শেখ সাইফুল ইসলাম কবির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: খুলনার কয়রায় দুই ইউনিয়নের মানুষের চলাচলের জন্য বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা। কয়রা সদর ইউনিয়নের ৪ নং কয়রা ও মহারাজপুর ইউনিয়নের মটবাড়ি গ্রামের সংযোগ স্থল শাকবাড়িয়া নদীর উপর এলাকাবাসী একটি ব্রীজ নির্মানের দাবী জানিয়ে আসলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সহ জনসাধারনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। সরেজমিনে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, কয়রা সদর ইউনিয়নের ৪ নং কয়রা ও মহারাজপুর ইউনিয়নের মঠবাড়ি গ্রামের মধ্যে স্থল শাকবাড়িয়া নদীর উপর মানুষের চলাচলের জন্য একটি বাঁশের সাঁকো রয়েছে। সাঁকোটি উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম নিজস্ব অর্থায়নে নির্মান করে দিয়েছেন। সাঁকোটি নির্মিত হওয়ায় দু’পারের মানুষের চলাচল অনেকটা সহজ হয়েছে। ২০০৯ সালে আইলায় প্রতাপস্বরনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মটবাড়ি গ্রামের সংযোগ স্থলের রাস্তা ভেঙ্গে দু’পারের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হয়ে যায়। বর্তমানে ভেঙ্গে যাওয়া স্থানে ড্রামে করে মঠবাড়ি গ্রামের পূর্ব অংশের মানুষ ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা পারাপার হয়ে থাকে। অপরদিকে মঠবাড়ি গ্রামের পূর্ব পাড়ের মানুষ ও স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের উপজেলা সদরে আসা-যাওয়ার জন্য একমাত্র বাঁশের সাঁেকাই ভরসা। সাঁকো পার হওয়া মঠবাড়ি গ্রামের কৃষক আব্দুর সবুর ও ৪ নং কয়রা গ্রামের গৃহিনী সুফিয়া খাতুন বলেন, সাঁকোটি দিয়ে বৃদ্ধ ও শিশুদের মারাত্বক ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় অনেকে দুর্ঘাটনার শিকার হয়েছে। স্কুলে ছেলে-মেয়েদের পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয় তাদের। এ সাঁকোর স্থলে একটি ব্রিজ নির্মানের দাবী ভুক্তভোগি এলাকাবাসীর। মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্যাহ আল মাহমুদ বলেন, দুই ইউনিয়নের সংযোগ স্থল শাকবাড়িয়া নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মান হলে কয়রা সদর ইউনিয়নের সাথে মহারাজপুর ইউনিয়নের মঠবাড়ি গ্রামের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, দুপারের মানুষের চলাচলের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে বাঁেশর সাকো নির্মান করে দেয়া হয়েছে। এলাকাবাসী ৪ নং কয়রা ও মঠবাড়ি গ্রামের সংযোগ স্থল শাকবাড়িয়া নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মানের দাবি জানিয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।ল
Author: desk
-

গোপালগঞ্জে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা ও সরঞ্জামাদিসহ দস্পতি গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে জাল টাকা তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে টাকা তৈরির সরঞ্জাম ও বিপুল পরিমান জাল টাকাসহ এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (০৩ জুন) গভীর রাতে শহরের পূর্ব মিয়াপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ওই দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো: খায়রুল আলম ঘটনাস্থল পরির্শন করেন।
আজ রবিবার (০৪ জুন) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জাবেদ মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার লাকুরতলা গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে কামরুল ইসলাম (৩২) ও তার স্ত্রী হোসনা বেগম (২৪)।
ওসি মো: জাবেদ মাসুদ জানান, পূর্ব মিয়াপাড়া এলাকার সৌদি প্রবাসী হায়াত আলীর ৪র্থ তলার একটি ফ্লাট ভাড়া নিয়েছেল কামরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী হোসনা বেগম। পরে সেই ফ্লাটে জাল টাকা তৈরীর কারখান গড়ে তোলেন।
