Author: desk

  • গোদাগাড়ী নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে

    গোদাগাড়ী নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে

    হায়দার আলী,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি পিএলসি নেসকোর নিবার্হী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ব্যপক অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
    নতুন সংযোগ নেয়ার জন্য জমির দলিলের মূলকপি ও খতিয়ানের মূলকপি চাচ্ছেন । না দিতে পারলে উৎকোচের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। নেসকোর অন্য কোন অফিসে এ নিয়ম চালু নেই।

    আবাসিক গ্রাহকদের ব্যাধ্যকরে লোডবৃদ্ধি করার জন্য চাপ দিচ্ছেন, ১ কিলোওয়াট লোডবৃদ্ধি করতে ৫০০ এবং ২ কিলোওয়াট লোড বৃদ্ধি করতে ১ হাজার ৩ শ টাকা, ৩ কিলোওয়াট বৃদ্ধি করতে ১ হাজার ৯শ উৎকোচ গ্রহন করা হচ্ছে। না করলে লাইন বিচ্ছিন্ন করা হুমর্কী প্রদান করা হচ্ছে।

    গোদাগাড়ী নেসকোর বিদুৎ সরবারাহ কেন্দ্র সুত্রে জানাযায় ড্রাইভার নাহিদ, মিটার রিডার সাদিকুল ডাবলুসহ কয়েকজনকে কর্মচারিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে।
    মিটার রিডার সাদিকুল ও বিল বিতরণকারি ডাবলুকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে চাকুরি থেকে এখন বাদ দেয়া হয়েছে। এদের পরিবর্তে মিটার রিডার হিসেবে জিয়া, বাসির, রুবেল, সজলকে নতুনভাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    তিনি এখানে জয়েন্ট করার পর থেকে যেন নেসকো অফিসে কর্মচারিদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    উপ সহকারি প্রকৌশলী আহসানুল্লাহ, ও সাব্বির হোসেনের দাপটে নেসকো পিএলসি গোদাগাড়ীর গ্রাহকগণ নজীরবিহীন হয়রানির স্বীকার হচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই।

    গত বছরের নভেম্বর মাসে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান আবু রায়হান। এরপর থেকে এই প্রকৌশলী ঠিকঠাকভাবে তার দায়িত্ব পালন না করায় গোদাগাড়ীতে ঘনঘন বিদুৎ বিভ্রাট ঘটে। এতে করে বিদুৎ গ্রাহকরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।

    গোদাগাড়ী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শহিদুল ইসলাম বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে মাত্র ৬-৭ ঘন্টা বিদুৎ থাকে।
    নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান আবু রায়হানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হবে। নির্বাহী প্রকৌশলী রায়হান যোগদান করার পর থেকে বিশেষ করে মাগরিব ও এশারের নামাজের সময় বিদুৎ থাকেনা।

    পৌর এলাকার বুজরুকপাড়া গ্রামের সৈয়দ সাদরুজ্জামান রন্টু বলেন, ঘনঘন বিদুৎ যাওয়া-আসার কারণে তার এসএসসি পরীক্ষার্থী মেয়ের লেখা পড়া করতে পারে না। বিদুতের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে ফোন করলে কাওকে পাওয়া যায় না। নেসকোর গোদাগাড়ী অফিসের একটি সুত্র জানায়, নির্বাহী প্রকৌশলী সকাল ১১ থেকে কোনদিন আবার দুপুর ১২টার দিকে অফিসে আসে। আর ২ টার দিকে চলে যায়।

    নতুন বিদুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করলে ঘুষ ছাড়া সংযোগ পাওয়া যায় না। গোদাগাড়ী ডাইংপাড়া মোড়ে সরকারী জায়গায় দোকান রয়েছে বিকাশ চন্দ্র সিংহের। এই দোকান ঘরে নতুন বিদুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করলে সরকারী জায়গায় বিদুৎ সংযোগ দেওয়ার নিয়ম নেই এই অজুহাত দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাই। কিন্তু বিকাশ চন্দ্র সিংহ এত টাকা জোগাড় করতে না পাড়ায় তার বিদুৎ সংযোগটি দিচ্ছে না নির্বাহী প্রকৌশলী। অথচ বিকাশ চন্দ্র সিংহ দোকানের পাশে সরকারী জায়গায় বিএনপির দলীয় কার্যলয়সহ হাজারও বেশি বিদুৎ সংযোগ রয়েছে। এই নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনওর) কাছে অভিযোগ করেন বিকাশ চন্দ্র সিংহ।

