Author: desk

  • পীরগঞ্জে ৩৬৯২ জন শিক্ষার্থীর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু

    পীরগঞ্জে ৩৬৯২ জন শিক্ষার্থীর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু

    আবু জাহেদ,পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় এস এস সি, দাখিল ও কারিগরি বিভাগের পরীক্ষায় শুরু হয়েছে। রবিবার (৩০ এপ্রিল) উপজেলার ৬ টি কেন্দ্র ও একটি ভ্যানুতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি বিভাগের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৬৯২ জন । উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১১২৬ , বণিক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮০৬,জাবরহাট হেমচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫১৬ ও ভোমরাদহ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪০৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। কারিগরি শাখা কেন্দ্রে পীরগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২২৮, আর এম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (ভ্যানু) কেন্দ্রে ২৫১ ও পীরডাংগী এস আই ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৩৫৯ জন দাখিল শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।
    পীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল্লাহ জানান,সুষ্ঠু ভাবে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায় নি। তিনি আরও জানান প্রথম দিনের পরীক্ষায় অনুপস্থিত রয়েছে এসএসসিতে ৩১,কারিগরির ২৫ ও দাখিলে ৩৭ জন সহ মোট ৯৩ জন শিক্ষার্থী।

    আবু জাহেদ
    পীরগঞ্জ ঠাকুরগাঁও ।

  • নাগরপুরে কৃষকের মাঠ দিবস পালিত

    নাগরপুরে কৃষকের মাঠ দিবস পালিত

    মো. আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের নাগরপুরের গয়হাটা ইউনিয়নের কলিয়া ব্লকের ঘিওরকোল গ্রামে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে এ কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে নাগরপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক মো. আমজাদ হোসেন রতনের সভাপতিত্বে ও উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার রাজিব কুমার সূত্রধরের সঞ্চালনায়
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল মতিন বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. মুজাক্কের নোমান। এছাড়াও উপ সহকারী কর্মকর্তা নাজমা আক্তার, উপ সহকারী মো. মনিরুল ইসলামসহ কলিয়া ব্লকের কৃষক, কৃষাণী, সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

    স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি অফিসার মুজাক্কের নোমান। তিনি তার বক্তব্যে কৃষক মাঠ দিবসের উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। এ ছাড়াও বক্তব্য দেন কৃষক মো. সুলতান মিয়া প্রমুখ।