ওই ফ্লাটে জাল টাকা তৈরি করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গবঅর রাতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় টাকা প্রিন্ট করা অবস্থায় ওই দম্পতি কামরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী হোসনা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানকালে ওই ফ্লাট থেকে ১টি ল্যাপটপ, দুটি প্রিন্টার, কেমিকেল, টাকা ছাপানোর বিশেষ কাগজ, কাঠের তৈরি ফরমা ও বিপুল পরিমান জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, অভিযানের সময় এ চক্রের অন্যান্য আরো সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে জাল টাকা সরবরাহ কাজে ব্যস্ত ছিল। জাল টাকা ছাপানো চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। #
-

বেতাগীতে নবাগত ইউএনও’র সাথে এনসিটিএফ সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়
বেতাগী বরগুনা প্রতিনিধি।
বরগুনার বেতাগীতে উপজেলার নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফারুক আহমেদ সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময়করেন শিশু সংগঠন ন্যাশনাল চিল্ড্রেন টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) বেতাগী উপজেলা শাখার সদস্যরা।
রবিবার (৪জুন) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ন্যাশনাল চিল্ড্রেন টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) বেতাগী উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্নার নেতৃত্বে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং এনসিটিএফ এর কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবগত করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল চিল্ড্রেন টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) বেতাগী উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসান মাহামুদ পিয়লা, শিশু সাংসদ সদস্য মোঃ আরিফুল ইসলাম মান্না ও রাইসা ইসলাম, শিশু গবেষক নুপুর, সাবেক শিশু গবেষক মোসাঃমিম, পৌর এনসিটিএফ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাঈনুল ইসলাম তন্ম, মোঃ ইমমা,ইসমাইল,রাহাত, নাইমা, নবীব সোমাদ্দার প্রমুখ।
নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফারুক আহমেদ বলেন, সামাজিক সংগঠন করা খুব ভালো। আমি সবসময় তোমাদের সাথে আছি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক বিষয়ে তোমাদেরকে সহযোগিতা করব। বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, শিশুশ্রম, বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, এগুলোকে কখন আমরা প্রশ্রয় দেইনি এবং দিবো না কখনো।
-

গোপালগঞ্জে শুরু হয়েছে দুই জেলা পর্যায়ে দিনব্যাপী ৪৪তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা
স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে শুরু হয়েছে জেলা পর্যায়ে দুই দিনব্যাপী ৪৪তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা। জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
“ইন্টারনেটে আসক্তির ক্ষতি” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ রবিবার (০৪ জুন) দুপুরে সুমিং পুল এন্ড জিমনেশিয়ামে ফিতা কেটে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম।
পরে সেখানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: গোলাম কবিরের সভাপতি্ত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় পুলিশ সুপার অায়েশা সিদ্দিকা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলী খান, সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের অধ্যক্ষ মো: অহিদ আলম লস্কার বক্তব্য রাখেন।