    ইউএনও সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, বিকাশ চন্দ্র সিংহকে বিদুৎ সংযোগ দিতে অনুরোধ জানিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

    বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি প্রসঙ্গে নেসকোর নিবার্হী প্রকৌশলী আবু রায়হানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মোবাইলে কথা বলতে সেবা দিতে পারিনা অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন, তবে তিনি বলেন, সরকারী জায়গায় বিদুৎ সংযোগ দেয়ার নিয়ম নাই। ঘুষ ও অনিয়মের বিষয়টি সঠিক নয়।

    উপ সহকারি প্রকৌশলী সাব্বিরের সাথে এসব অনিয়ম দুনীতির ব্যপারে কথা বলা হলে তিনি বলেন, আমি ঢাকা যাচ্ছি প্রশিক্ষনে এসে কথা বলবো বলে মোবাইল কেটে দেন।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী

  • আনসার বাহিনীর পরিচালক পদে পদোন্নতি পাওয়ায় এনামুল খাঁনে জন্মস্থায় কোটালীপাড়ায় আনন্দ

    আনসার বাহিনীর পরিচালক পদে পদোন্নতি পাওয়ায় এনামুল খাঁনে জন্মস্থায় কোটালীপাড়ায় আনন্দ

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কৃতি সন্তান, শিক্ষানুরাগী এনামুল খাঁন। তার পরিচালক পদে পদোন্নতি প্রাপ্তিতে নিজ জন্মস্থান গোপালগঞ্জ জেলা তথা কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অত্যন্ত উচ্ছ্বাস ও আনন্দ প্রকাশ করেন।

    জানাগেছে, গত ৩০ মে মঙ্গলবার মহামান্য রাস্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব কে এম সালাহউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রঙ্গাপনে এ পদোন্নতি প্রদান করা হয়। ১লা জুন বৃহস্পতিবার আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একে এম আমিনুল হক তাকে র‌্যাংক ব্যাজ পড়িয়ে দেন।

    এনামুল খাঁন উপজেলার শুয়াগ্রাম ইউনিয়নের কালার বাড়ি গ্রামের আব্দুল হালিম খাঁন এর পুত্র। তার মাতার নাম ফুলজান বেগম। তিনি ১৯৮১ সালের ৮ই জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ব্যাক্তি জীবনে বিবাহিত এবং দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। এনামুল খাঁন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-পরিচালক ৩০ আনসার ব্যাটালিয়ন সাতক্ষীরার অধিনায়ক ছিলেন।

    এদিকে তার পরিচালক পদে পদোন্নতি প্রাপ্তিতে ৩০ আনসার ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যবৃন্দসহ নিজ জন্মস্থান গোপালগঞ্জ জেলা তথা কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অত্যন্ত উচ্ছ্বাস ও আনন্দ প্রকাশ করেন। এছাড়াও অসংখ্য শুভাকাঙ্খী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ফোনের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    এনামুল খাঁন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন সৎ, দক্ষ ও পেশাদার অফিসার হিসাবে সুপরিচিত। তিনি ২০১০ সালে ২৮ তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীতে সহকারী পরিচালক হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ৩০ আনসার ব্যাটালিয়নে যোগদানের পূর্বে তিনি রাজবাড়ী, ফরিদপুর, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায়, জেলা কমান্ড্যান্ট হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও সুনামের সাথে সুচারুভাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ২০২২ সালে সিলেট ও সুনামগঞ্জে স্মরণ কালের ভয়াবহ বন্যায় শুরু থেকেই আনসার ভিডিপি সদস্যদের নিয়ে বন্যা দুর্গতদের উদ্ধার করেন এবং তাদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ত্রান বিতরন করেন যা সর্ব মহলে অত্যন্ত প্রসংশিত হন।

