Author: desk

  • গোদাগাড়ী মাদক ব্যবসায়ী ইসাহাক আলী গ্রেফতার

    গোদাগাড়ী মাদক ব্যবসায়ী ইসাহাক আলী গ্রেফতার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী পুলিশ সুপার, এ বি এম মাসুদ হোসেন, বিপিএম (বার) এর দিক নির্দেশনায় ওসি ডিবি মোঃ আব্দুল হাই, পিপিএম এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ ইনামুল ইসলাম ও এসআই (নিঃ) মোঃ নাছিম উদ্দিন সহ সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্স এর সহায়তায়

    মাদক ব্যবসায়ী ইসহাক আলীকে গ্রেফতার করেছে। গত ৩ মে রাত ১১ টার সময় গোদাগাড়ী থানাধীন রামনগর গ্রামস্থ মেসার্স মিম ট্রেডার্স প্রাঃ মোঃ গোলাম মোর্তজা এর দোকানের সামনে ফাঁকা জায়গায় চাঁপাই টু রাজশাহীগামী মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট তার নিজ দখলে রেখে ক্রেতার নিকট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করাকালে ধৃত আসামী ১। মো: ইসাহাক আলী (৩৩), পিতা- মোঃ মোজাম্মেল হক, সাং- রামনগর, থানা- গোদাগাড়ী, জেলা- রাজশাহীকে ৩০০ (তিনশত) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার করা হয়। এ সংক্রান্তে ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • ঠাকুরগাঁওয়ে জিটিভির সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ে জিটিভির সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।
    ঠাকুরগাঁওয়ের পৌর জেলা শহরের চৌরাস্তায় বৃহস্পতিবার ৪ এপ্রিল-২০২৩ সকালে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল,হরিপুর,পীরগঞ্জ,বালিয়াডাঙ্গী ও ঠাকুরগাঁও জেলা সদর উপজেলার সাংবাদিক ও স্থানীয় বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।গণমাধ্যম কে কন্ঠ রোধ করার প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে জিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি এমদাদুল হক ভূট্টো’র বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

    সে সময় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড.ইন্দ্রনাথ রায়, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এ্যাড. আবু তোরাব মানিক,ঠাকুরগাঁও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সাংবাদিক ইউনিয়নের আহবায়ক এটিএম সামসুজ্জোহা,পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি গীতি গমন চন্দ্র রায়,মোস্তাফিজ মিলু, আদিবাসি নেতা সুবাস কজুর প্রমুখ।

    এ মানববন্ধনে জেলা-উপজেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ,সুশীল সমাজের প্রতিনিধি,রাজনৈকি ব্যক্তিত্ব,আদিবাসী ও খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়।মানববন্ধনে বক্তারা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং ২৪ ঘন্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন।

    এছাড়া জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. ইন্দ্রনাথ রায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন সাংবাদ কর্মীদের সাথে আমি আছি এবং থাকবো।সেই সাথে সংবাদকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি মূলক সকল মামলা বিনা পয়সায় পরিচালনার ঘোষনা দেন তিনি।এরপর সাংবাদিক নেতারা পরবর্তী করনীয় বিষয়ে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় মতবিনিময়ে মিলিত হয়।

    প্রকাশ থাকে যে,ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের পাহাড়ভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণি ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের সংবাদ জিটিভিতে প্রচার করার জেরে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কফিল উদ্দীন চাঁদাবাজি ও মানহানির অভিযোগ এনে গত ২৮ এপ্রিল জিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।এ মামলায় জিটিভির সাংবাদিক কে হয়রানির শিকার করা হচ্ছে বলে অনেকে মন্তব্য করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

  • রাজশাহীর চারঘাটে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পাঠাগারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

    রাজশাহীর চারঘাটে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পাঠাগারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট (রাজশাহী)

    রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ইউসুফ পুর ইউনিয়নের চৌমুহনী মহিলা কলেেজ চত্বরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পাঠাগারের ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন এই পাঠাগারের ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউসুফ পুর ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম মাখন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম শামীম আহমেদ, চৌমুহনী সালেহা শাহ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেদায়েতুল ইসলাম সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    ভিত্তি প্রস্থুর স্থাপন কালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন পাঠাগারটি নির্মাণ করা হলে অত্র এলাকার মানুষ অনেক উপকৃত হবেন। এখানে মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে নতুন প্রজন্ম থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষই মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবেন।

    মোঃমোজাম্মেল হক
    চারঘাট রাজশাহী

  • নীলফামারীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি গ্রস্থদের পাশে দাঁড়ালেন- সামাজিক সংগঠন, বন্ধণ

    নীলফামারীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি গ্রস্থদের পাশে দাঁড়ালেন- সামাজিক সংগঠন, বন্ধণ

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ঃ
    নীলফামারীর জলঢাকায় অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতি গ্রস্থদের পাশে দাঁড়ালেন মানবতার সামাজিক সংগঠন, বন্ধণ’ ।
    বৃহস্পতিবার বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়ন এর সিটমীরগঞ্জ পাড়ায় ভয়ানক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতি গ্রস্ত ৬ পরিবারের প্রত্যেক কে ১০ কেজি করে চাউল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি পেয়াজ, ১ কেজি লবন, ২ কেজি মুড়ি, এবং গোসল করা ও কাপড় কাচার জন্য সাবান ও সাফ ( কাপড় কাচার পাউডার) বিতরণ করেন সামাজিক সংগঠন বন্ধণ। বিকেলে ক্ষতি গ্রস্থদের মাঝে এসব উপকরণ বিতরণ করেন সংগঠনের সভাপতি শাহজাহান কবির ও সাধারণ সম্পাদক আবেদ আলী,এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সামাজিক সংগঠন বন্ধ ণ এর সিনিয়র সভাপতি মাহাদী হাসান মানিক,সহ সভাপতি জাহিনুর ইসলাম জীবন , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন বাদশা,সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ আলম, দপ্তর সম্পাদক হাসানুজামান সিদ্দিকী, এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য এমদাদুল হক, আলতাফ হোসেন, রতন সরকার, আলামিন,সমাজসেবক আনিছুর রহমান যাদু সহ আরো অনেকে। এবিষয়ে সংগঠনের সভাপতি শাহজাহান কবির এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন সম্প্রতি কিছুদিন আগে এই এলাকায় মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬৬টি পরিবারের সবকিছুই পুড়ে যায় এবং তারা এই ঝড়বৃষ্টির মধ্যে খোলা আকাশের নিচে বাস করছে ও না খেয়ে আছে তাই আমরা আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের মধ্যে সামান্য কিছু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলাম ।

  • গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া পৌর ছাত্রলীগ সভাপতির ইউএনও-এর চিঠি জালিয়াতি, তদন্তের নির্দেশ

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া পৌর ছাত্রলীগ সভাপতির ইউএনও-এর চিঠি জালিয়াতি, তদন্তের নির্দেশ

    বাদল সাহা,

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদের চিঠি জালিয়াতি করে সড়ক বিভাগের আওতাধীন কোটালীপাড়া-রাজৈর (জেড- ৮০৩২) সড়কের চেইনজ (০৭+৭০০ মি: হতে ১৭+১৪০ মি:) রাধাগঞ্জ-ফুলগাছা পর্যন্ত গণউন্নয়ন প্রচেষ্টকতৃক বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহায়তায় কোটালীপাড়ার অংশে রোপিত গাছ অপসারণ চেয়ে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি প্রেরণ করেছেন কোটালীপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাবেক ভিপি চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন।

    এ ব্যাপারে ওই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি প্রেরণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ। এই প্রেক্ষিতে বিষযটি তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

