Author: desk

  • শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে লক্ষ্মীপুরে র‍্যালি যুবলীগ বায়েজিদ ভূঁইয়া’র র‍্যালি

    শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে লক্ষ্মীপুরে র‍্যালি যুবলীগ বায়েজিদ ভূঁইয়া’র র‍্যালি

    নাজিম উদ্দি রানা :
    বঙ্গবন্ধুর কন্যা সফল রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৩ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরে আনন্দ র‌্যালি করেছেন যুবলীগ নেতারা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই আনন্দ র‌্যালিতে নের্তৃত্ব দেন জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বায়েজিদ ভূঁইয়া।
    বুধবার (১৭ মে) সকালে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নের্তৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ শীর্ষক র‌্যালিটি লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ মোড় থেকে শুরু হয়ে মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন যুবলীগ নেতাকর্মীরা। সমাবেশ শেষে সোনা মিয়া ঈদগাহ জামে মসজিদে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
    জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বায়েজিদ ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা জালাল উদ্দীন রুমি পাটওয়ারী, দিদার হোসেন, গোফরান বাবু, দিপু মাহমুদ, রাজু হোসেন প্রমুখ।

  • রাঙ্গাবালীতে শশুর শ্বাশুরিকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনায় আটক জামাই

    রাঙ্গাবালীতে শশুর শ্বাশুরিকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনায় আটক জামাই

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী:
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় শশুর শাশুড়িকে ছুরিকাঘাত করার মামলায় জামাই হৃদয় হোসেন রাজুকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বুধবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত সাত মাস আগে আসামি হৃদয় হোসেন রাজু উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ফুলখালী গ্রামের মোঃ শহিদুল হাওলাদার ও সুখী বেগমের কন্যা অপ্রাপ্তবয়স্ক মিমজাকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করেণ। দুই মাস সংসার করে মিমজা জানতে পারেন তার স্বামী হৃদয় হোসেন রাজু একজন মাদক সেবী ও লম্পট। পরবর্তীতে গত পাঁচ মাস আগে মিমজা বাবার বাড়িতে ফিরে আসে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টা ৩০ সের সময় রাজু অনাধিকার প্রবেশ করে তার শশুর শাশুড়িকে গালাগালি করে এবং মিমজাকে তুলে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে। এসময় তার শশুর শাশুড়ি তাকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে রাজু তার পকেটে থাকা ছুরি দিয়ে আঘাত করে এবং তার ফুপু শাশুড়ি লিমা বেগমকে শ্লীলতা হানি করেন। ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী এসে রাজুকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। গুরু তর আহত শহিদুল হাওলাদার ও সুখী বেগমকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
    রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, শশুর শাশুড়িকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনায় আসামীকে হৃদয় হোসেন রাজুকে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • ঝিনাইদহে র‌্যাবের অভিযান স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেফতার

    ঝিনাইদহে র‌্যাবের অভিযান স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেফতার

