লুর রহমান জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদফপ্তর হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম এর মাধ্যমে দুঃস্থ ও অসহায় রোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে বর্তমানে ক্যান্সার,কিডনী,লিভার সিরোসিস,স্ট্রোকে প্যারালাইজড,জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের এককালীন জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা হারে বাজেট প্রাপ্তি সাপেক্ষে এ চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে অসচ্ছল ও অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ১১২পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

    সুজানগরে অসচ্ছল ও অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ১১২পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ সুজানগরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারসহ উপজেলার অসচ্ছল,গরিব,দুস্থ ও অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুজানগর পৌরসভাসহ উপজেলার ১১২টি পরিবারের মধ্যে প্রত্যেক পরিবারকে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন ও নগদ ৩ হাজার টাকার এ সহায়তা প্রদান করা হয়। সুজানগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন। অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান খান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো.জিল্লুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা সাইদুর রহমান সাইদ,মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক, রেজা মন্ডল,গোলাম রসুল বকুল, দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, যায়যায়দিন প্রতিনিধি এম মনিরুজ্জামান,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রের করুন মৃত্যু

    নড়াইলে মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রের করুন মৃত্যু

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় রাকেশ গাইন আকাশ (২১) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় নিহতের দুই বন্ধুসহ এক পথচারী আহত হয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলার মধুমতী সেতুতে (কালনা সেতু) এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের দুই বন্ধুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং আহত পথচারীকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। নিহত রাকেশ গাইন আকাশ সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের বাঁশভিটা গ্রামের কার্তিক গাইনের ছেলে। সে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের ব্যবস্থাপনা বিষয়ের সম্মান ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহত’রা হলেন-ওই গ্রামের আকাশের আপন চাচাতো ভাই ও শ্যামল গাইনের ছেলে সজল গাইন (২০), একই গ্রামের হরিচান বিশ্বাসের ছেলে প্রিতম বিশ্বাস (২০) এবং পথচারী তমাল (২৫)। সে লোহাগড়া উপজেলার আড়িয়ারা গ্রামের বাসিন্দা। দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো:নাসির উদ্দীন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,মধুমতি সেতুর গোপালগঞ্জ প্রান্ত থেকে মোটরসাইকেলে করে তিন বন্ধু দ্রুতগতিতে নড়াইল প্রান্তের দিকে আসচ্ছিলেন। এসময় নিয়ন্ত্রণহীন গতির পাশাপাশি এলোপাথাড়ী ভাবে চালাচ্ছিলেন। পরে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর মাঝ বরাবর পৌঁছালে পথচারী তমালকে সাজোরে আঘাত করে ছিটকে পড়ে। পরে পথচারী’রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে,রাকেশ গাইন আকাশকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে’র কর্তব্যরত চিকিৎসক মারুফা তাসনিম
    সাংবাদিকদের বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। আর রাকেশ গাইন আকাশকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যুবরণ করেন। আহতদের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা মেডিকেলে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়। সংকটাপন্ন প্রিতম বিশ্বাসের বোন পূজা বিশ্বাস বলেন,আমাদের একই এলাকার তিন বন্ধু ও ভাই বাড়ি থেকে বুধবার সন্ধ্যার দিকে লোহাগড়া ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে সাড়ে ৭টার দিকে লোহাগড়া থানা থেকে ফোন আসে-আমার ভাই সহ চারজন এক্সিডেন্ট করে লোহাগড়া হাসপাতালে। বর্তমানে আমার ভাইয়ের অবস্থা খারাপ,খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসা চলছে। ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান শরিফুল ইসলাম বলেন, মধুমতি সেতুর (কালনা সেতু) ওপর সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বন্ধুর মধ্যে চালক রাকেশ গাইন আকাশ নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। অপর ২ বন্ধু ও পথচারীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে ও ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • বিয়ের আসরে নবদম্পত্তির প্লাকার্ড ‘টক অব দি কান্ট্রি’

    বিয়ের আসরে নবদম্পত্তির প্লাকার্ড ‘টক অব দি কান্ট্রি’