    জানাগেছে, রাজৈর-কোটালীপাড়া সড়কে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির অধীন ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে ১৩৪৫ টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়। তার মধ্যে জীবিত ১২৪৫টি গাছ বন বিভাগ কতৃক ২০১৭ সালে ৭১ লক্ষ ২৪ হাজার ৬২৪ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু তৎকালীন গাছগুলো অপসারণ করা হয়নি। বর্তমানে সড়কটি প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় আসনভুক্ত এবং প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত প্রতিনিধি মো: শহীদ উল্লাহ খন্দকার কয়েক দফায় সড়কটির উন্নয়ন কাজ করার জন্য মৌখিকভাবে তাগিদ প্রদান করেন। ফলে সড়কটির উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ করার লক্ষ্যে সড়কের দুই পাশের গাছ সমূহ কর্তণসহ অপসারণ করা অতি জরুরি। ফলে ২০১৭ সালে প্রাক্কলিতমূল্যে বর্তমান সময়ে উক্ত সড়কে বিদ্যমান ১২৪৫টি গাছ টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয়ের বিষয়ে মতামতের জন্য কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওহায়িদের চিঠি জালিয়াতি করে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে কোটালীপাড়া পৌর শাখার সভাপতি চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন একটি চিঠি প্রেরণ করেন।

    পবর্তীতে বিষয়টি জেলা প্রশাসকের কায্যালয় থেকে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওহায়িদকে জানানো হলে জালিয়াতির বিষযটি ধরা পরে। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা জুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। পরবর্তীতে ওই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি প্রেরণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ।

    ব্যবস্থা নেয়ার ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে সদয় অবগত করা যাচ্ছে যে, এত সূত্রের মাধ্যমে প্রাপ্ত পত্রের সাথে ত্রি-পক্ষীয় বনায়ন চুক্তিনামা (উপজেলা পরিষদ, গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা ও উপকার ভোগীদের) প্রেরণ করার বিষয়ে উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার, গোপালগঞ্জ মহোদয় নিম্নস্বাক্ষরকারীকে টেলিফোনে নির্দেশনা প্রদান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে উপ পরিচালক, স্থানীয় সরকার, গোপালগঞ্জ মহোদয়কে অবগত করা হয় যে, উরু স্মারক ও বিষয়ে জেলা প্রশাসক, গোপালগঞ্জ বরাবর কোন পত্র প্রেরণ করা হয়নি। উপ-পরিচালক, স্থানীয় সরকার, গোপালগঞ্জ মহোদয়ের নির্দেশক্রমে অত্র দপ্তরের নথি যাচাই-বাছাই করা হয়।

    চিঠিতে আরো বলা হয়, নথি যাচাইতান্তে দেখা যায় ২নং সূত্রের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের আওতাধীন কোটালীপাড়া-রাজৈর (জেড-৮০৩২) সড়কের চেইনজ ০৭+৭০০ মিঃ হতে ১৭+১৪০ মি: (রাধাগঞ্জ-ফুলগাছা) পর্যন্ত সড়কের দুই পার্শ্বে অবস্থিত গণউন্নয়ন প্রচেষ্ট কর্তৃক বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহায়তায় কোটালীপাড়া উপজেলার অংশে রোপিত গাছ অপসারণ বিষয়ে মতামত প্রদানের নিমিত্ত বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সামাজিক বন বিভাগ, ফরিদপুর বরাবর একটি পত্র প্রদান করা হয় (কপি সংযুক্ত)।

    আরো বলা হয়েছে, ০৩নং সূত্রোই পত্রের উৎস অনুসন্ধানে জানা যায় যে, জনাব চৌধুরী সেলিম আহমেদ (ছোটন), সাং-পশ্চিমপাড়, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ (সভাপতি, পৌর ছাত্রলীগ, কোটালীপাড়া) উক্ত স্মারকের পত্রটির প্রাপক পরিবর্তন করে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সামাজিক বন বিভাগ, ফরিদপুর এর হলে জেলা প্রশাসক, গোপালগঞ্জ বসিয়ে ফটোকপি করে উপ পরিচালক, স্থানীয় সরকার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গোপালগঞ্জ এর নিকট দাখিল করেন। এ প্রেক্ষিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি দায় স্বীকার করেন এবং লিখিত একটি মুচলেকা প্রদান করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন (কপি সংযুক্ত)। এমতাবস্থায়, উক্ত প্রতিবেদন মহোদয়ের সদয় অবগতি ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবসা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হলো।