পরে মেলায় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী ঘুরে দেখেন অতিথিবৃন্দ। এ বিজ্ঞান মেলায় ৮ স্টলে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী ও ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রদর্শন করছে। এছাড়া কুইজ প্রতিযোগিতার পাশাপাশি জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়ার্ড এবং প্রকল্প উপস্থাপনা করা হয়। আগামীকাল সোমবার (০৫ জুন) এ মেলার সমাপনি অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
এসময় জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, মাদকের মত ইন্টারনেট আসক্তি একই পয্যায়ে পৌঁছে গেছে। যে কোন অনুষ্ঠানে আমরা দেখি কেই অনুষ্ঠান দেখেছে না, কোথাও গেলে সেটি উপভোগ করছে না সবাই মোবাইল দেখছে। ছোট ছোট বাচ্চারা মোবাইল দিয়ে গেমস খেলছে না হয় ইন্টারনেট ব্রাউজ করেছে। এটি এখন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এসব বাচ্চাদের বিজ্ঞান মনস্ক করে গড়ে তুলে হবে। যাতে তারা নতুন নতুন জিনিস আবিস্কার করতে পারে। পড়ালেখা শিখে মানুষ হতে পারে। #
-

রামপালে জমি জমার বিরোধে হামলায় আহত-৫ আটক-২
এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || রামপালে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, শনিবার সকাল ৮ টায় উপজেলার উজলকুড় গ্রামে। আহতরা হলেন, আ. মজিদ (৫৫), আ. ওহিদ (৪৮), আ. মতিন শেখ (৪৫), মো. আনিস শেখ (৪০) ও মো. সালাউদ্দীন শেখ (৩৫)। এ ঘটনায় আহত ভিকটি আ. মজিদের পুত্র আ. সবুর শনিবার রাতে রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। রামপাল থানা পু্লিশ তাৎকালিকভাবে অভিযান চালিয়ে উজলকুড় গ্রামের ইনসান শেখের পুত্র আয়ুব আলী ও রণসেন গ্রামের আহম্মদ আলির পুত্র আনোয়ার শেখকে গ্রেফতার করেছে। রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম জানান, মারপিটের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরার জোর চেষ্টা চলছে।#
-

বাংলা সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে কুমিল্লায় বাংলা সংস্কৃতি বলয় এর প্রথম বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে
মহানগর প্রতিনিধি তৌহিদ খন্দকার তপুকে সাথে নিয়ে তরিকুল ইসলাম তরুণ এর রিপোর্ট –
গত ২ ও ৩ জুন কুমিল্লা বীর চন্দ্র নগর পাঠাগার ও সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আয়োজনে শুক্রবার বিকাল ৪টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংস্কৃত প্রতি মন্ত্রী কে এম খালীদ ও সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা ৬আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহার।
উক্ত অনুষ্ঠানে
দুই বাংলার জনপ্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আরো বেশি মানুষের কাছে নিয়ে গেছে সম্মেলনটিকে।
সারাবিশ্বে যেখানেই বাংলা সংস্কৃতি রয়েছে সেখানেই এরকম অনুষ্ঠান করা হবে। আমাদের সংস্কৃতি থেকে যা হারিয়ে গেছে বা যাচ্ছে তা কিছুদিন পর পর তুলে ধরলে সেগুলোকে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব বলে মনে করেন সম্মেলনের মহাসচিব।ভক্সপপঃ কাজী মাহাতাব সুমন, মহাসচিব, বাংলা বলয়ের বিশ্ব সম্মেলন
সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এপার ও ওপার বাংলার সুশীল সমাজ। জমকালো সাজে সজ্জিত হয় টাউনহল। ভারত থেকে আসা অতিথিদের সাদোরে গ্রহন করা হয়। ভারতীয় শিল্পীরা প্রসংশা করেন বাংলাদেশের মানুষের আচার আচরণ, পরিবেশন ও খাবারের। কুমিল্লার রসমলাইয়ের প্রসংশা সবার মুখে মুখে। হারিয়ে যাওয়া বাংলা সংস্কৃতি উদ্ধারে এমন অনুষ্ঠান বার বার হবে এমনটাই দাবী দুপাড়ের সংস্কৃতিমনা মানুষের।ভক্সপপঃ অংশ গ্রহণকারি
