Author: desk

  • লক্ষ্মীপুরে ডাবল মাডার  হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রিভলভার  একটি পাইপগান উদ্ধার দুই আসামি গ্রেফতার

    লক্ষ্মীপুরে ডাবল মাডার হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রিভলভার একটি পাইপগান উদ্ধার দুই আসামি গ্রেফতার

    নাজিম উদ্দিন রানাঃ
    লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিব ইমাম হত্যা মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি রিভলভার ও একটি পাইপগান অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ মামলায় এ পর্যন্ত এজাহারনামীয় ১০ জনসহ মোট ১৭ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে ৪টি। গ্রেফতারকৃতরা হলো- মো. রাকিব হাসান ওরফে শুটার রাকিব (৩০) ও মো. লিটন ওরফে চাঁন মিয়া (৪৩)।

    বৃহস্পতিবার (১১ মে) সন্ধ্যা ৮টায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ্জামান আশরাফ।

    তিনি জানান, জোড়া খুনের মামলার তদন্ত করছিলো র‍্যাব ও কাউন্টার টেরিজম (সিটিটিসি) পুলিশ। শুটার রাকিব ও লিটনকে যৌথ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে সিটিটিসি ও লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের একটি দল । জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেয়া তথ্যমতে বৃহস্পতিবার (১১ মে) রাত আড়াইটার দিকে বশিকপুরের একটি খালের কচুরিপানার নিচ থেকে একটি রিভলভার ও একটি দেশি পাইপগান উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে চন্দ্রগঞ্জ থানায় আরও একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।

    প্রসঙ্গত, গত ২৫ এপ্রিল রাতে সদর উপজেলার পোদ্দারবাজার এলাকায় জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নোমান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় সন্ত্রাসীরা তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও মোবাইল নিয়ে যায়। গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থল গিয়ে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার পরেরদিন রাতে নিহত নোমানের বড় ভাই ও বশিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় গ্রেফতারকৃত ৩ নম্বর আসামি ফয়সাল দেওয়ান ও ১৮ নম্বর আসামি কদু আলমগীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে পুলিশ সূত্রে জানা যায়।

  • আশুলিয়ার জামগড়া ডক্টরস হাসপাতালে ভুয়া ডাক্তার দিয়ে রোগীদের চিকিৎসার নামে প্রতারণা

    আশুলিয়ার জামগড়া ডক্টরস হাসপাতালে ভুয়া ডাক্তার দিয়ে রোগীদের চিকিৎসার নামে প্রতারণা

