Author: desk

  • পাথরঘাটায় পরিত্যক্ত ভবনে শিক্ষকদের লাইব্রেরী। প্রচন্ড তাপদাহে টিনসেড ঘরে শিশুদের ক্লাস

    পাথরঘাটায় পরিত্যক্ত ভবনে শিক্ষকদের লাইব্রেরী। প্রচন্ড তাপদাহে টিনসেড ঘরে শিশুদের ক্লাস

    অমল তালুকদার, পাথরঘাটা(বরগুনা)থেকে :ভবন না থাকায় এলজিইডির পরিত্যক্ত ভবনে স্কুল শিক্ষকরা অফিসকক্ষ (লাইব্রেরি) বানিয়েছেন! বাড়ছে জীবনের ঝুঁকি। অপরদিকে জৈষ্ঠের প্রচন্ড খড়তাপে খোলামাঠের টিনসেড ঘরে পাঠগ্রহনে বাধ্য হচ্ছে প্রাইমারির কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা।

    বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলাধীন ১০১ নং পূর্ব কাঠালতলী নপ্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরজমিনে এমন চিত্রই ফুটেছে।

    বিদ্যালয়ের ছাদ ও দেয়াল থেকে প্রতিনিয়ত খসে পড়ছে সিমেন্ট-বালু ইট সহ পুরাতন পলেস্তার। জানালা-কপাট খুলে পরে আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে মেঝেতে। এলজিইডি কর্তৃক পরিত্যক্ত ঘোষিত এই প্রাইমারী স্কুলটির একটি কক্ষ লাইব্রেরি হিসেবে এখনও ব্যবহার করছেন প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সহ কতৃপক্ষ ।

    বিদ্যালয়ের সামনে একটি বিকল্প টিনসেড ঘরে আপাতত দেয়া হচ্ছে পাঠদান। এই জৈষ্ঠ্যের প্রখড় রোদে টিনের তাপে প্রায়শই শিশুদের অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু টনক নড়ছে না কর্তৃপক্ষের।

    বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক প্রধান শিক্ষক ফরিদ উদ্দিন মাস্টার বলেন, আমরা ভবনের জন্য বার বার মৌখিক ও লিখিত আবেদন নিবেদন করেছি। দু:খের বিষয় হল তাতে কোনো সারা মিলছে না। আমাদের জরুরি দরকার এই বিদ্যালয়ের ভবনটি।

    প্রধান শিক্ষক শিউলী বেগম বলেন,আমরা শিক্ষাখাতে দেয়া সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি। এখন দাবী শুধু ভবনের। ঘূর্ণঝড় শুরু হলে কিংবা কোন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ আরম্ভ হলে শিশুরা আতঙ্কিত হয়েপরে।

    স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইয়াসমিন আরা বলেন, বিদ্যালয়ের ভবন না থাকায় প্রতি মুহূর্তেই আতঙ্কের মধ্যে থাকে শিশুরা। এছাড়াও অতিরিক্ত গরম ও তাপদাহে শিশুরা অসুস্থ হয়ে পরছে প্রায় প্রতিদিন ।

    স্থানীয়রা বলেন, প্রাইমারি হচ্ছে মানুষ গড়ার প্রথম ধাপ আর সেখানে যদি আসে জীবনমরণের প্রশ্ন,তখনই সঙ্কার মুখে পরবে ওই এলাকাটির প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা।

    এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা টি এম শাহ আলম বললেন, আমরা এ বিদ্যালয়টিকে জরাজীর্ণ ভবনের তালিকার আওতায় নিয়েছি। এলজিইডি ভবনটিকে আরও আগেই পরিত্যাক্ত ঘোষনা করেছে।
    বর্তমান অর্থ বছরেও উপরমহলে ফের তালিকা পাঠিয়েছি। আশাকরছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই দূর্ভোগ লাঘবে ভবন নির্মাণে অনুমোদন মিলবে।