    নাগরপুর, টাঙ্গাইল।

  • অস্ত্র মামলায় কোটচাঁদপুরের বহুল আলোচিত রেজাউল পাঠানসহ ৩ জনের কারাদন্ড

    অস্ত্র মামলায় কোটচাঁদপুরের বহুল আলোচিত রেজাউল পাঠানসহ ৩ জনের কারাদন্ড

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের আলোচিত রেজাউল পাঠানসহ তিন জনকে অস্ত্র আইনে ২৪ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। রোববার ঝিনাইদহ সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল জজ মো: নাজিমুদ্দৌলা এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন কোটচাঁদপুর শহরের আদর্শপাড়ার মোমিন পাঠানের ছেলে মো: রেজাউল ইসলাম পাঠান, কালীগঞ্জ উপজেলার বাকুলিয়া গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে মিলন ও চুয়াডাঙ্গাার জীবননগর উপজেলার কন্দবপুর গ্রামের নিয়ামত মল্লিকের ছেলে মধু মল্লিক। আদালতের পিপি এডভোকেট ইসমাইল হোসেন জানান, ২০১৬ সালের ২৭ জুন রাতে র‌্যাব গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে আসামী রেজাউল ইসলাম পাঠানের কোটচাঁদপুর শহরের আদর্শপাড়ার বাড়িতে কয়েকজন সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী অস্ত্র সহ অবস্থান করছে। ওই রাতেই র‌্যাবের একটি দল রেজাউল ইসলাম পাঠানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১টি রিভালবার, ৪০ রাউন্ড গুলি ৫টি দেশীয় অস্ত্র একসেট পুলিশের পোশাক ১টি ছোরা ও ১টি কুড়াল উদ্ধার করে। সেসময় র‌্যাব আসামীদের হাতেনাতে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদি হয়ে কোটচাঁদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। এ মামলায় পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ১ আগস্ট আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। আদালত সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তেতে দোষি প্রমানিত হওয়ায় অস্ত্র আইনের বিভিন্ন ধারায় আসামীদের প্রত্যেককে ২৪ বছর কারাদন্ড প্রদান করেন। মাদক, অস্ত্র ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম জামিন নিয়ে পাঠান পলাতক রয়েছে। আইনশৃংখলা বাহিনীর একটি সুত্র জানায়, রেজাউল পাঠান দক্ষিনাঞ্চল পশ্চিমাঞ্চলের সোনা, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান সিন্ডিকেটের গডফাদার হিসেবে পরিচিতি। ধীর্ঘদিন ধরে তিনি এ কাজের সাথে জড়িত রয়েছেন। তিনি পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে নিজেই পুলিশের পোশাক পরে অভিযান পরিচালনা করতো বলে র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছিলেন। ফলে বছরের পর বছর রেজাউল দালাল মুকুটহীন ভাবে রমরমা পরিবেশে চোরাচালান ব্যবসা করে আসলেও তিনি ছিলেন আইনের উর্ধ্বে। অল্প দিনে তার কোটিপতি হওয়ার পেছনে রয়েছে চমকে দেওয়ার মতো সব চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর এ সব করতেন তিনি র‌্যাব ও পুলিশেরে সোর্স পরিচয় দিয়ে। ফলে ভয়ে এলাকার কেও মুখ খুলতে সাহস পেতেন না। কেও প্রতিবাদ করলেই তাকে ফেনসিডিল দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হতো।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • ঝিনাইদহে প্রথম দিনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

    ঝিনাইদহে প্রথম দিনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে শান্তিপুর্ণ ভাবে নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এসএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা। জেলার ৬ উপজেলার ৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে এসএসসিতে ৩৬টি, দাখিলে ৯ এবং ভোকেশনালে ৯টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ বছর জেলায় মোট ২৩ হাজার ৪’শ ৮০ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। নকলমুক্ত ও শান্তিপুর্ণ ভাবে পরীক্ষা গ্রহণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পরীক্ষা শুরুর পর জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলাম বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শণ করেন। পরিদর্শণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রথীন্দ্রনাথ রায়, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়ার জেরিন উপস্থিত ছিলেন। সেসময় জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকেই জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তত্বাবধানে ৬ টি উপজেলায় শান্তিপুর্ণ ভাবে পরীক্ষা গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা পরীক্ষা গ্রহণ করেছি। কোন প্রকার নকল ও প্রশ্নফাঁসের প্রশ্নই ওঠেনা।

  • স্বরূপকাঠিতে বীর নিবাস নির্মানে চরম অনিয়ের অভিযোগ মেয়াদ শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি

    স্বরূপকাঠিতে বীর নিবাস নির্মানে চরম অনিয়ের অভিযোগ মেয়াদ শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি

    মো.আনোয়ার হোসেন , স্বরূপকাঠি প্রতিনিধি//

    স্বরূপকাঠিতে মুক্তিযোদ্ধাদের বীর নিবাস নির্মানে চরম অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কার্যাদেশ পাওয়ার পর আড়াই বছরেও শেষ হয়নি প্রকল্পের কাজ। অধিকাংশ ঠিকাদার প্রশাসনের দেওয়া নির্দেশকেও মানছেন না। মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেওয়া প্রথম পর্যায়ে ১২ টি ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪৭ টি উপজেলায় মোট ৫৯ টি বীর নিবাস নির্মানের কাজ চলমান। এর মধ্যে একটি নিবাসের কাজও সমাপ্ত হয়নি। প্রশাসনকে বার বার জানালেও কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না বলে জানালেন ভুক্তভোগীরা। কেউ নিজের জীর্ন কুটিরটি ভেঙে ছাপড়া ঘর তৈরি করে বসবাস করছেন যা ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। অনেকে ভাড়া করা বাড়ীতে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্ষা মৌসুম প্রায় সমাগত। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ গুলো শেষ না হলে ৫৯ টি মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বিপদের সম্মুখীন হওয়ার আশংকা করছেন।