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় পলাতক স্বামী জহুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬। মঙ্গলবার ভোরে শহরের আরাপপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত জহুরুল ইসলাম কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাসিন্দা। র‌্যাব-৬, ঝিনাইদহ ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ইশতিয়াক হোসাইন জানান, গত ১৩ তারিখে ঝিনাইদহের আরাপপুরের একটি ভাড়া বাসায় যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় স্ত্রী সীমা খাতুনের সাথে বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে জহুরুল ইসলাম ইট ও হাতুড়ি দিয়ে সীমাকে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় সীমা খাতুনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ওইদিনই নিহতের পিতা কামাল হোসেন বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরর পর র‌্যাব অভিযান শুরু করে। জহুরুল ইসলাম আরাপপুর এলাকায় অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। যৌতুক ও পারিবারিক কলহের কারণেই এ হত্যাকান্ড বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • পাইকগাছায় ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    পাইকগাছায় ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছায় ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী ও অন্যান্য মামলার দুইজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
    থানা সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা থানাধীন গড়ইখালীর শান্তা গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে মোঃ সাইফুল্লাহকে ৮০ গ্রাম গাঁজা ও কামিনী বাশিয়া গ্রামের রবীন্দ্রনাথ সানার ছেলে জ্যোতি সানাকে ৩০ গ্রাম গাঁজা ও পাটনিখালী গ্রামের সুকুমার সানার ছেলে সবুজ সানাকে ২০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার করে।
    থানা পুলিশ তাদের সকলের নামে মাদক আইনে মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পরোয়ানাভুক্তসহ জুয়া মামলায় ২ আসামিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
    এবিষয়ে পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুন্দর সমাজ গঠনে মাদক নির্মূলের কোনো বিকল্প নেই। সেই লক্ষে মাদক নির্মূল অভিযানের অংশ হিসেবে আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। মাদক, জুয়া ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছার দু স্থানো ভাঙ্গন রোধ ও সুইচ গেট নির্মাণে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ

    পাইকগাছার দু স্থানো ভাঙ্গন রোধ ও সুইচ গেট নির্মাণে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    অবশেষে পাইকগাছার গড়ইখালীর খুদখালী ও লস্কর ইউনিয়নের আলমতলার ভাঙ্গন রোধ এবং বাইনতলা স্লুইসগেট নির্মাণে কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু’র প্রচেষ্টায় ভাঙ্গন রোধ এবং স্লুইস গেট নির্মাণে ৫০ কোটি সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। দুই এক দিনের মধ্যে ডাম্পিং কাজের উদ্বোধন করবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য।
    উন্নয়ন কাজ শেষ হলে অধিক ঝুকিপূর্ণ দুটি এলাকার ভাঙ্গন রোধ হওয়ার পাশাপাশি ফসল উৎপাদনের আওতায় আসবে হাজার হাজার বিঘা ফসলী জমি। উল্লেখ্য উপজেলার যে কয়টি ভাঙ্গন কবলিত এলাকা রয়েছে তার মধ্যে উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন গড়ইখালী ইউনিয়নের খুদখালী ও লস্কর ইউনিয়নের আলমতলা ভাঙ্গন কবলিত এলাকা অন্যতম।
    এলাকাবাসীর মতে স্বাধীনতার আগে থেকেই খুদখালী এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দেয়। শিবসা নদীর পানির চাপে প্রতিবছর অত্র এলাকা নতুন নতুন ভাবে ভেঙ্গে নদী গর্ভে চলে যায় বসতবাড়ি ও ফসলী জমি। ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করায় একদিকে যেমন বিপুল পরিমাণ টাকা সরকারী অর্থ অপচয় হয়েছে, অপরদিকে অসংখ্য মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলী জমি চলে গেছে নদীতে।
    খুদখালী গ্রামের ৭৫ বছরের নুরমান গাজী জানান ৫বছর আগে আমাদের বসতবাড়ি নদীতে চলে যায়। বর্তমানে আমরা ওয়াপদার স্লোপে বাস করি। অবনী মন্ডল জানান আমাদের বহু ফসলী জমি বাঁধ ভেঙ্গে নদীতে চলে গিয়েছে।
    গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু জানান ভাঙ্গন রোধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করায় দুর্যোগ আসলেই খুদখালী ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা নিয়ে চরম আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয় গোটা ইউনিয়ন বাসীকে।
    অপরদিকে লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন জানান আলমতলা রোভারডাঙ্গা এলাকার ভাঙ্গন রোধে কার্যকর কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ইতোমধ্যে এলাকার প্রায় ১শ বিঘা ফসলী জমি কড়ুলিয়া নদীতে চলে গিয়েছে। এছাড়া ইউনিয়নের বাইনতলা স্লুইস গেট না থাকায় ২০হাজার বিঘা জমির ফসল উৎপাদন মারাত্বক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
    এদিকে সংসদ সদস্য আলহাজ¦ আক্তারুজ্জামান বাবু’র প্রচেষ্টায় অধিক ঝুকিপূর্ন দুটি এলাকার ভাঙ্গন রোধ ও স্লুইস গেট নির্মাণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ দিয়েছে ৫০ কোটি সাড়ে ৪ লাখ টাকা। উন্নয়ন কাজে অর্থায়ন করেছে জাইকা ও বাংলাদেশ সরকার।
    পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধায়নে উন্নয়ন কাজ করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন ইন্টারন্যাশনাল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার জানান এ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খুদখালীতে ৮শ মিটার ও আলমতলার ৭শ মিটার ভাঙ্গন কবলিত স্থানে সিসি বল্ক করা হবে।
    এছাড়া বাইনতলা একটি নতুন স্লুইস গেট নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে, দুই-এক দিনের মধ্যে এমপি মহোদয় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ডাম্পিং কাজের উদ্বোধন করবেন এমন সম্ভবনা রয়েছে। দেড় বছরের মধ্যে উন্নয়ন কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি। উন্নয়ন কাজ শেষ হলে দুটি এলাকার ভাঙ্গন রোধসহ হাজার হাজার বিঘা জমি ফসল উৎপাদনের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সদস্য আলহাজ¦ আক্তারুজ্জামান বাবু।
    দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ভাঙ্গন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংসদ সদস্য আলহাজ¦ আক্তারুজ্জামান বাবু’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দুই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসী।

