Author: desk

  • গলাচিপায় প্রাইভেট পড়তে গিয়ে অস্টম শ্রেণির ছাত্র নিখোঁজ

    গলাচিপায় প্রাইভেট পড়তে গিয়ে অস্টম শ্রেণির ছাত্র নিখোঁজ

    এস আল-আমিন খাঁন পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

    পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌর এলাকায় প্রাইভেট পড়তে গিয়ে সিয়াম (১৩) নামের এক স্কুল ছাত্র নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

    শুক্রবার (২” রা- জুন-২০২৩ ইং) তারিখ সন্ধ্যার পরে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ সিয়াম পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড শান্তিবাগ এলাকার বাসিন্দা জামাল সিকদারের ছেলে মায়ের নাম মর্জিনা বেগম।

    পারিবারিক সুত্রে জানাগেছে, স্কুল ছাত্র সিয়াম প্রাইভেট প্রতিদিন সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়তে গিয়ে রাত ৮ টার সময় বাসায় ফিরে আসে। প্রতিদিনের ন্যায় ঘটনার দিন সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়তে গিয়ে সময় পেরিয়ে গেলেও বাসায় ফিরে আসেনি সিয়াম। পরিবারের লোকজন তাকে শহরের বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে সন্ধান না পেয়ে থানায় লিখিত নিখোঁজ ডাইরি করেন। নিখোঁজ স্কুল ছাত্র সিয়ামকে খুজে বের করতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহন করেছে গলাচিপা থানা পুলিশ।

  • ময়মনসিংহে সাবেক ছাত্রনেতা উত্তম চক্রবর্তী রকেটকে বিশাল গণসংবর্ধনা

    ময়মনসিংহে সাবেক ছাত্রনেতা উত্তম চক্রবর্তী রকেটকে বিশাল গণসংবর্ধনা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ধর্ম মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি মনোনীত হওয়ায় ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান, সাবেক ছাত্রনেতা ও মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক উত্তম চক্রবর্তী রকেট কে গণ সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

    শুক্রবার (২রা জুন)বিকেল ৪,টায় নগরীর শিববাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে পুজাঁ উদযাপন পরিষদ ময়মনসিংহ মহানগর শাখার উদ্যোগে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

    এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও মনোঙ্গ‌ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সভাপতি এডভোকেট তপন দে এর সভাপতিত্বে ও মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অমিত মিশ্রর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি এডভোকেট বিকাশ রায়। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন,জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট রাখাল সরকার, বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী ভক্তি প্রদানন্দ। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,
    কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ্ কামাল আকন্দ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি এডভোকেট প্রশান্ত দাস চন্দন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট পীযুশ কান্তি সরকার, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. সুজিত বর্মন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপনের জাতীয় পরিষদের সদস্য শ্রী বিধান আইচ অনু, মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পবিত্র রঞ্জন রায়, ময়মনসিংহ ইসকনের অধ্যক্ষ অকিঞ্জন গৌর দাস,শ্রী জগবন্ধু আশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ দেবব্রতবন্ধু ব্রহ্মচারী, শিববাড়ি মন্দিরের সভাপতি শ্রী স্বপন সেনগুপ্ত, ,মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব সরকার,মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মানিক সরকার দাস,হাইকোর্টের এডভোকেট রিপন ভৌমিক,শিক্ষক মিলন চক্রবর্তীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা-ময়মনসিংহের রাজপথে সাহসী সাবেক ছাত্রনেতা উত্তম চক্রবর্তী রকেটকে ধর্ম মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি মনোনীত করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয় কে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলে এতে দপশ বরেণ্য শিল্পী গোষ্ঠীর শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন।

  • নেত্রী  নৌকা দিলে সদরবাসী আমাকে নির্বাচিত করবেন বলে আমি শতভাগ  আশাবাদী-ডাঃ এম এ আজিজ

    নেত্রী নৌকা দিলে সদরবাসী আমাকে নির্বাচিত করবেন বলে আমি শতভাগ আশাবাদী-ডাঃ এম এ আজিজ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর সাবেক মহাসচিব, বিএমডিসি এর চেয়ারম্যান, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য, ময়মনসিংহ সদর আসন এলাকার সর্বস্তরের জনতার প্রিয়মুখ চিকিৎসক নেতা অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ
    বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ ময়মনসিংহ জেলা এক অভিন্ন ঐক্যবদ্ধ শক্তি। আওয়ামী লীগের দশ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে তার ধারে কাছেউ নেই ময়মনসিংহ সদর এলাকার উন্নয়ন। গণতন্ত্রের মানসকন্যা বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা যদি আমাকে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেন ময়মনসিংহের রুপ রেখা পাল্টে দিবো। আওয়ামীলীগ সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী দিনে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসাবে কাজ করার মাধ্যমে জনগণের পাশে দাঁড়াতে আমি ময়মনসিংহ-৪আসন এলাকার প্রার্থী হিসাবে আছি। তিনি বলেন শিক্ষা নগরী ময়মনসিংহের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাস্তার উন্নয়নে, বিভিন্ন স্কুল,কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য, জনগণের কল্যাণের জন্য দুহাত বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছেন। বরাদ্দ আসবে ময়মনসিংহের উন্নয়নে, কিন্তু মানুষের দুর্ভোগ থেকেই যাবে এটা হতে পারে না।