    এ বিষয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, গাছ অপসারণের বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর কোন পত্র প্রেরণ করা হয়নি। বিষয়টি আমাকে টেলিফোনের মাধ্যমে জানানো হয়। কোটালীপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাবেক ভিপি চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন স্মারকের পত্রটির প্রাপক পরিবর্তন করে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সামাজিক বন বিভাগ, ফরিদপুরের স্থলে জেলা প্রশাসক গোপালগঞ্জ বসিয়ে ফটোকপি করে উপ পরিচালক, স্থানীয় সরকার, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিকট দাখিল করেন। ওই ছাত্রলীগ নেতা চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি দায় স্বীকার করেন এবং লিখিত একটি মুচলেকা প্রদান করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এ প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে।

    অভিযুক্ত কোটালীপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাবেক ভিপি চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন এ ব্যাপারে কিছু বলতে না চাইলেও সংবাদটি না করার জন্য প্রতিবেদকে অনুরোধ করেন।

    এ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মুন বলেন, কোন সরকারি কর্মকর্তার চিঠি বা স্বাক্ষর জালিয়াতি করা বেআইনি। তবে এ ব্যাপারে আমি এখনো কিছু জানি না। যদি আমাদের কাছে এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ আসে তাহলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুর রহমান জানান, এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কায্যালয়ের স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচারক আজহারুল ইসলামকে তদন্তের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এর আগেও কোটালীপাড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাবেক ভিপি চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন কোটালীপাড়ায় সুইচ গেটের মোট ৩টি শীট পাইল বেআইনিভাবে উঠিয়ে বিক্রির চেষ্টা করে। পরে জানাজানি হলে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের গোপালগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে ৩টি শীট পাইল জমা দেয়। পরে একটি অঙ্গীকার নামা জমা দেয় যে, ভবিষ্যৎতে এমন কোন বেআইনিমূলক কার্যক্রমে আর লিপ্ত হবো না। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে কমিউনিটি ক্লিনিক, পূরাতন প্রাইমারি স্কুল ভবন, ব্রীজের টেন্ডার ছাড়া ভাঙ্গার অনেক অভিযোগ রয়েছে। #

  • দোয়ারাবাজারে কাশেম হত্যা মামলাকে প্রতিহত করতে লুটপাটের অভিযোগ

    দোয়ারাবাজারে কাশেম হত্যা মামলাকে প্রতিহত করতে লুটপাটের অভিযোগ

    হারুন অর রশিদ,

    দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে ঈদুল ফিতরের দিন দু”পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় মারা গেছেন মাইজখলা গ্রামের মৃত ইদ্রিস মিয়ার পুত্র আবুল কাশেম (৩০)। হত্যা মামলাকে প্রতিহত করতে লুটপাটের অভিযোগ করেন আসামী পক্ষ।

    বৃহস্পতিবার সরেজমিনে মাইজ খলা গ্রামে উপস্থিত হয়ে আসামি পক্ষের বাড়ি-ঘর ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, হত্যা পরবর্তী মাইজ খলা গ্রামে আসামিদের বাড়িতে লুটপাটের মতো কোন ঘটনা এখন পর্যন্ত ঘটেনি।

    গত ২২ এপ্রিল সকালে পূর্ব পরিকল্পিত অনুযায়ী সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেওয়ার কারণেই ঈদুল ফিতরের জামাত পড়তে কচুদাইর গ্রামের লোকজন মাইজখলা মসজিদে আসে। ঈদের জামাত পড়া শেষ হওয়ার সাথে সাথে মামলার প্রধান আসামী সাবেক ইউপি সদস্য রহমত আলী তার আত্বীয় স্বজন ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের কচুদাইর গ্রামের লোকজন মাইজখলা গ্রামে পৌঁছামাত্র রহমত আলী হুকুম দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাদে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত আবুল কাশেমকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যালেই মৃত্যু বরণ করে। মসজিদে জুতা বদল করাকে কেন্দ্র করে মাইজখলা গ্রামে সংঘর্ষ হলেও মুলতঃ ঘটনাটি ছিল পূর্ব পরিকল্পিত।

