Author: desk

  • নড়াইলে ভ্যানচুরির জন্য ভ্যানচালকে হত্যা

    নড়াইলে ভ্যানচুরির জন্য ভ্যানচালকে হত্যা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল সদর উপজেলায় দেলবার গাজী (৫৫) নামে এক ভ্যানচালকের লাশ উদ্ধার
    করেছে পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার (৩০ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নড়াইল সদর উপজেলার
    বিছালী ইউনিয়নের খলিশাখালী আটঘরা শ্মশানের কাছ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা
    হয়। বিছালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী লাশ
    উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দেলবার গাজী নড়াইল সদর উপজেলার মধুরগাতি
    গ্রামের শুকুর গাজীর ছেলে।
    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে এসআই আসমত আলী জানান, দেলবার গাজী গত সোমবার বিকেলে
    তার নিজস্ব ভ্যান নিয়ে বের হন। গভীর রাত পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায়
    পরিবারের সদস্যরা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে
    মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা আটঘড়া শ্মশানের পাশে দেলবার গাজীর মরদেহ পড়ে
    থাকতে দেখে বিছালি ক্যাম্প পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে
    থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
    নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমান বলেন, লাশের
    গলায় দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ভ্যান চুরির উদ্দেশে দিলবর
    গাজীকে হত্যা করা হয়েছে। তার চুরি হওয়া ভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার
    সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযান শুরু হয়েছে।###

  • শৈলকুপায় শিশু সন্তানকে বিষপানে হত্যার পর গলায় ফাঁস নিল মা

    শৈলকুপায় শিশু সন্তানকে বিষপানে হত্যার পর গলায় ফাঁস নিল মা

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে মাহদী হাসান নামে তিন বছরের এক শিশুকে বিষপান করিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পাষন্ড মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনা জানাজানি হলে মা মিম খাতুন গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। শিশু মাহদী হাসান শেখপাড়া গ্রামের সজিব মোল্লার ছেলে। এলাকাবাসি ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে নিজের সন্তানকে বিষপান করিয়ে হত্যা করে মিম। ঘটনাটি জানাজানি হয়ে গেলে মিম নিজে গলায় ফাঁস নিয়ে ঝুলে পড়ে। প্রতিবেশিরা জানান মিমের খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে তার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। সন্তানকে হত্যা করে মিম নিরুদ্দেশ হতে চেয়েছিল এমন গুজব প্রচার হচ্ছে গ্রামে। তবে এ ঘটনার পর কাুএক বাড়ি পাওয়া যায়নি। শৈলকুপা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনা শোনার পর তিনি সেখানে পুলিশ পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। সবাই কুষ্টিয়া হাসপাতালে গেছে। তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • চার ফুট উচ্চা নিয়ে স্বপ্ন ছুঁতে চান  হরিণাকুন্ডুর নাহিদ হাসান

