Author: desk

  • লালদিঘীর খোলা চিঠি (১)(অনুলিখনঃ সৈয়দ দিদার আশরাফী

    লালদিঘীর খোলা চিঠি (১)(অনুলিখনঃ সৈয়দ দিদার আশরাফী

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    রাতুল সীমাকে প্রশ্ন করলো, ‘এবার ইদ কেমন কাটালে তুমি’…
    সীমাঃ সব মিলিয়ে মন্দ না,দেশের পরিস্হিতি ও পরিবেশ নাগরিকের অনুকূলে ছিল,তবে নিত্যপণ্যের দাম ছিল অস্বাভাবিক ও আকাশছোঁয়া..!
    চিনি,মুরগী,ডিম,গরুর মাংস, নিত্যপণ্য ও সব্জীর বাজার পাবলিক থেকে চড়া মূল্য নিয়েছে…
    রাতুলঃ আজ গৌতম বৌদ্ধের জন্মদিন এছাড়া তিনদিন বন্ধ অনেকটা ইদের ছুটি…
    সীমাঃ সারা চাটগাঁ সুনশান নিরব, কেউ কেউ গ্রামের বাড়িতে,আবার কেউ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় অবকাশ যাপন করছে..আমি বাসায় পরিস্কার অভিযান নিয়ে ব্যস্ত..তুমি কী করছো.?
    রাতুলঃ বাসায় অবকাশ যাপন করছি…
    সকালে কাঁচাবাজারে গেলাম..কাঁচা সব্জীর বাজার আগুন ইদের ১ সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপণের দাম লাফিয়ে বাড়ছে..পিঁয়াজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৬০/৭০ টাকা, প্রতিটি মৌসূমী সব্জীর দাম কেজি প্রতি ৬০ টাকার উপরে..টেড়শ ও বরবটি ৮০/১০০ টাকা কেজিবিক্রী হচ্ছে…
    মাছের বাজারে একই ত্রাহি ত্রাহি বহমান সময়…
    তালাপিয়া ও পাঙ্গাশ মাছ ভিআইপি মর্যাদা পেয়েছে..
    অন্যান্য সিআইপি মর্যাদাসীন মাছ গুলো দাম বললে তুমি কান্না করে খুন হবে সুতরাং বাজারে গিয়ে ভিজিট করলে বুঝা যাবে সাধারণ পাবলিকের অবস্থা..!
    সীমাঃ জেলা প্রশাসন কাজ কী..? নজরদারি ও তদারকি করলে সমস্যা কোথায়..?
    রাতুলঃ কোন সমস্যা নেই, মাঝে মধ্যে জেলা প্রশাসনের অভিযান দেখি পত্রিকার পাতায়…এদেরও কাজের সীমাবদ্ধ আছে সুতরাং আমরা সাধারণ পাবলিক গলা ফাটিয়ে চিৎকার করলে কোন ফায়দা হবে না, কারণটা তোমাকে নাই বললাম..আামাদের হাত বাঁধা.!
    সীমাঃ তুমি ঠিক বলেছো, প্রতিবাদ করলে হীতে বিপরীত হয়…আমার একটা ফমূর্লা আছে.?
    রাতুলঃ যেমন…
    সীমাঃ নিত্যপণ্য ও খাদ্যদ্রব্যের দাম পাল্লা দিয়ে বাড়ছে,আমরা পাবলিকরা না খেলে কী হয়, আমরা কম খাবো, প্রতিটি দ্রব্য ১ পোয়া কিনবো,,, স্টক করলে দামতো বাড়বেই…
    রাতুলঃ তোমার এ পরামর্শ কে শুনবে…
    সীমাঃ পাবলিক চেস্টা করলে পাবলিকের সুবিধা…!
    রাতুলঃ জেলা প্রশাসন কঠোর হলে কালোবাজারী ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব….
    কথা হলো পাবলিকের সিদ্ধ আওয়াজ কী মহাজন শুনবে.?
    (অনুলিখনঃ সৈয়দ দিদার আশরাফী,

  • অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অপারেশনস্) বাংলাদেশ পুলিশ,রংপুর রেঞ্জ, রংপুর কর্তৃক নীলফামারী কোর্ট পুলিশ অফিস বার্ষিক পরিদর্শন

    অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অপারেশনস্) বাংলাদেশ পুলিশ,রংপুর রেঞ্জ, রংপুর কর্তৃক নীলফামারী কোর্ট পুলিশ অফিস বার্ষিক পরিদর্শন

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
    বৃহস্পতিবার ৪ মে ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ, নীলফামারী কোর্ট পুলিশ অফিস, নীলফামারী বার্ষিক পরিদর্শন করেন এস এম রশিদুল হক পিপিএম, অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অপারেশনস্),বাংলাদেশ পুলিশ, রংপুর রেঞ্জ, রংপুর,
    অ্যাডিশনাল ডিআইজি মহোদয় নীলফামারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে উপস্থিত হলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম।

    এ সময় জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অফ অনার প্রদান করে। গার্ড অফ অনার শেষে অ্যাডিশনাল ডিআইজি নীলফামারী কোর্ট পুলিশ অফিসের নথিপত্র, মালখানা, ফোর্সদের ব্যারাক পর্যবেক্ষণ করেন । কোর্টে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা শুনেন ও তাদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অ্যাডিশনাল ডিআইজি মহোদয় বার্ষিক পরিদর্শন শেষে পরিদর্শন বহিতে স্বাক্ষর করেন।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নীলফামারী; মোস্তফা মঞ্জুর পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল নীলফামারী; জয়ন্ত কুমার সেন, শিক্ষানবীশ সহকারী পুলিশ সুপার নীলফামারী; জিন্নাত আলী, কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক নীলফামারীসহ নীলফামারী কোর্ট পুলিশ অফিসের অফিসার্স ও ফোর্সবৃন্দ।

  • কাগজপত্র প্লেটের দাম বৃদ্ধি-পত্রিকা ছাপা কঠিন ও কিছু খারাপ ব্যক্তির জন্য সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা

