Author: desk

  • সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনেই ১৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

    সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনেই ১৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ নিজ দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে পাবনার সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এ.বি.এম তৌফিক হাসানকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করার ঘটনায় সুজানগর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এ.বি.এম তৌফিক হাসানের আপন ছোট ভাই বিএম পাভেল মাহমুদ ফয়সাল বিশ্বাস মঙ্গলবার মামলাটি দায়ের করেন। হাটখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো.বকু কে প্রধান আসামী এবং জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি সাকিবুল ইসলাম সনি, হাটখালী ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম বিশ্বাস,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি রবিউল আওয়াল মিলন বিশ্বাসসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের ১৯ নেতাকর্মী ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ২৫/৩০ জনের নামে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সুজানগর থানার ওসি আব্দুল হাননান জানান, মামলার ভিত্তিতে আসামীদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এর আগে গত শুক্রবার উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের কামালপুরে বিএনপির কর্মীসভার স্থান কামালপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শন করতে গেলে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এ.বি.এম তৌফিক হাসানকে কোপানো হয়। এছাড়াও এ ঘটনায় আহত হন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের প্রচার সম্পাদক শামসুর রহমান সামস, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নায়েব আলী বিশ্বাস ও ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক ফারুক বিশ্বাস। এ ঘটনায় বিএনপিরই অপর গ্রুপের নেতাকর্মীদের দায়ী করে আহত হাটখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি নায়েব আলী বিশ্বাস। উল্লেখ্য গত অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত আলহাজ্ব এ.বি.এম তৌফিক হাসানকে আহ্বায়ক ও শেখ আব্দুর রউফকে সদস্য সচিব করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সুজানগর উপজেলা বিএনপি এবং কামরুল হুদা কামাল বিশ্বাসকে আহ্বায়ক ও জসিম বিশ্বাসকে সদস্য সচিব করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সুজানগর পৌর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয় পাবনা জেলা বিএনপি। এরপরপরই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের উপেক্ষা করে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার অভিযোগ এনে ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও পাবনা ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সম্পাদক আব্দুল হালিম সাজ্জাদের অনুসারী নেতাকর্মীরা এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজারী জাকির হোসেন চুন্নুর নেতৃত্বে পদবি ত নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় স্বামীর উপর অভিমান করে গৃহ বধুর আত্মহত্যা

    পাইকগাছায় স্বামীর উপর অভিমান করে গৃহ বধুর আত্মহত্যা

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় স্বামীর উপর অভিমান করে নিলুফা ইয়াসমিন (৩৮) নামে ৩ পুত্র সন্তানের জননী আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য খুমেক হাসপাতালে পাঠিয়েছে। মৃতা নিলুফা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের আব্দুল আজিজ এর স্ত্রী। মৃতের মেঝ ছেলে আল-আমিন জানান, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আমার মা রান্না করছিল।
    এ সময় আমার বাবা মাকে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করলে মা অভিমান করে বসতঘরের দরজা দিয়ে ঘরের ভিতরে বিষপান করে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। পরে বড় ভাই আর আমি ঘরের দরজা ভেঙ্গে মাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করি।
    এ সময় লোকজন ছুটে এসে মাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক শাকিলা আফরোজ জানান, দুপুর ২টা ২০মিনিটে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গৃহবধু নিলুফাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি, কিন্তু বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
    ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। প্রাথমিক সুরোতহাল রিপোর্ট শেষে তাকে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • পাইকগাছা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত

    পাইকগাছা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন পাইকগাছা থানার ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম। বুধবার (১০মে) খুলনা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে মাসিক সভায় পুলিশ সুপার মাহবুব হাসান,বিপিএম শ্রেষ্ঠ ওসি মোঃ রফিকুল ইসলামের হাতে সম্মাননা স্মারক সহ সনদপত্র এবং নগদ অর্থ প্রদানের মাধ্যমে পুরস্কৃত করেন।
    গত এপ্রিল মাসে মামলা তদন্ত, সন্ত্রাস ও মাদক প্রতিরোধে আইনশৃংখলার উন্নতি অব্যাহত রাখা, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিলসহ সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কারণে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
    এ বিষয়ে ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, এ অর্জন শুধু আমার একার নয়, এ অর্জন আমাদের থানার সকল অফিসার ও ফোর্সের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও পাইকগাছা উপজেলা বাসীর সহযোগিতার ফল। পুরস্কারটি পেয়ে আমি খুবই খুশি এবং অনুপ্রাণিত।
    এ পুরস্কারটি আমার দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আগামীতে জনগণকে আরও বেশি সেবা দিতে এ পুরস্কারটি আমাকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।
    উল্লেখ্য, ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম ২০১০ সালে এসআই হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ২০১৯ সালে পরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পান। ইতোপূর্বে তিনি ঝিনাইদহ এর কালিগঞ্জ থানায়, ঝিনাইদহ ডিবি পুলিশে, সাতক্ষীরার কলারোয়া ও তালা থানা এবং খুলনার ডুমুরিয়া ও পাইকগাছা থানায় কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ২৯মার্চ পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করেন। তিনি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা গ্রামের এক সমভ্রান্ত পরিবারের সন্তান।
    এদিন সাব-ইন্সপেক্টর ক্যাটাগরিতে পাইকগাছা থানার এএসআই মোঃ হুমায়ুন কবির ও বেস্ট অফিসার হিসেবে পুরস্কার লাভ করেছেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় নয়া আতঙ্ক ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’

    পাইকগাছায় নয়া আতঙ্ক ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছায় নয়া আতঙ্ক ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ বা ডেভিলস ব্রেথ প্রয়োগ করে মহিলা বা ব্যবসাহীকে বশে এনে সোনা ও অর্খ হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। প্রতারণার নতুন পন্থা অবলম্বন করে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে একটি ভয়ংকর অপরাধী চক্র। পাইকগাছায় কয়েক মাসে ৪-৫ জন মহিলাকে ডেভিল ডেথ প্রয়োগ করে সোনার বারের প্রতারণার ফাদে ফেলে সোনা ও অর্খ হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্রটি। সোনা আছে এমন একা মহিলা ও বয়ষ্ক মানুষকে প্রতারক চক্র ফাদে ফেলছে।
    সোমবার দুপুরে পাইকগাছা বাজার থেকে বাড়ীতে ফিরার পথে এমনই এক প্রতারকের খপ্পড়ে পড়েছেন গোপালপুর গ্রামের আব্দুর সবুর গাজীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৫৭)। তিনি ভ্যান যোগে বাড়ীতে আসছিলেন। পতিমধ্যে ভ্যানে এক জন লোক উঠে তার হাতে সোনার একটি বার দেখতে দেয়। তারপর ফাতেমা বেগম আর কিছু বলতে পারে না। প্রতারক তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও কানের সোনার দুল খুলে নিয়ে ইজিবাইকে তুলে পাইকগাছা বাজারের মাঝ পথে নামিয়ে দেয়।কিছুক্ষন পর তার জ্ঞান ফিরে আসলে তিনি দেখেন তার কানের দুল ও নগদ টাকা নেই। কে নিয়েছে, কিভাবে নিয়েছে, লোকটা দেখতে কেমন তার কিছুই মনে নেই। এ ঘটনায় ভুক্তভূগী পরিবার পাইকগাছা থানায় অভিযোগ করেছেন।
    শয়তানের নিঃশ্বাস একটি হেলুসিনেটিক ড্রাগ। রাসায়নিকভাবে এটি স্কোপোলামিন নামে পরিচিত। স্কোপোলামিন একটি প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত ট্রোপেন অ্যালকালয়েড এবং অ্যান্টিকোলিনার্জিক ড্রাগ। এটি হায়োসিন, ডেভিলস ব্রেথ, শয়তানের নিঃশ্বাস, বুরুন্ডাঙ্গা, রোবট ড্রাগ, জম্বি ড্রাগ বা কলম্বিয়ান ডেভিলের নিঃশ্বাস নামেও পরিচিত।এটি মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। দুর্বৃত্তরা লোকজনকে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুটে নিতে এটি ব্যবহার করে।এ পন্থায় একজন প্রতারক কিংবা ছিনতাইকারী ভুক্তভোগীকে চাইলেই কাবু করে নিজের ইশারায় নাচাতে পারেন।প্রতারক যে নির্দেশনাই দেবেন, তা-ই অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন সেই নিরীহ ভুক্তভোগী। বিষয়টি জাদুটোনার মতোই কাজ করে।
    নানাভাবে ও নানা কৌশলে এটি প্রয়োগ করা হয়। যেমন, হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে, ঘ্রাণের মাধ্যমে, খাবারের সঙ্গে, চিরকুটের মাধ্যমে, কোমল পানীয়র সঙ্গে, বাতাসে ফুঁ দিয়ে।
    স্কোপোলামিন তরল ও শুকনো দুই ফরমেটেই পাওয়া যায়। এ ড্রাগটি ৬ থেকে ১২ ইি দূরত্ব থেকে শ্বাসের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে, যার প্রতিক্রিয়া থাকে ২০ থেকে ৬০ মিনিট। খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে এর প্রতিক্রিয়া থাকে দু-তিন দিন।মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণে শয়তানের নিঃশ্বাসের প্রভাব : স্কোপোলামিন বা শয়তানের নিঃশ্বাস শরীরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মস্তিষ্কের প্রাথমিক স্মৃতি ব্লক হয়ে যায়।ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি আক্রমণকারীকে দেখতে পেলেও চিনতে পারেন না এবং কিছু মনে রাখতে পারেন না। এর প্রভাবে শরীরে কোনো প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে না বা বাইরের কোনো আক্রমণে শরীর কোনো প্রতিক্রিয়া দেখানোর মতো অবস্থায়ও থাকে না।
    এ অবস্থায় ভুক্তভোগীর আচরণ হয়ে যায় বশীভূত বা সুতায় বাঁধা পুতুলের মতো। তীব্র হেলুসিনেশন শুরু হয়। অন্যের দেওয়া আদেশকে যান্ত্রিকভাবে অনুসরণ করতে বাধ্য করে। মানে আপনি নিজে কিছু করতে পারবেন না, শুধু সামনের লোক যা বলবে তাই করবেন রোবটের মতো।বর্তমানে নতুন এ পন্থা দেশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