    স্বরূপকাঠি (নেছারাবাদ) উপজেলার ওই প্রকল্পের সদস্য সচিব প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানস ঘোষ জানান, প্রথম পর্যায়ে ১২ টি কাজের জন্য লুনা এন্টাপ্রাইজকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। কার্যাদেশ অনুযায়ী শেষ করার কথা ২০২১ সালের ২৪ ডিসেম্বর। এবং দ্বিতীয় পর্বের ৪৭ টি বীর নিবাস নির্মানের জন্য গুচ্ছ প্রকল্পের মাধ্যমে ৭ টি প্যাকেজ করে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। যা ২০২২ সালের ৩১ জুলাই এর মধ্যে শেষ করার কথা। কিন্তু ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিলের মধ্যে একটি বাড়ীর কাজও শেষ করা হয়নি।

    সরেজমিনে গেলে সুটিয়াকাঠি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকরুল আমীন(কালু)‘র স্ত্রী আসমা বেগম বলেন, পুরানো ঘরখানা ভেঙে বাড়ীর এক কোনে ছাপড়া ঘর করে অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে আড়াই বছর ধরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। প্রথম থেকেই ঠিকাদার নিম্ন মানের ইট খোয়া বালু এনে কাজ শুরু করলে উপজেলা প্রশাসনকে জানালে তৎকালীন ইউএনও মো. মোশারেফ হোসেন তা সরিয়ে ভাল মালামাল আনার নির্দেশ দেন। ঠিকারদার ওই ইট খোয়া সরিয়ে কিছুটা ভাল ইট মিশিয়ে পুনরায় ওই মালামাল এনে কাজ শুরু করেন।

    ছাদ বাঁকা ও উচু নিচু, পানি জমে থাকে। জমাট হয়ে যাওয়া সিমেন্ট গুড়া করে ছাদ ঢালাইয়ে ব্যবহার করেছে। দেওয়ালে করা প্লাষ্টার সামান্য ঘসা দিলে ঝরে পড়ে। বিষয়টি বর্তমান ইউএনও মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদারকে জানালে তিনি সরেজমিনে গিয়ে ওইসব মালামাল অপসারন করার নির্দেশ দেন। ঠিকাদারের লোকজন শুধু কাঠের দরজা গুলে নিয়ে গেছে। তাও দুই মাস গত হলেও আজাবদি তারা আর কাজের স্থলে আসেননি।
    স্বরূপকাঠি ইউনিয়নের সুলতানপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালেক জানান নিম্ন মানের মালামাল দিয়ে কাজ করায় বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। দরজার কাঠ অত্যন্ত নিম্ন মানের। বীর মুক্তিযোদ্ধা ইছাহাক আলীর ছেলে বাদশা মিয়া বলেন. ঠিকাদার পরিবহন সহ বিভিন্ন কাজ করে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। অপারগতা প্রকাশ করলে নিজকে জেলার সরকার দলীয় নেতা বলে হুমকি দিয়ে দীর্ঘদিন কাজ ফেলে রাখেন।

    ফলে সব গাথুনিতে শেওলা ধরে যায় যা আমরা ঘসে পরিস্কার করেছি। দেওয়ালে পানি দিয়েছি। ওই ভবনে বিভিন্ন স্থানে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। দুই পর্বে ৫৯ টি প্রকল্পের সবগুলোর অবস্থাই এক। শুরু থেকেই নিম্ন মানের মালামাল নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। অত্যান্ত মন্তর গতিতে কেউ সামান্য দেওয়াল গেথে আবার কেউ ছাদ ঢালাই দিয়ে কাজ ফেলে রেখেছেন।