    কাগজপত্র প্লেটের দাম বৃদ্ধি-পত্রিকা ছাপা কঠিন ও কিছু খারাপ ব্যক্তির জন্য সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশে কাগজপত্র প্লেটের দাম অনেক বৃদ্ধি হয়েছে, এর কারণে প্রিন্ট পত্রিকা ছাপানো কঠিন হচ্ছে এবং কিছু চোর বাটপার ও খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তির কারণে সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে।
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধ করা যাচ্ছে না। সাংবাদিকতায় চরম বাঁধার কারণে অনেকেই এই মহান পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় যাচ্ছেন। কিছু খারাপ ব্যক্তি সাংবাদিকের পরিচয়পত্র নিয়ে সাংবাদিকতা করছে কিন্তু নিজে সংবাদ সংগ্রহ করে নিজে লিখে সংবাদ তৈরি করা ও তা প্রকাশ করা এতো সহজ না। প্রতিদিন একটি করে ভালো কাজ করা যায়, তা মনের ব্যাপার, দেশের প্রকৃত সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করে তার বিনিময়ে কি পাচ্ছেন? প্রকৃত সাংবাদিকরা কি জনগণের প্রয়োজনে প্রিয়জন ?।
    কলম সৈনিক সাংবাদিক দাবিদার নিজেদের মধ্যে যারা শক্রতা সৃষ্টি করছে তারা বেশিরভাগই সংবাদ লিখতে পারেন না, তারা জাতির বিবেক হয় কি করে? সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা, এই পেশাকে যারা ছোট করে দেখে সাংবাদিকদেরকে অপমান করছে তাদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। প্রকৃত সাংবাদিক ও লেখক কখনো কোনো হামলা মামলার ভয় করে না। নেতা বা মেম্বার চেয়ারম্যান, এমপি মন্ত্রী আপনারা যে পেশা থেকেই আসেন না কেন দয়া করে কেউ সাংবাদিকদের অপমান করবেন না। দেশের গণমাধমের প্রকাশক ও সম্পাদকসহ প্রকৃত সাংবাদিকরা অনেকেরই আপনাদের অনেকের প্রকৃত চরিত্র ইতিহাস জানেন যে, কে কেমন প্রকৃতির মানুষ বা কেমন অপরাধ করেছেন? কে কেমন অপরাধী?। রাজধানী ঢাকা, ধামরাই ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশেই একের পর এক প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার ঘটনা ঘটেছে, এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতাসহ সচেতন মহল।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণে বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হয়ে থাকেন। প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে কেউ ভয় দেখাবেন না, কলমের শক্তি দিয়েই তার জবাব দেয়া হবে। আমরা সাংবাদিকরা কোনো কচু পাতার পানি নয় যে, বাতাসে পড়ে যাবো। অনেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে হামলা-মামলায় শিকার হয়ে থাকেন, ভয় করবেন না “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার হুমকি’র বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে নিউজ লেখতে হবে সকল সাংবাদিকদেরকে সবার সংশ্লিষ্ট মিডিয়ায় তা প্রকাশ করতে হবে। আমি বলতে চাই ভয় করলে সাংবাদিকতা করা যায় না। নতুনদেরকে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বইসহ বেশি বেশি বই পড়া জরুরি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকতার মূলধারায় এগিয়ে যেতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরকেও সচেতন করতে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, হকার বা সোর্স হয়ে কাজ করা আর সাংবাদিকতা একরকম নয়। সাংবাদিক সংগঠন এক একটা ক্লাবে দুই থেকে তিনটি গ্রুপ হয়েছে। এটা সাংবাদিকতা নয়, সাংবাদিকতা করতে কোনো সংগঠন লাগেনা, দলবাজি বা চাঁদাবাজি করতে হয় না, আমরা কেন দলবাজি করবো? সাংবাদিক কারো বাহিনী নয়, সাংবাদিকরা সাংবাদিকতাই করবেন, কারো মিছিলে স্লোগান দিয়ে মহান পেশা সাংবাদিকতাকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই।
    মানুষের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমানবিহীন অপপ্রচার বন্ধ করুন, মানুষের বদনাম করে কি হয়?, ষড়যন্ত্রকারীদের ধ্বংস নিশ্চিত। কলম সৈনিকরা কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করে না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা প্রচার করে, এটাকে অপপ্রচার বলা হয়, অপপ্রচারকারী মানুষগুলো দেশ ও জাতির শক্র। দেশের ভেতরে যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে দাবী জানান সাংবাদিক নেতারা। প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে একটি মহল গভীর ষড়যন্ত্র করছে। গণমাধ্যমে কাজ করতে হলে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক রাখতে হয় তা অনেকেই জানেন না। নতুন সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়া প্রয়োজন, প্রকৃত সাংবাদিকতা করলে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল হয়, মিথ্যাচার সবার জন্য বিপদজনক। সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণেই আজ তারা বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হচ্ছেন। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, সাংবাদিক শব্দ সহজ হলেও এই পেশা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, আবার সম্মানজনক। তবে অপসাংবাদিকতার কারণে বর্তমানে অনেক মানুষ সাংবাদিকদের ভালো চোখে দেখেন না। অনেক সময় সাংবাদিকদেরকে সাংঘাতিক বলে অনেকেই কিন্তু সাংঘাতিক সবাই হতে পারেন না, সাংঘাতিক হতে হলে নিজের পরিবারকে সময় না দিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই হাসিমুখে মৃত্যুবরণ করেন। দুর্নীতিবাজরা লক্ষ লক্ষ টাকা ও কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে লুটপাট করছে আর সাংবাদিকরা যখন তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেন তখন সাংঘাতিক হয়ে যায়, চোরের মায়ের বড় গলাবাজি বন্ধ করুন।