    শুক্রবার দুপুর ২টা ১৫মিনিটে ডিবিসি নিউজ ইলেকশন এক্সপ্রেস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, সবকিছু ভুলে আমরা আমাদের নেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ময়মনসিংহ সদর এলাকার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি, মানুষের কাছে যাব ঘরে ঘরে যাব, মহিলাদের কাছে গিয়েও আওয়ামী লীগের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছি। আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মার্কা ও আওয়ামিলীগের মার্কা নৌকাকে বিজয়ী করতে সকলে এক সাথে কাজ করে যাচ্ছি।

    তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সকলে মিলে কাজ করব। আর ময়মনসিংহ সদরে আমাকে নৌকা প্রতীক দিলে আমার নির্বাচনী এলাকা সদরের প্রায় ৭লাখ ভোটারদের মাঝে আমার জন্মস্থান চরাঞ্চলের প্রায় ৩লাখ ৬৫হাজার ভোটার রয়েছে তারা আমাকে চরাঞ্চলের একমাত্র সন্তান হিসাবে আমার প্রতীক নৌকাকে বিজয়ী করার মাধ্যমে আমাকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করতে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসাবে সমর্থন দিয়ে নির্বাচিত করবে।

    তিনি বলেন, আমাদের দলীয় মার্কা নৌকা আর আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশের রুপকার জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকার মাঝি হিসেবে এই ময়মনসিংহ সদর আসনে পাঠালে চরাঞ্চলের প্রায় ৩লাখ ৬৫লাখ ভোটার সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে নৌকাকে বিজয়ী করে ময়মনসিংহ সদর আসনকে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিবেন।

    অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ বলেন, ময়মনসিংহ সদর বাসীর উন্নয়নের জন্য যা যা প্রয়োজন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমি তাই করবো। সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমি ময়মনসিংহ সদরের মানুষের জন্য কাজ করে যাব। আমি বঙ্গবন্ধুর একজন কর্মী হিসেবে রাষ্ট্র নায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনগণের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। ১৯৭৫ সালের পরে আওয়ামিলীগকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য অনেক অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল কিন্তু তারা সফল হতে পারি নি। ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে একটি সুন্দর পরিকল্পিত স্মাট উপজেলা উপহার দিব। শেখ হাসিনা ময়মনসিংহ কে বিভাগ করে দিয়েছে কিন্তু বিভাগের কি উন্নয়ন হয়েছে তিনি এমন প্রশ্ন রাখেন সাংবাদিকদের কাছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রহ্মপুত্রের এপার-ঐপাড় দুই পাড় মিলিয়ে একটা একটা আধুনিক ও মডেল বিভাগীয় শহর করতে চেয়েছেন কিন্তু কিছুই হয় নি। ব্রহ্মপুত্র নদ খননের জন্য, বিদ্যুৎ এর জন্য,বিভাগের উন্নয়নের জন্য আমি দপ্তরে কথা বলেছি, নগর উন্নয়নের জন্য, আধ্যাত্মিক নগরীকে স্মার্ট নগরী, ইউনাইটেড ইউনিটি গড়ার জন্য, আমি ইতিমধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়ঝাপ করে যাচ্ছি। সকলে যদি সহযোগিতা করে আমি জীবন দিয়ে হলেউ কাজ করবো ময়মনসিংহের উন্নয়নের জন্য। এই ময়মনসিংহের জন্য মাননীয় নেত্রী আমাকে নৌকা দিয়ে পাঠালে সদরবাসী আমাকে নির্বাচিত করবেন বলে আমি শতভাগ আশাবাদী। আর নির্বাচিত হয়ে সকল ধরনের উন্নয়নে কাজ করব ময়মনসিংহ সদরের সন্তান সকলের ছেলে হিসাবে।