  • বানারীপাড়ায় নাগরিক উদ্যোগে ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় নাগরিক উদ্যোগে ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা: বানারীপাড়ায় বেসরকারী সংস্থি নাগরিক উদ্যোগ দু’দিন ব্যাপী পুন:স্হাপন, ন্যায়বিচার, সালিশ, মুসলিম ও হিন্দু পারিবারিক আইন, মানবাধিকার, আরজেএফ, জেন্ভার, বাল্য বিবাহ এবং নারীর উপর সহিংসতার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক উদ্যোগ উপজেলার চাখার ও সলিয়াবাকপুর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে আরজেএফ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রশিক্ষণ উদ্ধোধন করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিপীকা রাণী সেন। প্রশিক্ষণের সহায়ক ছিলেন নাগরিক উদ্যোগ বরিশালের এরিয়া কো অর্ডিনেটর সুপ্রিয় দত্ত, বানারীপাড়ার মোঃ মহসিন মিয়া ও পরিতোষ রায়।#

  • নীলফামারী জেলা পুলিশের অভিযানে গত ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার- ২৪

    নীলফামারী জেলা পুলিশের অভিযানে গত ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার- ২৪

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
    গত ২৪ ঘন্টায় জেলা পুলিশ নীলফামারী বিভিন্ন থানা কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সর্বমোট-২৪ জন আসামী গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    নীলফামারী থানাঃ নিয়মিত মামলায় গ্রেফতার-০১ জন; ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৫১ ধারায় গ্রেফতার-০২ জন।
    সৈয়দপুর থানাঃ ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৫১ ধারায় গ্রেফতার-০১ জন; জি আর ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার-০১ জন।
    জলঢাকা থানাঃ পুলিশ আইন ৩৪ ধারায় গ্রেফতার-০২ জন; জি আর ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার-০৩ জন; সি আর ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার-০৮ জন।
    ডিমলা থানাঃ নিয়মিত মামলায় গ্রেফতার-০২ জন।
    ডোমার থানাঃ নিয়মিত মামলায় গ্রেফতার-০২ জন; জি আর ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার-০১ জন।
    কিশোরগঞ্জ থানাঃ সি আর ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার-০১ জন।