  • সুজানগরে মাতৃত্ব এবং  শিশু কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও উন্নতিকরণ বিষয়ক ওয়ার্কশপ

    সুজানগরে মাতৃত্ব এবং শিশু কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও উন্নতিকরণ বিষয়ক ওয়ার্কশপ

    এম এ আলিম রিপনঃ যৌন প্রজনন, মাতৃত্ব, নবজাতক, শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যের উন্নতিকরণ প্রকল্পের আওতায় সুজানগরের সরকারি, বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের সাথে উপজেলা পর্যায় ইনসেপশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সুজানগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ রুরালইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (ব্রেড) এর আয়োজনে এবং কোর গ্রুপ,ইউএসএ এর সহযোগিতায় এ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃকর্মকর্তা ডাঃ সানজিদা মজিব।স্বাগত বক্তব্য রাখেন মো.মনিরুল ইসলাম,প্রকল্পসমন্বয়কারী(এসআরএমএনসিএইচ)প্রকল্ড, ব্রেড । অন্যদের মাঝে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো.জিল্লুর রহমান, আহম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া ও নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন। ওয়ার্কশপে সরকারি, বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার, প্রকল্পের ফিল্ড অর্গানাইজার তাহেরা খাতুন,বায়োজিদ বোস্তামী,সাহিদা খাতুন ও এ.এইচ.এ গিফারী উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • নওগায় দুদক-এর দূর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    নওগায় দুদক-এর দূর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    রওশন আরা শিলা,নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় দূর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল১১টা থেকে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে দূর্নীতি দমন কমিশন নওগাঁ সমন্বিত জেলা কার্যালয় ও জেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি।

    বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল প্রতিরোধ নয়, দমনই দূর্নীতি নির্মূলের কার্যকরী উপায়।

    চুড়ান্ত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে কৃষ্ণধন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

    প্রতিযোগিতায় নওগাঁ সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। সেরা বক্তা নির্বাচিত হয়েছে বিজয়ী দল সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দলনেতা আতকিয়া আন্জুম।

    প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর্জা ইমাম উদ্দিন।

    নওগাঁ জেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শক্তিপদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখের দূর্নীতি দমন কমিশন নওগাঁ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুস সালাম এবং নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন।

    এ সময় নওগাঁ সরকারী কৃষ্ণধন উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালযের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, দূর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ, দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সদর উপজেলার মোট ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।#

