Author: desk

  • গোপালগঞ্জে গৃহবধূ সানজিদার মৃত্যু নিয়ে রহস্য, দেড় মাসেও গ্রেফতার হয়নি আসামী

    গোপালগঞ্জে গৃহবধূ সানজিদার মৃত্যু নিয়ে রহস্য, দেড় মাসেও গ্রেফতার হয়নি আসামী

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গৃহবধূ সানজিদা বেগমের (২৩) মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃস্টি হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টে আত্মহত্যা উল্লেখ থাকলেও সানজিদাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। তবে পুলিশ বলছে আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামীসহ শ্বশুড়বাড়ীর লোকজন পলাতক থাকলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

    নিহতের বড় বোন সাহিদা বেগম জানান, মুকসুদপুর উপজেলার চরভাটরা গ্রামে জমি জমা নিয়ে মৃত মুখলেছ চোকদারের পরিবারের সাথে সানজিদার বাবা মো: ইলিয়াছ শেখের সাথে বিরোধ ছিল। পরে এই রিবোধ মেটানোর জন্য সানজিদার সাথে মৃত মুখলেছ চোকদারের পরিবার ছাব্বির চৌকদারের (২৩) বিয়ের প্রস্তাব দেয়। পরবর্তীতে গত ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সানজিদার সাথে ছাব্বির চৌকদারের বিয়ে হয়।

    এরপর থেকে সানজিদার উপর নেমে আসে নির্যাতন। বিভিন্ন সময় যৌতুকের জন্য সানজিদার উপর নির্যাতন চালাতো স্বামী ছাব্বির চৌকদার ও তার পরিবারে লোকজন। এর জের ধরে ২০২৩ সালের ২০ এপ্রিল সানজিদা আত্মহত্যা করেছে এমন খবর এলাকায় ছড়িয়ে দিয়ে সানজিদার পরিবারের কাউকে না জানিয়ে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে সানজিদাকে ডাক্তার মৃত ঘোষনা করলে শ্বশুর বাড়ীর লোকজন মরদেহ ফেলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে সানজিদার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ খবর দেয়। পরে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠালে সানজিদা আত্মহত্যা করেছে বলে মায়নাতদন্তের রিপোর্ট দেয়।

    তিনি আরো জানান, ময়না তদন্তের রিপোর্ট নিয়ে আমাদের সন্দেহ রয়েছে। আমার বোন কখনই আত্মহত্যা করতে পারে না। এমনকি পুলিশ একজন আসামীকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করতে পারলে আমার বোনের মৃত্যুর আসল কারণ বের হয়ে আসবে।

    এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের বক্তব্য নিতে সানজিদার শ্বশুড়বাড়ীতে গেলে বাড়ী তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। এমনকি সানজিদার স্বামী ছাব্বির চৌকদারের ব্যবহারিত মোবাইল ফোনে (নাম্বার ০১৮৪৩-২৮১৫৭৬) বারবার ফোন করলেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে। তারা কোথায় গেছেন সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারেনি এলাকাবাসী। তবে এলাকাবাসী ধারনা করছে সানজিদার স্বামী বিদেশে পালিয়ে গেছে।

    সানজিদার ভাই সাইফুল ইসলাম টুটুল বলেন, বিয়ের পর থেকে আমার বোনের উপর বিভিন্ন সময় নির্যাতন চালানো হতো। বিষয়টি আমি জেনে গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। ময়নাতদন্তে আমার বোন আত্মহত্যা করেছে বলে রিপোর্ট দেয়। আমি মনে করি এ রিপোর্ট ভুল। এমনকি কোন আসামীকেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আমরা মনে করি সানজিদার স্বামী কাতার চলে গেছে। আমি দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করে আমার বোনের হত্যার বিচার চাই।

    সানজিদার বাবা মো: ইলিয়াছ শেখ বলেন, আমার মত কোন বাবা যেন তার মেয়েকে না হারায়। আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত শেষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

    সানজিদার মা হেনোরা বেগম বলেন, আমার মেয়ে গোপালগঞ্জ শহরের লাল মিয়া সিটি কলেজে পাড়াশোনা করতো। বাড়ীর পাশে থাকবে, সব সময় দেখতে পারবো বলে বিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমার মেয়েকে ওরা দূরে পাঠিয়ে দিয়েছে। এখন আর আমার মেয়েকে দেখতে পাই না। আমার মেয়ের লাশ গোপালগঞ্জ না নিয়ে ওরা মাদারীপুর গেছে। ময়না তদন্ত গোপালগঞ্জ না হয়ে মাদারীপুরে হয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।