  • বানারীপাড়ায় জামিনে ছাড়া পেয়ে সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে মারধরের ঘটনায় ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    বানারীপাড়ায় জামিনে ছাড়া পেয়ে সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে মারধরের ঘটনায় ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    মোঘল সুমন শাফকাত, বরিশাল প্রতিনিধি।
    বরিশালের বানারীপাড়ায় জেল থেকে জামিনে বেড়িয়ে সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে এসে
    মারধর ও হুমকি ধামকি দেয়ায় মোঃ শামিম বালী সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায়
    লিখিত অভিযোগ করেছেন লিনা খানম। থানার অভিযোগ ও সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে
    উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বাইশারী বাজার সংলগ্ন আবদুল হাকিম হাওলাদারের
    মেয়ে লিনা খানমের সাথে সৈয়দকাঠির সাতবাড়িয়া গ্রামের আবুল বালীর ছেলে
    শামিম বালীর বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে শামিম স্ত্রী লিনাকে যৌতুকের জন্য
    শারীরীক ভাবে নির্যাতন করে। নির্যাতন ও যৌতুক এবং কলহের এক পর্যায়ে লীনা
    ও শামিমের সাথে বিচ্ছেদ ঘটে। এর পরে লিনা তার স্বামী শামিমের বিরুদ্ধে
    বরিশাল আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে সেই মামলায়
    শামিম বালী গ্রেফতার হয়ে হাজতবাস করে। মামলা নং- ৩৩৮/২০২২। সম্প্রতি জেল
    থেকে জামিনে বেড়িয়ে শামিম ৩১ মে সকালে স্থানীয় আল আমিন ও কালাম ঘরামীকে
    সাথে নিয়ে সাবেক স্ত্রী লিনা খানমের বাড়িতে ঢুকে লিনাকে মারধর ও হুমকি
    ধামকি দিয়ে চলে যায়। এ অবস্থায় অসহায় লিনা খানম ও তার অসুস্থ পিতা সহ
    গোটা পরিবার জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছে।

  • বানারীপাড়ায় বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ

    বানারীপাড়ায় বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ

    মোঘল সুমন শাফকাত,বরিশাল প্রতিনিধি।
    বরিশালের বানারীপাড়ায় বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার
    উদয়কাঠি ইউনিয়নের তেতলা গ্রামের হুমায়ূন গাজির সইতি ডেইরি এন্ড পোল্ট্রি
    ফিস প্রজেক্টের পুকুরে শত্রুতার জেরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ৪০ হাজার
    পাঙ্গাস মাছের পোনা সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ৩১
    মে বুধবার প্রজেক্ট ম্যানেজার করিম বাহাদুর বাদি হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ
    করেন। সরেজমিনে গেলে করিম বাহাদুর ও স্থানীয় রবিউল জানান প্রায় সপ্তাহ
    খানেক পূর্বে তাদের গ্রামে পিরোজপুর জেলার নাজিরপুরের গাওখালী গ্রামের
    মৎস্য হকার(ব্যাবসায়ী) সেলিম পাঙ্গাস মাছের পোনা বিক্রির জন্য তেতলা
    গ্রামে পশ্চিম তেতলার গাজি বাড়িতে আসেন। এসময় মাছের দাম বেশি চাওয়ায় হকার
    সেলিম ও প্রজেক্ট ম্যানেজার বাহাদুরের সাথে কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয়। পরে
    করিম বাহাদুর ও রবিউল ২৯ মে যশোর থেকে ওই মাছের পোনা সেলিম হকারের চাওয়া
    দামের থেকে অনেক কম মূল্যে ক্রয় করে বানারীপাড়ায় নিয়ে আসেন। ৩১ মে সকালে
    পুকুর পারে বসবাসরত প্রজেক্টের শ্রমিক কামরুল পুকুরে মাছ মরে ভেষে রয়েছে
    দেখে বিষয়টি প্রজেক্ট ম্যানেজার বাহাদুরকে অবহিত করেন। পরে পুকুর থেকে
    মরে ভেষে ওঠা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ দেখে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে
    নিশ্চিত হন প্রজেক্ট ম্যানেজার। এদিকে ৩০ মে সন্ধ্যা রাতে তেতলা গ্রামে
    ওই মৎস্য হকার সেলিমকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় বলে জানিয়েছে রবিউল।

