Author: desk

  • ইংরেজিতে ছাত্রছাত্রীদের দক্ষ করে তুলতে পানছড়িতে চালু হয়েছে স্পোকেন ইংলিশ কোর্স

    ইংরেজিতে ছাত্রছাত্রীদের দক্ষ করে তুলতে পানছড়িতে চালু হয়েছে স্পোকেন ইংলিশ কোর্স

    মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।

    ইংরেজি আন্তর্জাতিক ভাষা।সারাবিশ্বের মানুষ নিজ মাতৃভাষায় কথা বলার পরে ইংরেজি ভাষায় কথা বলে। তাই বাংলা ও অন্যান্য ভাষার চর্চার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় ছাত্রছাত্রীদের দক্ষ করে তুলতে খাগড়াছড়ির জেলার পানছড়ি উপজেলায় চালু করা হয়েছে স্পোকেন ইংলিশ কোর্স।

    একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ ডিগ্রি ধারী শিক্ষক দ্বারা প্রতি শনিবার ইংরেজি বিষয়ে পাঠদান দেওয়া হয়। শিক্ষক হিসেবে রয়েছেন খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার বিজয়গিরি মেনকা মিশন স্কুলের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী( শিক্ষক) রিকু চাকমা M.A, M.DIV ( দক্ষিণ কোরিয়া) ডিগ্রি প্রাপ্ত।

    প্রাথমিক শ্রেনি থেকে অনার্স-মাস্টার্স পর্যন্ত আলাদা আলাদা ব্যাজে ইংলিশ কোর্স করান তিনি।পরিচালনায়: সাংবাদিক মিঠুন সাহা পানছড়ি,খাগড়াছড়ি। স্থান: অনির্বাণ শিল্পীগোষ্ঠী কার্যালয়(সদর ইউনিয়ন পরিষদের পাশে) ভর্তি ও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: 01646674607 / 01818224684।

  • লক্ষ্মীপুরে যুবলীগের শান্তি সমাবেশ

    লক্ষ্মীপুরে যুবলীগের শান্তি সমাবেশ

    নাজিম উদ্দিন রানা :
    বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল খান নিখিল এর নির্দেশে দেশব্যাপী বিএনপি- জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবলীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বি এন পি – জামাতের দেশব্যাপী সন্ত্রাস নৈরাজ্যের প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে শান্তি সমাবেশ মিছিল মিটিং করেছেন যুবলীগ নেতারা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই মিটিং মিছিলে নের্তৃত্ব দেন জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বায়েজিদ ভূঁইয়া।

    শনিবার বিকালে শান্তি সমাবেশ মিছিলটি লক্ষীপুর শহরের পল্লী বিদ্যুৎ থেকে আরম্ভ হয়ে ঝুমুর এলাকা এসে শেষ হয়।উক্ত শান্তি সমাবেশ মিছিল মিটিং এ প্রায় পাঁচশতাধিক নেতাকর্মি উপস্থিত ছিলেন।

    জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক বায়েজিদ ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা ও বতর্মান পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, জালাল উদ্দীন রুমি পাটওয়ারী, সাবেক থানা ছাএলীগের আহব্বায়ক,গোফরান বাবু,রায়পুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম -আহব্বায়ক শাকিল প্রমুখ।

  • গোপালগঞ্জের চাঞ্চল্যকর মফিজুর হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার-২

    গোপালগঞ্জের চাঞ্চল্যকর মফিজুর হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার-২

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার চাঞ্চল্যকর মফিজুর হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র ্যাব-৬।

    আজ শুক্রবার (১৯ মে) ঢাকা মহানগরীর গেন্ডারিয়া এবং মিরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা এদের গ্রেপ্তার করা হয়।

    র‍্যাব-৬ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সিরাজ শেখ (৫৫) ও মো: হাচান শেখ (২২)।

    র‍্যাব-৬ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে নিহত মো: মফিজুর রহমানের সাথে গ্রেফতারকৃত সিরাজ শেখের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো।

    এর জের ধরে গত ২৬ এপ্রিল আসামী সিরাজ শেখ ও তার ছেলে হাচান শেখসহ সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে মো: মফিজুর রহমানকে এলোপাথারিভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তাঁর সাত মাসের অন্তঃস্ত্ত্বা স্ত্রী বাঁচাতে গেলে আসামীরা তাকেও মারধর করে।