    এক প্রতিক্রিয়ায় এনামুল খাঁন বলেন, আনসার ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এমন সম্মানজনক স্থানে পদোন্নতি হওয়ায় তার কাজের প্রতি আরো উৎসাহ এবং দায়িত্ব বেড়ে গেছে। আগামীতেও আমি যেনো সততা, নিষ্ঠা এবং দক্ষতার সাথে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারি সেজন্য সকলের দোয়া/ আশীর্বাদ ও সহযোগিতা কামনা করছি। গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি বঙ্গবন্ধু কন্যা, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি মহোদয়ের প্রতি। এছাড়া কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মহোদয় ও উর্ধতন কর্মকর্তা, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মহোদয় ও উর্ধতন কর্মকর্তাদের প্রতি। কৃতজ্ঞতা জানাই আমার উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সহকর্মীবৃন্দ এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সকল সদস্য-সদস্যাবৃন্দের প্রতি যারা দায়িত্ব পালনে আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। এছাড়াও আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই আমার আমার মা-বাবা, আমার সহধর্মিণী, ভাই বোন,আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব এবং আমার নিজ জেলা গোপালগঞ্জসহ সারা দেশের সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি যাদের দোয়া ও ভালবাসায় নিজের জীবনকে স্বার্থক মনে হচ্ছে। সর্বপরি সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ পাকের শুকরিয়া যিনি আমাকে সম্মানিত করেছেন। #

  • ডাসারে ছাত্রলীগের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইনান

    ডাসারে ছাত্রলীগের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইনান

    রতন দে, মাদারিপুর প্রতিনিধিঃ
    বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান এর বরিশাল সফরে যাওয়ার পথে শতশত নেতাকর্মী নিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ডাসার উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ ও ঢাকা কলেজের মেধাবী ছাত্রনেতা ইমরান হোসেন (এমারাত)।
    ডাসার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম জাহিদ হাসানের সহদর ছোটভাই ইমরান হোসেন (এমারাত) তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান এর সফর সঙ্গী হিসাবে আসছিলেন তখন তার নিজ এলাকার লোকজন ও ডাসার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এইচএম জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ অনিক হোসেনের নেতৃত্বে ডাসার উপজেলা ছাত্রলীগের সকল নেতৃবৃন্দ সফর গামী সকল নেতাকর্মীদেরকে শুভেচ্ছা জানায় এবং ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেন।
    এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন ডাসার উপজেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ন আহ্বায়ক মতিন হাওলাদার ও বালিগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মতিন মোল্লা,বালিগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গিয়াস উদ্দীন হাওলাদার,ডাসার উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সদস‍্য ছরোয়ার হোসেন মুন্সী ও ২নং ওয়ার্ড়ের সাবেক মেম্বার আফজাল মাতুব্বর ও বর্তমান মেম্বার মজিবর হাওলাদার ও বালিগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহসভাপতি লিয়াকত আলী ফকির সহ ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ ও স্থানীয় গন‍্যমান‍্য ব্যক্তিগণ ।

  • রামপালে মাদক কারবারী গাঁজাসহ আটক

    রামপালে মাদক কারবারী গাঁজাসহ আটক

    এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||রামপাল থানা পু্লিশের অব্যাহত অভিযানে আল আমিন শেখ (২৮) নামের আরও এক মাদক ব্যবসায়ীকে গাঁজাসহ আটক হয়েছে। সে মোংলা উপজেলার বিদ্যারবাহন গ্রামের আ. জলিল মোল্লার পুত্র। এ ঘটনায় রামপাল থানায় ২ জনকে আসামি করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম জানান, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার খুলনা মোংলা মহা সড়কের ভেকটমারী জিরো পয়েন্ট এলাকার পাকা সড়কের উপর থেকে এসআই দিনেশ ঘোষ আল আমিন কে ৪৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করেন। ওই সময় তার সহযোগী রামপালের কাঠামারী গ্রামের আফসার মল্লিকের পুত্র শাহিন মল্লিক পালিয়ে যায়। আমার থানায় কোন মাদক কারবারী ও তাদের সহযোগী গডফাদারদের থাকতে দিবো না। আগামী প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখতে আমি সকলের সহযোগীতা কামনা করছি।#