  • বিভাগীয় কমিশনারের কাছে নওগাঁর সাংবাদিকদের স্মারকলিপি প্রদান

    বিভাগীয় কমিশনারের কাছে নওগাঁর সাংবাদিকদের স্মারকলিপি প্রদান

    রওশন আরা শিলা,নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর পতিসরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬২তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অ-ব্যবস্থাপনা ও সাংবাদিকদের অসম্মানিত করার ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার জিএসএম জাফরউল্লাহ এর হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা। বিভাগীয় কমিশনার স্মারকলিপি গ্রহণ করে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন।
    স্মারকলিপি প্রদানকালে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কায়েস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শফিক ছোটন, নওগাঁ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম নয়ন, জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল করিম, আসাদুর রহমান জয়, মামনূর রশিদ বাবু, এমআর ইসলাম রতন প্রমুখ। দ্রæত সমস্যা নিরসন করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিক নেতারা।
    উল্লেখ্য, গত ৮ মে সোমবার নওগাঁ আত্রাই উপজেলার পতিসরে তিন দিনব্যাপী রবীন্দ্রজয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধনী দিন ছিলো। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ও নওগাঁ জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই দিন সেখানে নওগাঁ জেলা শহর ছাড়াও পার্শ্ববর্তী রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া ও জয়পুরহাটসহ স্থানীয় বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের সাংবদিকগণ সমবেত হোন। তাঁরা পতিসর থেকে রবীণ্দ্র জন্মোৎসবের সাংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশন করতে আসেন। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় এই যে, আয়োজনে অব্যবস্থাপনার কারণে আগত সাংবাদিকরা অ-সম্মানিত হন। অনুষ্ঠানে ওইদিন আগত সকলের জন্য বসার আসনের ব্যবস্থা থাকলেও সাংবাদিকদের বসার কোনো আসন ছিল না। ফলে বাধ্য হয়েই মাটিতে, গাছের গোড়ায় ও অন্যান্য স্থানে বসে, দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান কাভার করতে হয় গণমাধ্যম কর্মীদের।
    তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যা সমাধানে নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের নের্তৃবৃন্দ আয়োজক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয়। পরবর্তীতে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি ও আলোচনা সমালোচনা ছড়িয়ে পরে। এমন ঘটনায় গোটাসাংবাদিক মহল হেয় প্রতিপন্ন হয়েছে।
    ঘটনার প্রতিকার চেয়ে নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবে ৯ মে মঙ্গলবার রাতে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সাংবাদিকদের অ-সম্মানিত করার ঘটনায় নওগাঁ জেলা প্রশাসনকে দায়ি করে প্রতিবাদ ও নিন্দা প্রকাশ করা হয়। একই সাথে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর সমাপনী অনুষ্ঠানসহ নওগাঁ জেলা প্রশাসনের সকল ধরনের অনুষ্ঠান ও সংবাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গৃহীত এই কর্মসূচী চলমান রয়েছে।
    পরবর্তীতে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় সাংবাদিকদের মধ্যে আরো ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১১ মে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবারও নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কায়েস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
    উক্ত সভা থেকে আগামী তিন দিনের (১২ থেকে ১৪ মে) মধ্যে জেলা প্রশাসককে দুঃখ প্রকাশ, ঘটনার সম্মানজনক সমাধান ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহনের দাবি জানানো হয়। সভা শেষে সকলের অবগতির জন্য বিষয়টি বিবৃতি আকারে প্রকাশ করা হয়।
    কিন্তু অতীব দু:খের বিষয় এই যে, আজ অবধি জেলা প্রশাসক উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধানে কোন যথাযথ উদ্যোগ নেননি। এতে তিনি সাংবাদিক মহলের কাছে আস্থাহীন হয়ে পড়েছেন।
    এদিকে সাংবাদিকদের অ-সম্মান করায় স্থানীয় বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়ে নওগাঁ সাংবাদিক ইউনিয়ন, জেলার অপর ১০ টি উপজেলার স্থানীয় প্রেসক্লাব, নাটোর, রাজশাহী, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলা প্রেসক্লাব, বিভিন্ন উপজেলা প্রেসক্লাব, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের আন্দোলন কর্মসূচীর সাথে একাত্বা প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন।
    এরপরও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংকট নিরসনে নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি সমাধানে স্থানীয় সাংবাদিকগণের সমন্বয়ে আপনার নিকট দাবি তুলে ধরা হলো।