  • পাইকগাছায় বীর মুক্তিযোদ্ধা স ম ইউসুফ আলী সড়ক উদ্বোধন করেন – এমপি বাবু

    পাইকগাছায় বীর মুক্তিযোদ্ধা স ম ইউসুফ আলী সড়ক উদ্বোধন করেন – এমপি বাবু

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. স ম ইউসুফ আলী সড়ক উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মায় সড়কটি অবমুক্ত ও উদ্বোধন করেন খুলনা – ৬ (পাইকগাছা-কয়রা)’র সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। পাইকগাছা পৌরসভা মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজের জন্য ৬নং ওয়ার্ডস্থ কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে উপজেলা নির্বাচন অফিস পর্যন্ত সড়ক বন্ধ হয়ে যায়। জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর নানা জটিলতা কাটিয়ে এমপি বাবু, উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকালে ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মডেল মসজিদের পাশ দিয়ে নতুন করে সড়ক নির্মাণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে ও এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখায় এই সড়কটির নামকরণ করা হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা স ম ইউসুফ আলী সড়ক। উদ্বোধন কালে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, প্যানেল মেয়র শেখ মাহবুবর রহমান রঞ্জু, এস এম তৈয়বুর রহমান ও কবিতা রানী দাশ, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ কওসার আলী গাজী, বীর মুক্তিযোদ্ধা স ম ইউসুফ আলীর ছেলে কৃষি ব্যাংক এর ম্যানেজার মোঃ হাদিস উজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, সরকারি কর্মকর্তা বাবলুর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর আঃ আজিজ, ইউপি সদস্য কিংশুক রায়, যুবলীগের আজিজুল হাকিম, আকরামুল ইসলাম, শেখ রাজু, নাজমা কামাল, শফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগের রায়হান পারভেজ রনি সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • প্রিন্ট পত্রিকা-অনলাইন পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার ও সাংবাদিকতা

    প্রিন্ট পত্রিকা-অনলাইন পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার ও সাংবাদিকতা