    চার ফুট উচ্চা নিয়ে স্বপ্ন ছুঁতে চান হরিণাকুন্ডুর নাহিদ হাসান

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ইচ্ছাশক্তির কাছে কোনো প্রতিবন্ধকতা যে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তার উদাহরণ হচ্ছে চার ফুট উচ্চতার নাহিদ হাসান। আকারে ছোট শিশুর মতো হলেও বর্তমানে তিনি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিচ্ছেন। ইচ্ছা লেখাপড়া শেষ করে চাকরি করবেন জনপ্রশাসন ক্যাডারে। ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার ভেড়াখালী গ্রামে ২০০২ সালের মার্চ মাসে গরীব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন নাহিদ হাসান। তার পিতা আরিফ মালিথা একজন কৃষক ও মা পারভীনা বেগম গৃহিণী। নাহিদের বড় বোন রোকসানা খাতুন নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে বসেছেন বিয়ের পীড়িতে। ছোট বোন আফসানা খাতুন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। নাহিদ হাসান হরিনাকুন্ডু উপজেলার জোড়াদহ কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৪ নিয়ে এইচএসসি পাস করেন। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ মে) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। নাহিদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পরম স্নেহে মা পারভীনা বেগম তার মাথা আঁচড়ে দিচ্ছেন। তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি ফুটবল খেলতে ভালোবাসেন। অনেকেই ভালোবেসে তাকে ডাকেন ক্যাপ্টেন বলে। এলাকার মানুষ তাকে শান্ত ও ভদ্র ছেলে হিসেবেই জানেন। নাহিদের মা পারভীনা বেগম বলেন, এখনো অনেক মানুষ নানা ধরনের কথা বলেন। বলে ও কিছু করতে পারবে না। নাহিদ হাসানের পিতা আরিফ মালিথা বলেন, নিজের বাড়ির ২০ শতক জমি ছাড়া কোনো সম্পত্তি নেই। অন্যের জমিতে কৃষিকাজ করে সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হয়। বড় মেয়েকে লেখাপড়া করাতে পারিনি। ইচ্ছা আছে নাহিদকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করা আর ওর ইচ্ছা পূরন করা। নাহিদ হাসান বলেন, আমার ইচ্ছা আছে ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ার। এই লক্ষ্যে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে চাই। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিচ্ছেন। নাহিদ যোগ করেন, স্বপ্ন আছে ইংরেজী অথবা আইন বিভাগ নিয়ে পড়াশুনা করার। আমি ছোট মানুষের মতো ভেবে এখন আর খারাপ লাগে না। যদি আমার ইচ্ছাটা পূরণ করতে পারি সেটাই বড় হবে আমার কাছে। কারন মানুষের মনুষত্ব ও যোগ্যতাটাই বড় পরিচয়। প্রতিবেশী জহুরুল ইসলাম বলেন, নাহিদের বয়স অনুসারে সে বেড়ে ওঠেনি। ছোট মানুষের মতোই রয়েছে। তার লেখাপড়ার যে গতি সেটা দেখে খুবই ভালো লাগে। ও বড় হোক, ভালো কিছু করুক সেটাই আমরা চাই। নাহিদের শিক্ষক জোড়াদহ কলেজের অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম বলেন, নাহিদের মতো ভদ্র ছেলে খুব কম পাওয়া যায়। লেখাপড়ার প্রতি কার প্রবল ইচ্ছা। স্থানীয় জোড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, নাহিদের জীবন অনেকটা রূপকথার গল্পের মতো। নির্বাচনের সময় যখনই এখানে এসেছি তখন ছোট মানুষ ভেবে কোলে করেই বসতাম। এর বেশ কিছুদিন পরই জানলাম সে এইচএসসি পরীক্ষা দেবে। তখনই আমার ধারণা পরিবর্তন হয়ে গেল। এ ধরনের মানুষের মনে অনেক ক্ষোভ বা দুর্বলতা থাকে, কিন্তু নাহিদের ভেতরে তেমনটি কখনো দেখিনি। তার লেখাপড়ার পথে কোনো সমস্যা হলে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

  • জুয়া খেলা করতে নিষেধ করায় কালীগঞ্জে  স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম

    জুয়া খেলা করতে নিষেধ করায় কালীগঞ্জে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    জুয়া খেলতে নিষেধ করায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাদেরকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন উপজেলার ছোঠ ধোপাধী গ্রামের মুরাদ মন্ডলের ছেলে শিমুল হোসেন ও তার স্ত্রী কাকলী খাতুন। সোমবার রাতে উপজেলার রাখালগাছী ইউনিয়নের ধোপাধী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিমুল হোসেন জানান, তার চাচা মহসিন মন্ডল প্রায়ই তাদের বাড়ীর পাশে বাইরের থেকে লোকজন নিয়ে এসে জুয়া খেলার আসর বসাতো। প্রতিনিয়ত খেলা নিয়ে জুয়াড়ীদের মধ্যে বিবাদ গন্ডগোল হত। সোমবার রাতে জুয়া খেলা নিয়ে জুয়াড়ীদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা শুরু হয়। এ সময় শিমুল এগিয়ে গিয়ে তার চাচাকে জুয়া খেলা বন্ধ করতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মহসিন ও তার ছেলে রতন ঘর থেকে দেশীয় অস্ত্র এনে শিমুলের মাথায় ও হাতে আঘাত করে। এ সময় শিমুলের আত্মচিৎকারে তার স্ত্রী কাকলী এগিয়ে আসলে তাকেও উপর্যুপরি কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা এসে তাদেরকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মাঝহারুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে স্ত্রী কাকলী খাতুনের অবস্থা আশংকাজনক। কালীগঞ্জ থাানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রহিম মোল্লা জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ঝিনাইদহে জিয়াউর রহমানের ৪২তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