    ঘটনার দ্রুত সুষ্ঠ সমাধান করা না হলে শিগগিরিই জেলা প্রশাসকের অপসারণ দাবিতে প্রগতিশীল সাংবাদিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সুধীজনদের সাথে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তাই বিষয়টি অতীব গুরুত্বসহকারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে দাবি জানান।#

  • বিরামপুরে পানিতে ডুবে নিহত শিশু হিমুর পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

    বিরামপুরে পানিতে ডুবে নিহত শিশু হিমুর পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে নিহত চার বছরের শিশু হিমু আক্তারের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিরামপুর উপজেলা প্রশাসন।

    গতকাল দুপুরে উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের সাগাইঘাটা গ্রামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার নিহত শিশু হিমু আক্তারের পিতা হেলাল উদ্দিন ও মা লাবনী আক্তারের নিকট জেলা প্রশাসকের পক্ষে নগদ ২০ হাজার টাকার অর্থ তুলে দেন। এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাওছার আলী, জোতবানী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাওছার আলী বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বরাদ্দকৃত ২০ হাজার টাকার নগদ অর্থ জেলা প্রশাসকের পক্ষে নিহত শিশুটির পিতা-মাতার হাতে প্রদান করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের সাগাইঘাটা গ্রামের চার বছরের শিশু হিমু আক্তার সোমবার (১৫ মে) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে মা লাবনী আক্তারের সঙ্গে বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে পাতা কুড়াতে গিয়েছিল। বাবা হেলাল উদ্দিন মাঠ থেকে ধান কাটার কাজের বিরতিতে বাড়িতে খেতে আসেন। মা লাবনী আক্তার মেয়েকে পুকুরপাড়ে খেলতে দিয়ে বাড়িতে স্বামীকে খেতে দিতে যান। পরে আনুমানিক বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পুকুরপাড়ে এসে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে পুকুরে খোঁজ করেন মা। মেয়েকে পুকুরের পানিতে ডুবে থাকতে দেখে চিৎকার দেন তিনি। পরে মেয়েকে পানি থেকে পুকুরপাড়ে তুললে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

    মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • দীর্ঘ পাঁচ বছর পরে স্বরূপকাঠি কাঠ বাজারের দায়িত্ব পেলো পৌরসভা

    দীর্ঘ পাঁচ বছর পরে স্বরূপকাঠি কাঠ বাজারের দায়িত্ব পেলো পৌরসভা

    আনোয়ার হোসেন
    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি //

    স্বরূপকাঠি পৌরসভা সরকারি বিধি নিধান মেনেই ১৯৯৮সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কাঠ বাজারের ইজারা আদায় করেন।কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী বাজারটি সরকারি তালিকায় গেজেট ভুক্ত হাটবাজারের লিষ্টে না থাকায়। ২০১৮ সালে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার পৌরসভাকে ঐ কাঠ বাজারের ইজারা আদায় বন্ধ করে দেয়। অপরদিকে মেয়র মহোদয় এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, ২০২২সালের ৩১সে মার্চ ভূমি মন্ত্রণালয় কাঠ মহলটি কাঠ বাজার হিসেবে গেজেট ভুক্ত করে চিঠি পৌর সভাকে চিঠি পাঠান । তখন মেয়র মহোদয় কাঠ বাজারটির জেলা প্রশাসক ও বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে পুনরায় ইজারা আদায়ের জন্য আবেদন করেন।কিন্তু হটাৎ করে নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলা প্রশাসক কাঠ মহলটি ইজারার জন্য টেন্ডার আহ্বান করেন। তখন মেয়র মহোদয় কাঠ বাজারটি ফিরে আনার জন্য আইনের আশ্রয় নেয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর ইজারা জটিলতা নিয়ে চলমান মামলায় বিজ্ঞ আদালত বিচার বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ভাবে স্বরূপকাঠি পৌরসভাকে খাস আদায়ের অনুমতি প্রদান করেন।