    হেলাল শেখঃ প্রিন্ট প্রত্রিকা-অনলাইন পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার ও সাংবাদিকতা এখন পর্যায়ে? কাগজপত্র প্লেটের দাম অনেক বৃদ্ধি হওয়ায় প্রিন্ট পত্রিকা ছাপানো কঠিন হয়ে পড়েছে। চোর বাটপার ও খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তির কারণে সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা সৃষ্টি হচ্ছে, যা প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য লজ্জাজনক।
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধ করা যাচ্ছে না। কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা-এই বাঁধার কারণে অনেকেই মহান পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে অন্য পেশায় যাচ্ছেন। কিছু খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তি সাংবাদিকের পরিচয়পত্র নিয়ে খারাপ কর্মকান্ড করছে এটা বড় সমস্যা। নিজে সংবাদ সংগ্রহ করে তা লিখে সংবাদ তৈরি করে প্রকাশ করা এতো সহজ নয়। মানুষ হিসেবে প্রতিদিন একটি করে ভালো কাজ করা যায়, তা মনের ব্যাপার, দেশের প্রকৃত সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে তার বিনিময়ে কি পাচ্ছেন? প্রকৃত সাংবাদিকরা কি জনগণের প্রয়োজনে প্রিয়জন? কারো পক্ষে বা বিপক্ষে সংবাদ প্রকাশ করলেই কোনো সাংবাদিক কারো গোলাম বা চাকর হয়ে যায়না, সাংবাদিকতা পেশা এতো সহজ নয়।
    সারাদেশে কলম সৈনিক সাংবাদিক দাবিদার নিজেদের মধ্যে যারা শক্রতা সৃষ্টি করছেন তারা বেশিরভাগই সংবাদ লিখতে পারেন না, তারা জাতির বিবেক হয় কি করে? সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা, এই পেশাকে যারা ছোট করে দেখে সাংবাদিকদেরকে অপমান করছে তাদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। প্রকৃত সাংবাদিক ও লেখক কখনো কোনো হামলা মামলার ভয় করে না। নেতা বা মেম্বার চেয়ারম্যান, এমপি মন্ত্রী আপনারা যে পেশা থেকেই আসেন না কেন দয়া করে কেউ সাংবাদিকদের অপমান করবেন না। দেশের গণমাধমের প্রকাশক ও সম্পাদকসহ প্রকৃত সাংবাদিকরা অনেকেরই আপনাদের অনেকের প্রকৃত চরিত্র ইতিহাস জানেন যে, কে কেমন প্রকৃতির মানুষ বা কেমন অপরাধ করেছেন? কে কেমন অপরাধী?। রাজধানী ঢাকা, ধামরাই ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশেই একের পর এক প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার ঘটনা ঘটেছে, এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতাসহ সচেতন মহল।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণে বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হয়ে থাকেন। প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে কেউ ভয় দেখাবেন না, কলমের শক্তি দিয়েই তার জবাব দেয়া হবে। আমরা সাংবাদিকরা কোনো কচু পাতার পানি নয় যে, বাতাসে পড়ে যাবো। অনেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে হামলা-মামলায় শিকার হয়ে থাকেন, ভয় করবেন না “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার হুমকি’র বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বিশেষ করে নিউজ লেখতে হবে সকল সাংবাদিকদেরকে সবার সংশ্লিষ্ট মিডিয়ায় তা প্রকাশ করতে হবে। আমি বলতে চাই ভয় করলে সাংবাদিকতা করা যায় না। নতুনদেরকে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বইসহ বেশি বেশি বই পড়া জরুরি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকতার মূলধারায় এগিয়ে যেতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরকেও সচেতন করতে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, হকার বা সোর্স হয়ে কাজ করা আর সাংবাদিকতা একরকম নয়। সাংবাদিক সংগঠন এক একটা ক্লাবে দুই থেকে তিনটি গ্রুপ হয়েছে। এটা সাংবাদিকতা নয়, সাংবাদিকতা করতে কোনো সংগঠন লাগেনা, দলবাজি বা চাঁদাবাজি করতে হয় না, আমরা কেন দলবাজি করবো? সাংবাদিক কারো বাহিনী নয়, সাংবাদিকরা সাংবাদিকতাই করবেন, কারো মিছিলে স্লোগান দিয়ে মহান পেশা সাংবাদিকতাকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই।
    মানুষের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমানবিহীন অপপ্রচার বন্ধ করুন, মানুষের বদনাম করে কি হয়?, ষড়যন্ত্রকারীদের ধ্বংস নিশ্চিত। কলম সৈনিকরা কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করে না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা প্রচার করে, এটাকে অপপ্রচার বলা হয়, অপপ্রচারকারী মানুষগুলো দেশ ও জাতির শক্র। দেশের ভেতরে যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে দাবী জানান সাংবাদিক নেতারা। প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে একটি মহল গভীর ষড়যন্ত্র করছে। গণমাধ্যমে কাজ করতে হলে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক রাখতে হয় তা অনেকেই জানেন না। নতুন সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়া প্রয়োজন, প্রকৃত সাংবাদিকতা করলে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল হয়, মিথ্যাচার সবার জন্য বিপদজনক। সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণেই আজ তারা বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হচ্ছেন। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, সাংবাদিক শব্দ সহজ হলেও এই পেশা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, আবার সম্মানজনক। তবে অপসাংবাদিকতার কারণে বর্তমানে অনেক মানুষ সাংবাদিকদের ভালো চোখে দেখেন না। অনেক সময় সাংবাদিকদেরকে সাংঘাতিক বলে অনেকেই কিন্তু সাংঘাতিক সবাই হতে পারেন না, সাংঘাতিক হতে হলে নিজের পরিবারকে সময় না দিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই হাসিমুখে মৃত্যুবরণ করেন। দুর্নীতিবাজরা লক্ষ লক্ষ টাকা ও কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে লুটপাট করছে আর সাংবাদিকরা যখন তাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেন তখন সাংঘাতিক হয়ে যায়, চোরের মায়ের বড় গলাবাজি বন্ধ করুন।
