Author: desk

  • আগৈলঝাড়ায় মাদক ব্যবসায়ী  রবীন বাড়ৈকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার

    আগৈলঝাড়ায় মাদক ব্যবসায়ী রবীন বাড়ৈকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ইয়াবা বিক্রির সময় বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। থানায় মামলা দিয়ে সোমবার সকালে গ্রেফতাকৃত মাদক ব্যবসায়িকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ।
    আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ মাজহারুল ইসলাম আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বি এম মনির হোসেনকে জাানান, রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এসআই মিল্টন মন্ডল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ২নং ব্রীজ এলাকায় এক ব্যবসায়ি মাদক বিক্রির জন্য অপেক্ষায় থাকার খবর পায়। খবর পেয়ে সেখানে মাদক দ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে বাকাল গ্রামের বিনয় বাড়ৈর ছেলে মাদক ব্যবসায়ি রবীন বাড়ৈকে (২০) দশ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় এসআই মিল্টন মন্ডল বাদী হয়ে রবিবার রাতে রবীন বাড়ৈকে আসামী করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছে, নং-১৬(২৮.৫.২৩)। ২৯মে সোমবার সকালে গ্রেফতারকৃত রবীনকে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • পানছড়ি বাজার উন্নয়ন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    পানছড়ি বাজার উন্নয়ন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    খাগড়াছড়ির পানছড়িতে বাজার উন্নয়ন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২৯ মে) রাত ৮ টার সময় আমিন শরীফ সওদাগরের মার্কেটের সামনে পানছড়ি বাজার উন্নয়ন কমিটি এর আহ্বায়ক কমিটির আয়োজনে এই আলোচনা সভা সম্পন্ন হয়।

    এতে ব্যবসায়ী মোঃইউসুফ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পানছড়ি বাজার উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও পানছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুল মোমিন,,বাজার উন্নয়ন কমিটির সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট মুরব্বি আমিন শরীফ সওদাগর ,বিশিষ্ট মুরব্বি ও ব্যবসায়ী আহাম্মদ ছৈয়দ , জয় প্রসাদ দেব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ,বাজার উন্নয়ন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার দেব,প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সদস্য জয়নাথ দেব,সাবেক সেক্রেটারি আবুল কাশেম, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উচিত মনি চাকমা,সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নাজির হোসেন,৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসিফ করিম।

    এই সময় বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী মনির হোসেন, মোহাম্মদ হোসেন সহ চার শতাধিক বাজার ব্যবসায়ীগণ উপস্থিত ছিলেন।

    মুক্ত আলোচনা সভায় আগামী ঈদুল আজহার পূর্বে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

  • দুদকের উদ্যোগে সুজানগরে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    দুদকের উদ্যোগে সুজানগরে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ রুখবো দুর্নীতি,গড়বো দেশ হবে সোনার বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে নিয়ে পাবনার সুজানগরে শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতার উন্নয়ন ও উত্তম চর্চার বিকাশের প্রয়াসে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনা ও সুজানগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার(২৯ মে) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বিতার্কিকগন অংশগ্রহণ করে। চূড়ান্ত পর্বে বিতর্কের বিষয়বস্তু ছিল ‘দুর্নীতি দমনে প্রতিকার নয়, প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা। বিষয়বস্তুর পক্ষে অংশগ্রহণ করে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার শোভন। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ কানিজ ফারজানা, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন ও সরকারি ডাঃ জহুরুল কামাল ডিগ্রি অনার্স কলেজের প্রভাষক শ্রী ছন্দা সরকার। প্রতিযোগিতা শেষে সুজানগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপনের স ালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম ও দুর্নীতি দমন কমিশন,সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক ফেরদৌস রায়হান বকসী। অনুষ্ঠানে সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী, মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) শ্রী দিলীপ কুমার, সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ সভাপতি জালাল উদ্দিন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান জর্জ, যায়যায়দিন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এম, মনিরুজ্জামানসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। সবাই সচেতন হলেই কেবল দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব। দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে না পারলেও দুর্নীতিবাজকে ঘৃণা করে দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব। আর তাহলেই সুন্দরভাবে আমাদের এই বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দুর্নীতি দমন কমিশন,সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক ফেরদৌস রায়হান বকসী বলেন,ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন দুর্নীতির কালো ছাঁয়ার কড়াল গ্রাসে না পড়ে সেই লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই দুর্নীতি বিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে। প্রসঙ্গত, সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম মাধ্যমিক বিদ্যালয়,সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়,সাতবাড়ীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও তাতীবন্দ উচ্চ বিদ্যালয়সহ উপজেলার মোট ০৮টি বিদ্যালয়ের ৩ জন করে শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • নওগাঁয় ৪৪ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্বোধন