    হেলাল শেখ,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তায় চৌধুরী প্লাজার ২য় তলায় ডক্টরস জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুয়া ডাক্তার দিয়ে রোগীদের চিকিৎসার নামে প্রতারণা।
    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১১ মে ২০২৩ইং) অভিযোগকারী ভুক্তভোগী মোঃ রঞ্জু মিয়া বলেন, জামগড়া ডক্টরস হাসপাতালের কাউছার হোসেন (৪৫) এর বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, অদ্য ১১/০৫/২০২৩ তারিখ ভোর রাত হইতে আমার মেয়ে ফাতেমা বেগম (২০) এর কোমরের বাম পার্শ্বে হঠাৎ ব্যথা উঠে। সকালে আমার মেয়েকে স্থানীয় ডাক্তার দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হইলে আমার মেয়ের কোমরের ব্যথা ভালো না হওয়ায়, বেলা ১১টার দিকে উক্ত বিবাদীর প্রতিষ্ঠান ডক্টরস হাসপাতালে নিয়ে যাই, হাসপাতালে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে কাউছার হোসেন আমার মেয়েকে দেখে ৪টি টেষ্ট করার জন্য আমার নিটক থেকে ৩১০০/টাকা খরচ নেয়। উক্ত ডাক্তার আমার মেয়ের কোনো টেষ্ট করেন না এবং কোনো চিকিৎসা প্রদান করেন না। ইতিমধ্যে আমার মেয়ে আরো শারীরিক ভাবে বেশি অসুস্থ হয় কিন্তু বিবাদী দ্বয় কোনো চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা না নেয়ায় বিষয়টি নিয়া তাদের সাথে আমার তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায় আমাদের সেখানে অনেক লোকজন সমবেত হয়। এ সময় লোকজন ঘটনা জেনে বলেন যে, কাউছার কোনো ডাক্তার নয়, সে উক্ত হাসপাতালের ম্যানেজার। এরপর দ্রুত সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য আমার মেয়েকে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করাই, আমি এই হাসপাতালের মালিক ও ম্যানেজারের প্রতারণার বিচার চাই, আর যেন কারো সাথে এমন প্রতারণা না করতে পারে তারা।
    এর আগে র‌্যাব-৪ এর একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে দুইজন ভুয়া ডাক্তারসহ ৩জনকে আটক করে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন, এরপর দ্রুত তাদের জামিনও হয়েছে। যেখানে সেখানে ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুষের দোকান করে ফার্মেসী দোকানের মালিক ও হাসপাতালের স্টাফ ম্যানেজার ডাক্তার সেজে রোগীর ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ বিক্রি করছেন এবং রোগী দেখছেন বলে অনেকেই অভিযোগ করেন।
    উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে গত (৫ জুলাই ২০২১ইং) রাতের একটি ঘটনা ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতারকৃতদের বিষয়ে নিশ্চিত করেন ডক্টরস জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক ডাঃ এ, কে, এম লতিফুল বারী। তিনি বলেন, র‌্যাব অভিযান চালিয়ে প্রথমে ৪জনকে আটক করেন, এরপর একজনকে ছেড়ে দেয় এবং ৩জনকে গ্রেফতার দেখায়। ভুয়া ডাক্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার প্রতিষ্ঠানের ৩জন স্টাফকে র‌্যাব আটক করে, এরপর তারা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। জানা গেছে, এ বিষয়ে এক নারী বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আশুলিয়া থানার মামলা নং ১৬/ তারিখ ০৫/০৭/২০২১ইং। আটককৃতরা হলো-কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর থানার গলাচিপা গ্রামের সামসুল হকের ছেলে মনিরুল আলম (৪০), নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানার গোয়ালভিটা গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে মুনসুর রহমান (৩৭), ও ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর থানার কাঠালডাঙ্গী বাজার এলাকার মকবুল ইসলামের মেয়ে মেরিনা আক্তার মেরি (২২)।
    মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৪ জুলাই কোমড়ে ব্যাথা নিয়ে আশুলিয়ার জামগড়া চৌধুরী প্লাজায় ২য় তলায় উক্ত হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান এক নারী (২২)। তিনি ওই হাসপাতালে যাওয়ার পরে রিসিপশনে কথা বললে তারা মনিরুল আলমকে ডাক্তার পরিচয় দিলে তার সাথে ওই নারী রোগীর সমস্যার কথা খুলে বলেন। এরপর ওই নারী তখন তার কাছে সকল বিষয়ে খুলে বলেন, পরে ডাক্তার পরিচয়দানকারী ব্যক্তি তাকে ডক্টরস জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লেখা একটি প্যাডে কিছু ওষুধ লিখে সীল ছাড়াই স্বাক্ষর করে দেন। সীল ব্যতীত প্রেসক্রিশন দেখে ওই নারীর সন্দেহ হলে তিনি হাসপাতালের বাহিরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে র‌্যাবের টহলটিম দেখে তাদেরকে বিষয়টি জানায়। পরে র‌্যাবের টহল টিম ওই নারীকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে ওই ডাক্তারের কাগজপত্র দেখতে চায়, কিন্তু তারা কাগজপত্র দেখাতে ব্যার্থ হওয়ায় এরপর র‌্যাব তাদের ৩জনকে গ্রেফতার করেন। এ সময় তাদের নিকট থেকে ভুয়া কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
    সে সময় র‌্যাব-৪ এর (সিপিসি-২) শাখার কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খানের সাথে মুঠোফোনে গণমাধ্যম কর্মী পরিচয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ ব্যাপারে মিজানুর রহমান নামের এক র‌্যাব সদস্য জানান, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন ফ্যান্টাসী কিংডমের বিপরীতে জামগড়াস্থ চৌধুরী প্লাজার ২য় তলায় ডক্টরস জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ উপস্থিত হয়ে আসামীদের কাছে ডাক্তারি সংক্রান্ত বিষয়ে কাগজপত্র দেখাতে বললে বর্ণিত আসামীরা তাদের কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় র‌্যাবের একটি টহল টিম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সদের সহায়তায় ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় র‌্যাব সদস্যরা বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করেন। র‌্যাবের কর্মকর্তা একজন মেজর এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী -২ ও ৩ নং আসামীদ্বয়ের সহায়তায় নিজেকে সনদধারী ডাক্তার হিসেবে জাহির করে রোগীদের বরাবরে ভুয়া প্রেসক্রিশন তৈরি করে উহার বিনিময়ে প্রতারণা মূলকভাবে অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রত্যক্ষভাবে একে অপরকে সহায়তা করে আসছিল বলে আসামীরা স্বীকার করেছে। উক্ত র‌্যাব অফিসে এসআই (নিঃ) শাওন মাহমুদ অপু কাগজপত্রসহ মালামাল জব্দ তালিকা করেছেন বলে তিনি জানান। সোমবার ৫ জুলাই ২০২১ইং গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়। তারা জামিনে এসে আবারও সেই কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উক্ত ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ায় প্রায় প্রতিটি এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুদের দোকান বসিয়ে নিজেরাই জীবন রক্ষাকারী ওষুধ বিক্রি করছে এবং ডাক্তার সেজে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে আসছে বলে অনেকেই জানান। একদিকে ওষুধের গায়ে মূল্য লেখা নেই, অন্যদিকে ডাক্তার না হয়েও রোগী দেখছেন কথিত ডাক্তার, সিন্ডিকেট করে ব্যবসা করছে অনেকেই এবং ওষুধ দিয়ে প্রতারণা করছেন। এ এলাকায় নি¤œ আয়ের মানুষের বসবাস এখানে যদি এমন প্রতারণা করা হয় তাহলে মানুষ আরও বেশি ক্ষতির শিকার হয়। প্রশ্নঃ এইসব ভেজাল ওষুধ তৈরি হয় কোথায়? সংশ্লিষ্ট প্রসাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।

