Author: desk

  • মহেশপুরের সুমন ইয়ারগান দিয়ে শত শত পাখি নিধন করায় বন ও প্রাণী সংরক্ষক অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

    মহেশপুরের সুমন ইয়ারগান দিয়ে শত শত পাখি নিধন করায় বন ও প্রাণী সংরক্ষক অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-
    মাংস খাওয়ার জন্য ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউপির কৃষ্ণচন্দপুর গ্রামের মৃত মিজানুর মাষ্টারের ছেলে মাজেদুল ইসলাম (সুমন) ৩৫ নামের এক পাখি শিকারি অত্র এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত এয়ারগান দিয়ে একের পর এক মা বক সহ বিভিন্ন প্রজাতির শত শত পাখি মেরে নিধন করে আসছিলো। এঘটনায় বিভিন্ন গনমাধ্যম, টেলিভিশন ও পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এঘটনায় গত ৮ জুন বৃহেস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ বন ও প্রানী সংরক্ষক মহাপরিচালক অধিদপ্তরের নির্দেশনায় মহেশপুর বন সংরক্ষকের কর্মকর্তাগন স্বরজমিন পরিদর্শন সহ তদন্ত করেছেন।
    এব্যাপারে পরিদর্শক তদন্তকারী কর্মকর্তা মুবারক আলী জানান পাখি নিধনের বিষয়টি স্বরজমিনে তদন্ত করেছি এবং স্থানীয় জনগনের সাক্ষাতে জানতে পারি সুমন তাহার নিজস্ব ইয়ারগান দিয়ে অত্র-এলাকায় সহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল বিকাল ও সন্ধা রাত্রে মা বক সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এয়ারগান দিয়ে নিধন করেছে। তিনি আরো জানান সুমন আর কখনোই পাখি মারিবে না বলে একটি লিখিত অঙ্গিকার দিয়েছে। যাহা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করা হবে।

    উল্লেখ্য গত ৪ জুন পাখি নিধনকারী সুমন তাহার নিজ গ্রামের মৃত ফকির চাঁদ মন্ডলের বাড়ির সাথে থাকা একটি বাঁশঝাড় থেকে ৪টি মা বককে গুলি হত্যা করে। এতে বাঁসায় থাকা বকের বাচ্চাগুলি মায়ের মুখের খাবার না পেয়ে অনাহারেই তাহারা মারা গিয়াছে। এলাকাবাসীর দাবী এয়ারগান দিয়ে মা পাখি নিধনকারি সুমনের বুরুদ্ধে দ্রত আইনুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি করেছেন।

  • প্রতারক লিটন’কে আটক করেছে মোংলা থানা পুলিশ,  জেল হাজতে প্রেরণ

    প্রতারক লিটন’কে আটক করেছে মোংলা থানা পুলিশ, জেল হাজতে প্রেরণ

    মোংলা প্রতিনিধিঃ
    বন মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা নিয়ে পলাতক থাকা বহুল আলোচিত প্রতারক লিটন মন্ডল (৪০) গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তাকে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে বুধবার রাতে তাকে মোংলা উপজেলার চিলা এলাকার কাটাখালি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামসুদ্দিন বলেন, বন আইনের একটি মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা নিয়ে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন লিটন। সে উপজেলা চিলা ইউনিয়নের নাগের পুকুর পাড়ের অতুল মন্ডলের ছেলে। বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোংলা থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে বাগেরহাট জেল হাজতে পাঠানো হয়। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গাজী আকবর হেসেন বলেন, লিটন গ্রেফতারের খবরে এলাকায় স্বস্তির নিঃস্বাশ ফেলছে। দীর্ঘদিন সে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স দাবি করে এলাকার নিরীহ মানুষকে হয়রানি করে চাঁদাবাজি করতো। এলাকায় বিভিন্ন মানুষকে ভিজিডি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এতে এলাকার ভাবমূর্তি নষ্ট হতো। এছাড়া তার বিরুদ্ধে সুন্দরবন কেন্দ্রিক বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করায় এলাকার সবাই খুশি হয়েছেন। সেই সাথে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায়ের কারণে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

