রফিকুল ইসলাম ঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের সংরক্ষিত বনে অবৈধভাবে মধু সংগ্রহের উৎসব চলছে। তা আবার বন কর্মকর্তাদের যোগ সাজোশে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকলও তোয়াক্কা করছে না কেউ। ইলিয়াস নামে এক মৌয়ালের সাথে কথা হয় প্রতিবেদকের। তার মতে, ‘বনের রক্ষকই ভক্ষক’। বন বিভাগের স্থানীয় বীট কর্মকর্তা স্বয়ং জড়িত থাকার অভিযোগ করেন তিনি। ইলিয়াস জানান, মৌডুবী ফরেষ্ট বিট কর্মকর্তা শোয়েব খানকে তিনের একাংশ মধু দিতে হয়। আর এর বিনিময়ই মৌখিকভাবে অনুমতি দেন তিনি। অন্যথায় রয়েছে মামলার হুমকী।
এদিকে মৌডুবী ইউনিয়নের বিট কর্মকর্তা শোয়েব খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কাউকে বাগানে মধু সংগ্রহের জন্য অনুমতি দেইনি। তবে আমি জানতে পারছি যে দুই দল ইলিয়াছের দল ও ১১ নং এলাকার আরো একটি দল বাগানে মধু সংগ্রহ করতে গিয়েছে।’ তবে নিয়মিত গাছ কাটা ও মধু সংগ্রহকারীদের বিরুদ্ধে কেন আইনী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছেনা তা জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
বিট কর্মকর্তার মধু বাণিজ্যের বিষয়টি এলাকাবাসীর কাছে অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’ বিষয়। লেনদেন, বাণিজ্য এবং মৌখিক অনুমতি থাকলেও নেই কোনো দালিলিক প্রমাণ। একাদিক স্থানীয় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংরক্ষিত বনের মধু সংগ্রহে বীট কর্মকর্তা নিজেই জড়িত। এখানে অন্যরা প্রতিবাদ করে আর কী হবে!
অন্যদিকে সাধারণ জনগণের প্রতি রয়েছে মামলার ভয়। লীজ নেয়া লোকজনকে মধু কিংবা গাছ কাটতে বাঁধা দিলে তাদের বিরুদ্ধে উল্টো হয়রানী মূলক মামলা দেয়া হয় বলেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
অভিযুক্ত বীট কর্মকর্তার অনুসারী ইলিয়াসের মামলার ভয়ে কেউ বাসা বাড়ির মধুও কাটতে পারেনা। তাই আমাদের এলাকার সকল জনগনের দাবি, ‘তাদেরকে যেন এই বিট কর্মকর্তা সংরক্ষিত বনের মধুর লিজ না দেয়।’ একইসাথে অবৈধভাবে মধু সংগ্রহ এবং এলাকার মানুষকে মামলার ভয় দেখায় তার শাস্তি চান তারা।
নাম না প্রকাশের শর্তে এক জেলে বলেন, আমরা আপনাদের কাছে যদি কিছু বলি তাহলে শোয়েব খান আমাদেরকে খাল লিজ, বাগানের মধু লিজ , আমরা যে বাগানের গাছ কাডি জানতে পারলে আর কোন দিন দিবেনা। তাই আপনাদের কাছে কিছুই বলতে পারবো না। সাংবাদিকরা যখন বাগানে যাবে তখন বিট কর্মকর্তা যারা মধু কাটতে যায় তখন তাদের কে ফোনে বলে দেয় তোরমা চলে আসো সাংবাদকিরা বাগানের দিকে যাচ্ছে। এরকম অনেক দেখছি। গাই বাছুরের মিল থাকলে বাগানে গিয়েও দুধ দেয় অর্থাত সাংবাদিকরা দিনে আসলে ওরা রাতে বাগানে মধু কাটবে।
উল্লেখ্য গত সোমবার মৌডুবী ফরেষ্ট ক্যাম্পের আওতাধীন ১১ নং গ্রামের আব্দুর রব ও সবুজ আকন বাধঘাট এলাকায় (আশাবাড়িয়া) সংরক্ষিত বনে মধু সংগ্রহে গেলে সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেয়া একই ইউনিয়নের ভ‚ইয়াকান্দা এলাকার হাসেম পাটোয়ারীর ছেলে ইলিয়াছ পাটোয়ারীর লোকজন বনের ভিতরে পিছন থেকে সবুজ আকনের উপর হামলা চালায়।
সবুজ আকন জানান, আমি বনের ভিতর দিয়ে একা হাটতেছিলাম এমন সময় পিছন থেকে এসে একজন আমাকে লাঠি দিয়ে মার শুরু করে। পরে ইলিয়াসের সাথে থাকা দুলাল আমাকে দা দিয়ে কোপ দিতে চাইলে আমি হাত দিয়ে বাধা দেয়ায় কোপ আমার হাতে পরে হাত কেটে যায়। তার পরে আমাকে ইলিয়াসের দল উঠিয়ে ফরেষ্ট অফিসে নিয়ে আসে। আমি এর বিচার চাই। আমি এখনো পর্যন্ত কোন বিচার পাইনি। বিট কর্মকর্তা বলেছে আমি পটুয়াখালীতে আছি আমি এসে বসে সবার কথা শুনে একটা ফয়সালা করে বিবো। আমি এখোনো তার ফয়সালার আশায় আছি।
উপজেলা রেঞ্জ অফিসার অমিতাভ বসু বলেন, অবৈধভাবে মধু সংগ্রহ করা আইনত দন্ডনীয়। বনবিভাগ থেকে এ ধরনের লিজ দেয়া বন্ধ রয়েছে। বনবিভাগের কোনো কর্মকর্তা জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিভাগীয় বনকর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি বনে মধু সংগ্রহ ও গাছ কাটা সম্পূর্ণ অবৈধ। বন বিভাগের কোন কর্মকর্তা অবৈধভাবে লিজ দিয়ে থাকলে বিভাগীয় তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Author: desk
-

সংরক্ষিত বনে মধু’র ভাগ দিলেই মিল মধু সংগ্রহের অবৈধ পাশ
-

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : তারাকান্দায় নজরুলের তালার পক্ষে একাট্টা ভোটাররা