  • ১২মে সাতবাড়িয়া গণহত্যা দিবস

    ১২মে সাতবাড়িয়া গণহত্যা দিবস

    এম এ আলিম রিপন সুজানগর ঃ ১২মে সুজানগরের সাতবাড়ীয়া গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের নিরীহ নিরপরাধ মানুষের উপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে গণহত্যা করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ মাষ্টার জানান,১৯৭১ সালের এ দিন পাক হানাদার বাহিনী পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী উক্ত ইউনিয়নের কুড়িপাড়া, নিশ্চিন্তপুর, কাচুরী, তারাবাড়ীয়া, ফকিৎপুর, সাতবাড়ীয়া, নারুহাটি, সিন্দুরপুর, হরিরামপুর, ভাটপাড়া,বর্তমানে পদ্মা নদীতে বিলীন হওয়া কন্দর্পপুর এবং গুপিনপুর সহ ১৫/২০টি গ্রামে অপারেশন চালিয়ে গণহত্যা করে। তারা এদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা রাত পর্যন্ত ওই সকল গ্রামে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ফকোর উদ্দিন, সমির সাহা, গোপাল শেখ, অসিত সাহা, খিতিশ সাহা এবং সেকেন্দার আলীসহ নাম না জানা প্রায় ২/৩‘শ নারী-পুরুষকে হত্যা করে। এদের মধ্যে পাক হানাদার বাহিনী ও দেশীয় রাজাকাররা প্রায় দেড়‘শ জনের লাশ পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেয়। শুধু তাইনা পাক হানাদার বাহিনী গণহত্যা করার পাশা-পাশি গোটা ইউনিয়নে ব্যাপক লুটপাট, ধর্ষণ এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ চালায়। দিবসটি পালন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য গত ২০১৩ সালে সরকার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ নিমার্ণ প্রকল্পের আওতায় গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে সাতবাড়ীয়া ডিগ্রী কলেজ মাঠে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নওগাঁর নিয়ামতপুর ও মান্দায় দূর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