    পূর্ব অলংকারকাঠী এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ছোহরাব হোসেন বলেন, প্রথম থেকেই ঠিকাদার অত্যন্ত নিম্ন মানের ইট-খোয়া এনে কাজ শুরু করেন। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডাদের জানালে তারা বার বার চেষ্টা করেও ঠিকাদারকে দিয়ে সঠিক কাজ করাতে পারেন নি। সাবেক ইউএনও ও বর্তমান ইউএনও কয়েকবার সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। মালামালের নমুনা আমি মন্ত্রনালয়েও পাঠিয়েছি। তিনি বলেন, সরকার বীর নিবাস দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের ভাল ভাবে বসবাসের জন্য। কিন্তু তা এখন অনেকটা মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে।
    ঘর বরাদ্ধ পাওয়া সুটিয়াকাঠির বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ, গুয়ারেখার বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুর রবের ছেলে রাহাত, কামারকাঠির বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সত্তার, বলেন সবগুলো কাজের মান খুবই খারাপ, কোথাও কোথাও ঠিকাদার কেরিং করার টাকা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে নিয়েছেন।

    জগন্নাথকাঠী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর জানান, ঠিকাদার মালামাল এনে বাড়ী থেকে দুরবর্তি স্থানে খালের পাড়ে ফেলে বলে এগুলো কাজের স্থানে নিয়ে দিতে হবে। সকলের একই কথা ঠিকাদারগন নামকা ওয়াস্তে কাজ করে বিল তুলে নিতে চান। শোনাযায় কিছু কাজ করেই তারা চলতি বিল নেওয়ার জন্য ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন।

    তারা বলেন, সরকার যদি ভ্যাট আয়কর কেটে প্রশাসনের নজরদারীতে উপকারভোগীদের দ্বারা কাজ করাতেন তাহলে আর কিছু না হোক সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা অপচয় হত না। অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধারা শংকামুক্ত নিরাপদে বসবাসের সুযোগ পেত।

    অনিয়ম সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রকল্পের সদস্য সচিব প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানস ঘোষ বলেন, অনেক প্রকল্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। অনেকটা সংশোধন করিয়েছি। প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ না করা হলে কোন অবস্থাতেই বিল দেওয়া হবেনা।

    এবিষয়ে ইউএনও মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার বলেন, আমি নতুন এসেছি। অভিযোগ পেয়ে ইতোমধ্যে অনেকগুলো প্রকল্পই পরিদর্শন করে সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছি। সবগুলো প্রকল্পই সরেজমিনে পরিদর্শন করে সঠিক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।###

  • নাগরপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত, ১ম দিনে অনুপস্থিত ৪২জন

    নাগরপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত, ১ম দিনে অনুপস্থিত ৪২জন

    মো. আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ-
    সারাদেশের ন্যায় নাগরপুরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।
    রোববার (৩০ এপ্রিল) সকাল থেকে উপজেলার তিনটি কেন্দ্র ও পাঁচটি ভ্যনুতে এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনালে মোট ৩৯৮১ জন পরিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করছে। প্রথম দিনে অনুপস্থিত রয়েছে ৪২জন।

    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর নাগরপুর উপজেলা থেকে এসএসসিতে ৩০০৪, ভোকেশনালে ৪২৪ ও মাদ্রাসা থেকে ৫৫৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছে।প্রথম দিনে পরীক্ষায় এসএসসিতে ২১ জন, ভোকেশনালে ০৫ জন ও মাদ্রাসায় ১৬ জনসহ মোট ৪২জন শির্থী অনুপস্থিত রয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহেদুজ্জামান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.ইকবাল হোসেন কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহেদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, পরীক্ষা সুুষ্ঠ, নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। গত বছর থেকে এবার পরিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৯২৪ জন।

    নাগরপুর, টাঙ্গাইল

  • নড়াইলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কৃষকের ধান কেটে দিলেন