    প্রকৃত সাংবাদিকরা না খেয়ে থাকলেও লজ্জায় কারো কাছে হাত পেতে সাহায্য নিতে পারেন না। ৩৬৫ দিনে এক বছর, জীবনে কোনদিন ছুটি নেই সাংবাদিকদের। ৩৬৪ দিন ভালো কাজ করেন আর একদিন একজনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করবেন এতে একটু ভুল হলেই সেই সাংবাদিক খারাপ হয়ে যায়। অপরাধীরা অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে কোনকিছু লেখা যাবেনা, ১দিন যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশ করছেনতো সাংঘাতিক হবেন সাংবাদিক। সাংবাদিক জাতির বিঊেশ, সেই বিবেককে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ, এটা কোন ধর্ম আর কোন বিচার ?। অনেকেই নিজেদেরকে বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা আমাদের ভুল হচ্ছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বয় করে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে, “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”।
    আমাদের লেখার মধ্যেও অনেক ভুল হয়। এই জন্য সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন, বিশেষ সম্মান অর্জন করার লক্ষ্যে কাজ করতে গিয়ে সম্মান অর্জন না হয়ে উল্টো বদনাম হচ্ছে আমাদের। সাংবাদিকতা করতে শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও কারো মনজয় করতে পারেন না কেন? ছোট একটি ভুল করলেই সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করা হয়, এমনকি হত্যার শিকার হতে হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সবাইকে বলা হয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়, পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন? কেউ কি খবর নিয়েছেন যে, সাংবাদিকরা কেমন আছেন? কোনো সহযোগিতা লাগবে কি না ?। অনেক সাংবাদিক আজকাল মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই, যার কোনো হিসাব নেই।
    দেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম, তবুও আমরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছি। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। “পুলিশ, সাংবাদিক” আইনজীবি ও জনপ্রতিধিগণ, এই চারটি শব্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলো “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিকতা”। বিশেষ করে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি’র বেশিরভাগ শব্দ আছে যা সাংবাদিকদের জন্য জানা অতি জরুরি-যেমনঃ সংবাদের উৎসহের মত সংবাদের উপাদান কি? মানুষ এবং প্রকৃতি, মানুষের আশা-আকাঙ্খা, আনন্দ, বেদনা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনাই সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য। এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়ই সংবাদের উপাদান। যেমনঃ কুকুর যদি মানুষকে কামড়ায় তা কোনো সংবাদ নয়, আর মানুষ যদি কুকুরকে কামড়ায় বা অপ্রত্যাশিত কিছু অপকর্ম করে তা সংবাদ হয়। নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটনা, অন্যায় অবিচার, যা মানুষের অধিকারকে হরণ করে, এরকম অনেক বিষয়কে সংবাদ বলা যেতে পারে।
    সাংবাদিকরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, এতে স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করা সহজ হবে বলে অনেকেরই অভিমত। সাংবাদিককে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়তে হবে, সেই সাথে সর্বশেষ সংশোধনীসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হবে। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল তথ্য বিষয়ে জানা। ভয়কে জয় করে সাংবাদিকতা করার মধ্যে দেশপ্রেম আছে। সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন বলেই মানুষের ঘরের সুন্দরী নারী ও অর্থ সম্পদ নিরাপদে থাকে, স্বাধীনতা ও সম্মান অর্জন করা অনেক কঠিন। সাংবাদিকরা অনেকেই জানান, বর্তমানে সাংবাদিকতা করা অনেক কঠিন কাজ। বাকিটা ইতিহাস, টাকা দিয়ে পরিচয়পত্র নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সুবিধা নেওয়ার নাম সাংবাদিকতা নয়, সাংবাদিকতা করতে হলে নিজ হাতে নিউজ লিখে তা প্রকাশ করাই সাংবাদিকের কাজ। যাচাই বাছাই করলে শতকরা ২০-৩০ জন প্রকৃত সাংবাদিক পাওয়া যাবে।