    মাইজখলা গ্রামের হত্যা মামলার প্রধান আসামী রহমত আলীর ছোট ভাই প্রবাসী নুরুজ্জামানের স্ত্রী জুবেদা আক্তার বলেন, আমার ও আমাদের বাড়ির কারু মালামাল লুটপাট হয়নি। এমনকি অন্য কোন আসামীর বাড়ি ঘর, ধান ও মালামাল লুটপাটের কথা আমি শুনি নাই।
    রংপুর গ্রামের খাতুন বানু বলেন, আমার বাবার বাড়ি পার্শবর্তী মাইজখলা গ্রামে হওয়ায়, আমার বাড়িতে বাবার বাড়ির মাল সাম্পুর্ণ নিয়ে এসেছি। তবে আমার জানামতে গ্রামের কারু বাড়িতে লুটপাট হয়নি।
    মাইজখলা গ্রামের আব্দুল্লাহ স্ত্রী নুরুন নাহার বেগম বলেন, আমার বাড়ির মালামাল কেউ নেয়নি। আমি কারো জন্য মিথ্যে বলতে পারবনা লুটপাটের ঘটনা আমার জানা নেই।
    আব্দুল সমাদের মেয়ের জামাই কচুদাইর গ্রামের আহমদ আলীর পুত্র ফরিদ মিয়া বলেন, সংঘর্ষের পর থেকে আমি শশুর বাড়ি মাইজখলা গ্রামে আছি কোন প্রকার লুটপাট হওয়ার মতো ঘটনা এখন পর্যন্ত শুনি নাই। এমনকি আমার শশুরের ঘরের মালামাল সহ বোর ক্ষেতের ধান সব আমার বাড়িতে নিয়াগেছি।
    এব্যাপারে নিহত আবুল কাশেমের ভাই হানিফ মিয়া বলেন, আমার ভাই আবুল কাশেম হত্যা মামলাকে বানচাল করার জন্য আসামীরা বাড়িঘর লুটপাট করার কথা বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ায় প্রচার করছে। আমরা অসহায় হওয়ার কারণেই প্রভাবশালীরা আমার পরিবারের উপর আক্রমণ চালিয়ে আমার ভাইকে হত্যা করেছে। এখন পর্যন্ত প্রধান আসামী রহমত আলী সহ অনেক আসামী ধরা চুয়ার বাহিরে রয়েগেছে। প্রশাসনের কাছে আমার জোর দাবি জানাচ্ছি আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য।

    এব্যাপারে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ দেব দুলাল ধর বলেন, প্রথমদিনে এ মামলার ৯ জন আসামি গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই গ্রামে তিনদিন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। লুটপাটের একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্তপুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদীর পাড় ঘেঁসে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ

    কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদীর পাড় ঘেঁসে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ

    এম এস সাগর,

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
    কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দুধকুমার নদীর পাড় ঘেঁসে ভুরুঙ্গামারীর পাটেশ্বরী থেকে নাগেশ্বরী হয়ে কুড়িগ্রাম যাত্রাপুর পর্যন্ত ৩৭.৭কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ দ্রুত গতিতে তৈরী হচ্ছে। এটি নির্মাণ শেষ হলে বন্যা-নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে নদী পাড়ের শতাধিক গ্রামের মানুষ আর পাল্টে যাবে তাদের আর্থ সামাজিক অবস্থা।

    জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে দুধকুমার নদীর পাড় ঘেঁসে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাটেশ্বরী থেকে নাগেশ্বরী উপজেলা হয়ে কুড়িগ্রাম সদর যাত্রাপুর পর্যন্ত ৩৭.৭কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ৯টি প্যাকেজের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো তৈরীতে লাগছে ৩৭কোটি ৭০লাখ ১২হাজার ৩২৮টাকা ৪৮পয়সা। ইতোমধ্য মেসার্স এসবি এবি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নাগেশ্বরীর বামনডাঙ্গা, বেরুবাড়ী ও কালীগঞ্জ ইউনিয়নের দুধকুমার নদীর পাড় ঘেঁসে দ্রুত তৈরী করছে ২.৮৫০কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। ভেকুর মাধ্যমে মাটি দিয়ে চলছে এ বাঁধের কাজ। একদিকে বন্যা থেকে রক্ষা পাবে কৃষি জমি ও নদী পাড়ের শতাধিক গ্রামের মানুষ। এছাড়া এই বাঁধ স্থানীয়দের নিরপেক্ষ চলাকালসহ পাল্টে যাবে তাদের আর্থ সামাজিক অবস্থা। এরই মধ্য এই প্যাকেজের বাঁধের ২৫শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। চলতি বছরে বর্ষার মধ্য শতভাগ কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    মেসার্স এসবি এবি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদার মো. নুরুল ইসলাম সুজন, ঠিকাদার বলেন, নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা, বেরুবাড়ী ও কালীগঞ্জ ইউনিয়নের দুধকুমার নদীর পাড় ঘেঁসে বিধি মোতাবেক নির্মাণ করা হচ্ছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। এলাকার মানুষ বন্যা ও কৃষি জমি রক্ষা পাবে। এলাকার উন্নয়নে তাদের আর্থ সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হবে।

    স্থানীয়রা বলেন, বাঁধটি তৈরী হলে ভুরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী উপজেলার শতাধিক গ্রামের মানুষ বন্যার ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে। নিরপেক্ষ চলাচলের প্রধান বাহক হিসেবে বাঁধটি ব্যবহার হবে। পাল্টে যাবে এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থা।

    কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, দুধকুমার নদীর পাড় ঘেঁসে ভুরুঙ্গামারীর পাটেশ্বরী থেকে নাগেশ্বরী হয়ে কুড়িগ্রাম যাত্রাপুর পর্যন্ত ৯টি প্যাকেজে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের কাজ শেষ হবে ২০২৫সালে। বাঁধটি নির্মিত হলে এই এলাকার মানুষ বন্যা থেকে রক্ষা পাবে এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেয়ে উপকৃত হবে।

  • নলছিটিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠন

    নলছিটিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠন

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল মোল্লারহাট ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। নলছিটি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল আহবায়ক তৌহিদ আলম মান্না ও সদস্য সচিব সাইদুল কবির রানা’র স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
    কমিটিতে মো: খলিল সরদার কে আহবায়ক ও মোঃ সোহেল ভূঁইয়া কে সদস্য সচিব করে ৪২ সদস্য বিশিষ্ট্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবনির্বাচিত আহবায়ক কমিটিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মোল্লারহাট ইউনিয়ন বিএনপি ,যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ আগামীর সকল আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে রাজপথে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • সুনামগঞ্জের সোনাখালী ব্রীজে সন্ত্রাসী হামলায় ১ এস এস সি শিক্ষার্থীসহ ৬জনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত,থানায় মামলা দায়ের

    সুনামগঞ্জের সোনাখালী ব্রীজে সন্ত্রাসী হামলায় ১ এস এস সি শিক্ষার্থীসহ ৬জনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত,থানায় মামলা দায়ের

    কে এম শহিদুল্লাহ।
    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
    সুনামগঞ্জের পৌর শহরের হাছন নগর এলাকায় বখাটেপনাসহ অবৈধ কমংকান্ডের প্রতিবাদ করায় এক এস এস সি পরীক্ষার্থীসহ ৬ জনকে দাড়াঁলো অস্ত্র রামদা ও লোহার রড দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ের পিঠিয়ে আহত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতরা বলেন,এস এস সি পরীক্ষার্থী মিজান মিয়া(১৭)। তিনি পৌরসভার নতুন হাছন নগরের মধ্য সুলতান পুরের বাসিন্দা মৃত আকিল মিয়ার ছেলে ।