    নওগাঁয় ৪৪ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্বোধন

    রওশন আরা শিলা, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ- “ ইন্টারনেটে আসক্তির ক্ষতি” প্রতিপাদ্য নিয়ে জেলার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ,নওগাঁ চত্বরে সোমবার (29 মে) শুরু হয়েছে দুই দিন ব্যাপী 44তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং 7ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-2023। সকাল এগারো টায় নওগাঁ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ,নওগাঁ চত্বরে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নওগাঁ-5 আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন জলিল জন। মেলায় পঁচিশটি স্টল স্থান পেয়েছে। মেলায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ইব্রাহিম, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক পিপিএম বিপিএম,নির্বাহী প্রকৌশলী নেসজে লিঃ তানজিমুল হক,সহকারী কমিশনার( নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট) ইকবাল হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ লুৎফর রহমান,নওগাঁ সরকারী কলেজের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি নিজাম উদ্দিন জলিল জন বলেন, বিভ্ন্নি স্কুল ও কলেজ পর্যায় এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে যারা বিজ্ঞান নিয়ে চর্চা করেন তারা এখানে অংশ গ্রহন করেছেন। এর মধ্যে দিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুল বা কলেজে যে সব থিউরি শিখছে সেটার আলোকে অথবা নিজেদের উদ্বাবনীমূলক যেসব চিন্তা চেতনা আছে সেটা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট এখানে নিয়ে এসছে। এর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীদের আরো বিজ্ঞান ভিত্তিক বিষয় বস্ত উদ্বাবন করতে সহযোগিতা করবে।বক্তব্য শেষে প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথিগন স্টলগুলো পরির্দশন করেন।#

  • পঞ্চগড়ে চাকরির দেওয়ার কথা বলে  ৯ লক্ষ টাকা নিলেন গ্রাম পুলিশ ও মহিলা ইউপি সদস্য