  • পাইকগাছায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ফুলজান আশ্রয়ের ঘর পাওয়ার আশায়  ঘুরছে

    পাইকগাছায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ফুলজান আশ্রয়ের ঘর পাওয়ার আশায় ঘুরছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছায় ফুলজান বিবি (৪০) তিন সন্তান নিয়ে আশ্রয়ে ঘরের জন্য ঘুরছে জনপ্রতিনিধি ও প্রসাশনের দুয়ারে। উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়ানের হিতামপুর আশ্রায়ণে সরকারি ঘর পাওয়ার জন্য আবেদন করেও ঘর পাইনি।ঘর প্রাপ্তির আসায় তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের স্বদইচ্ছার অপেক্ষায়।
    ফুলজানের নিজের কোন জমি নাই, বড় ভাইয়ের জমিতে অস্থাইভাবে জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করেন ফুলজান বিবি।বড় ছেলে ইবাদুল গাজীর বিয়ে দিয়েছে। টিনের বেড়া পলিথিন ও গোলপাতার ছাইনি ঘর ও তার সামনে জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে ফুলজান,বড় ছেলে-বৌ ও দুই ছেলে নিয়ে কোন রকমে মাথাগুজে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
    খোজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়ান গদাইপুর গ্রামের মৃত ফজর আলীর মেয়ে ফুলজান বিবি।তারা ৭ ভাই বোন,তিন বোন ও চার ভাই। তার পিতা ভূমিহিন অবন্থায় মারা যায়।উপজেলার কমলাপুর গ্রামের লিয়াকত গাজীর সাথে ফুলজানের বিয়ে হয় ও তার তিন ছেলে ইবাদুল, মিণ্টু ও মিলন গাজী।স্বামীর র্নিযাতন সহ্য করতে না পারায় প্রায় ১৫ বছর আগে ভাইয়েরা থেকে ফুলজানকে তালাক করায়। সেই থেকে ফুলজান তিন সন্তান নিয়ে বড় ভাই সামাদ গাজীর জমিতে ঝুপড়ি ঘর বেধে বসবাস করছে। ক্রয়সুত্রে সামাদ দুই শতক জমির মালিক।সল্প জায়গায় দুটি পরিবারের বসবাস করার পরিবেশ না থাকায় বড় ভাই সামাদ কপিলমনি এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে ভ্যান চালিয়ে জীবন জিবিকা নির্বাহ করে।
    ফুলজান বিবি জানান, জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে বসবাসের অসুবিধার কারণে বছরের ছয় মাস ইট ভাটায় কাজ করতে যায় নড়াইল এলাকায়।আর বাকি ছয় মাস এলাকায় জনখেটে সংসার চালায়। হিতামপুর আশ্রায়ণে সরকারি ঘর পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে।ঘর বরাদ্দের জন্য লটারি হয় তাতে সে ঘর পাইনি।পরবর্তিতে ঘর পাওয়ার আশায় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছে।
    মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পরিবারকে জমিসহ সেমিপাকা একক ঘর প্রদান করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রমাণ রেখেছেন। সরকারের অন্যতম প্রশংসিত একটি প্রকল্প হচ্ছে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন। কয়েক লাখ পরিবার এর মধ্যে এ প্রকল্পের সুবিধাভোগী হয়েছে। আরও বিপুলসংখ্যক ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করতে সরকার কাজ করছে। সেই লক্ষ্যে নানা জায়গায় চলমান রয়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ। হিতামপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভূমিহীন ও গৃহহীন ফুলজান বিবি যাতে একটি ঘর পায় তার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেফুলজান ও সচেতন এলাকাবাসি।

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছার সোলাদানা ইউনিয়নের চৌরাস্তা-সোনাখালী সড়কের বেহাল দশা ;দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর

    পাইকগাছার সোলাদানা ইউনিয়নের চৌরাস্তা-সোনাখালী সড়কের বেহাল দশা ;দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    খুলনার পাইকগাছায় সোলাদানা ইউনিয়নের সরদার আবু হোসেন কলেজ (চৌরাস্তা) হতে সোনাখালী খেয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় সাত কিমি. রাস্তাটির বেহাল দশা। চৌরাস্তা হতে সোনাখালী খোয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় সাত কিমি. রাস্তাটি এমনই বেহাল দশায় বছরের পর বছর আমুরকাটা, পশ্চিমকাইনমুখী, নুনিয়াপাড়া, দীঘা, দক্ষিণকাইনমুখী সহ কয়েকটি গ্রামের মানুষের সিমাহীন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষা মৌসুমের আগেই সংস্কারের কাজ করা না হলে ভরা বর্ষা মৌসুমে যেকোনো সময় রাস্তাটি ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়ে চরম ক্ষতির আশঙ্কা করছে এলাকাবাসীর।
    স্থানীয় অ্যাড. শিবুপ্রসাদ সরকার জানান, প্রায় ৭ কিমি. রাস্তাটির এক কিমি. পীচকার্পেটিং, এক কিমি. ইটের হেরিংবন, প্রায় তিন কিমি. জরাজীর্ণ এবং ভাঙ্গাচোরা দীর্ঘদিনের পুরাতন ইটের সলিং। বাকী প্রায় দু’কিলোমিটার মাটির কাঁচা রাস্তা। রাস্তাটির দুই প্রান্তে পিচের কার্পেটিং-এর পাকা রাস্তা সংযুক্ত থাকলেও অভিভাবকহীন এই রাস্তাটির ভাগ্য বদলে নেই কারো কোন মাথাব্যাথা। ভাঙ্গা চোরা ও বড় বড় গর্তে ভরা এই রাস্তাটি যেন কয়েকটি গ্রামের মানুষের জন্য অভিশাপে পরিণত হয়েছে।
    এ রাস্তায় ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক রাসেল, গোষ্ট, তরুন, রাজিব জানান, ইট সলিং ও মটির রাস্তায় আগাগোড়া রাস্তাটিতে মাঝে-মধ্যে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় সাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান, ইজিবাইক, নছিমন সহ বিভিন্ন মালবাহী গাড়ি প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
    ভ্যানচালক ধৃতি, দিবাকর, নসিমন চালক আজুবর ও মোস্তাক জানান, বর্ষাকালে রাস্তাটিতে চলাচল আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠে, গাড়ী তো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলাই দুষ্কর।
    এলাকাবাসীর ক্ষোভ, চারিদিকে এত রাস্তাঘাট তৈরি হচ্ছে, অথচ এই এলাকার সবচেয়ে জনগুরুত্বপুর্ণ এই রাস্তাটির দিকে কোন জন-প্রতিনিধির নজর নেই। চরম ভোগান্তি হতে রেহাই পেতে রাস্তাটি দ্রুত নির্মাণের জন্য জন-প্রতিনিধি সহ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসি। সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম সরেজমিনে রাস্তাটির বেহাল দশা দেখে বিষ্ময় প্রকাশ করেন। আগামী মিটিংয়ে রাস্তাটি যাতে দ্রুত সংস্কার করা হয় এ বিষয় আলোচনা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
    পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাইকগাছা উপজেলা এসও মো: রমিত হোসেন মনি বলেন, বর্ষার পূর্বেই প্রায় সাড়ে সাত’শ মিটার রাস্তায় মাটির কাজ করা হবে। ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে সাত’শ মিটার রাস্তায় মাটির কাজে সংস্কারের সকল কার্যক্রম করে স্কেভেটর মেশিন পাঠানো হয়েছে।

  • সুজানগরে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, প্রতিবাদে মানববন্ধন

    সুজানগরে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, প্রতিবাদে মানববন্ধন

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরে মো.নজরুল ইসলাম নামে এক স্যানিটারি ব্যবসায়ীকে মারপিটের প্রতিবাদে ও দুর্বৃত্তদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার সুজানগর পৌর স্যানিটারি ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ব্যানারে বেলা ১১টায় স্থানীয় পৌর বাজার এলাকায় ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পৌর স্যানিটারি ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি শাহজাহান আলী,সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ, কোষাধ্যক্ষ মো.নাজমুল,সদস্য হাবিবুর রহমান রব ও ফিরোজ রানা প্রমুখ। বক্তারা ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট। গ্রেফতার না হলে কঠের আন্দোলনের ঘোষণা দেন ব্যবসায়ী নেতারা। এর আগে বাজারের সকল স্যানিটারি দোকান বন্ধ ঘোষণা করে প্রতিবাদ মিছিল করে ব্যবসায়ীরা । উল্লেখ্য, গত বুধবার বিকাল ৫টার দিকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্বৃত্তদের হামলায় মারাত্মক জখম হন ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম। পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় মুরাদ খন্দকার ও মোজাম্মেল খন্দকার নামক ২ ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেন ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ওসি আব্দুল হাননান জানান,মামলার ভিত্তিতে আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ঝিনাইদহে পিকআপ ভ্যানের  ধাক্কায় শিশুসহ নিহত চার