    এলাকাবাসী নাসিমা বেগম বলেন, সানজিদা আত্মহত্যা করতে পারে না। সানজিদার মত ভাল মেয়ে হয় না। বিয়ের পর তার উপর নির্যাতন চলতো। সানজিদাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়েছে। এমনকি সানজিদার বাবার বাড়ীর লোকজন লুটপাট করেছে এমন অভিয়োগও মিথ্যা।

    এলাকাবাসী সোহানা বেগম বলেন, সানজিদা অনেক ভাল মেয়ে ছিল। সবার সাথে মিশতো, হাসি খুশি থাকতো। কিন্তু বিয়ের পর থেকে সানজিদাকে বাইরে বের হতে দিতো না। এমনকি সানজিদার পরিবারের উপর লুটপাটে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা। আমরা সানজিদা হত্যার বিচার চাই।

    এলাকাবাসী সাগর চোকদার বলেন, আমি বাড়িতে ছিলাম। উঠানে ধান নাড়ছিলাম এমন সময় চেচামেচি শুনি সানজিদা গলায় ফাঁস নিয়েছে। পরে দৌঁড়ে গিয়ে গাড়িতে উঠিয়ে দেই। কিন্তু আত্মহত্যা করলে জিবহা বের হয়ে থাকবে, চোখ উলটে যাবে এমন কিছুই ছিল না। আমার মনে হয় সানজিদাকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়েছে। এমনকি সানজিদার পরিবারের বিরুদ্ধে বাড়ী লুটপাটের যে আভিযোগ এনেছে তা মিথ্যা। এমন কোন ঘটনাই ঘটেনি।

    এব্যাপারে সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক জালাল উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তবে পলাতক থাকায় আসামীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্ঠা অব্যাহত রয়েছে।

    ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ডাক্তারদের বিষয়। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পুলিশ দেয়নি। #

  • কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কৃষি সম্প্রসারণের অধিদপ্তর মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ

    কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কৃষি সম্প্রসারণের অধিদপ্তর মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি : বানারীপাড়া কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের মাঠ পর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কৃষি সম্প্রসারণের অধিদপ্তর মহাপরিচালকের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় কৃষকরা।

    তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি সংশ্লিস্ট এলাকায় থাকেননা, ব্লকে না যাওয়া, চায়ের দোকন সহ বিভিন্ন স্থানে সরকার বিরোধী কথা বলা, কৃষকদের কৃষি কার্ড থেকে টাকা নেয়া, প্রদর্শনীর পরিচ্ছন্নতার খরচের টাকা কৃষকদের না দেয়াসহ আরো অভিযোগ রয়েছে।

    উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলামের কর্মস্থল বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের ব্রাম্মণকাঠী-সাতবারিয়া এলাকায়। সপ্তাহে ওই এলাকায় চারবার যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি মাসে দুই একদিন যান। যেদিন উপজেলা থেকে পরিদর্শনের তারিখ থাকে।

    এ বিষয়ে এলাকার কৃষকরা ঢাকার খামারবাড়িতে মহাপরিচালক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার অনিয়মের কারনে কৃষকরা দারুণ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুর রহমান তিনি কোনো অভিযোগ পাননি।

    ঢাকার খামারবাড়ির মহাপরিচালক বরিশাল খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপপরিচালক রেজাউল হাসানকে ওই অভিযোগের তদন্ত করে ১০ কর্মদিনের মধ্যে রিপোর্ট দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
    এব্যপারে তদন্ত কর্মকর্তা খামাবাড়ী বরিশাল বিভাগের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক রেজাউল হাসান জানান, অভিযোগ পত্র পেয়েছি এবং তদন্ত কার্যক্রম চলছে। শীঘ্রই তদন্ত রিপোর্ট দেয়া হবে।

  • আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং এর অত্যাচারে অতিষ্ঠ পোশাক শ্রমিকসহ এলাকাবাসী-ধারাবাহিক হামলা

    আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং এর অত্যাচারে অতিষ্ঠ পোশাক শ্রমিকসহ এলাকাবাসী-ধারাবাহিক হামলা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া হেয়ন গার্মেন্টস রোডে বকুল ভুঁইয়ার বাড়ির আশপাশের এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী-ধারাবাহিক ভাবে হামলায় ভাংচুর ও অপহরণ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে শতাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যরা, তারা প্রায়ই করছে অপহরণ-খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকা-। এইসব অপরাধীদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা কারা? পুলিশ প্রশাসন ও র‌্যাবকে জানানো হলেও তেমন কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে এসব অপরাধীরা প্রকাশ্যে অপরাধ করছে বলে এলাকাবাসী জানায়।
    গত সোমবার আশুলিয়ার জামগড়া হেয়ন গার্মেন্টস রোডে বকুল ভুঁইয়া’র বাড়ি ঘরসহ এলাকায় দোকানপাটে হামলা ও ভাংচুর করে কিশোর গ্যাং বাহিনীর প্রায় শতাধিক সদস্য, তারা খুবই ভয়ংকর ভাবে মুখোশ পড়ে এই হামলা চালিয়েছে, এ সময় মটরসাইকেলসহ একাধিক গাড়ি ভাংচুর ও দোকানপাটে এবং বাড়ি ঘরে হামলা করে। এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে এসব কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনী। ভাইয়ের হাতে ভাই, ছেলের হাতে বাবা মা, শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষক, বন্ধুদের হাতে বন্ধু হত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে। এই অপরাধের দায় কারা নিবে?। বিশেষ করে বাংলাদেশ পুলিশ ও র‌্যাব দুই-চারজনকে আটক করলেও তারা অনেকেই আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও সেই অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে বেড়ালেও পুলিশ তাদেরকে আটক করছেন না বলে অনেকেই জানায়।
    জানা গেছে, আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার হেয়ন গার্মেন্টস ও রূপায়ন আবাসন ১-এর মাঠের ভেতরে মাঝে মধ্যে গভীর রাতে গুলির শব্দ শুনে আতংকিত হয় এলাকাবাসী। প্রশ্ন: এই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ভয়ে আশপাশের এলাকার মানুষ রাতে বাহিরে বেড় হতে সাহস করে না। এর আগে ১৬ বছরের নাজমা গণধর্ষণের শিকার হয়ে মারা যায়, এরপর আশুলিয়ার চিত্রশাইল হাজী ইউনুছ আলী কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে নির্মমভাবে কাঠের ষ্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্থানীয় উজ্জল মিয়ার বখাটে ছেলে ওই এলাকার কিশোর গ্যাং প্রধান আশরাফুল আহসান ওরফে জিতু দাদা। এই মামলায় পিতা পুত্র গ্রেফতার হলেও কিশোর অপরাধ থেমে নেই এলাকায়। অনেকেই জানান, আশুলিয়ায় মাঝে মধ্যে রূপায়ন মাঠের ভেতরে ও হেয়ন মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় গার্মেন্টসের শ্রমিকদের মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পোশাক কারখানায় ৫-৭ ও ১০ তারিখে বেতন দেওয়া হলেই কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের বেশি আড্ডা লক্ষ্য করা যায় বলে স্থানীয়রা এমনটি জানান।
    ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ায় বেশিরভাগ মানুষ বহিরাগত, শিক্ষার্থীসহ উঠতি বয়সের কিশোরদের সাথে মিলিত হয়ে গঠন করেছে বিভিন্ন গ্রুপ ও বাহিনী কিশোর গ্যাং, দাদা গ্রুপ, ৫ স্টার, ৭ স্টার ও বড় ভাই গ্রুপ ইত্যাদি। যাদের বয়স ১২ থেকে ১৮ বছর বা তার চেয়ে কম বা বেশি। সূত্রমতে আশুলিয়া থানাধীন ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল, পাবনারটেক, রূপায়ন আবাসন ১ এর মাঠ, ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া, বাগবাড়ি রোড, বটতলা, গফুর মন্ডল স্কুলের আশপাশের এলাকা, হেয়ন গার্মেন্টস রোড, বেরণ ছয়তালা, চিত্রশাইল, ঘোষবাগ, বাগানবাড়ি, ইউসুফ মার্কেট, ইয়ারপুর গ্রাম, বাগবাড়ি, নরসিংহপুর, আশুলিয়া ইউনিয়নের জিরাবো বাগানবাড়ি, পুরাতন আশুলিয়া, অন্যদিকে কাঠগড়া, তেতুলতলা, কাঁঠালতলা ও চিত্রশাইল, মানিকগঞ্জ পাড়া, গাজিররচট, বগাবাড়ি, বাইপাইল, এনায়েতপুর, শ্রীপুর এবং শিমুলিয়া ইউনিয়নের জিরানি বাজার থেকে