  • মোংলায় এক মরদেহ’র দাবি দুই পরিবারের, ডিএনএ টেস্ট’র আদেশ

    মোংলায় এক মরদেহ’র দাবি দুই পরিবারের, ডিএনএ টেস্ট’র আদেশ

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা প্রতিনিধিঃ

    মোংলায় এক মরদেহ’র দুই পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে আদালত ডিএনএ টেস্ট করার আদেশ দিয়েছেন। গত ১৩ এপ্রিল রাতে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে অর্ধগলিত একটি মরদেহ পাওয়া যায়। এই মরদেহকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আবেদন’র প্রেক্ষিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ”গ” অঞ্চল খুলনা ডিএনএ টেস্ট এবং বাগেরহাট বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-২ মোংলা থানায় নিয়মিত মামলা গ্রহণের আদেশ দিয়েছেন। মোংলা থানা, দাকোপ থানা, আদালত, সংশ্লিষ্ট পরিবার ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ১৩ এপ্রিল করমজলে পাওয়া অর্ধ্বগলিত মৃতদেহ ১৪ এপ্রিল দাকোপ থানা পুলিশ ময়না তদন্ত শেষে ৭ এপ্রিল সুন্দরবনে নিখোঁজ জেলে হিলটন নাথ’র পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করে। এঘটনায় দাকোপ থানায় খুন করিয়া লাশ গুম করার অপরাধে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হিলটন নাথ’র মা বীথিকা নাথ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং- ১৬, তারিখ ১৫-০৪-২০২৩। অন্যদিকে ১০ এপ্রিল নিখোঁজ মোংলার পৌর এলাকার ব্যবসায়ী মাহে আলম (৬৫) এর পরিবার সুন্দরবনের করমজলে পাওয়া অর্ধ্বগলিত মরদেহ মাহে আলম’র দাবি করে দাকোপ থানায় ডিএনএ টেস্ট’র আবেদন জানায়। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী মাহে আলম’র ছোট ছেলে সুমন রানা দাকোপ থানায় একটি জিডি করেন। জিডি নং- ১০৯৮, তারিখঃ ২৮-০৪-২০২৩। এ ব্যাপারে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ”গ” অঞ্চল খুলনা ডিএনএ টেস্ট’র জন্য আদেশ প্রদান করে। মোংলার ব্যবসায়ী মাহে আলম ১০ এপ্রিল নিখোঁজ হলে মাহে আলম’র ছোট ছেলে সুমন রানা মোংলা থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন। জিডি নং- ৬৬০, তারিখ ১৪-০৪-২০২৩। পরবর্তীতে মাহে আলম’র পরিবার মোংলার মামারঘাট এবং মোংলা নদী তীরবর্তী অঞ্চলে পৌরসভার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে। সিসিটিভির ফুটেজে মাহে আলমকে অপহরণের দৃশ্য’র প্রমান আছে বলে মাহে আলম’র পরিবার দাবী করেন। এই পরিস্থিতিতে মাহে আলম’র পরিবারের পক্ষ থেকে মোংলা থানায় মামলা করতে গেলে দাকোপ থানায় হিলটন নাথ’র মায়ের দায়ের করা মামলার তথ্য জানিয়ে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায় মোংলা থানা। অন্যদিকে দাকোপ থানার পক্ষ থেকে বলা হয় মাহে আলম অপহৃত হয়েছে মোংলা থেকে মামলা হলে হবে মোংলা থানায়। এমতাবস্থায় মাহে আলম’র পরিবার আদালতের শরণাপন্ন হন। মাহে আলম’র ছোট ছেলে সুমন রানা গত ২ মে ২০২৩ জেলা বাগেরহাট বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-২ এ মোংলা থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করার আরজি জানায়। বিজ্ঞ আদালত মোংলা থানাকে মাহে আলম অপহরণের মামলা এজাহারভূক্ত করার আদেশ দেয়। কিন্তু মামলার বাদী সুমন রানা হতাশা ব্যক্ত করে বলেন গত ৭ মে ২০২৩ মামলার আদেশ’র কপি যার স্মারক নং- ২৬১/২৩, পিটিশন ৩৮২৩ মোংলা থানায় প্রেরণ করা হলেও এখনও থানায় মামলা নথিভূক্ত হয়নি এবং কোন আসামী গ্রেফতার করা হয়নি। এবিষয়ে মোংলা থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শামসুদ্দিন বলেন থানায় এখনও আদেশ’র কপি আসে নাই। আদেশ’র কপি পেলে মামলা নথিভূক্ত হবে। এদিকে এক মরদেহ দুই দাবির প্রেক্ষিতে দাকোপ থানার ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) শেখ শাহিনুর বলেন আদালতের নির্দেশে ডিএনএ টেস্ট’র জন্য গত ৯ মে ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি সিআইডি ঢাকায় বীথিকা নাথ এবং সুমন রানার স্যাম্পল দেয়া হয়েছে। ডিএনএ টেস্ট’র রিপোর্ট পেতে একটু সময় লাগবে। এলাকাবাসী এবং সংশ্লিষ্ট পরিবারের অভিমত অপহৃত মাহে আলম ও নিখোঁজ হিলটন নাথ এবং প্রাপ্ত অর্ধ্বগলিত মৃতদেহের সৃষ্ট রহস্য উন্মোচন হতে পারে পুলিশি তদন্তে। সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় মানুষ সেই অপেক্ষায় আছেন।