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
তারাকান্দায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রচার-প্রচারণা জমে উঠেছে। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত এডভোকেট ফজলুল হক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুরুজ্জামান সরকার বকুল সমর্থকদের মাঝে গত ১লা জুন রাতে সংঘর্ষ হামলা গুলাগুলির ঘটনায় নির্বাচনী পরিবেশ অনেকটাই থমকে গেছে।ভোটারদের মাঝে আতঙ্কের দেখা দিয়েছে। তবে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মাঝে এখনো কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের মাঠে একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলেও সদ্য সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম নয়নের পক্ষে সাধারণ ভোটার, আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একাট্টা হয়ে কাজ করায় অনেকটা স্বাভাবিকভাবেই প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন নজরুল ইসলাম নয়ন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি নজরুলের তালা প্রতীকের পক্ষে সমর্থন জুগিয়েছেন উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা ।উপজেলার কয়েকটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জানান, আমাদের উপজেলায় প্রায় ৭০শতাংশ ভোটার আওয়ামী লীগের। নজরুল ইসলাম নয়ন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। তাই উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসাবে নজরুলের বাইরে অন্য কাউকে চিন্তা করতে পারি না। এই নির্বাচনে নজরুল ইসলাম নয়নের পক্ষে যেভাবে একাট্টা হয়ে সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীরা কাজ করছেন তাতে সর্বাধিক ভোটে তালা প্রতীকের জয় সুনিশ্চিত বলেও জানান তিনি।
উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা বলেন, দলের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা নজরুল ইসলাম নয়নকে উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন দিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় হাইকমান্ড মূল্যায়ন করেছেন। আমরাও দলের সমর্থিত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে দলীয় হাইকমান্ডকে তারাকান্দা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদটি আওয়ামী লীগ কে উপহার দিবো।
ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম নয়ন বলেন, নির্বাচনকে উৎসবমুখর করতেই আমি দ্বিতীয় মেয়াদে আবারও প্রার্থী হয়েছি। কেউ খালি মাঠে গোল দেবে, সেটি আমি চাই না। আমার প্রার্থীতার মধ্য দিয়ে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
নজরুল ইসলাম নয়ন বলেন, আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আমাকে এই নির্বাচনে দলীয় সমর্থন দিয়ে মূল্যায়ন করায় আমি প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও তারাকান্দার গর্ব প্রিয় নেতা মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপির প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি যেখানেই যাচ্ছি দলের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে দলীয় নেতাকর্মী এবং ভোটারদের কাছে সাড়া পাচ্ছি। আশা করছি সবার সার্বিক চেষ্টায় তারাকান্দা উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান পদটি জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আমাদের নেতা শরীফ আহমেদ এমপিকে উপহার দিতে পারব। তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে আমি দ্বিতীয় মেয়াদে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উপজেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সমন্বয়ে প্রথম শ্রেণির উপজেলা তারাকান্দা কে আরো আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করে তুলব ইনশাআল্লাহ।
-

দেবিদ্বারে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় উভয়পক্ষের আহত ২৫ ভাংচুর ৩৪ বাড়ি
মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,
কুমিল্লা থেকে,