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি ভারত ত্রিপুরা সরকারের পর্যটন ও পরিবহন অধিদপ্তরের মাননীয় মন্ত্রী শ্রী সুশান্ত চৌধুরী, সাতক্ষীরা ২আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র বাংলাদেশ শ্রী দীপক মজুমদার, কুমিল্লা সিটি মেয়র আরফানুল হক রিফাত, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম বার, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখী, বিশ্ব সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক কাজী মাহতাব সুমন ও সদস্য সচিব দীপক চন্দ্র ঘোষ। এছাড়াও বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের দুই মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য জানায , কাঁটাতারের বেড়া দুদেশকে বিভক্ত করলেও মানুষের মনে কোন ধরনের বিভক্তি হয়নি। সংস্কৃতি রক্ষায় এধরনের আয়োজনে সকল ধরনের সহায়তা দেয়া হবে বলে জানায় তারা।
শট: মাননীয় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যবৃন্দ
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ও সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন বাংলাদেশ ও ভারতের জনপ্রিয় শিল্পীরা।
-

ময়মনসিংহ সদরে রাস্তা না থাকায় চরম দুর্ভোগে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরানগঞ্জ ইউনিয়নে চলাচলের রাস্তা না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে
আব্দুল্লাহপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আফাজ উদ্দিন এর পরিবারকে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মুক্তিযোদ্ধা আফাজ উদ্দিনের বাড়ি থেকে পাকা রাস্তার আকাব আলী বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নেই। জমির আইল দিয়ে পরিবারের লোকজনকে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে কোনো জনপ্রতিনিধি আমাদের দিকে নজর দেয়না বলে জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আব্দুল মজিদ অভিযোগের সুরে জানান-সারা বর্ষায় জমির হাইল দিয়ে চলাচল করতে হয়। কেউ অসুস্থ হলে কোলে করে নিয়ে যেতে হয় রাস্তায়। এব্যাপারে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার পরিবারটি।
এই বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আফাজ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান মাঝখানের ৩/৪ শতাংশ জমি দিলে আমাদের চলাফেরা সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যেত। বীর মুক্তিযোদ্ধা আরও বলেন আব্দুল মান্নান গংদের জমির উপর দিয়ে রাস্তা দিয়েছিলেন জমি সংক্রান্ত বিরোধী আমাদের চলাফেরা রাস্তায় বাশ দিয়ে বেঁধে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এতে রাস্তা না থাকায় চরম দুর্ভোগ পাওয়াতে হচ্ছে। ১৯৭১ সালে নয় মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে এনেছি এখন রাস্তার অভাবে আমি ও আমার পরিবারের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
একটি সুত্রে জানা যায়, আব্দুল হাই জমি দিতে চেয়ে ছিলেন পূর্বের শত্রুতা জেরে আব্দুল মান্নান, হাসিম উদ্দিন, হানিফা, খোকা মিয়া গংদের নির্দেশে আব্দুল হাই জমি দিতে অনিচ্ছুক প্রকাশ করেন। রাস্তা দিলে আমার চলাফেরার রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে। ভয়ভীতি দেখিয়ে আব্দুল হাইকে জিম্মি করে রাখে রাস্তা না দেওয়ার জন্য । সাংবাদিকদের আব্দুল মান্নান জানান আমাদের জমির উপর দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা আফাজ উদ্দিনের বাড়িতে দুটি রাস্তা দেয়া হয় একটি বন্ধ করে দিয়েছি আরেকটি পুরাতন রাস্তা চলমান রয়েছে।
-

মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন তারাকান্দার ইউএনও মিজাবে রহমত
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে বিদ্যালয়গুলো নিয়মিত পরিদর্শন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত।
সেই ধারাবাহিকতায় ৪ঠা জুন উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ফরিদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপন করেন ইউএনও মিজাবে রহমত।সুত্র মতে-গত ২০২১সালের এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখে ইউএনও হিসেবে যোগদানের পর থেকে এ উপজেলায় মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে একের পর এক উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়ন করে চলেছেন ইউএনও।
মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি নিজস্ব চিন্তাধারায় বাস্তবায়ন করে সফলতা অর্জন করেছেন। তাছাড়া সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তির ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন ইউএনও ।
‘মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করি, মেধাসম্পন্ন জাতি গড়ার প্রাথমিক সোপান গড়ি- এই স্লোগানকে সামনে রেখে দিন-রাত নানা কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে ইউএনও মিজাবে রহমত। তিনি বলেন, ছোট্ট সোনামণিদের মধ্যে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার বীজটি বপন করে সঠিক পরিচর্যা করা গেলে তাদের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতে পারে আগামী দিনের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বড় কর্মকর্তা তথা মেধাসম্পন্ন নাগরিক। সে জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের মেধাবী হিসাবে গড়ে তোলার মাধ্যমে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তারাকান্দা উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত স্যার উপজেলায় ইউএনও হিসেবে যোগদানের পর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মুখে তাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা ও তাদের আত্মপ্রত্যয়ী কথা শুনেন। সেই সঙ্গে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে কি করা যায় সেই ব্যবস্থা নেন।
তাছাড়াও উপজেলার ১৪৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে সেতুবন্ধন গড়ার কাজ শুরু করেছেন তিনি। সরকারি কর্মসূচির আলোকে এবং নিজস্ব চিন্তাধারা নিয়ে একের পর এক বিদ্যালয় পরিদর্শন ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করতে চলতে থাকে সভা সমাবেশ কর্মকাণ্ড। বিদ্যালয়গুলোতে মিড-ডে-মিল চালু এবং তা সচল রাখতে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে টিফিন বক্স বিতরণ শুরু করেছেন। এতে অল্প দিনে শিশুরা পাঠে অধিকতর মনযোগী হয়ে উঠে এবং ঝরে পড়ার সংখ্যা হ্রাস পায়। শিশুদের স্কুল রঙিন করণে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ আকর্ষণীয় করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। অভিভাবক ও শিক্ষক পরস্পরের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য নিয়মিত অভিজ্ঞতা বিনিময় সভার আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।
শিক্ষকদের প্রতিটি মাসিক সভায় স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে শিক্ষকদের মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষায় উৎসাহ প্রদান, শিক্ষকদের জন্য বিষয়ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন, শিশুদের বুদ্ধিমত্তা যথাযথভাবে বিকশিত হয়েছে কিনা তা নিয়মিত যাচাইপূর্বক ‘বুদ্ধিমত্তা উৎসাহ স্মারক’ প্রদান, তাদের সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, রচনা প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলোতে তাদের প্রাধান্য দিয়ে যাচ্ছেন।
৩৩তম বিসিএসের এই কর্মকর্তা শিশুদের কল্পনাশক্তির বিকাশ ঘটাতে আয়োজন করেছেন বিভিন্ন প্রতিযোগিতা। এছাড়া শিশু শিক্ষার্থীদের মনকে নির্মল ও সতেজ রাখতে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় ফুল বাগান তৈরিতে উৎসাহ প্রদানসহ শ্রেণি কক্ষে মনোমুগ্ধকর আনন্দঘন পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য পাঠ দানে আকর্ষনীয় উপকরণ ব্যবহারপূর্বক শাস্তি পরিহার করে শিশুদের স্নেহ-ভালবাসার মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করাসহ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর প্রতি গুরুত্বদানে শিক্ষকদের