  • মোরেলগঞ্জে কালের স্বাক্ষি দেড়শ’ বছরের জমিদার বাড়ি বেদখল

    মোরেলগঞ্জে কালের স্বাক্ষি দেড়শ’ বছরের জমিদার বাড়ি বেদখল

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির. সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:ব্রিটিশ শাসন আমলের জমিদারি শাসন ব্যবস্থা আজ শুধুই স্মৃতি। কালের স্বাক্ষি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সেই সময়ে দু’একটি বসতবড়ি। এক সময়ের ৬শ’ একর বা ১৮শ’ বিঘা জমির মালিকের তৃতীয় প্রজন্ম এখন মাত্র ৩ একর বা ৯ বিঘা জমির মালিক।
    পূর্ব পুরুষদের সেই সব জমি প্রায়ই বেদখল হয়ে গেছে। আবার খাজনা পরিশোধ না হওয়ার কারণে সরকার করে নিয়েছে খাস। শনিরজোর গ্রামের সেই প্রসন্ন রায়ের বাড়িটি আজও জমিদার বাড়ি নামেই পরিচিত। সময়ের পরিবর্তনে সেই জমিদারের প্রজন্মদের কেউ খোঁজ রাখেন না। জীবন সংগ্রামে কোন মতে বেঁচে আছেন তারা। জমিদার ঠাকুর দাদার ৪ বিঘা বসতবাড়ির ওপরে নির্মিত দেড়শ’ বছরের পুরাতন ভবন জমিদার রায় বাড়ি এখন শুধু স্মৃতি। কালের বিবর্তে এখন আর জমিদার বাড়ির সামনে থেকে ছাতা বন্ধ, আর কাউকে জুতা খুলে নতজানু হয়ে পথ চলতে হয় না।
    সরেজমিনে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বহরবুনিয়া ইউনিয়নের শনিরজোর গ্রামের ‘রায়বাড়ি’ জমিদার প্রসন্ন রায় ১৮শ’ বিঘা জমির মালিক হয়ে দেড়শ’ বছর পূর্বে তৎতকালীন প্রজাদের নিয়ে তার জমিদারি প্রথা শাসন ব্যবস্থা ছিলো। তার মৃত্যুর পরে স্ত্রী ললিতা সুন্দরী এ স্টেট পরিচালনা করতেন। তিনিও বেঁচে নেই। জমিদার প্রসন্ন রায়ের ৪ ছেলে, ২ মেয়ে। ছেলেরা হলেন দিজেন্দ্র লাল রায়, শুধাংশু রায়, মনোরঞ্জন রায় ও খিতিশ রায়। তারাও ৫০/৬০ বছর পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন। এখন ওই বাড়িতে ৪ ছেলের নাতিরা বসবাস করছেন। মনোরঞ্জন রায়ের ছেলে প্রকাশ রায় (৭২), বিধান রায়ের ছেলে মিল্টন রায় (৩০) জন্ম থেকেই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী (সরকারিভাবে ভাতা পাচ্ছেন), খিতিশ রায়ের ছেলে বাবলু রায় (৭৫) তিনিও শারীরিক প্রতিবন্ধী। ৮ বছর ধরে বিছানায় অসুস্থ অবস্থায় জীবন যাপন করছেন। তিনি বয়স্ক ভাতার আওতায় আসেননি।
    বৃদ্ধ প্রকাশ রায় লম্বা নিশ্বাস ছেড়ে বলেন, এক সময়ে বাপদাদারা দু’হাত ভরে প্রজাদের দান করতেন। আজ আমরা দু’মুঠো ভাতের জন্য পারছি না কাউকে বলতে। একদিকে শত শত বিঘা জমি নিলাম করে নিয়েছে অন্যদিকে প্রভাবশালীরা দখল করেছে তাদের অনেক জমি। থাকার শুধুমাত্র এই দাদার স্মৃতি জরাজীর্ণ ভবনটি। তার পরেও সুখের নিঃস্বাস নিয়ে বাস করছি। আমাদের কেউ খোঁজ রাখেন না। শুনেছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায়দের মাথাগোঁজার ঠাঁই করে দেয়। আমাদের সব কিছু থেকেও এখন শূন্য। তাই, সরকারি উদ্যোগে তাদের পূর্ব পুরুষদের জমিদারের স্মৃতি এ রায় বাড়িটি সংস্কারের দাবি জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম তারেক সুলতান বলেন, ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক নির্দেশনা দিয়েছেন। এ উপজেলার ইতিহাস ঐতিহ্য পুরাতন স্মৃতির খোঁজ খবর নিয়ে তালিকা করে পাঠানোর জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবহিত করবেন।** ছবি সংযুক্ত আছে।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির.
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