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ১ নং বড় শালঘরের ফরিদ মেম্বার বনাম আলম হাজারী গ্রুপের মধ্যে গত ইউপি নির্বাচন থেকে দাঙ্গা হাঙ্গামার ঘটনা চলে আসছে তারই রেস ধরে গত ২ রা জুন রাতে ছোট শালঘরে বাসিন্দা বড় শালঘরের ইউএমএ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান ও মিজানকে আলমহাজারীর লোকেরা নির্জন স্থানে পেয়ে মারধর করে। স্থানীয়রা জানান বর্তমান ইউপি সদস্য আলমহাজারীর অনুসারী সাদ্দাম, সুজন,শাওন আকরাম শাহজাহান ও মিজানকে পিটিয়ে আহত করে, শাহজাহান মাস্টারের একটি হাত ভেঙে দেয়। এতে শাহজাহানের সমর্থীত লোকেরা প্রতিপক্ষ আলম হাজারীর সমর্থীত ২৪ বাড়ীতে দাওয়া করে ইটপাটকেল ছুঁড়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অপরপক্ষে আলমহাজারী মেম্বার ও বহিরাগত সমর্থীত সন্ত্রাস জরকরে পুনরায় ফরিদমেম্বার অনুসারী লোকদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটসহ বেশ কয়েকজনকে আহত করে। এতে নেতৃত্ব দেন ঐ ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সভাপতি সুজন হালদার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ সাওন,আকরাম। এব্যাপারে নিরহ বাসিন্দা মাহবুব জানান ৯টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে শিশু সহ ১৮ জন কে আহত করে আলমহাজারীর লোকেরা। ৯ বাড়িতে লুটসহ ভাঙচুর করে গেছে। এব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানা ইনচার্জ জানান খবর পেয়ে ঘটনার স্থল নিয়ন্ত্রণে আনেন। এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রনে আছে গ্রামটি। কোন পক্ষে অভিযোগ করেনি।অভিযোগ হলে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই ঘটনায় নিরহ গ্রামবাসিন্দা প্রবাসী নাছির উদ্দিন, বাবুল মিয়া,আবুল কালাম জানান আমরা কোন দলের না,হঠাৎ সন্ত্রাসী সাদ্দাম, সুজন,সাওন,আকরাম বহিরাগত লোকজন নিয়ে দাড়ালো ছেনি,রামদা উচিয়ে অবৈধ ভাবে আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে কুপিয়ে বাড়ি ঘরের আসবাবপত্র ও দরজা জানালা ভাঙচুর করে দামী জিনিস পত্র লুট করে নিয়ে যায়।আমরা প্রশাসনের কাছে বিচার চাই। এ ব্যাপারে আলমহাজারী ও ফরিদমেম্বার কে খোজে পাওয়া যায়নি।
-

পল্লীবন্ধুর স্বপ্ন পুরণের লক্ষে জাতীয় ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে-জাপা নেতা সেলিম
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে ও পল্লীবন্ধুর স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মানে জাতীয় ছাত্রসমাজের নেতাকর্মীদের পল্লীমাতা ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, ময়মনসিংহ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্ত আস্থাভাজন ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম।বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে মন্তব্য করে আব্দুল আউয়াল সেলিম বলেছেন, স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত রাখতে এবং বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে অবশ্যই জাতীয় ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে ছাত্রসমাজের ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।
শুক্রবার (২রা জুন) বিকেল ৪ ঘটিকায় ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় পার্টির কার্যালয় সুন্দরমহলে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ও মহানগর ছাত্র সমাজ আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় জাপা নেতা আব্দুল আউয়াল সেলিম
ময়মনসিংহ সদরের উন্নয়নে বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিরুদ্ধে সকল প্রকার ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াতে জাতীয় ছাত্র সমাজ কে আরো বেগবান ও শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করতে তিনি সংগঠনটির নেতৃবৃন্দকে নির্দেশ দেন।সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় সমাজের সাবেক সভাপতি, সাবেক তুখোড় ছাত্র নেতা বর্তমান ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক জনাব সাব্বির হোসেন বিল্লাল। তিনি বলেন, ময়মনসিংহ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির হাতকে শক্তিশালী করে সমাজের অন্ধকার দূর করতে এবং ময়মনসিংহের উন্নয়নকে আরো এগিয়ে নিতে ছাত্রসমাজের নেতাকর্মীদেরকই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-ময়মনসিংহ
জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ন আহ্বায়ক ইদ্রিস আলী, মহানগর জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক সাবেক কাউন্সিলর লাল মিয়া লাল্টু,জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল ইসলাম নুরু, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আফজাল হোসেন হারুন। এসময় জেলা জাতীয় পার্টির প্রস্তাবিত আহবায়ক হোসাইন মোঃ সারোয়ার,সদর উপজেলার ছাত্র সমাজের প্রস্তাবিত আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন তুষার,সদর উপজেলার ছাত্র সমাজের প্রস্তাবিত সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম সম্রাট,মহানগর ছাত্র সমাজের প্রস্তাবিত আহবায়ক সুমন হাসান সুমন,মহানগর ছাত্র সমাজের প্রস্তাবিত সদস্য সচিব রানাসহ সদর ও মহানগর জাতীয় ছাত্র সমাজের প্রস্তাবিত সকল যুগ্ন আহবায়ক ও সদস্য বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। -

নীলফামারী আদালত প্রাঙ্গনে বিশ্রামাগার “ন্যায়কুঞ্জ” এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার নীলফামারী
মোঃহামিদার রহমান নীলফামারীঃ শনিবার ০৩ জুন২০২৩ নীলফামারী আদালত প্রাঙ্গনে আগত বিচার প্রার্থীগণের জন্য নির্মিত বিশ্রামাগার “ন্যায়কুঞ্জ” এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের মাননীয় বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম (সাবেক চেয়ারম্যান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১) যথাযথ প্রটোকলের মাধ্যমে নীলফামারী সার্কিট হাউজে উপস্থিত হলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম, পুলিশ সুপার নীলফামারী । অতঃপর পুলিশ সুপার নীলফামারীর উপস্থিতিতে নীলফামারী জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। গার্ড অব অনার শেষে মাননীয় বিচারপতি বিকেল ১৭ :০০ ঘটিকায় নীলফামারী আদালত প্রাঙ্গনে এসে উপস্থিত হন এবং আদালত প্রাঙ্গণে আগত বিচার প্রার্থীদের জন্য নির্মিত বিশ্রামাগার “ন্যায়কুঞ্জ” এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। অতঃপর মাননীয় বিচারপতি মহোদয় আদালত প্রাঙ্গণে একটি অর্জুন বৃক্ষের চারা রোপণ করেন।
বৃক্ষরোপণ শেষে জেলা আইনজীবী সমিতি, নীলফামারী এর আয়োজনে জেলা আইনজীবী সমিতি, নীলফামারী হল রুমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের মাননীয় বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম (সাবেক চেয়ারম্যান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১) সাথে বিজ্ঞ আইনজীবী গনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদুল করিম, জেলা ও দায়রা জজ নীলফামারী; পঙ্কজ ঘোষ, জেলা প্রশাসক, নীলফামারী; মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম, পুলিশ সুপার, নীলফামারী; সাইফুল ইসলাম, বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নীলফামারী; এ, বি, এম, গোলাম রসূল বিচারক ( জেলা ও দায়রা জজ) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ নীলফামারী।
এ ছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যবৃন্দ সহ বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-

ছাত্রলীগের পাল্টা-পাল্টি মিছিলকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতির উপস্থিতিতে হামলা!আহত-১০
আব্দুর রহিম বাবলু,
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা পেরিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের পাল্টা-পাল্টি মিছিলকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বিকেলে পেরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে হামলার ঘটনা ঘটে।জানা যায়;ছাত্রলীগনেতা রহমত উল্লাহ রাহাত,বেলায়েত মিয়াজী ও এস এম স্বপনের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াতের অপরাজনীতি,সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল শুক্রবার বিকেলে করবে বলে একটি ব্যানার সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে পোষ্ট করে।অপর দিকে পেরিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি শাহ পরান মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম পরাগের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে একটি বিক্ষোভ মিছিল করবে বলে ব্যানার সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে পোষ্ট করে তাদের নেতা কর্মীরা এবং তারা সকাল বেলা তা পরিবর্ত করে নতুন বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে মাননীয় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল(লোটাস কালাল)কে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিলের ব্যানার সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে পোষ্ট করে।