আমতলা পর্যন্ত উক্ত কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনী গ্রুপ তৈরি করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেকেই বলেন, এসব কিশোর গ্যাং ও বাহিনীর লিডার থাকলেও বরাবরই তারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। একজন সদস্যকে মোবাইল ফোনে খবর দিলেই মোটরসাইকেল নিয়ে ১০থেকে ২০মিনিটের মধ্যে ৩০-৪০জন বা শতাধিক কিশোর মুখোশ পড়ে হাজির হয়ে দলবেঁধে তাদের অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে থাকে। তাদের কাজে কেউ বাঁধা দিলে তাদেরকে মারপিট করে, এমনকি হত্যার মতো ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তারা।
    জানা গেছে, এর আগে গত বছরে ধামসোনা ইউপি’র ৬নং ওয়ার্ড মেম্বারের বাড়িসহ ভাদাইল এলাকায় প্রায় শতাধিক যুবক মোটরসাইকেল যোগে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করতে গেলে স্থানীয় সাদেক ভুঁইয়া মেম্বার ও তার লোকজন মসজিদের মাইকে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষণা দিলে তাদেরকে গণপিটুনি দেয় জনগণ। এই বাহিনীর বেশিরভাগ ছেলেদের বয়স ১৬ থেকে ২২ বছর হবে বলে স্থানীয়রা জানান। এ ব্যাপারে অনেকেই বলেছেন যে, ঝুট ব্যবসা নিয়ে আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কবির হোসেন সরকার গ্রুপ ও সাদেক হোসেন ভুঁইয়া মেম্বার গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এ ব্যাপারে একাধিক মামলা করা হয়েছে বলে থানা পুলিশ জানায়। র‌্যাব জানায়, অপহরণকারী বা কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী এবং অপরাধী সে যেই হোক না কেন, তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। অনেক অভিযোগ ও মামলার মিমাংসা করার অভিযোগ উঠেছে কিছু পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি কেউ মিমাংসা করলে আমাদের করার কিছু থাকে না।
    র‌্যাব-৪ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৮ মে ২০২৩ইং) তারিখে বিকেল ৪টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন শ্রীপুর মোজারমিল এলাকার একটি পুকুর থেকে এক যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভিকটিম মোঃ ফারাবী আহমেদ হৃদয় (২১) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র এবং স্থানীয় মোঃ ফজলুল হক মিয়ার বড় ছেলে হৃদয়। গত ৮ মে ২০২৩ইং জামগড়া নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে ভিকটিম হৃদয় নিখোঁজ ছিলেন। জানা যায়, কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী মোঃ ময়েজ হোসেন পরাণ (২২)সহ ৪-৫ জন তাকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে না পেয়ে তাকে হত্যা করে, পরে জানা যায়, ভিকটিমকে টাকা চাওয়ার আগেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ওইদিন বিকালেই হৃদয়কে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য বস্তাবন্দি করে শ্রীপুর এলাকায় নিয়ে একটি পুকুরে ফেলে দেয়, দুইদিন পর লাশ ভেসে উঠলে আবার তারা ৮টি ইট বস্তার ভেতরে দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়, যাতে লাশ না দেখা যায়। এর একপর্যায়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ও র‌্যাব-৪ এর অভিযানে একজনকে আটক করে তার তথ্যের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার ও পৃথক স্থান থেকে মোট ৪জনকে আটক করেন র‌্যাবের চৌকস একটি দল। ভিকটিমের লাশ ময়নাতদন্তের পর গত শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠে হৃদয় এর জানাজা শেষে দাফন করা হয়। র‌্যাব ও পুলিশ বলছেন, এ ব্যাপারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে আরো কেউ জড়িত থাকলে তাদেরকেও আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে। কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন আস্তানা রয়েছে, তারা অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক লিডারের ছত্রছাঁয়ায় কাজ করছে। কারা আছে এই কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের দলে? কারা তাদের প্রকৃত লিডার? এ বিষয়ে পুলিশ ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরাসহ সচেতন মহল।