নিয়মিত উৎসাহ প্রদান করে যাচ্ছেন। মা সমাবেশ, অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষার বিষয়ে সকলকে ব্যাপকভাবে অবহিত করছেন। স্থানীয় জনগণ, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিকে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে প্রাথমিক স্তর হতেই ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে ভিত্তি তৈরিতে বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার এবং মুক্তিযুদ্ধ কর্নার স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন এই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় প্রাপ্ত বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতে নিয়মিত মনিটরিং করে ভৌত ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হচ্ছে।
শিশুদের মানসিক বিকাশ সাধনে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণসহ খেলাধুলার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ এবং একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপন করছেন করেছেন ইউএনও।
বৈরি আবহাওয়াতেও বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘রোদ বৃষ্টিতে ভয় নাই; সময়মত স্কুলে যাই’ শীর্ষক স্লোগানে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাতা বিতরণ করা এবং পাশাপাশি শিক্ষা উপকরণ হিসেবে স্কুল ড্রেস, খাতা, কলম, স্কুল ব্যাগ ইত্যাদি বিতরণ করা হয় তারাকান্দা উপজেলায়।
‘শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রতিটি বিদ্যালয়ে ‘অভিযোগ বক্স’ স্থাপনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। শিশু ও কিশোরী মেয়েদের মানসিক শক্তিতে বলীয়ান করতে আয়োজন করা হয় ফুটবল টুর্নামেন্টের।
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর ভাল ও মানসম্মত ফলাফল নিশ্চিত করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকদের ডাটাবেজ প্রস্তুতপূর্বক তাদের সাথে মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার মাধ্যমে উৎসাহিত করা হয়।
ইউএনও মিজাবে রহমত মনে করেন, সরকারের মাঠ প্রশাসনের এই পদটি যেহেতু বদলি জনিত। সে কারণে তাকেও হয়তো অন্যত্র চলে যেতে হবে। তবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে তিনি যে সকল কর্মকাণ্ড ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করেছেন এবং যে সকল কর্মকাণ্ড চলমান রয়েছে- এসব এগিয়ে নিলে সত্যিকার অর্থেই আগামী প্রজন্ম মেধাবী হবে।
-

উজিরপুরে ভুল চিকিৎসায় জীবন যুদ্ধের সন্ধিক্ষণে ব্যাবসায়ী
কে এম সোয়েব,
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নে ঘন্টেস্বর গ্রামের মৃত মো: মুজাম্মেল হক মোল্লার পুত্র আবদুর রশিদ মোল্লা ৪৬ কে একই উপজেলার হস্তিচন্ড এলাকার ঈদগাহ মার্কেটের আদর্শ হোমিও চিকিৎসক ডা: মো: মশিউর রহমান ভুল চিকিৎসা সেবা দেয়ায় জীবন যুদ্ধের সন্ধিক্ষণের দারপ্রান্তে পৌছে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।রশিদ জানায় দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ঢাকার মিরপুরে সুনামের সাথে টেইলারিং দোকান দিয়ে কাপর চোপর সেলাইয়ের কাজ করে স্ত্রী ছেলে সন্তান নিয়ে ভাল ভাবেই দিন কাটতেন তিনি। হঠাৎ তার ঘারে বন টিউমার দেখা দিলে ডাক্তার দেখিয়ে পরিক্ষা নিরিক্ষা করে সহায়সম্বল হারিয়ে নিস্ব হন তিনি।
অবশেষে অর্থের কাছে হেরে গিয়ে কোন উপায়ান্ত না পেয়ে ঢাকায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা নিয়ে অনেকটা সুস্থ হয়ে গত রামজান মাসে ছেলে সন্তান নিয়ে গ্রামে ফিরেন আবদুর রশিদ।
গ্রামে এসে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার চিকিৎসারত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন করে স্বাভাবিক ভাবে বেঁচে থেকে নিজের কাজ নিজেই সেরে নিয়ে অনেকটা সুস্থ জীবন কাটান তিনি।