  • সুন্দরগঞ্জে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

    সুন্দরগঞ্জে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

    স্থানীয়দের নিকট থেকে জানা গেছে, বুধবার বিকালে উপজেলার চণ্ডিপুর ইউনিয়নের কামারের ভিটার তিস্তা নদীর বালুচরে এক যুকের লাশ স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার মর্গে পাঠায়। স্থানীয়দের অনেকে বলেন, এই লাশের লোকটিকে আমরা এর আগে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করতে দেখেছি। পাশাপাশি অনেকে মনে করেন প্রচণ্ড গরমের কারণে সে অসুস্থ হয়ে মারা যেতে পারে। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে সে বলেন, এটা একটা পাগলের লাশ হতে পারে। হয়ত কোন কারণে মারা গেছে।
    এব্যাপারে ওসি (তদন্ত) এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ইতোমধ্যে অপমৃত্যুর মামলা রজ্জু হয়েছে। আমরা প্রকৃত তথ্যের জন্য লাশ পোস্টমর্টেমে পাঠিয়েছি। রিপোর্ট আসলেই জানা যাবে কিভাবে মৃত্যু হয়েছে।

  • রামপালে সিআইডির অভিযানে অনলাইন জুয়াড়ি রিপনসহ আটক -২

    রামপালে সিআইডির অভিযানে অনলাইন জুয়াড়ি রিপনসহ আটক -২

    এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি||রামপালে অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে ই-ট্রানজেকশন করে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে সৈয়দ সোহাগ হোসেন (২৯) ও শেখ রিপন উদ্দিন নামে দুই জুয়াড়িকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি পুলিশ। এসময় তাদের হেফাজত থেকে অনলাইন জুয়ায় ব্যবহৃত মোবাইল ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়।
    বৃহস্পতিবার (৮ জুন) দুপুরে বাগেরহাট সিআইডি কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান রন্টু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গ্রেফতার সোহাগ রামপাল উপজেলার বৃচাকশ্রী গ্রামের সৈয়দ মুনতাজ আলীর ছেলে ও রিপন উদ্দিন উপজেলার কুমলাই গ্রামেরশেখ আলী আকবরের ছেলে।

    সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান রন্টু জানান, দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে জুয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম বহির্ভূতভাবে ই- ট্রানজেকশন করে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন করে আসছে অনলাইন জুয়ার একটি চক্র। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। এসময় হাতে নাতে নগদ টাকা, মোবাইল ও কম্পিউটারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    এ ব্যাপারে বাগেরহাট সিআইডি পুলিশের এসআই তুষার দেবনাথ বাদী হয়ে রামপাল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতার আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান সিআইডি পুলিশের এই কর্মকর্তা।

  • কালকিনিতে মৎস্য কর্মকর্তা অপকর্ম ডাকতে মরিয়া

    কালকিনিতে মৎস্য কর্মকর্তা অপকর্ম ডাকতে মরিয়া

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    নিয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করে প্রায় ৬ বছর যাবত একই উপজেলায় চাকরি করে আসছেন মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সন্দীপন মজুমদার। এ সুযোগে তিনি জেলেদের মাঝে বিশেষ ভিজিএফের চাল ও ছাগল বিতরনসহ বিভিন্ন অনিয়ম করার সাহস পাচ্ছেন বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। এদিকে তার বিরুদ্ধে এসব অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিংকি সাহা। অপরদিকে এই ঘটনা জাতীয় পত্রিকা সহ বেশ কয়েকটি পত্রিকা, জাতীয় অনলাইন, স্থানীয় পত্রিকা ও স্থানীয় অনলাইন পোর্টালে ” কালকিনিতে মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিন্তু কিছু পেটুয়া সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দিয়ে ওই অনিয়কারি মৎস্য কর্মকর্তা সন্দীপন মজুমদার একই চেয়ারে পুরো জীবন চাকরি করার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ওই অনিয়মকারি মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তবে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দেয়ায় স্থানীয় সচেতন মহলের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