  • পাইকগাছায় তীব্র গরমে তৃষ্ণা মেটাতে ফুট পথের শরবতের চাহিদা বাড়ছে ;   মানুষের তৃষ্ণা মিটলেও বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

    পাইকগাছায় তীব্র গরমে তৃষ্ণা মেটাতে ফুট পথের শরবতের চাহিদা বাড়ছে ; মানুষের তৃষ্ণা মিটলেও বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    জৈষ্ঠের টানা তাপদাহ। তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ নগরবাসী। ঘর থেকে বের হলেই গরমে ঘেমে নাজেহাল। হেঁটে বা গাড়িতে করে এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যেতে ঘাম ঝরছে শরীর থেকে। কাঠফাটা রোদে শুকিয়ে যাওয়া গলা ভেজাতে রাস্তার পাশের দোকান থেকে ঠান্ডা শরবত ও জুস কিনে পান করেন অনেক মানুষ। সাময়িক প্রশান্তি আর তৃষ্ণা মেটাতে তাই মানুষ ঝুঁকছে রাস্তার শরবত-ফলে। অস্বস্তিকর গরমে রাস্তার পাশের অস্থায় কিংবা ভ্রাম্যমাণ পানীয় ও কাটা ফলের দোকানগুলোতে ভিড় চোখে পড়ার মতো।
    কিন্তু এসব শরবত ও জুসের মান নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। চিকিৎসকরা বলেছেন, ফুটপাতে বা ভ্যানে বিক্রি হওয়া শরবত-জুস খেয়ে মানুষের তৃষ্ণা মিটলেও বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। ডায়রিয়া, কলেরা ও কিডনিজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয় এতে। এসব খাবারে আস্থা নেই ডাক্তারের।
    পাইকগাছার পৌর বাজারে চোখে পড়বে ব্যস্ত সড়কের মোড়ে, মার্কেটের সামনে,স্কুলের সামনে, রাস্তার পাশে দাঁড়ানো লেবু পানি, আখের রস, বেলের শরবত, আম-পেয়ারা , তরমুজ, শসা, ডাবসহ নানা প্রকারের লোভনীয় ফল-ফলাদি। গরম বেশি পড়লে বেড়ে যায় এসব খাবারের চাহিদা।
    উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে ভ্যানে করে শরবত বিক্রি করছেন হকাররা। ভ্যানের ওপর একটি ফিল্টারে পানি ও বরফ মিশিয়ে রাখা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে লেবু , ড্রিংক পাউডার, বিট লবন, তোকমা ও বরফ কুচি। শুধু লেবুর শরবত বিক্রি হচ্ছে ৫ টাকায় আর ড্রিংক পাউডার দিয়ে তৈরি শরবত বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।
    লেবুর শরবত বিক্রেতারা জানান, খবার পানি দিয়ে লেবুর শরবত তৈরি করা হয়। লেবুর শরবতের সাথে বিট লবন ও চিনি মিশিয়ে দেওয়া হয়। আর যেসব বরফ দেওয়া হয়, সেগুলো সংগ্রহ করা হয় বিভিন্ন মাছের আড়ত থেকে। মাছ সংরক্ষণের জন্য আড়তদাররা এসব বরফ তৈরি করেন। আর লেবু বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকারি দামে কেনা হয়। অন্যদিকে আখের রসেও দেওয়া হচ্ছে মাছ সংরক্ষণের জন্য তৈরি করা বরফ। আর পানি দিয়ে ধোয়া হচ্ছে আখগুলো। দোকানিরা বলছেন, গরমের কারণে সব ধরনের শরবত-জুসের চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ এ ধরনের শরবত বেশি পান করেন।
    লেবুর শরবত বিক্রেতা নুর ইসলাম বলেন, প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ গ্লাস শরবত বিক্রি হয়। বেশি বিক্রি হলে লাভও হয় বেশি। শরবতের ক্রেতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভ্যানচালক, বাসের হেলপার, ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাওয়া মানুষ তাদের ক্রেতা। আবার স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা পান করে শরবত। বরফ কুচি ও বিট লবণ মেশানো লেবুর শরবতের দোকানেও গরমে অস্থির অনেকেই স্বস্তি খুঁজতে ভিড় করেছেন।