  • পটিয়ায় বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশনের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

    পটিয়ায় বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশনের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব আন্তর্জাতিক ভেসাক ডে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন ও পটিয়ায় বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশন পটিয়া উপজেলা শাখার অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার ( ২জুন) বিকালে পটিয়ার একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ভোদন করেন দি বুড্ডিস্ট কো অপারেটিভ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভদন্ত শাসন রক্ষিত মহাথেরো। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি বাবু নেত্রসেন বড়ুয়া। বাংলাদেশ বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান প্রজ্ঞাজ্যোতি বড়ুয়া লিটনের সভাপতিত্বে এবং মহা সচিব সীমাজু বড়ুয়া ও যুগ্ম সচিব সৈকত চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পটিয়া পৌরসভার মেয়র আইয়ুব বাবুল, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের ট্রাস্টি মিথুন রশ্মি বড়ুয়া, বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক দোলন কান্তি বড়ুয়া। এতে মূখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কীর্ত্তনীয়া শাক্যপদ বড়ুয়া। অনুষ্টানে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান চিন্ময় বড়ুয়া রিন্টু এবং বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের মহাসচিব প্রকৌশলী সীমান্ত বড়ুয়াকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। অভিষেক কমিটির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পটিয়া বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশনের সভপতি শৈবাল বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক লিটন বড়ুয়া।
    বক্তারা বলেন, বৌদ্ধ ঐক্য ফাউন্ডেশন বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের পাশাপাশি সকল ধর্মের লোকেদের সহবস্থান নিশ্চিতে কাজ করছে। বিভিন্ন সময়ে হওয়া সংখ্যালঘু নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে তারা বলেন, সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধে অতীতে হওয়া সকল হামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় প্রতিষ্টার দাবি জানান তারা।

  • শাজাহানপুরে রেজিস্ট্রি দলিল করে দেয়ার পর গ্রহীতাকে বাঁধা দিচ্ছেন দাতা

    শাজাহানপুরে রেজিস্ট্রি দলিল করে দেয়ার পর গ্রহীতাকে বাঁধা দিচ্ছেন দাতা

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ

    বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলায় স্বামী আব্দুল হালিম লেবু কর্তৃক স্ত্রী আয়েসা খাতুনকে রেজিস্ট্রি করে লিখে দেয়া(হেবা দলিল) জমি কিনে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতা। স্ত্রী সেই জমি বিক্রি করলেও দখলে বাঁধা দিচ্ছেন তাঁর স্বামী। মাঝিড়া ইউনিয়নের সাজাপুর কাগজিপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    সরেজমিনে জানাযায়, সাজাপুর কাগজিপাড়া গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিন এর স্ত্রী জোবেদা বেওয়া তাঁর ছেলে আব্দুল হালিম লেবু(৪০)কে ২টি দাগে মোট ২৫শতক জমি হেবা রেজিস্ট্রি দলিল করে দেন। এরপর আব্দুল হালিম লেবু তাঁর ২য় স্ত্রী আয়েসা খাতুন এর নামে সেই জমি হেবা রেজিস্ট্রি করে দেন। আয়েসা খাতুন সেই জমি নিজ নামে খারিজ করে নেন।

    আয়েসা খাতুন এবং আব্দুল হালিম এর মধ্যে বিবাহ ছাড়া ছাড়ি হয়।
    আয়েসা খাতুন সেই জমি স্থানীয় আরিফুর রহমান মিঠু এর নামে অপ্রত্যাহার যোগ্য আম-মোক্তার নামা দলিল রেজিস্ট্রি করেদেন। আম-মোক্তারনামা বলে ওই জমিতে ইট বালু নিয়ে স্থাপনা নির্মান করতে গেলে বাঁধা দেন আব্দুল হালিম লেবু এবং তাঁর সহযোগীরা। পরে আম মোক্তার নামা বলে আরিফুর রহমান মিঠু সেই জমি থেকে ৮শতাংশ জমি নারগীছ আক্তার এর নিকট বিক্রি করেন এবং পরবর্তিতে জহুরুল ইসলাম রিপন এর কাছে ৪শতাংশ জমি বিক্রয় করেন।