    নড়াইলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কৃষকের ধান কেটে দিলেন

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কৃষকের ধান কেটে দিলেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নির্দেশনায় সারাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতির হাত থেকে কৃষকের রক্ষা করতে পাশে দাঁড়িয়েছে নড়াইল সদর উপজেলা ছাত্রলীগ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রবিবার দুপুরে নড়াইল সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের ধোন্দা গ্রামের কৃষক মোসা মোল্যার ধান কেটে দেন ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
    জমির মালিক মোসা মোল্যা বলেন, আমি গবীর মানুষ। বর্তমানে ধান কাটা শ্রমিকে মজুরি তিনবেলা খেয়ে ৮’শ থেকে ৯’শ টাকা। এ টাকা খরচ করে জমি থেকে ধানা কাটা আমার দারা সম্ভব না। তার উপর বৃহস্পতিবারের ঝড়ে ধান পড়ে যায়। দ্রুত সময়ের মধ্যে ধান না কাটলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে এ নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম। এমন সময় ছাত্রলীগের ছেলেরা এসে আমার ৩৬ শতক জমির ধান কেটে দেওয়ায় আমি অনেক উপকৃত হলাম, আমি অনেক খুব খুশি।
    নড়াইল সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আকাশ ঘোষ রাহুল ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ সিংহ পল্টু জানান, কৃষক বাঁচলে বাচবে দেশ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নির্দেশনায় সারাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতির হাত থেকে কৃষকের রক্ষা করতে বরাবরের মতো এবার ও ছাত্রলীগ কৃষকের পাশে দাড়িয়েছে।
    এরই ধারাবাহিকতায় নড়াইল জেলা ছাত্রলীগ ও নড়াইল সদর উপজেলা ছাত্রলীগের নির্দেশে শুক্রবার শাহাবাদ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের কৃষিক মোসা মোল্যার বৃহস্পতিবারের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ধান কেটে ঘরে তুলতে সহযোগীতা করা হয়। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সর্বদা কৃষকের পাশে ছিলো,আছে এবং থাকবে।
    এসময় কৃষকদের ধান কাটা কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেন নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈম ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক স্বপ্নীল শিকদার নিলসহ জেলা ছাত্রলীগ, সদর উপজেলা, পৌর,কলেজ ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

  • প্রবেশপ‌ত্রের নামে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ

    প্রবেশপ‌ত্রের নামে অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ

    রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
    রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে প্রবেশপত্র বাবদ অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে জনপ্রতি ৭০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এ বছর উক্ত বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থী ১২০ জন।
    সূত্র জানায়, নিজ বিদ্যালয়ে এস.এস.সি পরীক্ষার কেন্দ্র নিয়ে আসতে খরচ হয় দাবি করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে এ অর্থ আদায় করে থাকে। প্রতিজন ৭০০ টাকা হারে এ বছর উক্ত বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৮৪,০০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। সে হিসেবে মৌডুবী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ৩১১ জন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে আদায় হবে ২,১৭,৭০০টাকা। এছাড়া ব্যবহারিক পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর দেয়ার আশ্বাস দিয়েও পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করা হয়। কোনো পরীক্ষার্থী এ অতিরিক্ত অর্থ দিতে না চাইলে তাকে নানাভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, ‘কারণে অকারণে আমাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয়। পরীক্ষার কেন্দ্র কাছে আনার অযুহাতে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হয়। অনেক শিক্ষার্থীর আর্থিক সমস্যা রয়েছে। এ ধরণের অর্থ আদায় পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বাড়ায়।’ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সহ কয়েকজন মিলে প্রতিবছর এমন অর্থ আদায় করে আসছেন। এ অর্থের খুব কমই শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহার করা হয়।’

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৌডুবী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন খান বলেন, ‘আমি একটু ব্যস্ত আছি। পরে কথা বলব।’ কিন্তু পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
    এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ‘ কেন্দ্র ফি ফর্ম ফিলাপের সময় নেয়া হয়। পরীক্ষার সময় প্রবেশপত্র আটকে রেখে অর্থ আদায়ের কোনো নিয়ম নেই। আমি বিষয়টি খোজ নিয়ে দেখছি।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী

  • পথে বসেছে সৌদিতে সড়কে নিহত সাগর ও মোজাম্মেলের পরিবার

    পথে বসেছে সৌদিতে সড়কে নিহত সাগর ও মোজাম্মেলের পরিবার

    মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি।

    মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে ওমরাহ পালন শেষে মদিনা থেকে মক্কায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মো. মোজাম্মেল হোসেন মৃধা গত ২৩ বছর আগে পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে পাড়ি জমিয়ে ছিলেন সৌদি আরবে। সেখানে রেস্টুরেন্টের ব্যবসা গড়ে তুলেছিলেন। আর সেখানে ভাগ্য পরিবর্তনে গত দের বছর আগে কাজে যোগ দিয়ে ছিলেন শ্যালক মো. সাগর জোমাদ্দার (৪৫)। কিন্তু তাদের সকল আশা ও স্বপ্নই অধরা রয়ে গেল।
    রবিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বেতাগী ও মির্জাগঞ্জ দুই বাড়িতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপার্জনক্ষম ব্যক্তিদের হারিয়ে বাকরুদ্ধ তাদের দুই পরিবার। এক মাস চারদিন পর প্রিয় জনের লাশ ফিরে পেয়ে চোখের জলে বিদায় দিলেও শোকে মনে হয় এমন, চোখের পানি যেন শুকিয়ে গেছে তাদের। বাড়িতে ছোট টিনের ঘরে বসবাস করেন নিহত সাগর জোমাদ্দারের পরিবার।

    সাত বছর প্রেমের পর দুই বছর আগে শান্তা আক্তারের সাথে বিয়ে হয় সাগর জোমাদ্দারের। বিয়ের পর মাত্র দুই মাস একসাথে সংসার করেন তারা। এরপর সৌদি প্রবাসী দুলাভাইয়ের রেস্টুরেন্টে কাজে যোগ দেন সাগর।

    বিলাপ বিলাপ করতে করতে শান্তা আক্তার জানান,‘ ভাগ্য বদলের জন্য স্বামী সৌদি গিয়ে অবশেষে দেশে ফিরলো লাশ হয়ে। আমাদের সব আশা আজ শেষ হয়ে গেছে। আমি এখন কোথায় যাবো, কি করবো ? চিৎকার করে কাঁদছিলেন মেঝ ভাই মো: সুমন জোমাদ্দার।

    এ সময় তিনি বলেন, পরিবারের উপর্জণক্ষম ব্যক্তিদের হারিয়ে আজ আমরা দিশেহারা ও চরম অসহায় হয়ে পড়েছি। সেখানে কয়েকমাস আগে দুলাভাই মোজাম্মেলের ব্যবসায় লোন ও ধারদেনা করে যে অর্থ বিনিয়োগ করে ছিলাম। কিন্ত এখন তা সব হারিয়ে নি:স্ব ও পথে বসে গেছি।’মোজাম্মেল নিজের জমি বিক্রি ও এনজিও থেকে ঋণ তুলে সৌদিতে হোটেল ব্যবসা শুরু করে। দিনে দিনে ব্যবসার পরিধি আরও বৃদ্ধি করেন। এতে দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে থাকলেও শেষ করতে পারেন নি ঋণের বোঝা। একদিকে প্রবাসে পরিবারের উপার্জনক্ষম মানুষের মৃত্যু অপরদিকে মাথার উপর ঋণের বোঝা। এসব চিন্তায় অনেকটা নির্বাক এই দুটি পরিবারের মানুষগুলো।

    মোজাম্মেলের স্ত্রী রুবিনা ইয়াসমিন জানান, মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকেই তাদের সবকিছু যেন শেষ হয়ে গেছে। তারা কিভাবে এই ঋণ মুক্ত হবে, পরিবারের অন্য সদস্য ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ ভাবিয়ে তুলছে তাদের। এথন তাদের রোজেরই বাজার হয়না। মানবিক বিবেচনায় সৌদি সরকারের কাছে তিনি আর্থিক সহায়তার দাবি করেন।

    মোজাম্মেলের ছোট মেয়ে রানিম জাহান অন্তু বলেন, ‘আমি যখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি ৮ বছর হয়, তখন আমার বাবা সৌদি যান। বাবাকে হারিয়ে এখন চরম অনিশ্চয়তায় কাটছে আমাদের দিন।