    অপর আহতরা হলেন,একই এলাকার তাজিরুল ইসলামের ছেলে জিসান,নতুন হাছন নগর এলাকার মৃত আছদ্দর আলীর ছেলে তৈয়ব আলী,মুতাছিন আলীর ছেলে মুস্তামিন আলী রাজ,মতছির আলীর ছেলে আকাশ মিয়া ও ‍বুড়ির পয়েন্টের মতাছিন আলীর ছেলে রায়হান।

    ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩ মে রোজ বুধবার রাত ৮টায় শহরের হাছনগরস্থ সোনাখালী ব্রীজের পাশে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত এস এস সি পরীক্ষার্থীর আপন বড়ভাই মো. ছালিক মিয়া বাদি হয়ে ঘটনার রাত ১০টায় হাছন নগর এলাকার সন্ত্রাসী ও বখাটেপনাকারী মৃত গেদা মিয়ার মহির মিয়াকে প্রধান আসামী করে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭ ও ১১৪ প্যানাল কোর্ড অনুযায়ী মামলাটি দায়ের করেন। যার মামলা নং -০৮/১৬৫। মামলার অন্যান্য আসামরিা হলেন,একই এলাকার মহিরের ছেলে হৃদয়,রহিম মিয়ার ছেলে রাহুল মিয়া,জহির মিয়ার ছেলে ফয়সল মিয়া,রাব্বি মিয়া,শহিদ মিয়ার ছেলে নয়ন মিয়া,আপ্তাব নগর এলাকার ছৈলা মিয়ার ছেলে শাহিন মিয়া প্রমুখ।

    মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,বিভিন্ন সময় আসামীগণের অপকর্মের প্রতিবাদ করে আসছিল এস এস সি পরীক্ষা মিজান। এরই জেরে ঘটনার সময় সন্ধ্যায় ছেলেটি বুড়িস্থল থেকে নিজ বাসায় আসার পথে সোনাখালী ব্রীজের সামনে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা সন্ত্রাসীরা দাড়াঁলো অস্ত্র রামদা ও লোহার রড নিয়ে তার উপর অতকির্তে হামলা চালিয়ে এবং তার মাথা,হাতের আঙ্গুলে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তার চিৎকার শুনে ছেলেটির বন্ধুবান্ধব ও স্বজনরা এগিয়ে আসলে তাদের উপর ও হামলা চালানো হয়। এ সময় মোট নামাংঙ্কিত ব্যক্তিরা আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে এস এস সি পরীক্ষার্থী মিজানসহ ৬জনকে রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। মিজানের অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঘটনার রাতে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত আসামীরা পলাতক থাকায় পুলিশ তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

    এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ##

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।।

  • গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় নসিমন চালক নিহত, আহত-১

    গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় নসিমন চালক নিহত, আহত-১

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বাসের ধাক্কায় আজিজুল কারী (৫২) নামে এক নসিমন চালক নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে নসিমনের যাত্রী রফিক (৫৩)।

    আজ বৃহস্পতিবার (০৪ মে) রাতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকুসদুপর উপজেলার রিশাতলায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।

    মুকসুদপুর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত খন্দকার আমিনুর রহমান দূর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত নসিমন চালক আজিজুল কারী ফরিদপুরের সালথা উপজেলার চর বাংরাইল গ্রামের নান্না কারীর ছেলে।

    মুকসুদপুর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত খন্দকার আমিনুর রহমান জানান, ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ফুলবাড়িয়া থেকে নসিমনে আম বোঝাই করে টেকেরহাট যাচ্ছিলো আজিজুল কারী। এসময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ইমাদ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নসিমনকে ধাক্কা দিলে নসিমন চালক আজিজুলসহ দুইজন আহত হন।

    পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নসিমন চালক আজিজুল কারীকে মৃত ঘোষনা করেন। আহত যাত্রী রফিক উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। #