শুক্রবার বিকেলে রহমত উল্লাহ রাহাত,বেলায়েত মিয়াজী ও এস এম স্বপনের নেতৃত্বে পেরিয়া বাজার থেকে মিছিল শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আসে,পুনরায় পেরিয়া বাজারে যাওয়ার পথে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম রুবেলের সামমেই পেছন থেকে ইট পাটকেল ও দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে হামলা করে।হামলার খবর শুনে অত্র ওয়ার্ডের মেম্বার বাবুল গাজী ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে এমন সময় জাকারিয়া ইসলাম পরাগ বাবুল গাজীর উপর রামধা দিয়ে হামলা করে।এতে প্রায় দশজন আহত হয়।
এবিষয়ে ছাত্রলীগনেতা রহমত উল্লাহ রাহাত বলেন;আমাদের পূর্ব ঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল পেরিয়ায় দিয়েছি,আর তারা শ্রীফলিয়া বাজার দিয়েছে। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে মিছিল নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠ থেকে যাওয়ার পথে পেছন থেকে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম রুবেল,ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি শাহ পরান মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম পরাগের নেতৃত্বে আমাদের উপর অতর্কিত হামলা করে আমরা এই তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এবং মাননীয় অর্থমন্ত্রী ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে যারা জড়িত তাদেরকে সাংগঠনিক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি করছি।
উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম রুবেল বলেন;আমরা পেরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে মিছিল করছি,এমন সময় রহমত উল্লাহ রাহাতের নেতৃত্বে কিছু বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত লোক আমাদের মিছিলে হামলা করে এতে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি শাহপরান মজুমদারসহ প্রায় ১০ জন আহত হয়।
নাঙ্গলকোট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন;আমি ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠিয়েছি, এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।
-

ঝালকাঠিতে ফোন কিনে না দেওয়ায় অভিমান করে কিশোরের আত্মহত্যা
ঝালকাঠি প্রতিনিধি :
ঝালকাঠিতে মোবাইল ফোন কিনে না দেয়ায় মায়ের সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে এক কিশোর আত্মহত্যা করে। ঝালকাঠি পৌর এলাকার কৃষ্ণকাঠি (টেম্পু ষ্টান্ড) ব্রীজ সংলগ্ন আমির হোসেনের ভাড়া বাড়িতে ৩ জুন শনিবার দুপুর আনুমানিক ৩টার সময় মহিউদ্দিন মিতুল (১৮) নামের এক কিশোরের গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকা দেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
নিহত মিতুলের মা তাসলিমা বেগম বলেন, আমার ছোট ছেলে কলেজ রোড এলাকায় গ্রীল ওয়ার্কসপে কাজ করতো। গত সাত দিন যাবৎ কাজে যায়না। মোবাইল কেনার জন্য টাকা চায় প্রতিদিন টাকার জন্য ঘরে আমার সাথে চেচামেচি করে। আমি টাকা যোগার করে দিতে না পাড়ায় সে আত্মহত্যা করেছে। আজ সকাল ১১ টার সময় আমি ছেলেকে নাস্তার টাকা দিয়ে এক বাড়িতে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠানে যাই। সেখানে থাকা অবস্থায় আমাকে ফোন দিয়ে জানানো হয় মিতুল আত্মহত্যা করেছে আমি সাথে সাথে বাসায় ছুটে এসে দেখি আমার ছেলে আর নেই।
নিহতের বড়বোন শান্তা বেগম বলেন, ‘আমার বাবা ফারুক হোসেন ৭ বছর আগে মারা যায়। তারপর আমার মা সোহাগ হোসেন নামের এক রং মিস্ত্রীর সাথে বিবাহ বসেন। সেই ঘরেই থাকতো ছোটো ভাই মিতুল। তবে নিহত মিতুল বেশির ভাগ সময় নেশা করতো। এছারাও নিহতের ভাই মো. অনিক বলেন, ‘ঘটনার সময় বাসায় কেউ ছিলেন না। আব্বু দুপুরে বাসায় গিয়ে দরজা নক করলে ভিতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশিদের নিয়ে দরজা ভেঙে দেখতে পায় মিতুল গলায় ওড়না পেছিয়ে জানালার সাথে বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।’
এ বিষয় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন সরকার আত্মহত্যার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আমরা লাশের সুরতহাল করেছি, তাতে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। এর বাইরে যদি কিছু থাকে সেটা ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে লাশের ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