    নিহতের মোজাম্মেলের ভায়রা ও সাগরের ছোট দুলাভাই মো. তারেক মুন্সি বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ আমাদের শুধু লাশ পাঠিয়ে দিয়েছে। তারা পরিবারের দেনা পাওনা, ইন্স্যুরেন্সের টাকা ও দোকানের টাকা কিছুই দেইনি। এতে দুই পরিবারের লোকজনের মাঝে চরম হতাশা বিরাজ করছে। এ বিষয় আমরা সৌদি সরকারের কাছে দৃষ্টি আকর্ষন করছি। তিনি আরও বলেন, এ মৃত্যু যেন নিয়তির লিখন। জন্মিলে মরিতে হয়। একথা সত্য। তবে প্রতিটি মানুষের ইচ্ছা থাকে স্বাভাবিকভাবে যেন মৃত্যু হয়। কিন্তু মৃত্যু তো দিন তারিখ সময় দিয়ে হয় না। মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যু মেনে নিতে যেখানে কষ্টের অনুভূতিতে আঘাত লাগে, সেখানে অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর কত যে কষ্টের তা ভুক্তভোগী ছাড়া অন্য কেউ বুঝতে পারেন না।

    গত শুক্রবার লাশ দেশে পৌঁছার পর গত শনিবার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদে ইউনিয়নের বতটলা ও মির্জাগঞ্জ উপজেলার ছৈলাবুনিয়া গ্রামে দুই জনকেই স্ব-স্ব পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। বাড়িতে দেখা যায়, এখনো মানুষের ঢল। চলছে হৃদয় বিদারক দৃশ্যে। কবর ছুঁয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন স্বজনরা। বিশেষ করে নিহত মোজাম্মেল মৃধার স্ত্রী, দুইমেয়ে এবং সাগর জোমাদ্দারের স্ত্রী,বাবা ও তিন ভাই ও বোনরা কবরের পাশে দাঁড়িয়ে অশ্রæজলে সিক্ত করছেন।

    সাগর জোম্মাদ্দারের মামা ও বেতাগী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মাকসুদুর রহমান ফোরকান বলেন, আমার ভাগ্নি জামাই মোজাম্মেল নিজের জমি বিক্রি করে ও এনজিও থেকে লোন নিয়ে সৌদিতে হোটেল ব্যবসা শুরু করে। পরে সাগর সেখানে গিয়ে কাজে যোগ দেয়। তাদের উপার্জনের উপরেই তাদের পরিবার নির্ভরশীল ছিল।তিনি আরও বলেন, তাদের যে ক্ষতি হয়েছে তা কথনো পুষিয়ে ওঠার নয়। তবুও তারা যেন তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পেতে পারে সেই বিষয়ে সরকারের সহযেগিতা কামনা করছি।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে ওমরাহ হজ শেষে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তারা সৌদি আরবের আলগাছিমের উনাইয়া নামক স্থানে ব্যবসা করতেন। ওমরাহ হজ পালনের জন্য মক্কায় যান। ওমরা হজ পালন শেষে শনিবার কর্মস্থলে ফেরার পথে তাদের বহন করা গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি পাথরের পাহাড়ারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান।

  • চারঘাট উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ও নকল মুক্ত পরিবেশে এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    চারঘাট উপজেলায় শান্তিপূর্ণ ও নকল মুক্ত পরিবেশে এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    চারঘাট উপজেলার ১০ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ও নকল মুক্ত পরিবেশে এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোরবার সারাদেশের মত চারঘাটেও নির্ধারিত সময় সকাল ১০ টায় এস এস সি ও সমমানের বাংলা বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    চারঘাট উপজেলার ১০ টি পরীক্ষা কেন্দ্রের মধ্যে ৫ টি সাধারণ, ৪টি কারিগরি ও একটি মাদ্রাসা কেন্দ্র রয়েছে।

    মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৩ হাজার ৩৮৬ জন। তার মধ্যে সাধারণ ২ হাজার ৩৬১ জন, কারিগরি ৭০১ জন ও মাদ্রাসায় ৩৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করে সস্তষ্টি প্রকাশ করেন এবং প্রত্যেকটি কেন্দ্র সচিবকে নকল মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।