    প্রকৃত সাংবাদিকরা না খেয়ে থাকলেও লজ্জায় কারো কাছে হাত পেতে সাহায্য নিতে পারেন না। ৩৬৫ দিনে এক বছর, জীবনে কোনদিন ছুটি নেই সাংবাদিকদের। ৩৬৪ দিন ভালো কাজ করেন আর একদিন একজনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করবেন এতে একটু ভুল হলেই সেই সাংবাদিক খারাপ হয়ে যায়। অপরাধীরা অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে কোনকিছু লেখা যাবেনা, ১দিন যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশ করছেনতো সাংঘাতিক হবেন সাংবাদিক। সাংবাদিক জাতির বিঊেশ, সেই বিবেককে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ, এটা কোন ধর্ম আর কোন বিচার ?। অনেকেই নিজেদেরকে বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা আমাদের ভুল হচ্ছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বয় করে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে, “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”।
    আমাদের লেখার মধ্যেও অনেক ভুল হয়। এই জন্য সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন, বিশেষ সম্মান অর্জন করার লক্ষ্যে কাজ করতে গিয়ে সম্মান অর্জন না হয়ে উল্টো বদনাম হচ্ছে আমাদের। সাংবাদিকতা করতে শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও কারো মনজয় করতে পারেন না কেন? ছোট একটি ভুল করলেই সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করা হয়, এমনকি হত্যার শিকার হতে হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সবাইকে বলা হয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়, পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন? কেউ কি খবর নিয়েছেন যে, সাংবাদিকরা কেমন আছেন? কোনো সহযোগিতা লাগবে কি না ?। অনেক সাংবাদিক আজকাল মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই, যার কোনো হিসাব নেই।
    দেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম, তবুও আমরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছি। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। “পুলিশ, সাংবাদিক” আইনজীবি ও জনপ্রতিধিগণ, এই চারটি শব্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলো “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিকতা”। বিশেষ করে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি’র বেশিরভাগ শব্দ আছে যা সাংবাদিকদের জন্য জানা অতি জরুরি-যেমনঃ সংবাদের উৎসহের মত সংবাদের উপাদান কি? মানুষ এবং প্রকৃতি, মানুষের আশা-আকাঙ্খা, আনন্দ, বেদনা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনাই সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য। এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়ই সংবাদের উপাদান। যেমনঃ কুকুর যদি মানুষকে কামড়ায় তা কোনো সংবাদ নয়, আর মানুষ যদি কুকুরকে কামড়ায় বা অপ্রত্যাশিত কিছু অপকর্ম করে তা সংবাদ হয়। নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটনা, অন্যায় অবিচার, যা মানুষের অধিকারকে হরণ করে, এরকম অনেক বিষয়কে সংবাদ বলা যেতে পারে।
    সাংবাদিকরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, এতে স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করা সহজ হবে বলে অনেকেরই অভিমত। সাংবাদিককে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়তে হবে, সেই সাথে সর্বশেষ সংশোধনীসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হবে। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল তথ্য বিষয়ে জানা। ভয়কে জয় করে সাংবাদিকতা করার মধ্যে দেশপ্রেম আছে। সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন বলেই মানুষের ঘরের সুন্দরী নারী ও অর্থ সম্পদ নিরাপদে থাকে, স্বাধীনতা ও সম্মান অর্জন করা অনেক কঠিন। সাংবাদিকরা অনেকেই জানান, বর্তমানে সাংবাদিকতা করা অনেক কঠিন কাজ। বাকিটা ইতিহাস, টাকা দিয়ে পরিচয়পত্র নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সুবিধা নেওয়ার নাম সাংবাদিকতা নয়, সাংবাদিকতা করতে হলে নিজ হাতে নিউজ লিখে তা প্রকাশ করাই সাংবাদিকের কাজ। যাচাই বাছাই করলে শতকরা ২০-৩০ জন প্রকৃত সাংবাদিক পাওয়া যাবে। বর্তমানে কিছু কথিত সাংবাদিক হয়েছে তাদের কারণে দেশের পরিবেশটা নষ্ট হতে চলেছে। প্রকৃত সাংবাদিক ও সম্পাদকদের ভুলের কারণেই জটিলতা বাড়ছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সবকিছুই অগ্রিম বার্তা পাচ্ছেন মানুষ কিন্তু সেই ফেসবুকের মনে কোনো মায়া মমতা ও লজ্জা নাই। ধন্যবাদ জানাই যিনি এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক তৈরি বা সৃষ্টি করেছেন, বর্তমান যুগে ফেসবুক অতি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম-এই ফেসবুক মাধ্যমকে তুলনামূলক ভাবে অনেক কিছু পেয়ে থাকি আমরা, তাই ফেসবুক ছাড়া আমাদের চলেনা।