    গত রোববার (২৯মে) শাজাহানপুর উপজেলা রেজিস্ট্রি অফিসে জহুরুল ইসলাম রিপনকে ৪শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে গেলে বাধ সাধেন আব্দুল হালিম লেবু এবং তাঁর পরিবারের লোকজন। আব্দুল হালিম লেবু সহ তার ভাবি পারুল এবং অন্যরা সাররেজিস্টারকে ওই জমি দলিল করা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করেন। পরদিন সোমবার (৩০মে) সেই জমি রেজিস্ট্রি করেন সাব রেজিস্টার।

    এসময় আব্দুল হালিম লেবু, তাঁর ভাবি পারুল সহ তাদের সহযোগীরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসে এসে জমি দাতা, গ্রহিতা এবং সঙ্গে থাকা লোকজনকে গালা গালি করতে থাকেন।

    আরিফুর রহমান মিঠু জানান, আমমোক্তার দলিল বলে জহুরুল ইসলাম রিপনকে ৪শতক জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়ার সময় আব্দুল হালিম লেবু সহ তাঁর সহযোগীরা বাঁধা প্রদান করেন। আব্দুল হালিম লেবু এবং সহযোগীরা অন্যায় করছেন। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটাচ্ছেন। লেবু অনেক আগেই তাঁর স্ত্রী আয়েসাকে জমি দলিল করে দিয়েছেন।

    আব্দুল হালিম লেবু জানান, সাবেক স্ত্রী আয়েসা খাতুন আমার কাছ থেকে প্রতারণা করে জমি লিখে নিয়েছেন। আমি সেই দলিল বাতিলের মামলা করেছি। তাই দলিল রেজিস্ট্রি করে দিতে বাঁধা দিয়েছি। কোর্ট থেকে এখনো কোন আদেশ পাই নাই।

    জহুরুল ইসলাম রিপন জানান, আমি ৪শতক জমি কিনে রেজিস্ট্রি করতে গিয়েছিলাম। দলিলের স্বাক্ষী শাকিল সহ কয়েকজনকে নিয়ে রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়েছিলাম। আব্দুল হালিম লেবু, তাঁর ভাবি পারুল সহ তাঁদের সহযোগীরা আগে থেকেই সাবরেজিস্ট্রি অফিসে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁরা আমাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং আমাদের গায়ে হাত দেয়ার উপক্রম করেন।

  • খাগড়াছড়িতে সপ্তসুর সঙ্গীত একাডেমির শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত

    খাগড়াছড়িতে সপ্তসুর সঙ্গীত একাডেমির শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    শিল্পের উৎকর্ষ সাধন এবং সকলের জন্য শিল্প – সংস্কৃতি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে প্রথম বারের মতো সপ্তসুর সঙ্গীত একাডেমির শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (০১ জুন) বিকাল ৫টার দিকে জেলা শহরের মহাজন পাড়ায় বিভিন্ন সঙ্গীত শিল্পী,শিল্প ও সংস্কৃতি মনা ব্যক্তিবর্গদের উপস্তিতিতে এই শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠান হয়।

    এতে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডাঃ মোঃ শহিদুল্লাহ এর সঞ্চালনায় ও কবি ও সাহিত্যিক ইউসুফ আদনান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার উপ মহা ব্যবস্থাপক ও সঙ্গীত শিল্পী দ্বীনময় রোয়াজা। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সঙ্গীত প্রশিক্ষক অশ্রু বড়ুয়া রুপক।

    এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা শিল্পকলা একাডেমি সাধারণ সম্পাদক জিতেন বড়ুয়া,বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন এর সঙ্গীত শিল্পী আবুল কাশেম,মুক্তবিহঙ্গ আন্তর্জাতিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক মঞ্চের প্রধান সমণ্বয়ক ও নাট্যকার মুর্তজা পলাশ, প্যারাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তপন বিকাশ ত্রিপুরা।এই সময় শিল্প ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এই সময় অতিথিবৃন্দরা বলেন: সাংস্কৃতিক চর্চা সমাজকে সুন্দর ও সঠিক পথে পরিচালিত করে।একটি সুন্দর সমাজ গঠনে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই।

    এই সময় অতিথিবৃন্দরা আরও বলেন:আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ইতিহাস রয়েছে।এসব সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশীয় সংস্কৃতি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে।

  • আশুলিয়ায় ডাঃ মোহাম্মদ আলীর জমি দখলের চেষ্টায় সাবেক মেজর মোস্তফার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    আশুলিয়ায় ডাঃ মোহাম্মদ আলীর জমি দখলের চেষ্টায় সাবেক মেজর মোস্তফার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    হেলাল শেখ,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকার (আশুলিয়ার বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কের সাথে অন্ধ কলোনীর মাথায়) ডাঃ মোহাম্মদ আলী ওরফে সিদ্দিকীর জমি দখলের চেষ্টা করছে সাবেক মেজর মোস্তফা কামাল। এ ব্যাপারে মোহাম্মদ আলী এবং মোস্তফা কামাল আদালতে মামলা ও আশুলিয়া থানায় একাধিক অভিযোগ এবং জিডি করেছেন। আশুলিয়া থানা পুলিশ একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
    আশুলিয়া থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর ইউনিয়নের নরসিংহপুর সাকিনস্থ পূর্ব নরসিংহপুর মৌজার বিআরএস খতিয়ান নং ১১৪৯, দাগ নং ২৩৩৬ জমির পরিমাণ ৪২ শতাংশ, যাহা মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী খরিদ সূত্রে মালিক ও ভোগ দখলে আছেন। বিআরএস রেকর্ড ও খাজনা খারিজ নিয়মিত পরিশোধ করেন, উক্ত জমিতে টিনসেড বাড়ি ও দোকান নির্মাণ করিয়া ভোগ দখলে নিয়ত আছেন তিনি, বাড়ি ঘর ও দোকানপাট দখলের চেষ্টা করছে সাবেক মেজর মোস্তফা কামালসহ তার লোকজন।
    ভুুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী বলেন, গত (৩১ মে ২০২৩ইং) তারিখ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উক্ত বিবাদী সাবেক মেজর মোস্তফা কামাল এর সন্ত্রাসী বাহিনী মোঃ ডালিম মিয়ার নেতৃত্বে দেশী অস্ত্রসস্ত্র নিয়া বে-আইনি দলবদ্ধ হইয়া অনধিকার ভাবে আমার উক্ত জমিতে প্রবেশ করিয়া আমার পুরাতন টিনের ঘর ভাংচুর করে সেখানে নতুন ঘর নির্মাণ করার চেষ্টা করে। আমি সংবাদ পাইয়া দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছাইয়া তাদেরকে বাধা প্রদান করিলে বিবাদীগণ আমাকে বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতিসহ হুমকি প্রদান করে। একপর্যায়ে সেখানে মারামারির পরিস্থিতি হয়, এসময় তাদের সাথে কুলাইতে না পেরে পুলিশের সহযোগিতা চেয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করি। এসময় পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং নতুন করে যেন কোনো মারামারি বা সংঘর্ষ না করা হয় সেইজন্য দুইপক্ষকে সাবধান করে গেছেন পুলিশ অফিসার। এ বিষয়ে সাবেক মেজর মোস্তফা কামাল এর বক্তব্য নিতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি কিন্তু তার লোকজন বলছিলো যে, এই জমি দখলের চেষ্টার বিষয়ে অভিযোগ মিথ্যা আর মেজর সাহেব থানায় গিয়ে কাগজপত্র ফেলে দিবে জমি কার তা দেখা যাবে এমনটি তারা দাবী করেন।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, আমি অভিযোগ পেয়ে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের অন্ধ কলোনী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর জমিতে গিয়ে যা দেখছি, তা হলো ঘরের টিন খোলা ছিলো, দুই পক্ষের লোকজনের সাথে কথা বলে প্রাথমিকভাবে সমস্যা সমাধান করে দিয়ে আসছি, দুইপক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে থানায় ডাকা হবে, এর আগে আর কেউ যেন বিবাদ সৃষ্টি না করেন। তিনি আরো বলেন, এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে, থানায় অভিযোগ ও জিডি করেছেন ভুক্তভোগী। এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