  • ৭০ হতে ১৯৭১-২০২৩ইং বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিশেষ তথ্যসূত্র ও জলোচ্ছাস দুর্ভিক্ষ

    ৭০ হতে ১৯৭১-২০২৩ইং বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিশেষ তথ্যসূত্র ও জলোচ্ছাস দুর্ভিক্ষ

    সাইফুল ইসলাম জয়-হেলাল শেখঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র (অনুদিত) মুজিবনগর, বাংলাদেশ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১। যেহেতু একটি সাংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য ১৯৭০ সালের ৭ডিসেম্বর হইতে ১৯৭১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ ১৬৯জন প্রতিনিধির মধ্যে আওয়ামীলীগ দলীয় ১৬৭ জনকে নির্বাচিত করেন। বর্তমান-২০২৩ইং চলমান আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেমন হবে জাতি সেই অপেক্ষায় রয়েছেন কিন্তু মাত্র ৮০/টাকা প্রতি কেজি আদা এখন ৩০০/টাকা মূল্যে বিক্রি করছে-এ কেমন দুর্ভিক্ষ? সকল জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির কারণ কি জাতি জানতে চায়, অনেকেই সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন। বিশেষ করে সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জেনারেল ইয়াহিয়া খান জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণকে ১৯৭১ সালের ৩মার্চ তারিখে মিলিত হইবার জন্য আহ্বান করেন, যেহেতু এই আহত পরিষদ সভা স্বেচ্ছাচারী ও বেআইনীভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়। পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষ তাহাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার পরিবর্তে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সহিত আলোচনা অব্যাহত থাকা অবস্থায় একটি ও বিশ্বাসঘাতকতামূলক ঘোষণা করে, যেহেতু এইরূপ বিশ্বাসঘাতকতা মূলক আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তারিখে ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করেন এবং বাংলাদেশের মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান এবং যেহেতু একটি বর্বর ও নৃশংস যুদ্ধ পরিচালনা করে পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষ, অন্যান্যের মধ্যে, বাংলাদেশের বেসামরিক ও নিরস্ত্র জনগণের উপর নজিরবিহীন নির্যাতন ও গণহত্যাসহ অসংখ্য অপরাধ সংগঠন করিয়াছে এবং অববরত করিয়াছে।
    পাকিস্তান সরকার একটি অন্যায় যুদ্ধ চাপাইয়া দিয়া, গণহত্যা করিয়া এবং অন্যান্য দমনমূলক কার্যকলাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিগণ একত্রিত হইয়া একটি সংবিধান প্রণয়ন এবং নিজেদের জন্য একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব করিয়া তুলিয়েছে এবং বাংলাদেশের জনগণ তাহাদের বীরত্ব সাহসীকতা ও বিপ্লবী উদ্দীপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভূখন্ডের উপর তাহাদের কার্যকর কর্তৃত্ব করিয়াছে। যেহেতু আমরা বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী জনগণ কর্তৃক আমাদিগকে প্রদত্ত কর্তৃত্বের মর্যাদা রক্ষার্থে, নিজেদের সমন্বয়ে যথাযথভাবে একটি গণপরিষদরূপে গঠন করিলাম এবং পারস্পরিক আলোচনা করিয়া এবং বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করণার্থে, সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করিলাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রতি থাকিবেন এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রজাতন্ত্রের সকল নির্বাহী ও আইন প্রণয়ন ক্ষমতা প্রয়োগ করিবেন, একজন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং তাঁহার বিবেচনায় প্রয়োজনীয় অন্যান্য মন্ত্রী নিয়োগ ক্ষমতার অধিকারী হইবেন। গণপরিষদ আহ্বান মুলতবীকরণ ক্ষমতার অধিকারী হইবেন এবং বাংলাদেশের জনগণকে একটি নিয়মতান্ত্রিক ও ন্যায়ানুগ সরকার প্রদানের লক্ষে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সকল কার্য করিতে পারিবেন। আমরা বাংলাদেশের জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ আরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতেছি যে, কোনো কারণে রাষ্ট্রপতির উপর এতদ্বারা অর্পিত সমুদয় ক্ষমতা, কর্তব্য ও দায়িত্ব উপরাষ্ট্রপতির থাকিবে এবং তিনি উহা প্রয়োগ ও পালন করিবেন। আমরা আরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতেছি যে, জাতিসংঘের সদস্য হিসাবে আমাদের উপর যে দায় ও দায়িত্ব বর্তাইবে উহা পালন ও বাস্তবায়ন করার এবং জাতিসংঘের সনদ মানিয়া চলার প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছি। আমরা আরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতেছি যে, স্বাধীনতার এই