    ঝিনাইদহে জিয়াউর রহমানের ৪২তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতন ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে মঙ্গলবার ঝিনাইদহব্যাপী ৪২তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে জেলা শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ে দোয়ার মাহফিল, কোরআনখানি, কাঙ্গালী ভোজ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। গ্রাম ও ইউনিয়র পর্যায়ে ছাড়াও ঝিনাইদহ শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপির পক্ষ দিবসটি পালন করা হয়। পাড়ায় পাড়ায় বাজতে থাকে “প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার মারণ বাংলাদেশ” গানটি। সকালে শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড. এম এ মজিদ, সাধারন সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ^াস, মাহাবুবুর রহমান শেখরসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড. এম এ মজিদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এক বক্তৃতায় অভিযোগ করে বলেন, শেখ হাসিনা ও তার সরকার ভাটে চোর। গনতন্ত্র হরণকারী। খুন গুমের মহারানী ও দেশের সম্পদ লুটপাটকারী। তাই সরকারের আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। দেশে বিদেশে চোর চোর ধ্বানী উঠছে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, চক্রান্ত করে আর ক্ষমতায় থাকা যাবে না। এছাড়াও জেলার সকল উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন করতে দিনব্যাপী নানা কর্মসুচির আয়োজন করে।

  • জ্যোতি বসুর পৈতৃক বসত ভিটা

    জ্যোতি বসুর পৈতৃক বসত ভিটা

    উজ্জ্বল রায়, নিজস্ব প্রতিবেদক :