    পঞ্চগড়ে চাকরির দেওয়ার কথা বলে ৯ লক্ষ টাকা নিলেন গ্রাম পুলিশ ও মহিলা ইউপি সদস্য

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    চাকুরী দেয়ার নাম করে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ৩ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ আকবর আলী ও মহিলা সদস্য রৌশন আরার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীর পরিবারের কাছ থেকে ৯ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
    জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হিসাব সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর পদের জন্য তৎকালীন জেলা প্রশাসক ও বর্তমান যুগ্নসচিব সাবিনা ইয়াসমিনের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া যোগদান পত্র দিয়ে এই টাকা হাতিয়ে নেয় তারা।
    গত ২৫ মে মকবুলার রহমান সরকারি কলেজের স্নাতক সম্মান ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিতভাবে এই অভিযোগ করেছে।
    অভিযোগে জানা যায় ওই ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি মহিলা সদস্য রৌশন আরা গত মার্চ মাসে গ্রামীণ আত্বিয়তার সূত্র ধরে হাবিবুর রহমানকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকুরীর ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দেয়। এসময় ওই গ্রাম পুলিশকেও ফোনে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে গ্রাম পুলিশ আকবর আলী ডিসি অফিসে চাকুরী দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। চাকুরির জন্য তিনি ৯ লক্ষ টাকা দেয়ার কথা বলে। সবকিছু শুনে হাবিবুর রহমান ঘুষ দিতে অস্বিকৃতি জানায়।
    পরে মহিলা সদস্য ও গ্রাম পুলিশ মিলে হাবিবুরের বাবা হবিবর রহমান সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করেন। তারা ১ মাসের মধ্যে চাকুরী দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। চাকুরীর লোভ সামলাতে না পেরে ৯ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে সম্মতি প্রদান করে পরিবারের সদস্যরা। এদিকে ১৫ দিনের মধ্যে ৩ কিস্তিতে মোট ৯ লক্ষ টাকা রৌশন আরা ও আকবর আলীকে প্রদান করেন।
    টাকা নেয়ার পর আকবর আলী দু একবার হাবিবুরকে ডিসি অফিসে নিয়ে এলেও উপরতলায় নিয়ে যায়নি। এভাবে এক মাস কেটে গেলেও চাকুরীর কোন ব্যবস্থা নাই দেখে হাবিবুরের সন্দেহ হয়।
    পরে সে এবং তার পরিবারের সদস্যরা চাকুরীর জন্য ওই মহিলা সদস্যকে চাপ দেয়। তিন মাস পর ২০২২ সালের ২ জুন একটি যোগদানপত্র হাবিবুরকে ধরিয়ে দেয়া হয় তারা। ওই যোগদান পত্রে সাবেক জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিনের স্বাক্ষর দেখে হাবিবুর রহমান বুঝতে পারে সে প্রতারনার স্বীকার । কারণ এ সময়ে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত জহুরুল ইসলাম।
    সাবেক জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন সচিবালয়ে যুগ্নসচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। যোগদান পত্রে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালকের স্বাক্ষরও জাল করা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদ করিম সিদ্দিকীর কাছে বিচার প্রার্থনা করে হাবিবুর রাহমান ও তার পরিবার। বিচার সালিসে গ্রাম পুলিশ আকবর আলী ও রৌশনারা বিষয়টি স্বীকার করেন এবং টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তারা একটি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প্যে টাকা ফেরতের অঙ্গিকারনামাও দেয়।
    এবছরের গত মার্চ মাসে টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত টাকা ফেরত দেয়নি তারা। হাবিবুর রহমান জানায় আমি কৃষকের সন্তান। আমার বাবা গম ভুট্টা বিক্রী করে এসব টাকা দিয়েছি। আমার সম্মতি ছিলনা। কিন্তু বাবা চেয়েছিলেন আমার একটা চাকুরী হোক। কিন্তু এই দুই প্রতারক আমাদের সাথে ভয়ানক প্রতারনা করেছে। আমার কাছে ফোন রেকর্ড থেকে শুরু করে সকল ধরনের তথ্য প্রমাণ রয়েছে। আমি তদন্ত সাপেক্ষে বিচার চাই।
    গ্রামপুলিশ আকবর আলী ঘটনা স্বীকার করে জানান, মহিলা সদস্য রৌশন আরা আমাকে ডেকে নিয়ে আমাকে দেখিয়ে হাবিরের কাছে টাকা নেয়। তবে ০৯ লক্ষ টাকার মধ্যে ০৪ লক্ষ টাকা আমি নিয়েছি। বাকি টাকা মহিলা মেম্বারনি নিছে। আমি সব টাকা দিব কেন? আমি যেটা নিয়েছি সেটা ফেরত দিব।
    মহিলা সদস্য রৌশন আরা জানান, আকবর আলী (গ্রাম পুলিশ) ও তার কথিত মামা পরিচয়ের আনোয়ারুল হক নামের এক ব্যাক্তি সব টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে সমস্ত টাকা পরিশোধ করবে বলে অঙ্গিকারও করেছে। আমি কোন টাকা নেইনি।
    তেঁতুলিয়া উপজেলার ৩ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ করিম সিদ্দিকী বলেন, তারা দুজনেই ঘটনা স্বীকার করেছে। কিন্তু আকবর আলীকে বার বার বলার পরও সে টাকা ফেরত দিচ্ছে না। পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
    এ বিষয়ে পঞ্চগড় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আজাদ জাহান বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • কুড়িগ্রামে আনসার ভিডিপি’র ই-গভর্ন্যান্স বাস্তবায়নে ডি-নথি বিষয়ক দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    কুড়িগ্রামে আনসার ভিডিপি’র ই-গভর্ন্যান্স বাস্তবায়নে ডি-নথি বিষয়ক দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    জি এম রাঙ্গা।।

    ২৯ মে সোমবার কুড়িগ্রাম জেলা আনসার ও ভিডিপি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আনসার ও ভিডিপি রংপুর রেঞ্জের গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, রংপুর, লালমনিরহাট জেলা দপ্তর ও ব্যাটালিয়নের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী ও বিভিন্ন পদবীর ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ)-এর আওতাধীন ই-গভর্ন্যান্স বাস্তবায়নে দিনব্যাপি “ডি-নথি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা” অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন রংপুর রেঞ্জের সার্কেল অ্যাডজুট্যান্ট মাহবুব উজ জামান।

    উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনসার ও ভিডিপি রংপুর রেঞ্জের পরিচালক মোঃ আব্দুস সামাদ, বিভিএম, পিভিএমএস।