ঘোষণাপত্র ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তারিখে কার্যকর হয়েছে বলিয়া গণ্য হইবে। আমরা আরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতেছি যে, এই দলিল কার্যকর করার লক্ষ্যে এবং রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতির শপথ পরিচালনার জন্য আমরা অধ্যাপক ইউসুফ আলীকে আমাদের যথাযথ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি নিয়োগ করিলাম। অধ্যাপক ইউসুফ আলী বাংলাদেশ গণপরিষদের ক্ষমতাবলে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি হোন সেই সময়। তথ্যসূত্র: কমপিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড-ক. বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড (বা,বি.)-১০। (সংবিধান সম্পর্কিত তথ্য) সংবিধান কমিটি: ১৯৭২ সালে ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি সংবিধান কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন আইন ও সংসদীয় মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির দায়িত্ব ছিলো সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করা। কমিটির ৭১টি অধিবেশনে মিলিত হয়ে দায়িত্ব পালন করে এবং ১৯৭২ সালের ১২অক্টোবর গণপরিষদের খসড়া পেশ করে যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।
    বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি: বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি। সেগুলো হলোঃ ১. আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস, ২. গণতন্ত্র, ৩. জাতীয়তাকাদ, ৪.সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের অর্থে সমাজতন্ত্র। বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে বর্ণিত হলো: সংসদীয় সরকার ব্যবস্থাঃ বাংলাদেশের সংবিধান সংসদীয় বা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর হাতেই প্রকৃত শাসন ক্ষমতা ন্যস্ত। মন্ত্রীগণ জাতীয় সংসদের নিকট ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে দায়ী। বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তারিখ: ১৭/০৪/১৯৭১ইং। বর্তমান রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন মহোদয়। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ তারিখ-১৭ এপ্রিল ১৯৭১ হইতে ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ পর্যন্ত। এরপর প্রধানমন্ত্রী হোন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১২ জানুয়ারি ১৯৭২সাল হতে ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত, এরপর ক্যাপ্টেন এম. মুনসুর আলী ২৫ জানুয়ারি ৭৫ হতে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ পর্যন্ত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চলমান ২০২৩ইং সাল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে তখন ধারণা করা হয় ২০১০ সালে ২০ কোটি লোকসংখ্যা দাঁড়াবে কিন্তু সেই হিসাবটি সঠিক হয়নি, বর্তমানে ২০২৩ সালে প্রায় ১৮ কোটি লোকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে অভিমত প্রকাশ করা হয় ২০২৩ইং সালে (সম্ভাব্য) দেশে এবং বিশ্বব্যাপী দূর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বলেছিলেন যে, ২০২৩ সালে দুর্ভিক্ষ হতে পারে সেজন্য সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। {বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাস)ঃ- ১৮২২ সালে মে মাসে বরিশালে প্রবল ঘুর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাস হয়, সেই সময় আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতি হয় তফসিল অফিসের কাগজপত্র ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো, এ ঘটনায় প্রায় ৪০ হাজার লোক নিহত হয়েছেন। প্রায় ১ লাখ গবাদি পশু নিখোঁজ হয়েছিলো। ১৯৮৮ সালে ২৯ নভেম্বর খুলনা উপকূলে ১৬০ কি. মি.বেগে প্রবাহিত প্রবল হ্যারিকেন, ঘুর্ণিঝড় মংলার কাছে ১৪-১৫ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছাস হয়। ১৯৯১ সালের ২৯-৩০ এপ্রিল চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনায় ৩৯০ কি. মি. বেগে প্রবল হ্যারিকেন ঘুর্ণিঝড় এবং ভয়াবহ জলোচ্ছাস হয়। সেসময় প্রায় ২ লাখ লোক নিহত ও প্রায় ১লাখ লোক নিখোঁজ হয়। ৭০.০০০ গবাদি পশু মারা যায়। সেইসময় উক্ত ঘুণিঝড় ও জলোচ্ছাস হওয়ার ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা, যা আজও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক রয়েছে। প্রায় প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে ঘুর্ণিঝড় হলেও আল্লাহ আমাদের বাংলাদেশের মানুষদেরকে হেফাজত করেন।