-

কালকিনিতে ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির র্যালী ও আলোচনা সভা
মোঃমিজানুর রহমান,কালকিনি প্রতিনিধিঃ
রক্ত দিয়ে এনেছি স্বাধীনতা-রক্ত দিয়ে বাঁচাবো মানবতা’ এই শ্লো-গানকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত মাদারীপুরের কালকিনি ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এউপলক্ষে আজ(শনিবার) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্তর থেকে বর্ণাঢ্য র্যালী শুরু করে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কালকিনি ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক শাহরিয়ার শামীমের সার্বিক পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ কায়েসুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এস কে এম শিবলি রহমান, কালকিনি ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির উপদেষ্টা মীর সরোয়ার আলম ফেরদৌস, কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের প্রভাষক মিজানুর রহমান সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। -

নড়াইলে চিত্রা নদীতে গোসলে নেমে তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী নিখোঁজ
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলের চিত্রা নদীতে গোসল করতে গিয়ে আরিফা খাতুন (১১) নামের স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হয়েছেন। শুক্রবার (২ জুন) দুপুর ১টার দিকে নড়াইল সদর উপজেলার এস এম সুলতান সেতুর নিচে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ আরিফা স্থানীয় মাছিমদিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সে নড়াইল সদর উপজেলার হাটবাড়িয়া গ্রামের জয়নাল মোড়লের মেয়ে। নড়াইল জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মাহাবুব আলম রাত ৯টার দিকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, হাটবাড়িয়া গ্রামের প্রতিবেশী বোন আরিফা ও লামিয়া দুপুরে গোসল করতে চিত্রা নদীর এস এম সুলতান সেতুর নিচে নামে। পরে লামিয়া গোসল শেষে নদী থেকে উপরে উঠে আসলেও আরিফা উঠে আসেনি। পরে খবর পেয়ে সদর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে। এরপর খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকে খবর দেয়। খবর পেয়ে এদিন সন্ধা ৭টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালায় ডুবুরি দল। তবে তার কোনো সন্ধান মেলেনি। নড়াইল জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মাহাবুব আলম বলেন, খুলনা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে আজ সন্ধা ৭টা পর্যন্ত উদ্ধার কার্যক্রম চালায়। তবে নিখোঁজের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। আজ উদ্ধার অভিযান শেষ হলেও আগামীকাল আবারও উদ্ধার অভিযান চালানো হবে।
-

১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী আটক
বাবল হোসেন পঞ্চগড
পুলিশ সুপার, পঞ্চগড় সার্বিক দিক নির্দেশনায় ও অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা পঞ্চগড়ের তত্ত্বাবধানে এসআই / মোঃ মিজানুর রহমান এর নের্তৃত্বে এসআই/ মোঃ আসাদুজ্জামান, এসআই / লিপন কুমার বসাক, এএসআই/ নয়ন দেবনাথ, এএসআই/ মোঃ উমর ফারুক ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ বোদা থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করিয়া বোদা পৌরসভাধীন ০৪ নং ওয়ার্ডের তিতো পাড়া গ্রামস্থ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ শরিফুল ইসলাম এর বসত বাড়ির সামনে পাঁকা রাস্তার উপর আসামী ১। মোঃ শরিফুল ইসলাম(২৫), পিতা- মোঃ আনারুল ইসলাম, সাং- তিতো পাড়া ও আসামী ২। মোঃ জামাল বাদশা (৩৮), পিতা- মোঃ ফারাজ উদ্দিন, সাং- মকরালীপাড়া, উভয় থানা- বোদা, জেলা- পঞ্চগড়দ্বয়কে ১০০ (একশত) পিচ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ইং ০১/০৬/২০২৩ তারিখ সময় ২২.২৫ ঘটিকার সময় আটক করা হয়। এ বিষয়ে এসআই /মোঃ আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে বোদা থানায় এজাহার দায়ের করিলে বোদা থানায় মাদক দ্রব্য আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।