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    বিয়ের আসর থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল ও সহকর্মীর মুক্তি দাবী করে দেশব্যাপী তুমুল আলোচনায় উঠে এসেছেন ঝিনাইদহের নবদম্পত্তি মাহমুদুল ও সুমাইয়া। তাদের এই অভিনব প্রতিবাদের ভাষা এখন ‘টক অব দি’ কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। নেটিজেন ও ভুক্তভোগীরা বিয়ের আসরে তাদের এই ব্যতিক্রম প্রতিবাদকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এ নিয়ে ফেসবুকে চলছে আলোচনা। আর ইউটিউবে তৈরী হচ্ছে ভিডিও। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে মাহমুদুল ইসলাম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি আবার ছাত্র ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক। সুমাইয়া আফরিন একই উপজেলার গান্না ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের মেয়ে। তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গত মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকার প্রফেসর কমিউনিটি সেন্টারে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের আসরেই নবদিম্পত্তি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল সম্বলিত প্লাকার্ড প্রদর্শন করে হৈ চৈ ফেলে দেন। মাহমুদুলের হাতে ‘ফ্রি খাদিজা’ ও সুমাইয়ার হাতে ‘এ্যবলিশ ডিএসএ’ লেখা প্লাকার্ড শোভা পায়। বিয়ের আসরেই অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ জানিয়ে মাহমুদুল-সুমাইয়া নতুন দাম্পত্য জীবন শুরুর পক্রিয়াকে অনেকেই ব্যতিক্রম বলে মনে করছেন। বিয়ের আসরে নবদম্পতির সহকর্মীরাও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে সেদিন শ্লোগান দেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাগারে বন্দি আছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী খাদিজাতুল ইসলাম কুবরা। তার মুক্তির জন্যই মুলত বিয়ের আসরে প্লাকার্ড হাতে দাঁড়ান মাহমুদুল। অন্যদিকে নববধূ সুমাইয়ার হাতে ছিল ‘‘এ্যবলিশ ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট (ডিএসএ)’ লেখা প্লাকার্ড। বিষয়টি নিয়ে বর মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আট মাসের বেশি কারাবন্দি আমার রাজনৈতিক সহকর্মী খাদিজা। তিনি কারাগারে কিডনি সমস্যায় ভুগছেন। অনেক চেষ্টা করেও তার জামিন হয়নি। তাই প্রতিবাদ হিসেবে আমরা বিয়ের আসরকে বেছে নিয়েছি। মাহমুদুলের মা দিলরুবা খাতুন বলেন, ‘রাজনৈতিক সহকর্মীর মুক্তির দাবিতে ছেলে ও তার বন্ধুরা এ প্রতিবাদের আয়োজন করে। আমরা মৌন সমর্থন দিয়েছি।’ কনে সুমাইয়ার বাবা খলিলুর রহমান বলেন, ‘মেয়ে ও তার স্বামী বিয়ের আসরে কী করেছে, তা আমরা জানি না। এদিকে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলাম গনমাধ্যমকর্মীদের জানান, বিয়ের আসরে নবদম্পতির ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের প্রতিবাদ বিষয়ে তাঁর জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলেও জানান।
    মহেশপুর ১৫’শ হেক্টর জমির ধান কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বিনষ্ট
    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুরে কালবৈশাখী ঝড় আর শিলাবৃষ্টিতে দত্তনগর কৃষি ফার্মসহ এলাকার মাঠের ধান, কলা, ভুট্টাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড় আর বৃষ্টিতে ঝড়ে গেছে আম। বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার বিকালে ঝড়ে এ ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। কৃষকরা জানায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ও বুধবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে হালকা বাতাস শুরু হয়। ধীরে ধীরে ঝড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়। প্রায় ১০ মিনিটের শিলাবৃষ্টিতে উপজেলার দত্তনগর ধানের বীজ উৎপাদন খামার, পার্শবর্তী করিঞ্চা, বৈচিতলা, বেগমপুর, নওদাগা, বোয়ালিয়া, নস্তি, পাতিবিলা, স্বরূপপুর, কুশাডাঙ্গা, কুসুমপুর, আজমপুর, মদনপুর, আলামপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রামের মাঠের ধান ঝড়ে গেছে। নষ্ট হয়ে গেছে ভুট্টাগাছ, পাট, কলাসহ অন্যান্য ফসল। ঝড়ে গেছে অর্ধশত আম বাগানের অর্ধেকেরও বেশি আম। এদিকে ঝড়ে বিধ্বস্থ হয়েছে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর। বৃহস্পতিবার বিকালেও জেলার বিভিন্ন স্থানে ঝড়ে আঘাত হানে। এতে ফসলের ক্ষতি হয়। গাছপালা ও ঘরবাড়ি ঝড়ে উড়ে যায়। ঝিনাইদহ কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আজগার আলী বৃহস্পতিবার বিকালে জানান, মহেশপুর উপজেলায় ১৫’শ হেক্টর ধান ক্ষেত চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমের গুটি ঝড়ে গেছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার বিকালে ঝড়েও ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা তৈরী করে মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • নড়াইল ডিবি পুলিশের অভিযানে যশোর থেকে মালামালসহ পেশাদার ভ্রাম্যমাণ চোর আটক