    প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “জাতির জনকের স্বপ্ন ছিলো সোনার বাংলাদেশ গড়া। জাতির জনকের সেই অসমাপ্ত স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিয়ে চলেছেন তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০৪১ হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন করা এবং জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি সকল দিক থেকে অন্যন্য উন্নত এক বাংলাদেশ গড়া। বর্তমান সরকার জনবান্ধব সরকার। আর এজন্যই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার উপযোগী স্মার্ট জনপ্রশাসন গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। আর সরকারের এলক্ষ্য বাস্তবায়নের উদ্দ্যেশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে এই প্রশিক্ষণ। ই-গভর্ন্যান্স বাস্তবায়নে তাই ডি-নথি বিষয়ক ব্যবস্থাপনার উপর দক্ষতা অর্জন করে আনসার বাহিনীকে জনবান্ধব উন্নত স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম আনসার ও ভিডিপি’র জেলা কমান্ড্যান্ট চলতি দায়িত্ব মোঃ ইবনুল হক ও কুড়িগ্রাম সদরের উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কুড়িগ্রাম জেলা আনসার ও ভিডিপি দপ্তরের হিসাবরক্ষক গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা। পবিত্র কোরআন থেকে বঙ্গানুবাদসহ তেলওয়াত করেন কুড়িগ্রাম সদরের উপজেলা প্রশিক্ষক মাসুদুর রহমান।

    রংপুর রেঞ্জের গাইবান্ধা, রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট জেলা ও ব্যাটালিয়ন হতে মোট ১৩জন ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী এবং ও বিভিন্ন পদবীর ব্যাটালিয়ন আনসার উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

  • নড়াইলের জমিদার’র কালিদাস ট্যাংক’ পুকুরের নাম পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক

    নড়াইলের জমিদার’র কালিদাস ট্যাংক’ পুকুরের নাম পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:
    নড়াইলের জমিদার’র কালিদাস ট্যাংক পুকুরের নাম পরিবর্তন নিয়ে বিতর্কের মধ্যে পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরা বলেছেন, পুকুরটির নাম পরিবর্তন করা হয়নি। নাম কালিদাস ট্যাংক আছে, এটাই থাকবে। রোববার বিকেলে তিনি। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা এলাকার এ পুকুরের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী ফলকে লেখা ছিল, ‘লাল মিয়া পুকুর বিউটিফিকেশন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তরের শুভ উদ্বোধন’।
    পুকুরটির নামের পরিবর্তন দেখে এলাকার সচেতন নাগরিকেরা এর প্রতিবাদ করেন। উদ্বোধনের পর দীর্ঘদিন পুকুরটির সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়নি। সস্প্রতি কাজ শুরু হলে পুকুরটির নাম পরিবর্তন নিয়ে আবারও প্রতিবাদ শুরু হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
    মেয়র আঞ্জুমান আরা বলেন, ‘পুকুরটি সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পটি যখন নেওয়া হয় তখন এর নাম “কালিদাস ট্যাংক” ছিল। কিন্তু একজন বরেণ্য ব্যক্তির নাম না থাকায় প্রকল্পটি পাস হয়নি। বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ডাকনাম লাল মিয়া। পরে প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে “লাল মিয়া পন্ড অ্যান্ড কালিদাস ট্যাংক বিউটিফিকেশন প্রকল্প” রাখা হয়। প্রকল্পটি পাসের পর তড়িঘড়ি করে উদ্বোধন করা হয়। মাননীয় সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা পুকুরটির বিউটিফিকেশন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। কিন্তু দ্রুততার সঙ্গে করতে গিয়ে উদ্বোধনী নামফলকে ভুল করে “লাল মিয়া পুকুর বিউটিফিকেশন” লেখা হয়েছে। এতে ভুল–বোঝাবুঝি হয়েছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে নামফলকটি পরিবর্তন করে দিতে বলেছি। ১৫ দিন আগে পুকুরটির খনন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হলে পুকুরটির নাম “কালিদাস ট্যাংক” করা হবে।’
    নড়াইল পৌরসভা সূত্র জানায়, পৌরসভার মহিষখোলা মৌজার ৫২৮ নম্বর দাগে পুকুরটির অবস্থান। পুকুরটির আয়তন ২ একর ৫ শতক। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) আওতায় ৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ে পুকুরটি সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে।
    বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) নড়াইল জেলা কমিটির সভাপতি এস এ মতিন বলেন, ঐতিহাসিকভাবে পুকুরটির নাম “কালিদাস ট‍্যাংক”। সেটা পরিবর্তনের করা যাবে না। এটির নাম “লাল মিয়া পুকুর” করায় আমরা প্রতিবাদ করেছি। কয়েক দিন আগে পৌর মেয়রের সঙ্গে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়েছে। এতে ঐকমত্য হয়েছে। পুকুরটি খনন শেষে “কালিদাস ট‍্যাংক” নামই থাকবে।’
    পুকুরটির নাম পরিবর্তন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নড়াইল জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি এবং নড়াইল পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মলয় কুমার কুণ্ডু। তিনি বলেন, ‘প্রথম থেকেই আমরা নাম পরিবর্তনের প্রতিবাদ করে আসছি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর আবার পুকুরটির নাম “কালিদাস ট‍্যাংক” করা হবে বলে পৌর মেয়র আমাদের জানিয়েছেন। এর ব্যত্যয় হলে আমরা তা মেনে নেব না।’
    মলয় কুমার কুণ্ডু আরও বলেন, এলাকার মানুষ আগে চিত্রা নদীর পানি পান করত। সুপেয় পানির জন্য নড়াইলের জমিদার কালিদাস রায়ের দুই ছেলে পুকুরটি খনন করেন। কালিদাস রায়ের নামে পুকুরটির নাম রাখা হয় ‘কালিদাস ট‍্যাংক’।