    পরে স্থানীয় লোকজন মো: মফিজুর রহমান ও তার স্ত্রীকে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৫ মে মফিজুর রহমান মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    পরে র‌্যাব-৬ ও র‍্যাব-৪ এর একটি যৌথ চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগরীর গেন্ডারিয়া এবং মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামী সিরাজ শেখ ও মো: হাচান শেখকে গ্রেফতার করে।

    র‌্যাব-৬ আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে।

  • ১০৪দিন সাগর-সুন্দরবনে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, সুন্দরবনে ৯২ দিন পর্যটনবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ

    ১০৪দিন সাগর-সুন্দরবনে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, সুন্দরবনে ৯২ দিন পর্যটনবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ

    মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি :
    মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ২০মে থেকে বঙ্গোপসাগরে ও সুন্দরবনে সকল ধরণের মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য অধিদপ্তর এবং বনবিভাগ। ফলে ২৩জুলাই পর্যন্ত সাগরে ও ৩১আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ শিকার করতে পারবেন না জেলেরা। এছাড়া প্রজনন মৌসুম নির্বিঘ্ন রাখতে ১লা জুন থেকে ৩১আগস্ট পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে সুন্দরবনে পর্যটনবাহী নৌযান চলাচলও। তাতে তিন মাস বন্ধ থাকবে সুন্দরবনে পর্যটকদের আগমন-ভ্রমণও। বছরের বিভিন্ন সময়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগের নিষেধাজ্ঞার কারণে জেলেরা মাছ ধরতে পারেননা সাগর এবং সুন্দরবনে। তারমধ্যে আবার দুযোর্গ তো রয়েছেই। ফলে বছরের বেশির ভাগ সময়টা কাটে উপকূলের জেলেদের খেয়ে, না খেয়েই। তাই জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানসহ নিষেধাজ্ঞা চলাকালে পরিবারপরিজন নিয়ে বেঁচে থাকার মত সরকারী সাহায্য পাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন উপকূলের জেলেরা। কোন সাহায্য সহযোগীতা না পাওয়া বেশির ভাগ জেলেদেরকে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জীবনজীবিকার তাগিদে ঝুঁকি নিয়ে নেমে পড়তে হয় সাগর-সুন্দরবনে। উপকূলের জেলেদেরকে সরকারী সাহায্য সহযোগীতার ব্যবস্থা করা গেলে প্রজনন মৌসুম যেমনি নির্বিঘ্ন হবে, তেমনি মাছ ও বন্যপ্রাণীর সংখ্যাও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মোংলার চিলা ও কলাতলা এলাকার সমুদ্রগামী এবং সুন্দরবন নির্ভরশীল জেলে ইয়াসিন সরদার, সোবহান শেখ, মোহন বাছাড় ও ফারুক শেখ বলেন, বছরের বিভিন্ন সময়ে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকে। যখন একটু মাছ ধরার সময় পাই তখন আবার থাকে ঝড়-জ্বলোচ্ছাস। বেশির ভাগ সময়ই নৌকা, জাল নিয়ে ঘাটে বসে থাকতে হয়। মহাজনের কাছ থেকে দাদন/ঋণ নিয়ে নৌকা ও জাল মেরামত/তৈরি করেছি। যাও মাছ পোনা হতো মহাজনকে কম-বেশি দিয়ে কোন রকম সংসার চলতো। এখন তিন মাসেরও বেশি সময়ের এ নিষেধাজ্ঞায় আমাদের তো না খেয়ে মরতে হবে। আমাদের তো জাল ধরা ছাড়া অন্য কোন আয়ের পথ নেই। কোন কাজ কামও নেই যে তা করে খাবো। সরকার যদি আমাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও সাহায্য সহযোগী করে তাহলে কোন রকম বেঁচে থাকতে পারবো বলে জানান তারা।
    উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, ৪৭৫প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ২০মে থেকে ২৩শে জুলাই পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন মৎস্য অধিদপ্তর। এই সময়টাতে কোনভাবেই জেলেরা সমুদ্রে মাছ আহরণ করতে পারবেন না। নিষেধাজ্ঞার এ সময়ে সমুদ্রগামী নিবন্ধিত ২হাজার ৬৪০জন জেলের প্রত্যেককে দুই দফায় দেয়া হবে ৮৬কেজি করে চাল। তবে এখানে নিবন্ধিত ছাড়াও সমুদ্রগামী আরো জেলে রয়েছেন আড়াই হাজার। তাদের ভাগ্যে জুটবেনা এ সহায়তা। মোংলায় সমুদ্রগামী জেলে রয়েছে ৫সহস্রাধিক আর সুন্দরবন নির্ভরশীল জেলে রয়েছেন ৫হাজার। ফলে ১০সহস্রাধিক জেলেকে এই নিষেধাজ্ঞাকালে মাছ শিকার থেকে বিরত থাকতে হবে। সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, ২০মে থেকে মৎস্য অধিদপ্তরের জারিকৃত সাগরে নিষেধাজ্ঞার সাথে বনবিভাগেরও একাত্মতায় মাছ ধরা বন্ধ থাকবে সুন্দরবনেও। এছাড়া ১লা জুন থেকে ৩১আগস্ট পর্যন্ত মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুম হওয়াতে এই সময়েও সুন্দরবনের নদী-খালে কোন প্রকার মাছ শিকার করতে পারবেন না জেলেরা। সেই সাথে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে বন্ধ থাকবে সুন্দরবনে পর্যটনবাহী নৌযান চলাচলও। কারণ নৌযান চলাচলে মাছের প্রজনন এলাকা ক্ষতিগ্রস্থ ও নৌযানের বিকট শব্দে বন্যপ্রাণীর বিচরণসহ প্রজনন কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়ে থাকে। তাই সুন্দরবনে জেলে ও পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ থাকে তিন মাস ধরেই।