  • পাইকগাছায় নবাগত এসিল্যান্ড  আফরোজ শাহীন খসরুর যোগদান

    পাইকগাছায় নবাগত এসিল্যান্ড আফরোজ শাহীন খসরুর যোগদান

    পাইকগাছা(খুলনা)প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছা উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেছেন আফরোজ শাহীন খসরু।
    তিনি মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম নিকট থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন।
    এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম সহ ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দের পক্ষ থেকে নবাগত সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
    উল্লেখ্য, নবাগত এসিল্যান্ড আফরোজ শাহীন খসরু ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কৃর্তি সন্তান ও স্থায়ী বাসিন্দা। পিতা শেখ আজিজুর রহমান ছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। মা নার্গিস শাহীন সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। তিনি ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিসিএস ৩৬ তম ব্যাচে প্রশাসন ক্যাডারে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসাবে যোগদান করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে তিনি নড়াইল ডিসি অফিস, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর এবং ডুমুরিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসাবে কর্মরত ছিলেন। গত ৩০ মে তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসাবে খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় যোগদান করেন। যোগদান করেই নবাগত এসিল্যান্ড আফরোজ শাহীন খসরু বলেন পূর্বের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে ভূমি অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিতামূলক ও সহজীকরণ সেবা নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করে যাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • পাইকগাছায় নদ নদীর বর্তমান অবস্থা ও করনীয় বিষয়ক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় নদ নদীর বর্তমান অবস্থা ও করনীয় বিষয়ক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছায় উপজেলা পানি কমিটির আয়োজনে উপজেলার নদ নদীর বর্তমান অবস্থা ও করণীয় বিষয়ক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে আলোকদ্বীপ বাজারে উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যান রিপন কুমার মন্ডল। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ইউপি সদস্য চম্পক বিশ্বাস, রবিন্দ্র নাথ মন্ডল, লক্ষী রানী মন্ডল, আলোকদ্বীপ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনজিত রায়। শিক্ষক সুকৃতি মোহন সরকারের স ালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, তালা উপজেলা পানি কমিটির সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান, উত্তরণ কর্মকর্তা দিলিপ কুমার সানা, হাসান আব্দুলাহ আরাফাত, সাংবাদিক কৃষ্ণ রায়, প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র রায়, শিক্ষক দেব কুমার মন্ডল, সমারেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, সুকুমার বিশ্বাস, ডাক্তার শেখর চন্দ্র বিশ্বাস, সুভাষ চন্দ্র মন্ডল, প্রজেক্ট ম্যানেজার তানিয়া সুলতানা, গোলাম হোসেন, ও আলামিন মোড়ল।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়ামাফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় পৌর সদরের অস্থায়ী কার্য্যালয় দোয়া ও আলোচনা সভা হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি চিকিৎসক আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আইনজীবী জি এম আব্দুস সাত্তার, শাহাদাৎ হোসেন ডাবলু, মোস্তফা মোড়ল, মোঃ আবুল হোসেন, শেখ ইমামুল ইসলাম, শেখ আনারুল ইসলাম আব্দুল মজিদ গোলদার, প্রনব কান্তি মন্ডল, এস এম নাজির আহম্মদ, আসাদুজ্জামান খোকন, আইনজীবী টি এম সুমন, মেছের আলী সানা, সরদার ফারুক আহমেদ, এস এম মোহর আলী, গাজী মুজিবুর রহমান, আলমগীর হোসেন, গোলাম রব্বানী, আজাহারুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান মনি, বি এম আকিজ উদ্দীন, রায়হান পারভেজ টিপু, আবু মোছা সরদার, আবুল কাশেম সরদার, কাজী সাইফুল ইসলাম , কামাল হোসেন, সুজায়েত, কাশেম জোয়াদ্দার, মীর সাবান আলী, মাসুম হাজরা, ঈদ্রীস খান, আরিফ হোসেন, রাসেল হোসাইন, সহিদুর রহমান, শেখ ইব্রাহিম হোসেন, বাচ্চু সানা, ইসমাইল, আবুল খােেয়, শিমুল, কুদ্দুস মোড়ল, গাজী জবেদ আলী, বাবুল সরদার, শাহীন মোড়ল, আমিনুল শান্তুনু প্রমুখ।

  • সুজানগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

    সুজানগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

    সুজানগর প্রতিনিধি ঃ পাবনার সুজানগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (৩০ মে) সুজানগর উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের ব্যানারে এক আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। স্থানীয় মানিকদীর ঈদগাহ মাঠ চত্বরে সুজানগর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস ছালাম মোল্লার সভাপতিত্বে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকীর আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম সাজ্জাদ। অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা হারুন খন্দকার, মহিদুল মাষ্টার,মজিবুর রহমান খান, আব্দুল বাতেন, সুজানগর উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মোল্লা, পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক সিদ্দিক বিশ্বাস, সুজানগর পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মোল্লা, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক কিরামত হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম, যুবদল নেতা আব্দুল্লাহ, ছাত্রদল নেতা আরিফ ও সাকিল খান প্রমুখ। আলোচনা সভায় সুজানগর উপজেলা,পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনে ধান কর্তনের উদ্বোধন