    জ্যোতি বসুর পৈতৃক বসত ভিটা টি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার বারদী ইউনিয়নের বারদী গ্রামের চৌধুরী পাড়ায় অবস্থিত।
    তাঁর জন্ম ৮ জুলাই ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে। জ্যোতি বসু ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিবিদ। তিনি CPI (M) দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৭-২০০০ সাল পর্যন্ত একটানা তেইশ বছর জ্যোতি বসু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনিই ছিলেন ভারতের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী। জ্যোতি বসু পরিবারের আদিনিবাস ছিল বর্তমান এই বারদী গ্রামে।
    জ্যোতি_বসুর জন্ম পশ্চিমবঙ্গে হলেও, বারদীর চৌধুরী পাড়ায় কেটেছে তার শৈশবের কিছু সময়।
    জ্যোতি বসুদের এই বাড়িটি মূলত তার মায়ের বাবার বাড়ি ছিল। জ্যোতি বসুর নানা শরৎ চন্দ্র দাস ও নানী খিরদা সুন্দরীর একমাত্র সন্তান ছিলেন জ্যোতি বসুর মা হেমলতা বসু। বাবা-মার সূত্রে এই বাড়ির মালিক হন হেমলতা বসু। ডাক্তার নিশিকান্ত বসুর সঙ্গে হেমলতা বসুর বিয়ে হয়। বিয়ের সূত্রে স্ত্রীর সুবাদে এই বাড়ির মালিক হন জ্যোতি বসুর বাবা ডাক্তার নিশিকান্ত বসু।
    দুই একর চার শতাংশ জমির এক কোনে ছোটো ও সুন্দর এই দ্বিতল ভবন নির্মাণ করানো হয় ১৯২২ সালে। ভবনের এক পাশে একটি লেখা থেকে জানা যায় জ্যোতি বসুর বাবা মা এই বাড়িটি ১৩২৯ বাংলা সালের তের অগ্রহায়ণ পাঁচু ওস্তাগারকে দিয়ে তৈরি করিয়েছিলেন। ভবনের নিচ তলায় রয়েছে দুটি শোবার ঘর, একটি বৈঠকখানা ও দ্বিতীয় তলায় রয়েছে দুটি শোবার ঘর এবং প্রবেশ পথের উপরে একটি বারান্দা।
    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন জ্যোতি বসু ১৯৮৭ সালে ও ১৯৯৭ সালে তার পরিবার নিয়ে বারদীতে তার পৈতৃক ভিটা টি দেখতে এসেছিলেন।
    ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সফরের সময় জ্যোতি বসু তার এই পৈতৃক ভিটা টি পাঠাগারে রূপান্তরিত করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন । ৯৫ বছর বয়সে নিউমোনিয়া য় আক্রান্ত হয়ে ২০১০ সালে অসুস্থতায় তিনি মারা যান। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বর্তমানে ভবনটির পাশেই একটি পাঠাগার ও সুবিশাল সেমিনার হল তৈরি করা হয়েছে। কালচারাল মিনিস্ট্রি পুরাকীর্তি বিভাগের তত্ত্বাবধানে বাড়িটি সংস্কার ও সংরক্ষণ করা হয়।
    শৈশবে জ্যোতি বসু তার পৈতৃক ভিটাতে থাকাকালীন তার দেখাশোনা করতেন আয়াতুন নেছা নামে এক মহিলা। পরবর্তী সময়ে বাড়িটির দেখাশোনার দায়িত্ব পান আয়াতুন নেছা ও তার ছেলে হাবিবুল্লা। বর্তমানে বাড়িটি দেখাশোনা করছেন আয়াতুন নেছার নাতি ইউসুফ আলী ও ফকির মাহামুদ। বাড়ির পিছনের দিকের দরজা তারা ব্যবহার করেন এখন। বারদী ইউনিয়নের বারদী গ্রামের চৌধুরী পাড়ায় অবস্থিত।
    তাঁর জন্ম ৮ জুলাই ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে।
    জ্যোতি বসু ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিবিদ। তিনি CPI (M) দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৭- ২০০০ সাল পর্যন্ত একটানা তেইশ বছর জ্যোতি বসু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনিই ছিলেন ভারতের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী। জ্যোতি বসু পরিবারের আদিনিবাস ছিল বর্তমান এই বারদী গ্রামে।
    জ্যোতি_বসুর জন্ম পশ্চিমবঙ্গে হলেও, বারদীর চৌধুরী পাড়ায় কেটেছে তার শৈশবের কিছু সময়।
    জ্যোতি বসুদের এই বাড়িটি মূলত তার মায়ের বাবার বাড়ি ছিল। জ্যোতি বসুর নানা শরৎ চন্দ্র দাস ও নানী খিরদা সুন্দরীর একমাত্র সন্তান ছিলেন জ্যোতি বসুর মা হেমলতা বসু। বাবা-মার সূত্রে এই বাড়ির মালিক হন হেমলতা বসু। ডাক্তার নিশিকান্ত বসুর সঙ্গে হেমলতা বসুর বিয়ে হয়। বিয়ের সূত্রে স্ত্রীর সুবাদে এই বাড়ির মালিক হন জ্যোতি বসুর বাবা ডাক্তার নিশিকান্ত বসু।
    দুই একর চার শতাংশ জমির এক কোনে ছোটো ও সুন্দর এই দ্বিতল ভবন নির্মাণ করানো হয় ১৯২২ সালে। ভবনের এক পাশে একটি লেখা থেকে জানা যায় জ্যোতি বসুর বাবা মা এই বাড়িটি ১৩২৯ বাংলা সালের তের অগ্রহায়ণ পাঁচু ওস্তাগারকে দিয়ে তৈরি করিয়েছিলেন। ভবনের নিচ তলায় রয়েছে দুটি শোবার ঘর, একটি বৈঠকখানা ও দ্বিতীয় তলায় রয়েছে দুটি শোবার ঘর এবং প্রবেশ পথের উপরে একটি বারান্দা।
    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন জ্যোতি বসু ১৯৮৭ সালে ও ১৯৯৭ সালে তার পরিবার নিয়ে বারদীতে তার পৈতৃক ভিটা টি দেখতে এসেছিলেন।
    ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সফরের সময় জ্যোতি বসু তার এই পৈতৃক ভিটা টি পাঠাগারে রূপান্তরিত করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন । ৯৫ বছর বয়সে নিউমোনিয়া য় আক্রান্ত হয়ে ২০১০ সালে অসুস্থতায় তিনি মারা যান। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বর্তমানে ভবনটির পাশেই একটি পাঠাগার ও সুবিশাল সেমিনার হল তৈরি করা হয়েছে। কালচারাল মিনিস্ট্রি পুরাকীর্তি বিভাগের তত্ত্বাবধানে বাড়িটি সংস্কার ও সংরক্ষণ করা হয়।
    শৈশবে জ্যোতি বসু তার পৈতৃক ভিটাতে থাকাকালীন তার দেখাশোনা করতেন আয়াতুন নেছা নামে এক মহিলা। পরবর্তী সময়ে বাড়িটির দেখাশোনার দায়িত্ব পান আয়াতুন নেছা ও তার ছেলে হাবিবুল্লা। বর্তমানে বাড়িটি দেখাশোনা করছেন আয়াতুন নেছার নাতি ইউসুফ আলী ও ফকির মাহামুদ। বাড়ির পিছনের দিকের দরজা তারা ব্যবহার করেন এখন।