    নওগাঁর নিয়ামতপুর ও মান্দায় দূর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

    রওশন আরা শিলা,নওগাঁ প্রতিনিধি ঃ নওগাঁয় মান্দা ও নিয়ামতপুর উপজেলায় পৃথক পৃথক ভাবে দূর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নৈতিকতার উন্নয়ন ও উত্তম চর্চ্চা বিকাশের প্রয়াস হিসেবে দূর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত নওগাঁ জেলা কার্যালয় এবং মান্দা ও নিয়ামতপুর উপজেলা দূনর্িিত প্রতিরোধ কমিটি এসব প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
    মান্দা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চুড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহন করে কা ন উচ্চ বিদ্যালয় ও মান্দা থানা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বিতার্কিকবৃন্দ। প্রতিযোগিতায় কা ন উচ্চ বিদ্যারয় চ্যাম্পিয়ন এবং মান্দা থানা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
    পরে সেথানে মান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ লায়লা আরজুমান্দ বানু প্রধান অতিথি হিনেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরন করেন। পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দূনিিত দমন কমিশখন নওগাঁ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহমুদুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহ আলম শেখ। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মান্দা উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ সুলতান জালাল উদ্দিন।
    অন্যদিকে একই দিনে নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুরুপবিতর্ক প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়্। এই প্রতিযোগিতায় পিএলবি উচ্চ বিদ্যালয় এবং নিয়ামতপুর সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের বিতার্কিকবৃন্দ অংশগ্রহন করে। প্রতিযোগিতায় পিএলবি উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন ও নিয়ামতপুর সরকারী মডিল উচ্চ বিদ্যালয় রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। পরে নিয়াতপুর উপজেলার সহাকরী কমিশনার ভুমি লিজা আকতার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরন করেন। নিয়ামতপুর উপজেলা দুনর্িিত প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ মতাজ উদিদনের সভাপতিত্বে আয়োজিত পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দূর্নীতি দমন কমিশন নওগাঁ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ নওশাদ আলী এবং নিয়ামতপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুস সালাম। #

  • সুজানগরে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

    সুজানগরে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

    এম এ আলিম রিপন সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার পদ্মার চর এলাকা থেকে অজ্ঞাত পরিচয় পুরুষ এক ব্যক্তির(৭০) মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ মে) বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের পদ্মার চর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এদিন চরে কাজ রতে যাওয়া কৃষকেরা মরদেহ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয় । পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুজানগর থানার ওসি আব্দুল হান্নান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুরুষ এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের পরিচয় উদঘাটনের চেষ্টা করছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ওই ব্যক্তির শরীরে কোন ধরণের আঘাতের ক্ষত দেখা যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে অধৃষ্য ক্লাবের সভাপতি রাসেল সম্পাদক মিঠুন

    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে অধৃষ্য ক্লাবের সভাপতি রাসেল সম্পাদক মিঠুন

    আবু জাহেদ, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :
    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অধৃষ্য ক্লাবে ২ বছরের জন্য রিয়াদ রাসেল কে সভাপতি ও মিঠুন আলীকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকারী পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
    এ কমিটিতে অনান্য পদে যারা রয়েছে সহসভাপতি রিপন আহম্মেদ,সুমন রানা।
    যুগ্ন সম্পাদক জাফরুল হাসান রনি,রাকিব হাসান,সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক ,জুনায়েদ ইসলাম সোহেল। দপ্তর সম্পাদক নুর নবী, প্রচার সম্পাদক মসিউর রহমান ডলার, কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা। কার্যনির্বাহী সদস্য তানভীর ইসলাম স্বচ্ছ,রিয়াদ আল বায়েজিদ, জুবায়ের জান্নাত।
    কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পীরগঞ্জ উপজেলা যুব ফোরামের সভাপতি লাইসুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জাকিউল রহমান লিপন ,অগ্রদূত পল্লী পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রিপন আলী সবুজ, বাগমারা ভাকুরা খেলা ধুলা ক্লাবের সভাপতি পারভেজ হাসান সহ উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ব্যাক্তিবর্গরা।