    সুজানগরে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনে ধান কর্তনের উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রবি মৌসুমে ৫০ একরের ব্লক প্রদর্শনী স্থাপনের মাধ্যমে হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের সমলয়ে চাষাবাদের নিমিত্ত কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সমলয়ে চাষাবাদে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনের সাহাজ্যে ধান কর্তন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার উপজেলার ভায়নায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি পাবনার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোঃ জামাল উদ্দীন। এসএপিপিও আলমগীর হোসেনের স ালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি পাবনার অতিরিক্ত উপপরিচালক(উদ্ভিদ সংরক্ষণ) মো.আব্দুল মজিদ ও উপজেলা আ.লীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউনুস আলী বাদশা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রাফিউল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি পাবনার উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড.মোঃ জামাল উদ্দীন বলেন, কৃষকদের সুবিধার জন্য আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতিগুলো বর্তমান সরকার ভর্তুকি দিয়ে প্রদান করছে। বিভিন্ন দামের ছোট-বড় মেশিন রয়েছে । কৃষকেরা নিজেদের চাহিদা মতো ব্যবহার করতে পারবে। এই সব প্রযুক্তি ব্যবহার করলে কৃষকেরা উপকৃত হবে। সরকার প্রতি নিয়ত উন্নত প্রযুক্তির কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে, যেনো কৃষক অধিক ফলন লাভ করতে পারে,কৃষি বিভাগ সেই কাজ করে যাচ্ছে। সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম বলেন, কম্বাইন হারভেস্টার দ্বারা ধান কর্তন এই সময়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। দেশ বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণ হয়েছে সেই সঙ্গে বিভিন্ন যন্ত্রপাতিতেও স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার চেষ্টা চলছে। যেন আধুনিক যন্ত্রপাতি কৃষিকাজে ব্যবহার করে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়। প্রসঙ্গত, ২০২২-২৩ অর্থবছরে রবি মৌসুমে ৫০ একরের ব্লক প্রদর্শনী স্থাপনের মাধ্যমে হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের সমলয়ে চাষাবাদের নিমিত্ত কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় আধুনিক যন্ত্র রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে গত ফেব্রুয়ারী মাসে এ ধানের চারা রোপণ করা হয়েছিল ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • সুজানগরে মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক মানববন্ধন অনুষ্টিত

    সুজানগরে মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক মানববন্ধন অনুষ্টিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলার সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের সাতবাড়ীয়া বাজার চত্বরে উপজেলা ফোরাম নেটওয়ার্কের আয়োজনে ও সিসিডিবি-সিপিআরপির সহযোগিতায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সিসিডিবির এরিয়া ম্যানেজার ডেনিস মারান্ডীর সভাপতিত্বে ও প্রোগ্রাম অফিসার আলফ্রেড ঘোষের স ালনায় মানববন্ধন পরবর্তী মাদক বিরোধী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন ও সাতবাড়ীয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাছেত বাচ্চু। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন সাতবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রণব সরকার, হাসিব হাসান, উপজেলা সভানেত্রী হেলালী খাতুন, সিসিডিবির হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ডেভিট লিটন দাস ও প্রশিক্ষক মাসুমা ফেরদৌস। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম বলেন, মাদকদ্রব্য সেবনের অভ্যাসটি যখন একজন ব্যক্তির নেশায় পরিণত হয় ,তখন তা একসময় তাঁর মানসিক ও শারীরিক নির্ভরতার অবলম্বনে পরিণত হয়। নেশা জাতীয় দ্রব্যের প্রতি ক্রমাগত আকর্ষন বৃদ্ধি পায়। দৈন্দদিন তখন তাঁর মাদকের ওপর নির্ভরতা বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে মাদক গ্রহণের মাত্রা বাড়তে থাকে। নেশা তার সব মনোযোগ কেড়ে নেয়। চেনা মানুষটি ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। দৈন্দদিন জীবনের সব ধরণের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে । নির্ঘুম কাটে রাত কিংবা বিশৃঙ্খল জীবনে দিনরাত একাকার হয়ে যায়। তাই মাদক থেকে তাদের রক্ষা করার পাশাপাশি মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা প্রয়োজন। তরুণ, ছাত্র সমাজ ও যুব সমাজ দেশের সম্পদ। এদের প্রতি অভিভাবকদের বেশি করে দায়িত্বশীল হতে হবে। এছাড়া মাদকের ভয়াবহতা থেকে আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করতে সমাজের সব স্তর থেকে মাদক ও মাদকাসক্তদের বয়কট করতে হবে বলেও জানান প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।