    উল্লেখ্য উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সন্দীপন মজুমদার গত ২০১৭ইং সালের ০৩ ডিসেম্বর কালকিনিতে সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। একইস্থানে কোনো কর্মকর্তা তিন বছরের বেশি সময় চাকরি করার ব্যাপরে বিধান থাকলেও তিনি নিয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করে উপর মহলকে ম্যানেজ করে প্রায় ৬ বছর যাবত একই উপজেলায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এবং এই সত্য ঘটনার সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় তিনি পুরো চাকরি জীবন একই চেয়ারে কাটানোর জন্য প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দিয়েছেন বলে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি বলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসার দীর্ঘ বছর যাবত এখানে চাকরি করায় তার শেকড় গজিয়েছে। তাই তিনি বিভিন্ন অনিয়ম করতে সাহস পাচ্ছেন। আর এ বিষয় নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দিয়ে তিনি পার পাবেননা বলে আমরা বিশ্বাস করি। কারন বর্তমান সরকার অনিয়মকারীকে ছাড় দেননা। তাই তিনিও ছাড় পাবেন না।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিংকি সাহা বলেন, ‘উপজেলা মৎস্য অফিসার সন্দীপন মজুমদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে।’ তবে প্রতিবাদের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে তার বিষয়ে কি করবে।

  • রামপালে পৃথক অভিযানে ছাত্রলীগ নেতা আলফাজসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    রামপালে পৃথক অভিযানে ছাত্রলীগ নেতা আলফাজসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বাগেরহাটের রামপালের পেড়িখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পদক আলফাজ শেখ (২৫) সহ তিন গাঁজা ব্যবসায়ীকে গাঁজাসহ আটক করা হযেছে। এ ঘটনায় রামপাল থানায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের হয়েছে। আটককৃতদের বাগেরহাটের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আলফাজ পেড়িখালী গ্রামের ইব্রাহীমের পুত্র। অপর দুইজন হলো, উপজেলার মানিকনগর গ্রামের মোস্তফিজের পুত্র শেখ নাজমুল (২৭) ও একই গ্রামের জাহাঙ্গীর মোড়লের পুত্র আরিফ মোড়ল (২১)। রামপাল থানা পু্লিশের এসআই সুবীর কুমার রায় বুধবার রাত সাড়ে ৮ টার সময় পেড়িখালীর পুরাতন ইউপি ভবনের সামনে অভিযান চালান। ওই সময় আলফাজ কে ২৩০ গ্রাম গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করেন। একই দিন রাতে এসআই মবিন উপজেলার ফয়লা বাজারের তারিকুলের ফার্নিচারের দোকানের সামনে ফাকা রাস্তায় অভিযান অভিযান চালান। ওই সময়ে ৪০ গ্রাম গাঁজাসহ শেখ নাজমুল ও আরিফ মোড়লকে আটক করেন।
    পেড়িখালী ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি ফরহাদ হোসেন জানান, ৪ বছর পূর্বে কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পরে সে কোন কমিটিতে নেই। একই কথা বলেন রামপাল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পদক শেখ সাদী। তিনি বলেন, সে দলের কেউ না। তার দায় কেউ নিবে না।
    এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি এস,এম আশরাফুল আলম জানান, আমি কোন মাদক কারবারী, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তার চোর, কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসীকে আমার কর্ম এলাকায় থাকতে দিবো না। উল্লেখ্য, ওসি আশরাফুল আলম গত ৩ মে রাতে রামপাল থানায় যোগদানের পর মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেন। গত মে মাসে ১০ টি মাদক মামলার বিপরীতে ১৪ জনকে এবং চলতি মাসের ৭ জুন পর্যন্ত ৪ টি মামলার বিপরীতে ৫ জনকে আটকসহ ৭ জনের নামে মামলা হয়েছে। সূত্র জানায় অভ্যহত অভিযানে মাদক কারবারীদের ভেতর আতঙ্ক তৈরী হয়েছে। #