    লেবুর শরবত বিক্রেতা শহিদুল মোড়ল বলেন, এখন অনেক কাস্টমার।বেশী গরম পড়লে ভীড় বেড়ে যায়। আমার লেবুর পানি একশ ভাগ ভালো। ভালো কারখানা থেকে বরফ আনা। কোনো ক্ষতি হয় না। বিভিন্ন সূত্রমতে, রাস্তার এসব পানীয়তে যে বরফ ব্যবহার করা হয় তা মাছের আড়ৎএ ব্যবহার করা হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হয় এ বরফ। এসব বরফে মেশানো থাকে কেমিক্যাল ও ইউরিয়া। ফলে ঠাণ্ডার পরশ পেয়ে সাময়িক স্বস্তি মিললেও অজান্তেই শরীরে যাচ্ছে জন্ডিস, ডাইরিয়াসহ অন্য রোগের জীবাণু। যদিও বিক্রেতাদের দাবি, খাওয়ার বরফ যেসব কারখানায় বানানো হয়, সেখান থেকে বরফ কেনেন তারা। স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বানানোও হয়।
    চিকিৎসকরা বলছেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিক্রি হওয়া এসব শরবতে ব্যবহৃত অনেক উপাদানই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তার ওপর রাস্তার ধুলাবালি তো আছেই। বাল্তিতে রাথা পানিতে ঢুবিয়ে গ্লাস ধোয়া হচ্ছে। একটি গ্লাসে শতশত মানুষ শরবত পান করেন। ফলে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটছে সহজে। অন্যদিকে ফুটপাতের ওপর কেটে রাখা ফলের ওপর বসছে মাছি, পড়ছে ধুলাবালিও। যা খেয়ে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন ভোক্তারা।
    পাইকগাছা উপজেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর উদয় মষ্ডল বলেন, গরমে পানি পান করা জরুরি। রাস্তার পাশের ঠান্ডা পানীয় দেখতে খুব আকর্ষণীয় হলেও স্বাস্থ্যের জন্য তা বড় রকমের ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এ কারণে শরবতে রং, কেমিক্যালসহ শরিরের ক্ষতিকর কোন দ্রব্য না মিশায় তার তদারকি ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে শরবত বানানোর জন্য উদ্বদ্ধ করা হয় বিক্রেতাদের।
    পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমল্পেস্র এর স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা.নিতীশ চন্দ্র গোলদার বলেন, পথঘাটে খাবার না খাওয়াই ভালো। রাস্তার পাশে এসব খাবার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে প্রস্তুত হয়। এগুলো খেলে ডায়রিয়া, আমাশয় ও জন্ডিসের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়াবে এ ধরনের শরবত বা পানীয়। তিনি বলেন, ক্লান্ত হয়ে ফুটপাতের দোকান থেকে এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় পান করলেন। কিছুদিন পর হঠাৎ খেয়াল করলেন, আপনার চোখ কিংবা প্রস্রাব হলুদ বর্ণের হয়ে গেল। সঙ্গে তীব্র বমি ও পেটে ব্যথা। এ খাবারগুলোতে বিশুদ্ধ পানিও ব্যবহার করা হয় না। আবার একই গ্লাস দিয়ে অনেকেই পান করেন। এতে পানকারীদের কেউ হেপাটাইটিস ‘এ’ ও ‘ই’ ভাইরাসে আক্রান্ত থাকলে গ্লাসের মাধ্যমে সুস্থ মানুষের শরীরেও যেতে পারে। সাময়িক তৃপ্তি দিলেও সচেতনতার সঙ্গে এসব শরবত ও পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