  • বাগেরহাট উপজেলা প্রেসক্লাব পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে গভীর  শ্রদ্ধা নিবেদন

    বাগেরহাট উপজেলা প্রেসক্লাব পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাগেরহাট উপজেলা প্রেসক্লা নেতৃবৃন্দু।শুক্রবার (১৯ মে) বিকালে গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ,সমাধিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও গভীর শ্রদ্ধা জানান বাগেরহাট উপজেলা প্রেসক্লাব পক্ষ থেকে । সমাধিতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মাসুম হাওলাদার সভাপতি বাগেরহাট উপজেলা প্রেসক্লাব ,সাধারণ সম্পাদক এস,এম,জাহাঙ্গীর কবির, সহ-সভাপতি আজাদ রশিদী, সঞ্জীব কুমার দাস সহ সাধারণ সম্পাদক,অর্থ সম্পাদক তানভীর সোহেল, দপ্তর সম্পাদক সোহরাব হোসেন রতন, মোঃ শহিদুল ইসলাম তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক, ক্রিয়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক খান মাহবুবুর রহমান বাদল, বাগেরহাট উপজেলা প্রেসক্লাব এর কার্যনির্বাহী সদস্য জুালিয়ান জয় ,মোঃ মজনু শেখ .এনাম খান, মোঃ মনিরুজ্জামান , শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাগেরহাট উপজেলা প্রেসক্লাব এর পক্ষ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ ই আগষ্টে তার পরিবারের শহীদ সকল সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

  • ময়মনসিংহে রওশনের হাতকে শক্তিশালী করতে  জাতীয় পার্টির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ময়মনসিংহে রওশনের হাতকে শক্তিশালী করতে জাতীয় পার্টির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও ময়মনসিংহ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির হাতকে শক্তিশালী করতে তার নেতৃত্বে জাতীয় পার্টিকে সাংগঠনিক ভাবে আরো এগিয়ে নিয়ে সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৯ মে শুক্রবার বিকালে জাতীয় পাটির সুন্দর মহলস্থ কার্য্যলয়ে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম কে বেগবান করতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়ে ইউনিয়ন কমিটিগুলোকে শক্তিশালী করণে নির্বাচনের আগেই প্রতিটি ইউনিয়ন কমিটির সম্মেলন করার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান সভার প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও ময়মনসিংহ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্থ আস্থাভাজন আব্দুল আউয়াল সেলিম।
    এসময় তিনি-আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেগম রওশন এরশাদকে বিজয়ী করার জন্য সদর উপজেলা জাতীয় পাটির ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহবান জানান। নেতৃবৃন্দকে তিনি বলেন-আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হতে হলে আমাদের কে দলের কর্মী বৃদ্ধি করতে হবে। প্রয়োজনে প্রতিটি বোট কেন্দ্রের আশপাশে কেন্দ্র কমিটি করতে হবে। একটা বোট কেন্দ্রে ১শত কর্মী হলে ইউনিয়নে প্রায় ১হাজার কর্মী বৃদ্ধি পাবে। আমাদের এভাবে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা আগামী নির্বাচনে আমাদের দলের কর্মীর বাইরে আর কারো উপর ভরসা করবো না। তাই এখন থেকেই আমাদের প্রস্তুত হতে হবে।

    সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকারের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন এর সঞ্চালনায় সবায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক সাবেক কাউন্সিলর আব্বাস আলী তালুকদার, লাল মিয়া লাল্টু, সাব্বির হোসেন বিল্লাল,,জাতীয় পার্টি সদর উপজেলার সম্মানিত সদস্য মেজবাহ উদ্দিন মন্ডল,যুগ্ম যুগ্ন আহবায়ক মোঃ মকবুল হোসেন, লিয়াকত আলী, রেজাউল করিম লাল মিয়া, আবু বকর সিদ্দিক, মোশারফ হোসেন, হাছান মাহমুদ, ভাবখালীর সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রমজান আলী, আব্দুর রহমান, এমদাদুল হক লিটন, আজিজুল ইসলাম মেম্বার, নুরুল ইসলাম,কাওছার আহমেদ, হুসাইন মোহাম্মদ সরোয়ার সরকার প্রমুখ।
    এসনয় বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত জাতীয় পার্টি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

  • কালকিনিতে অবৈধ মাহিন্দ্র ট্রাক্টরের ধাক্কায় নিহত এক জন

    কালকিনিতে অবৈধ মাহিন্দ্র ট্রাক্টরের ধাক্কায় নিহত এক জন

    রতন দে, মাদারীপুর প্রতিনিধি।
    মাদারীপুর কালকিনিতে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটের সময় কালকিনি পৌর মাছ বাজার সংলগ্ন ভ্যানে বাড়ী যাওয়ার উদ্দেশ্য বসা ছিল কৃষক মোঃ হেমায়েত হাওলাদার (৪৮) নামের একজন, বেপরোয়া মাহিন্দ্র ধাক্কা দিলে ঘটনা স্থানে মারা যান তিনি।পৌর ২নং ওয়ার্ড দক্ষিণ ঠেঙ্গামারা মৃত মোঃ হানিফ হাওলাদারের ছেলে।
    কালকিনি থানার তদন্ত (ওসি) জানান, মাটিবাহী অবৈধ মাহিন্দ্রা ট্রাক্টরটি বেপরোয়া গতিতে যাওয়ার সময় হেমায়েতকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায় চালক। এ সময় স্থানীয়রা উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত্য ঘোষনা করেন। অবৈধ মাহিন্দ্র ট্রাক্টরসহ মালিককে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন।

  • আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক অপহরণ-খুন, অপরাধীদের আশ্রয় দাতা কারা

    আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক অপহরণ-খুন, অপরাধীদের আশ্রয় দাতা কারা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক অপহরণ-খুন: অপরাধীদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা কারা? এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে তারা। ভাইয়ের হাতে ভাই, ছেলের হাতে বাবা মা, শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষক, বন্ধুদের হাতে বন্ধু হত্যার মতো ঘটনা ঘটছে। এই অপরাধের দায় কারা নিবে?। বিশেষ করে বাংলাদেশ পুলিশ ও র‌্যাব দুই-চারজনকে আটক করলেও তারা অনেকেই আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও সেই অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে।
    জানা গেছে, আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার রূপায়ন আবাসন ১-এর মাঠের ভেতরে মাঝে মধ্যে গভীর রাতে গুলির শব্দ শুনে আতঙ্কিত হয় এলাকাবাসী। প্রশ্ন: এই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ভয়ে আশপাশের এলাকার মানুষ রাতে বাহিরে বেড় হতে সাহস করে না। এর আগে ১৬ বছরের নাজমা গণধর্ষণের শিকার হয়ে মারা যায়, এরপর আশুলিয়ার চিত্রশাইল হাজী ইউনুছ আলী কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে নির্মমভাবে কাঠের ষ্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় উজ্জল মিয়ার বখাটে ছেলে কিশোর গ্যাং প্রধান আশরাফুল আহসান ওরফে জিতু দাদা। এই মামলায় পিতা পুত্র গ্রেফতার হলেও কিশোর অপরাধ থেমে নেই এলাকায়। অনেকেই জানান, আশুলিয়ায় মাঝে মধ্যে রূপায়ন মাঠের ভেতরে গার্মেন্টসের শ্রমিকদের মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পোশাক কারখানায় ৫-৭ ও ১০ তারিখে বেতন দেওয়া হলেই ওই মাঠে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের বেশি আড্ডা লক্ষ্য করা যায় বলে স্থানীয়রা জানান।
    ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ায় বেশিরভাগ মানুষ বহিরাগত, শিক্ষার্থীসহ উঠতি বয়সের কিশোরদের সাথে মিলিত হয়ে গঠন করেছে বিভিন্ন গ্রুপ ও বাহিনী কিশোর গ্যাং, দাদা গ্রুপ, ৫ স্টার, ৭ স্টার ও বড় ভাই গ্রুপ ইত্যাদি। যাদের বয়স ১২ থেকে ১৮ বছর বা তার চেয়ে কম বা বেশি। সূত্রমতে আশুলিয়া থানাধীন ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল, পাবনারটেক, রূপায়ন আবাসন ১ এর মাঠ, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া, বটতলা, গফুর মন্ডল স্কুলের আশপাশের এলাকা, বেরণ ছয়তালা, চিত্রশাইল, ঘোষবাগ, বাগানবাড়ি, ইউসুফ মার্কেট, ইয়ারপুর গ্রাম, বাগবাড়ি, নরসিংহপুর, আশুলিয়া ইউনিয়নের জিরাবো বাগানবাড়ি, পুরাতন আশুলিয়া, অন্যদিকে কাঠগড়া, তেতুলতলা, কাঁঠালতলা ও চিত্রশাইল, মানিকগঞ্জ পাড়া, গাজিররচট, বগাবাড়ি, বাইপাইল, এনায়েতপুর, শ্রীপুর এবং শিমুলিয়া ইউনিয়নের জিরানি বাজার থেকে আমতলা পর্যন্ত উক্ত কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনী ও গ্রুপ তৈরি করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই বলেন, এসব কিশোর গ্যাং ও বাহিনীর লিডার থাকলেও বরাবরই তারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। একজন সদস্যকে মোবাইল ফোনে খবর দিলেই মোটরসাইকেল নিয়ে ১০থেকে ২০মিনিটের মধ্যে ৩০-৪০জন হাজির হয়ে দলবেঁধে তাদের অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে থাকে। তাদের কাজে কেউ বাঁধা দিলে তাকে মারপিট করে, এমনকি হত্যার মতো ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তারা।
    জানা গেছে, এর আগে গত বছরে ধামসোনা ইউপি’র ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বারের বাড়িসহ ভাদাইল এলাকায় প্রায় শতাধিক যুবক মোটরসাইকেল যোগে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করতে গেলে স্থানীয় সাদেক ভুঁইয়া মেম্বার ও তার লোকজন মসজিদের মাইকে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষণা দিলে তাদেরকে গণপিটুনি দেয় জনগণ। এই বাহিনীর বেশিরভাগ ছেলেদের বয়স ১৬ থেকে ২২ বছর হবে বলে স্থানীয়রা জানান। এ ব্যাপারে অনেকেই বলেছেন যে, ঝুট ব্যবসা নিয়ে আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার গ্রুপ ও সাদেক হোসেন ভুঁইয়া মেম্বার গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এ ব্যাপারে একাধিক মামলা করা হয়েছে বলে থানা পুলিশ জানায়।
    র‌্যাব জানায়, অপহরণকারী বা কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী বা অপরাধী সে যেই হোক না কেন, তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। অনেক অভিযোগ ও মামলার মিমাংসা করার অভিযোগ উঠেছে কিছু পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি কেউ মিমাংসা করলে আমাদের করার কিছু থাকে না।
    র‌্যাব-১ এর বিশেষ শাখার আভিযানিক দলের এক সদস্য জানান, আশুলিয়ায় অপহরণ হত্যাসহ বড় ধরণের অপরাধের সাথে জড়িতদের আটক করতে আমরা কাজ করছি, এর আগে বেশিরভাগ ধর্ষণকারী ও হত্যাকারীদের আমরা আটক করেছি। তবে আশুলিয়ার জামগড়ায় ইদ্রিস কাজীর ৫ম তলা বাড়ির ৩য় তলায় যে হত্যাকান্ডটি ঘটেছে, এই ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ এর বিশেষ একটি দল।
    র‌্যাব-৪ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৮ মে ২০২৩ইং) তারিখে বিকেল ৪টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন শ্রীপুর মোজারমিল এলাকার একটি পুকুর থেকে এক যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভিকটিম মোঃ ফারাবী আহমেদ হৃদয় (২১) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র এবং স্থানীয় মোঃ ফজলুল হক মিয়ার বড় ছেলে হৃদয়। গত ৮ মে ২০২৩ইং জামগড়া নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে ভিকটিম হৃদয় নিখোঁজ ছিলেন। জানা যায়, কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী মোঃ ময়েজ হোসেন পরাণ (২২)সহ ৪-৫ জন তাকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে না পেয়ে তাকে হত্যা করে। ওইদিন বিকালেই হৃদয়কে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য বস্তাবন্দি করে শ্রীপুর এলাকায় নিয়ে একটি পুকুরে ফেলে দেয়, দুইদিন পর লাশ ভেসে উঠলে আবার তারা ৮টি ইট বস্তার ভেতরে দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়, যাতে লাশ না দেখা যায়। এর একপর্যায়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ও র‌্যাব একজনকে আটক করে তার তথ্যের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার ও পৃথক স্থান থেকে মোট ৪জনকে আটক করেন র‌্যাব-৪ এর চৌকস একটি দল। লাশ ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠে হৃদয় এর জানাজা শেষে দাফন করা হয়। জনগণের প্রশ্ন এই অপহরণ-হত্যার ঘটনা রাজনৈতিক বিবাদ হতে পারে, র‌্যাব ও পুলিশ বলছেন, এ ব্যাপারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে আরো কেউ জড়িত থাকলে তাদেরকেও আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে। কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন আস্তানা রয়েছে, তারা অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক লিডারের ছত্রছাঁয়ায় কাজ করছেন। কারা আছে এই কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের দলে? কারা তাদের প্রকৃত লিডার? এ বিষয়ে পুলিশ ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরাসহ সচেতন মহল।