  • তেঁতুলিয়ায় ভিডব্লিউবি চুড়ান্ত তালিকা জালিয়াতি, চাল দেওয়া হয়নি জোসনা বানুকে

    তেঁতুলিয়ায় ভিডব্লিউবি চুড়ান্ত তালিকা জালিয়াতি, চাল দেওয়া হয়নি জোসনা বানুকে

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ তেঁতুলিয়ায় ভালনারেবল উইমেন বেনেফিট (ভিডব্লিউবি) চুড়ান্ত তালিকা জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। চুড়ান্ত তালিকায় নাম প্রকাশ পেলেও ভিডব্লিউবি’র চাল দেয়া হয়নি লিখিত অভিযোগ করেছেন জোসনা বানু। গত সোমবার (২৯ মে) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ভিডব্লিউবি কমিটির সভাপতি বরাবরে এই লিখিত অভিযোগটি করা হয়েছে।

    জানা যায়, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২৩-২০২৪ ভিডব্লিউবি চক্রের আওতায় দুই হাজার ৫৬৭ জন মহিলা এ সুফল ভোগ করছেন। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিজন মহিলা তাদের পরিবারের জন্য মাসে বিনামূল্যে ৩০ কেজি হারে চাল পেয়ে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নে ৪৬৪ জন মহিলা এই ভিডব্লিউবি কার্ড পেয়েছেন। উপজেলা কমিটি কর্তৃক ওই ইউনিয়নে ২০২৩-২০২৪ চক্রে ভিডব্লিউবি উপকারভোগীদের নামের চুড়ান্ত তালিকা ৩(ক) এ প্রকাশ করা হয়। পরে ওই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের শেখগছ গ্রামের ওয়াহিদুলের স্ত্রী জোসনা বানুর নাম চুড়ান্ত তালিকার ১৭নং ক্রমিকে প্রকাশ পাই।
    সরে জমিনে গিয়ে আরোও জানা যায়, জোসনা বানুর নাম প্রকাশের পর ৭নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ তাকে একাউন্ট খোলার জন্য খবর দেয়। এরপর জোসনা বানু ডাচ্ বাংলা ব্যাংকে চলতি বছরের গত এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখ একটি একাউন্ট খুলেন। একাউন্ট খোলার পর ইউনিয়ন পরিষদে গত মে মাসের ১৫ তারিখ ৬,৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড চাল বিতরণ করা হলে ওই দিন জোসনা বানুকে চাল না দিয়ে ৬নং ওয়ার্ডের চুড়ান্ত তালিকা জালিয়াতি করে খাটিয়াগছ গ্রামের মোস্তফার স্ত্রী মজিতাকে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে জোসনা বানু চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যকে বলতে গেলে তাঁরা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যার সুপারিশে নামটি তালিকায় এসেছেন তার কাছে যাইতে বলেন। এদিকে জোসনা বানু দু’চোখে অশ্রু ফেলিয়ে বাড়িতে ফেরত চলে আসেন। ওই দিন সারদিনে মাস্টাররোল ঠিক থাকলে রাতারাতি মাস্টাররোল পরিবর্তন দেখিয়ে ৭নং ওয়ার্ডে ৪৪ জন উপকারভোগীর স্থলে ৪৩ জন এবং ৬নং ওয়ার্ডে ৬৮জন উপকারভোগীর স্থলে ৬৯জন দেখানো হয়েছে। এরপর গত মে মাসের ২৮ তারিখ ভিডব্লিউবি চাল বিতরণ করা হলে সে দিন মজিতার কাছে চাল বিতরণ না করে পরিষদে জমা রাখা হয়েছে। ওই দিনও বিতরণকৃত মাস্টাররোল ৪৪জন এর স্থলে ৪৩জন এবং ৬৮ জনের স্থলে ৬৯জন দেখানো হয়েছে।

    অভিযোগকারী জোসনা বানু বলেন, ‘আমি স্যার খুবই গরিব, আমি কষ্ট করে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে ৮হাজার টাকা দিয়েছি। তিনি আমাকে কার্ড করেও দিয়েছেন। পরিষদের চাল তুলতে গেলে মেম্বার চেয়ারম্যানরা আমাকে চাল দেয়নি। তাঁরা বলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানই নাকি কার্ডটি কেটে দিয়েছেন।’

    ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ওবায়দুল হক বলেন, ‘আমার ওয়ার্ডের তালিকায় জোসনা বানুর নাম ছিল। পরে সেটি কেটে ৬নং ওয়ার্ডের মজিতা নামের একজনকে দিয়েছেন ওই ওয়ার্ডের মেম্বার। কিভাবে নামটি সংশোধন করলেন জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, উনি নাকি অফিস থেকে সংশোধন করেছেন এখন কতটুকু কি তা আমি বলতে পারছিনা।’

    ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘আমার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের সুপারিশ ছিল মজিতার ক্ষেত্রে। আমি জোসনা বানুকে চিনিনা। আমার ওয়ার্ডে ৬৯টি কার্ড হওয়ার কথা চুড়ান্ত তালিকায় দেখি একটি কার্ড নেই, খোঁজ নিয়ে দেখলাম মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আমার কার্ডটি জোসনা বানুকে দিয়েছেন। এরপর আমি অফিসে গিয়ে আমার ওয়ার্ডের তালিকা সংশোধন করেছি তারপর মজিতাকে চাল দিয়েছি। তালিকাটি সংশোধন করা হয়েছে কিনা জিজ্ঞাসায় তিনি বলেন, হ্যাঁ অফিস থেকে সংশোধন করা হয়েছে।’

    ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছলেমান আলী বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে জানিনা। মোজাফফর মেম্বার বলছেন এই কার্ডটি মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানও জোসনা বানুকে দিয়েছিলেন পরে তিনিই নাকি কার্ডটি কেটে মজিতাকে দিয়েছেন। তিনি সংশোধনের একটি তালিকাও জমা দিয়েছেন।’

    উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়া টাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘ওই মহিলা আমার কাছে আসছিলেন, আমি তাকে সুপারিশও করেছি। পরে মোজাফফর মেম্বার ও আমার সুপারিশকৃত কার্ড বাদ পড়েছে এমন অভিযোগ নিয়ে মোজাফফ মেম্বার আমার কাছে আসলে আমি মহিলা বিষয়ক অফিসে জোসনা বানুকে চাল না দিয়ে মজিতাকে দিতে বলছি।’

    উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা করুনা কান্ত বলেন, ‘এখন পর্যন্ত জোসনা বানুর নামই চুড়ান্ত তালিকায় রয়েছেন। এটি বাদ দিতে গেলে কারণ দর্শানোর বিষয় উপস্থাপন পূর্বক ইউনিয়ন পরিষদের সম্মতি সাপেক্ষে এবং ইউএনও মহোদয়ের সঙ্গে বসে সংশোধন করতে হবে। সংশোধন না করেই মজিতাকে চাল দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপতত ওই চালটি বিতরণ যেন না করা হয় চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে।’

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ভিডব্লিউবি কমিটির সভাপতি সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘আমি বিষয়টি অবগত রয়েছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • টেন্ডার  ছাড়াই আটোয়ারীতে  গাছ কাটলেন এ যেন মগের মুলুক