  • বৃষ্টি উপেক্ষা ঝালকাঠিতে বিএনপির অবস্থান কমসূচি ও স্বারকলিপি প্রদান

    বৃষ্টি উপেক্ষা ঝালকাঠিতে বিএনপির অবস্থান কমসূচি ও স্বারকলিপি প্রদান

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঝালকাঠিতে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি ও বিদ্যূৎ বিতরণ বিভাগ ঝালকাঠি ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবরে স্বারক লিপি প্রদান করা হয়েছে। জেলা বিদ্যুৎ অফিসের সম্মুখে বৃস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত পালিত এই কর্মসুচিতে জেলা ও উপজেলার বিপুল সংখ্যাক বিএনপি নেতাকর্মী অংশগ্রহন করেন।
    তারা বলেন, সরকার রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল প্রকল্পের মাধ্যমে তার নিজস্ব আত্বীয়স্বজনদের ‍বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।দেশের আইন অনুযায়ী এটা একটা ফৌজদারী অপরাধ তাই সকল অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। এখন জেলা উপজেলায় ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। আবাল বৃদ্ধ বনিতা ঘনঘন লোডশেডিংয়ে দিশেহারা হয়ে গেছে। সধারন মানুষ তাদের হাত থেকে পরিত্রান চায় বলে আমরা মনে করি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেণ, জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ হোসেন,সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন,পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান,সাধারন সম্পাদক আনিচুর রহমান,ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক এজাজ হাসান,সাধারন সম্পাদক খোকন মল্লিক,নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান হেলাল,সাধারন সম্পাদক সেলিম গাজী,জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    অবস্থান কমূসুচি শেষে জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ হোসেন ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপি জেলা বিদ্যূৎ বিতরণ বিভাগ ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলীর বরাবরে প্রদান করা হয়।

    ঝালকাঠি জেলা ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুর রহিম বলেন,তাদের পক্ষ থেকে একটি স্বারকলিপি দেওয়া হয়েছে। উর্ধতন কতৃৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হবে।

  • সিরাজদিখানে সাংবাদিকদের সম্মানী টাকা আত্মসাৎ বিএনপির নেতার

    সিরাজদিখানে সাংবাদিকদের সম্মানী টাকা আত্মসাৎ বিএনপির নেতার

    লিটন মাহমুদ,
    সিরাজদিখান(মুন্সীগঞ্জ)প্রতিনিধি।
    সিরাজদিখানে সাংবাদিকদের সম্মানী টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে।গত ২৯শে মে উপজেলা বিএনপির একাংশ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করে। সেই প্রতিবাদ সভায় সাংবাদিকদের সম্মানী টাকা বাবদ ২৫ হাজার টাকা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন খান খোকন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ধীরন ও বিএনপি নেতা আজিজুল হক খানের কাছে দেন। পরবর্তীতে আজিজুল হক খান সেই টাকা যুবদল নেতা প্রীন্স নাদিমের কাছে দেয়। ওই সভা শেষ হয়ে গেলে সাংবাদিকদের সাথে কোন প্রকার আলোচনা নাকরেই সকল বিএনপি নেতা কর্মীরা ও চলে যায়।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সাথে জসীম উদ্দীন খান খোকনের আলাপচারিতায় এই টাকা আত্মসাতেরর কথা জানাজানি হয়।সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন খান খোকন বলেন,আমি সাংবাদিকদের সম্মানী টাকা বাবদ ২৫ হাজার টাকা আমাদের বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ধীরন ও আজিজুল হক খানের কাছে দিয়েছি। আমি আজ জানতে পারলাম সাংবাদিকরা কোন সম্মানী ভাতা পায়নি।

    আজিজুল হক খান বলেন,আমার কাছে জসীম উদ্দীন খান ভাই সাংবাদিকদের জন্য যে সম্মানী ভাতা দিয়েছিলো তা আমি যুবদল নেতা প্রিন্স নাদিমের কাছে দিয়ে দিয়েছি। সে বলেছে সাংবাদিকদের আমি ম্যানেজ করবো। পরে সে কি করেছে আমি জানি না। সাংবাদিকদের কত টাকা সম্মানী ভাতা হিসাবে দিয়েছে তা জানতে চাইলে আজিজুল হক খান বলেন,এ বিসয়টি যুবদল নোত প্রিন্স নাদিম সিক্রেট রাখতে বলেছে৷