  • কিশোর- কিশোরীদের মধ্যে পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলতে ছাদকৃষি গুরুত্বপূর্ণ

    কিশোর- কিশোরীদের মধ্যে পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলতে ছাদকৃষি গুরুত্বপূর্ণ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    কিশোর- কিশোরীদের মধ্যে পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলতে ছাদকৃষি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তারা যখন নিজ হাতে খাদ্য উৎপাদনে কাজ করবে, সুষম খাদ্যগ্রহণে এমনিতেই তারা আগ্রহী হয়ে উঠবে। গ্রামীণ পর্যায়ে কাজের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষদের স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে যাতে তারা শহর-কেন্দ্রিক চাকরির সন্ধানে শহরে এসে ভীড় না করে।

    গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে “ক্রমাগত নগরায়নের ফলে সৃষ্ট পুষ্টি স্থানান্তর, এর চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য সমাধানগুলো সম্পর্কে যথাযথ পুষ্টিসেবা অন্তর্ভুক্তিকরণ” শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।

    ডিনেট এ গোলটেবিল বৈঠক তাদের নিজস্ব অঙ্গনে নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল এর কারিগরি সহায়তায় আয়োজন করেছে।

    গেইন বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. রুদাবা খন্দকার সঞ্চালনা করেন এবং নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস সাইকা সিরাজ মূল বক্তব্য প্রদান করেন।

    ডিনেট এর সহ প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী পরিচালক এম. শাহাদাৎ হোসেন বলেছেন, “গবেষনায় দেখা গেছে ২০৫০ সালের নাগাদ এশিয়া ও আফ্রিকার ২.৫ বিলিয়নেরও বেশি লোক শহরে বসবাস করবে। এরই ফলশ্রুতিতে, বাংলাদেশ দ্রুত শহুরায়ন এবং পুষ্টিসম্মন্ধিয় বাধাঁর সম্মুখীন হচ্ছে। তাই আমাদেরকে অবশ্যই খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, শহুরায়ন এবং পুষ্টিমানের প্রগতিশীলতা নির্ধারন করতে হবে। আজকের আলোচনা আশাকরি শহরায়নের ফলে পুষ্টিগত বাধার যে সমস্যা সেটা সমাধানের সঠিক সমাধান দেখাবে”

    নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. সাইকা সিরাজ বলেছেন যে, বছরের পর বছর ধরে অপুষ্টি হ্রাস পেয়েছে কিন্তু একই সাথে অতিরিক্ত পুষ্টি বৃদ্ধি পেয়েছে যার ফলে সমাজের অপুষ্টির মাত্রা পরিবর্তন হয়নি, বিশেষত শহুরে অঞ্চলে।

    বিশ্ব ব্যাংক এর কনসালটেন্ট ড. এস. এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “গ্রামীণ পর্যায়ে কাজের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষদের স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে যাতে তারা শহর-কেন্দ্রিক চাকরির সন্ধানে শহরে এসে ভীড় না করে।”

    হেলেন কিলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর হেলথ এন্ড নিউট্রিশন প্রধান ড. আফসানা হাবিব শিউলী বলেন, “কিশোর- কিশোরীদের মধ্যে পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলতে ছাদকৃষি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তারা যখন নিজ হাতে খাদ্য উৎপাদনে কাজ করবে, সুষম খাদ্যগ্রহণে এমনিতেই তারা আগ্রহী হয়ে উঠবে।”