    মো. আবু জাহেদ।

  • ঐতিহ্যবাহী বার আউলিয়া  আজ  আখেরি মোনাজাত

    ঐতিহ্যবাহী বার আউলিয়া আজ আখেরি মোনাজাত

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ঃ
    মহান আল্লাহপাক অতি বাড়াবাড়ি পছন্দ করেন না। আর শিরককারীকে আল্লাহ পছন্দ ক্ষমা করেনা
    আবহমানকাল থেকে বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার বার আউলিয়ার মাজার শ ৪৭.৭৩ একর জমিতে বিশাল ওরশ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

    বার আউলিয়ার মাজারঃ
    বার আউলিয়া মাজারটি পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বার আউলিয়া মৌজার প্রায় ৪৭.৭৩ একর জমিতে অবস্থিত। উক্ত স্থানে ০১টি মাদরাসা ও ১টি এতিম খানা আছে। ০২টি প্রতিষ্ঠান চলে মাজারের জমি হতে উৎপাদিত ফসলের আয় হতে। জানা যায় মধ্যপ্রাচ্য হতে ১২ জন আউলিয়া
    *হেমায়েত আলী শাহ (রঃ)
    *নিয়ামত উল্লাহ শাহ (রঃ)
    *কেরামত আলী শাহ (রঃ)
    *আজহার আলী শাহ (রঃ)
    *হাকিম আলী শাহ (রঃ)
    *মনছুর আলী শাহ (রঃ)
    *মমিনুল শাহ (রঃ)
    *শেখ গরীবুল্লাহ (রঃ)
    *আমজাদ আলী মোল্লা (রঃ)
    *ফরিজ উদ্দিন আখতার (রঃ)
    * শাহ মোক্তার আলী (রঃ)
    *শাহ অলিউল্লাহ (রঃ)
    ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য উক্ত স্থানে এসে বসবাস শুরু করেন। তাঁরা ইন্তেকাল করলে উক্ত স্থানে তাঁদের সমাহিত করা হয়। ১২ জন আউলিয়াকে সমাহিত করায় এবং তাঁদের মাজার থাকায় এই স্থানের নাম হয় বার আউলিয়া।
    পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ও পঞ্চগড় জেলা পরিষদের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘বার আউলিয়া মাজারটি পাকা করা হয়।

    মাজার প্রাঙ্গণে জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত একটি ডাক বাংলো রয়েছে।

    প্রতি বৈশাখমাসের শেষ বৃহস্পতিবার এখানে ওরশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন স্থান হতে অগনিত ভক্তের পদচারণায় মুখরিত থাকে ওরশ দিনটি। গরু ছাগল মুরগি বাজেট করলে আপনার বাবা-মার জন্য করবেন আপনার বউমার উপরে আর বড় পীর পৃথিবীতে নেই আল্লাহ ছাড়া অন্য কোথাও মানত করার জায়েজ নেই।