    গত ১১ই মে বিজ্ঞ আদালত দেওয়ানী কার্যবিধি ৩৯/১/২ অর্ডার অনুযায়ী দরখাস্ত কারির আবেদনর পরিপ্রেক্ষিতে খাজানা আদায়ের অনুমতি প্রদান করেন । এবং মামলাটি চুড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দরপত্র ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতাকে ইজারা প্রদানের নির্দেশ দেয়।ঐ আদেশে আরো উল্লেখ করা হয় উক্ত মকদ্দমাটি চুড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উক্ত কাঠ বাজারের ইজারা লপ্ত অর্থের যোক্তীক আয় ব্যায়ে ও জমার হিসাব তিন মাস পর পর আদালতে দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন ।

    এ দিকে কাঠ বাজার পৌরসভার হস্তগত হওয়ায় স্থানীয় পৌর জনসাধারণ ও ব্যাবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে ফিরে পেয়েছেন তাদের মুখে হাসি দেখা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান,আগে সহকারী কমিশনার এর মাধ্যমে খাজনা আদায় করতো কোন সমস্যা হলে তার কাছে কিছু বলার সুযোগ পেতাম না। এখন পৌরসভা খাজনা আদায় করবে তাদের সাথে মন খুলে কথা বলতে পারবো। আর এক ব্যবসায়ী জানান, এখন পৌর সভার মাধ্যমে খাজনা আদায়ের ফলে এলাকর কিছু উন্নয়ন হবে।কোন সুবিধা অসুবিধা হলে সাথে সাথে মেয়র সাহেবকে জানাতে পারবো।

    স্বরূপকাঠি পৌর সভার মেয়র গোলাম কবির বলেন,এই কাঠ বাজারটি পৌর সভার ১নং ওয়ার্ডে অবস্থিত এটা পৌর সভার ন্যায্য দাবী যেটা পৌর সভা দীর্ঘ দিন যাবত খাজনা আদায় করতো। বাজারটি সরকারি গেজেট ভুক্ত না থাকায় মাঝে কিছু দিন সরকার খাস আদায় করেছে। এখন আল্লাহর রহমতে সেই সমস্যা আর নাই। ভূমি মন্ত্রণালয় এটাকে পৌর এলাকার কাঠ বাজার হিসাবে ঘোষণা করেছেন এবং তাই বিজ্ঞ আদালত গত ১১ই মে বিচার বিশ্লেষণ করে পৌর সভাকে খাজনা আদায়ের অনুমতি প্রদান করেন ।

    উল্লেখ্য নব্বইর দশকের দিকে সরকার যখন সুন্দরীকাঠ কাঠের টেন্ডার দেয়া বন্ধ করে দিলে ব্যবসায়ীরা এর পর থেকে স্বরূপকাঠি সন্ধ্যা নদীর ও শীতলা খালের মোহনায় দেশীয় কাঠের ব্যবসা শুরু করেন । কালের বিবর্তনে দেশীয় কাঠের চাহিদা বেড়ে গেলে কাঠ বাজারটি আস্তে আস্তে সম্প্রসারিত হয়। এখন কাঠ বাজারটি স্বরূপকাঠির সর্ববৃহৎ কাঠের বাজারে পরিনত হয়েছে।

    আনোয়ার হোসেন
    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি।।