    ন্যাশনাল নিউট্রিশন সার্ভিস এর ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ড. মুরাদ মোঃ শমসের তাবরিস খান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, পুষ্টি রূপান্তরের উপর দ্রুত নগরায়ণের প্রভাব সম্পর্কে সরকারের স্টেকহোল্ডারদের সংবেদনশীল করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁর মতে, এই সমস্যা সমাধানের প্রথম পদক্ষেপ হ’ল সমাজে পুষ্টির চাহিদা তৈরি করা।

    বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মিস. রওশন আরা বেগম বলেন, সরকারি এবং বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানকে খাদ্য নিরাপত্তা এবং ক্রমবর্ধমান উৎপাদনে সমান ভাবে গুদূত্ব দিতে হবে।যেহেতু উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো স্বল্প লাভের জন্যও অধিকাংশ খাবারে ভেজাল মেশায়।

    পুষ্টি ও খাদ্য ইনস্টিটিউট এর প্রফেসর ড. নাজমা শাহীন বলেন, শহুরে লোকেরা প্রকৃয়াজাতকরন খাবার গ্রহনে এখন বেশি আগ্রহী। একটা গবেষণায় দেখা গেছে, প্রকৃয়াজাতকৃত কোন খাবারই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই পুষ্টি বাস্তবায়নে খাদ্যনিরাপত্তার কোন বিকল্প নেই।

    এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর সহযোগী অধ্যাপক ড. খালেকুজ্জামান, বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউট্রিশন কাউন্সিল এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ড. নুসরাত জাহান, ন্যাশনাল নিউট্রিশন সার্ভিসেস এর ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ড. এস এম হাসান মাহমুদ, কেয়ার বাংলাদেশ এর পরিচালক ড.ইখতিয়ার উদ্দিন, আইসিডিডিআরবির গবেষক ড. সাবরিনা রশিদ, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীর নিউট্রিশন অফিসার সামিউল নেওয়াজ এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন থেকে মোঃ মিজানুর রহমান ।

  • লালমনিরহাটে এপ্রিল/২৩ইং শ্রেষ্ঠ থানা, আদিতমারী

    লালমনিরহাটে এপ্রিল/২৩ইং শ্রেষ্ঠ থানা, আদিতমারী

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট জেলায় সার্বিক কর্ম মুল্যায়নে এপ্রিল/২৩ইং শ্রেষ্ঠ থানা, আদিতমারী। এরই স্বীকৃতি হিসেবে এলাকায় মাদক, জঙ্গী, জুয়া, নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, সাইবার ক্রাইম সহ প্রভৃতি অপরাধ নির্মুলে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে আদিতমারী থানা পুলিশ।

    ৩০শে মে২০২৩ইং লালমনিরহাট জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সার্বিক কর্ম মুল্যায়নে এপ্রিল/২৩ মাসের শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে, আদিতমারী থানাকে নির্বাচিত করায়, একই সাথে সার্বিক কর্মমুল্যায়নে আদিতমারী থানার এসআই মোঃ মিজানুর রহমানকে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে পুরস্কৃত করেন।

    মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আতিকুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম এন্ড অপস, (এ-সার্কেল এর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত) জনাব মোঃ আলমগীর রহমান,আদিতমারী থানার ওসি,মোজাম্মেল হক,

    পুলিশ পরিদর্শক ( তদন্ত) রফিকুল ইসলাম,সহ আরো অনেকে।

    লালমনিরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ আদিতমারী থানা হওয়ায় উর্দ্ধতন সকল পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ওসি মোজাম্মেল হক, বলেন, দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারায় আমি গর্বিত। শ্রেষ্ঠত্বের এই প্রাপ্তি আমার একার নয়, আমার থানার সকল পুলিশ সদস্যের। তাদের দায়িত্বশীলতায় আমি এই পুরস্কার পেয়েছি। এবং স্যারের এই ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগের জন্য আমার ও আমাদের কাজের স্পৃহা আরও তরান্বিত হবে বলে আমি আশা করি।আমার এই প্রাপ্তি আমার কাছে জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।আদিতমারী থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের অক্লান্ত পরিশ্রম এর ফসলও এটি।আর এজন্য আমি সহস্রাধিক স্যালুট জানাই আমাদের প্রিয় স্যারদের কে ।আমার এই সফলতা যেনো অব্যাহত থাকে- এটাই আমার প্রার্থনা ও কামনা। আমরা পুলিশ জনগনকে সাথে নিয়ে শ্রেনী ভেদে সবার সহযোগিতায় সফলতা অর্জন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।আদিতমারী থানাকে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করায় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট হতে পুরস্কার প্রাপ্তি সময় আনন্দের, সেই সাথে দায়িত্ব বোধ ও কাজের স্পৃহা অনেক গুন বেড়ে যায়।সিনিয়র স্যারদের এমন অনুপ্রেরণা মুলক কার্যক্রম সবসময় কাজে প্রেরণা জোগায়। আমাকে সবসময় সার্বিক দিক নির্দেশনা প্রদানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