    এ বিষয়ে প্রিন্স নাদিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমার কাছে কেউ কোন সম্মানী ভাতার টাকা দেয়নি। আমি নিজেই তো এই প্রতিবাদ সভার পক্ষে ছিলাম না।

    উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ধীরন বলেন,ওই প্রোগ্রামের সব হিসাব আজিজুলের কাছে। সম্মানী ভাতার বিষয়টিও সে ও নাদিম দেখেছে। যদি সাংবাদিক ভাইদের সম্মানী ভাতা কেউ আত্মসাৎ করে থাকে তাহলে এটি নিন্দনীয় কাজ করেছে। আমি এই বিসয়টি জানতাম না। এখন জানলাম। আমি পুরো ঘটনা টি জেনে আপনাকে জানাচ্ছি।

  • ময়মনসিংহে এক রাস্তার উন্নয়ন করে  কয়েক গ্রামের মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান

    ময়মনসিংহে এক রাস্তার উন্নয়ন করে কয়েক গ্রামের মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে ইউপি চেয়ারম্যান

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলার অষ্টধার ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে যখন এই এলাকায় নৌকা ছাড়া চলাচলের কোনো উপায় থাকে না। তখন রাস্তা যেন এক দূরের স্বপ্ন যা কখনো বাস্তবায়ন হওয়ার নয়। ছোট-বড় জঙ্গলের মাঝ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে এখনো যাদের চলাচল তাদের কাছে পাকা রাস্তা স্বপ্নই মনে হবে-এটাই স্বাভাবিক। দেশ স্বধীনের পরে এখানকার বাসিন্দারা প্রশস্ত কাঁচা রাস্তাও দেখেননি।

    যা বর্তমানে ইউনিয়নের তারাপুর, সেনেরচর,রেহাই তারাপুর, মহিষমারী,সেনেরচর,কাউনিয়া ও নামাকায়দা পাড়া চরাঞ্চল এর গ্রামের মানুষ চলাচলের জন্য একটি রাস্তার স্বপ্ন পুরণ হতে চলেছে। এই রাস্তা পেয়ে তারা খুবই আনন্দিত।

    জানাযায়, বিচ্ছিন্ন ওইসব এলাকা থেকে অল্প সময়ে সরাসরি ইউনিয়ন তথা উপজেলার প্রাণকেন্দ্রেও আসার কোনো উপায় নেই। অবিশ্বাস্য হলেও এমন চিত্র ডিজিটাল যোগে চোখে পড়ে অষ্টধার ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন এলাকা তারাপুর, সেনেরচর,রেহাই, তারাপুর, মহিষমারী,সেনেরচর,কাউনিয়া ও নামাকায়দা পাড়াসহ চরাঞ্চল এর কয়েকটি গ্রাম। এই গ্রামগুলো এখনো নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চল বলে জানা যায়।

    সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, অষ্টধার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমান এর প্রচেষ্টায় দূর্যোগ মন্ত্রণালয়ের কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা) প্রকল্পের আওতায় মহিষমারী নদীর ঘাট থেকে নামা কাইদাপারা পর্যন্ত ১৫ ফিট প্রশস্ত এবং প্রায় ১.৫ কিমি দীর্ঘ রাস্তার নির্মান কাজ উদ্বোধন করা হয়।

    মহিষমারী ও কাউনিয়া এলাকাবাসী জানান, আমরা এই রাস্তা পেয়ে খুবই আনন্দিত এবং এমদাদুল হক আরমান চেয়ারম্যানের মঙ্গল কামনা করেন। এ ভাবে ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডে রাস্তা নির্মাণ করা খুবই জরুরি। কারণ এ ওয়ার্ডের এলাকাগুলো নদী ও খাল দিয়ে বিচ্ছিন্ন এবং জঙ্গলে ভরপুর। এখানে রয়েছে একটি মাত্র “ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়”। এই প্রাথমিক বিদ্যালয় শুকনো মৌসুমে গ্রামগুলোতে আজও জঙ্গলের ভিতর দিয়ে পায়ে হেটেঁ আর বর্ষায় নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয়।

    ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমান বলেন, রাস্তা মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা যত উন্নত সেই এলাকার গুরুত্ব তত বেশী।কোনো অদৃশ্য কারণে দীর্ঘদিন এই গ্রাম গুলো উন্নয়নের কাজ থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমানে এই ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ডের কাজ পরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এক দিকে আমি নতুন আরেক দিকে সরকারের বাজেট কম একই সঙ্গে অন্য রাস্তাগুলো নির্মাণ করাও জরুরি। তবে ওই নিম্ন এলাকাগুলো বিচ্ছিন্ন বলে ওয়ার্ডটির প্রকৃত উন্নয়ন হতে একটু সময় লাগবে। তবে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডটির উন্নয়ন ধীরগতিতে দৃশ্যমান হলেও কাজ চলছে গুরুত্বের সঙ্গে। আর চিহ্নিত করার মাধ্যমে এবং ইউনিয়নের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও সার্বিক সহযোগিতায় পর্যায়ক্রমে ওয়ার্ডের রাস্তাসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। তিনি আরো বলেন, মাননীয় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশরাফ হোসাইন এর নির্দেশনায় তারাপুর, সেনেরচর,রেহাই, তারাপুর, মহিষমারী,সেনেরচর,কাউনিয়া ও নামাকায়দা পাড়াসহ চরাঞ্চল বাসীর যাতায়াতের সমস্যা লাঘবে চির বঞ্চিত মহিষমারী-কায়দাপাড়া গ্রামের রাস্তার মাঠি কাজের শুভ সূচনা করা হয়। একটি রাস্তা করতে গেলে সাময়িকভাবে কিছু ক্ষতি হলেও দীর্ঘমেয়াদী অনেক উপকার রয়েছে। তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশরাফ হোসাইন এর সহযোগিতা কামনা করেন।

  • আগৈলঝাড়ায় ধর্ষন ও পর্নোগ্রাফী আইনের  মামলার যাবতজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

    আগৈলঝাড়ায় ধর্ষন ও পর্নোগ্রাফী আইনের মামলার যাবতজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ ধর্ষন ও পর্নোগ্রাফী আইনের মামলার যাবতজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামীকে গ্রেফতার করেছে। আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ মাজহারুল ইসলাম গ্রেফতারী পরোয়ানার (মামলার) বরাদ দিয়ে নতুন বাজার পত্রিকার প্রতিনিধি বি এম মনির হোসেনকে জানান উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের সেরাল গ্রামের মৃতঃ আবু তালেব সিকদারের ছেলে ঢাকার হাজারীবাগ থানার ধর্ষন ও পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রন আইনের মামলার যাবতজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী মোঃ মিজানুর রহমান মিজান(৪০) কে আগৈলঝাড়ার থানার এস আই আলী হোসেন ও এ এস আই মোঃ সোহাগ হোসেন সংগীয় ফোর্স নিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে বুধবার রাতে গ্রেফতার করেন। এস আই মোঃ আলি হোসনে সাংবাদিক বি এম মনির হোসেনকে জানান তার (মোঃ মিজানুর রহমান মিজানের) বিরুদ্ধে ঢাকার হাজারীবাগ থানার ধর্ষন ও পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রন আইনে এক নারী ২০১৯ সালের মার্চ মাসে একটি মামলা দায়ের করেন, যার নং-২৭০। ওই মামলার পর থেকে সে পলাতক ছিল। ওই মামলায় তার অনুউপস্থিতিতে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত আসামী মোঃ মিজানুর রহমান মিজানকে যাবতজ্জীবন কারাদন্ড ও একলক্ষ টাকা জরিমানার রায় দেন। এঘটনায় আগৈলঝাড়া থানায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা আসায় আমি এস আই মোঃ আলী হোসেন সংগীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করি এবং আগৈলঝাড়ায় নিয়ে আসি। ৮ জুন বৃহস্পতিবার তাকে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।