  • আশুলিয়ায় মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি

    আশুলিয়ায় মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি

    হেলাল শেখ,
    ক্রাইম রিপোর্টঃ ঢাকার আশুরিয়ায় মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছেন। জামগড়া উত্তর মীর বাড়ির বাসিন্দা ইন্টারনেট ব্যবসায়ী তাজিবুল মীর (৩১) মদ্যপান করানোর কারণে মৃত্যুবরণ করেন। ভাই বন্ধু পরস্পর যোগসাজসে নেশাজাতীয় দ্রব্য মাদক সেবন করানোর অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা হয়েছে। আশুলিয়া মামলা নং ৩৯/৩৯। তারিখ: ১৮/০১/২০২৩ইং।
    উক্ত মামলার আসামীরা হলেন, আশুলিয়ার জামগড়ার মীর বাড়ির মোঃ তমিজ উদ্দিন মীরের ছেলে ১নং আসামী সুমন মীর (৩০), ২নং আসামী মোঃ হিরা মিয়া (৩০), ৩নং আসামী মোঃ শামীম (৩০), ৪নং আসামী মোঃ সুমন মিয়া (২৮)। ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ জানায়, গত (৬ জানুয়ারি ২০২৩ইং) সন্ধ্যায় উল্লেখ্য ব্যক্তিদের যোগসাজসে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে তাজিবুল মীর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, এরপর ভিকটিম তাজিবুল মীরের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় ২২দিন। তারপর তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন ডাক্তার।
    তথ্যসূত্র-এদিকে আশুলিয়ার ভাদাইল ও জামগড়া এলাকার সাধারণ মানুষ মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। কিশোর গ্যাং লিডার কর্তৃক সংবাদ কর্মীসহ অনেকেই হামলা মামলার শিকার হয়েছেন বলে অনেকেই জানান। ভাদাইল ও জামগড়ার মধ্যে রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠসহ আশপাশের এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, এমনকি খুন, ধর্ষণের মতো ঘটনা প্রায়ই ঘটছে, এ যেন ক্রাইম জোন এলাকায় পরিণত হয়েছে। এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করলে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে হুমকি দেয়া হয় এবং অনেকের উপর হামলা মামলা করার অভিযোগ রয়েছে।
    ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর মীর বাড়ির মৃত সফুর উদ্দিন মীরের ছেলে মোঃ ওয়াহিদ মীর (৬০), ভিকটিম তাজিবুল মীরের বাবা বাদী হয়ে উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, আশুলিয়া থানাধীন ভাদাইল সাকিনস্থ ৪নং বিবাদীর অফিসের ভিতর, ভাদাইল, ধামসোনা, আশুলিয়া, ঢাকা। এ ঘটনা ৬ জানুয়ারি ২০২৩, সন্ধ্যা অনুমান ৬টা ৩০মিনিটের দিকে। সূত্র জানায়, ইন্টারনেট ব্যবসা নিয়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ভাই বন্ধু ব্যবসায়ীদের সাথে তাজিবুল মীরের মিটিং শেষে পরস্পর যোগসাজসে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করেন অন্য কারো সমস্যা না হলেও তাজিবুল মীরের মরণ যাত্রা হয়েছে।
    এদিকে ভিকটিম তাজিবুল মীরের খালাতো ভাই মোঃ রনি বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় আমি অফিসে গিয়ে সুমন মীর, হিরা মিয়া, শামীম, সুমন মিয়াসহ ৬-৭জনকে পেয়েছি, সেখানে দুইটি বিদেশী মদের বোতল দেখতে পেয়েছি, সেই দুই বোতলের মধ্যে এক বোতল পুরো খালি ছিলো আর এক বোতলের অর্ধেকটা ছিলো, তাজিবুল মীর ভাইয়ের চোখ দিয়ে কিছু দেখতে পারছিলো না।
    এ মামলার বাদী মোঃ ওয়াহিদ মীর বলেন, আমার বড় ছেলে তাজিবুল মীরকে যারা মদ্যপান করিয়েছে তাদের কাউকেই আমি দেখিনি কিন্তু আমার ছেলের খালাতো ভাই রনি যাদেরকে চিনতে পেরেছে তাদের বিরুদ্ধে আমি আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি, এদিকে আমার ছেলের ইন্টারনেট ব্যবসা দখলের চেষ্টা করে প্রায় ৪০টি সংযোগ কেটেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী মোর্শেদ ভুঁইয়ার ছেলে মোঃ মারুফ আলী ভুঁইয়া (২৬)। তিনি আরও বলেন, আমাদের পরিবারের সাথে কারো কোনো বিবাদ নেই, শুধু নেটের ব্যবসা, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আমি মামলা করেছি, এদিকে নিহত তাজিবুল মীরের বাবা উক্ত ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
    আশুলিয়া থানার (এসআই) নোমান ছিদ্দিক বলেন, আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল (মধ্যপাড়া) এলাকার ইন্টারনেট ব্যবসায়ী মোঃ সুমন মিয়া’র অফিসে গত ৬জানুয়ারি ২০২৩ইং তারিখে তাজিবুল মীর নামের যুবককে পরস্পর যোগসাজসে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করানোর অপরাধে আশুলিয়া থানায় ভিকটিমের বাবা ওয়াহিদ মীর বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন, উক্ত ঘটনার ২২দিন পর শনিবার বিকেল ৪টা ৪০মিনিটে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাজিবুল মীরকে মৃত ঘোষণা করেন। অনেকেরই প্রশ্ন ভুক্তভোগী পরিবার সঠিক বিচার পাবেতো?।