গত ১ মে ২০২৩ ইং ডাক্তার মশিউরের গ্রামে পাঠানো দালালের খপ্পরে পরে তিনি (রশিদ)।এবং মশিউরের চিকিৎসা সেবা নিতে মত প্রকাশে ডাক্তার মশিউর তার ( রশিদের) গ্রামের বাড়ি ঘন্ডেশ্বরে এসে পিচক্রিপশন ছারা ব্যাবস্তাপত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়ে রশিদকে ঔষধ খাওয়ার পরামর্শ দেন হোমিও চিকিৎসক মশিউর। তার ঔষধ খেয়ে রশিদ ক্রমান্নয়ে দুরাবস্থার এক পর্যায় ঢলে পরেন।
রশিদ এ ব্যাপারে ডাক্তার মশিউরের সাথে আলাপ করলে তার ভুল স্বীকার করে ক্ষামা চেয়ে বলেন, ঔষধ মিলাতে ভুল হয়েছে তাই এমন অবস্থা হয়েছে। তার ব্যাবস্হা পত্র সেবন করতে এক পর্যায় নিষেধ করেন তিনি।
রশিদ আরো জানান তার ছোট বোন শাহানাজ পারবিন ৩২ কে জয়েন্টে ব্যাথার ঔষধ দেন ডাক্তার মশিউর তা সেবনেও শরীরে পানি এসে ফুলে যায় ছোট বোন শাহানাজ। কোন উপায়ান্তর না পেয়ে শাহানাজ ঢাকায় গিয়ে টাকা খরচ করে ডাক্তার দেখিয়ে সুস্হ হন তিনি।
এসব ব্যাপারে মশিউর ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে পরক্ষণেই আবার ওই মার্কেটের সভাপতি সহ অন্য দোকানদার দিয়ে হুমকিও দিয়েছেন চিকিৎসক মশিউর এমনটিই জনিয়েছেন রশিদ।
তাই ভুয়া ডাক্তার মশিউরকে আইনের আওতায় এনে তার (রশিদ)স্বাভাবিক জীবনে ফিরে দিতে প্রশাসনের সর্বচ্ছ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রশিদ ও তার পরিবারের লোকজন।
।
-

শহীদ জিয়ার আদর্শে’র সৈনিকরা কখনো হামলা-মামলা নির্যাতনকে ভয় করে না – ইদ্রিস মিয়া
মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহামদুলিল্লাহ ইদ্রিস মিয়া বলেছেন,বর্তমান অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের অধিনে এই দেশের আর কোন নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। বিগত ১৪ বছর সরকারের এমপি-মন্ত্রীরা দেশের উন্নয়নের নামে জনগন ও দেশের সম্পদ লুট করেছে। দেশের এখন গনতন্ত্র নেই, দ্রব্য মূল্য উর্দ্ধগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, হত্যা, গুমসহ বিএনপি’র নেতাকর্মীদের মিথ্যা গায়েবী মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। বিএনপি’র নেতাকর্মীরা সাবেক রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউল রহমানের আদর্শের সৈনিক, তারা কখনো হামলা-মামলাকে ভয় করে না। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চন অবাধ সুষ্ট নিরপেক্ষ তত্ববধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচন দিতে বর্তমান অবৈধ সরকারকে বাধ্য করা হবে। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারুণ্যের প্রতীক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীতে সরকার পতনের আন্দোলনে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে মাঠে কাজ করতে হবে। তিনি ৩ জুন শনিবার সন্ধ্যায় পটিয়া একটি কমিউনিটি সেন্টারে পটিয়া উপজেলা ওপৌরসভা বিএনপি’র উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪২তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আলোচনা সভায় সভাপতি’র বক্তব্যে এ কথা বলেন। সাবেক উপজেলা ছাএদলের সভাপতি এসএম সুমন এর সঞ্চলনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি’র সদস্য সাবেক কাউন্সিলর বদরুল খায়ের চৌধুরী, বিএনপি নেতা মো: জাহাঙ্গীর, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো: ইউনুছ মিয়া,, ইদ্রিস পানু, মাহমুদুর রহমান মান্না, আজিজুল ইসলাম, হাজী নজরুল ইসলাম, জাফর চৌধুরী, আনোয়ার ইসলাম মিয়া,ওমর ফারুক, জমির উদ্দিন আহমদ, দিল মোহাম্মদ, নাসির উদ্দিন, মাহবুবুল আলমদার, শাহজাহান সাজু, আব্দুল মোমেন, শিকদার, সেলিম মাস্টার, মো: খোরশেদ, আবুল কাশেম, মো: বেলাল, মো: নজরুল, আনিস, জমির, মোরশেদ, দিদার, মঈন উদ্দিন, আবদুল করিম মেম্বার, এসএম রুবেল, লোকমান প্রমুখ। দক্ষিণ জেলা বিএনপি সিনিয়র সদস্য বদরুল খায়ের চৌধুরী বলেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে আন্দোলনের মাধ্যমে।