  • সিংড়ায় ঘোড়দৌড় খেলা দেখতে উৎসুক জনতার ঢল

    সিংড়ায় ঘোড়দৌড় খেলা দেখতে উৎসুক জনতার ঢল

    মোঃ এমরান আলী রানা নাটোর প্রতিনিধিঃ
    নাটোরের সিংড়ায় ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    গতকাল বুধবার বিকালে উপজেলার ২ নং ডাহিয়া ইউনিয়নের বিয়াশ চক আদিত্য ও বড় আদিমপুর গ্রামের পুর্ব মাঠে ঘোড়দৌড় খেলা দেখতে আসেন হাজার হাজার পুরুষ ও মহিলা দর্শক। উৎসুক জনতার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। এ খেলার প্রধান আয়োজক ছিলেন বড় আদিমপুর গ্রামের নওশের আলী।
    উপজেলার সর্ববৃহৎ বিয়াশ মেলা উপলক্ষ্যে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা বিকাল ৫ টায় শুরু হলেও বিকাল ৩ টার পর থেকেই লোকজন আসতে শুরু করেন। মাঠের পশ্চিম পাশে মহিলাদের জন্য নির্ধারিত জায়গা করায় মহিলা গ্যালারীতে ছোট বড় সব ধরনের মেয়েদের ভীড় ছিল চোখে পড়ার মত। প্রখর গরম উপেক্ষা করে উৎসুক জনতা খেলাটি উপভোগ করেছে। খেলার শুরুতে ছোট খাটো হট্রগোল বাঁধলেও পরবর্তী সময়ে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বর তারেক হোসেন দুলালের হস্তক্ষেপে তাৎক্ষনিক তা নিয়ন্ত্রনে আসে এবং শান্তিপুর্ণভাবে খেলা সম্পন্ন হয়।
    বগুড়া,নাটোর ও সিরাজগঞ্জ সহ বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ১৯ টি ঘোড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
    খেলা দেখতে আসা ৭০ বছর বয়সী কয়েক প্রবীণ ব্যক্তিরা বলেন আমাদের এলাকায় এই প্রথম এ ধরনের খেলার আয়োজন করা হয়েছে। দীর্ঘ দিন পর ঐতিহ্যবাহী এ খেলা দেখে তারা খুশি। নতুন প্রজম্নের কয়েকজন ছেলে মেয়ে জানান, ইউনিউব চ্যানেলে ঘোড়দৌড় খেলা দেখেছি বাড়ির কাছে নিজের চোখে খেলা দেখতে পেরে খুব মজা পাচ্ছি।
    বিকাল ৫ টায় টান টান উত্তেজনায় খেলা শুরু হয়। খেলা শেষে বিজয়ী হন একশিং তাড়াইয়ের ঘোড়ার মালিক আব্দুল মমিন। এ সময় তাঁর হাতে প্রথম পুরুস্কার এলইডি তুলে দেওয়া হয়। পুরুস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থতিত ছিলেন ডাহিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ তারেক হোসেন দুলাল, ডাহিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জুলহাজ কায়েম, ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সাইফ মাহমুদ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি।
    ঘোড়দৌড় খেলার প্রধান উদ্যোক্তা ও আয়োজক মোঃ নওশের আলী জানান, আমি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করে এই খেলার আয়োজন করেছি। আমাকে অনেকে সহযোগিতা করেছে। আগামীতে বড় পরিসরে খেলার আয়োজন করার আশা আছে। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সহ সকলের সহযোগিতা নিয়ে প্রতি বছর বিয়াশ মেলার পরের দিন এই ঐতিহ্যবাহী খেলা অব্যাহত থাকবে। সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

    মোঃ এমরান আলী রানা।।

  • নড়াইলে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানুষের পেশা ও আচরণগত উৎকর্ষ সাধন হয়: এসপি সাদিরা খাতুন

    নড়াইলে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানুষের পেশা ও আচরণগত উৎকর্ষ সাধন হয়: এসপি সাদিরা খাতুন

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে
    নড়াইলে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানুষের পেশা ও আচরণগত উৎকর্ষ সাধন হয়: এসপি সাদিরা খাতুন। স্মার্ট পুলিশিং ব্যবস্থা বিনির্মাণের লক্ষ্যে নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশের নায়েক ও কনস্টবল পদমর্যাদার ৫০ জন পুলিশ সদস্যদের সপ্তাহব্যাপী ‘দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স’ এর ১০ম ব্যাচের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) অপরাহ্ণে পুলিশ লাইনসে্ সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোসাঃ সাদিরা খাতুন, পুলিশ সুপার, নড়াইল। পুলিশ সুপার বলেন, প্রশিক্ষণ কর্মীদের মোটিভেশন প্রদান করে, কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা যোগায়। ফলে তারা অর্জিত বাস্তব জ্ঞানকে সফলভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়। প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অর্পিত দায়িত্বের প্রতি পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি পায়। প্রশিক্ষণের বাস্তব জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নড়াইল জেলা পুলিশকে আরো সমৃদ্ধ করতে নির্দেশ প্রদান করেন।
    উক্ত অনুষ্ঠানে মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), প্রশিক্ষকগণ, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যগণ ও প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইলে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু চলাচল করছে হাজারো মানুষ ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