  • পঞ্চগড়ে দুধর্ষ চুরি চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

    পঞ্চগড়ে দুধর্ষ চুরি চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
    পঞ্চগড়ে রাতের আঁধারে এক বাড়িতে দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা মূল্যের ৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগত ছয় লক্ষ টাকা দুধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর এক দিনের মধ্যে চোর চক্রের মূল হোতাসহ দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
    সোমবার (২৯ মে) দুপুরে পঞ্চগড় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান পঞ্চগড় পুলিশ সুপার এস.এম সিরাজুল হুদা। এর আগে গত ২৬ মে গভির রাতে পঞ্চগড় সদরের জগদল বাজার অমরখানা ইউনিয়নে মাসুদ রানার বাড়িতে চুরির ঘটনাটি ঘটে।
    পুলিশ সুপার এস.এম সিরাজুল হুদা জানান, একটি বড় অজ্ঞান পার্টির চক্র জেলার বিভিন্ন এলাকার লোককে সাথে নিয়ে এ চুরির কাজ করে আসছিলেন। এর মধ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মূলহোতা সহ দুইজনে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর সাথে অনেকেই সম্পৃক্ত রয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্ঠা চলছে।
    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চোর চক্রের মূল হোতা জগদল বাজার এলাকার মৃত কালু মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম ওরফে তাইজি (৩২) ও দশমাইল বাজার মুহুরীজোত এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে হাসান (৩০)।
    গ্রেফতারের পর তাইজি’র দেয়া তথ্য মতে তার বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া টাকার মধ্যে ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
    মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, বাদী মাসুদ রানাসহ পরিবারের সদস্যরা রাতের খাবার শেষে ঘুমাতে যায়। এর মাঝে চোর চক্রের সদস্যরা বাড়িতে প্রবেশ করে দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা মূল্যের ৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগত ছয় লক্ষ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। এর মাঝে মাসুদের ছোট ভাই মিজানুর রহমানের স্ত্রী আফরোজা বেগম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য ঘুম থেকে উঠে বের হলে ঘরের দরজা খোলা দেখতে পায়। এর পর মাসুদকে ডাকা হলে দেখতে পায় ঘরের ভিতরে আলমারিতে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নাই। একই সময় জমাজমির দলিলপত্র ও কাপড় চোপড় বাড়ির আঙ্গীনার মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে। চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে রোববার (২৮ মে) পঞ্চগড় সদর থানায় অজ্ঞাতনামা করে মাসুদ রানা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।
    এর পর তৎপর হয়ে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা , সাব ইন্সপেক্টর শহিদ ও সামসুজ্জামান পুলিশের একটি চৌকশ দল নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে গ্রেফতার করে।