    ঝিনাইদহে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় শিশুসহ নিহত চার

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কাশিপুর নামক স্থানে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় দুই শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) দুপুরে কালীগঞ্জ-কোটচাঁদপুর সড়কের কাশিপুর পৌর কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন কালীগঞ্জের বলাকান্দা গ্রামের শাহিনের মেয়ে খুকুমণি খাতুন (৭), কোটচাঁদপুরের এলাঙ্গী গ্রামের রুবেল হোসেনের দেড় মাস বয়সী ছেলে রাফান হোসেন, কালীগঞ্জের শাহপুর ঘিঘাটি এলাকার সোবাহান মন্ডলের ছেলে ভ্যান চালক সোলেমান হোসেন (৬০) ও ৪০ বছর বয়সী অজ্ঞাত এক ব্যক্তি। নিহত শিশু খুকু মনি ও রাফান ইঞ্জিন চালিত ভ্যানের যাত্রী ছিল এবং সম্পর্কে তারা মামাতো ফুপাতো ভাই বলে জানা গেছে। নিহতের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কোটচাঁদপুর উপজেলার এলাঙ্গী গ্রামের মোঃ রুবেলের স্ত্রী মোছাঃ রিমা (২৫) ডাক্তার দেখাতে কোটচাঁদপুর আসেন। ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দূর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই কোলের সন্তান রাফান নিহত হন। এদিকে নিহত খুকুমণি তার নানী শিউলি বেগমের সাথে বেড়াতে এসেছিল কোটচাঁদপুরে শহরে। সে তার নানির সঙ্গে এলাঙ্গী ফিফরছিলো। একই পরিবারের চার ব্যক্তির হতাহতের ঘটনায় ওই পরিবারে চলছে আহাজারি। কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইন উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সাতজন। তাদের মধ্যে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনজন ও যশোর হাসপাতালে রুবেলের স্ত্রী রিমা খাতুন, এলাঙ্গীর তোরাব আলীর স্ত্রী শিউলী বেগম, ফল ব্যবসায়ী চট্রগ্রামের আল আমিন ও অজ্ঞাত ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তির পর অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ভর্তিকৃতদের মধ্যে আরো দুইজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। কোচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ রমিজ উদ্দীন জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। নিহত একজেেনর পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। তার লাশ যশোর হাসপাতালে রয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • পোল্যান্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় শার্শার যুবক নিহত

    পোল্যান্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় শার্শার যুবক নিহত

    আজিজুল ইসলামঃ সড়ক দুর্ঘটনায় যশোরের শার্শার পাঁচ কায়বা গ্রামের আলামিন হোসেন (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। সে শার্শার পাঁচকায়বা গ্রামের আক্তারুল ইসলাম ও সালমা বেগম দম্পতির ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্য আলামিন বড়ো।

    বৃহস্পতিবার (৪ই মে) সকাল ১১ টার সময় পোল্যান্ডের একটি সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।এসময় আরও তিন বাংলাদেশী আহত হয়।

    আলামিন ৩ মাস আগে পোল্যান্ডে প্রবাস জীবন শুরু করে। সকালে একটি কোম্পানিতে চাকরীর উদ্দেশ্য রওনা হলে পথিমধ্য সড়ক দূর্ঘটনার শিকার হন। এ সময় আরও তিন বাংলাদেশী আহত হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরে আলামিন মারা যায়।আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

    ৭ নং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন খবরটি নিশ্চিত করে বলেন উক্ত ঘটনায় আমি মর্মাহত। শুনা মাত্রই নিহতের পরিবারের খোঁজ খবর নিয়েছি।এখন লাশ দেশে আনার প্রস্তুতি চলছে।

  • ভূঞাপুর প্রেসক্লাবে হামলা, ২৪ ঘন্টার মধ্যে গুড়িয়ে দেয়ার হুমকি

    ভূঞাপুর প্রেসক্লাবে হামলা, ২৪ ঘন্টার মধ্যে গুড়িয়ে দেয়ার হুমকি

    স্টাফ রিপোর্টার:

    টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া বৃদ্ধি করার সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় সাংবাদিকদের উপর হামলা ও ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রেসক্লাব গুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে আওয়ামী লীগের এক নেতা।

    এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জানা যায়, গত ১ মে ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড চত্তরে মে দিবসের অনুষ্ঠানে উপজেলা থেকে বিভিন্ন রোডে সিএনজি অটোরিক্সার ভাড়া বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় উপজেলা সিএনজি-অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা
    আজহারুল ইসলাম। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে। দফায় দফায় যাত্রীদের সাথে ভাড়া নিয়ে সিএনজি অটোরিক্সা
    চালকদের সাথে বাকবিতন্ডা হয়। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ
    করলে তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

    বৃহস্পতিবার(৪ মে) বেলা ১১টায় শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আজহারুল ইসলাম আজহার ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার জাহিদ হাসানের নেতৃত্বে মিছিল বের করে।

    পরে উপজেলা পরিষদ চত্তরে এসে সমবেত হয়ে প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের দেখে নেয়ার এবং ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রেসক্লাব গুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়।

    এ সময় দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিক আরিফুজ্জামান তপুকে ধাওয়া করে এবং একদল সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে প্রেসক্লাবে হামলা চালায়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রেসক্লাবের সম্পাদক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

    এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন টাঙ্গাইল প্রেসকাবের সভাপতি মো. জাফর আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, ভূঞাপুর উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মজিদ মিয়া, উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ও সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মুসফিকুর মিল্টন, গোপালপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার দত্ত, কালিহাতী প্রেসক্লাবের সভাপতি তারেক আহমেদ, মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)সহ বিভিন্ন সংগঠন।

    ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, প্রেসক্লাবে হামলার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সিরতা ইউনিয়নে কার্পেটিং রাস্তার উদ্বোধন করলেন চেয়ারম্যান সাঈদ

    সিরতা ইউনিয়নে কার্পেটিং রাস্তার উদ্বোধন করলেন চেয়ারম্যান সাঈদ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলার সিরতা ইউনিয়নে
    ২কিলোমিটার মাটির কাচা রাস্তা কার্পেটিং কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা আলহাজ্ব আবু সাঈদ । বৃহস্পতিবার বেলা ১০ টার দিকে এই রাস্তার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি। ইউনিয়ন উন্নয়ন অবকাঠামো প্রকল্পের আওতায় রাস্তার কাজটি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সিরতা ইউনিয়নের কোনাপাড়া চৌরাস্তা কটিয়ার মোড় হইতে কোনাপাড়া সেলুগাড় হয়ে ভবানীপুর খালেকের মোড় পর্যন্ত ২ কিলোমিটার রাস্তার কার্পেটিং কাজ উদ্বোধন করা হয়।

    ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ জানান, স্বাধীনতার পর থেকে রাস্তাটি মাটির ছিল। ভোটের সময় এসব এলাকার আপামর জনসাধারণের প্রাণের দাবি ছিল রাস্তাটা পাকা করার। আমি তাদের কাছে ওয়াদা করে ছিলাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে নতুন ভাবে কোন রাস্তার কাজ হলে এ রাস্তা কার্পেটিং করা হবে। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হল। পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার প্রতিটি পাকা রাস্তা সংস্কার ও মাটির রাস্তা কার্পেটিং করা হবে। ইউনিয়নবাসী যে আসা নিয়ে আমাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন তার সবগুলো বাস্তবায়ন হবে ইনশাআল্লাহ । এজন্য তিনি ইউনিয়নবাসীর সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন । এসময় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বার ও এলাকার গণ্যমান্য জনসাধারন উপস্থিত ছিলেন। ওই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আমরা ইউনিয়নের নাগরিক এটা বলতে কষ্ট হত। দীর্ঘদিন পর পাকা রাস্তা হবে এটা কল্পনাতীত । এটা অত্যান্ত ভালো লাগছে। কাদার সময় ঘরে ফসল আনা রোগী নিয়ে শহরে যাওয়া অত্যান্ত কষ্টকর ব্যাপার ছিল। ভোটের সময় চেয়ারম্যান সাঈদ এর কাছে দাবিই ছিল রাস্তা করে দেওয়ার। তিনিও ওয়াদা করেছিলেন নির্বাচিত হলে রাস্তা পাকা করন করে দিবেন। সেটি বাস্তবায়ন করলেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