    সম্মানিত স্যারদের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরন করে আগামীতে আরো উন্নত পুলিশি সেবা প্রদানের মাধ্যমে জনগনের আস্থা অর্জনে আদিতমারী থানা পুলিশ বদ্ধ পরিকর। সকলের নিকট দোয়া প্রার্থণা করছি আমরা যেন শতভাগ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে আমাদের দায়িত্ব পালন করতে পারি এবং আদিতমারী থানায় মাদক, জঙ্গী, জুয়া, নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, সাইবার ক্রাইম সহ প্রভৃতি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে আদিতমারী বাসিকে একটি মডেল থানা উপহার দিতে পারি। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হউন।

    হাসমত উল্লাহ।

  • রাজারহাটে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    রাজারহাটে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

    দুর্নীতি প্রতিরোধ রাজারহাট উপজেলা কমিটির আয়োজনে এবং কুড়িগ্রাম জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহযোগিতায় চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মাঝে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল এগারো ঘটিকায় অফিসার্স ক্লাবে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সহঃঅধ্যাপক হবিবুর রহমান হবি’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- বিতর্ক প্রতিযোগিতার মডারেটর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপার ভাইজার আয়েশা সির্দ্দীকা, উপজেলা প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা অফিসার বুলবুল আহমেদ, পলাশ চক্রবর্তী, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য প্রভাষক স্বর্ণ কমল মিশ্র, উপজেলা দুর্নীতিপ্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সভাপতি এস.এ বাবলু, উপজেলা দুর্নীতিপ্রতিরোধ কমিটির সদস্য ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলাম ও প্রধান শিক্ষক গোলজার হোসেন মাস্টার প্রমুখ। শেষে চ্যাম্পিয়ন দলের ট্রফি ও মেডেল পান পাঙ্গারাণী লক্ষীপ্রিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও রানার্সআপ দলের ট্রফি ও মেডেল পান সোনালুরকুটি উচ্চ বিদ্যালয়। পাশাপাশি,অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারী অন্য দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬ শিক্ষার্থীদের মাঝে সান্তনা পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন-উপজেলা দুর্নীতিপ্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসক্লাবের সভাপতি এস.এ বাবলু।

  • রাজশাহীর চারঘাট সরদহ ইউনিয়ন পরিষদে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের উম্মুক্ত বাজেট ঘোষনা

    রাজশাহীর চারঘাট সরদহ ইউনিয়ন পরিষদে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের উম্মুক্ত বাজেট ঘোষনা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট (রাজশাহী):

    রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সরদহ ইউনিয়ন পরিষদে ২০২৩-২৪অর্থ বছরের উম্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার দুপুরে সরদহ ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাসানুজ্জামান মধুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাজেট সভায় ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের উম্মুক্ত বাজেট পেশ করেন ইউপি সচিব মহিউদ্দিন সরকার সামুন।

    বাজেট অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি হিসাব সহকারী নাঈম হোসাইন, প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য এস এম সাইদুর রহমান, ইউপি সদস্য সালেহা বেগম,ঝর্ণা বেগম,আনারুল ইসলাম,মন্জুর রহমান,ইমরান হোসেন, সাইদুর রহমান ও রাকিবুল হাসানসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

    আয় ব্যয় সমান রেখে ১কোটি ১১লক্ষ ৮১হাজার৮৫০ টাকার বাজেট ঘোষণা ইউপি সচিব।

    মোঃমোজাম্মেল হক
    চারঘাট রাজশাহী।