    নড়াইল ডিবি পুলিশের অভিযানে যশোর থেকে মালামালসহ পেশাদার ভ্রাম্যমাণ চোর আটক

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল ডিবি পুলিশের অভিযানে যশোর থেকে মালামালসহ পেশাদার ভ্রাম্যমাণ চোর আটক।
    নড়াইলে চুরির ঘটনায় জীবন শেখ (২৩) নামের এক যুবককে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। সে নড়াইল সদর উপজেলার আলাদাতপুর গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে। তার নিজ বাড়ি নড়াইল সদরে হলেও স্থায়ীভাবে কোথাও বসবাস করেন না। আবাসিক হোটেলে ভাড়া থেকে বিভিন্ন দোকান টার্গেট করে চুরি করে সুযোগ সন্ধানী এই যুবক। ইতিমধ্যে নড়াইল সদর ও যশোর কোতোয়ালী থানায় তার নামে চুরি মামলা রয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে (২৭ এপ্রিল) বিকালে ডিবি’র পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সাজেদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) সাইফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় যশোরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে আটক করে। এ সময় ৪ টি চোরাই মোবাইল ফোন এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত ১ টি সিজার, ১ টি কাটার ব্লেড, ১ টি বৈদ্যুতিক টেস্টার ও ২ টি স্ক্র ড্রাইভার জব্দ করা হয়। নড়াইল জেলা (এসপি) পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন নির্দেশনায় ডিবি পুলিশের অভিযানে চোরাই মালামালসহ ধরা পড়ে পেশাদার ও ভ্রাম্যমাণ এই চোর ।

  • বিবিচিনি স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি ব্যাচ-২০১৮ পুনর্মিলনী

    বিবিচিনি স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি ব্যাচ-২০১৮ পুনর্মিলনী

    বেতাগী বরগুনা প্রতিনিধি।

    বিবিচিনি ইতিহাসে এই প্রথম বিবিচিনি নিয়ামতি যুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ এসএসসি ব্যাচ-২০১৮ কতৃক আয়োজিত পিকনিক ও পুনর্মিলনী।

    বিবিচিনি নিয়ামতি যুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ এসএসসি ব্যাচ – ২০১৮ কতৃক আয়োজিত পিকনিক ও পুনর্মিলনী বিবিচিনি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন বিবিচিনি নিয়ামতি যুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ প্রদিপ কুমার বিশ্বাস । এবং শিক্ষক বৃন্দ এসএসসি ব্যাচ-২০১৮ অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দ।

    বিবিচিনি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এস এস সি ব্যাচ- ২০১৮ শিক্ষার্থীরা বলেন বিবিচিনি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ আমরা এই সর্বপ্রথম পিকনিক ও পুনর্মিলনী করতে যাচ্ছি। দীর্ঘ ৫ বছর ওর আমরা আবার একত্রীত হয়েছি। আর আজ এই পবিত্র ঈদের আনন্দ বাল্যকালের বন্ধুদের সাথে বাগাবাগি করে নিলাম। এই আনন্দ, উল্লাস ও একতা এ রকম যেন বারে বারে ফিরে আসে।

  • গোদাগাড়ীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ট্যাব বিতরণ

    গোদাগাড়ীতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ট্যাব বিতরণ

    মোঃ হাযদার আলী রাজশাহী থেকেঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি ও এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়গুলোর নবম ও দশম শ্রেণির ৫৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ট্যাব বিতরণ করা হয়েছে। 

    বুধবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘জনশুমারী ও গৃহ গণনা প্রকল্প-২০২১’ এর ব্যবহৃত ট্যাব প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাজশাহী ১ সংসদ সদস্য সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী শিক্ষার্থীদের হাতে ট্যাবগুলো তুলে দেন। 

    এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। তোমাদের ভালভাবে লিখাপড়া করে দেশে সেবা করতে হবে। বাংলাদেশকে উন্নত বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে। তাই পড়া লিখার বিকল্প নেই। পরবর্তীতে উপজেলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ট্যাব বিতরন করা হবে বলে জানা গেছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মাহন্তের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ভাইস চেযারম্যান আব্দুল মালেক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয় খাতুন মিলি, গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি মোঃ কামরুল ইসলাম, দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বেলাল উদ্দীন সোহেল, মাটিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা, রিশিকুল ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম টুলু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ দুলাল আলম, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাযদার আলী, গোদাগাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান সরকার,

    এদিকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে এসব ট্যাব পেয়ে বেজায় খুশি শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ। 

    জানা যায়, মাধ্যমিক পর্যায়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১ম,২য় ও ৩য় রোল নম্বরধারীদের মাঝে এসব ট্যাব বিতরণ করা হয়েছে। 

    মহিশালবাড়ী মধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী রাইসা তাসনিম জানান, ট্যাব পেয়ে আমি দারুণ খুশি, এজন্য প্রধান মন্ত্রী, রাজশাহী ১ আসনোর এমপিকে ধন্যবাদ জানাই। স্মর্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ উপহার শিক্ষার্থীদের স্মার্ট নাগরিক গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে জানান।

    স্মর্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ উপহার শিক্ষার্থীদের স্মার্ট নাগরিক গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে জানান, পৌরসভার একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ। 

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • লালমনিরহাটে সোনালী ধানের শীষ মাঠ জুড়ে শোভা পাচ্ছে

    লালমনিরহাটে সোনালী ধানের শীষ মাঠ জুড়ে শোভা পাচ্ছে

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।

    লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলায়
    বৈশাকে পুরোদমে ইরি-বোরো কাটা-মাড়াই শুরু হবার আগে বাতাসে দোল খাচ্ছে সোনালী ধানের শীষে মাঠে মাঠে।

    লালমনিরহাটের কৃষকের এখন স্বপ্ন মাঠে মাঠে সোনালী ধানের শীষ বাতাসে দোল খাচ্ছে। সোনালী ধানের শীষে ভরে উঠেছে মাঠ। সেই সাথে রঙিন হয়ে উঠছে প্রান্তিক চাষিদের স্বপ্ন মাঠ ঘুড়ে এখন সোনালী স্বপ্নের ছড়াছড়ি।

    চলতি বৈশাখ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে লালমনিরহাটের কৃষকরা ধান কাটা শুরু করেছেন। মধ্যবর্তী বৈশাবে পুরোদমে ইরি-বোরো কাটা-মাড়াই শুরু করবেন তারা। চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া থাকায় অন্যান্য বছরের চেয়ে ইরি-বোরো আবাদ ভালো হয়েছে আশানুরূপ ফলনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন এলাকার মাঠগুলোতে যতদূর চোখ যায়, চারদিকে শুধু সোনালী ফসলের সমারোহ। পুরো মাঠ যেন সোনালী রঙে সেজেছে। মাঠে গেলে বাতাসের দোলে মন-প্রাণ জুড়িয়ে যায়।

    চলতি মৌসুমে মাঠে অন্য সব বাহারের চেয়ে ধানের শীষ ভালো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে এবার ধানের বাম্পার ফলন হবে। লালমনিরহাট সদর উপজেলার ফুলগাছ আমের কৃষক শ্রী হরিপদ রায় হরি বলেন, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূল ও বিদ্যুৎ এর লোভ শেভিং না থাকায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

    কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন,বলেন ভালো বীজে ভালো ফলন হয়। এবং রোগ বালাই কম হয়।ভালো জায়গাতের বীজ বপন করেন। অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবং নিবিড় পরিচর্যাসহ যথা সময়ে জমিতে সার কীটনাশক ও সেচ দেওয়ায় এবার লক্ষ মাত্রা পূরন হবে বলে আশা করছি।

    হাসমত উল্লাহ।।