    টেন্ডার ছাড়াই আটোয়ারীতে গাছ কাটলেন এ যেন মগের মুলুক

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় টেন্ডার ছাড়াই রাস্তার দুধারে গাছ কাটার ধুম পরেছে। দেখেও না দেখার ভান করছে অনেকে। চোঁখের সামনে থেকে গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে কেউ বলছেনা কারো নাম।
    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ২নং তোড়িয়া ইউনিয়নের কাটালিপাড়াসহ বিভিন্ন কাচা ও পাকা রাস্তার পাশে লাগানো পুরনো আকাশমণি এবং ইউক্যালেপ্টর প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি গাছ কেটে নেওয়াতে এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয় সুত্রে জানা যায় কাটালিপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার কাচা রাস্তার পাশে লাগানো আকাশমণি গাছ গুলো বেশ মোটা এবং পুরাতন।রাস্তার দুই ধারে এই গাছ গুলি টেন্ডার ছাড়াই কাটা হয়েছে।কখন গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলাই যাচ্ছেনা।
    এদিকে ওই এলাকার হাফেজ আলী বলেন এই কাচা রাস্তার দিয়ে আমরা সব সময় চলাফেরা করি কোনদিন দেখিনাই রাস্তার দুইধারে আকাশমণি ইউক্যালেপ্টর গাছ কাটা হয়েছে।কয়েকদিন থেকে দেখি টেন্ডার হয় নাই অথচ রাস্তার দুই পাশের গাছ কেটে নিয়ে গেছে তবে এই গাছ কে কেটে নিয়ে গেছে যেহেতু দেখি নাই তাই বলা যাচ্ছেনা।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একই এলাকার তিনি জানায় এই আকাশমণি গাছ যে কেটেছে আমি তাদের নাম জানি তবে তাদের নাম আমি বলতে পারবনা।আমি তাদের নাম বলে দিলে আমার ক্ষতি করবে তারা।
    এদিকে তোড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং-ওয়াডের ইউপি সদস্য আজিজার রহমান বলেন,সম্প্রতি ঝড়ে একটি আকাশমণি গাছ পড়ে যায় রাস্তার পাশে। এই আকাশমনি গাছটি কেটে নেয়ার পরে দেখা যায়,কাটালিপাড়াসহ আসেপাশের কাচা রাস্তার দুধারে যেখানে সেখানে ভাল ভাল আকাশমণি ও ইউক্যালেপ্টর প্রায় ৩০-৩২টি গাছ কেটে নিয়ে গেছে।
    আমি দেখার পরে সাথে সাথে আমার চেয়ারম্যানকে ফোন দেই এবং গাছ কেটে নেয়ার বিষয় গুলো বলি।আমাকে চেয়ারম্যান বলে রাস্তার পাশে যে গাছটি ঝড়ে পরে গেছে সেই গাছের কথা আমি ইউএনও মহোদ্বয়কে যানাই।তিনি আমাকে বলে যেহেতেু গাছটি ঝড়ে পরে গেছে সাধারণ মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য গাছটি কেটে নেয়ার কথা বলে।আমি সেই গাছ ছাড়া অন্য কোন গাছ কাটার বিষয় জানি না।
    ইউপি সদস্য আরো জানায় এই রাস্তার গাছ যে কেটেছে তাকে বের করার জন্য আমি বেশ কিছুদিন ধরে সন্ধান করার এক পর্যায়ে অনেকের সাথে আলাপ করে জানতে পারলাম আমাদের ৯নং ওয়াডের ইউপি সদস্য কফিলউদ্দীন এই গাছ গুলি কেটেছে।আমি এই গাছ কাটার বিষয় নিয়ে তার সাথে আলোচনা করলে সে আমাকে ওই বিক্রি করা গাছের ৫ হাজার থেকে ৬হাজার টাকা দেয়ার কথা বলে।আরো বলে এই নিয়ে যেন কাউকে এসব কথা না বলি।তিনি জানায় এই আকাশমণি ৩০টি গাছের বাজার মূল্য প্রায় ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা দাম হবে।
    এনিয়ে ইউপি সদস্য মো: কফিলউদ্দীন জানায় কয়েকদিন থেকে আমিও শুনতেছি বেশ কিছু গাছ কেটে নিয়ে গেছে।আমার নামে যে ইউপি সদস্য বলেছে আমি গাছ কেটে বিক্রি করেছি এবং টাকা দিতে চেয়েছি এ কথা তিনি মিথ্যা বলেছে।আমি কোন গাছ কেটে বিক্রি করি নাই।
    এব্যাপারে ২নং তোড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহ তিনি জানান,ঝড়ে একটি গাছ পড়ে গেলে ইউএনও মহদয়ের নিদের্শে একটি গাছ কাটা হয়। তিনি আরো বলেন,একটি গাছ বাদে পরিষদের কোন সদস্য যদি গাছ কেটে থাকে তার দ্বায়ভার তাকে নিতে হবে।