  • পঞ্চগড়ে ২ সন্তানের জননী রহস্যজনক মৃত্যু

    পঞ্চগড়ে ২ সন্তানের জননী রহস্যজনক মৃত্যু

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় : পঞ্চগড় সদর উপজেলায় জীনের বাদশা চক্রের খপ্পরে পড়ে শামিমা আকতার সোনিয়া (২৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
    গভীর রাতে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
    খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক সুরত হাল করার পরে ময়না তদন্ত করা হয় ওই নারীর।
    জানা যায় সে পঞ্চগড় রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন ধাক্কামাড়া এলাকার মৃত সোলেমান আলীর মেয়ে।
    সোনিয়ার পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে জানায়,সোনিয়াকে প্রতিবেশী সোহেল ও আফরোজা দম্পত্তি বেশ কিছুদিন থেকে জীনের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা এবং সোনা গহনা দিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন সোনিয়াকে।
    সর্বশেষে গত শনিবার বিকেল তিনাটার দিকে সোহেল ও তার স্ত্রী আফরোজা বেগম মসজিদে বিভিন্ন ধরনের আমলের মাধ্যমে জীন টাকা দিবেন বলে সোনিয়াকে জানালে এক পর্যায়ে সোনিয়াকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যায়।
    এ সময় সোনিয়াকে আমল শিখিয়ে দেওয়ার নামে জেলা শহরের উপকন্ঠে হিমালয় বিনোদন পার্কে নিয়ে যায়। সেখানেই কথিত ঔষধের গুলি খাওয়ানো হয় তাকে।
    পরে সন্ধ্যার সময় পঞ্চগড় বাজারে সোনিয়ার বমি শুরু হলে সেখানে রেখে পালিয়ে যায় আফরোজা বেগম। খবর পেয়ে সোনিয়ার পরিবারের লোকজন সোনিয়াকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে রাতে ভর্তি করেন।চিকিৎসা অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে হাসপাতালে সোনিয়ার মৃত্যু হয়।
    মৃতের ভাই মনিরুজ্জামান মুন্না হাসপাতালে জানান, আমার বোন সোনিয়ার মৃত্যুর জন্য দায়ী সোহেল ও তার স্ত্রী আফরোজা।
    মুন্না আরো জানায় আমাকে চাকরি দেওয়ার নামে সোহেল এবং আফরোজা কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।
    গতকাল জীনের কাছ থেকে টাকা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে আমার বোনকে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায় আফরোজা।
    পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. তৌফিক আহমেদ জানান, অপরিচিত বিষক্রিয়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় ওই নারী। ময়নাতদন্তের মাধ্যমে ক্যামিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর পুরো বিষয়টি জানা যাবে।
    এদিকে অভিযুক্ত সোহেল পঞ্চগড় পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শকের সহকারী। ঘটনার বিষয়ে জানতে গেলে প্রথমে তিনি কথা বলতে রাজী হয়নি। পরে সোহেল সাংবাদিকদের সামনে ঘটনার বিষয়ে সব অস্বীকার করে বলেন আমার স্ত্রী এমন কোন কাজের সাথে জড়িত নয়। এ সময় সোহেল নিউজ না করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ জানায়।
    পঞ্চগড় পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জানান আসলে সোহেল আফরোজা দম্পতির বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ রয়েছে।
    আমার এলাকায় জীনের বাদশার কোন কর্মকান্ড আমি সমর্থন করবোনা। আমি চাই জীনের বাদশা কর্মকান্ডে যে জড়িত থাকবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিঞা জানান এই ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে চাপা খোপ বিরাজ করছে।

  • চট্রগ্রামের পটিয়াস্থ ভেল্লাপাড়া ব্রীজ থেকে সিএনজি চালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    চট্রগ্রামের পটিয়াস্থ ভেল্লাপাড়া ব্রীজ থেকে সিএনজি চালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলাধীন ভেল্লাপাড়া খালের উপরের ব্রীজ থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার(২৮মে) মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পটিয়া থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মরদেহটি পার্শ্ববর্তী কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের মৌলানা পাড়ার আবুল হোসেনের পুত্র মো: ফেরদৌসের (২৫)। সে পেশায় একজন সিএনজি টেক্সি চালক।
    স্থানীয়দের সন্দেহ তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে মোটা রশি দিয়ে ব্রীজের সাথে লটকিয়ে রাখা হয়েছে।

    পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রিটন সরকার জানিয়েছেন, পটিয়া-কক্সবাজার হাইওয়ে রোডস্থ ভেল্লাপাড়া ব্রীজে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।
    এদিকে গতকাল রোববার সকালে লাশটি উদ্ধার হবার পর থেকে প্রতিবেশীরা জানান,স্ত্রীকে নিয়ে মা – বাবার সাথে পারিবারিকভাবে মনোমালিন্য কিংবা পারিবারিক কলহের জেরে ঐ সিএনজি চালক যুবক হত্যা করে থাকতে পারেন।এ ব্যাপারে পটিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু হয় বলে থানা সূত্র জানায়।