  • পাইকগাছায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত

    পাইকগাছায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
    এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে “তামাক নয়, খাদ্য ফলান” প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নিতিশ চন্দ্র গোলদার, অধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল। বক্তব্য রাখেন, সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জিএম বাবলুর রহমান, পল্লী স য় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ঘোষ, সহকারী অধ্যাপক জিএম আব্দুর রাজ্জাক বুলি, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি জিএম শুকুরুজ্জামান, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, এসএম হাবিবুর রহমান ও রোভার স্কাউটস নয়ন মনি বিশ্বাস এবং উম্মে উর্মি।

  • পাইকগাছায় বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

    পাইকগাছায় বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতায় নিজ ইউনিয়নের ২৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল প্রদান করে খেলাধুলায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন পাইকগাছার গড়ইখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক কৃতি ফুটবলার জিএম আব্দুস সালাম কেরু।
    তার সার্বিক সহযোগিতায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উৎসব মূখর পরিবেশে আয়োজন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতা। ইউনিয়নের দু’টি ভেন্যু গড়ইখালী আলমশাহী ইনস্টিটিউট মাঠ ও বাইনবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রথম দিনের খেলার আয়োজন করা হয়।
    চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু বাইনবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে তিনি বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান স্বরূপ ইউনিয়নের ২৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যক্তিগতভাবে ২৩টি ফুটবল প্রদান করেন।
    এ প্রতিযোগিতায় ইউনিয়নের ২৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করছে। বাইনবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রতিযোগিতা শেষে বাইনবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা প্রতিযোগিতার দুটি বিভাগেই ৩য় রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাইনবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবপ্রসাদ সানা, প্রাক্তন শিক্ষক অনীল কৃষ্ণ মন্ডল, বাইনবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দ্বিজেন্দ্রনাথ মৃধা, আওয়ামী লীগনেতা আব্দুস সাত্তার, যুবলীগনেতা মানবেন্দ্র মন্ডল, আছাদুজ্জামান, শিক্ষক অনুপ সরকার, জাহ্নবী যোদ্দার, অরুময় রায়, প্রিয়নাথ মন্ডল, তরুণ কান্তি মন্ডল, দীপঙ্কর সরদার, ভবেশ চন্দ্র গোলদার, তন্ময় মন্ডল, বিধান চন্দ্র ঢালী ও কানুরাম সরকার।

  • পাইকগাছা পৌর ভবনের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন

    পাইকগাছা পৌর ভবনের ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছা পৌরসভার নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঢালাই কাজের উদ্বোধন করেন মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লালু সরদার, প্যানেল মেয়র শেখ মাহাবুবর রহমান রনজু, কাউন্সিলর আলাউদ্দীন গাজী, অহেদ আলী গাজী, আব্দুল গফফার মোড়ল, এসএম তৈয়েবর রহমান, রবি শংকর মন্ডল, কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, ইমরান সরদার, এমদাদুল হক, কবিতা দাশ, আসমা আহম্মেদ, রাফেজা খানম, নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আহম্মদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী লিটু শেখ।
    উল্লেখ্য, উপজেলা সদরের জিরোপয়েন্ট শিববাটী সড়কের মধ্যবর্তী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাবস্টেশনের সামনে সাড়ে ৪ বিঘা জমির উপর পৌরসভার ৪তলা বিশিষ্ট নিজস্ব ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণাধীন ভবনের সম্ভব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি টাকা। নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। নির্মাণ কাজ করছে খুলনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিয়াউল ট্রেডার্স।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • নড়াইল পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েই গেছে

    নড়াইল পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েই গেছে

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:

    নড়াইল পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েই গেছে। নির্মাণের পর মাত্র তিন মাস নড়াইলের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি ঠিকঠাক ভাবেই চলছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে আছে প্লান্টটি তৎকালীন মেয়র জেড়াতালি দিয়ে কিছুদিন চালালেও নানাবিধ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বর্তমান মেয়র পুণরায় আর চালু করতে সক্ষম হননি। এরপর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ৪ বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে প্লান্টটি। এতে পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকট রয়েই গেছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নড়াইলবাসীর বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে শহরের গোহাটখোলায় এলাকায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ২০১৪ সালে ৩৫০ ঘনমিটার পানি শোধন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এর কাজ শুরু করে। ১০ কোটি টাকা দিয়ে নির্মিত এই মেগা প্রকল্পটি ২০১৯ সালে পরিচালনার জন্য পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
    প্রায় সাত বছর যাবৎ নির্মান কাজ সম্পন্ন হবার পরে নড়াইলবাসী বিশুদ্ধ পানি পেতে শুরু করেছিল। কিন্তু মাত্র ৩ মাস যেতে না যেতেই নানা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমান মেয়র দায়িত্ব পেয়ে সেই সমস্ত সমস্যার সমাধান করে পুণরায় চালু করলেও একের পর এক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। আবারও বন্ধ হয়ে পড়ে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি।
    পৌরবাসীদের সঙ্গে কথা হলে অনেকেই জানান, পৌর এলাকার দুই লক্ষ্যাধিক জনগোষ্ঠীর বিশুদ্ধ পানির সমস্যা সমাধানে এই প্লান্টটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল এটির মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি পাবে পৌরবাসী৷ কিন্তু বাস্তবে এটি কোনো কাজে আসছে না। আমরা বিশুদ্ধ পানি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। পুনরায় চালু করা গেলে বিশুদ্ধ পানির সংকট কমবে বলেও জানান তারা।
    এ ব্যাপারে নড়াইল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম আবু সালেহ বলেন, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি তৈরি করে পৌরসভার নিকট হস্তান্তর করার হয়েছে। তবে প্লান্টটি পরিচালনার দায়িত্ব তাদের নয় পৌরসভার।
    এ বিষয়ে নড়াইল পৌরসভার মেয়র আঞ্জুমান আরা বলেন, নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী এবং যন্ত্রপাতি হওয়ায় প্রায়ই অচল অবস্থায় পড়ে থাকে পাম্প হাউজটি। ফলে পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

  • ঝিনাইদহ সড়কের নির্বাহী প্রকৌশলীর  বিরুদ্ধে মুসল্লীদের মানববন্ধন

    ঝিনাইদহ সড়কের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মুসল্লীদের মানববন্ধন

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ মসজিদের খতিব আবুল হাসানকে অবৈধ ভাবে রাতের আঁধারে অপসারণ করার প্রতিবাদে ফুসে উঠেছে সাধারণ মুসল্লীরা। বুধবার জোহরের নামাজ শেষে সাধারণ মুসল্লীরা রাস্তার সামনে দাড়িয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকে। মানববন্ধন শেষে এক প্রতিবাদ সভায় মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি আতিয়ার রহমান, সামছুল ইসলাম ও ইদ্রিস আলী বক্তব্য রাখেন। বক্তাগন বলেন, ঝিনাইদহ সড়কের নির্বাহী প্রকোশলী আনোয়ার পারভেজ মসজিদে এক ওয়াক্ত নামাজও জামায়াতের সঙ্গে পড়েন না। অথচ রাতে আঁধারে তিনি পকেট কমিটি করে মুসল্লীদের অপমান করেছেন। মুসল্লীরা আগামী শুক্রবারের মধ্যে খতিবকে স্বপদে বহাল ও সাধারণ মুসল্লীদের নিয়ে কমিটি গঠনের আল্টিমেটাম ঘোষনা করেন। তা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুসিয়ারী দেওয়া হয়। মুসল্লী আতিয়ার রহমান বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে ৪৭ বছর খতিব পদে আছেস আবুল হাসান। তিনি ছাপড়া মসজিদ থেকে আজ তিন তলা পর্যন্ত করতে পরিশ্রম ও মেধা দিয়েছেন। অথচ তাঁকে অপমান অপদস্ত করে রাতের আধাঁরে বিদায় করে দেওয়া হলো। মুসল্লি সামছুল ইসলাম বলেন, আগামী শুক্রবারের মধ্যে ইমাম আবুল হাসানকে পুনুরায় স্বপদে বাহাল করা না হলে নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আরো কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মুসল্লি ইদ্রিস আলী বলেন, কিছু স্বার্থন্বেষী বহিরাগত ব্যাক্তিদের প্ররোচনায় মুসল্লিদের না জানিয়ে এবং পূর্বের কমিটির কোন সদস্যকে না রেখে রাতের আধাঁরে নির্বাহী প্রকৌশলী যে পকেট কমিটি গঠন করেছেন তা আমরা মানি না। এই কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপখ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মাদ আনোয়ার পারভেজের মুঠোফোনে যোগাযোগ চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • ঝিনাইদহের কুখ্যাত সুদখোর রফির গ্রেফতারের দাবীতে সড়ক অবরোধ ঝাড়ু মিছিল