    নড়াইলে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু চলাচল করছে হাজারো মানুষ ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু চলাচল করছে হাজারো মানুষ। দুই বছর ধরে ভেঙ্গে পড়ে আছে নড়াইলের লাহুড়িয়ার ঝামারঘোপ খালের উপর নির্মিত সেতুটি। নড়াইল-মাগুরা দুই জেলার সীমানায় গুরুত্বপূর্ন এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিনই আতঙ্ক আর ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে হাজারো মানুষ। প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার মধ্যেই চলছে কৃষকের জমির ধান নেয়া, শিক্ষার্থীরা যাচ্ছে বিদ্যালয়ে। যে কোন সময় ভেঙ্গে ধ্বসে পড়ে প্রাণহানি ঘটার সম্ভাবনা। কোন উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে সেতুর একপ্রান্তে অর্ধেক জায়গা জুড়ে ধ্বসে যেতে থাকে। ধীরে ধীরে পুরো জায়গায় গর্ত হয়ে ভিতরের রড বের হয়ে পড়ে। দুই বছর আগে একটি ট্রাক চলতে গিয়ে হেলে পড়ে সেতুটি। এরপর স্থানীয় লোকেরা গর্ত হওয়া স্থানে কয়েকটি কাঠের বড় তক্তা দিয়ে ইজিবাইক, ভ্যান আর কৃষিপন্য ঘোড়ার গাড়িতে পারাপার করছেন। নসিমন আর ভটভটি চললে কাপতে খাকে সেতুটি,তবুও বাধ্য হয়েই চলছে পারাপার।

    সেতুর তলদেশের অবস্থা আরো করুন। ইটের উপর দাড়িয়ে থাকা সেতুর নীচের দুটো গার্ডার এর একটি ধ্বসে একদিকে হেলে পড়েছে। পিলারের ইটগুলো খুলে সেখানে পাখির বাসা তৈরী হয়ে তাও খসে পড়ছে।

    স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে ঝামারঘোপ খালের উপর নির্মিত হয় ১৩ মিটার দৈর্ঘের ছোট্ট এই সেতুটি। স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগ ঝুকিপূর্ন সেতুটি ঘুরে দেখেছেন, ছবি তুলে বিভিন্ন দপ্তরে পাঠিয়েছেন।

    খলিশাখালি গ্রামে ব্যবসায়ী আকবর মৃধা বলেন, এই ব্রীজ ভাঙ্গা থাকার কারনে আমাদের মিঠাপুর হাটে যেতে গেলে ৮ কিলোমিটার নোহাটা ঘুরে মিঠাপুর হাটে যেতে হয়। আমাদের এই দূর্দশা কেউ দেখে না।

    স্থানীয় কৃষক রহমত আলী বলেন, এপাশের জমির ধান কেটে ঘোড়ারগাড়ি করে বাড়িতে নিতে হয়। প্রতিদিন ই ছোটখাট দূর্ঘটনা ঘটে। ভয়লাগে কখন জানি ব্রীজ ভেঙ্গে নিচে পড়ে যাই, তবুও যেতে হয়।

    স্থানীয় যুবক ইসলাম বলেন, আমরা নিজেরাই চলাচলের জন্য কাঠ দিয়েছি।
    ঝামারঘোপ গ্রামের খলিশাখালী প্রাইমারী স্কুলের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র বিল্টু দাস বলেন, আমরা ভয়ে ভয়ে ব্রীজ পার হয়ে স্কুলে যাই,অনেক সময় ভ্যান যেতে চায় না তাই হেটেও যেতে হয়।
    লোহাগড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিকদার আব্দুল হান্নান রুনু বলেন, সেতুটি খুবই ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় আছে। আমরা বিষয়টি সকলকে জানিয়েছি।

    লোহাগড়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী কাজী আবু সাঈদ মো. জসীম বলেন, আমরা ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলাম কিন্ত চেয়ারম্যানসহ স্থানীয়দের চাহিদায় ধান মৌসুম পর্যন্ত রাখা হবে। প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।