  • পাইকগাছায় পাগলীটা মা হয়েছে বাবা হয়নি কেউ

    পাইকগাছায় পাগলীটা মা হয়েছে বাবা হয়নি কেউ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছার গড়ইখালীতে পুত্র সন্তানের মা হয়েছে এক পাগলী। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাগলী ফুটফুটে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। জন্মের পর নবজাতক ও প্রসূতির সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু। বর্তমানে নবজাতক ও তার মা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী আহসান এর তত্ত্বাবধায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
    গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু জানান প্রায় দুই মাস আগে একটা পাগলীর ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায়। সেই থেকে সে ইউনিয়নে অবস্থান করছে। কখনো সে শান্তা বাজারে আবার কখনো সে গড়ইখালী বাজারে থাকতো। এলাকার মানুষ যে যা দিতো সেটাই খেতো পাগলী।
    বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার গড়ইখালীর জৈনক বাদশা গাইন এর একটি পরিত্যক্ত ঘরে অবস্থান করার সময় পাগলীর প্রসব বেদনা দেখা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে আমি এলাকার ধাত্রী ও সরকারি ডাক্তার কে ডেকে পাঠায়। ডাক্তার আসার আগেই ধাত্রীর উপস্থিতিতেই নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যমে পাগলী একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়।
    পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম কে অবহিত করতে ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশে বিকেলে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সরদার আলী আহসান ও সরকারি ডাক্তার শীপন হালদার ঘটনাস্থলে আসেন। পরে সন্ধ্যায় সকলের সহযোগিতায় নবজাতক ও প্রসূতি পাগলীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
    এদিকে জন্মের পর কেউ নবজাতকের বাবা না হলেও তাকে লালন পালনের দায়িত্ব নিতে অনেক নিঃসন্তান পরিবার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু।
    বর্তমানে নবজাতক ও প্রসূতি মা সুস্থ রয়েছেন এবং তাদের চিকিৎসার সবধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম জানান। উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী এ কর্মকর্তা জানান। এদিকে নবজাতক ও প্রসূতির সু-চিকিৎসা সহ প্রয়োজনীয় সবধরনের ব্যবস্থা করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম, ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সরদার আলী আহসান কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।