  • বানারীপাড়ায় রেইন্ট্রী গাছে পলাশের  ঝুলন্ত  লাশ উদ্ধার

    বানারীপাড়ায় রেইন্ট্রী গাছে পলাশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    এস মিজানুল ইলসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি॥বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারীতে পলাশ (২২) নামের এক যুবকের লাশ রেইন্ট্রী গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। পলাশের মৃত্যুর বিষয়টি উদঘাটনে ময়না তদন্তের
    জন্য শুক্রবার ২ জুন সকালে লাশ বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
    পলাশ উপজেলার বাইশারী গ্রামের হিরণ হাওলাদারের ছেলে। জানা যায়, ১ জুন বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে একই গ্রামের আ.খালেক বেপারীর বাগানের পাশ দিয়ে ফারুক নামের লোক গোঙ্গানির শব্দ পায়। এসময় তিনি খালেক বেপারীকে ডাক দিলে তিনি টর্চ লাইট পলাশের গলায় গামছার ফাঁস লাগানো রেইন্ট্রী গাছের ডালের ঝুলে আছে।

    বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে ওই রাতেই উপ-পরিদর্শক ইসমাইল হোসেন ঘটনাস্থলে লাশ উদ্ধার করে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে যান এবং শুক্রবার সকালে লাশ বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

    এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মাসুদ আলম চৌধুরী বলেন, প্রাথমিক অবস্থায় আত্মহত্যা করেছে। তার পরেও ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানে হয়েছে। এ ব্যপারে বানারীপাড়া থানায় ইউডি মামলা হয়েছে।#

  • নিয়োগ বাণিজ্য করতে না পেয়ে   অধ্যক্ষের কক্ষে সহকারী শিক্ষকের হামলা ও ভাংচুর

    নিয়োগ বাণিজ্য করতে না পেয়ে অধ্যক্ষের কক্ষে সহকারী শিক্ষকের হামলা ও ভাংচুর

    এনামুল সরকার,
    রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : তারিখ:০১-০৬-২০২৩ ইং। মাদরাসার
    অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বাণিজ্য করতে না পেয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে হুমকি ও ভাংচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ।
    গত ২৮ মে মাদরাসা সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় গেটে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মনসুর আলীর পথরোধ করে ১৫ লক্ষ দাবি করেন একই মাদরাসার নৈশ্য প্রহরী তাইজুল ইসলাম।ঐদিন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবু বক্করসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষে উদ্ধার করেন বলে জানান একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীরা। গত ২ এপ্রিল মাদরাসায় অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার পদে যোগদান করেন মো:আবু তালেব।

    ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩০ মে দুপুর সাড়ে ১২ ঘটিকায় রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউপির ঘুমারুভীমশীতলা মৌজাস্থ রাজমাল্লীহাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদরাসায়।হামলা ও হুমকির ঘটনায় মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মনসুর আলী বাদি হয়ে সাতজনকে আসামি করে রাজারহাট থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,গত বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ ঘটিকায় বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে মাদরাসার অধ্যক্ষের অফিস কক্ষে ঢুকে আমাকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। বিবাদীগণকে নিষেধ করলে আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া আমাকে মারপিট করতে উদ্যত হয় এবং আমার অফিস কক্ষের টেবিলে ঘুষি মারলে টেবিলের উপরে থাকা গ্লাস ভেঙে চুরমার হয়।

    মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ও উমর মজিদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আহসানুল কবীর আদিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রতিবেদককে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এরকম জঘন্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। উমর মজিদ ইউনিয়ন বিট কর্মকর্তা ও রাজারহাট থানার ডিউটি অফিসার এসআই মিজান অভিযোগ পত্র রিসিভ করে সাধারণ প্রোসেসে আমরা মুন্সি স্যারকে দেই।
    কুড়িগ্রাম এডিসি সার্বিক ও রাজমাল্লীহাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো:মিনহাজুল ইসলাম বলেন,পরীক্ষার আগের দিন নিয়োগ নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পন্ন করা হয়।
    লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্তকে নিয়োগ প্রদান করা হয়।# (ছবি সংযুক্ত)

  • ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।
    স্টাফ রিপোর্টার।।

    ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে র‍্যালী সমাপ্ত শেষে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বিশ্ব দুগ্ধ দিবস এ এক প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল “টেকসই দুগ্ধ শিল্প; সুস্থ মানুষ, সবুজ পৃথিবী”। সভায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃআবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোঃমাহবুবুর রহমান,বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃমামুন ভুইয়া,পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা,

    এছড়া ও ঠাকুরগাঁও ডেইরী ফার্ম এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা কামাল,সাধারণ সম্পাদক ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সুনাম,সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃহেমন্তু কুমার রায় প্রমুখ।