    ঝিনাইদহের কুখ্যাত সুদখোর রফির গ্রেফতারের দাবীতে সড়ক অবরোধ ঝাড়ু মিছিল

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের বিষয়খালী বাজারে রান সঞ্চয় ও ঋণ দান সমিতির মালিক রফিকুল ইসলাম ওরফে সুদখোর রফির নির্যাতন বন্ধ, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও দ্রæত গ্রেফতারের দাবীতে সড়ক অবরোধ করেছেন নির্যাতিত এলাকাবাসী। বুধবার সকালে শত শত গ্রামবাসি ঝাড়– হাতে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিলসহ ঝিনাইদহ যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে বিষয়খালী বাজারে মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়। সেখানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম, সাবেক চেয়ারম্যান আবু বক্কার, কানুহরপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেন মেম্বর, বিষয়খালী গ্রামের শামিম হোসেন, কেশবপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম, বিষয়খালী গ্রামের নজির উদ্দীন, দবির উদ্দীন, যাত্রাপুর গ্রামে চম্পা খাতুন, কয়ারগাছি আবাসন এলাকার রেখা খাতুন ও আমজাদ হোসেন প্রমুখ। মানববন্ধন কর্মসুচি শেষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে নির্যাতিতরা অভিযোগ করেন, সুদখোর রফি অল্প সুদে ঋণ দেওয়ার নাম করে চড়া সুদ আদায় করেন। টাকা না দিলে সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী বাহিনী দিয়ে বাড়ি ঘরে হামলা করছে। এছাড়া ঋন প্রদানের সময় ব্যাংকের ফাঁকা চেক ও ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্প নিয়ে রাখেন। ঋণ শোধের আগেই ঋনের ৬ গুন টাকা দাবী করে মামলা দিয়ে হয়রানী করছেন। সুদের টাকা দিতে দেরী হলেই গুন্ডাবাহিনীর অত্যাচার নেমে আসে পরিবারের উপর। রফিকুল ইসলাম ওরফে সুদখোর রফির অত্যাচারে মৃত্যুবরণকারী যাত্রাপুর গ্রামের আক্তারুজামানের মা বলেন, আমার ছেলে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে ১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা শোধ করলেও টাকার জন্য রফি তার অফিসে ডেকে গুন্ডাবাহিনী দিয়ে মারধর করে। পরে অপমান সহ্য করতে না পেরে বিষপানে আত্যহত্যা করে। তাই ন্যায় বিচারের দাবীতে এই সড়ক অবরোধে আমিও শরীক হয়েছি। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, সুদখোর রফির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেও কোন কাজ হয়নি। বরং রফি তার ভাড়াটিয়া বাহিনী দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঋন গ্রহীতাদের খুন জখমের হুমকী দিচ্ছে। সুদখোর রফি’র গ্রেফতার ও বিচার দাবীতে সড়ক অবরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম জানান, বিষয়টি আমি অবহিত আছি। সুদখোর রফি’র গ্রেফতারের জন্য যা যা করা তাই করা হবে। প্রশাসন ও চেয়ারম্যানের আশ^াসে অবরোধকারীরা সড়ক ছেড়ে দেন।