  • ময়মনসিংহ রেঞ্জে ‘শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি কামাল

    ময়মনসিংহ রেঞ্জে ‘শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি কামাল

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ রেঞ্জের বিভাগে ফের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা। বুধবার (১০মে) ময়মনসিংহ রেঞ্জ পুলিশের মাসিক অপরাধবিষয়ক এক সভায় রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য এর হাত থেকে মার্চ-২০২৩ মাসের শ্রেষ্ঠ থানার ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি আবিদা সুলতানা ও পুলিশ সুপার মো: মাছুম আহাম্মদ ভুঞা ।

    জানা গেছে, প্রত্যেক মাসে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশের ময়মনসিংহ বিভাগ তার অধীনস্থ থানা ও পুলিশ সদস্যদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। রেঞ্জের থানা গুলোর মধ্যে ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানা শ্রেষ্ঠ থানা নির্বাচিত হয়ে শ্রেষ্ঠত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে ।

    কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বছরের প্রায় মাসে শ্রেষ্ঠ থানা নির্বাচিত করা হয়।

    ওসি জানান-ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার নির্দেশনায় সর্বদা অগ্রনী ভূমিকা পালনে ব্যস্ত থাকেন। ময়মনসিংহে সর্বত্র অভিযান পরিচালনা করে মাদক ও অপরাধ নির্মূল্যে বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন এই আফিসার। তিনি মাদক গডফাদার -বিক্রেতা-ক্রেতা, সন্ত্রাসী, চুরি-ডাকাতি, খুন-ধর্ষন এর মতো মারাত্মক অপরাধের ঘটনার সাথে জড়িত অসংখ্য সঙ্গবদ্ধ অপরাধী চক্রকে সাহসিকতার সাথে গ্রেফতার করে এ পুরোস্কার পেয়েছেন। মাদককে সবসময় জিরো টলারেন্স রাখার চেষ্ঠা করেন। তার পরিচালনায় মাদক বিরোধী অভিযানে প্রতিটি ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। পুলিশ বিভাগে বিশেষ অবদান রাখায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষ শাহ কামালকে খুবই পছন্দ করেন এবং সাফল্যের স্বীকৃতি হিসাবে বার বার পেয়ে যাচ্ছেন রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পদক।

  • মাদকের ব্যাপারে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে থাকে সীমান্তে

    মাদকের ব্যাপারে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে থাকে সীমান্তে

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘দেশের যেকোনো সীমান্তে মাদকের ব্যাপারে বিজিবির সতর্ক অবস্থান থাকে। আর এ কারণেই সম্প্রতি টেকনাফ সীমান্তে ২১ কেজি ক্রিস্টাল আইস মেথ জব্দ করা হয়েছে।’

    বুধবার (১০ মে) দুপুরে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা এবং ভারতের ফুলবাড়ি স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘বিভিন্ন সময় মাদকের সঙ্গে পাচারকারীদেরও গ্রেপ্তার করা হয়। তবে, অনেক সময় তারা মাদক ফেলে জঙ্গলে পালিয়ে যাওয়ায় গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয় না।’

    এর আগে, তিনি বিএসএফের নর্থ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের আইজি শ্রী অজয় সিংসহ বিএসএফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বিজিবি মহাপরিচালক দুই বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।