  • সুজানগরে বাংলাদেশ বেতারের ‘তারুণ্যের কন্ঠ’ অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে বাংলাদেশ বেতারের ‘তারুণ্যের কন্ঠ’ অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ বেতারের তারুণ্যের কন্ঠ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বাল্য বিয়ের কুফল ও প্রতিরোধের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ বেতারের জনসংখ্যা স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সজীব দত্ত এর স ালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম। তারুণ্যের কন্ঠ অনুষ্ঠানে সুজানগর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ দিল আফরোজ, সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, এন এ কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান জর্জ, দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপনসহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম বলেন, বাল্য বিবাহ আমাদের জন্য অভিশাপ,তাই আমাদের সবার উচিত বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি করা। আমি মনে করি এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী তরুণ-তরুণী বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেষ্ট হবে এবং বাংলাদেশ বেতারের শ্রোতা ও অভিভাবকগণ এ বিষয়ে সচেতন হবেন। উপস্থাপক সজীব দত্ত জানান, অনুষ্ঠানটি গত আট বছর ধরে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আই.ই.এম ইউনিটের আর্থিক সহযোগিতায় জনসংখ্যা স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেল বাংলাদেশ বেতার সারাদেশে আয়োজন করে চলেছে। সুজানগরের এই অনুষ্ঠানটি আগামী ০৩ জুন শনিবার রাত ০৮ টা ১০ মিনিটে পরিচালক মোঃ বশির উদ্দীনের নির্দেশনায়, উপ পরিচালক মোঃ আমিরুল ইসলামের তত্বাবধানে এবং সহকারী পরিচালক তোফাজ্জল হোসেনের প্রযোজনায় বাংলাদেশ বেতার ঢাকা ক ও এফ এম ১০৬ মেগাহার্টজ এ তারুণ্যের কন্ঠ প্রচার হবে।

    এম,এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

    সুজানগরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মো.ইসলাম হোসেন(৩৭) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটার দিকে উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়নের কেষ্টপুর গ্রামে মো.শাহজাহান আলীর বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইসলাম হোসেন পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের বান্নাইপাড়া এলাকার মৃত জামিল হোসেনের ছেলে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, রাজমিস্ত্রীর কাজ করার জন্য কেষ্টপুর গ্রামে মো.শাহজাহান আলীর বাড়ীতে গেলে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ইসলাম। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। উল্লেখ্য নিহত ইসলাম হোসেন এক সময় ফুটবলের অভিজ্ঞ ও দক্ষ গোলকিপার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তার মৃত্যুতে ফুটবল ভক্তসহ এলাকার সকলের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।